সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়া পরের সপ্তাহে তাদের স্থল সীমান্ত ক্রসিংয়ে একটি কোয়ারেন্টাইন-মুক্ত ভ্রমণ লেন চালু করবে, বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত করোনার বিরুদ্ধে টিকা নেওয়া লোকদের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
২৯ নভেম্বর কার্যকরী এই পরিকল্পনাটি পরের সপ্তাহ থেকে চাঙ্গি বিমানবন্দর এবং কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মধ্যে ফ্লাইটের জন্য একটি ভ্রমণ লেন শুরু করার জন্য ইতিমধ্যে ঘোষিত পদক্ষেপকে প্রসারিত করেছে। সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে ল্যান্ড ট্রাভেল লেনটি নাগরিক, স্থায়ী বাসিন্দা বা দীর্ঘমেয়াদী পাসধারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে যে দেশে তারা প্রবেশ করছে, যাতে লোকেরা সীমান্তের অপর প্রান্তে পরিবার পরিদর্শন করতে পারে।
সিঙ্গাপুর ৫.৫ মিলিয়ন জনসংখ্যা সহ, দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য জোহরে বসবাসকারী মালয়েশিয়ানদের উপর প্রচুরভাবে নির্ভর করে রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে সেমিকন্ডাক্টর উত্পাদন পর্যন্ত কর্মীদের ব্যবসার জন্য। মহামারীর আগে অনেক মালয়েশিয়ান সীমান্তের ওপার থেকে প্রতিদিন যাতায়াত করতো।
পাঁচ শতাধিক কর্মী বাছাইয়ের চূড়ান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে গতকাল মঙ্গলবার সফররত রোমানিয়ার প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রতিষ্ঠানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। বিএমইটির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, করোনা মহামারি কমে আসায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ইউরোপের রুমানিয়া, হাঙ্গেরী, ক্রোয়েশিয়া, চেক রিপাবলিকান ও সার্বিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে ইউরোপের দেশ রোমানিয়ায় কর্মী যাওয়া শুরু হয়েছে। সর্বশেষ রোমানিয়ার জাহাজ নির্মাণ কোম্পানিতে কর্মী যাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। পরবর্তী সময়ে আরো বেশকিছু কর্মী জাহাজ, ইমরাত নির্মাণ ও গার্মেন্ট কোম্পানিতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
করোনা পরিস্থিতি উন্নতির পর ইউরোপের দেশগুলোতেও নতুনভাবে বাংলাদেশি দক্ষ কর্মীরা কর্মসংস্থানের সুযোগ পাওয়ার অংশ হিসেবে রোমানিয়ার বৃহৎ জাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের তিন সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দল কর্মী নির্বাচিত করার লক্ষ্যে গত ১৭ নভেম্বর বাংলাদেশে আসেন। রাজধানীর উত্তরাস্থ গ্লোবার স্কিল সেন্টারে গতকাল পর্যন্ত রোমানিয়া গমনেচ্ছু ১১০০ কর্মীর যাচাই বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। প্রতিনিধি দল গতকাল পর্যন্ত ৫৯০ জন দক্ষ কর্মীকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করেন। রিক্রুটিং এজেন্সি এশিয়া কন্টিনেন্টাল বিডির স্বত্বাধিকারী লোকমান শাহ গতকাল রাতে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, করোনার পর রোমানিয়ায় প্রচুর বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মসংস্থান শাখার উপসচিব সুষমা সুলতানা গতকাল মঙ্গলবার ইনকিলাবকে জানান, বৈশ্বিক করোনা মহামারির পর ইউরোপের রোমানিয়াসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি কর্মীরা নিয়োগ পেতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, রিক্রুটিং এজেন্ট মেসার্স এশিয়া কন্টিনেন্টাল গ্রুপ (বিডি) মাধ্যমে রোমানিয়াগামী কর্মীরা দেশটির শ্রম আইন অনুযায়ী সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করবে এবং ৫৬০ মার্কিন ডলার বেতন পাবে। তিনি জানান, গত ২২ নভেম্বর প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে রোমানিয়াস্থ ফেরোসিও কন্সট্রাকশন এসআরএল কোম্পানিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরি আরো ৬০০ কর্মী নিয়োগানুমতি দেয়া হয়েছে। নতুন নিয়োগানুমতি প্রাপ্ত এসব কর্মীরা রোমানিয়ার শ্রম আইন অনুযায়ী সুযোগ সুবিধা লাভ এবং মাসিক বেতন ৫৫০ মার্কিন ডলার বেতন পাবে। কর্মীর ভিসা এবং ফ্লাইট নিশ্চিত হবার পরে প্রত্যেক কর্মীকে অভিবাসন ব্যয় হিসেবে ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে। উল্লেখ্য, অতিসম্প্রতি রোমানিয়া সফর শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন দেশটিতে ৪০ হাজার কর্মী যাবে। সম্ভাবনাময় নতুন এই শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাতে চায় সরকার। এরইমধ্যে স্বল্প খরচে খুব সহজেই কাজের ভিসা নিয়ে দেশটিতে পাড়ি জমাতে শুরু করেছেন বাংলাদেশিরা। এতে ইউরোপের শ্রমবাজারে নতুন আশার আলো দেখা দিয়েছে। বেসরকারি পর্যায়ে বেশ কিছু জনশক্তি রফতানিকারক ইউরোপের শ্রমবাজার উন্মুক্তকরণে অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
গত ১৪ অক্টোবর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কর্মসংস্থান শাখা-১ উপসচিব সুষমা সুলতানা স্বাক্ষরিত নিয়োগানুমতি সংক্রান্ত একটি চিঠি দেয়া হয় এশিয়া কন্টিনেন্টাল গ্রুপকে। চিঠিতে বলা হয়, উপযুক্ত বিষয়ে রিক্রুটিং এজেন্ট মেসার্স এশিয়া কন্টিনেন্টাল গ্রুপের (বিডি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোমানিয়ায় ‘সান্তেরুল নেভাল কন্সটানটা সা’ কোম্পানির অধীনে মোট তিনটি ক্যাটাগরিতে শর্তসাপেক্ষে ৬০ জন পুরুষ কর্মী নিয়োগানুমতি জ্ঞাপন করা হলো।’ প্রত্যেক কর্মীর মাসিক বেতন হবে ৫৬০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় অর্ধলক্ষ টাকার কাছাকাছি।
তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদলু নিউজ এজেন্সির বরাতে মিডল ইস্ট মনিটর জানায়, আলিরেজা তানসিরি নামের এক নৌ-কমান্ডার মেহর নিউজকে জানিয়েছেন, পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বাহিনীর সঙ্গে আইআরজিসির সংঘর্ষ হয়। তবে সংঘর্ষের নির্দিষ্ট সময় এখনো জানা যায়নি।
তিনি আরও জানান, এই সংঘর্ষ ৯ আইআরজিসি সৈন্য নিহত হয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে তিনি আর কোনো বক্তব্য দেননি। তিনি আরও জানান, এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-বাহিনীর সঙ্গে ইরানি সৈন্যদের অনেকগুলো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
তিনি দাবি করেন, শহীদদের মৃত্যুতে আমরা ৯টি আঘাত করেছি। তবে কী সেই আঘাত তা তিনি নিশ্চিত করেননি।
এর আগে চলতি মাসে ইরানি সৈন্যরা ওমান সাগরে ভিয়েতনামের একটি তেলবাহী জাহাজ দখল করে। এক সপ্তাহ পর জাহাজটিকে বহু আলোচনার পর ছাড়তে সম্মত হয় তারা।
এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখনো কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তি ফের কার্যকর করতে আগামী সপ্তাহে ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা। এতে ইরানের পাশাপাশি চুক্তির অন্য পক্ষের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।
এবারের আলোচনা সফল হলে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা কঠোর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হবে। আর ইরান চুক্তি অনুযায়ী পারমাণবিক কার্যক্রম চালাতে পারবে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গান্তজের বাড়িতে ক্লিনারের কাজ করা এক ব্যক্তিকে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ওই কর্মী ইরান-সংশ্লিষ্ট একজনের হয়ে কাজ করেছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত এক বিবৃতিতে বলেছে, সন্দেহভাজন ওই কর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অজ্ঞাত একজনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। ওমরি গোরেন নামে ওই ব্যক্তি মাত্র সাত হাজার ডলারের জন্য ইরান-সংশ্লিষ্ট একজনের হয়ে কাজ করেছেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত বলেছে, গান্তজের বাসভবন রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে তেল আবিবের কাছের শহর লোদ এর একটি আদালতে অভিযোগ আনা হয়েছে। এ মাসেই একটি তদন্ত শুরুর পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। ইসরায়েলের পাবলিক ডিফেন্ডারস অফিস জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি অর্থসংকটে পড়ে এমন কাজ করেন। জাতীয় নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিপ্রায় তার ছিল না। পাবলিক ডিফেন্ডারস অফিস ওই ব্যক্তির পক্ষে একজন আইনজীবীও নিয়োগ দিয়েছে। সূত্র : আল জাজিরা
ভুলে যাওয়ার প্রবণতা কমবেশি আমাদের সবার জন্যই একটা বড় সমস্যা। আর মোবাইলের লক ভুলে গেলে তো সে মহাবিপদে পড়া গেলো! তবে ভালো খবর হলো, ফোনের প্যাটার্ন লক কিংবা পাসকোড ভুলে গেলেও বিশেষ কিছু টিপস অনুসরণ করে আবার ফোন ব্যবহার করা যাবে।
উল্লেখ্য যে আইফোন হোক কিংবা অ্যান্ড্রয়েড, ফোন আনলক বা রিসেট এর ক্ষেত্রে অবশ্যই ওই ফোনে লগিন থাকা অ্যাপল আইডি কিংবা গুগল অ্যাকাউন্ট এর প্রয়োজন পড়বে। চলুন জেনে নেয়া যাক, অ্যান্ড্রয়েড ফোনের প্যাটার্ন ও আইফোনের পাসকোড ভুলে গেলে কিভাবেআনলক বা রিসেট করবেন।
এন্ড্রয়েড ফোনের প্যাটার্ন লক ভুলে গেলে করণীয়
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের প্যাটার্ন লক কিংবা পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে একাধিক উপায়ে ফোন আনলক বা রিসেট করা যায়। তবে যদি আপনি ফোন রিসেট করেন, তাহলে আপনার ফোনে থাকা সকল ডাটা মুছে যাবে। তাই আপনার ফোনে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ডাটার ব্যাকাপ সবসময় রাখবেন।
তবে আপনি যদি আপনার ফোন নির্মাতার একাউন্টে দেয়া বিশেষ সার্ভিস ব্যবহার করেন তাহলে ফোন রিসেট না করে কোনো ডাটা না হারিয়েই প্যাটার্ন বা পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে পারবেন। এজন্য আপনার ফোনটি আগে থেকে ফোন নির্মাতার ক্লাউড সার্ভিসে যুক্ত থাকতে হবে।
যেমন, আপনি যদি স্যামসাং একাউন্টে আপনার স্যামসাং ফোন থেকে সাইন ইন করা থাকেন এবং এরপর ফোনের প্যাটার্ন লক ভুলে যান, তাহলে https://findmymobile.samsung.com/ ভিজিট করে আপনার আপনার ফোন আনলক করতে পারবেন।
শাওমি ফোনের মধ্যে মি একাউন্টে সাইন ইন করা থাকলেও শাওমি ফোনে এই সুবিধাটি পেতে পারেন। তবে এটা সব মডেলের ফোনে নাও থাকতে পারে। আপনার নিরাপত্তার জন্যই এমনটি করা হচ্ছে।
রিকভারি মোড
লক হয়ে যাওয়া এন্ড্রয়েড মোবাইল রিসেট করার সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি হচ্ছে রিকভারি মোড ব্যবহার করে লক হয়ে যাওয়া ফোন রিসেট করা। এতে ফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজে থাকা সবকিছু মুছে যাবে। রিকভারি মোড ব্যবহার করে ফোন রিসেট করতেঃ
ফোন বন্ধ করুন
পাওয়ার বাটন ও ভলিউম আপ বাটন একই সাথে চেপে ধরুন
কিছুক্ষণ পর ফোন রিকভারি মোডে চালু হবে
প্রদর্শিত মেন্যু থেকে ভলিউম কি এর সাহায্যে নিচে স্ক্রল করুন ও পাওয়ার বাটন এর মাধ্যমে Wipe data / Factory Reset সিলেক্ট করুন
এরপর পরবর্তী নির্দেশনা অনুসরণ করে আপনার ফোন রিসেট করুন
ফোন রিসেট হয়ে হলে Reboot system এ ট্যাপ করে ফোন চালু করে রিসেট প্রসেস সম্পন্ন করুন
রিকভারি মোড এর মাধ্যনে ফোন রিসেট এর এই পদ্ধতিটি হার্ড রিসেট নামেও পরিচিত। এই প্রক্রিয়ায় ফোন রিসেট এর পর ফোনে থাকা সকল ডাটা, যেমনঃ ছবি, ফোন নাম্বার, অ্যাপ, ইত্যাদি মুছে যাবে। তবে মেমোরি কার্ড থাকলে তার ডাটা অক্ষত থাকবে।
গুগল ফাইন্ড মাই ডিভাইস – মোবাইলের লক ভুলে গেলে রিসেট করতে পারেন
২০১৫ সালের পরে তৈরী সকল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে ফাইন্ড মাই ডিভাইস নামে ফিচারটি রয়েছে। এই ফিচার ব্যবহার করে মুলত চুরি হওয়া কিংবা হারিয়ে যাওয়া ফোন খুঁজে বের করা থেকে শুরু করে ফোনের ডাটা মুছার কাজ পর্যন্ত করা যায়। গুগল এর ফাইন্ড মাই ডিভাইস ব্যবহার করে ফোন রিসেট ও করা যায়।
উল্লেখ্য যে এই পদ্ধতিতে ফোন রিসেট করতে অবশ্যই আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ইন্টারনেটের সাথে ওয়াইফাই বা মোবাইল ডাটা দিয়ে কানেক্টেড থাকতে হবে। এই পদ্ধতিতেও আপনার ফোনের সকল ডেটা মুছে যাবে। ফাইন্ড মাই ডিভাইস ব্যবহার করে ফোন রিসেট করতেঃ
সঠিকভাবে উল্লিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করলে আপনার ফোন রিসেট হয়ে যাবে
আইফোনের পাসকোড ভুলে গেলে করণীয়
অনেকেই মনে করেন আইফোনের পাসকোড ভুলে গেলে তা রিসেট করা অনেক কঠিন। এমন কিন্তু না। আপনার আইক্লাউড একাউন্টের আইডি পাসওয়ার্ড জানা থাকলে খুব সহজেই কম্পিউটার বা ম্যাক ব্যবহার করে আইফোন রিসেট করতে পারবেন।
ফাইন্ড মাই আইফোন
ফাইন্ড মাই আইফোন ব্যবহার করে আইফোন রিসেট করতেঃ
ম্যাক চালিত কম্পিউটারে Find My অ্যাপ ওপেন করুন। অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করলে আইক্লাউড ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন
এরপর আপনার অ্যাপল আইডি দিয়ে লগিন করুন
উপরে থাকা Devices এ ক্লিক করুন কাংখিত ডিভাসটি সিলেক্ট করুন
Erase iPhone এ ক্লিক করে আইফোন রিসেট করুন
এরপর যখন ফোন চালু করা হবে তখন আইফোন রিসেট হয়ে যাবে। পুনরায় ফোন চালু হওয়ার পর আইক্লাউড থেকে ব্যাকাপ নিয়ে কিংবা নতুন হিসেবেও ফোন সেটাপ এর অপশন বেছে নিতে পারেন। এরপরই নতুন পাসকোড সেট করতে পারবেন।
ফাইন্ডার
আপনার আইফোন যদি পূর্বে ম্যাক এর সাথে Sync করা থাকে, সেক্ষেত্রে খুব সহজেই আইফোন রিসেট করা যাবে। ম্যাক ব্যবহার করে আইফোন রিসেট করতেঃ
ম্যাক এর সাথে আইফোন ক্যাবল এর মাধ্যমে যুক্ত করুন
এরপর Finder এ প্রবেশ করুন সাইডবার এর Locations এর নিচে থাকা আপনার আইফোনটি সিলেক্ট করুন
এরপর General ট্যাব সিলেক্ট করুন
Restore Backup এ ক্লিক করুন
এরপর আইক্লাউড ও ডিভাইসে থাকা সকল ব্যাকাপ দেখানো হবে, সেখান থেকে যেকোনো একটি সিলেক্ট করুন
এরপর আপনার ম্যাক এর পাসওয়ার্ড প্রদান করে Restore এ ক্লিক করুন।
আপনার কাছে যদি উইন্ডোজ বা লিনাক্স চালিত কম্পিউটার থাকে ও আপনি পূর্বে আইটিউনস এর সাথে আপনার আইফোন Sync করে থাকেন, সেক্ষেত্রে আইটিউনস ব্যবহার করেও আইফোন রিসেট করা যাবে। আইটিউনস ব্যবহার করে আইফোন রিসেট করতেঃ
কম্পিউটারের সাথে আইফোন ক্যাবল দিয়ে যুক্ত করুন
এরপর আইটিউনস এ প্রবেশ করুন
আপনি যদি এই ডিভাইসে আগে একই আইফোন দিয়ে কানেক্ট করে থাকেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে কোনো পাসওয়ার্ড দিতে হবে না৷ তবে আপনি যদি আগে এই কম্পিউটারে আগে আইফোন কানেক্ট করে না থাকেন, সেক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড চাওয়া হবে
এরপর আইটিউনস আপনার আইফোন এর সাথে Sync হবে
Restore Backup এ ক্লিক করুন
এরপর আইফোন রিসেট হয়ে যাবে
আইফোন রিসেট এর পর সেটাপ মেন্যুতে Restore from iTunes backup এ ক্লিক করে সদ্য নেওয়া ব্যাকাপ রিস্টোর করুন।
রিকভারি মোড
উপরোক্ত সকল পদ্ধতির একটিও যদি কাজ না করে, সেক্ষেত্রে রিকভারি মোডে আইফোন রিসেট করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকেনা। রিকভারি মোডে আইফোন রিসেট করতে প্রথমেই আইফোন বন্ধ করা বাধ্যতামুলক। আইফোনের মডেল ভেদে রিকভারি মোড এ প্রবেশের আলাদা পদ্ধতি রয়েছে। এখানে ক্লিক করে অ্যাপল এর অফিসিয়াল ডক থেকে বিস্তারিত জেনে নিন।
(নিচে সংক্ষেপে আংশিক কিছু স্টেপ দেয়া হল যাতে আপনি ধারণা পেতে পারেন।)
আপনার হাতের ডিভাসটি যদি আইফোন ৮ বা তার চেয়ে নতুন হয়, তাহলে ভলিউম আপ বাটন চেপে ধরে ছেড়ে দিন। এরপর ভলিউম ডাউন বাটন চেপে ধরে ছেড়ে দিন। এরপর পাওয়ার বাটন কিছুক্ষণ চেপে ধরে রাখলে আইফোন রিকভারি মোডে চালু হবে।
আপনার আইফোন যদি আইফোন ৭ সিরিজের হয়, সেক্ষেত্রে ভলিউম ডাউন বাটন ও পাওয়ার বাটন একই সাথে চেপে ধরে রাখুন। কিছুক্ষণ পর রিকভারি মোড এর স্ক্রিন দেখতে পাবেন।
আপনার আইফোন যদি আইফোন ৬এস কিংবা তার আগের মডেলের হয়, সেক্ষেত্রে হোম বাটন ও পাওয়ার বাটন চেপে ধরে রাখুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই রিকভারি মোডের স্ক্রিন দেখতে পাবেন।
রিকভারি মোডে প্রবেশের পর আইফোন কম্পিউটারের সাথে ক্যাবল দিয়ে কানেক্ট করুন। এরপর ফাইন্ডার কিংবা আইটিউনস চালু করলেই আইফোন Restore বা Update এর একটি মেন্যু দেখতে পাবেন। Restore এ ক্লিক করে আইফোন রিসেটের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন। মনে রাখবেন, আপনার আইফোনে যদি আইক্লাউডের ফাইন্ড মাই ফিচার চালু থাকে তাহলে রিকভার করার সময় আপনার অ্যাপল আইডিতে সাইন ইন করতে হবে। অন্যথায় আইফোন রিসেট করা যাবেনা।
ভবিষ্যতে ফোন লক হওয়া ঠেকাতে করণীয়
লক হওয়া আইফোন কিংবা অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল কিভাবে রিসেট করা যায়, তা আমরা জানলাম। যদি ব্যাকআপ না থাকে, তাহলে রিসেট করে ফোন পুনরায় ব্যবহার করা গেলেও ফোনে থাকা আগের সকল তথ্য মুছে যায়। তাই চেষ্টা করুন পাসওয়ার্ড ভুলার কারণে ফোন লক হওয়া ঠেকাতে। কথায় আছে, প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ ভালো। তাই অবশ্যই আগে থেকেই সাবধানতা অবলম্বন করা একান্ত প্রয়োজন।
ফোনের প্যাটার্ন কিংবা পাসকোড সম্পর্কিত কিছু কার্যকরী টিপস হলোঃ
আপনার প্যাটার্ন কিংবা পাসকোড নিরাপদ কোথাও লিখে রাখতে পারেন
আপনার মনে থাকবে, এমন সহজ কিন্তু অন্যদের কাছে দু্র্ভেদ্য প্যাটার্ন বা পাসকোড সেট করুন
আপনার আইফোন কিংবা অ্যান্ড্রয়েড ফোনে অবশ্যই অ্যাপল আইডি কিংবা গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগিন করুন
কোনো ক্রমেই অ্যাপল আইডি ও গুগল একাউন্টের পাসওয়ার্ড বা এক্সেস হারানো চলবে না, তাহলেই বিপদ
সম্ভব হলে নিয়মিত আপনার ফোনে থাকা ডাটার ব্যাকাপ নিয়ে রাখুন
করোনা মোকাবিলার কারণে সীমান্তে বিদেশিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল অস্ট্রেলিয়া সরকার। সেই নিষেধাজ্ঞা এখন শিথিল করা হচ্ছে।আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে টিকার ডোজ সম্পন্ন করা এবং ভিসাধারী বিদেশিরা অস্ট্রেলিয়ায় ঢুকতে পারবেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন স্থানীয় সময় সোমবার (২০ নভেম্বর) এ ঘোষণা দেন। ফলে দক্ষ অভিবাসী, বিদেশি শিক্ষার্থী, এমনকি জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন। তবে করোনার নেগেটিভ সনদ দেখাতে হবে তাদের।
নাগরিকত্ব বাতিল হলেও ব্রিটেন ফিরতে চান আইএস বধূ বলে পরিচিত শামীমা বেগম। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর জন্য বিচারের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ চান তিনি। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামীমা বর্তমানে সিরিয়ার আল রোজ শরণার্থী শিবিরে অবস্থান করছেন।
স্কাইনিউজকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে শামীমা জানিয়েছেন, সেখানে বসবাস করা এখন ভীতিকর হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ সময় সেখানে কোনো সহিংসতা ছিল না। কিন্তু কিছু কারণে বর্তমানে এখানে বসবাস করা ভয়ের হয়ে উঠেছে। হয়তো নারীরা কোনোকিছুর জন্য অপেক্ষা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন।
তিনি এখন আশা এবং স্বপ্ন নিয়ে আছেন। যদি নাগরিকত্ব পুনর্বহাল করা না হয়, তাহলে তার কোনো বিকল্প পরিকল্পনা নেই। সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, আমি অভিযোগের জবাব দিতে আদালতে দাঁড়াতে চাই। কিন্তু আমাকে তো সুযোগই দিচ্ছে না। যখন সময় আসবে তখন তিনি পরিবারের সঙ্গে একসঙ্গে মিলিত হতে পারবেন বলে আশা করেন। তার ভাষায়, ‘আমার মনে হয় না তারা আমাকে ফেলে দিয়েছে। কিন্তু আমি তো তাদের ফেলে এসেছি।’
১৫ বছর বয়সে পূর্ব লন্ডন ছেড়ে ২০১৫ সালে সিরিয়া চলে যান আইএসে যোগ দিতে। এখন তার বয়স ২২ বছর। বলেছেন, আইএসে যোগ দেয়ার জন্য যখন সিরিয়া পালিয়ে যান, তখন ব্রিটেনকে ঘৃণা করতেন না। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন শামীমা। আইএসের অংশ হিসেবে তার বিরুদ্ধে নৃশংসতা চালানোর যে অভিযোগ আছে তা তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। বলেছেন, এসব অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা।
শামীমা বলেন, তিনি যখন টিনেজ বয়সে ব্রিটেন ছাড়েন, তখন তাড়াহুড়ো করে ছাড়েননি। কিছু সময় নিয়ে এ বিষয়ে চিন্তা করতে হয়েছে তাকে। তিনি বলেন, ‘আমি ব্রিটেনকে ঘৃণা করি না। বাস্তবেই ঘৃণা করি আমার জীবনধারাকে। নিজেকে একেবারে গুটিয়ে নিয়েছি বলেই মনে হয়। একজন বৃটিশ নারী হিসেবে ব্রিটেনে বসবাস করতে চাই আমি। আমার মনে হয়, আমি একটিই অপরাধ করেছি। তাহলো এখানে এসে। এর জন্য আমাকে জেলে যেতে হলেও আমি যেতে রাজি। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তার জবাব দিতে আমি আইনি লড়াই করতে চাই।’ সূত্র: স্কাই নিউজ।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়েই মন্তব্য করে ফের বিতর্কে জড়ালেন ভারতের পাঞ্জাবের কংগ্রেস প্রধান তথা সাবেক ক্রিকেটার নভজ্যোৎ সিংহ সিধু। রোববার করতারপুর করিডর দিয়ে পাঞ্জাবের দরবার সাহিব গুরুদ্বার দর্শনে গিয়েছিলেন সিধু। সেখানেই কিছু পাক কর্মকর্তার সামনে তিনি বলেন, ইমরান খান তার ‘বড় ভাই’-এর মতো।
গতকাল পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের ওই গুরুদ্বার দর্শনে যান সিধু। বিজেপি নেতাদের ২১ জনের একটি প্রতিনিধি দলও ওই গুরুদ্বার দর্শনে যান। বিজেপি নেতাদের নেতৃত্বে ছিলেন পাঞ্জাবের বিজেপি সভাপতি অশ্বিনী শর্মা। পরে বিজেপি নেতা অমিত মালবীয় সিধুর একটি ভিডিও টুইট করেন। তাতে দেখা গিয়েছে, সিধুকে মালা দিয়ে সংবর্ধনা জানাচ্ছেন কিছু পাকিস্তানের কর্মকর্তা। তারা সিধুকে জানান, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হয়ে তারা এসেছেন। জবাবে সিধুকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি সম্মানিত বোধ করছি। উনি (ইমরান) আমার বড় ভাইয়ের মতো। এত সম্মানের আমি সত্যিই যোগ্য নই। কিন্তু আপনাদের ধন্যবাদ।’ তবে একই সঙ্গে করতারপুর করিডর খোলার জন্য দু’দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ইমরান খানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সিধু। করতারপুর করিডরের সেই ভিডিও ভাইরাল হতে বেশি সময় লাগেনি। অমিত মালবীয় সোশ্যাল মিডিয়ায় সিধুর সেই ভিডিও টুইট করে লেখেন, ‘রাহুল গান্ধীর প্রিয় নভজ্যোৎ সিংহ সিধু ইমরান খানকে বড় ভাই বলে ডেকেছেন। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে গান্ধী ভাই-বোনেরা প্রবীণ অমরেন্দ্র সিংহের বদলে সিধুকে বেছেছেন।’ কংগ্রেস তথা রাহুল গান্ধীকে নিয়ে বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্রের মন্তব্য, ‘বিরোধী দল আসলে বোকো হারাম বা আইএসের মতো জঙ্গি গোষ্ঠীর মধ্যে হিন্দুত্ব দেখতে পায়। আর খানের মধ্যে ভাই জান (বড় ভাই)।’ সম্প্রতি হিন্দুত্ব নিয়ে বিজেপিকে এক হাত নিয়েছিলেন রাহুল। আজ তারই পাল্টা দেন সম্বিত। মহারাষ্ট্রের বিজেপি নেতা রাম কদমও সিধুর সমালোচনায় সরব হয়েছেন।
বিষয়টি ভাল চোখে দেখছেন না কংগ্রেস নেতাদের একাংশও। কংগ্রেস নেতা মণীশ তিওয়ারি সরাসরি সিধুকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘ইমরান খান কারও বড় ভাইয়ের মতো হতে পারেন। কিন্তু ভারতের কাছে উনি সেই টোপ, যার মাধ্যমে আইএসআই এবং পাক সেনা ড্রোনের মাধ্যমে পাঞ্জাব সীমান্ত পেরিয়ে মাদক এবং নিয়ন্ত্রণ রেখা দিয়ে অস্ত্র ও জঙ্গি ভারতে পাচার করে।’ তার আরও প্রশ্ন, ‘পুঞ্চে ভারতীয় সেনা-জওয়ানদের আত্মবলিদান কি আমরা এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলাম?’ প্রসঙ্গত, বছর তিনেক আগে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে গিয়ে পাকিস্তানের সেনা প্রধান জেনারেল কমর জাভেদ বাজওয়াকে আলিঙ্গন করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। গত সেপ্টেম্বরে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেয়ার সময়েও পাঞ্জাবের বিদায়ী কংগ্রেস নেতা অমরেন্দ্র সিংহ তাকে পাক প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু বলে সমালোচনা করেছিলেন। সূত্র : হিন্দুস্থান টাইমস।
ফেসবুকে পরিচয় থেকে প্রেম। অতঃপর বাংলাদেশে এসে খ্রিস্টান থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে বিয়ে করলেন মেক্সিকান এক তরুণী। মেয়েটি এখন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের পোগলদিঘা গ্রামের আলহাজ মো. নজরুল ইসলামের বাড়িতে অবস্থান করছেন। সোমবার দুপুরে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, মেক্সিকান তরুণীকে একনজর দেখার জন্য উপচেপড়া ভীড়।
গ্লাডিস নাইলি টরিবিও মরালেস (৩২) নামের তরুণীর বর্তমান নাম মোছাঃ লাইলী আক্তার। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে রবিউল হাসান রুমানকে (২৯) তিনি বিয়ে করে হাসি-আনন্দে সময় কাটাচ্ছেন। রবিউল হাসান পোগলদিঘা গ্রামের আলহাজ মো. নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি ময়মনসিংহের রুমডো ইন্সটিটিউট অব মডার্ণ টেকনোলজি থেকে মেকানিক্যালে ডিপ্লোমা সম্পন্ন করে ফ্রিল্যান্সিংয়ে জড়িত।
রবিউল হাসান রুমান জানান, তিনি ভালোভাবে ইংরেজিতে কথপোকথনের জন্য একজন দক্ষ বন্ধু খুঁজছিলেন। একপর্যায়ে ২০১৯ সালে উত্তর আমেরিকার দেশ মেক্সিকোর তরুণী গ্লাডিস নাইলি টরিবিও মরালেসের সাথে ফেসবুকে পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব ও প্রেম হয়। টানা দুইবছর প্রেম করার পর রোববার (২১ নভেম্বর) সকাল ৮.১০টায় বাংলাদেশে আসেন। রবিউল ও পরিবারের লোকজন হযরত শাহ্ জালাল (রঃ) বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান। বিমান থেকে নামার পর কিছু আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ঢাকা জজ কোর্টে গিয়ে এভিডেভিটের মাধ্যমে নিজের খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ এবং রবিউলকে বিয়ে করেন। এরপর সরিষাবাড়ীতে এসে পৌঁছান মধ্যরাতে।
তরুণীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, মেক্সিকোর পোএবলা শহরের ব্যবসায়ী গ্রেগ্রোরিও টরিবিও’র মেয়ে তিনি। পোএবলা বিশ্ববিদ্যালয় (বিইউএপি, পোএবলা, মেক্সিকো) থেকে তিনি ২০১৬ গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। রবিউলের সাথে প্রেম হওয়ার পরপরই তিনি বাংলাদেশে আসার সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু করোনাভাইরাসের জন্য বিলম্ব হয়। তার ভাষায়, বাংলাদেশে আসতে কোনো ভয় বা সমস্যা হয়নি, শুধুমাত্র করোনার কিছুটা উৎকণ্ঠা থাকলেও ভালোবাসার মানুষের কাছে আসার আনন্দে তা প্রভাব ফেলেনি। বাংলাদেশটা দেখতে অনেক সুন্দর এবং এলাকার লোকজন অনেক মিশুক ও ভালো বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
কিছুদিন শশুরবাড়িতে অবস্থান করে মেয়েটি মেক্সিকোতে ফিরে যাবেন এবং পরবর্তীতে দু’দেশের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে রবিউলকে মেক্সিকোতে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে বলেও জানা গেছে।
পোগলদিঘা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামস উদ্দিন সামস জানান, সবকিছুর ঊর্ধ্বে প্রেম। প্রেমের টানে মেক্সিকান তরুণী বাংলাদেশে এসেছেন, এতে প্রেমিকযুগলের প্রেমের সার্থকতা হয়েছে। এলাকার লোকজন মেয়েটিকে দেখতে রবিউলের বাড়িতে ভীড় করছে। মেক্সিকান তরুণীকে পুত্রবধূ হিসেবে পাওয়ায় পরিবারও খুশি।
স্থানীয় সময় শুক্রবার এই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের পাওয়া যায় বলে শনিবার জানায় মেক্সিকোর ন্যাশনাল মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউট (আইএনএম)।
বিভিন্ন সময় বিশ্বের নানান দেশ থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করতে দেখা গেছে
মেক্সিকোর উত্তরাঞ্চলে দুটি ট্রাকের পেছনে লুকানো অবস্থায় ৬০০ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে পাওয়া গেছে। ১২টি দেশের এই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে ৩৭ জন বাংলাদেশি রয়েছেন। দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্থানীয় সময় গত শুক্রবার এই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের পাওয়া যায় বলে গতকাল শনিবার জানায় মেক্সিকোর ন্যাশনাল মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউট (আইএনএম)।
আইএনএমের তথ্য অনুযায়ী, মেক্সিকোর ভেরাক্রুজ রাজ্যে দুটি ট্রাকের পেছনে লুকানো অবস্থায় যাঁদের পাওয়া গেছে, তাঁদের বেশির ভাগই প্রতিবেশী গুয়াতেমালার অধিবাসী। তাঁদের সংখ্যা ৪০১। বাকি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে হন্ডুরাসের ৫৩ জন, ডমিনিকান রিপাবলিকের ৪০ জন, বাংলাদেশের ৩৭ জন, নিকারাগুয়ার ২৭ জন, এল সালভাদরের ১৮ জন ও কিউবার ৮ জন।
এ ছাড়াও ঘানার ৬ জন, ভেনেজুয়েলার ৪ জন, ইকুয়েডরের ৪ জন, ভারতের ১ জন ও ক্যামেরনের ১ জনকে ট্রাকের পেছনে লুকানো অবস্থায় পাওয়া যায়।
আইএনএম জানায়, যেসব অভিবাসনপ্রত্যাশীকে পাওয়া গেছে, তাঁদের মধ্যে ৪৫৫ জন পুরুষ। ১৪৫ জন নারী।
আইএনএম জানিয়েছে, অভিবাসনপ্রত্যাশীদের আপাতত আটক করা হয়েছে। এখন হয় তাঁদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে, নয়তো তাঁদের মেক্সিকোতে থাকার সুযোগ দেওয়া হবে।
বিভিন্ন সময় বিশ্বের নানান দেশ থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। এই অভিবাসনপ্রত্যাশীরা বলেছেন, তাঁরা নিজ দেশে দারিদ্র্য বা সহিংসতা থেকে বাঁচতে এই পথ বেছে নিয়েছেন।