
কুয়েতে অনেক বিদেশী নাগরিকরা ভ্যাকসিনের ম্যাসেজ না আসায় হতাশা ব্যক্ত করেছেন ।
বিশেষ করে প্রচুর বাংলাদেশী প্রবাসী Alwatan বাংলা,কে দৈনিক ম্যাসেজ দিয়ে জানতে চায় বিষয়টি ।
কুয়েতে ২০২১ সালের শুরুতে ভ্যাকসিন তথা কোভিড-১৯ টিকা প্রদান ক্যাম্পেইন শুরু হলে ১ম দিকে বিভিন্ন অজুহাতে অনেকে নিবন্ধন করতে অনীহা প্রকাশ করে, যখন প্রচার হতে থাকে যে, টিকা না নিলে একামা নবায়ন ও দেশে আসা যাওয়া করা যাবেনা, তখনই টিকা পেতে নিবন্ধনের ধুম পড়ে ।
টিকা পাওয়ার ম্যাসেজ আসছেনা কেন?
এমন প্রশ্ন সব দেশের প্রবাসীদের, কুয়েতে টিকাদানের শুরুতে নাগরিক ও প্রবাসীদের মাঝে বেশী বয়স্কদের ১ম ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়, ।
মে মাস থেকে প্রাধান্য দেওয়া হয় স্বাস্থ্য, খাদ্য বিভাগ, সেলুন ও শপিংমলসহ গুরুত্বপুর্ণ সেক্টরকে ।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা সুত্রে জানাযায় যে, করোনার ২য় ঢেউ শুরু হলে বিশ্বব্যাপী টিকার সঙ্কট দেখা দেয়, এই অবস্তায় কুয়েতে টিকার যেসব চালান আসার কথা ছিল, তা না পাওয়ায় টিকা কর্মসুচিতে ধীর গতি পরিলক্ষিত হয়।
তবে জুন মাসের ১ম থেকে অক্সফোর্ড ও অন্যন্যা টিকা কুয়েতে আসার শুরে হলে, অক্সফোর্ড টিকার ২য় ডোজ যাদের বাকী ছিল তাদের টিকা প্রদান করা হয় এবং মিশরিফ গ্রাউন্ড ছাড়াও শেখ জাবের ব্রীজ ও সাদ আব্দুল্লায় ভ্যাকসিন সেন্টার চালু করে পুরোদমে টিকাদান কর্মসুচী শুরু করা হয় ।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ডাঃ সানাদ আব্দুল্লাহ জানান, নাগরিক ও প্রবাসী, যারা নিবন্ধনের পরও এখনো টিকার ম্যাসেজ পায়নি, তাহারা অতিসত্তর কনফর্মেশন ম্যাসেজ পাবে, তিনি যোগ করেন, সকলকে জাতীয় টিকা কর্মসুচীর আওতায় কোভিড-১৯ টিকা প্রদান করা হবে ।
বাংলাদেশী প্রবাসীরা যারা টিকা পেতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, তাদের উদ্দেশ্য ALWATAN বাংলা, এর বার্তা হচ্ছে যে, জুলাই মাসের শুরুতে পর্যায়ক্রমে সকলের নিকট টিকার ম্যাসেজ পৌছে যাবে, হতাশ হবার কোন কারণ নেই, তাই যারা নিবন্ধিত আছেন, অবশ্য টিকা পাবেন ইনশা আল্লাহ ।
আর যারা এখনো নিবন্ধন করেননি, তাহারা দ্রুত নিবন্ধন করুন ।








