১। যারা বিদেশে চাকুরী করছেন বা করতে যাবেন তাদের তালিকা বিএমইটি এর মাধ্যমে করা হচ্ছে। বর্তমানে কুয়েত ও সৌদি আরবগামীদের নিবন্ধন চলছে বাকীদের আগামী সপ্তাহে শুরু হবে। ২। বিদেশে অধ্যয়নের জন্য গমনকারীদের তালিকা করবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সে তালিকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানোর পর তারা সুরক্ষা অ্যাপসের মাধ্যমে নিবন্ধন করে করোনার টিকা নিতে পারবেন। ৩। সুরক্ষা অ্যাপসে নিবন্ধনের পূর্বে আপনি যে দেশে যাচ্ছেন সেদেশে কোন টিকা অনুমোদিত তা জেনে (মডার্না/সাইনোফার্ম) যে কেন্দ্রে দেওয়া হয় তা নির্বাচন করুন। টিকা গ্রহণের সময়ও তা নিশ্চিত হয়ে নিবেন। ৪। মডার্নার টিকা দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নির্দিষ্ট কেন্দ্রে দেওয়া হবে আগামী সপ্তাহ থেকে।
১। বিদেশ যাওয়ার ৭২ ঘন্টা আগে করোনা টেস্ট করাতে হবে। তবে এক্ষেত্রে শুধু বাংলাদেশ সরকারের শর্ত মানাই যথেষ্ট নয়। আপনি যে দেশ বা দেশগুলিতে ট্রানজিট করবেন এবং শেষ পর্যন্ত যে দেশে পৌছাবেন, তাদের কোভিড সংক্রান্ত শর্তও মানতে হবে। যেমনঃ বাংলাদেশ থেকে যাত্রা শুরু করে যারা কাতার যাবেন অথবা কাতারে ট্রানজিট নিয়ে অন্য কোন দেশে যাবেন, তাদেরকে আকাশযাত্রা শুরুর ৪৮ ঘন্টা বা তারও কম সময় বাকি থাকতে কোভিড পরীক্ষার নমুনা দিয়ে টেস্ট করাতে হবে। আপনি সে শর্ত মানছেন কিনা তা দেখেই সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স আপনাকে বোর্ডিং কার্ড ইস্যু করবে৷
২। বাংলাদেশ সরকারের বেধে দেয়া শর্ত অনুযায়ী দশ বছরের কম বয়সী শিশুদের কোভিড পরীক্ষা করার দরকার নেই। তবে আপনি যে দেশে যাচ্ছেন বা যে দেশসমূহে ট্রানজিট করছেন তারা এর চেয়েও কম বয়সী শিশুদের কোভিড পরীক্ষা করানোর শর্ত আরোপ করে থাকতে পারে। যেমনঃ যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য দুই বছরের বেশি বয়সী সব যাত্রীকেই কোভিড টেস্ট করাতে হয়। এছাড়া কাতারে যেতে বা সে দেশে ট্রানজিট করতে সব যাত্রীর জন্যই কোভিড পরীক্ষা করিয়ে নেগেটিভ রিপোর্ট সাথে নিয়ে যাত্রা শুরু করার নিয়ম।
৩। বিদেশ যাওয়ার জন্য কোভিড পরীক্ষা সরকার নির্ধারিত সরকারি বা বেসরকারি ল্যাবেই করাতে হবে৷ সারাদেশে সরকার অনুমোদিত আরও অনেক ল্যাবে কোভিড পরীক্ষা করানো হলেও বিদেশগামী যাত্রীরা সেখানে পরীক্ষা করালে কাজ হবে না৷
৪। বিদেশগামী যাত্রীরা যেসব সরকারি ও বেসরকারি ল্যাবে কোভিড পরীক্ষা করাতে পারবেন তার তালিকা নীচে দেয়া হল। (বেসরকারি তালিকায় লাল রঙে চিহ্নিত ৫ টি ল্যাবে কোভিড পরীক্ষা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর স্থগিত করেছে।) ল্যাবে গিয়ে বলতে হবে যে আপনি বিদেশ যাওয়ার জন্য পরীক্ষা করাচ্ছেন৷ পরীক্ষা করার আগে ল্যাব কতৃপক্ষ আপনার বর্তমানে ব্যবহৃত পাসপোর্ট নাম্বার ও মোবাইল নাম্বার জানতে চাইবে৷ এছাড়া আপনার কনফার্মড টিকেটও দেখতে চাইবে৷
৫। যারা ঢাকায় সরকারি ল্যাবে কোভিড টেস্ট করাতে ইচ্ছুক তাদেরকে প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ টার মধ্যে বনানীতে অবস্থিত আর্মি স্টেডিয়ামে যেতে হবে৷
৬। কোভিড পরীক্ষার ল্যাব এমনভাবে নির্বাচন করতে হবে যেন পরীক্ষার নেগেটিভ ফল হাতে পাওয়ার পর যথাসময়ে বিমানবন্দরে এসে পৌছানো যায়৷
৭। বিদেশগামী যাত্রীর কোভিড পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসলে পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে বিদেশযাত্রার উদ্দেশ্যে আর কোভিড টেস্ট করানো যাবে না৷ সাত দিন পর কোন সরকারি ল্যাবে পরীক্ষা করিয়ে ফল নেগেটিভ আসলে বিদেশ যাওয়া যাবে৷
দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনায় একদিনে দুই বাংলাদেশি নাগরিক মৃত্যুবরণ করেছেন। বৃহস্পতিবার একদিনে দু’জন বাংলাদেশি করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন।
দেশটির প্রিটোরিয়ার ইয়েসট্রেস এলাকায় চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম ১২ দিন আগে করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি দীর্ঘ দিন থেকে ওই এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন। চলতি বছর বিয়ে করার জন্য দেশে আসার কথা থাকলেও করোনার কাছে হার মানলেন জাহিদুল ইসলাম নামে এই প্রবাসী।
অপরদিকে একই দিন দেশটির কোয়াজুলু নাটাল প্রদেশের নিউ ক্যাসেলে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের বাসিন্দা মুহাম্মদ লিটন মিয়া। তিনিও গত দুই সপ্তাহ ধরে করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে মৃত্যুবরণ করেছেন। দুজনকেই দক্ষিণ আফ্রিকায় দাফন করা হয়েছে।
আগামী ১২ জুলাই থেকে এই নিয়ম কার্যকর করা হবে, কাতারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘোষণা দেয়। তবে আসার ১২ ঘণ্টা আগে ওয়েব সাইটে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে এবং ৭২ ঘন্টা আগে করোনা টেস্ট করাতে হবে। তবে যারা টিকা ছাড়া কাতারে আসবেন তারা কাতারের তালিকা অনুযায়ী কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে, যেমন তিনটি তালিকা করা হয়েছে সবুজ, হলুদ, এবং লাল।
যেমন সবুজ তালিকাভুক্ত দেশ থেকে আসলে পাঁচদিনের হোম কোয়ারান্টাইন ও হলুদ তালিকাভুক্ত দেশ থেকে আসলে সাতদিন হোটেল কোয়ারান্টাইন এবং লাল তালিকাভুক্ত দেশ থেকে আসলে দশদিন হোটেল কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। বাংলাদেশ লাল তালিকাভুক্ত।
করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ২১২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা এখন পর্যন্ত একদিনের হিসাবে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এ নিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৬ হাজার চারজনে। একইসঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা শনাক্ত হয়েছেন আরও ১১ হাজার ৩২৪ জন। ফলে দেশে করোনায় শনাক্তের সংখ্যা হলো ১০ লাখ ৫৪৩ জন।
আজ শুক্রবার বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৬ হাজার ৫৮৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে করোনা শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ৯৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৩৮ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৮ লাখ ৬২ হাজার ৩৮৪ জন।
করোনায় মৃতদের মধ্যে বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ২১২ জনের মধ্যে ষাটোর্ধ ৯০ জন। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৫৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৪০ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৭ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে সাতজন ও ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে দুইজন রয়েছে।
একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২১২ জনের মধ্যে খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ৭৯ জন, ঢাকা বিভাগে ৫৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৩ জন, বরিশাল বিভাগে পাঁচজন, সিলেট বিভাগে ছয়জন, রংপুর বিভাগে ১২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে আটজন মারা গেছেন।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত স্ত্রীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ফেলে স্বামী পালিয়ে গেছেন। মঙ্গলবার স্ত্রী আসমা আক্তারকে (৩৮) হাসপাতালে রেখে স্বামী মোজাম্মেল হক পালিয়ে যান। বুধবার রাতে আসমা মারা যান। তার বাড়ি চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং থানার আগ্রাবাদ এলাকার মৌলভীপাড়ায়।
চমেক হাসপাতাল সূত্র জানায়, করোনা আক্রান্ত আসমাকে মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার স্বামী মোজাম্মেল। তাকে করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর কয়েক ঘণ্টা আসমার পাশে মোজাম্মেলকে দেখা গেলেও এরপর তিনি উধাও হয়ে যান। আসমার ওষুধপত্র কেনার জন্য নার্স ও ওয়ার্ডবয়রা তাকে খুঁজে পাননি। মঙ্গলবার সারা দিন আসমার স্বামী বা কোনো স্বজনকে হাসপাতালে দেখা যায়নি। তার খোঁজখবর নিতেও কেউ আসেননি। বুধবার রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান। রেজিস্ট্রারে লেখা মোজাম্মেলের ফোন নম্বরে কল দিলে তা নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আসমার লাশ দাফনের জন্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কোয়ান্টামকে দায়িত্ব দিয়েছে। কোয়ান্টাম কর্মকর্তা কামরুল হাসান যুগান্তরকে জানান, আমরা লাশ বুঝে নিয়েছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আরেফিন নগরের কবরস্থানে লাশ দাফন করা হবে।
চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই শীলাব্রত বড়ুয়া যুগান্তরকে বলেন, আসমাকে ভর্তির সময় রেজিস্ট্রারে স্বামী হিসাবে মোজাম্মেল হকের নাম লেখা হয়। একটি মোবাইল ফোন নম্বরও দেওয়া হয়। কিন্তু সেই নম্বরে কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। তার স্বজনদের সঙ্গে কোনোভাবেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। চমেক মর্গে তার লাশ রাখা হয়। পরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কোয়ান্টামের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশি ও ভারতীয় কর্মীর সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে সৌদি আরব। ফলে এখন থেকে দেশটির বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ বাংলাদেশি ও ভারতীয় কর্মী নিয়োগ দেয়া যাবে। দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এ নিয়ে একটি বিবৃতিও প্রচার করা হয়। এ খবর দিয়েছে সৌদি গেজেট।
খবরে বলা হয়েছে, এখন থেকে সৌদি আরবের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মোট কর্মীর ৪০ শতাংশ বাংলাদেশি নিয়োগ দিতে পারবেন। শ্রমিক নিয়োগের একই সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে ভারতীয়দের ক্ষেত্রেও। অপরদিকে ইয়েমেনি শ্রমিক নিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ২৫ শতাংশ।
এরইমধ্যে দেশটির বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইমেইলের মাধ্যমে এই ঘোষণা জানিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানে এরইমধ্যে এই হারের বেশি এসব দেশের কর্মী আছে তারা ওই কর্মীদের কাজ ও বসবাসের অনুমতি দিতে পারবে। সেক্ষেত্রে নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবরের শিরোনাম হয়েছে সাভারে একটি খামারে থাকা সবচেয়ে ছোট গরু ‘রানি’। বুধবার বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমে ‘রানি’র খবর প্রকাশ করা হয়েছে।
দুদিন আগে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে আলোচনায় আসে আশুলিয়ার চারিগ্রামের ২০ ইঞ্চি উচ্চতার ২ বছর বয়সী ‘বক্সার ভূট্টি’ জাতের এই গরুটি। এর ওজন মাত্র ২৬ কেজি।
বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরুর রেকর্ড ছিল ভারতের কেরালা রাজ্যের ৪ বছর বয়সী লাল রঙের গরু মানিকিয়ামের। সেটাকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশের ‘রানি’। ভারতের মানিকিয়ামের চেয়ে রানি ১০ সেন্টিমিটার ছোট।
বুধবার বার্তা সংস্থা এএফপি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দেশব্যাপী লকডাউন থাকা সত্ত্বেও মানুষজন দূর-দূরান্ত থেকে রিকশায় করে আশুলিয়ার শিকড় এগ্রো লিমিটেডে ‘রানি’কে দেখতে আসছে।
গরুটির মালিক সাভারের ‘শিকড় এগ্রো লিমিটেড’ জানায়, প্রতিষ্ঠানটি বছর দুয়েক আগে কোনো এক মাধ্যমে খবর পেয়ে নওগাঁর এক খামারির থেকে এই গরুটি ক্রয় করেন। গরুটির নাম রানি। তাকে দিনে দুবেলা খাবার দিতে হয়। সাধারণ গরুর তুলনায় এটির খাবার লাগে অনেকটা কম।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ইন্টারনেটে স্টাডি করে তারা জানতে পেরেছে- এটিই পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গরু। এটি এখন কোরবানির উপযুক্ত। গরুটিকে বিশ্ব রেকর্ডে জায়গা করে দিতে ইতোমধ্যে গত ২ জুলাই গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। ওই আবেদনের পর গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ একটি রিপ্লাইও দিয়েছে।
গিনেস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের নিজস্ব কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে। ওই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেই তারা আগামী ৯০ দিনের মধ্যে পরবর্তী কার্যক্রমগুলো শেষ করে সিদ্ধান্ত জানাবে। সবকিছু ঠিক থাকলে এই গরু বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরুর অফিসিয়াল তকমা পাবে। পরীক্ষা নিরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে বিশ্বে ছোট গরুর রেকর্ডে ভারতকে পেছনে ফেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।