ইন্দোনেশিয়ায় গত সপ্তাহে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া নৌবাহিনীর সাবমেরিনটি ৩ খণ্ডে টুকরো হয়ে যাওয়া অবস্থায় সমুদ্রে সন্ধান পাওয়া গেছে। আজ রোববার (২৫ এপ্রিল) ইন্দোনেশিয়ার সামরিক বাহিনী কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সাবমেরিনটিতে থাকা ৫৩ জন ক্রুর সবাই মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরের কাছ থেকে ধার নেওয়া একটি উদ্ধারকারী জাহাজের সাহায্যে ছবি তুলে তারা এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন।
বাংলাাদেশ আসা যাবে ৭ দেশ থেকে। দেশগুলো হচ্ছে, চীন, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার, সিঙ্গাপুর ও সৌদি আরব। অন্য দেশ থেকে এসব দেশে ট্রানজিট হয়েও আসা যাবে না। দেশে আসতে হলে প্রত্যেক যাত্রীকে দেশে আসার সময় কোভিড নেগেটিভ সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলকভাবে থাকতে হবে।
১। যাদের করোনার ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নেওয়া আছে এবং করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে আসবেন তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকা লাগবে না। তারা বাড়িতে যেয়ে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। স্থানীয় প্রশাসন তা নিশ্চিত করবে।
২। যাদের করোনার জন্য ভ্যাকসিন নেন নাই, তাদের করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকটে থাকলে ৩ দিনের বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হবে। তাদের দেশে আসার পর আবার করোনা টেষ্ট করা হবে। তাতে নেগেটিভ রিপোর্ট আসলে বাকি ১১ দিন বাড়িতে গিয়ে কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। স্থানীয় পুলিশ, প্রশাসন তা নজরদারি করবে।
৩। যাদের করোনার ভ্যাকসিনের একটি ডোজ নেওয়া আছে, কিন্তু ২য় ডোজ নেননি তারা করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকটে থাকলে ৩ দিনের বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। দেশে আসার পর আবার করোনা টেষ্ট করা হবে। তাতে নেগেটিভ রিপোর্ট আসলে বাকি ১১ দিন বাড়িতে গিয়ে কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। স্থানীয় পুলিশ, প্রশাসন তা নজরদারি করবে।
৪। সেনা বাহিনী পরিচালিত কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে বিনামূল্যে থাকতে পারবেন প্রবাসীরা। তবে সেখানে খালি না থাকলে হোটলে নিজ খরচে কোয়ারান্টাইনে যেতে হবে।
কোন মধ্যবিত্ত পরিবার যদি খাদ্য সঙ্কটে থাকেন তবে তিনি ‘৩৩৩’ নম্বরে কল দিলে তার বাসায় খাবার পৌঁছে যাবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। রোববার (২৫ এপ্রিল) সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। ত্রাণ সচিব মো. মোহসীন জানিয়েছেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ৫৭৪ কোটি ৯ লাখ ২৭ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
মজুদ স্বল্পতায় আপাতত বন্ধ থাকছে করোনা ভ্যাকসিনের (টিকা) প্রথম ডোজ প্রয়োগ। রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৬ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নতুন করে কাউকে টিকা দেয়া হবে না। তবে যারা প্রথম ডোজ দিয়েছেন তাদের দ্বিতীয় ডোজ নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চলবে।
পবিত্র মাস রমজানে মসজিদ উন্মুক্ত রয়েছে বিধায় যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানরা নিজেদের আশীর্বাদপুষ্ট মনে করছেন।
গত বছর এই সময়ে, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে মসজিদের দরজা বন্ধ ছিল। এখন সারা দেশে সংক্রমণের হার হ্রাস পাচ্ছে, লক্ষ লক্ষ আমেরিকান ভ্যাকসিন গ্রহণ করছেন, মসজিদগুলোও আবার খুলছে।
ভয়েস অফ আমেরিকাকে ভার্জিনিয়ার একটি ইসলামিক সেন্টারের পরিচালক ঈমাম নাঈম বেগ বলেন, ‘মানুষ খুশি যে মসজিদ খোলা। এতে তারা যেমন একে অপরকে দেখতে পাচ্ছেন, তেমনি একসাথে প্রার্থনা করার সুযোগও পাচ্ছেন। এটি এমন এক অনুভূতি যা আপনি ঘরে থেকে অনুভব করতে পারবেন না।’ নর্থ ক্যারোলিনার উইনস্টন সালেম কমিউনিটি মসজিদের ইমাম খালিদ গ্রিগস বলেন, ‘আমি ভাই-বোনদের সাথে মসজিদে ফিরতে পেরে রোমাঞ্চিত। যদি আল্লাহ এখনই আমার প্রাণ নিতে চান তবে আমি নিজেকে সম্পূর্ণ মনে করবো।’
মসজিদটি পুনরায় চালু হওয়ার পর ইমাম আসিফ হিরানী রমজানে অনেক যুবককে দেখে অবাক হয়েছেন যারা এখন তার ভাষায় ‘আরও ধার্মিক হয়েছেন, নামায পড়ছেন’। তিনি বলেন, ‘তারা আমাকে নামায এবং সদকা সম্পর্কে প্রশ্ন করছে।’
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের এক শতাংশের বেশি নাগরিক মুসলমান। ২০১৭ সালের এক জরিপ অনুযায়ী দেশটিতে প্রায় ৩৫ লক্ষ মুসলমাম বসবাস করছেন। সুত্রঃ মানবজমিন ।
✅এদের মধ্যে যারা করোনার ২ টি ভ্যাকসিন (টিকা) গ্রহন করেছে এবং PCR নেগিটিভ সনদ আছে তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেইন্টাইন্টে থাকতে হবেনা। এয়ারপোর্ট থেকে সরাসরি বাড়িতে গিয়ে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেইন্টাইনে থাকতে হবে। স্থানীয় প্রশাসন এর তদারকি করবে।
✅ যারা করোনার ভ্যাকসিন নেন নাই, তাদের করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকট থাকলে ৩ দিন বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেইন্টাইনে থাকতে হবে। দেশে আসার পর আবারো তাদের করোনা টেষ্ট করাতে হবে। তাতে নেগেটিভ রিপোর্ট আসলে বাকি ১১ দিন বাড়িতে গিয়ে কোয়ারেইন্টাইনে থাকতে হবে। স্থানীয় পুলিশ, প্রশাসন তা নজরদারি করবে।
✅ যাদের করোনার ভ্যাকসিনের একটি ডোজ নেওয়া আছে, কিন্তু ২য় ডোজ নেননি তারা করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকটে থাকলে ৩ দিনের বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেইন্টাইনে থাকতে হবে। দেশে আসার পর আবার করোনা টেষ্ট করা হবে। তাতে নেগেটিভ রিপোর্ট আসলে বাকি ১১ দিন বাড়িতে গিয়ে কোয়ারেইন্টাইনে থাকতে হবে। স্থানীয় পুলিশ, প্রশাসন তা নজরদারি করবে।
🔰 সেনা বাহিনী পরিচালিত কোয়ারেইন্টাইন সেন্টারে বিনামূল্যে থাকতে পারবেন প্রবাসীরা। ♥ তবে সেখানে সিট/রুম খালি না থাকলে হোটলে নিজ খরচে কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে।
ভারতের হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীর মৃত্যু কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এই সংখ্যা। প্রায় প্রতিদিনই আক্রান্ত আর মৃত্যুতে নতুন নতুন রেকর্ড তৈরি হচ্ছে। প্রতিবেশী দেশটিতে করোনার চলমান দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর এখন বিশ্বের কাছে ‘হটস্পট’ ভারত। অক্সিজেনের মজুত শেষ হয়ে যাচ্ছে দ্রুত। ফলে হাসপাতালগুলোতে বিনা চিকিৎসায় করোনা বা কোভিড-১৯ রোগীর মৃত্যু হচ্ছে। অক্সিজেনের জন্য চার দিকে হাহাকার পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আর প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুতে তাদের কবর দেয়া ও সৎকার করাও অসম্ভব হয়ে পড়ছে। করবস্থান আর শ্মশানে জায়গা হচ্ছে না এত লাশের। সবমিলিয়ে ভারত মৃত্যুপুরিতে পরিণত হয়েছে। এ জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে দুষছে রাজ্য সরকারগুলো। আর নরেন্দ্র মোদির সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে ভিন্ন কথা।
এ দিকে কৃষকদের স্বার্থবিরোধী নতুন আইন তৈরির পর থেকেই করোনা মহামারীর মধ্যে ভারতের হাজার হাজার কৃষক রাজধানীর চার দিকে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। করোনার এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও টানা ২০০ দিন আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে কৃষকরা। নতুন আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে এর নেতারা জানিয়েছে। এ ছাড়া মানুষ যেখানে বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে রোগী ধারণের ঠাঁই হচ্ছে না। করবস্থান আর শ্মশানগুলোতে যখন লাশের স্তুপ পড়ে থাকছে। ঠিক এ মুহূর্তেও ইন্ডিয়ান প্রিমিয়াল লিগ তথা আইপিএল ক্রিকেট ম্যাচ চলছে। বিষয়টি বিভিন্ন মহলে প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে বলে জানা গেছে। এনডিটিভি, আনন্দবাজার পত্রিকা ও আজকালসহ দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে এসব তথ্য জানা গেছে।
মৃত্যুর নতুন রেকর্ড রোববার আন্তর্জাতিক সময় (জিএমটি) ২টা ৪৩ মিনিটে ওয়ার্ল্ডোমিটারে বিশ্ব করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে তিন লাখ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৩ জন। আর এ সময় মারা গেছে দুই হাজার ৭৬১ জন। এ পর্যন্ত দেশটিতে এক দিনে মৃত্যুর সংখ্যায় এটিই সর্বোচ্চ রেকর্ড। আগের দিন এই সংখ্যা ছিল দুই হাজার ছয় শ’র কিছু বেশি।
সবমিলিয়ে ভারতে এ পর্যন্ত আক্রান্ত সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৬৯ লাখ ৫১ হাজার ৭৬৯ জন। আর এ পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে এ লাখ ৯২ হাজার ৩১০ জনের। এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বিপর্যস্ত ভারত বিশ্বে সর্বাধিক আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় চতুর্থ অবস্থানে আছে। আক্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র শুধু ভারতের ওপরে। আর মৃত্যুর হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও মেক্সিকো আছে ভারতের ওপরে।
অক্সিজেনের জন্য হাহাকার ভারতের সর্বত্রই এখন অক্সিজেনের জন্য হাহাকার চলছে। প্রতিদিনই হাসপাতালগুলোতে রোগীর মৃত্যু হচ্ছে অক্সিজেন না পেয়ে। দিল্লি ও মুম্বাইয়ের অবস্থা সবচেয়ে বেগতিক।
দেশটির বিভিন্ন শহরে অক্সিজেন সিলিন্ডারের দোকানের সামনে ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে লাইন। কিন্তু অনেক দোকানেই নেই অক্সিজেন। এককথায় ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ সময় পার করছে ভারত।
এ দিকে, দিল্লির নামিদামি হাসপাতালগুলো অভিযোগ করেছে চাহিদাপত্র দেয়া হলেও কেন্দ্রীয় সরকার পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ করছে না। টেলিফোন করে অক্সিজেন চাওয়া হলেও অপরপ্রান্ত থেকে খারাপ ভাষা শুনতে হচ্ছে। যার জেরে ক্ষুব্ধ চিকিৎসক থেকে আদালত। তাই আদালতের হুঁশিয়ারি অক্সিজেন নিয়ে কোনো গাফিলতির প্রমাণ মিললেই দেয়া হবে ফাঁসি।
অক্সিজেনের জোগান ও দেশে সহজলভ্য করতে মোদি সরকার শনিবার থেকেই বিদেশ থেকে আমদানি করা অক্সিজেন ও সিলিন্ডারের ওপর থেকে ১২ শতাংশ শুল্ক ছাড় দেয়া হবে বলে জানিয়েছে। এতে বাজারে অক্সিজনের দাম কমবে বলে মনে করছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।
দিল্লিজুড়ে করোনায় মৃতের হারের ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই রাজধানীর বিভিন্ন গোরস্থানে গণকবর খুঁড়তে দেখা যায়। একইসাথে গণহারে সৎকার চলে শহরের প্রধান শ্মশানগুলোতেও। #নয়া দিগন্ত অনলাইন।
করোনাভাইরাস মহামারির সময় শত্রুতা ভুলে ভারতের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল পাকিস্তান। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত দেশটিকে ভেন্টিলেটর, বাইপ্যাপ, ডিজিটাল এক্স-রে, পার্সোনাল প্রোটেক্টিভ ইক্যুপমেন্ট (পিপিই) কিটসহ বিভিন্ন সামগ্রী পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে ইসলামাবাদ।
শনিবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জাহিদ হাফিজ চৌধুরী টুইটারে বলেন, কোভিড-১৯-এর বর্তমানে ঢেউয়ের মধ্যে ভারতের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদেরকে ভেন্টিলেটর, বাইপ্যাপ, ডিজিটাল এক্স-রে, পিপিই কিটসহ বিভিন্ন সামগ্রী পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তান।
অপর একটি টুইটে বলা হয়, সেই সমগ্র সামগ্রী দ্রুত পাঠানোর জন্য ভারত এবং পাকিস্তানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ সেই বিষয়ে কাজ করতে পারে। মহামারির কারণে যে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে, তা সমাধানের জন্য দু’দেশে সম্ভাব্য উপায়েরও সন্ধান করতে পারে।
দুটি টুইটেই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ট্যাগ করা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে নয়াদিল্লির এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের টুইটের আগে দুপুরের দিকে করোনা পরিস্থিতিতে ভারতের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
একটি টুইটবার্তায় ইমরান বলেন, করোনাভাইরাসের বিপজ্জনক ঢেউয়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় আমরা ভারতীয়দের পাশে দাঁড়াচ্ছি। আমাদের প্রতিবেশী এবং বিশ্বের যে দেশগুলো এই মহামারিতে জর্জরিত, তাদের দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার জন্য প্রার্থনা করছি। আমাদের অবশ্যই একত্রিতভাবে এই বিশ্বব্যাপী সংকটের মোকাবিলা করতে হবে।
এর আগে ভারতকে সাহায্যের প্রস্তাব দেন পাকিস্তানের সমাজকর্মী এবং মানবাধিকার রক্ষা আন্দোলনের ‘মুখ’ ফয়সাল ইধি।
টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, জনকল্যাণমূলক সংস্থা ইধি ফাউন্ডেশনের প্রধান ভারতে ৫০টি অ্যাম্বুলেন্স এবং স্বেচ্ছাসেবক পাঠানোর অনুমতি চেয়েছেন নয়াদিল্লির কাছে।
গত শুক্রবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি পাঠিয়ে এই প্রস্তাব দিয়েছেন ফয়সাল। সুত্রঃ যুগান্তর।