কুয়েতের মন্ত্রী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুসারে আগামী ১ আগস্ট থেকে ভ্যাকসিন নেওয়া প্রবাসীরা সীমান্ত ও সমুদ্র পথে প্রবেশ করিতে পারিবে’ ।
আল আনবা পত্রিকা তাদের ব্রেকিং নিউজে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, আজ সোমবার মন্ত্রী পরিষদ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ।
এর গত সপ্তাহের বৈঠকে আগামী ১ আগস্ট থেকে প্রবাসীদের প্রবেশের জন্য বিমানবন্দর খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল ।
সুত্রে প্রকাশ, মন্ত্রিসভা বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, যারা কুয়েত অনুমোদিত (ফাইজার, অ্যাস্ট্রাজেনেকা বা মোদার্নায়) ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ বা জনসন ও জনসনের একটি ডোজ গ্রহণ করেছে, শুধুমাত্র সেসব প্রবাসী প্রবেশের সু্যোগ পাবে ।
প্রসঙ্গত, আগামী ১ আগস্ট থেকে বিমানবন্দর দিয়ে আগত প্রবাসীদের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশ দেওয়া
কুয়েত মন্ত্রি পরিষদ বৃহস্পতিবার, ১লা জুলাই, ২০২১ইং তারিখ থেকে, “বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ব্রিটেন, স্পেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, কিরগিজস্তান, জার্মান, গ্রীস, সুইজারল্যান্ড” সরাসরি বিমান পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
কাউন্সিল মঙ্গলবার, ২৯ শে জুন, ২০২১ ইং তারিখ থেকে নাগরিক এবং তাদের প্রথম-স্তরের আত্মীয় যারা ভ্যাকসিনের একটি ডোজ গ্রহণ করেছেন তাদেরকে বন্দর দিয়ে আসা এবং যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
১লা আগস্ট, রবিবার থেকে কুয়েত অনুমোদিত টিকা গ্রহণকারীদের জন্য স্থল ও সমুদ্রসীমা খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কাউন্সিল।
📌নিউজ লিংক কমেন্টে দেওয়া হয়েছে….
✍️ Collected, Translated and posted by Nahar Hoque
ভারতের সঙ্গে সীমান্ত আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত এপ্রিল থেকে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ রয়েছে। পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ভারত ছাড়াও ১০ দেশ থেকে বাংলাদেশ আসা যাবে না,বাংলাদেশ থেকে যাওয়া যাবে না।
দেশগুলো হচ্ছে, আর্জেন্টিনা, বাহরাইন, বলেভিয়া, ব্রাজিল, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, প্যারাগুয়ে,ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো ও উরুগুয়ে।
তবে সরকারের অনুমতি নিয়ে এই ১১ দেশে ১৫ দিনের মধ্যে ভ্রমণকারী (বসবাসকারী নয়) বাংলাদেশি নাগরিক দেশে আসতে পারবেন। এক্ষেত্রে তাদের নিজ খরচে সরকার নির্ধারিত হোটেলে বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। বিদেশে ফ্লাইটে ওঠার আগেই হোটেল বুকিং করতে হবে, যা বোডিং কার্ড ইস্যুর সময় চেক করবে এয়ারলাইন্সগুলো।
আগামী ১ জুলাই থেকে অবৈধ মোবাইল ফোন বাংলাদেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যাবে না। বিদেশ থেকে ক্রয়কৃত বা উপহারপ্রাপ্ত মোবাইল নিবন্ধন করলে বাংলাদেশে ব্যবহার করা যাবে। সে সাথে একজন প্রবাসী নতুন, পুরাতন কিংবা নিজের ব্যবহৃত যে কোন ২টি মোবাইল শুল্কমুক্ত হিসেবে দেশে আনতে পারবেন। এছাড়া প্রায় ৩৫ শতাংশ শুল্ক দিয়ে আরও ৬টি মোবাইল আনতে পারবেন দেশে। তবে কোন ভাবেই ৮টির বেশি মোবাইল আমদানীর অনুমতি ছাড়া আনা যাবে না। এর বেশি আনলে কাস্টমস তা আটক করবে। আটককৃত মোবাইল ফোন Adjudication প্রক্রিয়ায় BTRC দপ্তরের ছাড়পত্র উপস্থাপন, শুল্ক-করাদি এবং অর্থদন্ড পরিশোধ সাপেক্ষে ফেরত পেতে পারেন।
আগামী ১ জুলাই থেকে অবৈধ মোবাইল ফোন বাংলাদেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যাবে না। বিদেশ থেকে ক্রয়কৃত বা উপহারপ্রাপ্ত মোবাইল নিবন্ধন করলে বাংলাদেশে ব্যবহার করা যাবে। সে সাথে একজন প্রবাসী নতুন, পুরাতন কিংবা নিজের ব্যবহৃত যে কোন ২টি মোবাইল শুল্কমুক্ত হিসেবে দেশে আনতে পারবেন। এছাড়া প্রায় ৩৫ শতাংশ শুল্ক দিয়ে আরও ৬টি মোবাইল আনতে পারবেন দেশে। তবে কোন ভাবেই ৮টির বেশি মোবাইল আমদানীর অনুমতি ছাড়া আনা যাবে না। এর বেশি আনলে কাস্টমস তা আটক করবে। আটককৃত মোবাইল ফোন Adjudication প্রক্রিয়ায় BTRC দপ্তরের ছাড়পত্র উপস্থাপন, শুল্ক-করাদি এবং অর্থদন্ড পরিশোধ সাপেক্ষে ফেরত পেতে পারেন।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৩৬৪ জনের। যা দেশে করোনার ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত। এছাড়াও একই সময়ে করোনায় মারা গেছেন ১০৪ জন।
সোমবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
দেশে এ পর্যন্ত মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৮ লাখ ৯৬ হাজার ৭৭০ জনের। এছাড়াও মোট মৃত্যু বেড়ে দাঁড়াল ১৪ হাজার ২৭৬ জনে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩ হজার ৫৭০ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন ৮ লাখ ৭ হাজার ৬৭৩ জন। এদিন মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৫ হাজার ৫৯ জনের। নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
চার জন লোক এসে দাদা বলে ডেকে নিয়ে যায়। তারা বলে তোমার জায়গায় তুমি মসজিদ বানাইছো না…?তুমি মুসলিমদের নেতা…? এভাবে জিজ্ঞাসা করছিলো। হঠাৎ শুনতে পায় গুলির আওয়াজ।মা বাধা দিলে তার বুকে লাথি মেরে ফেলে দেওয়া হয়।আমি অনেক চিৎকার করছিলাম, কিন্তু কোন লোক বের হয়নি ভয়ে।যতক্ষণ না বাবার মৃত্যু হয় ততক্ষণ তারা সেখানে ছিলো। মৃত্যু নিশ্চিত করে তারা চলে যায়।কেঁদে কেঁদে এভাবেই বাবার মৃত্যুর বর্ণনা দিচ্ছিলো তার মেয়ে আমেনা। তখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় এখন তোমার পরিবার কিভাবে চলবে? তখন মেয়েটি বলে,কিভাবে চলবে জানিনা।আল্লাহ ভালো জানেন।
আমেনার দাবী, অন্যান্য দিন পাড়াগুলোর প্রত্যেক বাড়িতে বাইরে সোলার বিদ্যুতের বাল্ব জ্বললেও ওইদিন পাড়ায় কোনো বাড়ির বাইরের বাল্ব জ্বালানো হয় নি। গুলির শব্দ শুনে প্রতিবেশী খ্রিস্টান পরিবারের কেউ এগিয়ে না এসে সবাই ঘরে অবস্থান করেছে।
অন্যদিকে কাছাকাছি পাড়ায় বসবাসকারী নওমুসলিম পরিবারগুলো ওমর ফারুকের উপর আসা হুমকির বিষয়টি অবগত ছিলো। ফলে ওমর ফারুকের বাড়িতে গুলির শব্দ শুনে তারা ঘটনাটি সহজেই বুঝে ফেলে এবং সন্ত্রাসীরা এবার তাদের হত্যা করতে আসবে ধারণা করে সকলে স্ত্রী, সন্তানসহ জঙ্গলে পালিয়ে যায়।
আমেনা আরো বলছিলো…. কিছুদিন আগে
শান্তিবাহিনী আমাদের বাড়িতে গিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য বাবাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। কিন্তু বাবা তাদেরকে বলে, ধর্ম পরিবর্তন তার গণতান্ত্রিক অধিকার। কাজেই কোনো ভুল বা অন্যায় তিনি করেননি। তবুও সন্ত্রাসীরা বাবাকে হুমকি দিলে বাবা সন্ত্রাসীদের বলেন, তোমরা কী করবা আমার। প্রাণ নিবা, নাও আমি বুক পেতে দিলাম। গুলি করো। আমি শহীদ হয়ে যাবো। এই বলে তিনি জামার বোতাম খুলে সন্ত্রাসীদের সামনে বুক চেতিয়ে দাঁড়ান।
এরপর থেকে বাবা আশেপাশের অমুসলিমদের মাঝে দাওয়াত আরো বেশি করে দিতে শুরু করেন এবং একটির পর একটি পরিবারকে ইসলামের আলোয় দিক্ষিত করতে থাকেন। বেশ কিছু পরিবার ইসলামের সুশীতল ছায়ায় চলে আসে।
বাবা তখন একটি মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেন এবং এ লক্ষ্যে নিজের এক একর জমি মসজিদকে দান করেন। নিজেই সে মসজিদ প্রতিষ্ঠা করে নিজেই সেখানে ওয়াক্তিয়া নামাজের ইমামতি শুরু করেন। এক পর্যায়ে ২০১৮ সালে এই মসজিদে তিনি মাইক লাগিয়ে আজান দেয়া শুরু করেন।
এই মাইক লাগানোর পর থেকে তার উপর নতুন করে প্রাণনাশের হুমকি শুরু হয়। তিনি প্রায়ই তার পরিবার, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিকট বলতেন, ওরা আমাকে হত্যা করবে।
শহীদ ওমর ফারুক রহিমাহুল্লাহু তিনি জানতেন তাকে কালিমার দাওয়াত দিতে গিয়ে মৃত্যু বরন করতে হবে। তারপরও তিনি পিছু হটেন নাই।ঈমানের উপর অটল ছিলেন। আলহামদুলিল্লাহ।
তবে ধিক্কার জানাই আমাদের দেশের হলুদ মিডিয়া গুলো কে। একজন ইমাম কে এভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করলো কিন্তু কোন মিডিয়া একটা নিউজ পযর্ন্ত করলো না।
শহীদ ওমর ফারুক ত্রিপুরা পাহাড়ে ইসলামের যে আলো জ্বালিয়ে গেছেন সেই আলো পুরো পার্বত্যকে আলোকিত করবে, ইনশাআল্লাহ। @collected
অভিযুক্তরা বলেন: ডিসেম্বর মাসের আগে রেজিষ্ট্রেশন করেও পায়নি মেসেজ। যার ফলে কমপ্লেক্সে প্রবেশ করা থেকে বঞ্চিত হয়ে শাস্তি পেয়েছি আমরা। যখন তারা উচ্চ পর্যায়ের আমরা সাথে আলাপ করি তখনই বলা হয় আপনি পারের সপ্তাহে মেসেজ পাবেন। এমন করতে করতে কয়েক মাস কেটে গেছে টিকা ছাড়া। এছাড়া, আল-কাবাস তাদের প্লাটর্ফমে অনেক গুলো মেসেজ পেয়েছে ভ্যাকসিন গ্রহনের দাবিতে। (সংক্ষিপ্ত)
আশা করি সংশিলিষ্টরা এ ব্যপারে আরো জোড়ালে পদক্ষেপ নিয়ে সবাইকে দ্রুত ভ্যাকসিন প্রদান করবে।