স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশন-ইন্টারপোলের সভাপতি মেজর জেনারেল ড. আহমেদ নাসের আল রাইছির সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
১৬ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ে এ বৈঠক হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন এবং পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল আইয়ূব চৌধুরী, সুরক্ষা সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর প্রমুখ।
নেটমাধ্যমে এখন দৃষ্টিভ্রমের ছবি হামেশাই শেয়ার হতে দেখা যায়। কখনও ছবির কারসাজি ধরা তো কখনও ছবির মধ্যে লুকিয়ে থাকা কোনও সংখ্যা বা বস্তু। কয়েক দিন আগেই একটি সাদাকালো গোলাকার ছবির মধ্যে কতগুলি সংখ্যা দেখা যাচ্ছে, এমনই একটি ধাঁধা নেটমাধ্যমে সাড়া ফেলেছিল। ছবির নীচে কয়েকটি আবছা সংখ্যা ছিল।
সে রকমই আরও একটি দৃষ্টিভ্রমের ছবি ভাইরাল হয়েছে নেটমাধ্যমে। এখানেও সেই সংখ্যার খেলা। সেই সঙ্গে অবশ্যই চোখেরও খেলা। ছবিতে প্রাথমিক ভাবে তিনটি সংখ্যা দেখা যাচ্ছে। সেগুলি হল ৬, ৪ এবং ৮। যা সহজেই বলে দেওয়া সম্ভব। কিন্তু তিনটে নয় এই ছবির মধ্যে আরও অনেক সংখ্যা লুকিয়ে আছে।
চেষ্টা করেও বেশির ভাগই ব্যর্থ হয়েছেন। ছবিতে ক’টি সংখ্যা রয়েছে এবং সেগুলি কী কী তা বলতে পারেন কিনা দেখুন তো। তবে আপনাদের সুবিধার জন্য একটু এ বিষয়ে সঙ্কেত দেওয়া যেতেই পারে। ছবিতে মোট ১০টি সংখ্যা লুকিয়ে রয়েছে।
১. মা 9 মাস বহন করেন, বাবা 25 বছর ধরে বহন করেন, উভয়ই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না। ২। মা বিনা বেতনে সংসার চালায়, বাবা তার সমস্ত বেতন সংসারের জন্য ব্যয় করেন, উভয়ের প্রচেষ্টাই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না। ৩. মা আপনার যা ইচ্ছা তাই রান্না করেন, বাবা আপনি যা চান তা কিনে দেন, তাদের উভয়ের ভালবাসা সমান, তবে মায়ের ভালবাসা উচ্চতর হিসাবে দেখানো হয়েছে। জানিনা কেন বাবা পিছিয়ে। ৪. ফোনে কথা বললে প্রথমে মায়ের সাথে কথা বলতে চান, কষ্ট পেলে ‘মা’ বলে কাঁদেন। আপনার প্রয়োজন হলেই আপনি বাবাকে মনে রাখবেন, কিন্তু বাবার কি কখনও খারাপ লাগেনি যে আপনি তাকে অন্য সময় মনে করেন না? ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে ভালবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রে, প্রজন্মের জন্য, বাবা কেন পিছিয়ে আছে জানি না। ৫. আলমারি ভরে যাবে রঙিন শাড়ি আর বাচ্চাদের অনেক জামা-কাপড় দিয়ে কিন্তু বাবার জামা খুব কম, নিজের প্রয়োজনের তোয়াক্কা করেন না, তারপরও জানেন না কেন বাবা পিছিয়ে আছেন। ৬. মায়ের অনেক সোনার অলঙ্কার আছে, কিন্তু বাবার একটাই আংটি আছে যেটা তার বিয়ের সময় দেওয়া হয়েছিল। তবুও মা কম গহনা নিয়ে অভিযোগ করতে পারেন আর বাবা করেন না। তারপরও জানি না কেন বাবা পিছিয়ে। ৭. বাবা সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেন পরিবারের যত্ন নেওয়ার জন্য, কিন্তু যখন স্বীকৃতি পাওয়ার কথা আসে, কেন জানি না তিনি সবসময় পিছিয়ে থাকেন। ৮. মা বলে, আমাদের এই মাসে কলেজের টিউশন দিতে হবে, দয়া করে আমার জন্য উৎসবের জন্য একটি শাড়ি কিনবে অথচ বাবা নতুন জামাকাপড়ের কথাও ভাবেননি। দুজনেরই ভালোবাসা সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছে জানি না। ৯. বাবা-মা যখন বুড়ো হয়ে যায়, তখন বাচ্চারা বলে, মা ঘরের কাজ দেখাশোনা করার জন্য অন্তত উপকারী, কিন্তু তারা বলে, বাবা অকেজো। বাবা পিছনে কারণ তিনি পরিবারের মেরুদণ্ড। আর আমাদের মেরুদণ্ড তো আমাদের শরীরের পিছনে। অথচ তার কারণেই আমরা নিজেদের মতো করে দাঁড়াতে পারছি। সম্ভবত, এই কারণেই তিনি পিছিয়ে আছেন…!!!! *জানিনা কে লিখেছে, কুড়িয়ে পাওয়া। সমস্ত বাবাদেরকে উৎসর্গ করছি * সালাম জানাই পৃথিবীর সকল বাবা দেরকে!!!
বিনোনওয়াইন নামে এক টুইটার গ্রাহক এই ধাঁধাটি শেয়ার করছেন।
নেটমাধ্যমে সম্প্রতি একটি দৃষ্টিভ্রমের ছবি ভাইরাল হয়েছে। সাদাকালো সেই গোল ছবির পিছনে কয়েকটি সংখ্যা লুকিয়ে রয়েছে। বিনোনওয়াইন নামে এক টুইটার গ্রাহক এই ধাঁধাটি শেয়ার করছেন।
ছবিটি শেয়ার করার পর প্রশ্ন করেছেন, ‘এর মধ্যে কোনও সংখ্যা দেখতে পাচ্ছেন? যদি দেখতে পান, তা হলে সেই সংখ্যা কত বলতে পারবেন?’
টুইটার গ্রাহকের এই ছবি নিয়ে নেটাগরিকদের মধ্যে কৌতূহল তুঙ্গে। সংখ্যার খেলা নিয়ে মেতেছেন তাঁরা। ছবিটিতে ভাল করে খেয়াল করলে প্রথমেই যে সংখ্যা নজরে আসবে, তা হল ৫২৮। তা দেখেই হয়তো আপনি সহজে বলে দেবেন এই তিনটে সংখ্যা রয়েছে।
দাঁড়ান। একেই বলে দৃষ্টিভ্রম। ওই তিনটে সংখ্যা নয়। আরও সংখ্যা আছে। সেগুলি তা হলে কী?
এক টুইটার গ্রাহক বলেছেন, ‘১৫২৮৩।’ আবার আরও এক জন বলেছেন, ‘৪৫২৮৩।’ অন্য এক জন বলেছেন, ‘৩৪৫২৮৩৯’। আপনার চোখে কোন সংখ্যাগুলি ধরা পড়ছে, দেখুন তো।
উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা ভোটের মধ্যে হিজাব নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন সমাজবাদী পার্টির নেত্রী রুবিনা খানম। অখিলেশের দলের নেত্রীর দাবি, ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অন্যতম অঙ্গ মেয়েদের ঘোমটা এবং হিজাব। কিন্তু তা নিয়ে যে ভাবে রাজনৈতিকীকরণ করা হচ্ছে, তা ঘৃণ্য। এর পরই এসপি নেত্রীর হুঙ্কার, ‘‘যে হাত হিজাব ছোঁয়ার চেষ্টা করবে, সে হাত কেটে ফেলা হবে।’’
শুক্রবার আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা আন্দোলনে নেমেছিলেন কর্নাটকের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব নিষিদ্ধকরণের প্রতিবাদে। আর শনিবার আলিগড়ে উপস্থিত হন উত্তরপ্রদেশের এসপি নেত্রী রুবিনা। হিজাব-বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, ‘‘ভারতের মা-বোনদের সম্মান নিয়ে খেলার চেষ্টা করলে তাঁরাও ঝাঁসির রানি, রাজিয়া সুলতানা হয়ে উঠতে সময় নেবেন না। হিজাবে হাত দিলে সে হাত কেটে ফেলবেন তাঁরা।’’ রুবিনার আরও সংযোজন, ‘‘যে রাজনৈতিক দলই সরকার চালাক না কেন, মহিলাদের দুর্বল ভাবার মতো ভুল যেন তারা না করে।’’
উত্তরপ্রদেশে সাত দফার বিধানসভা ভোট চলছে। সেই ভোট আবহে সমাজবাদী পার্টি নেত্রীর মন্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর। অখিলেশের দলকে বিঁধেছে বিজেপি। যদিও রুবিনা তার মম্তব্য নিয়ে অনড়। তার ব্যাখ্যা, ‘‘ভারত বৈচিত্রপূর্ণ দেশ। তাই কে মাথায় তিলক কাটবেন, কে পাগড়ি বাঁধবেন আর কে হিজাব পরবেন, সেটা সেই ব্যক্তির উপর ছেড়ে দেওয়া হোক। এ নিয়ে রাজনীতি করাটাই তো অন্যায়!’’
প্রসঙ্গত, কর্নাটকে উদুপি-তে মুসলমান ছাত্রীরা হিজাব পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারবেন না, এই নির্দেশ নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। অন্য দিকে, কর্নাটকের স্কুল-কলেজের সেই আন্দোলন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পর্যন্ত মামলা গড়িয়েছে। সূত্র: রিপাবলিক ওয়ার্ল্ড।
অনলাইন ক্লাসে শিক্ষিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে ছাত্র। সম্প্রতি এরকম একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। ভিডিওটি এক মাস আগে ইউটিউবে আপলোড করা হয়। ইনস্টাগ্রামেও শেয়ার করা হয়েছে এই ভিডিও।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ওই শিক্ষিকা তাঁর ছাত্রকে বলছেন, ‘আমার কথা শোনা যাচ্ছে? ছাত্র বলছে হ্যা! ম্যাম শোনা যাচ্ছে। এরপরেই শিক্ষিকা বলছেন, ‘তোমাদের কিছু প্রশ্ন থাকলে করতে পারো?’ এবার এক ছাত্র বলছে, ‘ম্যাডাম আপনি কী বিবাহিত?’ শিক্ষিকা বলেন, না। তখন ছাত্র বলে বসে, ‘আমি আপনাকে ভালবাসি ম্যাম।’ শুনেই ম্যাডাম বলেন, ‘আমিও তোমাদের সকলকে ভালবাসি।
ছাত্র বলে বসে, না ম্যাম এই ভালবাসা সেই ভালবাসা নয়। আপনি আমাকে বিয়ে করবেন ম্যাম? আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাই।’ ছাত্রের এই প্রশ্নে কী উত্তর দেবেন প্রথমে বুঝতে পারেন না শিক্ষিকা। যদিও তিনি সেই ছাত্রকে বোঝান এই ধরণের বিষয় যেন সে আর না করে। এই ভিডিও ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হচ্ছে। অনেকেই কড়া সমালোচনা করেছেন ওই ছাত্রের।
গত ২৫ জানুয়ারি ভূমধ্যসাগরে অতিরিক্ত ঠান্ডায় মৃত্যুবরণকারী ইতালিতে অভিবাসন প্রত্যাশী ৭ জনের মধ্যে জনাব মোঃ ইমরান হাওলাদার এর মরদেহ আজ (১১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশে পৌঁছেছে। ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের তত্বাবধানে বিমান বন্দরে স্থাপিত প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক মরদেহ গ্রহণ করে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, পশ্চিমা দেশগুলো মিডিয়ার সহায়তায় ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পরিকল্পনা নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এই অভিযোগ করা হয়। এতে আরও বলা হয়, পশ্চিমা দেশগুলো এর মাধ্যমে নিজেদের আক্রমণাত্মক কর্মকাণ্ড থেকে বিশ্ববাসীর মনোযোগ ভিন্ন খাতে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এদিকে, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি চরমে পৌঁছেছে দাবি করে, মার্কিন নাগরিকদের আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইউক্রেন ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে আমেরিকা। এছাড়া কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে শনিবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা রয়েছে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরনের।
দূতাবাসের একটি টীম আগামী ১৮ – ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সময়ে বেনগাজী সফর করবেন। উক্ত সময়ে দূতাবাসের কন্স্যুলার টীমের পক্ষ থেকে প্রবাসীদের নিম্নোক্ত কন্স্যুলার ও কল্যাণমূলক সেবাসমূহ প্রদান করা হবে। (ক) মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (MRP) রিইস্যু’র আবেদনপত্র গ্রহণ; (খ) পূর্বে আবেদনকৃত MRP বিতরণ (পাসপোর্ট প্রাপ্তির জন্য সিরিয়াল নম্বরটি মন্তব্যে দিতে হবে); (গ) ট্র্যাভেল পারমিট (আউটপাস) এর আবেদনপত্র গ্রহণ ও বিতরণ; (ঘ) দেশে ছুটিতে যাওয়ার প্রত্যয়নপত্র ইস্যু; (ঙ) ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সদস্য পদের আবেদনপত্র গ্রহণ; (চ) নতুন পাসপোর্টে ভিসার জন্য/হারানো পাসপোর্টের জন্য সার্টিফিকেট ইস্যু; (ছ) বিভিন্ন কাগজপত্র সত্যায়ন; (জ) ভিসা ও NVR এর আবেদন গ্রহণ; (ঝ) অন্যান্য কন্স্যুলার ও কল্যাণ সেবা প্রদান; এই অবস্থায় বেনগাজী ও তার আশেপাশের শহরে বসবাসরত বাংলাদেশী নাগরিকগণকে উপরোক্ত সেবাসমূহ প্রাপ্তির জন্য নিচের লিংকে নিবন্ধন করার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। নিবন্ধনকৃত প্রবাসীদের সেবা প্রাপ্তির স্থান ও সময় পরবর্তীতে বিজ্ঞপ্তি আকারে জানিয়ে দেওয়া হবে। নিবন্ধনের লিংকঃ https://forms.gle/W825HTRMNd7WMkCd8 এ বিষয়ে আরো কোন তথ্যের জন্য দূতাবাসের নিম্নোক্ত মোবাইল নম্বর +২১৮৯১০০১৩৯৬৮-এ যোগাযোগ করা যাবে।
রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে গোটা ভারতে ছড়িয়েছে হিজাব বিতর্ক। গত বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) কর্ণাটক হাইকোর্টের তিন বিচারপতির বেঞ্চ পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত স্কুল-কলেজে ধর্মীয় পোশাক পরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কর্ণাটক হাইকোর্টের এ রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে শিক্ষার্থীরা। এই উত্তেজনার মধ্যেই আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যের সব কলেজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে কর্ণাটক সরকার।