সৌদিআরব ১১টি দেশের প্রবাসীদের প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে, তবে নাম নেই বাংলাদেশ ভারত পাকিস্তানের ।
আজ, শনিবার, সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণা ঘোষণা করেছে যে, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জার্মানি, আমেরিকা, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, পর্তুগাল, ব্রিটেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স এবং জাপান থেকে আগতদের জন্য এই দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এবং পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত মিশর, তুরস্ক এবং লেবানন সহ বেশ কয়েকটি দেশ থেকে প্রবেশ স্থগিত থাকিবে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক আধিকারিক সূত্র বলেছে, সৌদি প্রেস এজেন্সি কর্তৃক আজ প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “এই ঘোষণাটি সৌদিত প্রবেশের সাময়িক স্থগিতাদেশের বিষয়ে গত ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় তারিখে নেওয়া সিদ্ধান্তের অংশ বিশেষ ।
এই সিদ্ধান্তটি বেশ কয়েকটি ঘোষিত দেশগুলির মহামারী সংক্রান্ত পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের উপস্থাপনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে ।
যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি বায়োএনটেকের তৈরি করা করোনাভাইরাসের টিকা বাংলাদেশে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ নিয়ে বাংলাদেশ করোনাভাইরাসের মোট চারটি টিকা অনুমোদন পেল।
এর আগে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড, রাশিয়ার তৈরি স্পুৎনিক-ভি এবং চীনের সিনোফার্মের তৈরি টিকার অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
এর মধ্যে সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে কেনা কোভিশিল্ড দিয়েই গত ফেব্রুয়ারির শুরুতে দেশে গণটিকাদান শুরু করেছিল সরকার। চীনের সিনোফার্মের কাছ থেকে টিকা কেনার প্রস্তাবও মঙ্গলবার সরকারের অনুমোদন পেয়েছে। উপহার হিসেবে চীনের কাছ থেকে পাওয়া এ টিকা দেশে প্রয়োগও শুরু হয়েছে।
রাশিয়ার কাছ থেকে স্পুৎনিক-ভি কেনার জন্য সরকারি পর্যায়ে আলোচনা চলছে। আর ফাইজার-বায়োএনটেকের তৈরি এক লাখ ৬২০ ডোজ টিকা বাংলাদেশ পাচ্ছে টিকার আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্স থেকে।
ফাইজারের টিকার ওই চালান আগামী ২ জুন দেশে এসে পৌঁছাবে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ইতোমধ্যে জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ ফাইজারের টিকা পাচ্ছে কোভ্যাক্সের আওতায়যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি বায়োএনটেকের তৈরি করা করোনাভাইরাসের টিকা বাংলাদেশে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।https://d-41462065041835774265.ampproject.net/2105150310000/nameframe.html
বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ নিয়ে বাংলাদেশ করোনাভাইরাসের মোট চারটি টিকা অনুমোদন পেল।
এর আগে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড, রাশিয়ার তৈরি স্পুৎনিক-ভি এবং চীনের সিনোফার্মের তৈরি টিকার অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
এর মধ্যে সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে কেনা কোভিশিল্ড দিয়েই গত ফেব্রুয়ারির শুরুতে দেশে গণটিকাদান শুরু করেছিল সরকার। চীনের সিনোফার্মের কাছ থেকে টিকা কেনার প্রস্তাবও মঙ্গলবার সরকারের অনুমোদন পেয়েছে। উপহার হিসেবে চীনের কাছ থেকে পাওয়া এ টিকা দেশে প্রয়োগও শুরু হয়েছে।
রাশিয়ার কাছ থেকে স্পুৎনিক-ভি কেনার জন্য সরকারি পর্যায়ে আলোচনা চলছে। আর ফাইজার-বায়োএনটেকের তৈরি এক লাখ ৬২০ ডোজ টিকা বাংলাদেশ পাচ্ছে টিকার আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্স থেকে।
ফাইজারের টিকার ওই চালান আগামী ২ জুন দেশে এসে পৌঁছাবে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ইতোমধ্যে জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ ফাইজারের টিকা পাচ্ছে কোভ্যাক্সের আওতায়গত বছরের ২ ডিসেম্বর বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্য ফাইজারের টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে এখন এ টিকা প্রয়োগ করা হচ্ছে।
গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও তাদের জরুরি ব্যবহার্য টিকার তালিকায় ফাইজারের ভ্যাকসিনকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড বা সিনোফার্মের তৈরি টিকার মতই ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকাও নিতে হবে দুই ডোজ করে। প্রথম ডোজ দেওয়ার ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ পর দিতে হবে দ্বিতীয় ডোজ।
১২ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ওপর ফাইজারের টিকা প্রয়োগ করা যাবে। চূড়ান্ত ধাপের ট্রায়ালে এ টিকা ৯৫ শতাংশ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে বলে উৎপাদকদের ভাষ্য।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমানের স্বাক্ষরে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফাইজারের টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনের জন্য গত ২৪ মে আবেদন করেছিল স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর টিকার ডোশিয়ের মূল্যায়ন শেষে ২৫ মে কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সির ক্ষেত্রে ঔষধ, ইনভেস্টিগেশনাল ড্রাগ, ভ্যাকসিন এবং মেডিকেল ডিভাইস মূল্যায়নের জন্য গঠিত কমিটির কাছে উপস্থাপন করে।
ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার ফাইজারের কোভিড-১৯ এমআরএনএ ভ্যাকসিন জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষামূলক প্রয়োগে তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকারিতা দেখালেও ফাইজারের টিকা সংরক্ষণ ও সরবরাহের কাজটি কোভিশিল্ডের মত সহজ নয়।
কোভিশিল্ড যেখানে সাধারণ রেফ্রিজারেটরে ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা সম্ভব, সেখানে ফাইজারের টিকা মাইনাস ৯০ ডিগ্রি থেকে মাইনাস ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সংরক্ষণ করতে হবে।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ টিকা ২ ডিগ্রি থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ৫ দিন রাখা যাবে। আর রেফ্রিজারেটরের বাইরে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এ টিকা দুই ঘণ্টা ভালো থাকবে।
বাংলাদেশে এই টিকা দেওয়া হবে সরকারের করোনাভাইরাসের টিকা প্রয়োগ পরিকল্পনা অনুযায়ী। সরকারের ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে এখন চল্লিশ বা কার বেশি বয়সীরা করোনাভাইরাসের টিকা পাচ্ছেন।
প্রবাসী কর্মীদের বিভিন্ন সমস্যায় উদ্ভুত পরিস্থিতি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের লক্ষ্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী একটি `কুইক রেসপন্স টিম’ গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (২৯ মে) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।মন্ত্রণালয় জানায়, বিভিন্ন সময়ে এবং বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে বিদেশ গমনেচ্ছু, কর্মরত ও ফিরে আসা কর্মীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। দেশে অবস্থানকালেও তারা ভিসা সংক্রান্ত বা অন্যান্য জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছেন। এসব সমস্যা সমাধানে প্রবাসীদের সহযোগিতা করবে কুইক রেসপন্স টিম।
ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পরিচালক আরিফ আহমেদ খানকে (০১৮১৯-২৬২১৭২) আহ্বায়কের দায়িত্ব দিয়ে গঠন করা হয়েছে ছয় সদস্য বিশিষ্ট এ টিম। কুইক রেসপন্স টিমে আহ্বায়ক হিসেবে আছেন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পরিচালক আরিফ আহমেদ খান। সদস্যরা হলেন- মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. সারওয়ার আলম (০১৭১২-২০৭২২৭), বিএমইটির ঊর্ধ্বতন পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা (০১৭১১-১১১৫৪৪), ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের উপ-পরিচালক মো. জাহিদ আনোয়ার (০১৭১৬-৮৬৯২২২), সহকারী পরিচালক মো. আজিজুল ইসলাম, উপসহকারী পরিচালক মো. আব্দুল কাদের, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান প্রমুখ।
বিশ্বব্যাপী তাণ্ডব চালানো মহামারি করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৩৮ জন। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৫৪৯ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা পজিটিভ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৪৩ জন। এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭ লাখ ৯৭ হাজার ৩৮৬ জন।
শনিবার (২৯ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৮৭ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৩৭ হাজার ৪০৮ জন। এদিন মোট করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৩ হাজার ১৮৪ জনের।
এর আগে শুক্রবার (২৮ মে) দেশে করোনায় ৩১ জন মারা যান এবং ১ হাজার ৩৫৮ জনের করোন শনাক্তের কথা জানায় অধিদপ্তর।এদিকে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, শনিবার (২৯ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে মারা গেছেন আরও ১১ হাজার ৮৯৭ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৫ লাখ ২ হাজার ৬৬৯ জন। এ নিয়ে বিশ্বে এখন পর্যন্ত মোট করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৫ লাখ ৩৭ হাজার ৮১ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ কোটি ১ লাখ ১৯ হাজার ৬৪৫ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৫ কোটি ২০লাখ ৯৬ হাজার ৫৩১ জন।করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৪০ লাখ ২২ হাজার ৬৫৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ৮ হাজার ৯৬১ জনের।
আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত মোট সংক্রমিত হয়েছেন ২ কোটি ৭৭ লাখ ১৯ হাজার ৪৩১ জন এবং এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ২২ হাজার ৩৮৪ জনের।আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় ১ কোটি ৬৩ লাখ ৯২ হাজার ৬৫৭ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ৫৯ হাজার ১৭১ জনের।আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৬ লাখ ৪৬ হাজার ৮৯৭ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছেন এক লাখ ৯ হাজার ২৯০ জন।
এ তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে তুরস্ক। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৫২ লাখ ২৮ হাজার ৩২২ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪৭ হাজার ১৩৪ জন।এদিকে আক্রান্তের তালিকায় রাশিয়া ষষ্ঠ, যুক্তরাজ্য সপ্তম, ইতালি অষ্টম, জার্মানি নবম এবং স্পেন দশম স্থানে রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম, যেখানে মোট মৃত্যু হয়েছে ১২ হাজার ৫১১ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছে ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৩৪৩ জন।২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।
কুয়েতঃ বিভিন্ন এয়ারলাইন্সগুলি গ্রীষ্মকালীন কয়েকটি গন্তব্য ফ্লাইট পরিচালনার জন্য আবেদন করেছে এবং সিভিল এভিয়েশন বিষয়টি পর্যালোচনা করছে ।
আরবী দৈনিক আল আনবা তাদের লিড নিউজে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।
সিভিল এভিয়েশন এর সাধারণ প্রশাসনের সরকারী সূত্র আল-আনবা’র নিকট জানিয়েছে যে, কুয়েত ও আল জাজিরাসহ বিমান সংস্থাগুলি ১৬টি গন্তব্য ফ্লাইট পরিচালনার জন্য আবেদন জমা দিয়েছে, সংস্থাগুলি দ্বারা জমা দেওয়া আবেদন নিয়ে আগামী রবিবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ।
এই গন্তব্যগুলি একসাথে বা ধীরে ধীরে খোলার সম্ভাবনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, সূত্রগুলি নিশ্চিত করেছে যে, পরবর্তী বৈঠকে তাহা নির্ধারণ করা হবে ।
কুয়েতঃ বিভিন্ন এয়ারলাইন্সগুলি গ্রীষ্মকালীন কয়েকটি গন্তব্য ফ্লাইট পরিচালনার জন্য আবেদন করেছে এবং সিভিল এভিয়েশন বিষয়টি পর্যালোচনা করছে ।
আরবী দৈনিক আল আনবা তাদের লিড নিউজে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।
সিভিল এভিয়েশন এর সাধারণ প্রশাসনের সরকারী সূত্র আল-আনবা’র নিকট জানিয়েছে যে, কুয়েত ও আল জাজিরাসহ বিমান সংস্থাগুলি ১৬টি গন্তব্য ফ্লাইট পরিচালনার জন্য আবেদন জমা দিয়েছে, সংস্থাগুলি দ্বারা জমা দেওয়া আবেদন নিয়ে আগামী রবিবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ।
এই গন্তব্যগুলি একসাথে বা ধীরে ধীরে খোলার সম্ভাবনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, সূত্রগুলি নিশ্চিত করেছে যে, পরবর্তী বৈঠকে তাহা নির্ধারণ করা হবে ।
কাতার প্রতিনিধিঃ আজ কাতারে করোনায় আক্রান্ত ৬৯০জন ও সুস্থ হয়েছে ১৬০৬জন।বুধবার জনস্বাস্থ্য মন্রণালয় জানিয়েছে কাতারে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত আরও ৬৯০টি মামলা নিশ্চিত করেছে এবং এ পর্যন্ত কাতারে আক্রান্ত ব্যাক্তির সংখ্যা দাড়িয়েছে ২০৪,২৮৯জন। গত ২৪ঘন্টায় করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১৬০৬জন।এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১৮৬,৩১৮জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছে ১৭,৫২৬জন। গত ২৪ঘন্টায় আইসিউ’তে ভর্তি হয়েছে ২০জন। বর্তমানে আইসিউ’তে চিকিৎসাধীন আছে ৩৮৩জন। গত ২৪ঘন্টায় কাতারে করোনা টিকা নিয়েছে ২৭,২০০জন। এ পর্যন্ত কাতারে করোনা টিকা নিয়েছে ১৪,৯৬,৮৩৩জন।
গত ২৪ঘন্টায় কাতারে করোনা ভাইরাস এর পরীক্ষা করা হয়েছে ৯,৬৩০জন। মন্রণালয় জানিয়েছে, সদ্য নির্ণয় করা সমস্ত ব্যাক্তি সম্পূর্ণ সচ্ছলতা এবং সুস্বাস্থ্যের মধ্যে রয়েছে।এখন পর্যন্ত কাতারে কোভিড-১৯ এর পরীক্ষা করা হয়েছে১৮,৯৩,৬০৬জন। গত ২৪ঘন্টায় কাতারে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছে ৪জন। এখন পর্যন্ত কাতারে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছে ৪৪৫জন।
মন্রণালয় আরও জানিয়েছে, নতুন ভাবে করোনায় আক্রান্ত ব্যাক্তিদের সংস্পর্শে আসা ব্যাক্তিদের সন্ধান করছে। আক্রান্ত হওয়া বেশির ভাগ রোগী অভিবাসী শ্রমিক বলে জানিয়েছে মন্রণালয়। শুরুতে যারা আক্রান্ত হয়েছিলো তাদের সংস্পর্শে আসার কারণে আক্রান্ত হয়েছে বলে ধারণা করছে মন্রণালয়।
করোনা ভাইরাস সংক্রমন হতে বাঁচতে সবাইকে মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস ব্যাবহারের পরামর্শ দেন মন্রণালয়। জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়,সমাজের সকল স্তরের সদস্য কে ঘরে বসে এবং সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব নির্দেশিকা অনুসরণ করে সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য এবং সমস্ত স্বাস্থ্য নির্দেশিকা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় মন্রণালয়কে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান। আপনি/আপনারা কী ভাবে সুরক্ষিত থাকবে সে সম্পর্কে সর্বাধিক যুগোপযোগী গাইডেন্সের জন্য এমওপিএইচ (Moph)ওয়েবসাইটটি নিয়মিত পরিদর্শন করার আহব্বান জানান। জ্বর বা সর্দি হলে টোল ফ্রি করোনা ভাইরাস ২৪/৭ হটলাইন ১৬০০০কল করতে অনুরোধ জানান।
চিকিৎসা পেতে প্রথমে হাসপাতালের বাইরে লাইন দিতে হয়েছিল। মৃত্যুর সঙ্গে যখন পাঞ্জা লড়ছেন, তখন হাসপাতালের বাইরে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন তাদের পরিজনরা। মৃত্যুর পরেও ওই লাইন থেকে নিস্তার পেলেন না ভারতের দিল্লিতে করোনায় প্রাণ হারানোরা। চিতায় ওঠার জন্যও মাচায় শুয়ে থাকা অবস্থাতেই শ্মশানে লাইন দিতে হল তাদের। মহামারীতে বিধ্বস্ত ভারতের রাজধানী দিল্লিতে এ বার এমনই দৃশ্যই সামনে এল।
৪০ ডিগ্রির উপরে তাপমাত্রা। গরমে গতকাল মঙ্গলবার দিল্লির সুভাষনগর শ্মশানে টিনের চালের নিচে সারি সারি চিতা জ্বলছে। মিহি ছাই উড়ে এসে পড়ছে পাশের চাতালেও। আর খাঁ খাঁ রোদে তেতে ওঠা ওই চাতাল ধরেই এগিয়েছে লাশের লম্বা লাইন। এক ঝলক তাকালেই মাচার সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা ১৫-২০টি লাশ চোখে পড়ে। পাশের উচু বাঁধানো জায়গায় ঘি এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে বসে রয়েছেন পরিজনরা।
এক দু’ঘণ্টা নয়, ১৬ থেকে ২০ ঘণ্টা বসে রয়েছেন কেউ কেউ। যে প্লাস্টিকের থলিতে লাশ মোড়া রয়েছে, তার উপর নাম, নম্বর লেখা থাকায় হাতছাড়া হওয়ার ভয় নেই। তাই একটানা বসে না থেকে বাইরে থেকে মাঝেমধ্যে পোড়া লাশের গন্ধ এবং ধোঁয়া থেকে বেরিয়ে একটু তাজা শ্বাস নিয়ে আসছেন অনেকে।
কিন্তু বাইরে বেরিয়েও যে প্রাণভরে শ্বাস নেবেন তার উপায় নেই। সেখানেও লাশ নিয়ে সারি সারি অ্যাম্বুল্যান্স এবং গাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে। তখনও ধাক্কা সামলে উঠতে না পারা কয়েকজন কাদছেন। কোনখানে দাঁড়াবেন বুঝতে পারছেন না। তাতে বাকিরাও রীতিমতো অপ্রস্তুত।
এমন সময় বেরিয়ে এলেন শ্মশানের এক কর্মী। কড়া স্বরে বললেন, ‘অপনা অপনা ডেড বডি উঠাও অউর উধর লাইন মেঁ জা কে খড়ে হো জাও।’ তাতে প্লাস্টিকে মোড়া বাবার দেহের উপর চন্দনকাঠ সাজাতে গিয়ে থতমত খেয়ে গেলেন এক নারী। কোনটা নাভি আর কোনটা বুক, বুঝে উঠতে পারছিলেন না। তাকে ধমক লাগালেন অন্য এক শ্মশানকর্মী। তাতে ফুঁপিয়ে উঠলেন ওই মহিলা। কান্না চাপতে চাপতে বললেন, ‘বাবার মুখটা পর্যন্ত দেখতে পাইনি।’
এদিকে, সোমবার সন্ধ্যায় সুভাষনগর শ্মশানে বাবার লাশ নিয়ে আসেন ব্যবসায়ী আমন অরোরা। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার বাবা এমএল অরোরার মৃত্যু হয়। কিন্তু একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করতে গেলে আগে কভিড রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়। কিন্তু নমুনা পরীক্ষা করার আগেই বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হয় তার। তার পর সন্ধ্যা পেরনোর আগেই শ্মশানে এসে পৌঁছান তিনি। কিন্তু মঙ্গলবার সকালের আগে দাহ করা সম্ভব নয় বলে তাকে জানিয়ে দেন শ্মশানের কর্মীরা। ততক্ষণে পচন ধরতে পারে ভেবে একটি ফ্রিজ ভাড়া করে শ্মশানের বাইরেই বাবার লাশ সংরক্ষণ করে রাখেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বাবার সৎকার করতে পারেন তিনি।
দিল্লি সরকারের হিসেব অনুযায়ী, মাস দুয়েক আগেও পরিস্থিতি যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণে, ৫৭ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়। মার্চে সংখ্যাটা বেড়ে হয় ১১৭। কিন্তু এপ্রিল মাস এখনো শেষ হয়নি, তাতেই কভিডে আক্রান্ত হয়ে ৩ হাজার ৬০১ রোগী মারা গেছেন। এর মধ্যে গত ৭ দিনেই মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ২৬৭ জনের। যদিও সরকারি পরিসংখ্যান নিয়েও গরমিলের অভিযোগ উঠেছে।
বিশ্বব্যাপী তাণ্ডব চালানো মহামারি করোনা ভাইরাসে দেশে বুধবার দুপুর পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৭৭ জন। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৩০৫ জনে। এ সময় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৯৫৫ জনের দেহে। এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৫৪ হাজার ৬১৪ জনে।
করোনাভাইরাস নিয়ে বুধবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ৫ হাজার ৩৯২ জন। এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৭২ হাজার ৩১৯ জন।এর আগে মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) দেশে করোনায় ৭৮ জন মারা যান আর নতুন করে শনাক্ত হয় ৩ হাজার ৩১ জন।
এদিকে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বুধবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় মারা গেছেন আরও ১৪ হাজার ৮২১ জন এবং নতুন করে ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮২২ জনের শরীরে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে বিশ্বে মোট করোনায় মৃত্যু হলো ৩১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৮১ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ কোটি ৯৩ লাখ ২৮ হাজার ৮৫৮ জন। এ ছাড়া সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১২ কোটি ৬৯ লাখ ৮২ হাজার ১৩৭ জন।করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ২৯ লাখ ২৭ হাজার ৯১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৮৭ হাজার ৩৮৪ জনের।আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন এক কোটি ৭৯ লাখ ৮৮ হাজার ৬৩৭ জন এবং মারা গেছেন ২ লাখ ১ হাজার ১৬৫ জন।আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় এক কোটি ৪৪ লাখ ৪৬ হাজার ৫৪১ জন সংক্রমিত হয়েছেন আর মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৩২৪ জনের।আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৫ লাখ ৩৪ হাজার ৩১৩ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছেন এক লাখ ৩ হাজার ৬০৩ জন।আক্রান্তের দিক থেকে রাশিয়া রয়েছে পঞ্চম স্থানে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৪৭ লাখ ৭৯ হাজার ৪২৫ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন এক লাখ ৮ হাজার ৯৮০ জন।এদিকে, আক্রান্তের তালিকায় তুরস্ক ষষ্ঠ, যুক্তরাজ্য সপ্তম, ইতালি অষ্টম, স্পেন নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে রয়েছে। এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম।২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।
★শুধু বাংলাদেশ, বাহরাইন, চায়না, কুয়েত, সৌদি আরব, ওমান, সিঙ্গাপুর, কাতার এবং ইউএই এর এয়ারলাইন্সসমূহ অনুমতি থাকা সাপেক্ষে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
★বাংলাদেশ থেকে বাহরাইন, চায়না, কুয়েত, সৌদি আরব, ওমান, সিঙ্গাপুর, কাতার এবং ইউএই যাওয়া যাবে এবং ঐসব দেশে ট্রানজিট নিয়ে অন্য যে কোন দেশে যাওয়া যাবে, যদি না বাংলাদেশ থেকে আগত যাত্রী গ্রহণে ট্রানজিট বা গন্তব্য দেশের কোন নিষেধাজ্ঞা না থাকে।
★বাহরাইন, চায়না, কুয়েত, সৌদি আরব, ওমান, সিঙ্গাপুর, কাতার বা ইউএই থেকে বাংলাদেশে যাত্রার সময় এয়ারলাইন্সসমূহ কোন ট্রানজিট যাত্রী ফ্লাইটে নিবে না। শুধুমাত্র ঐ দেশগুলি থেকে যাত্রা শুরু করা যাত্রীরাই বাংলাদেশগামী ফ্লাইটে উঠতে পারবেন৷
★আকাশযাত্রা শুরুর ৭২ ঘন্টা বা তার কম সময় হাতে থাকতে নমুনা দিয়ে পিসিআর টেস্ট করিয়ে কোভিড নেগেটিভ সনদপ্রাপ্ত হলেই কেবল বাংলাদেশ থেকে বিদেশগমনের জন্য এয়ারপোর্টে আসা যাবে৷ ১০ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য কোভিড টেস্ট লাগে না৷ তবে আপনি যে দেশে যাচ্ছেন বা যে দেশে ট্রানজিট নিচ্ছেন সে দেশে প্রবেশের জন্য কোভিড টেস্টের চাহিত মেয়াদ আরও কম হতে পারে। ১০ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্যও কোভিড সনদ চাওয়া হতে পারে। সে দেশের চাহিদা আগেই জেনে নিয়ে সময় হিসাব করে কোভিড টেস্ট করান।
★বিদেশ থেকে বাংলাদেশে আসতে হলেও আকাশযাত্রা শুরুর ৭২ ঘন্টা বা তার কম সময়ের মধ্যে নমুনা দিয়ে পিসিআর টেস্ট করিয়ে নেগেটিভ রিপোর্টপ্রাপ্ত হয়ে আসতে হবে৷ যারা ইতোমধ্যে দুই ডোজ ভ্যাক্সিন নিয়েছেন তাদেরকেও একই নিয়মে পিসিআর টেস্ট করিয়েই আসতে হবে।
★বিদেশ থেকে বাংলাদেশে আসা যাত্রীদের মধ্যে যাদের দুই ডোজ ভ্যাক্সিন (প্রমাণপত্র দেখাতে হবে) নেয়া আছে এবং যাত্রা শুরুর ৭২ ঘন্টার মধ্যে কৃত পিসিআর টেস্টের নেগেটিভ রিপোর্ট আছে তারা ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে যাবেন৷ স্থানীয় প্রশাসন তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
★তবে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের মধ্যে যাদের এক ডোজ ভ্যাক্সিন নেয়া আছে অথবা ভ্যাক্সিন দেয়া নেই তারা বাধ্যতামূলকভাবে তিন দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন। উল্লেখ্য যে, সরকার নির্ধারিত ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত কোয়ারেন্টাইনে আসন সংখ্যা সীমিত৷ তাই বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রার আগে চেকইন করার সময়েই সরকার নির্ধারিত ৫২ টি হোটেলের যে কোন একটিতে তিন দিন নিজ খরচে থাকার জন্য বুকিং এর প্রমাণপত্র দেখাতে হবে৷ (৫২ টি হোটেলের তালিকা এখানে দেয়া হল।) তিন দিন পর ঐ যাত্রীদের কোভিড টেস্ট করানো হবে এবং রিপোর্ট নেগেটিভ হলে তারা পরবর্তী ১১ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন৷