ক্যাটাগরি Uncategorized

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে সিলিন্ডার গ্যাসের দাম কমিয়ে সর্বনিম্ন ৫৯১ টাকা মূল্য নির্ধারণ করে দিল সরকার!

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে ভোক্তা পর্যায়ে লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)’র মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

ভোক্তা পর্যায়ে সরকারি এলপিজি গ্যাসের প্রতি ১২.৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম হবে ৫৯১ টাকা। আর বেসরকারি সমান আয়তনের সিলিন্ডারের দাম হবে ৯৭৫ টাকা। ১২ই এপ্রিল থেকে এই আদেশ কার্যকর হয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিমাসেই এই দাম পরিবর্তিত হতে পারে। সোমবার একটি সংবাদ সম্মেলনে এই দাম নির্ধারণের ঘোষণা দেয় বিইআরসি।

এতোদিন ধরে একেক স্থানে এলপিজি গ্যাসে দাম একেক রকম নেয়া হতো। চাহিদা সংকটের সময় বাড়তি দাম আদায়ের অভিযোগও পাওয়া যেতো। এমন প্রেক্ষাপটে ১৪ জানুয়ারি এলপি গ্যাসের দাম নির্ধারণের জন্য বিক্রয়কারী কোম্পানিগুলোর দাম নিয়ে গণশুনানি করে বিইআরসি।

বিইআরসির চেয়ারম্যান মোঃ আবদুল জলিল বলেন, ”সারা দেশের বিক্রেতাদের এই আদেশ অনুসরণ করতে হবে। কেউ সেটা লঙ্ঘন করলে কোন ভোক্তা যদি অভিযোগ করেন, তাহলে আমরা ব্যবস্থা নেবো।”

তবে সিলিন্ডারের মান নিশ্চিত করার বিষয়ে কমিশন কি করবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সিলিন্ডারের মানের বিষয়ে আরো কিছু সংস্থার দায়িত্ব রয়েছে। তারপরেও নিম্নমানের হয়ে থাকলে সেসব সংশ্লিষ্ট দপ্তর ব্যবস্থা নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, গণশুনানির ৯০ দিনের মধ্যে আদেশ দেয়ার নিয়ম। সেই হিসাবে ১৪ এপ্রিল সেই সময় শেষ হচ্ছে। তার আগেই কমিশন থেকে দাম নির্ধারণের এই ঘোষণা এলো।

সাধারণত সৌদি কন্ট্রাক্ট প্রাইস (সিপি) অনুযায়ী দেশে এলপিজি গ্যাসের দাম নির্ধারিত হয়। সেই সঙ্গে এলসি মার্জিন, জাহাজ ভাড়া, পরিবহন ব্যয়, ডিলারের লভ্যাংশ, উদ্যোক্তার মুনাফা বিবেচনায় নিয়ে বাজার দর নির্ধারণ করা হয়।

এর আগে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) গণশুনানির মাধ্যমে এলপিজির দাম নির্ধারণের জন্য একটি রিট আবেদন করেছিল। এই রিটের শুনানি শেষে আদালত বিইআরসিকে গণশুনানি করে এলপিজির দাম নির্ধারণের আদেশ দেয়।

চালু হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় করোনা হাসপাতাল।

চালু হলো দেশের সবচেয়ে বড় করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল। মহাখালীতে ‘ডিএনসিসি ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালটিতে আছে ১০০ শয্যার আইসিইউ। ১১২টি এইচডিইউ স্থাপন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এক হাজার রোগীর ভর্তির ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। এছাড়া রোগীদের জন্য সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থাও আছে। থাকছে ৫০০ চিকিৎসক, ৭০০ নার্স, ৭০০ স্টাফ।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরশনের মহাখালী কাঁচাবাজারের জন্য ছয় তলা ভবনটি হাসপতালে রূপান্তর করা হয়েছে।

সূত্র: যমুনা টিভি।

সৌদিসহ ১২ গন্তব্যে বিমানের বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে ফ্লাইট ল্যান্ডিং অনুমতি মিলেছে। আজ রবিবার সারাদিনে পাঁচটি দেশে ১২টি বিশেষ ফ্লাইটের স্লট নির্ধারিত আছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার দ্বিতীয় দিনে কোনো সমস্যা নেই। সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মামে ফ্লাইট ল্যান্ডিংয়ের অনুমতি মিলেছে। সে সাথে দাম্মামে বাড়তি একটি ফ্লাইট যুক্ত হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে রিয়াদের উদ্দেশে বিশেষ ফ্লাইট রওনা দিয়েছে। পাশাপাশি ওমানের মাস্কাটে ও দুবাইয়ে রওনা হয়েছে বিশেষ ফ্লাইট।

সূত্র: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

বিশেষ ফ্লাইটে সৌদি ও ওমান গেছেন ৪৭৬ প্রবাসী।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দুইটি বিশেষ ফ্লাইটযোগে সৌদি আরব ও ওমান গেছেন ৪৭৬ জন প্রবাসীকর্মী। রবিবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও এয়ার অ্যারাবিয়ার বিশেষ ফ্লাইটে তারা রওনা হয়েছেন। যেখানে বিমানে ২৭১ জন ও এয়ার অ্যারাবিয়ায় ২০৫ জন।

সূত্র: এভিয়েশন নিউজ।

বিদেশ থেকে দেশে আসতে প্রবাসীদের করনীয়।

লকডাউন চলাকালে দেশে আসতে নিরুৎসাহিত করছে সরকার। দেশে আসতে হলে প্রত্যেক যাত্রীকে দেশে আসার সময় কোভিড নেগেটিভ সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলকভাবে থাকতে হবে। করোনার জন্য ভ্যাকসিন নিলেও দেশে আসলে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। বাড়িতে যেতে পারবেন না। দেশে আসার পূর্বেই বিমানবন্দরে বোডিং কার্ড নেওয়ার সময় কোয়ারান্টাইনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে, আপনি সরকারি ব্যবস্থায় থাকবেন নাকি হোটেলে। সেনা বাহিনী পরিচালিত কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে বিনামূল্যে থাকতে পারবেন প্রবাসীরা। তবে সেখানে খালি না থাকলে হোটলে নিজ খরচে কোয়ারান্টাইনের জন্য বুকিং করতে হবে।

সূত্র: বাংলা এভিয়েশন।

দেশে,যে কারণে করোনা আক্রান্তরা দ্রুত মারা যাচ্ছে’

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআর জানিয়েছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্তরা আগের চেয়ে দ্রুত মারা যাচ্ছেন। গত বছরের চেয়ে অনেক বেশি তীব্রতা নিয়ে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হারও বেড়েছে।আইইডিসিআর গেল শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

এদিকে আজ রোববার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০২ জনের মৃত্যু হয়েছে।দেশে করোনায় এটাই সর্বোচ্চ মৃত্যু।এ নিয়ে দেশে করোনায় প্রাণ হারালেন মোট ১০ হাজার ৩৮৫ জন।এর আগে গেল শনিবার এবং শুক্রবার ১০১ জনের রেকর্ড মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।তার আগে সর্বাত্মক লকডাউনের প্রথম দিন ৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। হু হু করে বেড়ে চলেছে মৃত্যু সংখ্যা।

আইইডিসিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়, এ বছরের মার্চে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৩৮ জন।এপ্রিলের ১৫ তারিখ পর্যন্ত ৯৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সে অনুযায়ী দুই সপ্তাহেই মৃত্যুর হার এক লাফে ৪৭.৫ শতাংশ বেড়েছে।

সংক্রমণ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে আইইডিসিআর বলেছে, এ বছর এপ্রিলে আগের বছরের সর্বোচ্চ মৃত্যু হারের চেয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি মৃত্যু হয়েছে।গত বছরের ফেব্রুয়ারি-এপ্রিল মাসের সঙ্গে এ বছরের একই সময়ের তুলনা করে দেখা গেছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে কেউ মারা যায়নি, মার্চে পাঁচজন আর এপ্রিলে ১৬৩ জন মারা গেছেন।আর চলতি বছরের এই তিনটি মাসে মারা গেছেন যথাক্রমে ২৮১, ৬৩৮ এবং ৯৪১ জন।

চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে সরকারের এই প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, এ সময় আক্রান্তদের ৪৪ শতাংশই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ৩৩ শতাংশ রোগী প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে, ১৭ শতাংশ বাড়িতে এবং ছয় শতাংশ অন্যান্য উপায়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।যারা মারা গেছেন, তাদের ৫২ শতাংশই উপসর্গ শুরুর পাঁচদিনের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ২৬ শতাংশ পাঁচ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এবং উপসর্গ শুরুর ১১ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে ১২ শতাংশ হাসপাতালে ভর্তি হন।

আইইডিসিআর তাদের প্রতিবেদনে জানায়, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পাঁচদিনের মধ্যে মারা গেছেন ৪৮ শতাংশ এবং ৫ থেকে ১০ দিনের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৬ শতাংশ করোনা রোগীর।এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে সরকারের প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এখন করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগী খুব দ্রুত মৃত্যুবরণ করছেন। উৎসঃ যুগান্তর ।

করোনায় দেশে ফের শতাধিক মৃত্যু।

দেশে মহামারি করোনায় একদিনে সর্বোচ্চ ১০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০ হাজার ৩৮৫ জনে। করোনাভাইরাস নিয়ে রোববার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে শনিবার (১৭ এপ্রিল) একদিনে সর্বোচ্চ ১০১ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ হাজার ৬৯৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এতে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ১৮ হাজার ৯৫০ জনে।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ৬ হাজার ১২১ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ১৪ হাজার ৯৩৬ জন।

২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয় ১৮ হাজার ৯২৮টি। পরীক্ষা করা হয় ১৯ হাজার ৪০৪টি নমুনা। ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ০৬ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় এ পর্যন্ত মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, রোববার (১৮ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে মারা গেছেন ১১ হাজার ৮০৬ জন এবং নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ লাখ ৮৯ হাজার ১১৩ জন। এ নিয়ে বিশ্বে মোট করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩০ লাখ ২৩ হাজার ৮১৩ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ কোটি ১৩ লাখ ৫৩৮ জন। এ ছাড়া সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ কোটি ৯৯ লাখ ১৪ হাজার ৭৮৭ জন।করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ২৩ লাখ ৭২ হাজার ১১৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৮০ হাজার ৭৫৬ জনের।আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন এক কোটি ৪৭ লাখ ৮২ হাজার ৪৬১ জন এবং মারা গেছেন এক লাখ ৭৭ হাজার ১৬৮ জন।আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় এক কোটি ৩৯ লাখ ১৩৪ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৭১ হাজার ৮৮৯ জনের।আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫২ লাখ ৬০ হাজার ১৮২ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছেন এক লাখ ৫৯৩ জন।আক্রান্তের দিক থেকে রাশিয়া রয়েছে পঞ্চম স্থানে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৪৬ লাখ ৯৩ হাজার ৪৬৯ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন এক লাখ ৫ হাজার ১৯৩ জন।এদিকে আক্রান্তের তালিকায় যুক্তরাজ্য ষষ্ঠ, তুরস্ক সপ্তম, ইতালি অষ্টম, স্পেন নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে রয়েছে। এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম।২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।                   ১৮ এপ্রিল (রোববার) এর আপডেট

মামুনুল হককে গ্রেফতারের কারণ জানালো পুলিশ।

মামুনুল হককে গ্রেফতারের কারণ জানালো পুলিশ – ছবি – সংগৃহীত

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেফতারের কারণ জানিয়েছে পুলিশ। রোববার বেলা ১টার দিকে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদরাসা থেকে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেফতারের পর দুপুর পৌনে ২টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে গ্রেফতারের কারণ জানানো হয়েছে।

তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনার (ডিসি) হারুন-অর-রশিদ বলেন, তার বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা, থানায় হামলা, রেজিস্ট্রার অফিসে হামলা ভাঙচুরসহ অনেকগুলো মামলা রয়েছে। এসব মামলার তদন্ত চলছিল। আমরা দীর্ঘদিন ধরে তাকে নজরদারিতে রেখেছিলাম, পাশাপাশি এসব মামলার তদন্ত করছিলাম। তদন্তে তার সুস্পষ্ট সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পেয়েই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে ডিসি হারুন বলেন, গ্রেফতারের পর আজ তাকে মোহাম্মদপুর থানায় রাখা হবে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আগামীকাল (সোমবার) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। তার রিমান্ড চাওয়ার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের তাণ্ডবের বিষয়ে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না?- এমন প্রশ্নে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, সেদিনের ঘটনা আপনারা সবাই দেখেছেন।

গত এক মাস ধরে ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের বিরোধিতা করে হেফাজতের আন্দোলনসহ নানা বিষয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন মাওলানা মামুনুল হক।

নরেন্দ্র মোদির সফরের সময় ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত সহিংসতায় দেশে ১৭ জনের মৃত্যুর হয়। এসব সহিংসতার ঘটনায় সারাদেশে প্রায় অর্ধশতাধিক মামলা হয়েছে। এসব ঘটনার মূল ইন্ধনদাতা হিসেবে হেফাজত নেতা মামুনুল হকের দিকেই সন্দেহের তীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সূত্রে জানা যায়, ২৬ মার্চ জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সহিংসতার ঘটনায় গত ৫ এপ্রিল হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ ১৭ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। মামলায় ২ হাজার ব্যক্তিকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের উপ-দফতর সম্পাদক খন্দকার আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলাটি করেন।

দেশের ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ আরও এক সপ্তাহ বাড়তে পারে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় চলমান ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ আরও এক সপ্তাহ বাড়তে পারে। এমনটিই চিন্তাভাবনা করছে সরকার। লকডাউন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে আগামী সোমবার সভা ডাকা হয়েছে। সেখানেই লকডাউনের সময়সীমা বৃদ্ধির ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, করোনার সংক্রমণ এখনো অনেক বেশি। তাই লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়তে পারে। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে আগামী সোমবারের বৈঠকে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, লকডাউন বাড়ানোর পরামর্শ আছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৯ এপ্রিলের সভার পর ওই দিন বা ২০ এপ্রিল কী হবে, তা জানিয়ে দেওয়া হবে।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় এবং করোনায় প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। এরপর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছিল। গেল বছর কয়েক দফায় বৃদ্ধি করে টানা ৬৬ দিন সাধারণ ছুটি ছিল।

একপর্যায়ে করোনার সংক্রমণ অনেকটাই কমে গিয়েছিল। কিন্তু চলতি বছরের গত মার্চ মাস থেকে করোনার সংক্রমণ আবারও বাড়তে শুরু করে। পরপর গত দু’দিন করোনায় সংক্রমিত হয়ে ১০১ জন করে মারা গেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার প্রথমে ৫ এপ্রিল থেকে সাত দিনের জন্য গণপরিবহন চলাচলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ জারি করেছিল।

পরে তা আরও দু’দিন বাড়ানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় গত ১৪ থেকে আগামী ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আরও কঠোর বিধিনিষেধ দিয়ে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ শুরু করা হয়।

চলমান লকডাউনে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থলবন্দর এবং এ-সংক্রান্ত অফিসগুলো এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে। প্রথম ব্যাংক বন্ধের ঘোষণা দিলেও পরে তা আবার খোলার সিদ্ধান্ত হয়। আর শিল্পকারখানাগুলো নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু রাখা হয়েছে।

সুত্রঃ বিডি-প্রতিদিন ।

গতকাল কোভিড-১৯’ কুয়েতে নতুন শনাক্ত ১,৩৮৮, সুস্থ ১,৩৬০ ও মারা গেছে ৪ জন।

কুয়েতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছে কুয়েতি ও প্রবাসীসহ ১,৩৮৮ জন, সুস্থ হয়েছে ১,৩৬০ এবং মারা গেছে ৪ জন ।‌

মোট আক্রন্তের সংখ্যা ২৫৫,৮৬০ জন । মোট মৃতের সংখ্যা ১,৪৪০ জন ।

আজকের সুস্থ হওয়া ১,৩৬০ জনসহ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মোট ২৩৯,০২৭ ব্যক্তি সুস্থ হয়েছেন, যাদের মধ্যে কুয়েতি ও প্রবাসী রয়েছে ।

রবিবার ভোর রাত ২টায় সংবাদ ব্রিফিংএ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করে ।

কুয়েতে নিয়মিত চিকিৎসাধীন আছে ১৫,৩৯৩ জন। আইসিউতে আছেন ২৫০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় টেস্ট করা হয়েছে ৮,৫৭৭ জনকে, সর্বমোট ২২১৩,৬২৪ জনকে টেস্ট করা হয়েছে।