ফিলিপাইনে নতুন করে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। দেশটিতে সংক্রমণের হার অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন করে কমপক্ষে ২১ হাজার ৮১৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদিকে দেশজুড়ে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ভ্যাকসিনের ওপর জোর দিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট রোদ্রিগো দুতের্তে। ভ্যাকসিন নেয়নি এমন লোকজন যদি বাড়িতে থাকার নির্দেশ অমান্য করে তবে তাদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রভাবে দেশটিতে সংক্রমণ বেড়ে গেছে। ১১ কোটির বেশি জনসংখ্যার দেশটিতে অর্ধেকের কম মানুষ এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন। দুতের্তে সতর্ক করে বলেন, আপনারা ভ্যাকসিন না নিয়ে সবাইকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছেন। এর আগে লকডাউন এবং করোনার বিধিনিষেধ অমান্যকারীদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছিলেন দুতের্তে। এছাড়া যারা ভ্যাকসিন নিতে চাইবে না তাদের জেলে ঢোকানো হবে বলেও গত বছর হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সূত্র – জাগো নিউজ
টেক জগতের অন্যতম রিসার্চ ফার্ম কাউন্টারপয়েন্ট গত বছরের তৃতীয় কোয়ার্টারের 5জি ফোনের সেল সম্পর্কে একটি নতুন রিপোর্ট পেশ করেছে। এই নতুন রিপোর্ট অনুযায়ী গত বছর অর্থাৎ 2021 সালের তৃতীয় কোয়ার্টারে Realme আন্তর্জাতিক স্তরে সবচেয়ে দ্রুত বেড়ে চলা 5G Android স্মার্টফোন ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে। রিপোর্টে আরও বলা হয় যে 5G ফোন সেলের ক্ষেত্রেও মার্কেটে উপস্থিত অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে Realme অনেকটাই এগিয়ে। উল্লেখ্য ওপ্পো, ভিভো, শাওমি, স্যামসাং ছাড়াও এই লিস্টে নাম আছে আরও অনেক কোম্পানির। মনে করিয়ে দিই Realme X50 Pro 5G ফোনটি কোম্পানির ভারতে পেশ করা প্রথম 5G স্মার্টফোন ছিল। এর চেয়েও বড় কথা হল রিয়েলমির আগে ভারতের মার্কেটে অন্য কোনো কোম্পানি 5G ফোন লঞ্চই করেনি। 2021 সালের তৃতীয় কোয়ার্টারে কোম্পানি ভারত, চীন ও ইউরোপের মত উল্লেখযোগ্য মার্কেটগুলিতে কল্পনাতীত উন্নতি করেছে।
আগেই বলা হয়েছে কাউন্টারপয়েন্টের রিপোর্ট থেকে জানা গেছে গত বছরের তৃতীয় কোয়ার্টারে রিয়েলমি সবচেয়ে দ্রুতগতিতে বেড়ে ওঠা 5জি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্র্যান্ডের স্থান দখল করেছে। বার্ষিক হিসেবে এই চাইনিজ স্মার্টফোন প্রস্ততকারী ব্র্যান্ডের সেল 831 শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে অন্যান্য মার্কেটে গড়ে সেল বৃদ্ধি পেয়েছে 121 শতাংশ। এর মধ্যে ভারত, চীন ও ইউরোপের মার্কেট রয়েছে সবচেয়ে ওপরে।
রিয়েলমির সিইও এবং ফাউন্ডার Sky Li এবিষয়ে তাঁর বক্তব্যে জানিয়েছেন, গোটা বিশ্বে 10 কোটি তরুণদের 5G স্মার্টফোনের মধ্য দিয়ে 5G টেকনোলজির আওতার মধ্যে নিয়ে আসাই কোম্পানির মূল লক্ষ্য। প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি, বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে বিশ্বের সমস্ত অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন প্রস্ততকারী কোম্পানিগুলির মধ্যে পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে।
রিয়েলমি ছাড়াও ওপ্পোর 5জি স্মার্টফোনের সেল বৃদ্ধি পেয়েছে 165 শতাংশ। এরপর আছে ভিভো, যাদের সেল বৃদ্ধি পেয়েছে 147 শতাংশ। একইভাবে শাওমির সেল বৃদ্ধি পেয়েছে 134 শতাংশ। ফলে জনপ্রিয় চাইনিজ টেক কোম্পানি প্রথম তিনের মধ্যেও স্থান পায়নি, কোম্পানি রয়েছে চতুর্থ স্থানে। স্যামসাং 5জি স্মার্টফোন সেলে 70 শতাংশ সেল বৃদ্ধির সঙ্গে টপ ফাইভে রয়েছে। এছাড়া লিস্টের ষষ্ঠ স্থানে থাকা HONOR কোম্পানির সেল 11 শতাংশ বৃদ্ধি পেতে দেখা গেছে।
ভারতে বুল্লি বাই নামের একটি অ্যাপের মাধ্যমে শতাধিক মুসলিম নারীকে ‘নিলামে’ বিক্রির ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীর পরিচয় জানা গেছে। নীরাজ বিষ্ণোই নামে এক তরুণ এই ঘটনার মূল হোতা বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাকে আসাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশ বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।
ইন্টেলিজেন্স ফিউশন অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক অপারেশন (আএফএসও) ইউনিটের ডেপুটি কমিশনার কে পি এস মালহোত্রা বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের আইএফএসও টিম আসাম থেকে নীরাজ বিষ্ণোই নামে এক তরুণকে গ্রেফতার করেন। নীরাজ গিটহাবের বুলি বাই অ্যাপের প্রধান পরিকল্পনাকারী। তিনই অ্যাপটি তৈরি করেছেন। অ্যাপটির প্রধান টুইটার অ্যাকাউন্টও তিনিই চালাতেন।
পুলিশ জানায়, ২১ বছর বয়সী নীরাজ মধ্যপ্রদেশের ভোপালের একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউটের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। আসামের নিজবাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকালে তাকে দিল্লিতে আনা হয়। এ নিয়ে এই ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করা হলো বলে এনডিটিভি জানিয়েছে।
এদিকে, গিটহ্যাব প্ল্যাটফর্মের বুল্লি বাই অ্যাপ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হওয়ার পর সেটি সরিয়ে নেওয়া হয়।
ওই অ্যাপে বিনা অনুমতিতেই ভারতের কয়েকজন প্রসিদ্ধ মুসলিম নারী সংবাদিক ও আন্দোলনকর্মীর ছবি ব্যবহার করে তাদের ‘বিক্রির’ জন্য ভুয়া নিলামে তোলা হয়েছে।
ভারতে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার অ্যাপের মাধ্যমে মুসলিম নারীদের ‘বিক্রির জন্য নিলামে’ তোলা হয়েছে বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
গত বছরের জুলাইতে ‘শালি ডিলস’ নামে একটি অ্যাপে অন্তত ৮৩ জন মুসলিম নারীর ছবি দিয়ে তাদের ‘বিক্রির আয়োজন’ করা করা হয়েছিল। ওই অ্যাপে ও ওয়েবসাইটে নারীদের বিশেষায়িত করা হয়েছিল ‘ডিলস অফ দ্য ডে’ বলে। বুল্লি বাই ‘শালি ডিলস’ অ্যাপের ক্লোন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বলার অপেক্ষা রাখে না উভয় অ্যাপেই সত্যিকারের কেনাবেচার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। বরং মুসলিম নারীদের হেয় ও অপমান করাই ছিল ওই অ্যাপগুলো উদ্দেশ্য।
‘শালি ডিলস’ অ্যাপের মাধ্যমে মুসলিম নারীদের ‘বিক্রির’ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও সে সময় কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়নি বলে জানিয়েছিল পুলিশ।
করোনা মহামারির মধ্যে দেড় বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ থেকে আবার জনশক্তি নেওয়া শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। ঢাকায় কোরিয়ার দূতাবাস থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল বুধবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটে কোরিয়ার একটি এয়ারলাইন্সের চার্টার্ড ফ্লাইটে ৯২ জন বাংলাদেশি শ্রমিক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কোরিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। এ নিয়ে গত দুই মাসে ২০৩ জন বাংলাদেশি শ্রমিক দেশটিতে গেলেন। মহামারির কারণে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে কোরিয়ায় প্রবাসী কর্মী যাওয়া বন্ধ ছিল। গত ডিসেম্বরে দেশটির সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর সেই মাসেই ১১১ জন বাংলাদেশি শ্রমিক কোরিয়ায় যান। আজ যে ৯২ জন গেলেন তাদের মধ্যে ৪৪ জন নতুন নিয়োগ পাওয়া। অন্যরা মহামারির মধ্যে দেশে এসে আটকে ছিলেন। এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (ইপিএস) এর আওতায় বাংলাদেশসহ ১৬টি দেশ থেকে স্বল্প ও মধ্যম দক্ষ শ্রমিক নিচ্ছে কোরিয়া। কিন্তু মহামারিতে এই প্রক্রিয়ায় শ্রমিক নেওয়া বন্ধ রেখেছিল পূর্ব এশিয়ার দেশটি। শ্রমিক প্রেরণকারী দেশগুলোর সরকার ও নিয়োগদাতাদের অব্যাহত অনুরোধের মুখে গত নভেম্বর মাসে কোরিয়া সরকার পর্যায়ক্রমে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে শ্রমিকদের কোরিয়া যেতে কঠোরভাবে কোয়ারেন্টিনসহ কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষার অন্যান্য শর্ত মানতে হবে। সূত্র – প্রথম আলো করোনা মহামারির মধ্যে দেড় বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ থেকে আবার জনশক্তি নেওয়া শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। ঢাকায় কোরিয়ার দূতাবাস থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল বুধবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটে কোরিয়ার একটি এয়ারলাইন্সের চার্টার্ড ফ্লাইটে ৯২ জন বাংলাদেশি শ্রমিক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কোরিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। এ নিয়ে গত দুই মাসে ২০৩ জন বাংলাদেশি শ্রমিক দেশটিতে গেলেন। মহামারির কারণে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে কোরিয়ায় প্রবাসী কর্মী যাওয়া বন্ধ ছিল। গত ডিসেম্বরে দেশটির সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর সেই মাসেই ১১১ জন বাংলাদেশি শ্রমিক কোরিয়ায় যান। আজ যে ৯২ জন গেলেন তাদের মধ্যে ৪৪ জন নতুন নিয়োগ পাওয়া। অন্যরা মহামারির মধ্যে দেশে এসে আটকে ছিলেন। এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (ইপিএস) এর আওতায় বাংলাদেশসহ ১৬টি দেশ থেকে স্বল্প ও মধ্যম দক্ষ শ্রমিক নিচ্ছে কোরিয়া। কিন্তু মহামারিতে এই প্রক্রিয়ায় শ্রমিক নেওয়া বন্ধ রেখেছিল পূর্ব এশিয়ার দেশটি। শ্রমিক প্রেরণকারী দেশগুলোর সরকার ও নিয়োগদাতাদের অব্যাহত অনুরোধের মুখে গত নভেম্বর মাসে কোরিয়া সরকার পর্যায়ক্রমে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে শ্রমিকদের কোরিয়া যেতে কঠোরভাবে কোয়ারেন্টিনসহ কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষার অন্যান্য শর্ত মানতে হবে। সূত্র – প্রথম আলো করোনা মহামারির মধ্যে দেড় বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ থেকে আবার জনশক্তি নেওয়া শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। ঢাকায় কোরিয়ার দূতাবাস থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল বুধবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটে কোরিয়ার একটি এয়ারলাইন্সের চার্টার্ড ফ্লাইটে ৯২ জন বাংলাদেশি শ্রমিক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কোরিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। এ নিয়ে গত দুই মাসে ২০৩ জন বাংলাদেশি শ্রমিক দেশটিতে গেলেন। মহামারির কারণে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে কোরিয়ায় প্রবাসী কর্মী যাওয়া বন্ধ ছিল। গত ডিসেম্বরে দেশটির সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর সেই মাসেই ১১১ জন বাংলাদেশি শ্রমিক কোরিয়ায় যান। আজ যে ৯২ জন গেলেন তাদের মধ্যে ৪৪ জন নতুন নিয়োগ পাওয়া। অন্যরা মহামারির মধ্যে দেশে এসে আটকে ছিলেন। এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (ইপিএস) এর আওতায় বাংলাদেশসহ ১৬টি দেশ থেকে স্বল্প ও মধ্যম দক্ষ শ্রমিক নিচ্ছে কোরিয়া। কিন্তু মহামারিতে এই প্রক্রিয়ায় শ্রমিক নেওয়া বন্ধ রেখেছিল পূর্ব এশিয়ার দেশটি। শ্রমিক প্রেরণকারী দেশগুলোর সরকার ও নিয়োগদাতাদের অব্যাহত অনুরোধের মুখে গত নভেম্বর মাসে কোরিয়া সরকার পর্যায়ক্রমে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে শ্রমিকদের কোরিয়া যেতে কঠোরভাবে কোয়ারেন্টিনসহ কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষার অন্যান্য শর্ত মানতে হবে। সূত্র – প্রথম আলো করোনা মহামারির মধ্যে দেড় বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ থেকে আবার জনশক্তি নেওয়া শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। ঢাকায় কোরিয়ার দূতাবাস থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল বুধবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটে কোরিয়ার একটি এয়ারলাইন্সের চার্টার্ড ফ্লাইটে ৯২ জন বাংলাদেশি শ্রমিক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কোরিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। এ নিয়ে গত দুই মাসে ২০৩ জন বাংলাদেশি শ্রমিক দেশটিতে গেলেন। মহামারির কারণে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে কোরিয়ায় প্রবাসী কর্মী যাওয়া বন্ধ ছিল। গত ডিসেম্বরে দেশটির সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর সেই মাসেই ১১১ জন বাংলাদেশি শ্রমিক কোরিয়ায় যান। আজ যে ৯২ জন গেলেন তাদের মধ্যে ৪৪ জন নতুন নিয়োগ পাওয়া। অন্যরা মহামারির মধ্যে দেশে এসে আটকে ছিলেন। এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (ইপিএস) এর আওতায় বাংলাদেশসহ ১৬টি দেশ থেকে স্বল্প ও মধ্যম দক্ষ শ্রমিক নিচ্ছে কোরিয়া। কিন্তু মহামারিতে এই প্রক্রিয়ায় শ্রমিক নেওয়া বন্ধ রেখেছিল পূর্ব এশিয়ার দেশটি। শ্রমিক প্রেরণকারী দেশগুলোর সরকার ও নিয়োগদাতাদের অব্যাহত অনুরোধের মুখে গত নভেম্বর মাসে কোরিয়া সরকার পর্যায়ক্রমে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে শ্রমিকদের কোরিয়া যেতে কঠোরভাবে কোয়ারেন্টিনসহ কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষার অন্যান্য শর্ত মানতে হবে। সূত্র – প্রথম আলো
পুলিশ বলছে, উত্তর নাইজারের একটি মরুভূমিতে একজন স্থানীয় মেয়র ও তার চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের গাড়িতে ২০০ কেজিরও বেশি (৪৪০ পাউন্ড) কোকেন রয়েছে।
মালি থেকে মাদক পাচারের পর লিবিয়ায় মাদক নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো বলে অভিযোগ করা হয়েছে। নাইজারের ড্রাগ পুলিশিং এজেন্সি জানিয়েছে যে এটি পশ্চিম আফ্রিকার দেশটিতে বাজেয়াপ্ত করা কোকেনের সর্বাধিক পরিমাণ। এই অঞ্চলে মাদক চোরাচালান এবং পুলিশের জব্দের ঘটনাগুলো সাধারণ হয়ে উঠছে। নাইজারের অবৈধ মাদক পাচার দমনের কেন্দ্রীয় অফিস (ওআরটিআইএস) বলেছে যে পুলিশ দেশটির মধ্য দিয়ে লিবিয়ার দিকে বিপুল পরিমাণ কোকেন পরিবহনের বিষয়ে অবগত ছিল এবং তারা এই পথ অনুসরণ করছিল। পুলিশ জানায় মাদকদ্রব্য ইউরোপের দিকে যাচ্ছিল, যার আনুমানিক মূল্য ছিল প্রায় ১৯ মিলিয়ন ডলার (£১৪ মিলিয়ন)। মেয়র এবং তার চালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নাইজারের রাজধানী নিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়। সূত্র – বিবিসি নিউজ
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফিনিশ নাগরিক ড. মজিবুর দফতরি সম্প্রতি ফিনল্যান্ডের গ্রিন পার্টির অভিবাসন নীতি বিষয়ক বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
এ ওয়ার্কিং কমিটি গ্রিন পার্টির ডেলিগেট, সংসদীয় কমিটি, মন্ত্রিপরিষদ কমিটি, পার্টির নির্বাহী কমিটি এবং নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের অভিবাসন নীতি প্রণয়নে সহায়তা করবে।
ড. মজিবুর ২০২১ সালের জুনে হেলসিংকি সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে গ্রিন পার্টি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন। তিনি বর্তমানে হেলসিংকি সিটি কাউন্সিলের বৈষম্যবিরোধী ও সমতা বিষয়ক ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি সম্প্রতি গ্রিন পার্টির রাজধানী হেলসিংকি শাখার নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। গ্রিন পার্টি ফিনল্যান্ডের সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতৃত্বে ৫ দলীয় ক্ষমতাসীন জোটের অন্যতম শরিক দল।
২০১৮ সালে তিনি লন্ডনভিত্তিক লেখক ও সাংবাদিকদের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার আন্তর্জাতিক সংগঠন পেন ইন্টারন্যাশনালের বিশেষ আমন্ত্রিত গবেষক হিসেবে এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার ওপর কাজ করেছেন।
ড. মজিবুর পেন ফিনল্যান্ডের ট্রাস্টি এবং সংগঠনটির রাইটার্স এট রিস্ক ও রাইটার্স ফর পিস কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি ইউক্রেন, ভারত এবং নরওয়েতে অনুষ্ঠিত পেন ইন্টারন্যাশনালের বার্ষিক কংগ্রেস এবং আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে পেন ফিনল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
তিনি হিউম্যানিসট অ্যাসোসিয়েসন অব ফিনল্যান্ডের ট্রাস্টি। ১৯৯০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করা ড. মজিবুর দফতরি বর্তমানে লন্ডনভিত্তিক টিভি চ্যানেল ব্রিটিশ বাংলা নিউজ টিভি টকশোর একজন জনপ্রিয় হোসট এবং ইউরো বাংলা প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা।
দক্ষিণ আফ্রিকায় আবারও এক বাংলাদেশিকে হত্যা করা হয়েছে। রোববার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় দেশটির ফ্রি স্টেট প্রদেশের ব্লুমফন্টেইনে রাকিবুল ইসলামকে হত্যা করা হয়।
জানা যায়, সন্ত্রাসীরা এ বাংলাদেশিকে তার নিজ দোকান থেকে তুলে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে। পরে তার মরদেহ রাস্তার পাশে ফেলে যায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাকিব নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা জানান, সম্প্রতি রাকিব নিখোঁজ হন। বিষয়টি পুলিশকে জানালে তদন্ত শুরু করে। পরে পুলিশ এ বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশি এই রেমিটেন্সযোদ্ধাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বলে জানিয়েছেন কমিউনিটি নেতা আব্দুল মজিদ প্রান্তিক।
গত কয়েক মাস থেকে প্রদেশটির ইস্ট লন্ডনসহ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে আশঙ্কাজনকহারে চুরি-ডাকাতি বেড়েছে। রবিউলকে হত্যার পাশাপাশি একই গ্রামে বাংলাদেশি মালিকানাধীন আরও দুইটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ডাকাতি করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
কানাডায় মহামারি করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন দিন দিন বেড়েই চলেছে। দেশটির বিভিন্ন প্রদেশে নতুন এ ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হচ্ছে। এরমধ্যে গত কয়েকদিনে অন্যান্য প্রদেশের তুলনায় আলবার্টা প্রদেশে রেকর্ড সংখ্যক চার হাজার ৭৫২ জন নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন। আলবার্টা হেলথের চিফ মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. ডিনা হিনশ সবশেষ স্বাস্থ্য বুলেটিনে জানিয়েছেন, আলবার্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৪৭০ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এরমধ্যে ৭২ জন আইসিইউতে। আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘন্টায় প্রদেশটিতে ১১ জন মারা গেছেন। সংক্রমণ বাড়ায় কানাডার বিভিন্ন প্রদেশে নতুন করে জনমনে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। ওমিক্রণ মোকাবিলার সতর্কতা হিসেবে এরইমধ্যে প্রদেশের কর্মকর্তারা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। কানাডার সর্বাপেক্ষা জনবহুল ও বাণিজ্যিক প্রদেশ অন্টারিওতে গত বুধবার (৫ জানুয়ারি) থেকে দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রেস্তোরাঁ। বারগুলোতে ইনডোর ডাইনিং, জিম, অ-জরুরি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও বন্ধ রয়েছে।
বুধবার একদিনে রেকর্ড সংখ্যক করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে দেশটিতে। এরমধ্যে আলবার্টা, অন্টারিও, কুইবেক ও ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো নাগরিকদের সতর্ক করে বলেছেন, কোথাও যাওয়ার সময় এটা নয়। ভ্রমণ সংশ্লিষ্ট সংক্রমণ ঠেকাতে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী জিন ইভেস ডুকলোস বলেছেন, ফেডারেল সরকার ভ্রমণ নির্দেশিকা পরিবর্তনের কথা ভাবছে। সূত্র – জাগো নিউজ
ভারতে করোনার ‘উদ্বেগজনক’ ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনে আক্রান্ত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। দেশটিতে এই প্রথম ওমিক্রনে আক্রান্ত কারো মৃত্যু হলো বলে সরকারি সূত্র নিশ্চিত করেছে। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
৭৩ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি রাজস্থানের উদয়পুরের লক্ষ্মীনারায়ণ নগররের বাসিন্দা বলে এনডিটিভি জানিয়েছে।
গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর ওই ব্যক্তির শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। এরপর থেকে তিনি হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। ওই ব্যক্তির ডায়বেটিকস, উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা ছিল। ২১ ডিসেম্বর তার করোনা নেগেটিভ ধরা পড়ে। এরপর তার নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ে পাঠানো হয়। তিনি করোনার দুটি টিকাও নিয়েছিলেন। এমনটি তিনি উল্লেখযোগ্য কোথাও ভ্রমণ কিংবা সংশ্লিষ্ট কারো সংস্পর্শেও আসেননি।
২৫ ডিসেম্বর জিনোম সিকোয়েন্সিংয়েন ফল পাওয়ার পর তার শরীরে ওমিক্রনের উপস্থিতি পাওয়া যায়। এর ছয়দিন পর ৩১ ডিসেম্বর স্থানীয় সময় রাত সাড়ে তিনটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
ভারতে এ পর্যন্ত দুই হাজার ১৩৫ জনের শরীরে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। সবচেয়ে বেশি ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে মহারাষ্ট্রে। সেখানে ৬৫৩ জনের শরীরে এই ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে।
ভারতে ঝড়ের গতিতে বাড়ছে করোনার দৈনিক সংক্রমণ। এক লাফে দেশটিতে প্রায় ৫৫ শতাংশ বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ।
ভারতে মঙ্গলবার দৈনিক সংক্রমণ ছিল ৩৭ হাজার ৩৭৯। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় তা ২১ হাজারেরও বেশি বেড়েছে।
বুধবার দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৫৮ হাজার ৯৭ জন। মৃত্যুর সংখ্যা মঙ্গলবারের তুলনায় প্রায় চারগুণ বেড়েছে।
বাংলাদেশ সীমান্তে গত কয়েক বছরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি দাবি করেছে, ২০১৫ সাল থেকে সীমান্তে বিএসএফের প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহারে তেমন হেরফের ঘটেনি। তবে বাংলাদেশ সীমান্তে গত বছর ২৪৪ বার গুলি চালিয়েছে বিএসএফ। একইভাবে প্রাণঘাতী নয় এমন পাম্প অ্যাকশন বা প্যালেট বন্দুকের ব্যবহারও করেছে তারা। সাধারণত বিএসএফ আন্তঃসীমান্ত অপরাধীদের আটকাতে এই প্যালেট বন্দুক ব্যবহার করে। ফলে এ সময়ে কমেছে গরু পাচারের মতো ঘটনা। বিশেষ করে গরু পাচার ঠেকাতে বিএসএফ এনজিওগুলোর সঙ্গে মিলে কাজ করছে।
খবরে বলা হয়, সীমান্তে ২০২১ সালে মাত্র ২০ হাজার ৪১৫টি গরু জব্দ করা হয়। যেখানে ২০১৫ সালে জব্দ করা হয়েছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার ৬০২টি। এ ক্ষেত্রে ২০১৮ সাল ছিল টার্নিং পয়েন্ট। ওই বছর গরু চোরাচালান আগের বছরের প্রায় অর্ধেকে চলে আসে। এ ছাড়া অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রুখতে গত বছর বাংলাদেশ সীমান্তে ২৪৪ বার গুলি চালায় বিএসএফ। এর আগে ২০১৫ সালে ছিল ২১৯ বার এবং ২০১৬ সালে সর্বোচ্চ ৩৫৫ বার গুলি চালানো হয়েছিল। তবে ২০১৭ ও ১৮ সালে গুলির ঘটনা কিছুটা কমে। এ দুই বছর সীমান্তে বিএসএফ গুলি চালিয়েছিল যথাক্রমে ১৩৯ ও ৭৭টি।
বাংলাদেশ সীমান্তে গত কয়েক বছরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি দাবি করেছে, ২০১৫ সাল থেকে সীমান্তে বিএসএফের প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহারে তেমন হেরফের ঘটেনি।
তবে বাংলাদেশ সীমান্তে গত বছর ২৪৪ বার গুলি চালিয়েছে বিএসএফ। একইভাবে প্রাণঘাতী নয় এমন পাম্প অ্যাকশন বা প্যালেট বন্দুকের ব্যবহারও করেছে তারা। সাধারণত বিএসএফ আন্তঃসীমান্ত অপরাধীদের আটকাতে এই প্যালেট বন্দুক ব্যবহার করে। ফলে এ সময়ে কমেছে গরু পাচারের মতো ঘটনা। বিশেষ করে গরু পাচার ঠেকাতে বিএসএফ এনজিওগুলোর সঙ্গে মিলে কাজ করছে।
খবরে বলা হয়, সীমান্তে ২০২১ সালে ২০ হাজার ৪১৫টি গরু জব্দ করা হয়। যেখানে ২০১৫ সালে জব্দ করা হয়েছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার ৬০২টি। এ ক্ষেত্রে ২০১৮ সাল ছিল টার্নিং পয়েন্ট। ওই বছর গরু চোরাচালান আগের বছরের প্রায়
অর্ধেকে চলে আসে। এ ছাড়া অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রুখতে গত বছর বাংলাদেশ সীমান্তে ২৪৪ বার গুলি চালায় বিএসএফ। এর আগে ২০১৫ সালে ছিল ২১৯ বার এবং ২০১৬ সালে সর্বোচ্চ ৩৫৫ বার গুলি চালানো হয়েছিল। তবে ২০১৭ ও ১৮ সালে গুলির ঘটনা কিছুটা কমে। এ দুই বছর সীমান্তে বিএসএফ গুলি চালিয়েছিল যথাক্রমে ১৩৯ ও ৭৭টি।