কুয়েতে বাংলাদেশী যুবকের আত্মহত্যা।

মোঃ আলাল আহমদঃ

কুয়েতের ওফরা নামক এলাকায় ফেসবুকে পোস্ট করে গলায় ফাঁস দিয়ে রাফি আহমেদ (২৫) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি আত্মহত্যার করেছেন।

নিহত রাফি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের শহরের ফুলবাড়িয়া এলাকার ফারুক মিয়ার ছেলে। আত্মহত্যা করার আগে রাফি তার নিজের ফেসবুকের পোস্টে লেখেন।
মুক্তির পথে যাত্রী হলাম
মানসিক শান্তির খুব অভাব।
এই পোস্ট করে সে ১০ ই আগষ্ট দিবাগত রাতে কোন এক সময় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যাই করে বলে ধারণা করা হচ্ছে, খবর পেয়ে কুয়েতের আইন শৃঙ্খলাবাহিনী লাস উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহতের মামা প্রবাসী কবির মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাফি সহ তারা ২ ভাই ২ বোন, কি কারণে তার ভাগিনা আত্মহত্যা করেছেন, তা এখনোও পর্যন্ত নিশ্চিত হতে পারেননি তিনি, গত ৪ মাস আগে সে কুয়েতে আসে। তার মরদেহ বর্তমানে কুয়েতের ফরওয়ানিয়ার সরকারি হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।।

প্রেমের টানে বাংলাদেশে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি

দেশে যে কত রসিক মানুষ আছেন, তা বোঝা যায় প্রথম আলোর ফেসবুক পেজের বিভিন্ন পোস্টের নিচে পাঠকের মন্তব্য দেখলে। কিছু মন্তব্য পড়লে হাসতে হাসতে পেটে খিল লেগে যাওয়ার দশা হয়। প্রিয় পাঠকের সরস এবং তীক্ষ্ণ মন্তব্যগুলো নিয়েই একটু থামুনের এই বিভাগ—পাঠক বলেছেন। এখানে বাছাই করা দারুণ মন্তব্যগুলো প্রকাশ করা হয়। অতএব চোখ রাখুন নিয়মিত…

প্রবাসীদের ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পাঠানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর!

প্রকাশিত : ১৮:২৪, ২৮ জুলাই ২০২২ আপডেট: ১৮:২৫, ২৮ জুলাই ২০২২

দেশে রিজার্ভ সংকট নেই। এই নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) দেশের ২৪টি উপজেলায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

অনেক প্রবাসী টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠানোর সুযোগ পায় না, তাই বৈধভাবে এ অর্থ দেশে আনার সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংককে উদ্যোগ গ্রহণ করতে নির্দেশনা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর সুবিধা না পাওয়ায় তাদের নির্ভর করতে হয় হুন্ডির ওপর। এরপর আমাদের কিছু লোক আছে বিদেশে এবং আমাদের বিরোধী দলেরও কিছু এজেন্ট আছে। তারা নানাভাবে মানুষকে উসকায় ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা না পাঠিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে পাঠাতে। এতে তাদের লাভ হয়।’

তিনি বলেন, ‘শ্রমিকদের কষ্টার্জিত টাকা তারা পকেটস্থ করে এবং কিছু টাকা দেশে পাঠায়। কিন্তু ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠালে সেটা নিরাপদ থাকে। হয়তো এক-দুই পয়সা বা দুই-এক টাকা কম বেশি হতে পারে। কিন্তু টাকাটা নিরাপদে তার অ্যাকাউন্টে জমা হবে। সেই ব্যাংক থেকে প্রয়োজনীয় টাকা পরিবারকে দিতে পারবে এবং বাকি টাকা ব্যাংকে জমা থাকবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ। সেখানে ৩৮ শতাংশ যুব সমাজ। এই যুব সমাজকে আমরা শুধু বিদেশে প্রেরণ করবো, এটা ভাবলে চলবে না। আমরা দেশে যে অর্থনৈতিক অঞ্চল করছি, সেখানেও দক্ষ জনশক্তি লাগবে। কাজেই আমরা প্রশিক্ষণ দেবো।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা গৃহকর্মী পাঠাই, তাদেরকে আমরা প্রশিক্ষণ দেই। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো আমরা যে প্রশিক্ষণটা দেই সেটা তারা যথাযথভাবে নেয় না। প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময় যে টাকাটা দেওয়া হয় সেটা নেয়। কিন্তু প্রশিক্ষণটা নেয় না। পরে বিদেশে গিয়ে বিপদে পড়ে।

তিনি বলেন, রপ্তানি নির্ভর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের দিকে আমাদের গুরুত্বারোপ করতে হবে। আমরা পণ্য যেমন উৎপাদন করব পাশাপাশি পণ্যের নতুন নতুন বাজার খুঁজে বের করতে হবে। 

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ।

টাকার দাম কমছেই, সামনে কী দশা?

এখন প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে দেখি টাকার অবমূল্যায়ন। প্রথমবারের মতো ডলার আর ইউরোর দাম সমান হয়েছে। আর ফল হিসেবে সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ বাড়ছে। এখন অনেকের মনেই প্রশ্ন, বাংলাদেশের টাকা আর কত অবমূল্যায়িত হতে পারে?

প্রথমেই কিছু তাত্ত্বিক কথা শুনে নিই। নমিনাল কার্যকর মুদ্রা বিনিময়ের (এনইইআর) হার যেটা আমরা দেখি, বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন মুদ্রার মধ্যে তুলনা করে ঠিক করে দেয়। আরেকটা মুদ্রা বিনিময়ের হার আছে—বাস্তব মুদ্রা বিনিময়হার (রিয়েল ইফেক্টিভ এক্সচেঞ্জ রেট—আরইইআর), যা আরেকটি দেশের সঙ্গে সব দেশের ব্যবসার তুলনা এবং ক্রয়ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে নির্ধারণ করা হয়। আর এখানেই আমরা পিছিয়ে যাই। আমাদের এনইইআর ডলারের সাপেক্ষে এখন প্রায় ৯৪ টাকা, কিন্তু আরইইআর মে-২০২২–এ ছিল ১১৬ দশমিক ২ টাকা (সূত্র বাংলাদেশ ব্যাংক মনিটরি পলিসি-২০২০)। এই ব্যবধান শুরু হয়েছিল জুন–২০১৬ থেকে।

সরকারের প্রথম চেষ্টা আইএমএফ থেকে ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি ঋণ নেওয়ার। আইএমএফ যদি দেয়ও, তাদের অনেক শর্ত মেনে নিতে হবে। এর মধ্যে টাকার মূল্যমান ঠিক করা, সব ক্ষেত্রে ভর্তুকি কমানোসহ অনেক কঠিন শর্ত থাকতে পারে। ফলাফল হিসেবে আরও বেশি মূল্যস্ফীতি আসতে পারে।

বিভিন্ন ফোরকাস্টিং ওয়েবসাইটও আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ের পর একটা বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথা বলছে। আরইইআর যত বেশি হয়, আমদানি পণ্যের দাম তত বাড়ে এবং রপ্তানির দাম কমতে থাকে। ফলে দেশের ক্রয়ক্ষমতা কমতে থাকে। এ জন্য আইএমএফ সব সময় দুটো এক্সচেঞ্জ রেটকে এক রাখতে বলে। আর আরইইআরকে রাখার চেষ্টা করতে বলে ১০০–এর নিচে। বাংলাদেশ ব্যাংক এখন টাকার অবমূল্যায়ন করে এই ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করছে।

ফলাফল যা হওয়ার, তা–ই হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি রপ্তানির রেকর্ড গড়েও আমাদের আমদানিও নতুন রেকর্ড করে ফেলেছে। আমাদের রিজার্ভ কমছে। মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। আর তার ফলাফল সব ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, একটা অস্থিরতা। সরকারি হিসেবে আমাদের রিজার্ভ ৩৯ বিলিয়ন ডলার হলেও, আইএমএফের মতে সেটা ৩২ বিলিয়নের বেশি নয়, যা মোটামুটি আমাদের চার মাসের খরচ। তিন মাসের খরচে এলেই বিপৎসংকেত বেজে উঠবে। এখনো কিন্তু সব ধারের সুদের টাকা ফেরত দেওয়া শুরু হয়নি।

গত বছর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের হারানো টাকার অবমূল্যায়ন মে-২০২২ পর্যন্ত হয়েছে ৯ দশমিক ২ শতাংশ, যেটা এখন আরও বেড়েছে। এই অবমূল্যায়ন কি মূল্যস্ফীতিতে যুক্ত হয়নি? আমাদের পাচার হওয়া টাকা আর অবমূল্যায়ন—দুটোই কিন্তু মূল্যস্ফীতির একটা অংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের মে মাসের মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা মেনে নেওয়া কঠিন, যেখানে অবমূল্যায়ন হয়েছে ৯ শতাংশের বেশি। বাস্তবে ৯০ দশকের পর বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতির মধ্যে রয়েছে, যা কোনোক্রমেই ১২ শতাংশের নিচে নয় (২০১১ সালে ছিল ১১ দশমিক ৪ শতাংশ) যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি এখন ৯ দশমিক ১ শতাংশ। আবার আইএমএফের মতে এ বছর গড় মূল্যস্ফীতি হবে ৮ শতাংশের ওপর। কিন্তু বিবিএস কখনোই ঠিক উপাত্ত দিতে পারেনি।

আগেও এক লেখায় জনসংখ্যার সঠিক গণনার গুরুত্ব নিয়ে লিখেছিলাম। এবারও জনসংখ্যার গণনা নিয়ে সংশয় আছে, ফলাফল—এবারও ঠিক উপাত্ত আমরা পাব না।
করোনার সময় আমাদের বাঁচিয়ে দিয়েছিল কৃষি। কিন্তু এবার সময়ও প্রতিকূল। বন্যা, অনাবৃষ্টি, দাবদাহ, পানির স্তর নেমে যাওয়া, সরঞ্জামের দাম বৃদ্ধি—এসব কারণে এবার আশানুরূপ ফলন হবে না। বিশ্ব খাদ্য সংস্থা ইতিমধ্যেই বিপৎসংকেত জারি করেছে। ইউক্রেন যুদ্ধ, তেলের দাম বৃদ্ধি, কোভিড, জলবায়ুর জন্য প্রায় ৮২ কোটি মানুষ সারা বিশ্বে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় আছে। ফলে অনেক দেশ খাদ্য রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা, আমরা অনেক কিছুর জন্যই বাইরের দেশগুলোর ওপর নির্ভরশীল। প্রবাসীদের রেমিট্যান্স আর কেবল তৈরি পোশাকশিল্পের ওপর ভরসা করে আমরা বিলাসিতা দেখিয়েছি। কিন্তু সব ব্যবসারই উন্নয়নের পর মন্দা পর্যায় আসে, আরও খারাপ হলো ডিপ্রেশন। আমাদের দেশ এখন যদি খারাপ দিকে যায়, মন্দা পর্যায়ে যাবে, শ্রীলঙ্কা আছে ডিপ্রেশনে।

সরকার এখনো চেষ্টা করছে, কিন্তু সেই চেষ্টা সেই কোভিডের মতো—এলোমেলো পরিকল্পনা আর ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দেওয়া। সরকারের প্রথম চেষ্টা আইএমএফ থেকে ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি ঋণ নেওয়ার। আইএমএফ যদি দেয়ও, তাদের অনেক শর্ত মেনে নিতে হবে। এর মধ্যে টাকার মূল্যমান ঠিক করা, সব ক্ষেত্রে ভর্তুকি কমানোসহ অনেক কঠিন শর্ত থাকতে পারে। ফলাফল হিসেবে আরও বেশি মূল্যস্ফীতি আসতে পারে। ব্যাংক নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেও তারা ডলারের প্রবাহ ঠিক রাখার চেষ্টা করছে। প্রণোদনা ও বিভিন্ন সুযোগ দিয়ে আনার চেষ্টা করছে বাইরে থেকে রেমিট্যান্স আর পাচার করা টাকা ফেরত আনার মাধ্যমে। এগুলোতে সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ হলেও বেশি সময় নিয়ে টিকিয়ে রাখা কঠিন।

এখন সময় সবার ঐক্যের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা, সঠিক তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করা। কৃষিতে গুরুত্ব দেওয়া, বিলাসপণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করা, অদরকারি খরচ বাদ দেওয়া, অপচয় কমানো, নতুন রপ্তানির খাত খুঁজে বের করা, তার চেয়ে বেশি দরকার বিভিন্ন বিষয়ের সরকারি, বেসরকারি এক্সপার্ট আর একাডেমেশিয়ানদের নিয়ে কমিটি করে সম্ভাব্য বিপদের আগেই যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে রাখা। আমরা সাধারণ মানুষ শুধু অপচয় আর খরচটাই কমাতে পারি, বাকি সব সরকারের হাতেই। যেকোনো বিপদ নতুন নতুন সুযোগ তৈরি করে, কথা হচ্ছে আসন্ন বিপদ থেকে আমরা সুযোগ বের করে নিতে পারব কি না!

বিয়ে করতে দেশে এলেন দুবাই প্রবাসী, লাগেজের মালামাল গায়েব

ঢাকার ছেলে মির্জা সেলিম, ১৩ বছর ধরে থাকেন দুবাইয়ে। পরিবারের চাওয়া অনুযায়ী বসতে যাচ্ছেন বিয়ের পিঁড়িতে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১ মাসের ছুটি নিয়ে দেশে এসেছেন গত ৮ জুলাই। বিয়ে বলে কথা, বিয়ে উপলক্ষে বিদেশে কেনা নানান জিনিসপত্রে ভর্তি ছিল লাগেজ। কিন্তু ঢাকায় হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে সেই লাগেজ খুঁজে পাননি সেলিম। চার দিন পর লাগেজ ফিরে পেলেও প্রায় ১০ কেজি ওজনের জিনিসপত্র গায়েব। শুধু সেলিম নন, প্রতিনিয়ত এমন ভোগান্তিতে পড়ছেন তার মতো অনেক প্রবাসী।

ভুক্তভোগী মির্জা সেলিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ৮ জুলাই আমি দুবাই থেকে এয়ার এরাবিয়ার ফ্লাইটে (G9516) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসি। বিমানবন্দরের লাগেজ বেল্টে আমার লাগেজ পাইনি। সেদিন বিমানবন্দরে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছিলাম, কিন্তু লাগেজ আর পাইনি। এয়ার এরাবিয়ার কর্মকর্তারা সেদিন আমাকে বলেছিল, লাগেজ পরেরদিন বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে।

বিয়ের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসছে কিন্তু লাগেজ না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েন সেলিম। লাগেজ পেতে তাকে ১২ জুলাই পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। তিনি বলেন, আমি এয়ার এরাবিয়ার দেওয়া মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য চেষ্টা করেছি, কিন্তু তারা কেউ ফোন ধরেনি। ১২ জুলাই আমার মোবাইল নম্বরে কুরিয়ার সার্ভিস এসএ পরিবহন থেকে ফোন আসে, তারা তাদের অফিসে থেকে আমাকে লাগেজ সংগ্রহ করতে বলে।

রাজধানীর দনিয়া এলাকায় থাকেন প্রবাসী মির্জা সেলিম। যাত্রাবাড়ী এলাকায় এসএ পরিবহনের অফিসে গিয়ে নিজের লাগেজ নিয়ে আসলেন বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে দেখেন রূপার অলংকার, মেয়েদের ঘড়ি, কসমেটিকসহ প্রায় ২৫ হাজার টাকার জিনিসপত্র গায়েব। লাগেজের চেইন ভাঙ্গা।

মির্জা সেলিম বলেন, এসএ পরিবহনের অফিসে গেলে তারা বিভিন্ন কাগজে আমার স্বাক্ষর নেয়। দেখলাম আমার লাগেজ প্লাস্টিক দিয়ে র‌্যাপিং করা, কিন্তু আমি লাগেজ র‌্যাপিং করিনি। এসএ পরিবহনের কর্মীরা জানালেন, এভাবেই নাকি বিমানবন্দর থেকে লাগেজ এসেছে তাদের কাছে। লাগেজে র‌্যাপিং করা থাকায় তৎক্ষণাত আমি আর কোনও বিষয় খেয়াল করতে পারিনি। বাড়ি গিয়ে দেখি আমার লাগেজের চেইন ভাঙ্গা, জিনিসপত্র নেই।

ক্ষোভ প্রকাশ করে মির্জা সেলিম বলেন, বিয়ে উপলক্ষে পরিবার-পরিজনের জন্য কিছু জিনিসপত্র আনলাম, সেগুলো গায়েব। এমন যদি হতো পুরো লাগেজ হারিয়েছে, তাহলে ভিন্ন কথা। লাগেজে কিছু আছে, কিছু নেই মানে কী? কেউ না কেউ খুলে জিনিসপত্র নিয়ে গেছে। আমাদের টিকিটের টাকা থেকে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা, উন্নয়নসহ নানা রকম চার্জ সরকার নেয়। এটাই কি নিরাপত্তার নমুনা। আমি প্রথম এমন ভুক্তভোগী এমন না— শত শত প্রবাসী হয়রানির শিকার, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আমি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে লিখিতভাবে এ বিষয়ে জানিয়েছি। আমি লিখিতভাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে জানিয়েছি।

জানা গেছে, সম্প্রতি ব্যাগেজ লেফট-বিহাইন্ড বেড়ে যাওয়ায় অসংখ্য যাত্রীকে এ ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। সাধারণত বাজেট (লো কস্ট ক্যারিয়ার) এয়ারলাইন্সগুলোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যাগেজ লেফট-বিহাইন্ড হয়। বর্তমানে শুধু বাজেট এয়ারলাইন নয়, সবধরনের এয়ারলাইনের ক্ষেত্রে ব্যাগেজ লেফট-বিহাইন্ড বেড়েছ মাত্রাতিরিক্ত। এরমধ্যে জাজিরা এয়ারওয়েজ, সালাম এয়ার, কাতার এয়ারওয়েজ, সৌদি এরাবিয়ান এয়ারলাইন্স, ফ্লাই দুবাই, এয়ার এরাবিয়া, ওমান এয়ার, গালফ এয়ার, কুয়েত এয়ারওয়েজের ক্ষেত্রে ব্যাগেজ লেফট-বিহাইন্ড বেশি হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী এয়ারলাইন লেফট-বিহাইন্ড হওয়া লাগেজ যাত্রীর বাড়িতে কুরিয়ার করে পাঠিয়ে দিবে। তবে অনেক যাত্রী অভিযোগ করছেন কুরিয়ার থেকে সংগ্রহ করা লাগেজে থেকে মাল চুরি হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, কোনও যাত্রীর ক্ষেত্রে যদি এমন ঘটনা ঘটে তাহলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য এয়ারলাইনগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যাত্রী যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন জানালে ক্ষতিপূরণ পাবেন।

মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশ ছাড়াল

মূল্যস্ফীতি এবার সাড়ে ৭ শতাংশ ছাড়িয়েছে। গত জুন শেষে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ এ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।

বাজারে পণ্যমূল্য বেড়ে যাওয়ায় বেশ কয়েক মাস ধরে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেছে। বাজারে সব ধরনের পণ্যেরই দাম বাড়তি। এ কারণে কয়েক মাস ধরে মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের জন্য আবারও মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, বিবিএস মূল্যস্ফীতির যে হিসাব দিচ্ছে, প্রকৃত মূল্যস্ফীতি তার চেয়ে বেশি।

খাদ্যদ্রব্য কিনতে গিয়েই সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে মানুষ। আবার শহরাঞ্চল ও গ্রামের মানুষের মধ্যে মূল্যস্ফীতির চাপ বেশি গ্রামাঞ্চলে।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, গত জুন মাস শেষে দেশে খাদ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৭ শতাংশে। আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ। অর্থাৎ খাদ্যদ্রব্য কিনতে গিয়েই সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে মানুষ। আবার শহরাঞ্চল ও গ্রামের মানুষের মধ্যে মূল্যস্ফীতির চাপ বেশি গ্রামাঞ্চলে। কারণ, শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতির চাপ বেশি। সদ্য প্রকাশিত বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, জুন শেষে গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশে। আর একই সময়ে শহরাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ৬২ শতাংশ।

গত জুন শেষে গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশে। আর একই সময়ে শহরাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ৬২ শতাংশ।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, গ্রামাঞ্চলে খাদ্যের মূল্যস্ফীতি পৌঁছেছে প্রায় ৯ শতাংশে। জুন শেষে গ্রামে খাদ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ। শহরাঞ্চলে এ হার ৭ শতাংশের ওপরে রয়েছে।

ভৈরবের ইউনাইটেড হাসপাতালে নার্সকে ধর্ষণ করে হত্যার করেছে এমডি হানিফুর রহমান সুমন।

বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই ২০২২, ৩০ আষাঢ় ১৪২৯, ১৪ যিলহজ ১৪৪৩ হিজরী


ধর্ষণ ও খুনের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে হাসপাতালের ম্যনেজিং ডাইরেক্টর এমডি হানিফুর রহমান সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ইউনাইটেড হাসপাতাল অ্যান্ড অর্থোপেডিক সেন্টারে নার্সের চাকরি করতেন
রিমা প্রামানিক(২০)। নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের পিরিজকান্দি গ্রামের (হাই স্কুলের পেছনের বাড়ি) সেন্টু প্রামাণিকের মেয়ে সে।
আজ ১১.০৭.২০২২ইং রোজ সোমবার সকাল ৯টার দিকে হাসপাতালের একটি কক্ষ থেকে রিমার মরদেহ উদ্ধার করে ভৈরব থানা পুলিশ। তার পরিবার সূত্রে জানা জায়, গত বুধবার হাসপাতাল থেকে ছুটি নিয়ে বাড়িতে আসে রিমা। পরের দিন শনিবার পুলিশে চাকুরী নিবে বলে, হাসপাতালে পদত্যাগ পত্র দিয়ে বাড়িতে চলে আসে রিমা। পরবর্তীতে রবিবার হাসপাতাল কতৃপক্ষ বাড়ি থেকে তাকে ডেকে নিয়ে যায়। আজ সোমবার সকালে হাসপাতালের একটি কক্ষে রিমার মৃত দেহ পাওয়া যায়। রিমার পরিবার বলেন আমরা হাসপাতালে এসে দেখি রিমার গলায় ওড়না প্যাচানোর দাগ, আমার মেয়ে হসপিটালে কেন গলায় ফাঁস দিবে?
ইউনাইটেড হাসপাতালের পার্শবর্তী হাসপাতালের কর্মচারী, মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ, পরিবার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তবর্গরা মনে করেন, রিমা প্রমানিক একজন সুন্দরী মেয়ে। সে চাকরি ছেড়ে চলে যাওয়া হাসপাতালের এমডি হানিফুর রহমান সুমন অনেক ক্ষুব্দ হন। পরবর্তীতে কৌশলে মেয়েটিকে বাড়ি থেকে ডেকে এনে গভীর রাতে কৌশলে তাকে একটি রুমের মধ্যে বন্ধী করে ধর্ষণ ও অমানবিক নির্যাতন করে হত্যা করে। পরে তার গলায় ওড়না প্যাঁচিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখে এবং আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তারা মনে করেন, এই হত্যাকান্ডের সাথে শুধু সুমন নয় তার সহযোগী পর্টনাররাও জড়িত থাকতে পারে। হাসপাতালের এমডি ও অন্যান্য সকল পরিচালকদের গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসা করলে ঘটনার সঠিক তথ্য অবশ্যই বের হয়ে আসবে।
ধর্ষণ ও খুনের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে হাসপাতালের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর এমডি হানিফুর রহমান সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে ভৈরব থানার পুলিশ।
ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ গোলাম মোস্তফা জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হাসপাতালের একটি কক্ষের বিছানা থেকে রিমার মৃতদেহ উদ্ধার করি, ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ কিশোরগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তা জানান চাকরি ছাড়ার বিষয় নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড হতে পারে তবে অপরাধী যেই হোক না কেন সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
আমি এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায় বিচারের দাবি জানাই।

পদ্মা সেতুতে প্রথম দিনেই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ২

রবিবার  , ২৬ জুন ২০২২, ১২ আষাঢ় ১৪২৯, ২৫ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

শনিবার পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর রোববার সকাল থেকে যান চাল শুরু হয়েছে। আর যান চলাচলের প্রথম দিনেই পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে দুজন মারাত্মক আহত হয়েছেন।

রোববার (২৬ জুন) রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। তবে পদ্মা সেতুর ঠিক কোন জায়গায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ দুর্ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, মারাত্মক আহত হয়ে দুজন সেতুর ওপর পড়ে আছেন। পাশে রক্তের ছোপ। তাদের হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

বিস্তারিত আসছে…

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উদযাপন করল কুয়েত দূতাবাস”

রবিবার  , ২৬ জুন ২০২২, ১২ আষাঢ় ১৪২৯, ২৫ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাসে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয়েছে। সেখানে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়।শনিবার স্থানীয় সময় অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি সরাসরি দেখানো হয়। এরপর সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন শ্রম কাউন্সিলর আবুল হোসেন ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে প্রথম সচিব (পাসপোর্ট ও ভিসা) ইকবাল আখতার।পরে পদ্মা সেতুর ভিডিও চিত্র প্রদর্শন এবং উদ্বোধন উপলক্ষে নির্মিত থিম সং দেখানো হয় এবং রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে দূতাবাসের কর্মকর্তা ও প্রবাসীরা বেলুন উড়ান।
এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন কুয়েত নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসিকুজ্জামান এবং প্রথম সচিব ও দূতালয় নিয়াজ মোরশেদ। সমাপনী বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসিকুজ্জামান বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। পদ্মা সেতু আমাদের গর্ব, আমাদের অহংকার। এটি আমাদের গৌরব ও আত্মমর্যাদার প্রতীক। এছাড়া পদ্মা সেতু নির্মাণে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদানের কথা তুলে ধরেন।
এ সময় কুয়েতের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রবাসী বাংলাদেশি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রাষ্ট্রদূতের ব্যক্তিগত সহকারী জিহোন ইসলাম

বিদেশে যাবার সময় গ্রামের পরিচিত কেউ আপনাকে সাথে ওষুধ নিয়ে যেতে দিচ্ছে?

রবিবার  , ২৬ জুন ২০২২, ১২ আষাঢ় ১৪২৯, ২৫ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

কিংবা নিজের প্রয়োজনে ওষুধ নিয়ে যাবেন ?

ফেনসিডিল, মূলত কাশির ওষুধ। তবে এই ওষুধ মাত্রাতিরিক্ত খেলে নেশা হয়। যার কারণে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে মাদক হিসেবে পরিচিত ফেনসিডিল।

ঠিক তেমনি, অনেক ধরণের ওষুধ মধ্যপ্রাচ্যের কাতার, সৌদি আরব, কুয়েত, আরব আমিরাতে নিষিদ্ধ। না জেনে নিষিদ্ধ ওষুধ পরিবহনের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দরে অনেক প্রবাসীকে ওষুধ সহ আটক করেছে দেশটির কাস্টমস কিংবা মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।

বাংলা এভিয়েশন অনুরোধ করছে, আপনি যে দেশে যাচ্ছেন, সেদেশে নিজের সাথে ওষুধ নেওয়ার আগে জেনে নিন, সেই ওষুধের বিষয়ে কোন বিধি নিষেধ আছে কী না। যেহেতু বাংলাদেশে নিষিদ্ধ নয়, তাই বাংলাদেশ থেকে আপনাকে আটনো হবে না। তবে যেদেশে যাচ্ছেন, সেদেশে নিষিদ্ধ হলে,সেখানে গিয়ে আইনি ঝামেলার মুখোমুখি হতে পারেন।

সৌদি আরবে ২০১৯ সালে দুই মিশরীয় ও একজন পাকিস্তানিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় মাদকের মামলায়। ২০১৮ সালে কমপক্ষে 59 জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

বাংলা এভিয়েশনের পক্ষ থেকে পরামর্শ হচ্ছে, বিদেশ যাবার সময় অন্যের দেওয়া ওষুধ সহ সকল ধরণের জিনিসপত্র বহন থেকে বিরত থাকুন। নিজের ওষুধ সঙ্গে নেওয়ার ক্ষেত্রে কমপক্ষ ৬ মাসের মধ্যে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন সঙ্গে রাখতে হবে। প্রেসক্রিপশনে ইংরেজিতে রোগীর নাম ও ব্যক্তিগত তথ্য, রোগ, ওষুধের জেনেরিক নাম, ডোজ এবং ডোজ ফর্ম, ওষুধ কত দিন খেতে হবে, চিকিৎসা পরিকল্পনাসহ ডাক্তারের সাক্ষর ও সিল মোহর থাকতে হবে।

বিদেশে পাওয়া যায় না এমন ওষুধ বাংলাদেশ থেকে নেওয়ার আগে জেনে নিন সেটি ওই দেশে নিষিদ্ধ কী না। একই সাথে সেই দেশের একজন ডাক্তারের মাধ্যমে সার্টিফিকেট নিতে হবে আপনার এ ধরণের ওষুধ প্রয়োজন।

BanglaAviation #বাংলা_এভিয়েশন