সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রথম বিশেষ ফ্লাইটটি ঢাকা ত্যাগ করেছে। ১০৬ জন যাত্রী নিয়ে আজ মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৮টা ১৩ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইটটি ছেড়ে যায়। সপ্তাহে তিন দিন মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার ও শনিবার সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে বিমানের বিশেষ ফ্লাইট চলবে। আটকে পড়া প্রবাসী শ্রমিকরা এসব ফ্লাইটে যেতে পারবেন।
বাংলাদেশ থেকে দুবাই, কাতার, আবুধাবি ট্রানজিট হয়ে অন্য দেশেও যেতে পারবেন প্রবাসীরা। এই বিষয়ে আজ মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) আদেশ জারি করবে বেসামরিক বিমান বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। তবে সেক্ষেত্রে নতুন কোন শর্ত থাকবে কি না আদেশ জারি হওয়ার পর জানা যাবে।
ট্রানজিট প্যাসেঞ্জারদের কাল থেকে বিশেষ ফ্লাইটে অনুমতি দেওয়া হবে। সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ জানিয়েছে, বিমান, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস, সৌদি এয়ারলাইনস, আমিরাত, এতিহাদ এয়ারওয়েজ, কাতার এয়ারওয়েজ, ফ্লাইডুবাই, এয়ার আরব, আবুধাবি, বিমান দ্বারা পরিচালিত বিশেষ বিমানগুলিতে ট্রানজিট যাত্রীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ফ্লাইটগুলিতে কেবল অভিবাসী শ্রমিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ট্রানজিট যাত্রীদের কেবল বাংলাদেশের বাইরে উড়তে দেওয়া হবে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের বিশেষ ভাবে অনুমতি প্রাপ্ত হয়ে আগামী ২৪ এপ্রিল শনিবার থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ঢাকা-গুয়াংজু রুটে সপ্তাহে একটি ফ্লাইট পরিচালনা করবে বলে জানিয়েছে।স্বাস্থবিধি মতে বিদেশ গমনেচ্ছু সকল যাত্রীদের ৭২ ঘন্টার মধ্যে কোভিড-১৯ নেগেটিভ সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া বিদেশ থেকে আগমনী যাত্রীদের সকলের জন্য নিজ খরচে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন অথবা হোটেলে অবস্থান করতে হবে। প্রতি শনিবার রাত ১০ টা ১০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে চীনের গুয়াংজুর উদ্দেশ্যে ফ্লাইট ছেড়ে যাবে এবং স্থানীয় সময় রাত ৩টা ৫০ মিনিটে গুয়াংজুতে পৌঁছাবে। আবার প্রতি রবিবার ভোর ৫টায় গুয়াংজু থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে এবং সকাল ৭ টায় ঢাকায় অবতরন করবে। ঢাকা-গুয়াংজু-ঢাকা রুটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এর ১৬৪ আসনের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে পরিচালিত হবে।
ঢাকা-গুয়াংজু –ঢাকা সহ যেকোনো স্পেশাল ফ্লাইট সম্পর্কে তথ্য জানতে যোগাযোগ করুন ০১৭৭৭৭৭৭৮০০-৮০৬ নম্বরে অথবা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে।
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কাতার ও ওমানে সরাসরি ফ্লাইট চালাতে পারবে ১২টি এয়ারলাইন্স । নতুন করে চীনেও ফ্লাইট চালুর অনুমতি দিয়েছে বেবিচক। এয়ারলাইন্সগুলো হচ্ছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স, সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স, ওমান এয়ার, সালাম এয়ার, কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস, ইতিহাদ, এয়ার অ্যারবিয়া, এয়ার অ্যারাবিয়া আবুধাবি, ফ্লাই দুবাই ও সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স। এই ১২ এয়ারলাইন্স ৫টি দেশে ট্রানজিট হয়ে অন্য দেশেও যাত্রী নিতে পারবে। তবে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কাতার, ওমান ও চীন ছাড়া অন্য দেশ থেকে বাংলাদেশে আসা যাবে না। ফ্লাইট সম্পর্কিত বিষয়ে জানতে আপনি যে এয়ারলাইন্সের টিকিট কেটেছেন সেই এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
করোনাভাইরাস মোকাবিলায় যেসব উপকরণ এই মুহূর্তে মানুষের হাতে রয়েছে, তাতে আগামী এক মাসের মধ্যে বিশ্বজুড়ে মহামারি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে মনে করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস।
সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের এই ধারণা প্রকাশ করেন তিনি। করোনায় বিশ্বজুড়ে উচ্চ মৃত্যুহারে শঙ্কা প্রকাশ করে সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউিএইচও প্রধান বলেন, ‘করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ১০ লাখে পৌঁছাতে সময় লেগেছিল ৯ মাস। তারপর এই সংখ্যা ২০ লাখে পৌঁছাতে সময় লেগেছে ৪ মাস এবং তারপরের ৩ মাসে করোনায় বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৩০ লাখে।’
‘এত কম সময়ের মধ্যে এই পরিমাণ মৃত্যু খুবই উদ্বেগের ব্যাপার। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মনে করে, আমাদের হাতে বর্তমানে যেসব উপকরণ মজুত আছে, সেগুলো যদি ন্যায্যতার সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে ব্যবহার করা হয়, সেক্ষেত্রে আগামী এক মাসের মধ্যে এই মহামারি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহামারি বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভ্যান কেরখোভ জানান, গত এক সপ্তাহে বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫২ লাখ মানুষ; গতবছর মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত এক সপ্তাহে সংক্রমণের হিসেবে এটি সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড।
কেরখোভ বলেন, ‘সম্প্রতি করোনা সংক্রমণচিত্রে কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গত বছর যখন মহামারি শুরু হলো, দেখা গেছে ৫০ বছর বা তার অধিক বয়সী মানুষরা বেশি ঝুঁকিতে ছিলেন; কিন্তু সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, ২০-২৫ বছর বয়সী তরুণ-তরুনীরাও উল্লেখযোগ্য হারে আক্রান্ত হচ্ছেন এই ভাইরাসে।’
সোমবারের ভার্চুয়াল ওই সংবাদ সম্মেলনে সুইডেন থেকে যোগ দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক পরিবেশ আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ। সেখানে বিশ্বজুড়ে করোনা টিকা বণ্টনে ন্যায্যতার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ৯২ জন। এ নিয়ে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে মোট মৃত্যু হয়েছে ১০ হাজার ৫৫৮ জনের। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৫৫৯ জন। এতে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ২৭ হাজার ৭৮০ জনে।
করোনাভাইরাস নিয়ে মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ৬ হাজার ৮১১ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ২৮ হাজার ১১১ জন।
এর আগে টানা চার দিন দেশে করোনাভাইরাসে শতাধিক মৃত্যু হয়। সোমবার (১৯ এপ্রিল) কোভিড-১৯ এ একদিনে সর্বোচ্চ ১১২ জন মারা যান। তার আগের তিন দিন যথাক্রমে ১০২, ১০১ ও ১০১ জন মারা যান।এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে মারা গেছেন ৯ হাজার ৭৯৩ জন এবং নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ লাখ ৫৬ হাজার ৪০৩ জন। এ নিয়ে বিশ্বে মোট করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩০ লাখ ৪২ হাজার ৮৪৩ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার ৬৭১ জন। এ ছাড়া সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১২ কোটি ১১ লাখ ৯২ হাজার ৯২৬ জন।করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ২৪ লাখ ৭৫ হাজার ৪৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৮১ হাজার ৫৪২ জনের।আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন এক কোটি ৫৩ লাখ ১৪ হাজার ৭১৪ জন এবং মারা গেছেন এক লাখ ৮০ হাজার ৫৫০ জন।আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিল এখন পর্যন্ত করোনায় এক কোটি ৩৯ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৩ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৪৯ জনের।আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫২ লাখ ৯৬ হাজার ২২২ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছেন এক লাখ ১ হাজার ১৮০ জন।আক্রান্তের দিক থেকে রাশিয়া রয়েছে পঞ্চম স্থানে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৪৭ লাখ ১০ হাজার ৬৯০ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন এক লাখ ৫ হাজার ৯২৮ জন।এদিকে আক্রান্তের তালিকায় যুক্তরাজ্য ষষ্ঠ, তুরস্ক সপ্তম, ইতালি অষ্টম, স্পেন নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে রয়েছে। এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম।২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।
১। ২১ এপ্রিল থেকে পরবর্তী ৭ দিন কোন শিডিউল ফ্লাইট চলাচল করবে না।
২। তবে প্রবাসী কর্মীদের কাজে ফেরাতে ১৭ এপ্রিল থেকে ৫ দেশে শুরু হওয়া বিশেষ ফ্লাইট চলবে। ৫টি দেশ হচ্ছে, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কাতার এবং ওমান।
৩। শুধু মাত্র প্রবাসী কর্মীরা এসব ফ্লাইটে যেতে পারবেন।
৪। শুধু মাত্র ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট পরিচালিত হবে।
৫। বাড়ি থেকে বিমানবন্দরে যাওয়ার সময় সঙ্গে পাসপোর্ট, ভিসা, বিমানের টিকিট, বিএমইটি কার্ড সঙ্গে রাখবেন। লকডাউনের মধ্যে পথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এসব দেখালে আপনাকে আটকাবে না।
৬। ৫ দেশে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য ১২টি এয়ারলাইন্স অনুমতি পেয়েছে। ১২টি এয়ারলাইন্স হচ্ছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স, সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স, ওমান এয়ার, সালাম এয়ার, কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস, ইতিহাদ, এয়ার অ্যারবিয়া, এয়ার অ্যারাবিয়া আবুধাবি, ফ্লাই দুবাই ও সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স।
৭। এই এয়ারলাইন্সর বাইরে অন্য এয়ারলাইন্সের টিকিট যারা কিনেছেন তারা টিকিটের টাকা রিফান্ড করে অনুমতি প্রাপ্ত এই ১২টি এয়ারলাইন্স যেতে পারবেন।
৮। ফ্লাইট সম্পর্কিত বিষয়ে জানতে আপনি যে এয়ারলাইন্সের টিকিট কেটেছেন সেই এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। কোন ব্যাক্তি বা এজেন্সির কথায় প্রতারিত হবেন না।
৯। বিদেশ যাওয়ার সময় করোনা নেগেটিভ সনদ থাকতে হবে।
১০। এই ৫টি দেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে যাদের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত বিএমইটি কার্ড আছে তাদেরকে বিদেশ গমনে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
১১। যাদের ভিজিট ভিসা আছে, কিন্তু বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স নেই, তারা বিদেশ গমনে অগ্রাধিকার পাবেন না।
১২। ভিজিট ভিসা নিয়ে যে সকল বাংলাদেশি কর্মের উদ্দেশ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত যাবেন, তারা বিএমইটি’র ছাড়পত্র নিয়ে যেতে পারবেন।
১৩। লকডাউন চলাকালে উল্লিখিত ৫টি দেশ ব্যতীত অন্যান্য দেশে যারা জরুরি প্রয়োজনে যেতে চান, তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র সাপেক্ষে বিদেশে যেতে পারবেন।
দেশে ফিরতে প্রবাসীদের করণীয়…
১। লকডাউন চলাকালে দেশে আসতে নিরুৎসাহিত করছে সরকার। ২। দেশে আসতে হলে প্রত্যেক যাত্রীকে দেশে আসার সময় কোভিড নেগেটিভ সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলকভাবে থাকতে হবে। ৩। করোনার জন্য ভ্যাকসিন নিলেও দেশে আসলে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। বাড়িতে যেতে পারবেন না। ৪। দেশে আসার পূর্বেই বিমানবন্দরে বোডিং কার্ড নেওয়ার সময় কোয়ারান্টাইনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে, আপনি সরকারি ব্যবস্থায় থাকবেন নাকি হোটেলে। ৫। সেনাবাহিনী পরিচালিত কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে বিনামূল্যে থাকতে পারবেন প্রবাসীরা। তবে সেখানে খালি না থাকলে হোটলে নিজ খরচে কোয়ারান্টাইনের জন্য বুকিং করতে হবে।
বিমানের টিকিট ও জাল ভিসাসহ ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থেকে শাহজাহান মিয়া নামে প্রতারক ও মানবপাচারকারী চক্রের এক সদস্যকে আটক করেছে র্যাব-১৪। গত রোববার (১৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঈশ্বরগঞ্জের রহমতগঞ্জ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে বেশ কয়েকটি ভূয়া নিয়োগপত্র, জাল বিমান টিকিট ও জাল ভিসা উদ্ধা। জাল ভিসা ও বিমান টিকিট দিয়ে গ্রামের সাধারণ মানুষদেরকে বিদেশে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ছিল।