ক্যাটাগরি Uncategorized

২৮ এপ্রিল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট নিষিদ্ধ।

করোনা সংক্রমণ রোধে ‘লকডাউন’ বৃদ্ধির সাথে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা থাকবে। তবে সৌদি আরব, ওমান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে বিশেষ ফ্লাইট ছেড়ে যাবে। যেন দেশে আটকে থাকা কয়েক হাজার প্রবাসী শ্রমিক তাদের কর্মস্থলে ফিরে যেতে পারেন।

সূত্র: The Daily Star.

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশীর মর্মান্তিক মৃত্যু’।

ইসমাঈল হোসেন, রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রামঃ ওমানে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তিন প্রবাসী বাংলাদেশীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের বাড়ী চট্টগ্রামে রাঙ্গুনিয়ায়।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন ।

রবিবার (১৮ এপ্রিল) ওমান সময় বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে সালালাহ থেকে মাস্কাটগামী একটি প্রাইভেট কার সড়কের আল তামরিত নামক স্থানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে প্রাইভেট কারের তিন আরোহী ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। তারা হলেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের পশ্চিম সরফভাটা সূচিয়া পাড়া এলাকার মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (৪০), পোমরা ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকার মোহাম্মদ জাহেদ (৪২) এবং বেতাগী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড গুনগুনিয়া বেতাগী বালুরচর এলাকার আক্তার হোসেন (৪৫)। তিনজনই মাস্কাট মডার্ণ রোজ ট্রেডিং ইন্টারপ্রাইজ এলএলসি নামক একটি কোম্পানির পর্দার সেকশনে চাকরি করতেন।

ওই কোম্পানির স্বত্ত্বাধিকারী মোহাম্মদ রেজাউল করিম দুর্ঘটনায় নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘তারা মাস্কাট থেকে ১ হাজার কি.মি দূরে সালালাহ নামক অপর এক সিটিতে পর্দার কাজ করতে এক সপ্তাহ পূর্বে গিয়েছিলেন। কাজ শেষ করে প্রাইভেট কারে করে মাস্কাটে ফিরছিলেন তারা। ফেরার পথে তাদের গাড়িটি সড়কের তামরিত নামক স্থানে এলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক থেকে ছিটকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তারা প্রাণ হারায়। পুলিশ নিহত তিনজনের লাশ উদ্ধার করে সালালাহ’র একটি হাসপাতালের মর্গে রেখেছেন। এঘটনায় রাঙ্গুনিয়া জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কোভিড-১৯’ কুয়েতে মারা গেছে আরো ৮ জন’ শনাক্ত ১,১২৭ এবং সুস্থ ১,৪৩৮জন।

কুয়েতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছে কুয়েতি ও প্রবাসীসহ ১,১২৭ জন, সুস্থ হয়েছে ১,৪৩৮ এবং মারা গেছে ৮ জন ।‌

মোট আক্রন্তের সংখ্যা ২৫৬,৯৮৭ জন । মোট মৃতের সংখ্যা ১,৪৪৮ জন ।

আজকের সুস্থ হওয়া ১,৪৩৮ জনসহ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মোট ২৪০,৪৬৫ ব্যক্তি সুস্থ হয়েছেন, যাদের মধ্যে কুয়েতি ও প্রবাসী রয়েছে ।

সোমবার ভোর রাত ১টায় সংবাদ ব্রিফিংএ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করে ।

কুয়েতে নিয়মিত চিকিৎসাধীন আছে ১৫,০৭৪ জন। আইসিউতে আছেন ২৫০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় টেস্ট করা হয়েছে ৬,২৬৯ জনকে, সর্বমোট ২২১৯,৮৯৩ জনকে টেস্ট করা হয়েছে।

জার্মানিতে দুই ডোজ নেয়ার পরেও করোনা আক্রান্ত সহস্রাধিক।

জার্মানিতে দুই ডোজ নেওয়া কয়েক হাজার টিকাগ্রহীতা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দেশটির কমপক্ষে তিনটি অঙ্গরাজ্যের টিকাগ্রহীতাদের শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দেওয়ায় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগসহ টিকা উৎপাদন এবং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

জার্মানিতে পুরোদমে চলছে করোনাভাইরাসের টিকা কার্যক্রম। তবে টিকা নেওয়ার পরও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন বহু মানুষ। দেশটির স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সূত্রমতে, গত কয়েক দিনের ব্যবধানে জাক্সেনে ২০২ জন, জাক্সেন আনহাল্টে ১১২ জন এবং থুইরিঙ্গেনে কমপক্ষে ৯৪ জনের শরীরে নতুন করে করোনার উপসর্গ ধরা পড়ে।করোনায় আক্রান্তরা টিকার দুটি ডোজই গ্রহণ করেছিলেন বলে জানা গেছে। এ অবস্থায় স্থানীয়রা অঙ্গরাজ্যগুলোতে সরবরাহ করা করা টিকার মান ও স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

স্থানীয় একজন বলেন, দেখুন অঙ্গরাজ্যগুলোতে যে ধরনের টিকা সরবরাহ করা হয়েছে তাতে আমরা অসন্তুষ্ট। শুধু টিকা নয়, বর্তমানে ক্ষমতাসীন সরকার করোনা নিয়ে জনগণের সঙ্গে যে রাজনীতি করছে তা অগ্রহণযোগ্য।খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে তৈরি করা টিকাগুলোর কোনোটিই যে করোনা থেকে শতভাগ সুরক্ষা দেবে না, সে বিষয়ে আগেই বার্তা দিয়েছিলেন জার্মান ভ্যাকসিন বিশেষজ্ঞরা। তাই টিকা নেওয়ার পরও সুরক্ষাবিধি মেনে চলার আহ্বান তাদের।জার্মান ভ্যাকসিন বিশেষজ্ঞ বলেন, আমি বাংলাদেশের বন্ধুদের বলতে চাই, দয়া করে করোনাকে অবহেলা করবেন না। করোনা সত্যিই মারাত্মক একটা মহামারি, যে অবস্থায় থাকুন না কেন সুরক্ষাবিধি মেনে চলুন, ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে টিকা নিন, বেঁচে থাকুন।এদিকে টিকা নিয়েও করোনায় আক্রান্ত হওয়া ঘটনায় বিব্রত অঙ্গরাজ্যগুলোর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসন।

জেদ্দায় সীমিত পরিসরে চলছে ইফতারসামগ্রীর বেচাকেনা।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের মতো করোনাভাইরাস আতঙ্কে সৌদি আরবও। দেশটির অন্যান্য স্থানের মতো জেদ্দার ইফতার বাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতারাও করোনা আতঙ্কে ভুগছেন।

করোনাভাইরাস আতঙ্কে সৌদি আরবের রাস্তাঘাট অনেকটাই ফাঁকা। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বের হচ্ছেন না কেউ। স্থানীয়দের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও আতঙ্ক কাজ করছে।করোনার প্রভাব পড়েছে এবারের ইফতার আয়োজনেও। এরই মধ্যে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এরপরও সীমিত আয়োজনে চলছে ইফতারসামগ্রীর বেচাকেনা।

জেদ্দায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা কাজ শেষে ঘরে ফিরে যথেষ্ট সময় না পাওয়ায় ইফতারসামগ্রীর জন্য বাংলাদেশি দোকানগুলোতেই ভরসা করেন। তবে করোনা মহামারিতে বেশ বিপাকে রয়েছেন তারা।তারপরও প্রবাসীরা জানান, পরিবার-পরিজন ছেড়ে সৌদি আরবে থাকলেও জেদ্দার ইফতার আয়োজনে খুঁজে পান স্বদেশের ঘ্রাণ।

২৬ এপ্রিল ইতালিতে খুলছে বারসহ সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে শর্তসাপেক্ষে ইতালির রেস্তোরাঁ ও বারসহ সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। একই সঙ্গে ওই দিন থেকে ইতালির প্রায় অঞ্চল হলুদ জোনে ফিরে যাবে বলেও জানানো হয়।

শনিবার ইতালিতে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলেও আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে শর্তসাপেক্ষে রেস্তোরাঁ ও বারসহ সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান দেশিটির প্রধানমন্ত্রী মারিও সরকার।তবে, ভেতরে নয় খাবার পরিবেশন করতে হবে রেস্টুরেন্টের বাইরে চেয়ার-টেবিলে বসে। এ ছাড়া আগামী ১ জুন থেকে আর কোনো ধরনের বিধিনিষেধ থাকবে না বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

স্থানীয়দের পাশাপাশি ইতালি সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরাও।তবে, ইউরোপের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ থাকায় ছুটিতে বাংলাদেশ গিয়ে আটকেপড়া প্রবাসী শ্রমিকদের অনেকেই চাকরি হারাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।এদিকে, সোমবার থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষে বসে সরাসরি ক্লাস করার সুযোগ পাচ্ছেন দেশটির প্রায় ৭০ লাখ শিক্ষার্থী। তবে, রেড জোনে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আগের মতোই অব্যাহত থাকবে অনলাইন ক্লাস।

দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। এখন দ্রুত মারা যাচ্ছেন করোনা আক্রান্তরা: আইইডিসিআর।

দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। সেই সঙ্গে দ্বিতীয় ঢেউয়ে যারা আক্রান্ত হচ্ছেন তারা আগের চেয়ে দ্রুত মারা যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআর।

চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। তারা বলছেন, গত বছরের চেয়ে অনেক বেশি তীব্রতা নিয়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বাড়ছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, এ বছরের মার্চে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৩৮ জন। এপ্রিলের ১৫ তারিখ পর্যন্ত ৯৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সে অনুযায়ী দুই সপ্তাহেই মৃত্যুর হার এক লাফে ৪৭.৫ শতাংশ বেড়েছে।

সংক্রমণ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে আইইডিসিআর বলেছে, এ বছর এপ্রিলে আগের বছরের সর্বোচ্চ মৃত্যু হারের চেয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি মৃত্যু হয়েছে। গত বছরের ফেব্রুয়ারি-এপ্রিল মাসের সঙ্গে এ বছরের একই সময়ের তুলনা করে দেখা গেছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে কেউ মারা যায়নি, মার্চে পাঁচজন আর এপ্রিলে ১৬৩ জন মারা গেছেন। আর চলতি বছরের এই তিনটি মাসে মারা গেছেন যথাক্রমে ২৮১, ৬৩৮ এবং ৯৪১ জন।সরকারের এই প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, এ সময় আক্রান্তদের ৪৪ শতাংশই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ৩৩ শতাংশ রোগী প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে, ১৭ শতাংশ বাড়িতে এবং ছয় শতাংশ অন্যান্য উপায়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।প্রতিষ্ঠানটি আরও বলেছে, যারা মারা গেছেন, তাদের ৫২ শতাংশই উপসর্গ শুরুর পাঁচদিনের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ২৬ শতাংশ পাঁচ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এবং উপসর্গ শুরুর ১১ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে ১২ শতাংশ হাসপাতালে ভর্তি হন।  আইইডিসিআরের প্রতিবেদনে জানানো হয়, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পাঁচদিনের মধ্যে মারা গেছেন ৪৮ শতাংশ এবং ৫ থেকে ১০ দিনের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৬ শতাংশ করোনা রোগীর। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে সরকারের প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এখন করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগী খুব দ্রুত মৃত্যুবরণ করছেন।এদিকে রোববার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটি দেশে এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যুর রেকর্ড। এর আগের দুদিন ১০১ জন করে মৃত্যু বরণ করেছিল।এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ হাজার ৬৯৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এতে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ১৮ হাজার ৯৫০ জনে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ৬ হাজার ১২১ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ১৪ হাজার ৯৩৬ জন।২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয় ১৮ হাজার ৯২৮টি। পরীক্ষা করা হয় ১৯ হাজার ৪০৪টি নমুনা। ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ০৬ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় এ পর্যন্ত মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

১৯ এপ্রিল থেকে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে এয়ার অ্যারাবিয়া।

আবুধাবি, দুবাই, ওমানে রুটে যাত্রী নিবে এয়ার অ্যারাবিয়া। শুধু মাত্র ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট পরিচালিত হবে। আপনার টিকিট রি কনফার্ম করতে ঢাকা ও চট্টগ্রামের এয়ার অ্যারাবিয়ার অফিসে যোগাযোগ করুন।

যোগাযোগ

ঢাকা অফিস:
জাহাঙ্গীর টাওয়ার, ( একুশে টিভি একই ভবন )
১০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা।
ফোন: 01730 03 77 50

চট্টগ্রাম অফিস:
শাফি ভবন, প্লট ৬, শেখ মুজিব রোড, আগ্রাবাদ বানিজ্যিক এলাকা, চট্টগ্রাম।
ফোন: 01713 48 21 93

সূত্র: বাংলা এভিয়েশন।

কাতারে বাংলাদেশীসহ আক্রান্ত ৮২৩জন, ও সুস্থ ৭১৩জন।

আজ কাতারে করোনায় আক্রান্ত ৮২৩জন ও সুস্থ হয়েছে ৭১৩জন।রবিবার জনস্বাস্থ্য মন্রণালয় জানিয়েছে কাতারে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত আরও ৮২৩টি মামলা নিশ্চিত করেছে এবং এ পর্যন্ত কাতারে আক্রান্ত ব্যাক্তির সংখ্যা দাড়িয়েছে ১৯৬,৫৮০জন।
গত ২৪ঘন্টায় করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৭১৩জন।এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১৭৩,৯৭০জন।
বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছে
২২,২২৮জন।
গত ২৪ঘন্টায় আইসিউ’তে ভর্তি হয়েছে ৩০জন।
বর্তমানে আইসিউ’তে চিকিৎসাধীন আছে ৪৬৭জন।
গত ২৪ঘন্টায় কাতারে করোনা টিকা নিয়েছে ২৩,১১৯জন।
এ পর্যন্ত কাতারে করোনা টিকা নিয়েছে ১২,৪৮,২২৯জন।

গত ২৪ঘন্টায় কাতারে করোনা ভাইরাস এর পরীক্ষা করা হয়েছে ১০,৭৯৩জন। মন্রণালয় জানিয়েছে, সদ্য নির্ণয় করা সমস্ত ব্যাক্তি সম্পূর্ণ সচ্ছলতা এবং সুস্বাস্থ্যের মধ্যে রয়েছে।এখন পর্যন্ত কাতারে কোভিড-১৯ এর পরীক্ষা করা হয়েছে১৮,৪০,০৫৩জন।
গত ২৪ঘন্টায় কাতারে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছে ৬জন।
এখন পর্যন্ত কাতারে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছে ৩৮২জন।

মন্রণালয় আরও জানিয়েছে, নতুন ভাবে করোনায় আক্রান্ত ব্যাক্তিদের সংস্পর্শে আসা ব্যাক্তিদের সন্ধান করছে। আক্রান্ত হওয়া বেশির ভাগ রোগী অভিবাসী শ্রমিক বলে জানিয়েছে মন্রণালয়। শুরুতে যারা আক্রান্ত হয়েছিলো তাদের সংস্পর্শে আসার কারণে আক্রান্ত হয়েছে বলে ধারণা করছে মন্রণালয়।

করোনা ভাইরাস সংক্রমন হতে বাঁচতে সবাইকে মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস ব্যাবহারের পরামর্শ দেন মন্রণালয়। জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়,সমাজের সকল স্তরের সদস্য কে ঘরে বসে এবং সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব নির্দেশিকা অনুসরণ করে সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য এবং সমস্ত স্বাস্থ্য নির্দেশিকা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় মন্রণালয়কে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান। আপনি/আপনারা কী ভাবে সুরক্ষিত থাকবে সে সম্পর্কে সর্বাধিক যুগোপযোগী গাইডেন্সের জন্য এমওপিএইচ (Moph)ওয়েবসাইটটি নিয়মিত পরিদর্শন করার আহব্বান জানান। জ্বর বা সর্দি হলে টোল ফ্রি করোনা ভাইরাস ২৪/৭ হটলাইন ১৬০০০কল করতে অনুরোধ জানান।

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ১৭ মামলা, আদালতে তোলা হবে কাল’

রিসোর্টকাণ্ডের পর দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে গ্রেফতার হয়েছেন হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক।
তিনি যে কোনো সময় গ্রেফতার হতে পারেন- এমন আভাস পাওয়া যাচ্ছিল কয়েকদিন ধরেই।ছিলেন গোয়েন্দা নজরদারিতে।অবশেষে রোববার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।

দুপুর ১২টা থেকে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা এলাকায় গোয়েন্দা সদস্য ও দাঙ্গা পুলিশের সদস্যরা অবস্থান নেন। দুপুর ১টায় ওই মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগ।উপকমিশনার (ডিসি) হারুন-অর রশিদের নেতৃত্বে এই গ্রেফতার অভিযান চলে।মামুনুল হককে গ্রেফতারের পর প্রথমে শ্যামলীতে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনারের কার্যালয়ে নেওয়া হয়।এরপর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সেখান থেকে দুপুর ২টায় তাকে তেজগাঁও থানায় নেওয়া হয়।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই হেফাজত নেতা সেখানেই আছেন বলে জানা গেছে।

দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত এই হেফাজত নেতার বিরুদ্ধে শুধু রাজধানীতেই ১৭টি মামলা রয়েছে। এরমধ্যে ১৫টি মামলা পুলিশ বাদী হয়ে দায়ের করে।আর বাকি দুটির মধ্যে এক যুবলীগ নেতা ও একজন সাধারণ মানুষ বাদী হয়ে দায়ের করেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতের তাণ্ডবের পর ১৫টি মামলায় মামুনুল হককে আসামি করা হয়েছে।মামলাগুলোর বাদী হয়েছে পুলিশ।সর্বশেষ গত ৫ এপ্রিল পল্টন থানায় যুবলীগের এক নেতা বাদী হয়ে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। আর মোহাম্মদপুর থানায় আরেকটি মামলা করেন সাধারণ এক ব্যক্তি।

ডিএমপির একটি সূত্র জানায়, মামুনুল হক ডিবির মতিঝিল বিভাগে ৮টি মামলা, লালবাগ বিভাগে দুটি ও তেজগাঁও বিভাগে একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এসব মামলা তদন্তাধীন। এ ছাড়া মতিঝিল থানায় একটি ও পল্টন থানায় ৪টি মামলায় আসামি মামুনুল হক।এসব মামলার মধ্যে ১৫টি হয়েছে ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতের ঘটনার পর।

মামুনুল হককে গত বছর মোহাম্মদপুরে একটি ভাংচুরের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে বলে জানান ডিসি হারুন অর রশিদ। তিনি বলেন, তার (মামুনুল হক) বিরুদ্ধে মতিঝিল, পল্টন ও নারায়ণগঞ্জে আরও কয়েকটি মামলা আছে।পরে ওই মামলাগুলো সমন্বয় করা হবে।

আগামীকাল (সোমবার) তাকে আদালতে হাজির করা হবে। সুত্রঃ যুগান্তর ।