ক্যাটাগরি Uncategorized

আজ বিশ্ব বাবা দিবস।

প্রতীকী ছবি

আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব বাবা দিবস। 

আজ বিশ্বের প্রায় ৫২ টি দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব বাবা দিবস। প্রতি বছরের মতো এবছরও বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে বাবা দিবস। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সকাল থেকেই দেশে কিংবা দেশের বাহিরে থাকা বাংলাদেশিরা ছবি বা বিভিন্ন লেখার মাধ্যমে প্রিয় বাবার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করছেন।

বাবার প্রতি সন্তানের চিরন্তন ভালোবাসার প্রকাশ প্রতিদিনই ঘটে। তবুও বাবার জন্য বিশেষ দিন হিসেবে প্রতি বছর ‘বিশ্ব বাবা দিবস’ পালিত হয়ে আসছে। আর এই বাবা দিবসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা বাংলাদেশি প্রবাসীরা নিঃসন্দেহে বাবাকে মিস করে থাকেন। চাইলে তারা বাবাকে দেখতে পারেন না দূর প্রবাস থেকে।

প্রকাশে কঠিন অথচ ভেতর অসম্ভব স্নেহ, মমতা আর ভালবাসা নিয়ে বাবা। সন্তানের কাছে যিনি সুপারিহরো। বাবার সাথেই গড়ে ওঠে প্রতিটি সন্তানের কত প্রথমের গল্প। ভিন্ন ভিন্ন অনুভূতির মিথস্ক্রিয়ায় সন্তান-বাবা পাড়ি দেয় দীর্ঘ সময়। এতো নিপুন রসায়ন সম্পর্কের পরেও হয়তো সংকোচে কখনও বলাই হয় না ‘তোমাকে ভালবাসি বাবা’। হয়তো ফোনের ওপাশ থেকে বাবাকে ভালোবাসার কথা বলতে চান বছরের পর বছর বাবাকে দেখতে না পাওয়া সন্তানটা।

আর নিজে যদি সন্তানের বাবা হয়ে থাকেন তাহলেতো কথাই নাই। একজন প্রবাসী প্রতিনিয়ত তার প্রিয় সন্তানের মুখে হাঁসি ফুটানোর জন্যই যুদ্ধ করে যান। বাবা দিবসে প্রত্যাশা প্রিয় সন্তানেরা ভালো থাকুক, ভালো থাকুক হাজার মাইল দূরে থাকা প্রিয় বাবা।

উল্লেখ্য, জুনের তৃতীয় রোববার বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে বাবা দিবস পালন করা হয়। সে হিসাবে এ বছর বাবা দিবস আজ ২০ জুন।

১৯১০ সালে প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের সনোরা স্মার্ট ডোড নামের এক তরুণীর মাথায় আসে বাবা দিবসের কথা। ১৯১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পিতৃ দিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণার বিল উত্থাপন করা হয়। ১৯৭২ সালে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন দিনটিকে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেন।

আজ থেকে আদালতে শারীরিক উপস্থিতিতে বিচার কাজ শুরু হয়েছে।

করোনার কারণে বন্ধ থাকার পর আজ থেকে সারা দেশে বিচারিক আদালতে শারীরিক উপস্থিতিতে স্বাভাবিক বিচার কার্যক্রম চালু হয়েছে। গতকাল শনিবার (১৯ জুন) হাইকোর্টের দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। তবে স্থানীয় প্রশাসন কোন জেলা সদর বা মহানগরে করোনা রোধে চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করলে সংশ্লিষ্ট জেলার বা মহানগরের দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালসমূহে শারীরিক উপস্থিতির পরিবর্তে ভার্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে জামিন ও জরুরি দরখাস্ত শুনানি করা যাবে। উল্লেখ্য, এর আগে গত ৫ এপ্রিল থেকে সারা দেশে নিম্ন আদালতে স্বাভাবিক বিচারকাজ বন্ধ ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট।

নিষিদ্ধের তালিকায় থাকা দেশের ডাইরেক্ট ফ্লাইট চালু করবে কুয়েত।

কুয়েতের মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে গত বৃহস্পতিবার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে প্রবাসীদের ১ লা আগস্ট থেকে কুয়েতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে ।

সূত্রের বরাত দিয়ে আল আনবা জানিয়েছে যে, বাণিজ্যিক বিমান সরাসরি কুয়েতে যাওয়া-আসা করবে।

উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলি থেকে আগত ফ্লাইটগুলিতে অনবোর্ডে থাকা যাত্রীদের অবশ্য কুয়েত অনুমোদিত ভ্যাকসিনের (ফাইজার, অ্যাস্ট্রাজেনেকা, মোদারনা এবং জনসন on জনসন) দুটি ডোজের সাথে এবং বৈধ একামা রয়েছে, এমন যাত্রীরা আসতে পারিবে ।

দৈনিক আল-আনবা জানায়, কুয়েতের সকল বিমান সংস্থাগুলি সিভিল এভিয়েশনের মহাপরিচালকের সাথে
সকল গন্তব্যে বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনার জন্য আবেদন করেছে ।

বর্তমানে প্রতিদিন ৫,০০০ যাত্রীকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং এই মুহূর্তে এটিতে কোনও পরিবর্তন হয়নি, তবে প্রতিদিনের আগত যাত্রীর সংখ্যা প্রত্যাশিত স্তরে পৌঁছায়নি।

কুয়েত সরকার একটি পরিকল্পনা করেছে যে, সকল নাগরিক ও প্রবাসিদের টিকা দেওয়া হবে, এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলির তালিকা বাতিল করা হবে।

সৌদি প্রবাসী জামাল মিয়া, কাতার প্রবাসী রফিকউদ্দিন, বাহরাইন প্রবাসী জব্বার আলী। তারা প্রত্যেকে এখন বাংলাদেশে জেলে। কিন্তু কেন?

সৌদি প্রবাসী জামাল মিয়া দেশ আসার আগে, তাকে এক লোক অফার করলো ১০টা সোনার বার সঙ্গে নিয়ে গেলেই টিকিটের টাকা দেওয়া হবে। কোন ঝামেলা নাই। লোভে পড়ে রাজি হলেন জামাল মিয়া। দেশে এসে হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে ধরা পড়ে জেলে । যে তাকে নিতে বলেছিলো, তার কিন্তু আসলে ঝামেলা হয় নাই।

কাতার প্রবাসী রফিকউদ্দিন। ফ্লাইটের ২ দিন আগে এক লোক এস বললো ভাই আমার মা অসুস্থ। ১ বক্স তার জন্য ওষুধ । ভাই আপনি শুধু বিমানবন্দরে গিয়ে আমার ভাইয়ের হাতে দিলেই হবে। নিজের মা মারা গেছে অনেক আগে। রফিকউদ্দিনের মায়া হলো। সেই বক্সটি নিয়ে ঢাকায় আসলো। বিমানবন্দরে ধরা পড়লো বক্স ভর্তি মাদক।

বাহরাইন প্রবাসী জব্বার আলী। তার বন্ধু তাকে একটা চার্জার ফ্যান দিয়েছে। ঢাকায় নিয়ে যেতে হবে। এজন্য তাকে ৫ হাজার টাকা দিতেও চেয়েছিলো তার বন্ধু। বন্ধুর একটা ফ্যানই তো, টাকা নিননি জব্বার। ঢাকায় এসে ধরা পড়লেন জব্বার। কারণ চার্জার ফ্যানের ভিতরে লুকানো ছিলো ২ কেজি সোনা।

প্রিয় প্রবাসী,

লোভ পড়ে কারণ অবৈধ মালামাল নিজের সঙ্গে বহন করবেন না।

যতই পরিচিত হোক অন্যের মালামাল বহন না করাই উত্তম। খুব কাছের কেউ হলেও নিজের চোখের সামনে পণ্যটি দেখে, যাচাই করে সঙ্গে নেবেন। মনে রাখেন, পণ্য যারই হোক, বহনকারী হিসেবে সেই পণ্যের দায় দায়িত্ব আপনার। অবৈধ পণ্য বহন করে নিজের বিপদ ঢেকে আনবেন না।

সুত্র ঃ-বাংলা_প্রবাস #Bangla_Probash

বাংলা_এভিয়েশন #Bangla_Aviation

করোনায় কুয়েতে মারা গেছে আরো ১১ জন, শনাক্ত ১,৪৯৭ এবং সুস্থ ১,৩৮৮ জন।

কুয়েতে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মারা গেছে আরো ১১ জন’ শনাক্ত হয়েছে ১,৪৯৭ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১,৩৮৮ জন।

মোট আক্রন্তের সংখ্যা ৩৩৭,৩৭১ জন । মোট মৃতের সংখ্যা ১,৮৬২ জন ।

আজকের সুস্থ হওয়া ১,৩৮৮ জনসহ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মোট ৩১৮,৪১৯ জন সুস্থ হয়েছেন, যাদের মধ্যে কুয়েতি ও প্রবাসী রয়েছে ।

আজ শনিবার রাত ৮.০০ টায় নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংএ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করে ।

কুয়েতে নিয়মিত চিকিৎসাধীন আছে ১৭,০৯০ জন। আইসিউতে আছেন ২০৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় টেস্ট করা হয়েছে ১০,৩৬৫ জনকে, সর্বমোট ২৮২৫,৪৮২ জনকে টেস্ট করা হয়েছে।

সৌদি আরবে যেতে হলে সে দেশে যাওয়ার আগেই রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে।

বাংলাদেশ থাকা অবস্থায় আপনাকে নিবন্ধন করতে হবে। মুকিম ওয়েব সাইট থেকে https://muqeem.sa/#/vaccine-registration/home রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। এ নির্দেশনা সব ধরণের ভিসাধারীদের জন্য।

আপনার ভ্যাকসিন দেওয়া থাকুক বা না থাকুক আপনাকেও রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। আপনাকে সৌদিতে গিয়ে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হলেও রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে।

ইকামাধারী (প্রবাসী কর্মী) টিকাপ্রাপ্তদের রেজিষ্ট্রেশন লিংক- https://muqeem.sa/…

ইকামাধারী (প্রবাসী কর্মী) টিকাহীনদের রেজিষ্ট্রেশন লিংক -https://muqeem.sa/…

টিকা প্রাপ্ত ভিজিটরদের রেজিষ্ট্রেশন লিংক- https://muqeem.sa/…

টিকা ছাড়া ভিজিটরদের রেজিষ্ট্রেশন লিংক- https://muqeem.sa/…

যারা বাংলাদেশ থেকে করোনা ভাইরাসের টিকা নিয়ে যাবেন সৌদি আরব, তাদের টিকার সার্টিফিকেট সৌদি স্বাস্থ মন্ত্রণালয়ের এই লিংকে https://eservices.moh.gov.sa/CoronaVaccineRegistration গিয়ে আপলোড করতে হবে।

অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্ত পাহারা দিচ্ছেন রাজা স্বয়ং!

অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পাইক-পেয়াদা সঙ্গে নিয়ে দেশের সীমান্তে এসে রাজা স্বয়ং পাহারাদারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। গল্পেই এমনটা ভালো মানায়। কিংবা বাস্তবে ঘটলেও সেটা নিশ্চয়ই প্রাচীনকালে ঘটেছে বলেই ধরে নেবেন সবাই। কিন্তু না, ঘটনাটি এই সময়ের। গত পাঁচদিন ধরে এই কাজ করে আসছেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগায়েল ওয়াংচুক।

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পরও কঠোর বিধিনিষেধের কারণে যে দেশগুলো খুব ভালো আছে, তার অন্যতম একটি হলো ভুটান। ভাইরাসটি ঠেকাতে দেশটির সরকার কতটা কঠোর, তার প্রমাণ মেলে সীমান্তে এসে রাজার এমন পাহারাদার বনে যাওয়ার মধ্য দিয়ে। সীমান্ত দিয়ে দেশে যেন করোনা নিয়ে কেউ ঢুকতে না পারে, সেজন্যই রাজার এমন উদ্যোগ।

সংক্রমণ ঠেকাতে সীমান্তে এসে রাজার পাহারা দেওয়ার ছবি টুইটারে শেয়ার করেছেন ভুটানের মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট তেনজিং লামসাং। এতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রশংসা বার্তা আসছে রাজার জন্য। পৃথিবীতে এমন রাজা হয়তো একজনই, যিনি দেশকে বাঁচাতে রাজপ্রাসাদ ছেড়ে নেমে এসেছেন অতি সাধারণ মানুষের কাতারে।

রেমিটেন্স যোদ্ধাদের অবদান” করোনাতেও রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ’

করোনা মহামারির মধ্যেও রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় (রিজার্ভ)। বর্তমানে দেশে রিজার্ভ প্রায় ৪৫ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। যা পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সবশেষ গত ১৭ই জুন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন বা প্রায় চার হাজার ৫৪৬ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ তিন লাখ ৮৬ হাজার কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে)। প্রতি মাসে ৪ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় হিসেবে মজুদ এ বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে ১১ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

দেশের সূর্যসন্তান খ্যাত রেমিটেন্স যোদ্ধাদের পাঠানো রেমিটেন্সের উপর ভর করে বাংলাদেশের অর্থনীতি বেশ মজবুত অবস্থানে রয়েছে ।

এদিকে চলতি অর্থবছরে ১৭ই জুন পর্যন্ত অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি রিজার্ভ ২৬.১৫ শতাংশ বা ৯.৪২ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরের শুরুতে অর্থাৎ ৩০ জুন যা ছিল ৩৬.০৩ বিলিয়ন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ৩রা মে দেশের রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে।
ওইদিন রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়ায় ৪৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার।

এর আগে চলতি বছরের ২৪শে ফেব্রুয়ারি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ ৪৪.০২ বিলিয়ন বা চার হাজার ৪০২ কোটি ডলার ছাড়িয়েছিল। তারও আগে ৩০শে ডিসেম্বর রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার, ১৫ই ডিসেম্বর ৪২ মিলিয়ন ডলার এবং ২৮শে অক্টোবর রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল। বাংলাদেশের রিজার্ভ প্রথম ৪০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে ২০২০ সালের অক্টোবরে। এরপর ধারাবাহিক বেড়ে গত ডিসেম্বরে ৪২ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। সুত্রঃ মানবজমিন।

মা, বাবা,বোনকে খুন করেছি, আইস্যা নিয়ে যান,

ঢাকার কদমতলী থানা এলাকায় একটি বাসা থেকে এক দম্পতি ও তাদের মেয়েসহ তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন বড় বোন মেহজাবীন মুন। মা, বাবা, ছোট বোনকে হত্যা করে ৯৯৯-এ ফোন দেন তিনি নিজেই।

একই সঙ্গে ওই পরিবারের শিশুসহ আরও দুজনকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। মেহজাবিন মুনকে আটক করে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর জামাল উদ্দিন বলেন, সকালে পুলিশের জরুরি সেবা-৯৯৯ থেকে কল পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। নিহত মাসুদ রানার বড় মেয়ে মেহজাবিন ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে নিজেই জানায় বাবা, মা ও ছোট বোনকে খুন করেছি। আমাকে আইস্যা ধইরা নিয়ে যান। পরে আমরা গিয়ে ফ্ল্যাট থেকে ৩টি মরদেহ উদ্ধার করি। প্রত্যকটি মরদেহের হাত-পা বাঁধা ছিল। তাদের গলায় শ্বাসরোধের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঠিক কি কারণে বা কিভাবে তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে তা এখনি বলা যাচ্ছেনা।

মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল জানান, তার বাসা কদমতলীর বাগান বাড়ি এলাকায়। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে স্ত্রী সন্তানসহ তিনি শশুর বাড়িতে বেড়াতে যান। রাতে তিনিসহ শশুর বাড়ির সবাইকে চা খেতে দেন মেহজাবিন। এরপরে কি হয়েছে তিনি আর কিছু বলতে পারেন না। শফিকুল পুলিশকে জানিয়েছেন তার স্ত্রীর সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির কারও সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না তিন মাস ধরে। প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি লেগে থাকতো।

পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থল থেকে বিষাক্ত কিছু প্রয়োগের আলামত পাওয়া গেছে। যাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তারা হলেন, মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমি ইসলাম (৪৫) ও মেয়ে জান্নাতুল (২১)। হাসপাতালে যে দুজনকে ভর্তি করা হয়েছে, তারা হলেন নিহত মাসুদ রানার মেয়ে মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ইসলাম (৪০) ও তাদের চার বছর বয়সী মেয়ে মারজান তাবাসসুম। সুত্রঃ মানবজমিন।

দেশে,টানা দ্বিতীয় দিনে করোনা শনাক্ত ১৮ শতাংশের বেশি।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৩ হাজার ৪৬৬ জনের।

২৪ ঘণ্টায় ১৬ হাজার ৯৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় তিন হাজার ৫৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ০২ শতাংশ।

এ নিয়ে টানা দুই দিন শনাক্ত হলো ১৮ শতাংশের বেশি।

গতকালও শনাক্তের হার ছিল ১৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এর আগের দুই দিন শনাক্তের হার ছিল যথাক্রমে ১৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং ১৬ দশমিক ৬২ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের দেয়া নিয়মিত করোনা পরিস্থিতির তথ্য বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ১৮ মার্চ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। গত বছরের শেষ দিকে করোনা ‘কিছুটা নিয়ন্ত্রণে’ এলেও চলতি বছরের শুরু থেকে পরিস্থিতি আবারও খারাপ হতে থাকে।