ক্যাটাগরি Uncategorized

দু’বছর ধরে সৌদি আরবের হাসপাতালে ধুঁকছেন রুহুল আমিন, পরিচয় দিচ্ছেনা দেশের পরিবার

সৌদি আরব: বাস্তবের নির্মমতা কখনও গল্প সিনামাকেও হার মানায়! মুন্সিগঞ্জের রুহুল আমিনের ক্ষেত্রেও ঘটছে তেমনই নির্মমতা। দু’বছর ধরে সৌদি আরবের হাসপাতালে আশ্রিত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন রুহুল আমিন। সম্পূর্ণ মানবিক কারণে হাসপাতাল রুহুল আমিনকে দু’বছর ধরে রাখছে এবং চিকিৎসা দিচ্ছে! এইটুকুকে যদি রুহুল আমিনের ভাগ্য সুপ্রসন্ন বলা যায় ঠিক বিপরীতেই তার মত দুর্ভাগাও যেন জগতে খুব বেশি নেই। তার নিজের পরিবারই তাকে স্বীকার করছে না। দেশে গ্রহণ করতে চাইছে না! এ নির্মমতা কি সিনেগল্পকেও হার মানায় না?

মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার উত্তর কামার গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের সন্তান রুহুল আমিন। দীর্ঘদিন ধরে বিদেশ করে পরিবারের সুখের জন্য কাজ করলেও, অসুস্থ রুহুল আমিন পাচ্ছেন না পরিবারের কোন সহানুভূতি!

দু’বছর ধরে সৌদি আরবের হাসপাতালে ধুঁকছেন রুহুল আমিন
ব্রেন স্ট্রোক করে রুহুল আমিনের আশ্রয় হয় সৌদি আরবের হাসপাতালে। করোনার পূর্ববর্তী সময়ে তিনি দাম্মাম সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধিন ছিলেন। করোনা মহামারি রূপ নিলে তাকে রাফায়া শহরের ক্বারাইয়া উলায়া হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে সেখানেই তিনি চিকিৎসাধিন আছেন। বাংলাদেশ দূতাবাস রিয়াদের তত্বাবধানে একাধিকবার তাকে দেশে পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। দেশের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় বারবার, দুঃখজনকভাবে রুহুল আমিনকে গ্রহণ তরতে এগিয়ে আসেনি পরিবার!

দূতাবাস কর্মকর্তাগণ মানবিক কারণে হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন রুহুল আমিনকে দেশে পাঠিয়ে দিতে। এয়ারপোর্টে রুহুল আমিনকে গ্রহণ করার মত পরিবারের কোন সদস্যকে পেতেই বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন দূতাবাস কর্মকর্তাগণ!

উল্লেখ্য, বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের নানা বদনাম থাকলেও এই গুরুতর অসুস্থ মানুষটিকে দেশে পাঠাবার ব্যবস্থা বারকয় করেও যখন পরবিারের স্বীকৃতি পেল না দূতাবাস, পরিবারের এই নির্মমতাকে কী অভিধা দেবেন, সেই বিবেচনা সংবাদ পাঠকদের কাছেই তোলা থাক!

রুহুল আমিনের পরিচিত এক সূত্রে জানা যায়, সুস্থ থাকাকালীন রুহুল আমিনের আর্থিক লেনদেনে পরিবার খুশী ছিল না! সূত্রমতে, রুহুল আমিন সদাচার করেনি পরিবারের সঙ্গে, ভুক্তভোগী পরিবার তাই আজ আর রুহুল আমিনকে স্বীকার করতে রাজি নয়!

সূত্রের কথা সত্য ধরে নিয়েও বলা যায়, গুরুতর অসুস্থ মানুষটি যদি অতীতে ভুল করেও থাকে, এই জীবন সায়াহ্নে পরিবারের কাছ থেকে আরেকটু মানবিকতা এবং সহানুভূতি তিনি পেতেই পারেন ! প্রবাসে রুহুল আমিনের আয়ের অর্থের খানিকটাও কী পরিবার ভোগ করেনি কখনও?

রিয়াদ দূতাবাসের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে, রুহুল আমিনকে গ্রহণ করার মত কোন আত্মীয় পরিজন যদি থেকে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে নিচের নাম্বারে যোগাযোগ করুন –
মোহাম্মদ ফয়সাল
আইন সহকারী
00966568301414
তথ্যসুত্রঃ ডাকঘর২৪ডটকম।

সৌদি আরবে ১ কোটি ৪০ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার

সৌদি আরবের মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ লেবানন থেকে আসা ১ কোটি ৪০ লাখ পিস এমফেটামিন অর্থাৎ ইয়াবা ট্যাবলেট পাচার এর একটি প্রচেষ্টা প্রতিরোধ করেছে এবং এই বিপুল পরিমাণের মাদক জব্দ করেছে। লেবানন থেকে সৌদি আরবে আসা লোহার পাতের একটি চালান এর মাঝে এই বিপুল সংখ্যক মাদক ট্যাবলেট লুকানো ছিলো বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরবের জেদ্দার ইসলামিক বন্দরে যাকাত, ট্যাক্স এবং কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সাথে মিলে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মাদকের এই চালান জব্দ করতে সক্ষম হয় মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।

তারা জানায়, এই মাদকের চোরাচালান এর সাথে জড়িত থাকা একজন সৌদি নাগরিককে রিয়াদ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ইতিপূর্বে লেবানন এর বেইরুত থেকে সৌদি আরবে মাদক পাচার বেড়ে যাওয়ায় ইতিমধ্যেই লেবানন থেকে সকল প্রকার ফল এবং সবজি আমদানি নিষিদ্ধ করেছে সৌদি সরকার। লেবানন থেকে আমদানি করা ফলের একটি চালানের ভেতরে লুকানো ৫০ লাখ ক্যাপটাগন মাদক ট্যাবলেট পাবার পর পরই এই সিদ্ধান্ত নেয় সৌদি সরকার।

এবার লেবানন থেকে আসা স্টীলের পাতের সাথে লুকিয়ে এই ১ কোটি ৪০ লাখ পিস এমফেটামিন অর্থাৎ ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ হবার পরে সৌদি সরকার লেবানন থেকে আমদানির উপর আরো কঠোর নিয়ম এবং নিষেধাজ্ঞা জারি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কোভিড-১৯’ কুয়েতে মারা গেছে ৮ জন, শনাক্ত ১,৮৩৬ এবং সুস্থ ১,৬৭৭ জন’

কুয়েতে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মারা গেছে আরো ৮ জন’ শনাক্ত হয়েছে ১,৮৩৬ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১,৬৭৭ জন।

মোট আক্রন্তের সংখ্যা ৩৫৬,৬৮৭ জন । মোট মৃতের সংখ্যা ১,৯৬৯ জন ।

আজকের সুস্থ হওয়া ১,৯৬৯ জনসহ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মোট ৩৩৬,১২২ জন সুস্থ হয়েছেন, যাদের মধ্যে কুয়েতি ও প্রবাসী রয়েছে ।

আজ বুধবার রাত ৮.২০ মিনিটে নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংএ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করে ।

কুয়েতে নিয়মিত চিকিৎসাধীন আছে ১৮,৫৯৬ জন। আইসিউতে আছেন ২৯৬ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় টেস্ট করা হয়েছে ১৪,৮৮৭ জনকে, সর্বমোট ২৯৭৬,৫৩৬ জনকে টেস্ট করা হয়েছে।

দেশে করোনার ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত।

দেশে মহামারী করোনাভাইরাস সংক্রমণের ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৮২২ জন।  সবমিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ১৩ হাজার ২৫৮ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১১৫ জন।

এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৪ হাজার ৫০৩ জনের।  

আজ বুধবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।  

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৫৫০ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৮ লাখ ১৬ হাজার ২৫০ জন। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৫ দশমিক ১৩ শতাংশ।  

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার করোনায় ১১২ জনের মৃত্যু হয়। করোনার ইতিহাসে সে

দিন সর্বোচ্চ ৭,৬৬৬ জন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হন।   

সুত্র ঃ-বিডি প্রতিদিন/

লকডাউনে প্রবাসীদের ঢাকায় আনতে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা করবে বাংলাদেশ বিমান

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকারের বিধিনিষেধ এর আওতায় কঠোর লকডাউনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১ জুলাই হতে ৭ জুলাই পর্যন্ত সকল অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইট সমূহ বাতিল ঘোষণা করছে। তবে শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক যাত্রীদের ঢাকায় আনার জন্য চট্টগ্রাম, সিলেট ও কক্সজবাজার ফ্লাইট চালাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীদের জন্য স্বল্প সংখ্যক অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। শুধুমাত্র বিমানের টিকেটধারী আন্তর্জাতিক গন্তব্যের যাত্রীগণই ভ্রমণের সুযোগ পাবেন ।

১ থেকে ৭ জুলাই এর মধ্যে বাতিলকৃত ফ্লাইট সমূহের টিকেটধারী সকল যাত্রীগণ এই টিকেট এর মাধ্যমে কোন প্রকার অতিরিক্ত চার্জ প্রদান করা ছাড়াই পরবর্তীতে (বিমানের আসন খালি থাকা সাপেক্ষে) ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।

সৌদিতে বাংলাদেশি নারী কর্মীদের নিরাপত্তা চাইলেন রাষ্ট্রদূত

সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশি নারী গৃহকর্মীদের নিরাপত্তায় সহায়তা চাইলেন রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার)।

বর্তমানে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় সৌদি আরবে অসংখ্য বাংলাদেশি নারী কর্মী কাজ করছেন। তবে এই নারীদের অনেকে নানা ধরণের সমস্যার পাশাপাশি নির্যাতনের স্বীকার হন। আর বাংলাদেশি এই নারী কর্মীদের নিরাপত্তা চেয়েছেন বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার)।

রাষ্ট্রদূত গতকাল মঙ্গলবার (২৯ জুন) সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের গভর্নর প্রিন্স সউদ বিন নায়েফ আল সউদ এর সাথে সাক্ষাতকালে এ সহায়তা কামনা করেন।

সৌদি আরবে কর্মরত নারী গৃহকর্মীরা বিভিন্ন কারণে গৃহকর্তার বাসা থেকে পালিয়ে পুলিশের কাছে আশ্রয় গ্রহণ করতে আসে। রাষ্ট্রদূত গভর্নরকে পালিয়ে আসা এ সকল নারী গৃহকর্মীদের ডিপোর্টেশন সেন্টার অথবা সেইফ হাউজে জায়গা প্রদান করার জন্য পুলিশের সহায়তা কামনা করেন। গভর্নর এ বিষয়ে যথাযথ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

রাষ্ট্রদূত পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের হাসপাতালের মর্গে যেসকল অবৈধ অভিবাসীদের মৃতদেহ সংরক্ষিত রয়েছে তাঁর ফি মওকুফের অনুরোধ জানান। এ সকল অবৈধ অভিবাসীদের মৃতদেহ দেশে পাঠানোর জন্য দূতাবাসের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও হাসপাতালের ফির জন্য মরদেহ দেশে পাঠানো অথবা সৌদি আরবে দাফনের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হয়।

রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, করোনা কালীন অনেক শ্রমিক সৌদি আরবে চাকুরিচ্যুত হয়ে অবৈধ হয়ে পড়েছে। এ সকল অবৈধ অভিবাসীরা দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য ফাইনাল এক্সিটের আবেদন করেছেন, কিন্তু তাঁদের ফাইনাল এক্সিট প্রদান ধীর গতিতে সম্পন্ন হওয়ায় তাঁরা দেশে যেতে পারছেনা। এ অবস্থায় তাঁদের জন্য সৌদি আরব থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। রাষ্ট্রদূত অবৈধ অভিবাসীদের দেশে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য গভর্নরকে অনুরোধ জানান।

সমকামীরাও সন্তান নিতে পারবেন ফ্রান্সে।

আইভিএফের মাধ্যমে সমকামী এবং একক নারীরাও ফ্রান্সে সন্তান নিতে পারবেন। নতুন আইন ফরাসি পার্লামেন্টে।

যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিল ফরাসি পার্লামেন্ট। সমকামী নারী এবং একক নারীও সন্তান ধারণ করতে পারবে। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আইভিএফ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সন্তান ধারণ করতে আর কোনো বাধা থাকল না তাদের। দীর্ঘ দুই বছর ধরে এই আইনটি নিয়ে আলোচনা হওয়ার পর শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সের পার্লামেন্ট আইনটিকে বৈধতা দিল।

লড়াই কঠিন ছিল। ফরাসি শাসকদল দীর্ঘদিন ধরেই এই আইনটি চালু করতে চাইছিল। কিন্তু বাদ সাধছিল রক্ষণশীল বিরোধীরা। প্রায় দুই বছর ধরে এই আইনটি নিয়ে ফরাসি পার্লামেন্টে বিতর্ক হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৫০০ ঘণ্টার বিতর্ক। ১২ হাজার বার আইনটির পরিবর্ধন এবং পরিবর্তন হয়েছে। শেষপর্যন্ত বিপুল ভোটে ফরাসি নিম্নকক্ষে আইনটি পাশ হয়েছে। আইনের পক্ষে ভোট পড়েছে ৩২৬টি। বিপক্ষে ১১৫। দীর্ঘদিন রক্ষণশীল অধ্যুষিত সেনেটে আইনটি আটকে ছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত মাক্রোঁ এবং তার মন্ত্রিসভার চেষ্টায় আইনটিকে পাশ করানো সম্ভব হয়েছে।

ফ্রান্সে আইভিএফ চিকিৎসা এতদিন আইনসিদ্ধ ছিল। অর্থাৎ, স্বাভাবিক ভাবে সন্তান না হলে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সন্তান নেওয়ার ব্যবস্থা। এছাড়াও স্পার্ম ডোনারও আইনসিদ্ধ ছিল। কিন্তু একক নারী কিংবা সমকামীদের ক্ষেত্রে আইভিএফ ট্রিটমেন্ট আইনসিদ্ধ ছিল না। যদিও সমকামী বিয়ে সে দেশে বৈধ। বিদেশে গিয়ে বহু নারী আইভিএফ ট্রিটমেন্ট করিয়ে সন্তান নিয়ে ফিরতেন। এই বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ফরাসি পার্লামেন্টে বিতর্ক চলছিল। শেষপর্যন্ত একটি আইন তৈরির কথা হয়। কিন্তু রক্ষণশীালরা কোনোভাবেই এই আইনের পক্ষে ছিল না।

আইভিএফ ট্রিটমেন্ট ছাড়াও এই আইনে বলা হয়েছে, স্পার্ম ডোনারের মাধ্যমে কারো সন্তান হলে সেই সন্তান ১৮ বছর বয়সে গিয়ে জানতে চাইতে পারে তার বায়োলজিক্যাল বাবা কে? প্রশ্ন এলে ঠিক উত্তর দিতে হবে। সন্তান চাইলে বাবার সঙ্গে দেখাও করতে পারে। তবে সারোগেসি নিয়ে এই আইনে কোনো কথা বলা হয়নি। অন্য নারীর গর্ভে সন্তান রাখার পদ্ধতির নাম সারোগেসি। এ বিষয়ে নতুন আইন কোনো মন্তব্য করেনি। ট্রান্সজেন্ডারদের স্পার্ম ডোনেট করা নিয়েও নতুন আইনে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

এলজিবিটি প্রতিক্রিয়া

দীর্ঘদিন ধরেই বিষয়টি নিয়ে আন্দোলন করছিলেন ফ্রান্সের এলজিবিটিকিউ কমিউনিটি। আইন পাশ হওয়ার পরে তারা জানিয়েছেন, তারা খুশি। তবে এখনো সমস্ত দাবিদাওয়া পূরণ হয়নি। অন্যদিকে, ফ্রান্সের এক মন্ত্রী জানিয়েছেন, দ্রুত আইনটিকে চালু করা হবে যাতে এ বছরের শেষেই সন্তানের মুখ দেখতে পান নারীরা।

সুত্র ঃ-এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এএফপি)

১ জুলাই থেকে বাংলাদেশিদের তুরস্ক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বাংলাদেশসহ ছয় দেশ থেকে সরাসরি ফ্লাইট ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে তুরস্ক। অন্য দেশগুলো হচ্ছে, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকা। গতকাল সোমবার তুরস্কের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, আগামী ১ জুলাই থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই ছয় দেশ থেকে সরাসরি ফ্লাইট চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে।
তবে, বাংলাদেশসহ এই ছয় দেশের নাগরিকদের জন্য তৃতীয় কোন দেশে ১৪ দিন অবস্থানের পর তুরস্কে প্রবেশের সুযোগ রাখা হয়েছে। সেক্ষেত্রে তাদের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করা পিসিআর পরীক্ষার করোনা নেগেটিভ সনদ দেখাতে হবে। এছাড়াও, তুরস্কে পৌঁছানোর পর তাদের বিভিন্ন প্রদেশে সরকার নির্ধারিত হোটেলে নিজ খরচে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। ১৪তম দিন শেষে আরেকবার করোনা পরীক্ষা করতে হবে এবং ফলাফল নেগেটিভ হলে তাদের কোয়ারেন্টিন শেষ হবে।

সূত্রঃ ডেইলি স্টার।

কোভিড-১৯’ কুয়েতে মারা গেছে ১৮ জন, শনাক্ত ১,৭১৮ এবং সুস্থ ১,৭৬৭ জন’

কুয়েতে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মারা গেছে আরো ১৮ জন’ শনাক্ত হয়েছে ১,৭১৮ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১,৭৬৭ জন।

মোট আক্রন্তের সংখ্যা ৩৫৪,৮৫১ জন । মোট মৃতের সংখ্যা ১,৯৬১ জন ।

আজকের সুস্থ হওয়া ১,৭৬৭ জনসহ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মোট ৩৩৪,৪৪৫ জন সুস্থ হয়েছেন, যাদের মধ্যে কুয়েতি ও প্রবাসী রয়েছে ।

আজ মঙ্গলবার রাত ৮.০০ টায় নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংএ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করে ।

কুয়েতে নিয়মিত চিকিৎসাধীন আছে ১৮,৪৪৫ জন। আইসিউতে আছেন ২৮৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় টেস্ট করা হয়েছে ১৪,৩১৪ জনকে, সর্বমোট ২৯৬১,৬৪৯ জনকে টেস্ট করা হয়েছে।

বিদেশে কর্মসংস্থান সহজ করতে ‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপ।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান অন্যতম। তাদের চেয়ে এগিয়ে আছে কেবল তৈরি পোশাক খাত। প্রবাসীদের অনেকেই পরিবারের ভরণ-পোষণের জন্য জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ তথা পরিবার-পরিজন ছেড়ে পাড়ি দেয় অজানা দেশের অচেনা ভূমিতে। ইতোপূর্বে কর্মীরা বিদেশে একটি চাকরির আশায় প্রায়ই, মরিয়া হয়ে যে কারো প্রলোভনে পা দিত এবং প্রায়ই তারা ওসব দুষ্টচক্রের শিকার হত।

ওই অসাধু চক্রগুলো প্রবাসীদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে বিদেশে পাচার করার অনেক অভিযোগ রয়েছে। আর তারা সেই ফাঁদে পা দিয়ে গৃহকর্মী নামের অমানবিক দাসত্ব বরণ করে নিতে বাধ্য হত। বর্তমানে সেই পরিস্থিতি আর নেই। এজন্য সাধুবাদ জানাতে হয় সরকারকে। যারা পাচারকারীদের বিরুদ্ধে খুবই জরুরি কিছু পদক্ষেপ নিয়ে পুরো পরিস্থিতি পাল্টে দিয়েছে।

বর্তমানে প্রবাসী কর্মীরা সরকার অনুমোদিত এজেন্টদের মাধ্যমে নানা দেশে বৈধ, স্থিতিশীল ও নিরাপদ কাজের সুযোগ পাচ্ছে। ফলে, প্রবাসীরা উপযুক্ত আয়ের মাধ্যমে কেবল তাদের পরিবারের ভরণ-পোষণই নিশ্চিত করছে না; অধিকন্তু নিরাপদ ও নিশ্চিত একটি ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়ও করতে পারছে তারা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো তারা এখন সুযোগ পাচ্ছে নানা আচার-অনুষ্ঠান উপলক্ষে দেশে ফেরার, পরিবারের পাশে থাকার।

প্রবাসে চাকরির এমন অগ্রগতি সত্ত্বেও, বিদেশ-গমনে একটি সহজ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার বড়ো অভাব এখনো বিরাজমান আছে। দস্তা দস্তা ছাপানো পৃষ্ঠা পূরণের শতাব্দী প্রাচীন পদ্ধতি একুশ শতকের পৃথিবীতে অচল। তাই বর্তমান ও ভবিষ্যতের প্রবাসীদের জন্য প্রয়োজন একটি সহজ, কার্যকর ও স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল সেবাদান-প্রক্রিয়া; যা তাদেরকে প্রয়োজন, যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী যথাযথ কর্মসংস্থানের সঙ্গে পরিচয় ও সংযোগ ঘটিয়ে দেবে।

এখানেই প্রয়োজন ‘আমি প্রবাসী’র। ‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপটি যৌথভাবে তৈরি ও প্রস্তুত করেছে বাংলা-ট্র্যাক গ্রুপ এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রাণালয়; যার নেতৃত্বে ছিলেন বাংলা-ট্র্যাক গ্রুপের মহাপরিচালক তারেক একরামুল হক ও পরিচালক নামির আহমদ নূরী। এটি খুবই প্রয়োজনীয় একটি পোর্টাল, যা বিদেশ ভ্রমণের পুরো-প্রক্রিয়াটিকে সহজ ও সাশ্রয়ী করে এনেছে; সময় ও অর্থ উভয় দিক থেকেই।

এটির লক্ষ্য, প্রবাসী কর্মীদের জন্য লাল ফিতার তথাকথিত আমলা-তান্ত্রিকতা এবং নানা নিয়ম-কানুনের জটিলতামুক্ত একটি সহজ ও নিরাপদ পদ্ধতি নিশ্চিত করা। এ অ্যাপটির মাধ্যমে বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীরা সরকার অনুমোদিত এজেন্টদের খুঁজে পাওয়া, উপযুক্ত চাকরির সন্ধান, আবেদনপত্র পূরণ ও জমাদান, বিমান-সহযোগিতাসহ এ সক্রান্ত নানা প্রয়োজনীয় সেবা সহজেই খুঁজে পাবে।

পাশাপাশি এটি পুরো প্রক্রিয়ায় কিছু বাড়তি স্বচ্ছতাও নিশ্চিত করবে; যা পুরোনো ও নতুন সকল দক্ষ কর্মীদের মন থেকে বিদেশ-গমন প্রক্রিয়া-সক্রান্ত সকল প্রশ্নের নিরসন ঘটাবে। যেমন: একটি সফল আবেদন নিশ্চিত করতে কখন, কোথায় কী পরিমাণ ফি জমা দিতে হবে, কী কী কাগজপত্রের দরকার হবে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, বিএমইটি ও বাংলা-ট্র্যাক গ্রুপের একটি সমন্বিত উদ্যোগের ফসল হলো ‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপ, যা বাংলাদেশের অভিবাসী শ্রম-প্রক্রিয়াকে একটি ডিজিটালাইজেশন পদ্ধতির আওতায় নিয়ে আসবে। যে পদ্ধতি সরাসরি সাহায্য করবে সেই দেড় কোটিরও বেশি কর্মী ও স্বপ্নচারী অভিবাসীদের, যারা প্রতি বছরান্তে দুই হাজার কোটি ডলারের বৈদেশিক মুদ্রা যোগ করে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে।

এই অ্যাপটি একটি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় গত ৮ মে ২০২১ এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদ এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউছ ও অন্যান্য অতিথিরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি, প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদ এমন উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, ‘আমি প্রবাসী’ নামের এই অ্যাপ অভিবাসন প্রক্রিয়ায় বিরাজমান জটিলতা ও বাধাগুলোকে দূর করে একটি সু-সংগঠিত ডিজিটালাইজড পদ্ধতির ভিত্তি তৈরি করে দেবে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে এটি পুরো অ্যাপের একটি রূপরেখা মাত্র, ভবিষ্যতে এটি পুরো অভিবাসন প্রক্রিয়াকে একটি মাত্র প্লাটফর্মে নিয়ে আসবে। এটি হবে একটি ইউনিফাইড পদ্ধতি; যা বিএমইটি নিবন্ধন, এমএফএস সমন্বয়ের মতো সেবাদানের মাধ্যমে বিদেশ-গমনেচ্ছু ও প্রবাসী কর্মীদের একটি ‘ওয়ান-স্টপ’ পরিষেবার আওতায় নিয়ে আসবে।’

অ্যাপটির কার্যকারিতা ও উপযোগিতার প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, ‘এখানেই শেষ নয়, সামনে অনেক পথ পড়ে আছে, আছে অনেক বাধা-বিপত্তি; করোনা মহামারি যার মধ্যে অন্যতম। কিন্তু আমি মনে করি, এসব অজুহাত ভবিষ্যৎ সাফল্যের পথে কোনোভাবেই আমাদের বাধা হয়ে থাকবে না।’

বিশেষ করে অভিবাসী কর্মীদের জন্য ‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপটির সহজ, কার্যকর ও সুদূর-প্রসারী প্রভাবের কথা উল্লখে করে তিনি বলেন, ‘কেবল প্রবাসী কর্মীদের নয়; কর্মী, এজেন্ট, নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে এ অ্যাপের আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন।’

তিনি মনে করেন, ‘আমি প্রবাসী’ অভিবাসন সক্রান্ত সমস্ত অভিজ্ঞতা অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারে; পারে বিদেশে যেতে আগ্রহী সব নাগরিককে এতে অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ করতে। এটি করা গেলে দেশে রেমিট্যান্সপ্রবাহ নিশ্চিতভাবে বৃদ্ধি পাবে।’

মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউছ বলেন, ‘আমি প্রবাসী’ এ ধরনের উদ্যোগের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী প্রথম অ্যাপ, যা অভিবাসন প্রক্রিয়াকে ডিজিটাইজেশন চেষ্টার পাশাপাশি এ খাতের ভবিষ্যৎ ডিজিটাইজেশনকে আরো অনেক দূর প্রসারিত করবে। আমি মনে করি, আমাদের রেমিট্যান্স প্রবাহে এ অ্যাপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। এর মাধ্যমে দেশে থাকা প্রিয়জনদের কাছে আমাদের অভিবাসী কর্মীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ও সংখ্যা দুটোই বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

ড. কায়কাউছ ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘অভিবাসনের সমস্ত প্রক্রিয়াকে এক বিন্দুতে এনে এই অ্যাপটি কর্মী, এজেন্ট, নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষসহ সকল অংশীজনকে একটি চমৎকার সহাবস্থানে বেঁধে রাখতে আশীর্বাদ হয়ে কাজ করবে। এটি রাষ্ট্র-প্রশাসনের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। কারণ, এর মাধ্যমে তারা প্রয়োজন মতো কর্মীদের ও তাদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের বিশেষায়িত তথ্যভাণ্ডারে সরাসরি প্রবেশের সুযোগ নিতে পারবে। জরুরি ক্ষেত্রে কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে দূর-প্রবাসে তাদের নিরাপত্তা ও কর্ম উদ্যোমে সরাসরি ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।’

তিনি বলেন, ‘অ্যাপটি ডাউনলোড করা থেকে শুরু করে কর্মক্ষেত্রে যোগদান পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটির প্রতিটি পদক্ষেপে ডিজিটাইজেশনের পথে এখনও অনেক কর্মপরিকল্পনা বাকি রয়েছে। অ্যাপটি প্রবাসী কর্মীদের উপযুক্ত চাকরি খুঁজতেই কেবল সাহায্য করবে না, অধিকন্তু কর্মক্ষেত্রে তাদের কাজ, কাজের ধরণ, পদ-পদবি ইত্যাদিও নিশ্চিত করবে। ফলে, প্রবাসে কাজ করার আগেকার ভয়, সংশয়, হয়রানি ও নিপীড়ন নির্যাতনের আশঙ্কা থেকেও মুক্তি পাবে তারা।

বিদেশ গমনেচ্ছু প্রতিটি কর্মীদের প্রতিটি প্রয়োজন পরিপূরণের মতো একটা পোর্টাল তৈরির মাধ্যমেই কেবল পুরো প্রক্রিয়াটিতে সত্যিকারের কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। যার চূড়ান্ত সুবিধা ভোগ করবে দেশের জনগণ। এ অ্যাপটি আমাদের প্রতিটি প্রবাসীকে সে অভিজ্ঞতাই দেবে, যা দেশের অর্থনীতিতে দ্বিতীয় বৃহত্তম অবদান সৃষ্টিকারী হিসেবে সত্যিকার অর্থেই তাদের প্রাপ্য।’

প্রকল্পটির উদ্যোক্তা বাংলা-ট্র্যাক গ্রুপের মহাপরিচালক একরামুল হকের মতে, আমি প্রবাসী, এক অত্যন্ত কার্যকর ডিজিটালাইজেশন প্লাটফর্ম, যা একটি অ্যাপ এবং ওয়েব পোর্টাল, যা বিদেশে চাকরি জন্য আগ্রহী বাংলাদেশি নাগরিকদের পরিপূর্ণ সেবা প্রদান করে থাকে বিএমইটি রেজিস্ট্রেশনে সহযোগতিা করে সরকারি ডাটাবেসকে পরিপূর্ণ রূপরেখায় নিয়ে আসবে এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান সর্ম্পকে তথ্য সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে অভিবাসীদের উপকৃত করবে।

তার মতে, ‘এ অ্যাপটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও আশাব্যঞ্জক দিকটি হলো, এটি ধারাবাহিকভাবে নিজের অগ্রগতি ও উন্নতি ঘটিয়ে আরো সহজতর উপায় ব্যবহারযোগ্য হয়ে উঠব। নিজেদের ভাগ্যোন্নয়নের পথে অগণিত দক্ষ কর্মীদের বিদেশ-বিভূঁইয়ের পথে কঠিন যাত্রাকে সহজ, স্বচ্ছন্দ ও নিরাপদ করে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে পারবে।’

পাশাপাশি, যেহেতু এই অ্যাপটিতে সরকার অনুমোদিত এজেন্টরা ছাড়া মানবপাচারকারী অবৈধ, অসাধু এজেন্টরা নিজেদের যুক্ত করার সুযোগ পাবে না; সেহেতু আমাদের অর্থনীতিতে দ্বিতীয় বৃহত্তম অবদান রাখা প্রবাসী কর্মীরা এ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে নিজেদের নিরাপদ ও নিশ্চিন্তে রাখার সুযোগও পাবে।

‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপটি অভিবাসন প্রক্রিয়ায় বিপ্লব ঘটাতে সত্যিকার অর্থেই একটি সঠিক পদক্ষপে, যার অসামান্য সুবিধাদি কেবল কর্মীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে ও রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেই ভূমিকা রাখবে না; অধিকন্তু এই অতি গুরুত্বপূর্ণ খাতটির টেকসই উন্নয়নে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে পুরো জাতিকে সহায়তা করবে। আমি প্রবাসী অ্যাপটি নিশ্চিত করবে বিএমইটি রেজিস্ট্রেশনে বিদেশ গমনচ্ছেু কর্মীদের আবেদনপত্র ও ফরম পূরণ সঠিক প্রক্রিয়ায় সম্পন্নকরণ, প্রকৃত চাকরি অনুসন্ধান, সঠিক এজেন্সিগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন এবং বিমানবন্দরে সকল সহায়তামূলক কার্যাবলী ও গন্তব্যতে নিশ্চিন্তে পৌঁছানো।

এটি ব্যবহার করা যেমন সহজ, তেমনি এটি দূর করতে পারবে বহু প্রতিকূলতাকে যা একজন কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশ গমনেচ্ছু বিদেশি ভাই বোনকে প্রায়শই মুখোমুখি হতে হয়। এটি আধুনিক করবে আমাদের চলমান সিস্টেমকে যা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কার্যকর প্রণালী হিসেবে কাজ করবে। বর্তমান করোনা প্রেক্ষাপটে আমাদের রেমিট্যান্সের ধারা ঠিক রাখতে হলে আমাদের কার্যপ্রণালীকে ডিজিটাল প্রসেসে পরিচালিত করতে হবে। বিধায় সকলেই আশাবাদী আমি প্রবাসী অ্যাপ এক্ষেত্রে এক কার্যকরী ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে। অ্যাপটি প্লে স্টোরে ডাউনলোডের জন্য পাওয়া যাবে।