কুয়েতে সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছেনা, বিভিন্ন দেশে ট্রানজিট হয়ে প্রবেশ করছে প্রবাসীরা ।
আজ সোমবার (১৬ আগস্ট) আরবী দৈনিক আল আনবা লিড নিউজে জানিয়েছেন যে, মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুসারে বিভিন্ন দেশের প্রবাসীরা ট্রানজিট হয়ে কুয়েত প্রবেশ অব্যাহত রয়েছ ।
দেশের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি এবং “নিষিদ্ধ” দেশগুলির করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে ঘোষিত না হওয়া পর্যন্ত সরাসরি বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু হবেনা ।
বিশেষ উত্সের বরাত দিয়ে আল আনবা আরো জানান, দেশের স্বাস্থ্যের অবস্থার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালুর ঘোষণা করা হবেনা ।
তবে কোন কোন দেশের নাগরিক ট্রানজিট হয়ে কুয়েত প্রবেশ করছে, তাহা প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়নি ।
অন্যদিকে জিসিসি দেশসমূহ, জর্দান, লেবানন, তুরস্ক, আলজেরিয়া, মালদ্বীপ ইত্যাদি দেশের নাগরিকদের প্রবেশ অব্যাহত আছে।
গতকাল রবিবার থেকে করোনা পরবর্তী শতভাগ কাজ শুরু করেছে সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান সমুহ।
👉 মোট রেজিষ্ট্রেশন করেছে : ১,৬৫,১৪৫ জন, 👉 পর্যবেক্ষন করা হয়েছে : ১৪৪,৭৬৮ জনের, 👉 এপ্রুভড করা হয়েছে : ৯১,৮০৫ জনের, 👉 রিজেক্ট করা হয়েছে : ৫২,৯৬৩ জনের।
রিজেক্ট বা বাতিল করার মূল কারন হচ্ছে সঠিক তথ্য না দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করা আর সার্টিফিকেটে QR কোড না থাকার কারনে। মানে আপনার রেজিষ্ট্রেশন করার সময় pdf ফাইল না দিয়ে jpg ফাইল দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করছেন। তা অগ্রহনযোগ্য।
রেজিষ্ট্রেশন করার পর এপ্রুভড করা সার্টিফিকেটের হার শতকরা ৩৬.৫%। অনেকে আবার ১ ডোজ টিকা নিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করেছিলেন বলে জানানো হয়েছে।
আজকেও আল রাই পত্রিকার বরাদ দিয়ে জানানো হয়েছে যে : স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় থেকে ভ্যাকসিন সংক্রান্ত তথ্যের অনুমতি না মিললে কুয়েতে প্রবেশ করতে পারবেনা কোনো প্রবাসী।
আফগানিস্তানের কাবুল দখলে নিয়েছে তালেবান। ফলে দেশটি ছাড়তে শুরু করেছে মার্কিন বাহিনীকে সহযোগিতা করা হাজার হাজার মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে আফগানিস্তান থেকে প্রায় ৪৫ হাজার মানুষকে উদ্ধারের জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এর মধ্যে কোনো বাংলাদেশি আছেন কিনা তা নিশ্চিত করে বলা হয়নি।
বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. আবু সালেহ মুস্তাফা কামাল সোমবার গণমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিকভাবে বেশ কয়েকটি তৃতীয়পক্ষের মাধ্যমে আফগানিস্তান থেকে প্রায় ৪৫ হাজার মানুষকে উদ্ধারে আমাদের কাছে প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ১৫ দিনে এ ইস্যুতে আমরা তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছি।
তিনি জানিয়েছেন, আফগানিস্তানের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন তারা। অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নেবেন। বিমানের এমডি বলেন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমাদেরকে জানতে হবে, কাবুল বিমানবন্দরে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং বা কার্যক্রম সচল আছে কিনা।
সেখানে যাত্রীদের অভিবাসন বিষয়ক আনুষ্ঠানিকতা কে সম্পন্ন করবে। এরই মধ্যে আমরা সংশ্লিষ্ট লিজিং কোম্পানিগুলোকে এ বিষয়ে অবহিত করেছি। তাদের কাছে এ সময়ে কাবুল থেকে উদ্ধার অভিযানে ফ্লাইট পরিচালনা নিয়ে মতামত জানতে চেয়েছি। তিনি আরো বলেন, লিজিং কোম্পানির কাছ থেকে জানতে চেয়েছি, যদি কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে তাহলে ইন্সুরেন্সের অর্থ আমরা পাব কিনা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ছাড়াও, এয়ার এশিয়া, গুরুদা ইন্দোনেশিয়াকে কাবুল থেকে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ নিয়ে তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে সর্বশেষ ১৪ই আগস্ট। তবে এখনো কিছু চূড়ান্ত হয়নি।
তিনি আরও বলেছেন, আফগানিস্তানের প্রায় ১৮০ জন শিক্ষার্থী বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেন। তারাও এখন ঢাকায় ফিরতে চাইছেন।
‘পপি একটা হারামজাদী। খুব খারাপ করেছে সে। একদিন এক সিনেমায় (সাহসী যোদ্ধা)
তার মেকআপ ঠিক করে দিয়েছিলাম। এটা নিয়ে সে বলেছে আমি নাকি তার মেকআপম্যান।
নিউজ হয়েছে। শয়তান মেয়ে কাজটা খারাপ করেছে। এই হারামজাদীকে যেন এটিএনের ত্রি-সীমানায় না দেখি।’
সোমবার সন্ধ্যায় এটিএন বাংলার কার্যালয়ে চ্যানেলটির সময় ও অসময়ের গল্প সিরিজের নাটকের সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।
ড. মাহফুজুর রহমান পপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘পরপর ৫টা ছবিতে আমি তাকে নিয়েছি। কিন্তু আমি তাকে মেকআপ করিয়েছি এটা কিভাবে সে ফেসবুকে লিখলো? পপি এর জন্য আমার পা ধরে মাপ চাইছে। আমি তাকে বলেছি, মাপ করবো যদি ক্যামেরার সামনে আমার পা ধরে ক্ষমা চাও। আর দর্শক সেটা দেখবে।’
এ সময় ড. মাহফুজুর রহমান আরো বলেন, ‘আমি সবসময় নতুনদের সুযোগ দিয়ে দেই। নতুনদের বেলায় আমি নিজেই সব করে দেই। গানের বেলায় আমি নিজেই সুর করি, নিজেই গাই, আবার নিজেই মেকাপ করি।’
স্বামী আত্মহত্যা করার ঘটনায় ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। জানা গেছে, ওই নারী বিয়ের পর ২২ মাস কেটে গেলেও স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়াননি। মৃত্যুর আগে তার স্বামী অভিযোগ করেছেন, বিবাহিত জীবনে বিশেষ সম্পর্কে না জড়াতে পেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।
এ ঘটনায় ভারতের আহমেদাবাদের শাহেরকটডা পুলিশ মানিনগরের ওই নারীকে আটক করেছে। মৃতের মায়ের অভিযোগর ভিত্তিতেই অভিযুক্ত গীতা পারমারকে আটক করা হয়।
পুলিশ বলছে, মৃত সুরেন্দ্র সিনহা রেলে চাকরি করতেন। ২০১৮ সালের অক্টোবরে তাদের বিয়ে হয়। এর আগে ২০১৬ সালে সুরেন্দ্রর প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেন। এদিকে গীতা আরো দুইবার তালাকপ্রাপ্তা।
মৃতের মা অভিযোগে বলেছেন, আমার ছেলে আর তার বউ আলাদা বিছানায় ঘুমাতো। এ ব্যাপারে আমার ছেলের কাছে জানতে চাইলে সে বলেছে, স্বামী হিসেবে সে কোনো অধিকারই পায়নি।
তিনি আরো বলেছেন, স্ত্রীর কাছ থেকে অধিকার না পেয়ে আমার ছেলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। এছাড়া যে কোনো সামান্য ইস্যু নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকতো। কিছু হলেই গীতা বাপের বাড়ি চলে যেত। এসব সহ্য করতে না পেরে আমার ছেলেটা আত্মহত্যা করল।
ম্যাগনেটিক পিলার নিয়ে অনেক গুজব ও জনশ্রুতি আছে, এই প্রাচীন ‘ম্যাগনেটিক পিলার’ স্থাপন নিয়ে। কেউ কেউ এটিকে প্রাচীন মূল্যবান ‘ম্যাগনেটিক’ পিলার বলে আখ্যায়িত করছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন এর মাধ্যমে বৃটিশরা আসলে এদেশের সব গোপন তথ্য চুরি করে নিয়ে যায়। (বৃটিশদের বাংলাদেশের মাটির নিচে ম্যাগনেটিক পিলার স্থাপনের আসল রহস্য!)
তবে আসল ঘটনা হচ্ছে- এদেশে বৃটিশদের শাসনের সময়কালে সীমানা পিলার গুলো ফ্রিকুয়েন্সি অনুযায়ী একটি থেকে আরেকটির দুরত্ব মেপে মাটির নীচে পুতে রাখা হয়েছিলো। যেগুলোর মধ্যে পিতল, তামা, লোহা, টাইটেনিয়াম সহ ধাতব চুম্বক সমন্বয়ে গঠিত হওয়ার কারনে বজ্র’পাত হবার সময়ে ইলেকট্রিক চার্য তৈরী হয় সেটি সরাসরি এই পিলার গুলো শোষন করে আর্থিং এর কাজ করতো। এতে করে বজ্র;পাত হতো কিন্তু মানুষ মারা যেতোনা।
অসাধু কিছু লোক এই পিলার গুলো অনেক দামে বিক্রি করা যায় এরকম গুজব ছড়ায়। এ কারনে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পিলারগুলো নিষ্চিন্ন হয়ে গেছে। কিছু লোক এগুলোকে মহা-মুল্যবান বলে অপপ্রচার করে খুঁজে বের করে চুরি করে নিয়ে গেছে। প্রকৃতপক্ষে কেউ ই সীমানা পিলার বিক্রি করে বহু টাকা উপার্জন করার উদাহরণ দেখাতে পারেনি ।
সীমান্ত পিলার গুলোর মধ্যে থাকা তামা, পিতল, টাইটেনিয়াম জাতীয় ধাতবের সমন্বয়ে তৈরী বলে এগুলো বিদ্যুত সু-পরিবাহি হয়ওয়াতে একে মহা মুল্যবান বলে অপপ্রচারের ফলে এসব পিলার চুরি হতে থাকে।
বৃটিশ শাসন আমলে বজ্রপাত থেকে বাঁচার জন্য এই প্রযুক্তির পিলার গুলো সারা দেশ জুড়ে মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছিল একটি নির্দিষ্ট দুরত্ব পর পর ফ্রিকুয়েন্সি মেপে মেপে।( এবং এ পিলারের রেডিও ইলেট্রনিক্স তরঙ্গের সাহায্যে ভূমি জরিপ ও ম্যাপ প্রস্তুতে করতে এবং এটি বিমান চলাচলেও সহযোগিতা করত সে সময় ) এখন যেমন মোবাইল ফোনের টাওয়ার বসানোর সময় একটা থেকে আরেকটার দুরত্ব আর ফ্রিকুয়েন্সি মেপে ম্যাপ করে বসানো হয় ।
আগেকার আমলে বজ্রপাতে নিহত হবার সংখ্যা ছিল অনেক কম যেটি এখন এতটা বেড়ে গেছে যে, মানুষ রীতিমতো চিন্তায় পড়ে গেছে । এখন নিশ্চই সবাই বুঝতে পারছেন কেন বৃটিশ আমলে এগুলো মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছিলো।
তিউনিসিয়ায় সমুদ্র থেকে বাংলাদেশিসহ ৯৫ অভিবাসী উদ্ধার করা হয়েছে।প্রতিনিয়ত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপ প্রবেশের চেষ্টা করছে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিবাসী। উন্নত জীবনযাপনের আশায় ইউরোপ প্রবেশের সময় তিউনিসিয়া উপকূলকে তারা বেঁছে নেন। তারি ধারাবাহিকতায় ইউরোপ প্রবেশের সময় তিউনিসিয়ায় ভূমধ্যসাগর উপকূল থেকে ৯৫ জন অনিয়মিত অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (১৩ আগস্ট) তাদের উদ্ধার করা হয়।
রেড ক্রিসেন্টের প্রধান মঞ্জি সেলিম বলেন, মেদিনিন প্রদেশের জার্জিসের দক্ষিণ উপকূলে তাদের নৌকা ভেঙে যাওয়ার পর অভিবাসীদের উদ্ধার করা হয়েছে। অভিবাসী নৌকাটি বৃহস্পতিবার লিবিয়ার সবরাথা শহর থেকে ইউরোপের দিকে যাত্রা করেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে সুদান থেকে ৫৯ জন, সিরিয়া থেকে ১ জন, মিশর থেকে সাতজন, বাংলাদেশ থেকে ছয়জন, গিনি থেকে তিনজন, ঘানা থেকে দুইজন এবং তিউনিসিয়া থেকে একজন অভিবাসী ছিলেন বলে জানা গেছে।
তিনি বলেন, অভিবাসীদের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনের জন্য নির্ধারিত স্থানে স্থানান্তরিত করা হবে। বছরের পর বছর ধরে, আলজেরিয়া, লিবিয়া, মৌরিতানিয়া, মরক্কো এবং তিউনিশিয়া-প্রধানত সাব-সাহারান আফ্রিকা থেকে অভিবাসীদের ইউরোপে পৌঁছানোর পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সমুদ্র পথে পাড়ি দেয়ার সময় অনেকে নৌকাডুবে মারা যান। আবার অনেক অভিবাসীকে অভিবাসন সংস্থাগুলো সমুদ্র থেকে উদ্ধার করেন। সূত্রঃ আনাদোলু এজেন্সি।
সকল শর্ত মেনে কুয়েতে আসলেও ১৪ দিন কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে গৃহকর্মী / ২০ নাম্বার আকামাধারীদের…
গৃহকর্মীদের সেচ্ছাসেবী কমিটির প্রধান বাসাম আল-শামরি জানান : কুয়েতে প্রবেশের পর খাদেম/গৃহকর্মীদের ১৪ দিন কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে এবং কুয়েত প্রবেশ করার পর থেকেই তাদের বেতন ধরতে হবে। এছাড়া কোয়ারান্টাইনে থাকালেও বেতন কাটা যাবেনা।
এমনকি গৃহকর্মীরা কাজ করার সময় যদি বাড়িতে করোনা আক্রান্ত হয় তাহলে তাকে আবারো কোয়ারান্টাইনে রাখতে হবে সে সময়ও তার বেতন কাটা যাবেনা।
তিনি কুয়েতের জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন : গৃহকর্মীদের হাউল সিস্টেম খোলার জন্য পুর্নবিবেচনা করতে। মানে (সহজতর) করতে হবে। তাহলে কুয়েতের গৃহকর্মী ঘাটতির অভাব পূরন করা সম্ভব হবে।
তবে সবচাইকে সেরা সিদ্ধান্ত : আকামার চুক্তি শেষ হয়ে গেলে / কফিল মারা গেলে / তাদের ডিভোর্স হয়ে গেলে গৃহকর্মী বা খাদেমেরা তাদের ইচ্ছে মাফিক অপশন বাছাই করতে পারবে – যেমন : সে সেখানেই কাজ করবে নাকি হাউল নিয়ে অন্য কফিলের কাছে চলে যাবে।
সূত্র : আল জারিদার ভেরিফায়েড টুইটার একাউন্ট থেকে।
কুয়েতে আবদালি এলাকায় আ’গুনে পুড়ে তিন বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃ’ত্যু ও আহত হয়েছে আরও পাঁচজন। জানা যায়, শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১টার দিকে কৃষিকাজে নিয়োজিত প্রায় ২০ বাংলাদেশির আবাসস্থলে এই ঘটনা ঘটে।
আহত ৫ জনকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই দু’র্ঘটনার শিকার বাংলাদেশি প্রবাসীদের বাড়ি সিলেটে। মৃত প্রবাসীরা হলেন খুরশিদ আলী (৪৮) গোয়াইনঘাট। তিনি ২০ বছর ধরে সেখানে কাজ করতেন। কামাল উদ্দিন (৫১) জেলা মৌলভীবাজার, উপজেলা জুড়ি, গ্রাম মাগুরা। তিনি প্রায় ২ যুগ ধরে একই কোফিলের (মালিক) কাজ করতেন। মোহাম্মদ ইসলাম (৩২) জেলা সিলেট, কানাইঘাট, গ্রাম বাটিভারা ফইত। তিনি প্রায় ৬ বছর ধরে একই কোফিলের কাজ করতেন।
কেউই আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে কিছুই বলতে পারপছে না। তবে অনেকেই ধারনা করছে, গযাস কিংবা কারেন্ট এর শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। আহত প্রবাসীদের মধ্যে মোহাম্মদ আলকাছ নামে একজন প্রবাসী বাংলাদেশি স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকিরা চিকিৎসা নিয়ে ঘরে ফিরেছেন।
কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান ও শ্রম কাউন্সেলর আবুল হুসেন দু’র্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ম’রদেহ দেশে পাঠানো ও আ’হত’দের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।