
এখন থেকে মালয়েশিয়ায় থাকা অবৈধ প্রবাসীরা দেশটির কুয়ালালামপুর বিমানবন্দর থেকে সরাসরি দেশে ফিরতে পারবেন বলে জানিয়েছে।
বিমানবন্দর থেকে জরিমানা দিয়ে সরাসরি দেশে ফেরার সুযোগ দিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। দেশটির অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে অনলাইনে আবেদন করে ইমিগ্রেশনে গিয়ে এবং জরিমানা দিয়ে রিক্যালিব্রেশন রিটার্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশে ফেরার সুযোগ ঘোষণা করেছিল মালয়েশিয়া সরকার।
কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বা কেএলআইএ’র তৃতীয় তলায় ৫ জুলাই থেকে এ প্রক্রিয়ার জন্য অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে একটি কাউন্টার খোলা হয়েছে।
দেশটির অভিবাসন বিভাগ বলছে, বৈধ কাগজপত্রবিহীন অভিবাসীদের সুবিধার্থে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আগে থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেয়ারও প্রয়োজন নেই তবে বিমান ছাড়ার কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা আগে আসতে হবে বলে জানানো হয়। পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টা অভিবাসন বিভাগের এ কাউন্টার খোলা থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
অভিবাসন বিভাগের ডিজি বলেন, সাধারণ কর্মীদের ইমিগ্রেশনে গিয়ে ট্রাভেল পাস সংগ্রহে জটিলতা হচ্ছে, বিভিন্ন দেশের হাইকমিশনের এমন অভিযোগের ভিত্তিতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে এ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হলে আগের মতোই পাসপোর্ট বা হাইকমিশন থেকে বৈধ ট্রাভেল ডকুমেন্টস, বিমান টিকিট, ৫০০ রিঙ্গিত (ডেভিড, ক্রেডিট কার্ড বা টাচ অ্যান্ড গো ই-ওয়ালেট এর মাধ্যমে) জরিমানা এবং ৭২ ঘণ্টা মেয়াদের করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট সঙ্গে থাকতে হবে।
খুব শিগগিরই কেএলআইএ-২ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও কাউন্টার খোলা হবে বলে জানিয়েছেন ইমিগ্রেশন ডিজি।
অভিবাসন বিভাগের সূত্র মতে, রিক্যালিব্রেশন প্রক্রিয়ায় এখনও পর্যন্ত ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৩ জন নিবন্ধন করেছেন।
যাদের মধ্যে ৯৮ হাজার ১৯৪ জন দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য এবং ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮৮৯ জন বৈধ হওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন।
সহজতর এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ প্রবাসী বাংলাদেশির সহজে দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এদিকে, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স আগামী ১৬ জুলাই থেকে কুয়ালালামপুর বিমানবন্দর থেকে ঢাকায় ফ্লাইট পরিচালনা করবে বলে জানিয়েছে। যদিও বিমান টিকিটের উচ্চমূল্য ও বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন জটিলতায় অনেকেই এ প্রক্রিয়ায় দেশে ফিরতে পারবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।










