ক্যাটাগরি Uncategorized

আজহারীর জন্য অধীর আগ্রহে ব্রিটেনের বাংলাদেশীরা।

বুধবার, ০৩ নভেম্বর ২০২১, ১৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

পূর্ব লন্ডনের স্টেপনিগ্রীনে তিন সন্তান ও শাশুড়ি নিয়ে বাস করেন আরিফুর রহমান। জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারীর যুক্তরাজ্য সফরের খবরে নানা ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তারা। আজহারির যুক্তিপূর্ণ ও হৃদয়গ্রাহী বক্তব্য শুনতে অনলাইনে টিকিট কিনে রাখেন সবার জন্য। আর ৩১ অক্টোবর মেয়ের ইউনিভার্সিটিতে কোন সময় ক্লাস এবং ছেলের কোচিং কখন তা চিন্তা করে আগে থেকেই সেসবের বিকল্প ব্যবস্থা করে রাখেন তারা। কিন্তু মিজানুর রহমান আজহারীর লন্ডনে আসার স্থগিতের খবরে মন ভীষণ খারাপ তাদের।

লন্ডনের আরিফুর রহমানের মতো লুটন, বার্মিংহাম, লেইস্টার, কার্ডিফ ও ওল্ডহামসহ যুক্তরাজ্যের কয়েকটি শহরের হাজার হাজার মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় আছেন তাদের প্রিয় বক্তার বক্তব্য শোনার জন্য। লন্ডনের সাংবাদিক আবদুল কাদির মুরাদ ও মজনু তাদের পরিবারের সকলের জন্য টিকেট কিনেছেন। যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরে বসবাসরত এরকম আরো অনেক বাঙালি পরিবার মিজানুর রহমান আজহারীর ওয়াজ শোনার জন্য অনলাইনে টিকেট কিনেছেন। আজহারীর ভিসা বাতিলের খবরে তারাও উৎকণ্ঠিত। প্রায়ই তারা আয়োজকদের কাছে ফোন করে জানতে চাচ্ছেন, কবে আসছেন প্রিয় মিজানুর রহমান আজহারী। তারা আজহারীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগকারী ও তার আগমনের বিরোধীতাকারীদের নিন্দা জানিয়েছেন। তারা এই ঘটনাকে নাস্তিক্যবাদী গোষ্ঠীর চক্রান্ত বলে সবাইকে হুশিয়ার করে দিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব বিবিসিসিআই’র সাবেক প্রেসিডেন্ট শাহগীর বখত ফারুক বলেন, ‘মিজানুর রহমান আজহারীর মতো এত বড় একজন ইসলামী বক্তা আমাদের দেশে আর নেই। তাই আমি আমাদের কমিউনিটির সর্বস্তরের, সকল বর্ণের, সকল ধর্মের মানুষকে অনুরোধ করবো বিরোধিতা বন্ধ করে আপনারা সবাই আসেন। এসে আপনারা দেখেন মিজানুর রহমান আজহারী কী ধরনের মানুষ, উনি কী ধরনের কথা বলেন। এগুলো শোনার জন্য আমাদের প্রত্যেকের আশা উচিত।’

নিউহাম কাউন্সিলের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার নাজির আহমেদ বলেন, ‘মিজানুর রহমান আজহারী স্মরণকালের সবচেয়ে বড় ইসলামী ব্যক্তিত্ব। লাখো কোটি যুবকের আইডল। আমাদের সকলের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকা দরকার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানানোর।’

ব্রিটেনে বাংলাদেশী কমিউনিটির সর্বজন শ্রদ্ধেয় ও সিনিয়র সাংবাদিক কে এম আবু তাহের চৌধুরী বলেন, ‘উনি (আজহারী) যুক্তরাজ্যে আসছেন শুনে আমরা দারুণভাবে খুশি হয়েছিলাম। তাকে যুক্তরাজ্যে স্বাগত জানিয়েছিলাম। আশাকরি তার ভিসা পুনর্বহাল করা হবে এবং তার প্রোগ্রাম সাফল্যমণ্ডিত হবে। এজন্য কমিউনিটির সকলকে এগিয়ে আসার জন্য আমি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।’

গ্রেটার সিলেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আতাউর রহমান বলেন, ‘ড. মিজানুর রহমান কোটি কোটি বাঙালি তরুণের আইডল। আমি সবাইকে বলবো, যুক্তরাজ্যে ড. মিজানুর রহমান আজহারীর যতগুলো প্রোগ্রাম আছে সবগুলোকে আমরা যেনো সাফল্যমণ্ডিত করে তুলি।’

ইস্ট লন্ডন মসজিদের ফাইন্যান্স ডিরেক্টর দেলোয়ার হোসাইন খান বলেন, ‘ড. মিজানুর রহমান আজহারীর যে এলেম এবং জ্ঞান তাতে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশী মুসলিম কমিউনিটি উনার ওয়াজ শুনলে অনেক ফায়দা পাবেন। অনেক বড় প্রেরণা পাবেন। বিশেষ করে মুসলমান হিসেবে আমরা এদেশে কিভাবে সুন্দরভাবে কাজ করতে পারি, কিভাবে অন্য কমিউনিটির মানুষের মাঝে উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারি আশাকরি এই বিষয়ে উনি ওয়াজ করবেন এবং সকল বাধা কাটিয়ে অবশ্যই তিনি যুক্তরাজ্যে আসবেন। উনাকে আমরা উদাত্ত আহ্বান জানাই।’

মিজানুর রহমান আজহারীর ভিসা বাতিলের সর্বশেষ
মিজানুর রহমান আজহারী তার বাতিল করা ভিসা পুনর্বহালের জন্য যুক্তরাজ্যের হাইকোর্টে আপিল করেছেন। আপিলের পর কেন মিজানুর রহমান আজহারীর ভিসা বাতিল হলো সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য হাইকোর্ট হোম অফিসকে দুই দিনের সময় দিয়েছেন। আয়োজকরা আজহারীর সকল অনুষ্ঠান আপাতত স্থগিত ঘোষণা করেছেন। আশা করা হচ্ছে, আজ বা আগামীকালের মধ্যে মিজানুর রহমান আজহারীর ভিসার বিষয়ে হোম অফিস সিদ্ধান্ত নিবে। নতুন তারিখ ঘোষণা হলে আগের টিকিটেই কনফারেন্স দেখা যাবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।

আয়োজকরা আশা করছেন, হোম অফিসের রিপ্রেজেন্টেশনের পরে মাওলানা আজহারীর ভিসা পুনর্বহাল করা হবে।

গত শুক্রবার হোম অফিসের মিডিয়া অ্যান্ড প্রেস অফিসে এই বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কিছু বাধ্যবাধকতা থাকায় তারা কোনো তথ্য দিতে রাজি হয়নি।

মিজানুর রহমান আজহারীর যুক্তরাজ্যের ভিসা বাতিলের নেপথ্যে।

বুধবার, ০৩ নভেম্বর ২০২১, ১৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

বর্তমান প্রজন্মের তুমুল জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারীকে যুক্তরাজ্য সফরের ভিসা দিয়েও পরে ভিসা বাতিল করে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করতে দেয়নি দেশটির হোম অফিস। গত ৩১ অক্টোবর শুক্রবার মিজানুর রহমান আজহারী যুক্তরাজ্যে এসে লন্ডন, লুটন, বার্মিংহাম, লেইস্টার, কার্ডিফ ও ওল্ডহামসহ যুক্তরাজ্যের বেশ কয়েকটি শহরে পূর্বঘোষিত ইসলামী কনফারেন্সে যোগ দেয়ার কথা ছিল।

মিজানুর রহমান আজহারীর যুক্তরাজ্য আগমন উপলক্ষে যুক্তরাজ্যে বাঙালি মুসলিম কমিউনিটিতে সাজ সাজ রব ছিল। এ উপলক্ষে যুক্তরাজ্যের ৬টি শহরে ১৫ পাউন্ড থেকে শুরু করে ১০০ পাউন্ড মূল্যের টিকিট বিক্রি করা হয়েছিল। মানুষ হলরুমের ধারণ ক্ষমতারও অতিরিক্ত টিকিট ক্রয় করেছিল।

অন্যদিকে সেক্যুলার বাংলাদেশ মুভমেন্টের সভাপতি কাউন্সিলার পুস্পিতা গুপ্তা ও প্রগতিশীল দাবিদার লিপি হালদারসহ অন্য কিছু ব্যক্তি ও সংগঠন মিজানুর রহমান আজহারীর যুক্তরাজ্য আগমনের বিরোধিতা করছিল। তারা অনেকেই স্থানীয় এমপি থেকে শুরু করে ফরেন অফিসে মিজানুর রহমান আজহারীর বিভিন্ন বক্তব্য থেকে অংশ বিশেষ কেটে জুড়ে হোম অফিসসহ বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে মিজানুর রহমান আজহারীকে ‘অন্য ধর্মবিদ্বেষী’ ও ‘উগ্রবাদে তরুণদের উস্কানি প্রদানকারী’ বক্তা হিসেবে তার ভিসা বাতিলের আবেদন করেছিল। শেষ পর্যন্ত ভিসা বাতিলের আবেদনকারীরা সফল হয়েছেন। মিজানুর রহমান আজহারীর ভিসা বাতিলের খবরে আজহারী ভক্তরা যতটা হতাশ হয়েছেন, আজহারীর বিরোধিতাকারীরা ঠিক ততটাই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

ভিসা বাতিলের ক্রেডিট নিয়ে কাড়াকাড়ি
মিজানুর রহমান আজহারীর ভিসা বাতিলের খবরে কাউন্সিলার পুষ্পিতা গুপ্তা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে তার নিজের ক্রেডিট দাবি করেছেন। কালের কণ্ঠের লন্ডন প্রতিনিধি জুয়েল দাস সর্বপ্রথম সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বলে তিনিও নিজের ক্রেডিট দাবি করেছেন। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি হুরমুজ আলী এই ব্যাপারে প্রথম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন বলে তিনিও নিজের ক্রেডিট দাবি করেছেন।

অন্যদিকে প্রথমে আস্তিক ও পরে নিজেকে নাস্তিক দাবি করা মোফাসসিল ইসলাম বলেন, ‘আজহারী আমাকে উল্লুকা পাট্টা বলেছেন, আমি তার প্রতিশোধ নিয়েছি, আমিই তার ভিসা বাতিলের নেপথ্যে কাজ করেছি’।

ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি যুক্তরাজ্য শাখাও দাবি করেছেন তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ব্রিটিশ হোম অফিস মিজানুর রহমান আজহারীর ব্রিটেনের ভিসা বাতিল করেছে।

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি যুক্তরাজ্যে শাখার প্রতিবাদ সভা
এদিকে গত ২৯ অক্টোবর শুক্রবার একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি যুক্তরাজ্যে শাখার সদস্যরা ইসলামী বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারীর যুক্তরাজ্যে ইসলামী সমাবেশে যোগদানের বিরুদ্ধে স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে প্রতিবাদ সভা করেন। সংগঠনের সাধারন সম্পাদক রুবি হকের সঞ্চালনায় উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ এনামুল ইসলাম।

প্রতিবাদ সভায় লিখিত বক্তব্য রুবি হক বলেন, লন্ডনস্থ আইওএন টেলিভিশন এখানকার কতিপয় মৌলবাদী সংগঠনের সহযোগিতায় ৩১ অক্টোবর ২০২১ সালে স্থানীয় একটি হলে বিতর্কিত ধর্মাচারী, হিন্দু ও ইহুদিবিদ্বেষী মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর উপস্থিতিতে একটি সমাবেশ করার আয়োজন করেছিল যা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি যুক্তরাজ্য শাখা এবং অন্যান্য প্রবাসী বাংলাদেশী অসাম্প্রদায়িক সংগঠন ও বেশ কয়েকটি ইহুদি সংগঠনের প্রতিবাদের মুখে প্রতিহত হয়। আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ব্রিটিশ হোম অফিস মিজানুর রহমান আজহারীর ব্রিটেনের ভিসা বাতিল করে। মিজানুর রহমান আজাহারী বেশ কয়েক বছর যাবত বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ওয়াজ মাহফিলের নামে যুদ্ধাপরাধী সংগঠন জামায়াত-শিবিরসহ মুক্তিযুদ্ধ চেতনাবিরোধী শক্তিকে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতার কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। ওইসব ওয়াজ মাহফিলের মাধ্যমে যুব সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বাঙালি সংস্কৃতি ও বাঙালি জাতির ইতিহাস-ঐতিহ্যের উপর বিরূপ মন্তব্য করে যুব সম্প্রদায়ের মগজ ধোলাই করে আসছিলেন। বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের কড়া পদক্ষেপের কারণে এক পর্যায়ে তিনি সব ছেড়ে মালয়েশিয়ায় চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। কিন্তু মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েও তিনি বাংলাদেশ ও বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মুক্তিযুদ্বের চেতনা বিরোধীদের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছিলেন। যার প্রমাণ হলো, যুক্তরাজ্যে এসে তার এই ইসলামী সমাবেশ করার চেষ্টা চালানো। বুদ্ধিজীবী হত্যাকারী চৌধুরী মঈনুদ্দিনসহ অনেক মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বিরোধীদের স্বর্গরাজ্য হলো এই যুক্তরাজ্য। মিজানুর রহমান আজহারীর যুক্তরাজ্য আগমন আপাতত রহিত হয়েছে সত্য কিন্তু ভবিষ্যতেও তার এমন প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করার জন্য আমরা এই সভা থেকে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তির সকলের প্রতি আহ্বান জানাই।

প্রতিবাদ সভা থেকে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি যুক্তরাজ্যে শাখার নেতৃবৃন্দ ব্রিটিশ সরকারের প্রতি এবং সাংবাদিকদের প্রতি নিম্নলিখিত চারটি দাবি উপস্থাপন করেন। দাবিগুলো হচ্ছে : ১। মিজানুর রহমান আজহারীসহ সকল সাম্প্রদায়িক ধর্মচারীদেরকে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ না করতে দেয়ার সিদ্ধান্তে ব্রিটিশ সরকারকে অনড় থাকতে হবে; ২। ভবিষ্যতে মৌলবাদী মোল্লাদেরকে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের আগে ব্রিটিশ সরকারকে অবশ্যই সম্ভাব্য রিস্ক এসেসমেন্ট করতে হবে; ৩। শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যাকারী চৌধুরী মঈনুদ্দিনসহ যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী সকল যুদ্ধাপরাধীদেরকে দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে; ৪। মিজানুর রহমান আজহারীর মতো সাম্প্রদায়িক এবং অন্যধর্ম বিদ্বেষী ধর্মচারীরা যেনো যুক্তরাজ্যে এসে আমাদের নতুন প্রজন্মের মগজ ধোলাই করতে না পারে সেদিকে সাংবাদিকদের সোচ্চার থাকতে হবে।

এ সময় একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি যুক্তরাজ্য শাখার সহ সভাপতি মতিয়ার চৌধুরী, মোহাম্মদ হরমুজ আলী, অর্গানাইজিং সেক্রেটারি শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলাল, জামাল আহমেদ খান, হামিদ মোহাম্মদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আনসার আহমেদ উল্লাহ ও অন্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এই কমিটির যুক্তরাজ্য শাখার অন্যান্য সদস্যরা হলেন, ইন্টারন্যাশনাল সেক্রেটারি কাউন্সিলার পুষ্পিতা গুপ্তা, প্রেস সেক্রেটারি আ স ম মাসুম, পাবলিকেশন সেক্রেটারি জুয়েল দাস, কালচারাল সেক্রেটারি সেলিনা আক্তার জোছনা, ট্রেজারার এনামুল হক, অ্যাসিস্টেন্ট জেনারেল সেক্রেটারি স্মৃতি আজাদ, নির্বাহী সদস্য সুশান্ত দাশ প্রশান্ত, জোছনা পারভীন, নিলুফা ইয়াসমীন হাসান প্রমুখ।

সংবাদ সন্মেলনে তারা হোম সেক্রেটারি প্রীতি পাটেলের কাছে লেখা তাদের আবেদনপত্রের একটি কপি সাংবাদিকদের সরবরাহ করেন। সেখানে দেখা যায়, আবেদনপত্রে মিজানুর রহমান আজহারীর আগমনের বিরোধিতা করে তারা বলেছেন, মিজানুর রহমান আজহারী একজন ইহুদি ও হিন্দুবিরোধী মুসলিম ধর্ম প্রচারক। তিনি একজন চরমপন্থী ইসলামী মৌলবাদী এবং সম্প্রদায়ের সংহতির জন্য হুমকিস্বরূপ। এই কারণে বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে তাকেসহ জনসমক্ষে তার ওয়াজ প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ২০১৯ সালে গ্রেফতারের ভয়ে তিনি বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নিয়েছেন।

আবেদন পত্রের শেষদিকে তারা উল্লেখ করেছেন, Allowing such extremist like Azhari to enter the UK will only promote extremist ideology amongst the UK Muslim community and will fathom hatred of other faith communities especially against the Jews and the Hindus. অর্থাৎ আজহারীর মতো চরমপন্থীকে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের অনুমতি দিলে তা শুধুমাত্র ইউকে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে চরমপন্থী মতাদর্শের প্রচার করবে এবং অন্যান্য ধর্ম সম্প্রদায়ের বিশেষ করে ইহুদি ও হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা জাগাবে।

তারা আরো উল্লেখ করেছেন, We are concerned that his presence in the UK and attendance in several conferences would encourage more hatred, anti-Semitism and extremist activities in the UK. অর্থাৎ আমরা উদ্বিগ্ন যে, ইউকেতে তার উপস্থিতি এবং বেশ কয়েকটি সম্মেলনে অংশগ্রহণ ইউকেতে আরো ঘৃণা, সেমিটিজম বিরোধী এবং চরমপন্থী কার্যকলাপকে উৎসাহিত করবে।

এই কারণে প্রথমে ভিসা দিয়েও পরে হোম অফিস তার ভিসা বাতিল করেন।

‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’ ও ‘নাস্তিক নির্মূল কমিটি’র ‘নির্মূল’ শব্দটি বাংলাদেশের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক কিনা, দেশের সংবিধান কাউকে নির্মূলের অধিকার দেয় কিনা সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে একজন সাংবাদিকের এই প্রশ্নের কোনো সদুত্তর না দিয়ে ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’ নেতৃবৃন্দ সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

অর্থাভাবে ১৭ দিন ধরে মালয়েশিয়ার মর্গে পড়ে আছে বাংলাদেশীর লাশ

বুধবার, ০৩ নভেম্বর ২০২১, ১৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

মালয়েশিয়ায় দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে ইন্তিকালের পর ১৭ দিন ধরে একটি হাসপাতালের মর্গে পড়ে আছে এক হতভাগ্য বাংলাদেশীর লাশ। গরীব পরিবার হওয়ার কারণে লাশ বাংলাদেশে নেয়ার খরচ জোগাতে পারছেন না তারা। তাই যেকোনো উপায়ে মালয়েশিয়ার মাটিতে লাশ দাফনের জন্য সম্মতি দিয়েছে ওই হতভাগ্য বাংলাদেশীর পরিবার।

জানা গেছে, জন্ডিস ও লিভার রোগে গত ১৬ অক্টোবর মোঃ জহিরুল ইসলাম জবু (৫৫) নামের ওই গাইবান্ধা প্রবাসী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত জহিরুল ইসলাম গাইবান্ধা জেলার সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর এলাকার কবির পাড়া গ্রামের মৃত হোসেন আলী মুন্সির ছেলে।

জহিরুল বিয়ে করেননি। তার মা-বাবা অনেক আগে মারা গেছেন। এর আগে বেঁচে থাকার সময় জহিরুল ইসলাম বাংলাদেশে থাকা তার ভাইয়ের মেয়ে রোমানা আক্তারের সাথে যোগাযোগ করেন এবং তার অসহায়ত্বের কথা প্রকাশ করেন। 

এ বিষয়ে রোমানা আক্তার বলেন, তার চাচা জহিরুল ইসলাম দীর্ঘ দিন ধরে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন এবং তাদের সাথে কোনো যোগাযোগও করেনি। এমন অবস্থায় তার লাশ দেশে আনতে গেলে বাংলাদেশী টাকায় প্রায় এক লাখ টাকার প্রয়োজন, কিন্তু এত টাকা সংগ্রহ করার সামর্থ্য আমাদের পরিবারের নেই।

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের থাকা নরসিংদী প্রবাসী মোঃ শাহাদাত হোসেন বলেন, দু’সপ্তাহ ধরে জহিরুল ইসলামের লাশ দেশটির ইপুহ এলাকার লাজা হাসপাতালের মর্গে পড়ে আছে। তার কোনো সঠিক ঠিকানা বা তার পরিচয় উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছিল না। কারণ, তার সাথে যে পাসপোর্টের ফটোকপি পাওয়া গেছে সেখানে তার বাড়ি নরসিংদী সদরে অবস্থিত বলে উল্লেখ থাকলেও ওই ঠিকানায় এ নামে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে জানা যায় যে জহিরের বাড়ি গাইবান্ধা জেলায়। তখন আমি অনেক খোঁজাখুজি করে জহিরের আসল ঠিকানা উদ্ধার করি। তার ঠিকানা উদ্ধার করে তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করি। কিন্তু, তাদের আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় তারা লাশ মালয়েশিয়ায় দাফন করার সম্মতি দেয়।

জহিরের ভাতিজি রোমানা আক্তার জানিয়েছেন, যদি কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি মরদেহ দেশে পাঠানোর খরচ বহন করেন, তাহলে তারা বিমানবন্দর থেকে তার লাশ গ্রহণ করবেন।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সরকারিভাবে এখন এ লাশ পাঠানোর সুযোগ নেই। তবে জহিরের পরিবার যদি ইউএনও বা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে আবেদন করে তাহলে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সরকারি খরচে লাশ দেশে পাঠাতে পারে।

‘আপনি ইসরায়েলের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তি’, মোদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

বুধবার, ০৩ নভেম্বর ২০২১, ১৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইসরায়েলের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তি বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট। গ্লাসগোতে চলমান জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) দুই নেতার এক প্রাণবন্ত আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতের ওপর হাত রেখে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট বলেছেন, ‘আপনি আমার দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তি। আপনি কি আমার দলে যোগ দেবেন? অদ্ভুত এ প্রস্তাব পেয়ে নাফতালি বেনেটের হাতে মৃদু চাপড় দিয়ে হেসে উঠেন মোদি। বলেন, ‘ধন্যবাদ’।
বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে প্রথমবারের মতো বৈঠকে মঙ্গলবার দুই সরকারপ্রধানের কথোপকথন ছিল এমনই। সম্মেলনের সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত বৈঠকের একটি দৃশ্য শেয়ার করেন নাফতালি বেনেট।

নরেন্দ্র মোদিকে নাফতালি বলেন, ‘ধন্যবাদ দিতে চাই আপনাকে। আপনি সেই ব্যক্তি যিনি ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক নতুন করে শুরু করেছেন। এই গভীর সম্পর্ক দুই অনন্য সভ্যতার মধ্যে- ভারতীয় সভ্যতা ও ইসরায়েলি সভ্যতা।’

সাইড বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে মতবিনিময় করেন তারা। উন্নত প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের মতো ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে একমত হয় উভয় দেশ।

উল্লেখ্য, ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যকার সম্পর্ক বেশ গভীর। বিগত কয়েক দশক ধরে সন্ত্রাস মোকাবেলা এবং প্রতিরক্ষা ইস্যুতে কাজ করছে দুই দেশ। কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২০১৭ সালে প্রথমবারের মতো নরেন্দ্র মোদি ইসরায়েল সফর করেন। মূলত তখন থেকেই দুই দেশের সম্পর্ক আরো মজবুত হয়। সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে

দামেস্কের কাছে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা।

বুধবার, ০৩ নভেম্বর ২০২১, ১৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। যুদ্ধ বিমানের মাধ্যমে ওই এলাকার একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে এই হামলা চালানো হয়।

সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে বুধবার (৩ নভেম্বর) ভোরে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টিভি এই তথ্য সামনে এনেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। সর্বশেষ এই হামলায় বেশ কিছু স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টিভিতে জানানো হয়েছে।

এদিকে এই হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি ইসরায়েলের কর্মকর্তারা। এর আগে গত শনিবার সিরীয় রাজধানী উপকণ্ঠে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইহুদি এই দেশটি। তবে সেসময় সিরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সেই হামলা ঠেকিয়ে দেয় বলে জানিয়েছে আলজাজিরা।
এছাড়া গত ১৪ অক্টোবর সিরিয়ার মধ্যাঞ্চলে ইরানি যোদ্ধাদের বিভিন্ন অবস্থানে হামলা চালায় ইসরায়েল। ওই হামলায় ৯ ইরানি যোদ্ধা নিহত হয়। নিহত ওই যোদ্ধারা সিরিয়ার সরকারি বাহিনীর পক্ষে দেশটিতে লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিল।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়ায় দেশটির সামরিক উপস্থিতি নিয়ে ইসরায়েল বরাবরই উদ্বিগ্ন। আর এই উদ্বেগ থেকেই গত কয়েক বছরে সিরিয়ায় শত শত হামলা চালিয়েছে ইহুদি এই দেশটি। তবে ইসরায়েল অনেক সময়ই এসব হামলার কথা সেভাবে প্রকাশ্যে আনে না বা স্বীকার করে না। সূত্র : রয়টার্স।

বাহরাইনের সকল নাগরিকদের লেবানন ছাড়ার নির্দেশ

বুধবার, ০৩ নভেম্বর ২০২১, ১৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

নিজ দেশের নাগরিকদের দ্রুত লেবানন ত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে বাহরাইন। ইয়েমেনে সউদী নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের ভূমিকায় সমালোচনার জেরে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে লেবাননের। এ অবস্থায় বাহরাইন তার দেশের নাগরিকদের লেবানন ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বাহরাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘চলমান উত্তেজনার কারণে লেবাননে থাকা বাহরাইনের সকল নাগরকিদের দেশত্যাগের জন্য অনুরোধ জানানো হলো’।

ঝুঁকি এবং নিরাপত্তার স্বার্থে লেবানন ভ্রমণে নাগরিকদের আবারও সতর্ক করা হয়েছে। এর আগে, লেবাননের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করে বাহরাইন। ইয়েমেনে সউদী আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের হামলা সম্পর্কে লেবাননের তথ্যমন্ত্রীর সমালোচনার জেরেই এ পদক্ষেপ নেয় দেশটি। সউদী আরবও একই পদক্ষেপ নেয় লেবাননের বিরুদ্ধে। সেই সঙ্গে দেশটি থেকে সব ধরনের পণ্য আমদানিও বন্ধ করে দিয়েছে রিয়াদ।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লেবাননের তথ্যমন্ত্রী জর্জ কোরদাহি বলেছেন, ইয়েমেনে সউদী আরবের আগ্রাসন ব্যর্থ হয়েছে এবং এখন ইয়েমেন যুদ্ধ বন্ধ করার সময় হয়েছে।

গত ৫ আগস্ট নেওয়া এ সাক্ষাৎকার গত সোমবার সম্প্রচার করা হয়েছে। তার এ বক্তব্যের জেরে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহারাইন এবং কুয়েতে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূতদেরকেও তলব করে প্রতিবাদ জানানো হয়। সূত্র : আল জাজিরা

বিশ্বকাপে টাইগারদের লজ্জার রেকর্ড…..?

মঙ্গলবার, ০২ নভেম্বর ২০২১, ১৭ কার্তিক ১৪২৮

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে আরও একটি লজ্জা উপহার দিল বাংলাদেশ দল।  সপ্তম আসরের ৩০তম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৮.২ ওভারে ৮৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।  

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টাইগাদের এটা দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্কোর। এর আগে ২০১৬ সালের ২৬ মার্চ ভারতের কলকাতায় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৫.৪ ওভারে ৭০ রানেই অলআউট হয় বাংলাদেশ। 

মঙ্গলবার টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা পেসার কাগিসো রাবাদার গতির মুখে পড়ে একে একে সাজঘরে ফেরেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ, সৌম্য সরকার ও মুশফিকুর রহিম।  প্রথম ৩ ওভারে ১৪ রানে টাইগারদের প্রথম সারির ৩ ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফেরান রাবাদা। 

এরপর বাংলাদেশ শিবিরে আঘাত হানেন পেসার আনরিচ নর্টজে। তার শিকার হয়ে ফেরেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। 

১২তম ওভারে প্রথম বোলিংয়ে এসে টাইগার শিবিরে আঘাত হানেন প্রোটিয়া লেগ স্পিনার তাবরিজ শামসি। তার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ওপেনার লিটন দাস।  দলীয় ৪৫ রানে ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরার আগে ৩৬ বলে ২৪ রান করেন লিটন। 

এরপর ১৬তম ওভারের দ্বিতীয় বলে শামসির শিকার হন শামিম হোসেন।  বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেনে সাকিবের পরিবর্তে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া এই তরুণ ব্যাটার।  দলীয় ৬৪ রানে সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরার আগে ২০ বলে ১১ রান করার ‍সুযোগ পান শামিম। 

১৮তম ওভারের দ্বিতীয় বলে রান আউট হয়ে ফেরেন পেসার তাসকিন আহমেদ।  তার বিদায়ে ৭৭ রানে অষ্টম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। 

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ: //ওভারে// ( মেহেদি হাসান ///, লিটন দাস ২৪, শামিম হোসেন ১১; কাগিসো রাবাদা ৩/২০, তাবরিজ শামসি ২/২১)।

কানাডা যেতে ৯ উপায়, ৩ বছরে যাবে ১০ লাখ মানুষ।

সোমবার, ০১ নভেম্বর ২০২১, ১৬ কার্তিক ১৪২৮, ২৪ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে উন্নত জীবনযাপনের দেশ কানাডা। আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়েও দেশটি শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এজন্য চাকরি, পড়াশুনা বা বসবাসের জন্য বহু মানুষ কানাডা বেছে নেন। তবে চাইলেই কানাডায় যাওয়া সম্ভব নয়। দেশটির নির্ধারিত নিয়ম মেনেই যেতে হয়। আগামী তিন বছরের মধ্যে বিদেশ থেকে ১০ লাখ লোক নেবে কানাডা।

এর মধ্যে চলতি বছর ৩ লাখ ৫০ হাজার, আগামী বছর ৩ লাখ ৬০ হাজার এবং ২০২১ সালে ৩ লাখ ৭০ মানুষ কানাডায় যেতে পারবেন। কানাডায় আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যা কম। রাজনৈতিক বন্ধুত্বপূর্ণ সংস্কৃতির কারণে বসবাসকারীরা নিরাপদ ও সুখি জীবনযাপন করেন। দেশটিতে বর্তমানে ৩ কোটি ৭০ লাখের মতো মানুষ বসবাস করে। যাদের মাথাপিছু ইনকাম প্রায় ৫০ হাজার ডলার।

অবৈধ পথে কানাডা যেতে অনেকে বিপদে পড়েন। তবে অবৈধভাবে চেষ্টা না করে বৈধভাবে বাংলাদেশিদের কানাডা যাওয়ার বিভিন্ন সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ব্যবসা, চাকরি, পড়াশুনা, স্পন্সরশিপ, আইইসি, ভ্রমণ, ইকোনোকি প্রোগ্রাম ও ফ্যামিলি প্রোগ্রাম।

১. ব্যবসা: আপনার যদি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকে এবং আপনি কানাডায় ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে কানাডা যাওয়া আপনার জন্য সহজ। তবে নিজে কানাডায় ব্যবসা করতে না চাইলে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কানাডার কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের চুক্তি থাকলেও আপনি কানাডা যেতে পারবেন। এই প্রক্রিয়ার ভিসাকে নাফটা ভিসা বলা হয়।

নাফটা ভিসায় কানাডায় যাওয়ার জন্য আপনাকে ‘লেবার মার্কেট ইম্প্যাক্ট এসেসমেন্ট’ (এলএমআইএ) জমা দিতে হবে। তবে এই সুবিধা পেয়ে থাকে শুধুমাত্র চিলি, জর্ডান, পেরু, কলম্বিয়া, লিচেনস্টাইন, সুইজারল্যান্ড, কোস্টারিকা, মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র, আইল্যান্ড, নরওয়ে, ইসরাইল এবং পানামার নাগরিকরা।

২. চাকুরি: আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান না থাকলে উপরের দেশগুলোর নাগরিক না হলে আপনি চাকুরির জন্য কানাডা যেতে পারেন। এজন্য কানাডার কোনো প্রতিষ্ঠানকে আপনাকে চাকুরির অফার লেটার এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ করতে হবে।

কানাডায় দক্ষ কর্মী নেয়ার জন্য বিশেষ ভিসার সুবিধা চালু রয়েছে। ৩৪৭টি পেশায় এই জনবল নিয়ে থাকে কানাডা। এর মধ্যে রয়েছে, হেয়ার স্টাইলিস্ট (নরসুন্দর), বিক্রয় কর্মী এবং প্রশাসনিক সহকারী।

৩. স্পন্সনরশিপ: কানাডায় স্থানীয় হওয়ার সবচেয়ে সহজ ও নিশ্চিত উপায় হচ্ছে কোনো কানাডার নাগরিককে বিয়ে করা। তবে এক্ষেত্রে যদি কোনো ভুয়া বা অসততার আশ্রয় নেয়া হয় তাহকে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়। বিয়ে করে কানাডায় থাকার ইচ্ছা পোষণ করলে তাকে অন্তত দুই বছর অপেক্ষা করতে হয়। এই দুই বছর তাকে সরকারি কর্তৃপক্ষ পর্যবেক্ষণ করে।

৪. আইইসি: ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী যুবকরা ‘ইন্টারন্যাশনাল এক্সপেরিয়েন্স কানাডা’ (আইইসি) এর আওতায় চাকুরির অফার লেটার ছাড়াই কানাডা যেতে পারে। তবে এই সুবিধা যেকোনো দেশের নাগরিকের জন্য নয়।

এর আওতায় রয়েছে; অস্ট্রেলিয়া, ডেনমার্ক, জাপান, নরওয়ে, তাইওয়ান, অস্ট্রিয়া, এস্তোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, পোল্যান্ড, ইউক্রেইন, ফ্রান্স, লাটভিয়া, স্লোভাকিয়া, যুক্তরাজ্য, চিলি, জার্মানি, লিথুয়ানিয়া, স্লোভেনিয়া, কোস্টারিকা, হংকং, মেক্সিকো, স্পেইন, ক্রোয়েশিয়া, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, সুইডেন, চেক রিপাবলিক, ইতালি, নিউজিল্যান্ড এবং সুইজারল্যান্ড।

৫. লেখাপড়া: কানাডা যাওয়া আরেকটি সহজ প্রক্রিয়া ‘স্ট্যাডি ভিসা’। তবে এজন্য আপনাকে কানাডার কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়া আগেই সেরে ফেলতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি সেখানে চাকুরি করতে পারবেন শুধুমাত্র যে স্টেটে আপনি পড়ালেখা করছেন সেই স্টেটে। এই সুযোগ পৃথিবীর সব দেশের জন্য রয়েছে।

৬. ভ্রমণ ভিসা: ভ্রমণ ভিসায় কানাডা যাওয়া সহজ। তবে ভিসা পাওয়া একটু কঠিন। ছুটি কাটাতে বা ভ্রমণ করতে যারা কানাডা যেতে চান তাদের ভিসা দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে ভিসা প্রার্থীর কাছে জিজ্ঞেস করা কেন যেতে চান। দূতাবাসের যে কর্মকর্তা আপনার সাক্ষাৎকার নেবেন তার কাছে যদি মনে হয় ভিসার মেয়াদ শেষ হলেও আপনার না ফেরার আশঙ্কা রয়েছে তাহলে আপনাকে ভিসা দেয়া হবে না।

৭. নতুন ব্যবসা: কানাডা উদ্যোক্তাদের ভিসা দিয়ে থাকে। আপনি যদি মনে করেন আপনার নগদ টাকা রয়েছে যা দিয়ে আপনি কানাডায় ব্যবসা করতে পারবেন তাহলে আপনাকে ভিসা দেয়া হতে পারে। নতুন ব্যবসা শুরুর জন্য কী পরিমাণ পুঁজি দরকার বা আপনার কত টাকা বিনিয়োগ করতে হবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট গাইডলাইন রয়েছে। গাইডলাইন অনুসরণ করে আপনাকে আবেদন করতে হবে।

৮. ইকোনমিক প্রোগ্রাম: কানাডা সরকার আগামী এক বছরে ইকোনমিক প্রোগ্রাম মোট ১ লাখ ৯১ হাজার ৬০০ অভিবাসী নেবে। ইকোনমিক প্রোগ্রামের মধ্যে রয়েছে, ফেডারেল হাই স্কিলড প্রোগ্রামে ৮১,৪০০ জন, আটলান্টিক ইমিগ্রেশন পাইলট প্রোগ্রামে ২,০০০ জন, ফেয়ার গিভার প্রোগ্রামে ১৪,০০০ জন, ফেডারেল বিজনেস প্রোগ্রামে ৭০০ জন, প্রভিন্সিয়াল নমিনি প্রোগ্রামে ৬১,০০০ জন ও কুইবেক স্কিলড ওয়ার্কার অ্যান্ড বিজনেস প্রোগ্রামে ৩২,৫০০ জন।

৯. ফ্যামিলি প্রোগ্রাম: আগামী এক বছরে ফ্যামিলি প্রোগ্রামের অধীনে নেয়া হবে ৮৮,৫০০ জন। ফ্যামিলি প্রোগ্রামের মধ্যে স্পাউজ, পার্টনার ও চিলড্রেন প্রোগ্রামে ৬৮,০০০ জন, প্যারেন্টস ও গ্রান্ড প্যারেন্টস ২০,৫০০ জন, রিফিউজি অ্যান্ড প্রোটেক্টেড পারসন প্রোগ্রামে ৪৫,৬৩০ জন, হিউম্যানিটেরিয়ান প্রোগ্রামে ৪,২৫০ জন। তথ্যসূত্র: সময়টিভি।

পশুর মত খাঁচাবাসী মানুষ! ভাড়া গুনতে হয় মাসে ১৮ থেকে ২৪ হাজার টাকা!

সোমবার, ০১ নভেম্বর ২০২১, ১৬ কার্তিক ১৪২৮, ২৪ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

কথায় আছে, বন্যরা বনে সুন্দর। সেখানে পশুরা-পাখিরা মুক্ত জীবনযাপন করে। কিন্তু লোকালয়ে এলেই নানা কারণে এদের খাঁচায় বন্দি করা হয়। পশুপাখিদের খাঁচায় বাস করার বিষয়টি স্বাভাবিক। কিন্তু যদি মানুষ খাঁচায় বাস করে সেটা অস্বাভাবিকই বটে!

তবে পৃথিবীতে এমন একটি দেশ রয়েছে যেখানে বন্য প্রাণীদের মতো মানুষও খাঁচায় বাস করে। ভাবছেন হয়তো কোনো অনুন্নত দেশ! আপনার এই ধারণা একেবারেই ভুল। কারণ এটি এশিয়ার অন্যতম সম্পদশালী দেশ হংকং।

ড্রাগন অর্থনীতির দেশ হংকং চীনের আধা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। এশিয়ায় বহুতল অট্টালিকার যে কয়েকটি শহর রয়েছে তার মধ্যে এটি অন্যতম। ফলে দেশটির বিশাল বিশাল অট্টালিকার ভিড়ে খাঁচার মধ্যে মানুষের বাস একেবারেই অকল্পনীয়। এ যেন প্রদীপের তলায় অন্ধকার। যদিও হংকংয়ে এই ধরনের খাঁচায় বাস আইনসিদ্ধ। যে কেউ লাইসেন্স নিয়ে খাঁচার বাসা পরিচালনা করতে পারে।

খাঁচায় বাস করা অধিকাংশ মানুষই হংকংয়ের দরিদ্র জনগোষ্ঠী। এই মানুষগুলোর মাথা গোজার কোনো ঠাঁই নেই। তারা এতটাই অবহেলিত যে, নিজেদের একটি বাড়ি করে বা বহুতল ভবনে একটি ছোট পরিসরের ফ্ল্যাট কিনে থাকার সামর্থ্যটুকুও তাদের নেই।

তবে এই খাঁচায় থাকতে গেলেও তাদের বেশ ভালো অঙ্কের অর্থ খরচ করতে হয়। প্রতিটি খাঁচার জন্য মাসে ভাড়া দিতে হয় আঠারো থেকে চব্বিশশত হংকং ডলার যা বাংলাদেশী টাকায় ১৯৬০০ থেকে ২৪১০০ টাকার সমান।

সাধারণত একটি বহুতল ভবনের প্রতিটি ফ্ল্যাটে অনেকগুলো খাঁচা থাকে। প্রতিটি খাঁচায় থাকেন একজন মানুষ। কিন্তু এর বিপরীতে পুরো ভবনে থাকে মাত্র দুটি শৌচাগার। খাঁচার বাসিন্দা যতই হোক না কেন দুটি শৌচাগার দিয়ে কাজ সারতে হয়। এক কথায়, অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করতে হয় তাদের।

খাঁচার বাসিন্দাদের কথাতেও এই মানবেতর জীবনের ধ্বনিগুলোই প্রতিধ্বনিত হয়। বেশ কয়েকজন পৌঢ় আছেন যাদের জীবনের প্রায় অর্ধেকটাই খাঁচার বাসাতেই কেটেছে। তাদের মতে, খাঁচাতে বাস মানে কফিনে ঢুকে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করা। তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

এমিরেটস বিমান শীতকালীন ছুটির জন্য বিশেষ অফার বিমান ভাড়া ঘোষণা করেছে।

সোমবার, ০১ নভেম্বর ২০২১, ১৬ কার্তিক ১৪২৮, ২৪ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

দুবাইয়ের ফ্ল্যাগশিপ ক্যারিয়ার এমিরেটস শীতকালীন ছুটির জন্য বিশেষ অফার বিমান ভাড়া ঘোষণা করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দারা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে চারদিনের বিরতির জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।

গ্রাহকরা ৩১ অক্টোবর থেকে ৭ নভেম্বর, ২০২১ এর মধ্যে বুকিংয়ে , আগামী ১৫ই জুন, ২০২২ পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য বিশেষ ভাড়া বুক করে তাদের শীতকালীন ছুটির পরিকল্পনা শুরু করতে পারেন। ইকোনমি ক্লাস এবং বিজনেস ক্লাসের যাত্রীরা ইস্তাম্বুলে ইস্তাম্বুল ভ্রমণ উপভোগ করতে পারবেন আপ-ডাউন ইকোনমি ক্লাসের ভাড়া 1,945 দিরহাম এবং বিজনেস ক্লাসের 9,995 দিরহাম ।

ঢাকা শাহজালাল বিমানবন্দর যাত্রীদের জন্য আপ-ডাউন ইকোনমি ক্লাসে 1880 দিরহাম এবং বিজনেস ক্লাস 3595 দিরহাম।
কলকাতা আপ-ডাউন ইকোনমি ক্লাসের ভাড়া 895 দিরহাম এবং বিজনেস ক্লাসের ভাড়া 3235 দিরহাম।

জুরিচের ভাড়া ইকোনমি ক্লাসে Dh2,105 থেকে শুরু হয় এবং বিজনেস ক্লাসে Dh10,995। অবকাশ যাপনকারীরা লন্ডনের ফ্লাইট ইকোনমি ক্লাসে Dh 2,255 থেকে এবং বিজনেস ক্লাসে Dh 11,335 বুক করতে পারেন।ম্যানচেস্টারের টিকিট ইকোনমি ক্লাসে Dh 2,295 এবং বিজনেস ক্লাসে Dh12,235 শুরু হয়;

প্যারিস ইকোনমি ক্লাসে Dh 2,185 এবং বিজনেস ক্লাসে Dh 11,995; ডাবলিন থেকে ইকোনমি ক্লাসে Dh 2,285 এবং বিজনেস ক্লাসে Dh 11,555 । মিউনিখ ফ্লাইটের টিকিট ইকোনমি ক্লাসে Dh2,185 থেকে শুরু হয় এবং বিজনেস ক্লাসে Dh10,985।

নিউইয়র্কের ভাড়া ইকোনমি ক্লাসে Dh 3,205 থেকে শুরু হয় এবং বিজনেস ক্লাসে Dh14,655 থেকে শুরু হয়; ইকোনমি ক্লাসে Dh 3,285 থেকে লস অ্যাঞ্জেলেস এবং

বিজনেস ক্লাসে Dh 18,995; ইকোনমি ক্লাসে Dh 3,005 এবং বিজনেস ক্লাসে Dh 16,755 থেকে বোস্টন; মায়ামি থেকে ইকোনমি ক্লাসে Dh 3,245 এবং বিজনেস ক্লাসে Dh 18,555; এবং টরন্টো থেকে ইকোনমি ক্লাসে Dh 3,775 এবং বিজনেস ক্লাসে Dh15,495।

দুবাই বিশ্বের ব্যস্ততম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসাবে শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছে। দুবাই ফ্লাইট: এমিরেটস সেশেলে প্রতিদিন দুবার পরিষেবা চালু করবে।

2021 সালের শেষ বিরতি বুধবার, ১ লা ডিসেম্বর থেকে শনিবার, ৪ ই ডিসেম্বর, স্মৃতি দিবস এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় দিবস উপলক্ষে চলবে।