বয়স ১৪ বছর, ওজন ১১৫ কেজি। সাত মিটার লম্বা সাপটিকে টানটান করে ধরতে লোক লেগেছিল মোট ১২ জন। ধারণা করা হয়, বর্তমানে বিশ্বে প্রদর্শনের জন্য রাখা জীবিত সাপগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড়। স’ম্প্রতি বিশাল এই সাপটির ঠাঁই হয়েছে আবুধাবির দ্য ন্যাশনাল অ্যাকুরিয়ামে।
খালিজ টাইমসের খবর অনুসারে, দীর্ঘকায় সাপটি রেটিকিউলেটেড পাইথন বা জালের মতো নকশা’যুক্ত অজগর। এটিকে টিএনএ’র প্লাবিত বনাঞ্চল অংশে রাখা হবে। সেখানে আরও আট সহস্রাধিক প্রাণীকে সঙ্গী হিসেবে পাবে অজগরটি।
রেটিকিউলেটেড পাইথনের আদিনিবাস দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়া। এটি বিশ্বের দীর্ঘতম সাপ। তারা উন্মুক্ত পরিবেশে পাঁচ ফুট পর্য’ন্ত বাড়তে পারে। তবে এযাবৎ রেকর্ড করা সবচেয়ে বড় অজগরটির দৈর্ঘ্য ছিল ১০ ফুট।
অজগর বিষধর নয়। এটি মূলত নিজের প্রকাণ্ড শরীর ব্যবহার করে শিকারকে চেপে মেরে ফেলে, এরপর গিলে খায়। মানুষ শিকা’রের ক্ষমতা রা’খা অল্প কিছু সাপের মধ্যে প্রথমদিকেই নাম আসে অজগরের।
এই জাতীয় সাপ ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপে বেশি দেখা যায়। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ঠাঁই হওয়া অজগরটির জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসের একটি কৃত্রিম প্রজননকেন্দ্রে। সেখানে গত ১৪ বছর থেকে মানুষের সংস্পর্শে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে সাপটি। খুব শিগগিরই তাকে দেখার সুযোগ পাবেন আমিরাতের দর্শনার্থীরা।
মাস্কাট: অবৈধভাবে ওমানে প্রবেশের চেষ্টার জন্য ১৬ জনকে গ্রেফতার করেছে রয়েল ওমান পুলিশ (ROP)।
আরওপি এক বিবৃতিতে বলেছে, “উত্তর আল বাটিনাহ গভর্নরেট পুলিশের নেতৃত্বে কোস্ট গার্ড নৌকাগুলি থেকে ১৬ জন এশিয়ানকে বহন করে গভর্নরেটের উপকূল নিয়ে আসার চেষ্টা ও অবৈধভাবে ওমানে প্রবেশের চেষ্টা করছিল।
তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। সুত্রঃ ওমান টাইমস ।
মাস্কাট: ওমান ও সৌদি আরবের মধ্যে যৌথ সুপ্রিম সিকিউরিটি কমিটির একটি দল খালি কোয়ার্টার (রুব আল খালি) বন্দর পরিদর্শন করেছে।
রয়্যাল ওমান পুলিশ (ROP), এক বিবৃতিতে বলেছে: “ওমানের সুলতানাত এবং সৌদি আরবের রাজ্যের মধ্যে যৌথ সুপ্রিম সিকিউরিটি কমিটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের চতুর্থ বৈঠকের কাজের অংশ হিসাবে, দলটি পরিচালিত খালি কোয়ার্টার (রুব আল খালি) বন্দর পরিদর্শন করেন যা দুই দেশের মধ্যে সংযোগ স্থাপনে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা পালন করিবে ।
আরওপি’র সুত্রে ওমান টাইমসে প্রকাশিত সংবাদে আরো যোগ করেছে যে, ওমান ও সৌদি আরবের যৌথ দলের বৈঠক গতকাল সুলতানাতের প্রথম অধিবেশন দিয়ে শুরু হয়েছিল, যার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং বিভিন্ন যৌথ নিরাপত্তা ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের সহযোগিতার দিকগুলি নিয়ে আলোচনা হয়েছে ।
বেনাপোল বন্দর দিয়ে রপ্তানি হচ্ছে ভারতে। বাংলাদেশ থেকে এসব সয়াবিন আমদানি করে পোল্ট্রি ফিড তৈরি করছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। ফলে ঝুঁকিতে আছে দেশের ডেইরি ও পোল্ট্রি শিল্প।
আজ সোমবার কাস্টস সূত্র জানিয়েছে, বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রতিদিন পাঁচ-ছয় শ ট্রাক সয়াবিন ভারতে রপ্তানি হচ্ছে।
এর আগে, গত ৫ সেপ্টেম্বর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ উইং) পরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের সই করা এক আদেশে বাংলাদেশ থেকে সয়াবিন রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জরি করা হয়।
নিষেধাজ্ঞায় বলা হয়, প্রাণিসম্পদ সেক্টরে ডেইরি ও পোল্ট্রি ফিডে সয়াবিন একটি অন্যতম উপাদন। দেশীয় বাজারে বাৎসরিক সয়াবিনের প্রাপ্যতার ঘাটতি রয়েছে। দেশে ডেইরি ও পোল্ট্রি সেক্টরের চাহিদা মেটাতে বছরে প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন সয়াবিন প্রয়োজন। যার বেশিরভাগই আমদানি করতে হয়। সয়াবিন রফতানি করলে দেশে ডেইরি ও পোল্ট্রি শিল্পে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে। বাড়বে পোট্রি ফিডের দাম।
নিষেধাজ্ঞা জারির পরই সব ধরনের সয়াবিন রপ্তানি বন্ধ করে দেয় বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এর ফলে বন্দর এলাকায় প্রায় দুই কিলোমিটার জুড়ে সড়কের ওপর সৃষ্টি হয় যানজট।
গত ৯ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের সই করা অন্য এক আদেশে সয়াবিন রপ্তানির ওপর নিষধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। নিষেধাজ্ঞা জারির পর বিষয়টি নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
এ বিষেয়ে আমদানিকারক ব্যবসায়ী অব্দুল লতিফ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘বিদেশ থেকে আমদানি করা সয়াবিন দেশের চাহিদা না মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করায় ডেইরি ও পোল্ট্রি শিল্প মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রতিদিন কয়েক শ ট্রাক সয়াবিন ভারতে রপ্তানি হচ্ছে। দেশের ডেইরি ও পোল্ট্রি শিল্পকে বাঁচাতে এই মুহূর্তে সয়াবিন রপ্তানি বন্ধ করা জরুরি।’
পোলিট্র ফিড আমদানিকারক খুরশিদ জাহান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘সয়াবিন রপ্তানির ফলে দেশীয় ডেইরি ও পোল্ট্রি শিল্প ঝুঁকিতে পড়বে। দেশীয় পোল্ট্রি ফিডের মূল্য বেড়ে যাবে। আমরা সয়াবিন রপ্তানি বন্ধের জোর দাবি জানাচ্ছি।’
আনোয়ার হোসেন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘প্রথম চিঠির পর আমরা আরও একটি চিঠি ইস্যু করে ফের রপ্তানির অনুমতি দিয়েছি। লাইফ স্টকের ডিজি সয়াবিন রপ্তানির বিষয়টি নিরুৎসাহিত করার পক্ষে আমাদের অবহিত করেছেন। আমি বাধ্য হয়ে আবারও রপ্তানির অনুমতি দিয়েছি। ফলে দেশীয় বাজারে ডেইরি ও পোল্ট্রি ফিডের দাম কেজি প্রতি ১৫-২০ টাকা বেড়েছে, আরও বাড়তে পারে।’
বেনাপোল কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার শামিমুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর খামারবাড়ি থেকে সয়াবিন রপ্তানি বন্ধের জন্য বেনাপোল কাস্টমস হাউসকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। একই অফিস থেকে আরও চিঠি পাঠিয়ে সয়াবিন রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। দেশীয় পোল্ট্রি ও ডেইরি ফিডের একটি অন্যতম উপাদন সয়াবিন। যার বেশিরভাগ বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।’
কানাডা ভিসা ২০ লাখ !! আমেরিকা ভিসা ২০ লাখ !! ইউরোপ ভিসা ১৫ লাখ !! ভিসার আগে বা পরে ১ টাকাও নয়, সমস্ত পেমেন্ট পৌঁছানোর পরে।। এরকম রংচং মাখা বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পা দিয়ে, আমার পরিচিত এক ভাই এই ফাঁদে পা দিয়ে তার সর্বশেষ খুয়িয়েছেন।। তার করুন কাহিনী হুবহু তুলে ধরা, যদি কারো কোনও উপকার এ আসে।।
S.B. Rasel সে এমনই কোনও এক বিজ্ঞাপন দেখে ঢাকায় অভিজাতো এলাকায় একটা অফিসে গিয়েছিলেন, সেখানে তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত জানতে চায়। এবং তারা বলে যে, আমরা গ্রান্টি দিয়ে আপনাকে বিদেশ নিয়ে যাবো, ২ বছর এর জন্যে জব ভিসা, মাসিক ২০০০-২৫০০ ডলার বেতন, ৫ বছর পরে নাগরিকত্ত পেতে আমরাই সাহায্য করবো।। এমনকি ভিসার আগে ও পরে কোনও অর্থ প্রদান করতে হবে না, সমস্ত খরচ আপনি বিদেশ পৌঁছানর পরে আপনি যখন বিদেশ থেকে আপনার পরিবার কে ফোন দিয়ে বলবেন যে আপনি ভালোভাবে পৌঁছে গেছেন, তার পর আপনার পরিবার আমাদের টাকা দিবে।। আমাদের আমেরিকা কানাডা তে সরাসরি প্রতিনিধি আছে, তারাই সরসরি আমেরিকা কানাডা থেকে আপনার নামে ভিসা ইসু করে পাঠাবে, তাই এখানে এম্বাসি ফেস করার কোনও ঝামেলা নেই।।
এক সঙ্গে এতো অফার পেয়ে বেচারা কনফিউস হয়ে গেলো !! সে নিজেকে প্রশ্ন করতে লাগলো বিদেশ যাওয়া এতো সোজা ?? নিজে নিজে উত্তর ও খুজে নিলো, আরে কি আর, এক বার চেষ্টা করে দেখি, আমার তো ২৫ পয়সাও আগে দিতে হবে না, সমস্ত খরচ যেখানে আমেরিকা/কানাডা পৌঁছানর পরে, সেখানে আমার আবার টেনশন কি !! যেই কথা সেই কাজ, বাড়িতে গিয়ে বাবা-মা এর সাথে আলোচনা করলো।। যেখানে সমস্ত খরচ পৌঁছানর পরে সেহেতু বাবা-মা আর দ্বিধা না করে রাজী হয়ে গেলো, শুরু হয়ে গেলো সুদের টাকা গুছানো ও অবশিষ্ট জমিজমা বিক্রি করার প্রস্তুতি।। ১৮-২০ দিনের মাথায় টাকা গুছানোর প্রস্তুতি শেষ করে পাসপোর্ট নিয়ে আবার অফিসে গিয়ে নিজের নামটা বুকিং দিয়ে আশা, বুকিং এর সময় অরিজিনাল পাসপোর্ট সহ ২ কপি ফটো ও ন্যাশনাল আইডি এর ফটোকপি রাখলো সঙ্গে মোবাইল নাম্বার।।
৭ দিন পরে, তাকে ফোন করে অফিসে ডাকা হলও।। যথারীতি, অফিসে যাবার পরে দেখলও সেখানে তার মতো আরও ১১ জন অপেক্ষা করছে কানাডা বা আমেরিকা যেতে চায়।। এর পরে অফিস থেকে তাদের বলা হলও, টোটাল ১২ জন এর একটা গ্রুপ এদের প্রত্যেকের (৯ জন কানাডা, ৩ জন আমেরিকা) ভিসা রেডি, এনাদের ফ্লাইট আগামী ৪ দিন পরে।। ফ্লাইট ভারতের নিউ দিল্লী থেকে সরাসরি, তাই প্রত্যেকের পাসপোর্ট এ ইন্ডিয়ান ভিসা লাগানো আছে, ২ দিন এর ভীতর ১২ জন এর গ্রুপ বাংলাদেশ থেকে নিউ দিল্লী এর উদ্দেশে রওনা দিতে হবে, সঙ্গে তাদের প্রতিনিধি থাকবে।। তাদের প্রত্যেকের ভিসা অনলাইন এ ইসু হয়ে গেছে, অনলাইন ভিসা কপি ও বিমান টিকিট নিউ দিল্লী থেকেই উনাদের প্রতিনিধি প্রত্যেক ক্যান্ডিডেট এর হাতে দিয়ে দেবে।।
এই ১২ জন এর ভীতর ২/১ জন এর মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিলো যে, পাসপোর্ট এর স্টাম্প ছাড়া কি আসলেই তারা কানাডা যেতে পারবে তো, আবার নির্ভয়ে ২/১ জন এই প্রশ্ন করেও ফেলে, কিন্তু তারা রিতিমত ধমক খেয়ে যায়।। আরে মিয়া, আপ্নারা কি আমাদের থেকে বেশি বোঝেন, আমরা ২৫ বছর ধরে এই লাইন এ, আমাদের অভিজ্ঞতা আছে, আপনাদের আগে আমাদের যে সব ক্যান্ডিডেট বিদেশ গেছে, এই নেন ফোন নাম্বার, এদের সাথে কথা বলেন।।
আপনাদের কি টেনশন ?? আপনার কি ২৫ পয়সা পেমেন্ট করেছেন??? আপনাদের পিছনে আমাদের কত করে ইনভেস্ট করতে হয়েছে জানেন?? একটা কানাডা এর ভিসা রেডি করতে কতো টাকা লাগে জানেন?? এর পরে প্লেন এর টিকিট নেটে সার্চ দিয়ে দেখেন কত খরচ ।। কথাগুলি (ঝারি) শোনার পরে সবাই চুপ হয়ে গেলো ও নির্ধারিত তারিখ সবাই নিউ দিল্লী এর উরদ্দেশে রওনা দিলো।।
ঢাকা থেকে ট্রেনে কোলকাতা, এর পর কোলকাতা থেকে নিউ দিল্লী ট্রেনে সবমিলিয়ে ২/৩ দিন পরে তারা নিউ দিল্লী পৌঁছালো !! নিউ দিল্লী স্টেশন থেকে প্রায় ৩/৪ ঘন্টা প্রাইভেটকারে করে কোথায় নিয়ে গিয়ে রাতে এই ১২ জন এর গ্রুপ কে রাখা হলো কেউ সঠিক বলতে পারলো না।। ((একটা নিরিবিলি এপার্টমেন্ট, আশেপাশে ফাঁকা সর্বশান্ত পরিবেশ))
প্রত্যেকে ২/৩ ঘন্টা করে পিটালো আলাদা ভাবে, এবং সারারাত রাতে কোনও ফাঁকা রুমে আটকিয়ে রাখলো (খাবার পানি ছাড়াই সারারাত)।। পরেরদিন সকাল এ এক একজন করে অন্য ফাঁকা রুমে নিয়ে গেলো এবং মাথায় পিস্টল ঠেকিয়ে বাড়িতে ফোন করতে বাদ্ধ করলো যে ” মা/বাবা আমার আজ রাতে কানাডা এর ফ্লাইট আমার জন্যে দোয়া করবে সবাই” !!
প্রত্যেকে আলাদাভাবে তাদের পরিবার এর সাথে একই কথা বলালো এবং এর পরে ২ দিন তাদের একসাথে সেই বদ্ধ ঘরে আটকিয়ে রাখলো (দিনে ১ বার খাবার সহ)।।
২ দিন পরে একই স্টাইল এ মাথায় পিস্টল ঠেকিয়ে বাড়িতে ফোন করতে বাধ্য করলো যে ” মা/বাবা আমি ভালো ভাবে কানাডা পৌঁছে গেছি, কোথাও কোনও সমস্যা হয়নি, এমন কি আগামিকাল থেকে আমি কাজে জয়েন্ট করবো, তোমরা এনাদের প্রাপ্প টাকা দিয়ে দাও “!!
নিরিহ বাবা মা দ্বিধা না করে সবাই সবার চুক্তি সরূপ টাকা দিয়ে দিলো !!! টাকা হাতে পাবার গ্রিন সিগ্নাল পাবার পরে, প্রত্যেক কে একই স্টাইল এ নিউ দিল্লী স্টেশন এ পৌঁছে দেয় কোনও এক রাতের বেলায়, সঙ্গে কোলকাতা ফেরার ট্রেন এর টিকিট সহ।
আমাদের অনেক পরিচিত আত্মীয়সজন যাতে এইরূপ প্রতারণার না পড়ে তাই পোস্ট করা. 🚷
ছেলেরা ভুড়ি কমাতে নিয়মিত জিমে যায়। কারণ মেয়েরা যেন তাদের পছন্দ করে। কিন্তু গবেষণা সেসব ধারণা বদলে দিচ্ছে। এখন মেয়েরা না-কি ভুড়িওয়ালা ছেলেই বেশি পছন্দ করে। এমনটাই বলছে ইউনিভার্সিটি অব মিসৌরির একটি সমীক্ষা।
সমীক্ষা বলছে, সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে ভুড়িওয়ালা ছেলেদেরই বেশি বিশ্বাসযোগ্য মনে করে বেশিরভাগ মেয়ে। তারা হালকা গোলগাল ও সাধারণ চেহারার মধ্যে নিরাপত্তা খুঁজে পায়। গবেষকরা মনে করেন, বেশি সুঠাম দেহের সঙ্গীকে নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভোগে মেয়েরা।
বিজ্ঞানীরা মনে করেন, অল্প স্থুল পুরুষদের কাজের প্রতি বেশি মনযোগী বলে মনে করেন নারীরা। তারা পরিবারকেও বেশি সময় দেন বলে মনে করা হয়। সেক্ষেত্রে সামাজিকভাবে মোটা ছেলেদের বেশি নিরাপদ মনে করে মেয়েরা। এছাড়া বডি ইমেজ নিয়ে চিন্তিত মেয়েরা একটু ভুড়িওয়ালা ছেলেই পছন্দ করে।
গবেষণা বলছে, মোটা ছেলেদের পাশে বেশি রোগা লাগে মেয়েদের। আর সে কারণেই পুরুষরা একটু ভুড়িওয়ালা হলেই তারা বেশি আত্মবিশ্বাসী মনে করে। তবে মেয়েরা ভুড়িওয়ালা ছেলে পছন্দ করে শুনে বেশি বেশি বিরিয়ানি, আইসক্রিম খাওয়া শুরু করবেন না।
এই ঘটনায় সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) অভিযুক্ত মাসুদকে গ্রেফতারের পর কিশোরগঞ্জের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করে কুলিয়ারচর থানা পুলিশ। এর আগে রোববার ১২ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ৯ টায় ওই ধর্ষিতা গৃহবধূ বাদি হয়ে কুলিয়ারচর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্র জানা যায়, গত শুক্রবার দিবাগত রাতে ওই গৃহবধূ তার বসতঘরে মেয়ের সাথে একটি চৌকিতে ঘুমাচ্ছিলেন এবং তার কাঠ মিস্ত্রি স্বামী ঘরের অন্য আরেকটি চৌকিতে ছেলের সাথে ঘুমাচ্ছিলেন। এমন সময় হঠাৎ রাত আনুমানিক সাড়ে এগারোটার দিকে টিনের ঘরের বেড়া হাত দিয়ে ফাঁকা করে, বাহির হতে দরজা খুলে ঘরে ঢুকে মাসুদ এবং চুপিচুপি বিছানায় গিয়ে স্বামী সেজে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে। এসময় ওই গৃহবধূ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকায় ও স্বামী মনে করে মাসুদকে কোনো রকম বাঁধা প্রদান করেনি।
শারীরিক সম্পর্ক শেষে ধর্ষক মাসুদ যখন দরজার দিকে যেতে থাকে, তখন গৃহবধূ লাইট জ্বালিয়ে দেখতে পায় সে তার স্বামী নয়, পার্শ্ববর্তী বাড়ির মাসুদ। এসময় গৃহবধূর ডাক চিৎকার শুনে স্বামী সন্তানের ঘুম ভাঙলে মাসুদকে আটকানো চেষ্টা করে কিন্তু মাসুদ দৌড়ে পালিয়ে যায়।
এই বিষয়ে কুলিয়ারচর থানার ওসি তদন্ত মিজানুর রহমান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আসামিকে কিশোরগঞ্জের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় একটি মামলা রজু হয়, মামলা নং ০৬, তারিখঃ ১২/৯/২০২১।
সৎমায়ের যৌন নিপীড়নের শিকার আড়াই বছরের শিশু মরিয়ম এক মাস ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সন্ধ্যায় মারা গেছে।
তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাচা মো. তারেক মিয়া বাবু। তিনি হাসপাতালে শিশুটির তদারকিতে ছিলেন।
তিনি বলেন, নির্যাতনে পায়ুপথ ও যৌনাঙ্গে সংক্রমণ তৈরি হয়ে তা ছড়িয়ে পড়েছিল পুরো শরীরে। চিকিৎসকরা শিশুটির অস্ত্রোপচারও করেছিলেন।
আড়াই বছর বয়সী শিশু মরিয়ম আক্তার ময়মনসিংহ জেলার পাগলা থানার বাঁশিয়া গ্রামের মোস্তফা কামালের সন্তান। মোস্তফা কামাল শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা গ্রামে ১৪ শতাংশ জমি কিনে বহুতল ভবন গড়ে তুলেন। সে দীর্ঘদিন ধরেই দুবাই প্রবাসী। তার প্রথম স্ত্রীর ঘরে জন্ম হয় শিশু মরিয়মের। পরে দুবাই প্রবাসী আলিফা আক্তার রিপার সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়লে শিশুটির চার মাস বয়সেই তার প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্স হয়।
এ সময় আলিফা আক্তারকে বিয়ে করে দ্বিতীয় সংসার শুরু করেন তিনি। তার দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গেই থাকত শিশু মরিয়ম। কয়েক মাস পূর্বে তিনি দুবাই চলে যান। পরে নিজ নামে এ বাড়িটি লিখে নিতে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে শিশুটিকে যৌন নিপীড়ন শুরু করেন ওই সৎমা। তিনি বিভিন্ন রাসায়নিক প্রয়োগ করে শিশুটির পায়ুপথ ও যৌনাঙ্গ ক্ষত-বিক্ষত করেন। পরে অবস্থা গুরুতর হয়ে পড়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা।
এ ঘটনায় শিশুটির দাদা বাদী হয়ে তার সৎমায়ের বিরুদ্ধে গত ১২ আগস্ট শ্রীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পরে তা মামলা রুজু হয়। গত ১৫ আগস্ট অভিযুক্ত সৎমা আলিফা আক্তার রিপাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি বর্তমানে কারাগারে। অভিযুক্ত আলিফা আক্তার রিপা মাগুরা জেলার সদর উপজেলার ধনপাড়া গ্রামের রজব আলী বিশ্বাসের মেয়ে।
শিশুটির দাদা আফাজ উদ্দিন বলেন, তার দ্বিতীয় পুত্রবধূ উগ্র প্রকৃতির। সে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের অঘটনের চেষ্টা করেছে। তার ছেলে প্রবাসে চলে যাওয়ায় শিশু নাতনিকে নিয়ে সে এ বাসাতেই থাকত। শিশুটি তাদের কাছে যেত না। এ বাসাটি লিখে নিতে সে নানা ধরনের ফন্দি তৈরি করেছিল। গত ১১ আগস্ট তার নাতনিতে দেখতে এসে তারা দেখতে পান সে খুব অসুস্থ। পরে দেখেন তার পায়ুপথে ও যৌনাঙ্গে গভীর ক্ষত। এ সময় তার পুত্রবধূকে জিজ্ঞাসা করলে সে একেক সময় একেক কথা বলতে থাকে।
তিনি আরও বলেন, ইতোপূর্বে কয়েকবার তার নাতিকে তার সৎমা নানাভাবে নির্যাতন করেছে। তারা বিভিন্নভাবে সতর্ক করছিল অভিযুক্তকে। এরপরও তাদের কথা না শুনে শিশুকে এভাবে নির্যাতন করে হত্যার পরিকল্পনা ছিল তার সৎমায়ের।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্রীপুর থানার এসআই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, ইতোমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুর খবর তিনি পেয়েছেন। এখন নিহতের ময়নাতদন্ত করা হবে। সে অনুযায়ী দ্রুত মামলার অভিযোগপত্র দেয়া হবে।
বান্ধবীর সঙ্গে মিলনের সময়ে হাতের কাছে পাওয়া গেল না কন্ডোম। তাই কড়া আঠা দিয়ে যৌনাঙ্গের মুখ বন্ধ করে দিলেন যুবক। তাতেই মৃত্যু। এমনই সন্দেহ পুলিশের। সম্প্রতি এমনই ঘটেছে গুজরাতের আহমেদাবাদে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সলমন মির্জা নামের ২৫ বছরের এই যুবক তাঁর বান্ধবীর সঙ্গে এক হোটেলে যান। তাঁদের দু’জনেরই নানা ধরনের মাদকে আসক্তির কথা জানা গিয়েছে। হোটেলে পৌঁছে তাঁরা মাদক নেওয়া শুরু করেন। সেই সময়ে যৌনসম্পর্কে লিপ্ত হতে যান তাঁরা। কিন্তু আবিষ্কার করেন, তাঁদের কাছে কোনও নিরোধক নেই। তখনই সলমন আঠা দিয়ে নিজের যৌনাঙ্গের মুখ বন্ধ করে নেন।
পুলিশের সন্দেহ, নেশার প্রয়োজনেই সলমন এই আঠা ব্যবহার করতেন। যৌনাঙ্গে এই কড়া আঠা ব্যবহার করে তাঁরা যৌনসম্পর্কে লিপ্ত হন। এর পরেই সলমন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরের দিন তাঁকে রাস্তার পাশে অসুস্থ অবস্থায় আবিষ্কার করেন এক স্থানীয় ব্যক্তি। প্রথমে তিনি সলমনকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। ক্রমশ তাঁর অবস্থার অবনতি হতে থাকে। তখন তাঁকে স্থানীয় এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, সেখানেই মারা যান সলমন।
পরে সলমনের এক আত্মীয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্ত থেকে পুলিশের অনুমান, যৌনাঙ্গের মুখ আঠা লাগিয়ে বন্ধ করে রাখায় সলমনের শরীর খারাপ হতে শুরু করে এবং তা থেকেই মৃত্যু।
কাতার এয়ারওয়েজ কুয়েতসহ তার গ্রাহকদের ১৪০ টিরও বেশি গন্তব্যের ফ্লাইটে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বিশাল ছাড় দিয়েছে, প্রিভিলেজ ক্লাবের অফার ছাড়াও, গত আটদিনের ছাড় এই মাসের ১৪ তারিখে শেষ হবে।
কাতার এয়ারওয়েজ প্রিভিলেজ ক্লাবে যোগদানকারী গ্রাহকরা কাতার ২০২২ বিশ্বকাপের জন্য একচেটিয়া প্যাকেজ ছাড়াও ৫,০০০ কিউমিলে বোনাস পাবেন।
আসন্ন বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২০ উপলক্ষে প্রিভিলেজ ক্লাব অনন্য সুযোগ এবং একচেটিয়া ভ্রমণের সুবিধা প্রদান করে, যেমন সীমাহীন লাউঞ্জ অ্যাক্সেস, বিনামূল্যে অতিরিক্ত লাগেজ ভাতা, অগ্রাধিকার চেক-ইন, টিয়ার পুরস্কার এবং আরও অনেক কিছু।
কাতারের জাতীয় বাহক কাতার এয়ারওয়েজ তার নেটওয়ার্ক পুনর্নির্মাণ অব্যাহত রেখেছে, যার মধ্যে বর্তমানে ১৪০ টিরও বেশি গন্তব্য রয়েছে।
বিশ্বের প্রধান গন্তব্যে অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার সাথে সাথে, কোম্পানিটি তার যাত্রীদের বিভিন্ন ভ্রমণ বিকল্প প্রদান করে, যাতে তারা তাদের ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে বা তাদের রিজার্ভেশন সহজে এবং সহজেই পরিবর্তন করতে সক্ষম করে।