ক্যাটাগরি Uncategorized

আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আসছে এপ্রিলে ঢাকা-টরন্টো রুটে যাত্রা শুরু হবে। যদিও মার্চেই ফ্লাইট চালুর লক্ষ্য ছিল প্রতিষ্ঠানটির। করোনায় দীর্ঘ অচলাবস্থার কারণে এ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

সোমবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মুদ্রণ ও প্রকাশনা বিভাগের (বিমান প্রেস) বাণিজ্যিক সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে রাজধানীর ফার্মগেটে বিমান প্রেসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, এপ্রিলেই বিমানের ফ্লাইট ঢাকা থেকে সরাসরি কানাডার টরন্টোতে চালু হবে। এছাড়াও ফ্লাইট চলাচলে জাপান দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায়, প্রায় ১৪ বছর পর ঢাকা-টোকিও রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চালুর বিষয়েও ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।

বিমান নতুন রুট হিসেবে চেন্নাইতেও চালু করতে যাচ্ছে ফ্লাইট। তবে টোকিও এবং চেন্নাইতে ঠিক কবে ফ্লাইট চালু হবে তা নিশ্চিত না করলেও প্রতিমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছেন, করোনা সংকট কেটে গেলেই এ দুটি রুটে চালু হবে বিমানের ফ্লাইট।

প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইটের বিষয়েও দ্রুত সুখবর দেবে বিমান বাংলাদেশ। তিনি বলেন,

বিমানের বহর এখন আধুনিক ও তারুণ্যদীপ্ত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক আগ্রহ ও চেষ্টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিমান বহরে যুক্ত হয়েছে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির নতুন ১৩টি উড়োজাহাজ। অচিরেই আরো দুটি নতুন ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্বে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এভিয়েশন ও পর্যটন শিল্প। বিশ্বের সব এয়ারলাইন্স কোম্পানি বর্তমানে একটি বিশেষ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিমানও এর ব্যতিক্রম নয়। আমরা বিমানের অপারেশনাল ব্যয় হ্রাস করার পাশাপাশি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে বিমানের আয় বৃদ্ধি করার ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।

পাপুলের স্ত্রী-মেয়ের জা’মিন কেন বাতিল নয়: হাইকোর্ট।

আগামী ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।…..

দুর্নীতি মামলায় এমপি পাপুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম ও মেয়ে ওয়াফা ইসলামের জামিন কেন বাতিল হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহি উদ্দীন শামিমের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের মামলায় পাপুলের স্ত্রী এমপি সেলিনা ইসলাম ও মেয়ে ওয়াফা ইসলামের জামিন আবেদন মঞ্জুর করে গত ১১ ফেব্রুয়ারি আদেশ দেন ঢাকার একটি বিচারিক আদালত। গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছিলেন সেলিনা এবং ওয়াফা।

এ জামিনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ আদালতে দুদকের আবেদনের ওপর শুনানি হয়।

এর আগে, গত বছরের ২২ ডিসেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ ২৮ ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

তারও আগে ১০ ডিসেম্বর অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের মামলায়এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের স্ত্রী ও মেয়েকে ১০ দিনের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। ওই আদেশের পর তারা নিম্ন আদালতে যান। কিন্তু আদালত ছুটি থাকায় বিষয়টি নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। পরবর্তীতে তারিখ পিছিয়ে ২৮ ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের আত্মসমর্পণের আদেশ দেন হাইকোর্ট।

এদিকে, ১০ ডিসেম্বর কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের স্ত্রী ও মেয়ের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ প্রতীয়মান হয়নি মর্মে প্রতিবেদন দেয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-পরিচালক মো. আরেফিন আহসান মিঞাকেও তলব করেন আদালত।

গত বছরের ১১ নভেম্বর দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে দুই কোটি ৩১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ ও ১৪৮ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে পাপুল ও তার স্ত্রী সেলিনা এবং মেয়ে ওয়াফাসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

২১ ঘণ্টা পর সেই পুলিশ সদস্যকে ফে’রত দিল বিএসএফ।

পঞ্চগড়ের মমি;নপাড়া সীমান্ত এ;লাকা থেকে ধ;;রে নিয়ে যাওয়ার ২১ ঘণ্টা পর পুলিশ সদস্য ওমর ফারুককে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সী;মান্তর;ক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় উপজেলা

সদরের ৭৫৩ নম্বর মে;ন পি;লা;রের কাছে বিজিবি ও বিএসএফের ব্যাটা;লিয়ন পর্যা;য়ে প;তা;কা বৈ;ঠক শে;ষে তাকে বিজিবির কাছে হ;স্তান্ত;র করা হয়।

পতাকা বৈঠকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পক্ষে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং বিএসএফের পক্ষে ২১ বিএসএফ ব্যটালিয়নের কমান্ডেন্ট জি এস টমার নেতৃত্ব দেন। পরে বিজিবি ওই পুলিশ সদস্যকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

এসময় পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদর্শন কুমার রায়, বিজিবির ঘাগড়া সীমান্ত ফাঁড়ির কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার নুরুল আমিন, সদর থানা পুলিশের তদন্ত ওসি জামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে মমিনপাড়া সীমান্তের ৭৫৩ নম্বর মেইন পিলার এলাকা থেকে ভারতীয় নাগরিকরা ওই পুলিশ সদস্যকে ধ;রে মা;র;ধর করেন এবং ভারতের চা;না;কিয়া বিএসএফ ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্য;দের হাতে তু;লে দেন।

বিএসএফের হাতে আ;ট;ক ওমর ফারুক নামের ওই পুলিশ সদস্য পঞ্চ;গড় জেলা জজ আ;দালতে নিরাপ;ত্তার দ্বা;য়িত্বে ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) জামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিএসএফের হাতে আ;টক হওয়া ওমর ফারুক জেলা পুলিশের একজন সদস্য।

সন্ধ্যার পর আমরা তাকে হাতে পেয়েছি। তিনি আ;হ;ত থাকায় এখন তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি কী কারণে ওই সী;মা;ন্তে গি;য়েছিলেন তা জি;জ্ঞা;সাবা;দসহ ত;দ;ন্ত করা হচ্ছে। চিকিৎসা প্রদানের পর আই;নি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

চাকরি করেন দেশে শিক্ষকা থাখেন আমেরিকায়।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকা তিন মাসের ছুটি নিয়ে দেড় বছর আগে আমেরিকায় পাড়ি জমান। যোগাযোগ করতে না পেরে তার বি;রু;দ্ধে কোনো

পদক্ষেপ নিতে পারছে না স্থানীয় শিক্ষা অফিস। আমেরিকায় পাড়ি জমানো ওই শিক্ষকের নাম তানিয়া রহমান। তিনি মির্জাপুর পৌরসভার ২৬ নম্বর বাওয়ার কুমারজানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, তানিয়া রহমান ২০১৯ সালের ৩ জুলাই থেকে ২ অক্টোবর ২০১৯ পর্যন্ত ব্যক্তিগত সমস্যা দেখিয়ে স্কুল থেকে ছুটি নেন। ছুটি নিয়ে তিনি একই বছর ২ জুলাই সপরিবারে আমেরিকায় চলে যান। তারপর

থেকে স্কুলের সাথে তানিয়া রহমানের কোনো যোগাযোগ নেই। উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে একাধিকবার এ ব্যাপারে কৈফিয়ত চেয়ে তার ঠিকানায় পত্র পাঠালেও কেউ তা গ্রহণ করেনি।

যু’ক্তরাজ্যফে’রত আরও ৮৬ জন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে।

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ২৪ ঘণ্টায় (১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত) সাতটি ফ্লাইটে যুক্তরাজ্য থেকে আসা ৮৬ যাত্রীকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্তমোট এক হাজার ৭৮৯ জন যুক্তরাজ্যফেরত ব্যক্তিকে সরকার নির্ধারিত আবাসিক হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হলো।

নতুন করে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো ৮৬ জনের মধ্যে এমিরেটসের (ইউকে) দুটি ফ্লাইটে ২১ জন, কাতার (কিউআর) ফ্লাইটে সাতজন, ইস্তাম্বুল (টিকে) ফ্লাইটে ২৪ জন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে ৩০ জন এবং গালফ এয়ারলাইন্সে চারজন এসেছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন দেশ থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে নেমেছে মোট ৩০টি ফ্লাইট। বিমানগুলোতে চার হাজার ২৪ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে যুক্তরাজ্যফেরত ৮৬ জন ছাড়া বাকি সবাইকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সৈকত এসব তথ্য জানান।তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ইকে-৫৮২ ফ্লাইটের পাঁচজন, কিউআর ৬৪০ ফ্লাইটের সাতজন, এসবি-৮০৪ ফ্লাইটের তিনজন,

টিকে-৭১২ ফ্লাইটের পাঁচজন, এসবি-৩৫৮০ ফ্লাইটের তিনজন, এলএলএল ফ্লাইটের একজন এবং ইকে ৫৮৪-ফ্লাইটের দুইজনসহ মোট ২৮ জনকে আঁশকোনা হজক্যাম্পে পাঠানো হয়। পরে তাদের পছন্দ অনুযায়ী সরকার নির্ধারিত আবাসিক হোটেলে সাতদিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়।

মালয়েশিয়ায় ৫৪৫০ প্রবাসী বাংলাদেশিকে আ’টক করে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

এশিয়া মহাদেশের অন্যতম উন্নত দেশ মালয়েশিয়ায় অভিবাসন বিভাগ ও পুলিশের অভিযানে ৫৪৫০ জন বাংলাদেশী সহ বিভিন্ন দেশের মোট ৫৯,১১৪ জন অভিবাসী কে গ্রে;ফতার করে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

২০১৯ সন থেকে ২০২০ সনের ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সময়ে অবৈধভাবে বসবাস সহ বিভিন্ন অপরাধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের আটক করেন। তবে এখনও ডিটেনশন ক্যাম্পে বাংলাদেশী সহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসী নিজ দেশে ফেরার অপেক্ষায় আছেন। করোনা পরিস্থিতির কারনে প্রত্যাবর্তন ব্যাহত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) সকালে মালয়েশিয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী দাতো হামজা জয়নুদ্দিন এক বিবৃতিতে এসব কথা জানান।

তিনি আরো বলেন, ২০২০ সনের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের মোট ৩৭,০৩৮ জন অভিবাসী কে আটক করে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।এর মধ্যে, বাংলাদেশের ৫৪৫০ জন, ইন্দোনেশিয়া ১৭,০০২ জন, মায়ানমার ৩৩২২ জন, থাইল্যান্ড ২৩৫৮ জন ও পাকিস্তানের ১৪৯৩ জন নাগরিক সহ বাকিরা অন্যন্যা দেশের নাগরিক ।

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে অবস্থান করে আটকের শিকার ১২’শত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী কে আটক করা হয়েছে তাদের ফেরত পাঠানো হবে। দেশটির ইমিগ্ৰেশন বিভাগের প্রধান দাতো খায়রুল দাযাইমি দাউদ স্থানীয় একটি গনমাধ্যমকে এই তথ্য জানান।

তিনি জানান, দেশটিতে অবৈধভাবে অবস্থান করার সময়ে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে আটকদের মধ্যে ১২’শত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের চলতি মাসের ২৩ ফেব্রুয়ারি মায়ানমারে ফেরত পাঠানো হবে।

ইমিগ্রেশন প্রধান খায়রুল দাযাইমি দাউদ বলেছেন, “নির্বাসন কেন্দ্রগুলিতে আটক অবৈধ অভিবাসীদের দেশে ফেরত পাঠানো আমাদের স্বাভাবিক কর্মসূচির একটি অংশ।

তবে এই মুহূর্তে মায়ানমারের অবস্থা বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার একজন মুখপাত্র বলেছেন,এই মুহূর্তে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো “উদ্বেগজনক” উল্লেখ করে বলেন, আটককৃতদের মধ্যে ঝুঁকিতে থাকা মহিলা ও শিশু সহ আন্তর্জাতিক সুরক্ষার প্রয়োজন হতে পারে।

সদর দপ্তরবিহীন প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি বাতিল করবে সৌদি।

মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ সৌদি আরব। একইসঙ্গে দেশটি বিশ্বের একমাত্র শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক। বলা হয়ে থাকে ‘খাবার নেই তো তেল আছে, তেল দিয়েই মিলবে খাবার’। কথিত এই কথার বাস্তবতাও মেলে দেশটির

তেল নির্ভর অর্থনীতির উন্নয়ন অগ্রযাত্রায়। তবে এবার অর্থনীতিতে বিশাল পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সৌদি সরকার।

দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান তৈরিসহ বিভিন্ন উন্নয়নে এবার শর্ত আরোপ করছে মোহাম্মদ বিন সালমান সরকার। দেশটির অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-জাদান বলেছেন, সৌদিতে সদর দপ্তরবিহীন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো যদি সৌদি

সরকারের বিনিয়োগ সুবিধাগুলো বেছে নিতে চায়, তাহলে ২০২৪ সালের মধ্যে সৌদি সরকারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে হবে ও বিনিয়োগ সেক্টর বেছে নিতে হবে। অন্যথায় তারা সরকারের সাথে চুক্তিতে সফল না বলেও জানিয়েছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-জাদান।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে আরো জানায়, যে সব আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর কিংডমে নেই, এমন সংস্থা বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি বন্ধ করারও পরিকল্পনা রয়েছে সৌদির। এর মধ্য দিয়ে বিদেশী সংস্থাগুলোকে স্থায়ীভাবে হেডকোয়ার্টার খুলতে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে হলো, স্থানীয় কর্মসংস্থান

তৈরি করতে সহায়তা করা। যদিও কোন প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর না থাকলেও তারা কাজ করতে পারবে, তবে সেটা বেসরকারী খাতের সাথে কাজ করতে হবে।

অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-জাদান রয়টার্সকে আরো জানিয়েছেন যে, ‘কিছু খাতকে সিদ্ধান্ত থেকে অব্যাহতি দেয়া হবে এবং ২০২১ সাল শেষের আগে বিস্তারিত প্রবিধান জারি করা হবে। এই অঞ্চলে সৌদি আরবের বৃহত্তম অর্থনীতি এবং জনসংখ্যা রয়েছে, যদিও আঞ্চলিক সদর দফতরের আমাদের ভাগ নগণ্য, বর্তমানে ৫ শতাংশেরও কম। এফডিআই (বিদেশী প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ), জ্ঞান স্থানান্তর এবং চাকরি সৃষ্টির ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত কার্যকরি।’

সৌদি আরবের ডি-ফ্যাক্টো শাসক যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, উচ্চাভিলাষী সংস্কারের কৌশল গ্রহণের পরই এমন

নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে দেশটি অর্থনীতিতে তেল নির্ভরতা কাটিয়ে উঠতে চাইছে। এই লক্ষ্যেই দেশটিতে মুক্ত

বাণিজ্য এবং অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যার লক্ষ্য তেল-নির্ভর অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করা, বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং লক্ষ লক্ষ তরুণ সৌদিদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করা।

ওমানের সুলতানের কাছে বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

ওমানে নবনিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মিজানুর রহমান দেশটির সুলতান হাইতাম বিন তারিকের কাছে তার পরিচয়পত্র আনুষ্ঠানিকভাবে পেশ করেছেন।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ওমানের বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, ওমানের রাজধানী মাস্কাট নগরীর বাইরে বারকা অঞ্চলে ‘কছর আল বারকা’ প্রাসাদে তিনি পরিচয়পত্র পেশ করেন।

রাষ্ট্রদূত মিজানুর রহমান অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছানোর পর ওমানের রাজকীয় বাহিনীর চৌকস বাদকদল বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বাজিয়ে শোনান। এরপর তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। রাষ্ট্রদূত রাজকীয় অভিবাদন গ্রহণ করেন।

এরপর ওমানের রাজকীয় শিষ্টাচার প্রধান রাষ্ট্রদূতকে পরিচয়পত্র পেশ অনুষ্ঠানের হলরুমে নিয়ে যান। সেখানে সুলতান হাইতাম বিন তারিকের সঙ্গে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়িদ বদর বিন হামাদ বিন হামুদ আল বুসাইদী, দিওয়ান অব রয়্যাল

কোর্টের মন্ত্রী সাইয়িদ খালিদ বিন হিলাল বিন সাউদ আল বুসাইদি উপস্থিত ছিলেন।রাষ্ট্রদূত মিজানুর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি প্রদত্ত পরিচয়পত্রটি সুলতানের কাছে হস্তান্তর করেন।

সুলতানের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন এবং তার পরিচয়পত্র গ্রহণ করার জন্য ধন্যবাদ জানান।

রাষ্ট্রদূত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা পর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম অগ্রগামী ওমানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। এছাড়াও, আধুনিক ওমান বিনির্মাণে প্রায় ৭ লক্ষাধিক বাংলাদেশি প্রবাসীদের অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রদূত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষে ‘ঐতিহাসিক মুজিববর্ষ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার

সুবর্ণজয়ন্তীর’ অনুষ্ঠানমালায় সুলতানের যোগদান দুই দেশের বিদ্যমান ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে উচ্চতর এক ঐতিহাসিক রূপ

দেবে। সুলতান আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং সুবিধাজনক সময়ে তা যথাযথ বিবেচনা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশ ও ওমানের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাণিজ্য ও বিনিয়োগভিত্তিক সম্পর্কের উপর কাজ করার পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন। সুলতান এ পরিকল্পনাকে স্বাগত জানান এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

মালয়েশিয়ায় আবারো লকডাউন, নির্দেশনা অমান্য করলে এক হাজার রিঙ্গিত জ’রিমানা।

মালয়েশিয়ায় ক”রো’নাভা’ইরা’সে’র সং’ক্র”মণ ভ’য়া’বহ রকম বৃদ্ধি পেতে থাকায় আবারও ২ সপ্তাহের জন্য মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এমসিও) ঘোষণা করা হয়েছে। মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এমসিও) ১৮ ফেব্রুয়ারি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা বাড়িয়ে ৪ মার্চ পর্যন্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাতুক সেরি ইসমাইল সাবরি বিন ইয়াকুব এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। দেশের বর্তমান ক’রো’না’ভাই’রা’স পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে জাতীয় সুর’ক্ষা কাউন্সিল ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরামর্শক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, দেশটির সেলাঙ্গর, কুয়ালালামপুর, জহুর, পিনেং রাজ্যে মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার

(এমসিও) আগামী ৪ মার্চ পর্যন্ত বলবৎ থাকলেও বাকি রাজ্যগুলোতে কন্ডিশনাল মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (সিএমসিও)

এবং রিকভারী মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (আরএমসিও) যথাযথ বহাল থাকবে।পাশাপাশি দেশটির আন্তঃরাজ্য ভ্রমণের

ওপর চলমান নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। বর্তমানে এমসিও ল’কডা’উনের নির্দেশনাবলী অ’মান্য করলে এক হাজার রিঙ্গিত জরিমানা অথবা অমান্যকারী গ্রেফতার করা হচ্ছে।

আল জাজিরার সম্প্রচার চাইলেই বন্ধ করতে পারতাম : তথ্যমন্ত্রী।

অন্যান্য দেশে যেভাবে টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করা হয় বাংলাদেশেও চাইলে সেভাবে আল জাজিরার সম্প্রচার বন্ধ করা সম্ভব হলেও তা করা হয়নি বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

সেনাপ্রধানের দুই ভাইয়ের সাজা মওকুফ করার ক্ষেত্রে একটি গণমাধ্যম বলেছে তাদের সাজা ২০১৯ সালে মওকুফ করা হয়েছিল, সেটা কোন পদ্ধতিতে করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের সাজা মওকুফ করা হয়েছে কি না জানি না। তবে একজ;নের সাজা ম;ওকুফ হয়েছে বলে আমি জানি। আমি পুরোপু;রি বিষ;য়টা নিয়ে ওয়া;কিবহাল নই। তবে তারা যে কারণে সাজা;প্রাপ্ত হয়েছি;লেন বঙ্গব;ন্ধুর খু;নির এক আত্মীয়কে খু;ন করার অপরাধে।

অর্থাৎ জা;তির পি;তার হ;ত্যা;কা;রীর সহযোগীকে হত্যা করার অপরাধে তারা সাজাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। এছাড়া খুনের সাজা মাফ করার এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির আছে।

‘বাংলাদেশে বহুজনের সাজা মাফ করা হয়েছে, সে এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির আছে। বিচার বিশ্লেষণ করে রাষ্ট্রপতি সেটি মাফ করেন। এখন তারা বহু বছর সাজা খেটেছেন, একজন সম্ভবত ২০ বছর সাজা খেটেছেন। একপর্যায়ে কিন্তু সাজা মওকুফ করা হয়। এটি একটি ইউজুয়াল প্রসিডিউর। অনেক দিন সাজা খাটার পর কয়েদি যদি ভালো আচরণ করে সেক্ষেত্রে সাজা মওকুফ করা হয়, সেটা ইউজুয়াল প্রসিডিউর।’

তিনি বলেন, আল জাজিরার রিপোর্ট যেটি করা হয়েছে আপনারা দেখেছেন, সেটি শিরোনামের সঙ্গে রিপোর্টের কোনো সম্পর্ক নেই। শিরোনাম দেয়া হয়েছে ‘অল আর দ্যা প্রাইম মিনিস্টার ম্যান’। ভেতরের প্রতিবেদন হচ্ছে সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। প্রতিবেদনটি দেখেশুনে মনে হয়েছে এটি ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করা একটি

রিপোর্ট। এই ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করা রিপোর্ট, আল জাজিরার মতো একটা টেলিভিশনে যখন হয় সেই রিপোর্টের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে আল জাজিরার গ্রহণযোগ্যতা কিন্তু কমেছে। বিশ্বব্যাপী আল জাজিরার প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

‘তাদের নিরপেক্ষতা-বস্তুনিষ্ঠটা, একইসঙ্গে তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ প্রশ্ন যে আজ উঠেছে তা নয়, এ প্রশ্ন বহুবার উঠেছে। বহু দেশে আল জাজিরার সম্প্রচার বন্ধ আছে। এমনকি ভারতেও বন্ধ,

এখনো অনেক দেশে বন্ধ রাখা হয়েছে। আল জাজিরার জন্য আমার খুব কষ্ট এই রিপোর্ট দেয়ার পর তারা বাংলাদেশে প্রচণ্ড পরিমাণ প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে। তাদের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা প্রচণ্ডভাবে লোপ পেয়ে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।’

প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পরও আল জাজিরার বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা কিন্তু ব্যবস্থা নিতে পারতাম। অন্যান্য দেশে যেভাবে টিভি চ্যানেল বন্ধ করা হয় আমাদের দেশে চাইলে সেভাবে বন্ধ করতে পারতাম। আমরা বন্ধ করিনি। কারণ আমরা গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। কিন্তু অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস

করলেও সব গণমাধ্যমের নিজস্ব একটি দায়িত্ব থাকে। আল জাজিরা এক্ষেত্রে তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে। তারা একটি পক্ষ হয়ে এবং সম্ভবত একটি পক্ষের পক্ষ থেকে আমরা যেটি শুনেছি এটির সঙ্গে আরও বহু পক্ষ যুক্ত আছে।

এটি সেনাপ্রধানকে টার্গেট করে সরকারের সমালোচনা করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। অথচ রিপোর্টের সঙ্গে সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। কোনোভাবেই এর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, এই প্রতিবেদনের পেছনে যে শক্তি আছে তার মধ্যে ডেভিড বার্গম্যান আছেন। যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার বিরুদ্ধে বিচার চলছিল। তিনি হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন, এরপর তিনি দেশত্যাগ করে চলে গেছেন। এই রিপোর্টে একসময় যুদ্ধাপরাধী যাদের বিচার করা হয়েছিল তাদের ইসলামিক বুদ্ধিজীবী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছিল। ডেভিড

বার্গম্যান তাদের পক্ষ নিয়েছিলেন। এবং সেখানে যে মূল বক্তা মি. সামি তার অনেকগুলো নাম আছে। খালেদা জিয়ার যেমন অনেকগুলো জন্মদিন আছে, এখানে যিনি মূল বক্তা তারও অনেকগুলো নাম রয়েছে। তার যে ফিরিস্তি শুনলাম

সেটি আমি আগে জানতাম না। এ রিপোর্ট হওয়ার পর তার ফিরিস্তি বের হয়ে আসছে। কখন তাকে তার পিতা ত্যাজ্যপুত্র করেছেন, কখন তিনি চুরিতে ধ;রা পড়েছেন, কখন তিনি কি করেছেন সে সব বিষয় আসছে। এ ধরনের লোকদের নিয়ে যখন রিপোর্ট তৈরি করা হয় তখন তো সেটি সেই গণমাধ্যমেরই ক্ষতি হয় যেটি আল জাজিরার ক্ষেত্রে হয়েছে।

আল জাজিরার বি;রু;দ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আইনি ব্যবস্থা নেয়ার সি;দ্ধান্ত হয়নি। তবে কোনো সং;ক্ষু;ব্ধ ব্যক্তি যদি হাইকোর্টে যায় বা আদালতে যায় সেক্ষেত্রে আদালত থেকে যদি কোনো নির্দেশনা পাই, তাহলে আদালতের নির্দেশনা অবশ্যই আমরা পালন করবো।