ক্যাটাগরি Uncategorized

আজহারীর ভিসা ঝুলে আছে হাইকোর্টে, হোম অফিসের রিপ্রেজেন্টেশনের অপেক্ষা।

শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১, ১৩ কার্তিক ১৪২৮, ২১ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

লন্ডনে আসতে গিয়ে কাতারে আটকে পড়া মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর বাতিল করা ভিসা বহালের জন্য লন্ডনে হাইকোর্টে আপিল করা হয়েছে। হাইকোর্টের বিচারক হোম অফিসকে ২ দিনের সময় দিয়েছেন কেন মিজানুর রহমান আজহারীর ভিসা বাতিল হলো, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য। সেই হিসেবে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় মঙ্গলবারের আগে বিষয়টি সুরাহা হওয়ার সুযোগ নেই।

এদিকে, ব্রিটেনে যে অনুষ্ঠানে মিজানুর রহমান উপস্থিত থাকার কথা, সেই অনুষ্ঠান আয়োজক আইওন টিভি আপাতত অনুষ্ঠান স্থগিত ঘোষণা করেছে।

লন্ডনের স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টায় আইওন টিভির সিইও আতাউল্লাহ ফারুক তাদের টিভির ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেছেন, বিশেষ কারণে অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে। একই সাথে মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী ভালো আছেন এই সংবাদও তিনি দর্শকদের জানিয়ে দিয়েছেন।

আতাউল্লাহ ফারুক বলেন, পরে আবারও অনুষ্ঠানের নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে।

এক্ষেত্রে টিকিট হাতে রাখার জন্য বলা হয়েছে। নতুন তারিখ ঘোষণা হলে এই টিকিটেই কনফারেন্স দেখা যাবে। আইওন টিভি আশা করছে, হোম অফিসের রিপ্রেজেন্টেশনের পরে হয়তো মাওলানা আজহারীর ভিসা বহাল করা হবে।

এদিকে, দুই দফা হোম অফিসের প্রেস অফিসে যোগাযোগ করা হলে তারা এই প্রতিবেদককে জানায়, মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর বিষয়টি নিয়ে তাদের কাছে আরও কিছু তথ্য অনুসন্ধানের জন্য অনুরোধ আসছে। তবে তারা এই মুহূর্তে এটা নিয়ে কোনো তথ্য দিতে পারবে না।

জানা গেছে, কাতার বিমান বন্দরেই বাতিল করা হয়েছে মিজানুর রহমান আজহারীর ব্রিটেন আসার ভিসা। আজহারী মঙ্গলবার রাতে মালয়েশিয়া থেকে কাতার বিমানবন্দরে বুধবার ভোরে পৌঁছান। এরপর সকালে লন্ডনের ফ্লাইটে ওঠার জন্য সংশ্লিষ্ট গেইটে আসলে, তাকে ফ্লাইটে উঠতে দেওয়া হয়নি। কেন মিজানুর রহমান আজহারীর ভিসা বাতিল হয়েছে, সেটা জানা যায়নি।

তবে সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, কাতার বিমানবন্দর থেকেই প্রায় দুই দিন ধরে চেষ্টা করা হয়েছে সমস্যা সমাধানের। ভিসা জটিলতা দেখা দেওয়ার পর তিনি ৯৬ ঘণ্টার জন্য ট্রানজিট ভিজিট ভিসা পান কাতারে।

জানা গেছে, মিজানুর রহমান আজহারী মালয়েশিয়া থেকে ব্রিটেনে আইওন টিভির আমন্ত্রণে আসছিলেন। রবিবার থেকে লন্ডনসহ ব্রিটেনের ৬টি শহরে ইসলামী বক্তব্যের আয়োজন করা হয় আইওন টিভির পক্ষ থেকে।

তবে আজহারী আসার খবরের পর থেকেই কমিউনিটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই আয়োজক টিভির ব্যানারে আজহারীর আগমনকে স্বাগত জানিয়েছেন। আবার একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি থেকে শুরু করে প্রগতিশীল ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের অনেক মানুষ আজহারীর সফরের বিরোধিতা করে আসছিলেন। ব্রিটিশ এমপি থেকে শুরু করে হোম অফিসসহ বিভিন্ন জায়গায় মিজানুর রহমান আজহারীর বিভিন্ন বক্তব্য যেখানে ধর্মীয়ভাবে অন্য ধর্মকে আঘাত করা হয়েছে, যেসব বক্তব্য ঘৃণা ছড়ায়-এমন সব ভিডিও পাঠানো হয়েছে।  

আইওন টিভির সিইও আতাউল্লাহ ফারুকের সাথে গত দুইদিনে কয়েক দফা যোগাযোগ করা হয়েছে। তিনি এর মধ্যে ২ বার কথা বললেও বিস্তারিত কিছু বলেননি।  এদিকে, সফর বাতিল সম্পর্কে মিজানুর রহমান আজহারীর মালয়েশিয়ার নম্বরের হোয়াটসআপে টেক্সট দেওয়া হলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।

বিডি প্রতিদিন/

‘দয়া করে অমানুষের মতো গুজব ছড়াবেন না’

শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১, ১৩ কার্তিক ১৪২৮, ২১ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

প্রায়ই তারকাদের নিয়ে নানা রকম গুজব ছড়াতে দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। এর মধ্যে অনেক সিনিয়র তারকাদের মৃত্যুর গুজবও অনেকবার সামনে এসেছে। এবার এরকম গুজবে ভীষণ মর্মাহত ও ক্ষুদ্ধ হয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আঁখি আলমগীর।

গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ৫৪ মিনিটে এক ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি।

সেখানে আঁখি লিখেছেন, কে বা কারা আব্বুকে নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে। আলহামদুলিল্লাহ, আব্বু অনেক ভালো, নিরাপদ এবং সুস্থ আছেন। ’ 

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও লিখেছেন, ‘দয়া করে অমানুষের মত গুজব ছড়াবেন না। আপনারাও কোন বাবা মায়ের সন্তান।

এত ঘৃণ্য কাজ কিভাবে করতে পারেন? আমরা আসলে হতবাক। মানুষ কতো নিচে নেমে যেতে পারে!’

উল্লেখ্য, সিনিয়র শিল্পীদের নিয়ে এমন গুজব নতুন কিছু নয়। এর আগেও রাজ্জাক, এ টি এম শামসুজ্জামান, প্রবীর মিত্র, এন্ড্রু কিশোর, ওমর সানি, মৌসুমীদের মতো শিল্পীদেরও নিয়েও গুজব ছড়ানো হয়েছিলো।  

বিডি-প্রতিদিন/

বিদেশিদের আপত্তিতে পাত্তা দিচ্ছে না বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২ কার্তিক ১৪২৮, ২০ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আপত্তিতে বাংলাদেশ পাত্তা দিচ্ছে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। তিনি বলেছেন, বিদেশিরা আমাদের অনেক কিছু নিয়েই আপত্তি করে থাকে। তবে তাদের আপত্তি আমরা গ্রাহ্য করি না।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক অনুষ্ঠান শেষে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউয়ের আপত্তি বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কে কী আপত্তি করল না করল, তাতে আমাদের কী? তারা আপত্তি করলে আমরা তাদের বোঝাব, আমরা আমাদের অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে এটা করেছি। অনেক লোকে অনেক আপত্তি করে। আপত্তি ওরা করুক, তারা অনেক সময় বকবক করবে। কিন্তু আমরা আমাদের মঙ্গলের জন্য যা দরকার করব।

এ সময় ড. মোমেন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে ভর্তুকি ও পদ্মা সেতু নিয়ে বিদেশিদের আপত্তির উদাহরণ টানেন। মন্ত্রী বলেন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ভর্তুকির সিদ্ধান্ত নিলে বিদেশিরা অনেক আপত্তি করেছে। আমাদের বড় বড় বন্ধু রাষ্ট্রসহ বিশ্ব ব্যাংক ও আইএমএফ বলেছিল, আপনারা পারবেন না। এক বছর আইএমএফ আমাদের এফডিআই তুলতে দেয়নি। কিন্তু দেখুন, এখন আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

‘পদ্মা সেতুর কথা বলি, বিশ্ব ব্যাংক আমাদের ওপর ক্ষেপে গেল। কত রকম ঢংঢাং বের করল। পয়সা দেওয়ার আগেই বলে এখানে চুরির মহড়া চলছে। প্রধানমন্ত্রী তা অগ্রাহ্য করে ফল তাদের দেখিয়ে দিয়েছেন।’

গত মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে ইইউ বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওই দিন ব্রাসেলসে বাংলাদেশ ও ইইউ চতুর্থ কূটনৈতিক পরামর্শ সভা শেষে ইইউ বিবৃতিতে জানায়, এ আইনের কিছু বিধানে ডিজিটাল অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বিবৃত উদ্দেশ্যের বাইরে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা হুশিয়ারি দেয়। তারা যে আমার কাছ থেকে কাপড় নেয়, সেটা কিন্তু দয়া বা বাধ্য হয়ে নয়; সস্তা দরে নেয়। বিশ্ব ব্যাংক যে আমাদের টাকা দেয়, এর অর্থ এই নয় যে তারা আমাদের দয়া করেছে। তারা টাকা দেয়, কারণ টাকা না দিলে তাদের চাকরি চলে যাবে।

এ সময় ড. মোমেন দেশের গণমাধ্যমগুলো বিদেশিদের কথায় বেশি হইচই করে বলেও মন্তব্য করেন।

সুত্র ঃ- দৈনিক যুগান্তর

ফেসবুকের নাম পরিবর্তন, নতুন নাম ‘মেটা’।

বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২ কার্তিক ১৪২৮, ২০ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

ফেসবুকের কর্পোরেট কোম্পানির নাম পরিবর্তন করা হয়েছে, নতুন নাম রাখা হয়েছে ‘মেটা’। অপরিবর্তিত থাকবে ফেসবুকের অধীনে থাকা সব অ্যাপগুলোর নাম।

বৃহস্পতিবার ফেসবুকের বার্ষিক কনফারেন্সে এ ঘোষণা দেন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। 
ঘোষণায় তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি ইন্টারনেটের উত্তরসূরী হতে যাচ্ছে মেটাভার্স। এতে ভবিষ্যৎ বদলে যাবে ইন্টারনেটের।null

মূল প্রতিষ্ঠান হিসেবে মেটার অধীনে থাকবে ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ। ‘মেটাভার্স বা পরাবাস্তব জগৎ’ প্রকল্পের অংশ হিসেবেই প্রতিষ্ঠানটির এ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বলে জানান ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা জার্কারবার্গ। 

এ ব্যাপারে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির বিস্তারিত পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়। ‘মেটাভার্স’ গড়তে পাঁচ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণাও দেয়া হয়।

এই বদলের ফলে ফেসবুকসহ এর অন্যান্য সেবার নাম অবশ্য বদলে যাবে না। ইন্সটাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জারের মতো সেবার নাম আগের মতোই থাকবে। ‘মেটা’ হবে মূলত এর প্যারেন্ট কোম্পানি। 

ছয় বছর আগে গুগল যেভাবে মাদার কোম্পানি অ্যালফাবেট তৈরি করেছিল, ফেসবুকের নতুন ব্র্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রেও একই মডেল অনুসরণ করা হচ্ছে।

জামিন পেয়েছেন শাহরুখ পুত্র আরিয়ান।

বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২ কার্তিক ১৪২৮, ২০ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

মাদক-কাণ্ড মামলায় জামিন পেয়েছেন শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে বোম্বে হাইকোর্ট আরিয়ানের জামিনের আদেশ ঘোষণা করলেন। জামিনসংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়া চলছে। এই মামলার অন্য দুই মূল অভিযুক্ত আরবাজ মার্চেন্ট আর মুনমুন ধামেচাকেও আজ জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। আরিয়ানের আইনজীবী মুকুল রোহতগি জানান যে জামিনসংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে বাড়ি ফিরতে পারবেন আরিয়ান, আরবাজ আর মুনমুন।

সূত্র ও ছবিঃ প্রথম আলো।

অনলাইনে আইফোন অর্ডার করে নুরুল পেয়েছে ভিমবার ও একটি কয়েন!

বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮, ১৯ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

অ্যামাজনের ভারতীয় ওয়েবসাইট থেকে আইফোন ১২ অর্ডার করেছিলেন কেরালার এক ব্যক্তি। কিন্তু ডেলিভারি হতেই আঁতকে উঠলেন তিনি। আইফোনের বক্স থেকে বের হল একটি ভিমবার সাবান ও পাঁচ রুপির কয়েন! খবর নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।

নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ১২ অক্টোবর সাধের আইফোন অর্ডার করেন কেরালার আলুভার নুরুল আমিন। অ্যামাজন পে অ্যাকাউন্ট থেকে ৭০,৯০০ রুপি পেমেন্টও করে দেন। গত ১৫ অক্টোবর তার ডেলিভারি আসে। কিন্তু বক্স খুলতেই দেখেন আইফোনের বক্সে সুন্দর করে প্যাক করা একটি ভিমবার ও পাঁচ রুপির একটি কয়েন।

নুরুল আমিন অবশ্য জানিয়েছেন, আগেই সন্দেহ হয়েছিলো তার। তিনি নিয়মিত অ্যামাজনে জিনিস কেনেন। অর্ডার ট্র্যাকও করেন। তিনি বলেন, সাধারণত অ্যামাজনের বেশিরভাগ প্যাকেজ হায়দ্রাবাদ থেকে কোচিতে দুই দিনে এসে যায়। এটা আসতে তিনদিন লেগেছিলো। অর্ডার ট্র্যাক করার সময় তিনি লক্ষ্য করেন, মাঝে সালেমে একদিনের জন্য থেমেছিলো শিপমেন্ট। আইফোনের মতো দামি প্রায়োরিটি অর্ডারে এমনটা হওয়ায় খটকা লাগে তার।

সন্দেহের জেরেই অ্যামাজনের ডেলিভারি দেয়া ব্যক্তির সামনেই বক্সটি খুলেছিলেন তিনি। সেটার ভিডিও করেন। সঙ্গে সঙ্গে অ্যামাজন কাস্টমার কেয়ারে ফোন করেন নুরুল আমিন। এর পাশাপাশি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করে সাইবার সেল।

তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আমরা অ্যামাজন কর্তৃপক্ষ এবং ফোনটির বিক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। দেখা যাচ্ছে, তার অর্ডারের ফোনটি ঝাড়খণ্ডে এই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যদিও অর্ডারটি তার বেশ কিছুদিন পরে, অক্টোবরে দিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। পুলিশকে ওই বিক্রেতা জানান, আপাতত আইফোন টুয়েলভ তাদের কাছে আউট অব স্টক। নুরুলের রুপি ফেরত দেয়া হবে।

এরপর একটি ফেসবুক পোস্টে কেরালা পুলিশ জানিয়েছে, বিক্রেতা রুপি ফেরত দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভুক্তভোগীর অ্যাকাউন্টে অর্থ ফেরত আসে। তবে তদন্ত চলছে।

অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি আছে, কর্মী নেই!

বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮, ১৯ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

গত এক বছরে অভিবাসীদের সংখ্যা ব্যাপক হারে কমে যাওয়ায় কর্মী পাচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া। ফলে কোভিডের কঠোর নিয়ম পেরিয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করতে গিয়ে নতুন সঙ্কটে পড়েছে দেশটির বিভিন্ন ব্যবসা খাত।

গ্রীষ্মের পার্টির জন্য প্রস্তুত অস্ট্রেলিয়া। খুলছে রেস্টুরেন্ট, স্টেডিয়ামসহ বিনোদন কেন্দ্রগুলো। কিন্তু সেগুলো পুরোদস্তুর চালু করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন উদ্যোক্তা ও ব্যবস্থাপকরা। দেখা দিয়েছে প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাব। করোনার সময় বিপুল মৌসুমি কর্মী আর বিদেশি শিক্ষার্থীরা অস্ট্রেলিয়া ছেড়েছেন। সীমান্তে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের কারণে নতুন শিক্ষার্থী বা কর্মীরা এই সময়ের মধ্যে আসতে পারেননি। যারা গিয়েছেন তাদের অনেকেও ফিরে আসেননি। যে কারণে মৌসুমি কর্মী সংকটে পড়েছে বিভিন্ন ব্যবসা খাত। প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি চালু হলেও প্রয়োজনীয় কর্মী ছাড়াই তাই কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হচ্ছে অনেককে।

আতিথেয়তানির্ভর খাতের জন্য কর্মী ভাড়া করে এমন একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক রোনডা এভারিংহাম। পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘লকডাউনের আগে একটি চাকরির বিজ্ঞপ্তি দিলে কয়েকশো’ আবেদন জমা পড়ত। এখন যদি পাঁচটি পাওয়া যায় তাহলেই আপনি সৌভাগ্যবান। এর মধ্যে তিনটি পাবেন উপযুক্ত। যেই সময় আপনি তাদের ডাকবেন ততক্ষণে দেখা যাবে তারা অন্য কোন চাকরি পেয়ে গেছেন।’

সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে অস্ট্রেলিয়ার সিডনির দুইটি বড় শহর ও মেলবোর্নের সেবা নির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। গত ১১ অক্টোবর সিডনি ও গত সপ্তাহে মেলবোর্নে কোভিডের নিয়ম শিথিল করা হয়েছে। কর্মী সংকটের মাঠের এই চিত্র ধরা পড়েছে দেশটির সরকারি পরিসংখ্যানেও। ‘নন-রেসিডেন্ট’ কাজের ভিসায় আগতদের সংখ্যা ২০২০ সালের শুরুর তুলনায় চলতি বছরের জুন প্রান্তিকে দুই তৃতীয়াংশ কম ছিল। সেই সঙ্গে দেশটিতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা করোনার আগের সময়ের চেয়ে তিন লাখ কমে গেছে।

অস্ট্রেলিয়ার ২২ লাখ অনিয়মিত কর্মীর এক চতূর্থাংশই বাস করেন সিডনিতে। চার মাসের লকডাউন শেষে শহরটিতে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরুর অনুমতি মিলেছে। ২৫ অক্টোবর সাড়ে ২২ হাজার দর্শক নিয়ে ফুটবল ম্যাচ আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রথম বড় আয়োজনটি হতে যাচ্ছে। এজন্য ৭৩০জন রাঁধুনি, পরিচ্ছন্নতা বা নিরাপত্তাকর্মী প্রয়োজন। একই সময় অন্যকোন বড় আয়োজন না থাকায় এই লোকবল যোগাড় করতে পেরেছেন তারা। কিন্তু একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি জানান, আতিথেয়তা ব্যবসায় প্রত্যেকেই এখন কর্মী চ্যালেঞ্জে রয়েছেন।

এমন অবস্থায় নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্য সরকার এবার বড় সংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থী নেয়ার পরিকল্পনা করেছে। সেই সঙ্গে কর্মী চাহিদা মেটাতে এক বছরে চার লাখ অভিবাসীকে নিতে চান তারা, যা কোভিড পূর্ববর্তী সময়ের চেয়েও দ্বিগুণ। কিন্তু সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, এই মুহূর্তে দেশটির নাগরিক, বাসিন্দা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরাই শুধু অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশের অনুমতি পাচ্ছেন। সূত্র: রয়টার্স।a

কুয়েত পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ “আমার মা-আমার বোনের মৃতশরীর বাথরুমে ৫ বছর থেকে রেখে দিয়েছে!!

বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮, ১৯ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

বিদেশে পড়াশুনা করেন একজন যুবক কুয়েতি নাগরিক যার মায়ের সাথে মতবিরোধের কারণে অ্যাপার্টমেন্ট ছেড়ে চলে যায় এবং সে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কাছে রিপোর্ট করেছেন যে তার মা সালমিয়া এলাকায় তাদের পারিবারিক বাড়িতে বাথরুমের ভিতরে ২০১৬ সালে মারা যাওয়া তার যুবতী বোনের লাশ রেখে দিয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার সাথে সাথে নিরাপত্তা কর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং একটি বন্ধ বাথরুমের ভিতরে বিশ বছর বয়সী এক মেয়ের কঙ্কাল দেখতে পান।

পাঁচ বছর আগে যুবতীর মৃত্যুর পরিস্থিতি এবং কারণ খুঁজে বের করার জন্য দেহাবশেষগুলি ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

ষাট বছর বয়সী মা স্বীকার করেছেন যে তার মেয়ে ২০১৬ সালে একটি রুমে যার সাথে সংযুক্ত বাথরুম ছিল, ওই রুমে তার মেয়ে মারা গিয়েছিল কারণ সে তাকে বন্দী করে রেখেছিল এবং তিনি মেয়ের স্বাধীনতাকে অনুমতি দেয়নি। তবে তিনি খাবার ও পানীয় যা প্রয়োজন ছিল মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দিয়েছিলেন। একদিন তিনি দেখতে পান যে তার মেয়ে মারা গেছে, তিনি কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করতে ভয় পেতেন তাই জানায়নি।

পুলিশ কর্মকর্তারা অধিকতর তদন্তের জন্য মা ও ছেলেকে আটক করেছেন।

📌 নিউজ লিংক 👇 নিচে দেওয়া হয়েছে…..

📌 নিউজ লিংক 👇
https://www.facebook.com/185411171491289/posts/4836169383082088/

✍️ Collected and posted by Nahar Hoque

সুদানে সরকার ভেঙে দিয়ে জরুরি অবস্থা জারি।

সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৯ কার্তিক ১৪২৮, ১৭ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

সুদানে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্যকে গ্রেফতারের পর সামরিক নেতা জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান সার্বভৌম কাউন্সিল এবং অন্তর্র্বতীকালীন সরকার ভেঙে দিয়ে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। একই সঙ্গে দেশটির আরও কয়েকজন নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এদিকে জরুরি অবস্থা ঘোষণার পর বিক্ষোভকারীরা রাজধানী খার্তুমসহ বিভিন্ন শহরের রাস্তায় নেমে আসেন। বিক্ষোভে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে বলে বিবিসির প্রতিবেদনে জানা গেছে।

বিবিসির স্থানীয় প্রতিনিধি জানান, বিক্ষোভকারীদের বেসামরিক সরকারের দাবিতে আন্দোলন করতে দেখা গেছে। এ সময় রাস্তায় বিক্ষোভকারীরা আগুন ধরিয়ে দেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে।

এদিকে, রাজধানীতে সেনাবাহিনী ছাড়াও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। বন্ধ রয়েছে খার্তুম বিমানবন্দরের সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। দেশটিতে ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন- শিল্পমন্ত্রী ইব্রাহিম আল-শেখ, তথ্যমন্ত্রী হামজা বালৌল ও প্রধানমন্ত্রীর গণমাধ্যমবিষয়ক উপদেষ্টা ফায়সাল মোহাম্মেদ সালেহ।
এছাড়া দেশটির ক্ষমতাসীন সার্বভৌম পরিষদের মুখপাত্র মুহাম্মদ আল-ফিকে সুলিমান ও রাজধানী খার্তুমের গভর্নর আয়মান খালিদকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।
জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান সুদানের সার্বভৌম কাউন্সিলের প্রধান। সামরিক ও বেসামরিক নেতাদের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগির যৌথ কাউন্সিল এটি।
বিবিসি জানায়, বুরহান দেশের ক্ষমতা দখলের জন্য রাজনৈতিক কোন্দলকে দায়ী করেছেন। টিভিতে এক ভাষণে তিনি বলেন, রাজনীতিবিদদের মধ্যে কোন্দল, উচ্চাকাঙ্খা এবং সহিংসতায় উস্কানির কারণে তাকে বাধ্য হয়ে দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হয়েছে।

বুরহান আরও বলেন, সুদান এখনও আন্তর্জাতিক সব চুক্তি এবং বেসামরিক শাসনে ফিরতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে র্নির্বাচনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই তা করা হবে।

এদিকে সুদানে সামরিক অভ্যুত্থানের নিন্দা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। সুদান এবং দক্ষিণ সুদানে যুক্তরাজ্যের বিশেষ দূত অভ্যুত্থানের নিন্দা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ, ইইউ এবং আরব লিগও অভ্যুত্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

সুদানের দীর্ঘদিনের প্রেসিডেন্ট ওমর আল বশিরকে ২০১৯ সালে সরিয়ে দেওয়ার পর সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক গোষ্ঠীগুলোর নড়বড়ে এক ক্ষমতা ভাগাভাগির চুক্তির মধ্য দিয়ে গত দুই বছর ধরে পরিচালিত হয়ে আসছিল পূর্ব আফ্রিকার দেশটি।

সেপ্টেম্বরে বশিরের অনুগত সেনাদের ব্যর্থ এক অভ্যুত্থান চেষ্টার পর থেকে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বেসামরিক নিয়ন্ত্রিত জোট ফোর্সেস অব ফিডম অ্যান্ড চেইঞ্জের (এফএফসি) সংস্কার এবং মন্ত্রিসভায় রদবদলের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অন্যদিকে, বেসামরিক নেতারা এ দাবিগুলোকে দেখে আসছিলেন সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের ‘ক্ষমতা দখলের উচ্চাকাঙ্ক্ষা’ হিসেবে।

শুক্রবার এক বক্তৃতায় দেশটির বেসামরিক প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লা হামদক চলমান রাজনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণে একটি রোডম্যাপ দিয়েছিলেন এবং সমাধানে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে তা দেশের ভবিষ্যৎকে ভয়াবহ অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেবে বলে হুঁশিয়ার করেছিলেন।
এর মধ্যেই এফএফসি জোটে থাকা সামরিক বাহিনীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত একটি অংশ গত শনিবার বিক্ষোভের ডাক দেয়। তাতে সাড়া দিয়ে কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী রাজধানী খার্তুমে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের সামনে জড়ো হয়ে ‘ভুখা সরকারের’ অপসারণের দাবিতে স্লোগান দেয় এবং সশস্ত্র বাহিনী ও সুদানের যৌথ সামরিক-বেসামরিক সার্বভৌম পরিষদের প্রধান জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ অল-বুরহানকে ‘অভ্যুত্থানের মাধ্যমে’ ক্ষমতা নেওয়ার আহ্বান জানায়। সূত্র : রয়টার্স।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের ২০ শতাংশ দারিদ্রসীমার নিচে : জরিপ।

সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৯ কার্তিক ১৪২৮, ১৭ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত নিউইয়র্ক মেট্রো এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের ২০ শতাংশ দারিদ্রসীমার নিচে দিনাতিপাত করছে। এশিয়ান আমেরিকান ফেডারেশনের সর্বশেষ জরিপে (২০১৯) এমন উদ্বেগজনক তথ্য উদঘাটিত হয়েছে। চার সদস্যের একটি পরিবারের বার্ষিক আয় যদি ২৬ হাজার ডলারের কম হয় তাহলে তাদেরকে চরম দারিদ্রের সাথে বসবাসরকারি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

ফেডারেশনের কর্মকর্তা মীরা ভ্যানুগোপাল রবিবার জরিপের বিবরণ প্রদানকালে করোনা পরবর্তী সময়ের জরিপ প্রকাশ পেলে আরো উদ্বেগের তথ্য সামনে আসবে বলে উল্লেখ করেছেন।
তিনি জানান, নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, ফিলাডেলফিয়া, কানেকটিকাট অঞ্চলে বসবাসরত এশিয়ান-আমেরিকানদের মধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় বাংলাদেশীরা। এর আগে ২০১০ সালের জরিপের তুলনায় বাংলাদেশীদের সংখ্যা হাডসন ভ্যালিতে ১৯২%, নিউইয়র্ক সিটিতে ১১২%, নিউজার্সি ও ফিলাডেলফিয়ায় ১৭৬% বাড়লেও দারিদ্র মুক্তির ক্ষেত্রে তেমন হেরফের ঘটেনি।
এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, বাসা ভাড়াসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সবকিছুর মূল্যবৃদ্ধির সাথে সঙ্গতি রেখে কারোরই আয়-রোজগার বাড়েনি। এ অবস্থায় বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি বাফেলো, শিকাগো, বিংহামটন, আপার ডারবি, হিউস্টন, ডালাসে পাড়ি জমালেও পারিবারিক কোটায় নবাগতরা নিউইয়র্কে বসতি গড়েছেন। অর্থাৎ এরা স্বদেশী আমেজে স্বদেশী কালচারে দিনাতিপাত করতে অভ্যস্থ হওয়ায় অর্থ সংকটকে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন বলে জরিপ পরিচালনাকারীরা উল্লেখ করেছেন।
জরিপে প্রকাশ, মোট জনসংখ্যার এক পঞ্চমাংশই গরিবের চেয়েও গরিবানা হালে দিনাতিপাত করছেন বাংলাদেশি, চায়নিজ, পাকিস্তানী এবং নেপালিরা। তুলনামূলকভাবে ভারতীয়দের অবস্থান অনেক ভালো। বাংলাদেশিদের দ্বিতীয় প্রজন্ম যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শিক্ষা লাভের পর নিজেদের অবস্থানকে সুসংহত করেছেন এবং তারা সবচেয়ে দামী এলাকায় বসতি গড়েছেন। যা অনেক আগেই ভারতীয়দের বেলায় ঘটেছে। এশিয়ান আমেরিকান ফেডারেশনের জরিপ পরিচালনাকারিরা মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশি, পাকিস্তানি, নেপালি এবং চীনাদের দারিদ্র মুক্তির জন্যে ভাষাগত সমস্যা দূর করার পাশাপাশি জাতিগত ঐক্য সংহত করতে হবে। সাধ্যমত শিক্ষালাভে মনোযোগী হতে হবে। জরিপ পরিচালনাকারীরা পরামর্শ দিয়েছে, বয়স্কদের সেবামূলক কার্যক্রমকে এশিয়ান কালচারে উজ্জীবিত রাখতে হবে।
জরিপের তথ্য অনুযায়ী, এশিয়ান আমেরিকানদের মধ্যে ১০ বছরের ব্যবধানে চরম দারিদ্রের সংখ্যা ১৫% বেড়েছে। ২০১০ সালে ছিল ২ লাখ ৫২ হাজার, ২০১৯ সালে তা ২ লাখ ৯০ হাজার হয়েছে। নিউইয়র্ক মেট্র এলাকায় দারিদ্র সীমার নীচে বসবাসকারি এশিয়ানের হার ১০.৪%। ২০১০ সালে তা ছিল ৯.২%। জরিপের তথ্যে আরো বলা হয়েছে, এশিয়ানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী বাড়ছে বাংলাদেশীর সংখ্যা। কঠোর শ্রম দিচ্ছেন, কিন্তু স্বপ্ন পূরণের পথে ধাবিত হতে সক্ষম হচ্ছেন না।
এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সিটি, স্টেট এবং ফেডারেল প্রশাসনে বিদ্যমান অনেক সুযোগ-সুবিধার সাথে তারা পরিচিত না থাকায় ন্যায্য পারিশ্রমিক দূরের কথা ব্যবসায়িক সুবিধাও হারাচ্ছেন। মূলধারার রাজনীতিতে তারা জোরালো ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে সক্ষম হননি এখনও। ভোটের ময়দানেও পিছিয়ে রয়েছেন বাংলাদেশীরা। এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটানোর তাগিদ দিয়েছেন এশিয়ানদের বন্ধু কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং। তিনি এই জরিপের ইতিবাচক প্রসঙ্গে বলেন, অভিবাসী সমাজের নাজুক অবস্থার অনেক কিছুই আমরা জানতে সক্ষম হলাম। এখন সে সব ইস্যুতে সরব হবো।
স্টেট সিনেটর জন ল্যু অভিন্ন ভাষায় বলেছেন, এশিয়ানরা নানাভাবে বঞ্চিত হচ্ছেন। তা দূর করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। স্টেট এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমার বলেছেন, এশিয়ান আমেরিকান ফেডারেশনের এই জরিপ আমাদের চোখ-কান খুলে দিয়েছে।