ক্যাটাগরি Uncategorized

কানাডায় ‘পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে’ ট্রাক উঠিয়ে দিয়ে একটি মুসলিম পরিবারের চারজনকে হত্যা করা হয়েছে।

কানাডায় ‘পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে’ ট্রাক উঠিয়ে দিয়ে একটি মুসলিম পরিবারের চারজনকে হত্যা করা হয়েছে।

অন্টারিও প্রদেশের লন্ডন শহরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ বলছে।

সে পরিবারের নয় বছর বয়সী এক শিশু হামলায় বেঁচে গেছে। আহত অবস্থায় একটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।

এই ঘটনায় ২০ বছর বয়সী একজন কানাডিয়ান ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরে কানাডায় মুসলিমদের উপর একটি সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হামলা।

২০১৭ সালে কুইবেক শহরের মসজিদে এক হামলায় ছয়জনকে হত্যা করা হয়েছিল।

পুলিশ বলছে ধারণা করা হচ্ছে, যারা মারা গেছেন তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে এই হামলা করা হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে দুইজন নারী রয়েছেন। তাদের একজনের বয়স ৭৪ বছর এবং অপরজনের বয়স ৪৬ বছর। এছাড়া নিহতদের মধ্যে ১৫ বছর বয়সী একটি মেয়ে এবং ৪৬ বছর বয়সী একজন পুরুষ রয়েছেন।

এই হামলায় অভিযুক্ত ২০ বছর বয়সী কানাডিয়ান এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে একটি শপিং সেন্টার থেকে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশ বলছে, অভিযুক্ত যুবক কোন মুসলিম বিদ্বেষী গ্রুপের সাথে সম্পৃক্ত কি না সেটি এখনো পরিষ্কার নয়।

এই ঘটনার পর কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, এই ঘটনায় তিনি আতঙ্কিত হয়েছেন।

যারা এই ঘটনার শিকার হয়েছে তাদের পরিবারের সাথে তিনি আছেন বলে উল্লেখ করেন মি. ট্রুডো।
সুত্র: বিবিসি।

দেশে করোনায় মৃত্যু-শনাক্ত অনেক বেড়েছে।

বিশ্বব্যাপী তাণ্ডব চালানো মহামারি করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৪৪ জন। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৯১৩ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা পজিটিভ হয়েছেন আরও ২ হাজার ৩২২ জন। এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লাখ ১৫ হাজার ২৮২ জন।

মঙ্গলবার (০৮ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৬২ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৫৫ হাজার ৩০২ জন। এদিন মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১৯ হাজার ১৬৫ জনের। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১২ দশমিক ১২ শতাংশ।এর আগে সোমবার (০৭ জুন) দেশে করোনায় ৩০ জনের মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এছাড়া ১ হাজার ৯৭০ জনের করোনা শনাক্তের কথাও জানানো হয়। 

এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার (০৮ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে মারা গেছেন আরও ৭ হাজার ৮৮৫ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ১০ হাজার ৭৯৫। এ নিয়ে বিশ্বে এখন পর্যন্ত মোট করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৭ লাখ ৫১ হাজার ৮৯৩ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ কোটি ৪৩ লাখ ৭০ হাজার ৩২৫ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৫ কোটি ৭৬ লাখ ২০ হাজার ২৯২ জন। করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৪২ লাখ ২৭ হাজার ২৩৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ১২ হাজার ৭০১ জনের।আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত মোট সংক্রমিত হয়েছেন ২ কোটি ৮৯ লাখ ৯৬ হাজার ৯৪৯ জন এবং এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৫১ হাজার ৩৪৪ জনের।আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় এক কোটি ৬৯ লাখ ৮৫ হাজার ৮১২ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৬১৪ জনের।আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৭ লাখ ১৩ হাজার ৯১৭ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছেন এক লাখ ১০ হাজার ৬২ জন।এ তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে তুরস্ক। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৫২ লাখ ৯৩ হাজার ৬২৭ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪৮ হাজার ২৫৫০জন।এদিকে আক্রান্তের তালিকায় রাশিয়া ষষ্ঠ, যুক্তরাজ্য সপ্তম, ইতালি অষ্টম, আর্জেন্টিনা নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে রয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের অবস্থান ৩২তম।২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।

স্বল্প খরচে ইউএস-বাংলার ভ্রমণ প্যাকেজ।

যাত্রীদের ভ্রমণকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে দেশের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন গন্তব্যে ন্যূনতম খরচে আকর্ষণীয় হলিডে প্যাকেজ দিচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স দেশীয় পর্যটকদের ভ্রমণকে আকর্ষণীয় করার জন্য কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সিলেটে ও বরিশালে দিয়েছে হলিডে প্যাকেজ। পাহাড় আর সমুদ্রের অপূর্ব সৌন্দর্য্য একসঙ্গে উপভোগ করার জন্য কক্সবাজারের প্রায় সব আন্তর্জাতিক মানের পাঁচ তারকা হোটেলে দুই রাত তিন দিন থাকা, ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা এয়ার টিকিট, এয়ারপোর্ট-হোটেল-এয়ারপোর্ট যাতায়াত, সকালের নাস্তাসহ আরও নানাবিধ সুবিধা রয়েছে ট্যুর প্যাকেজে।

সিলেটে ইউএস-বাংলা দিচ্ছে মনোরম লোকেশনে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় হলিডে প্যাকেজ। সিলেটে দুই রাত তিন দিনের প্যাকেজ দিচ্ছে ইউএস-বাংলা। এছাড়া বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম ও বাংলাদেশের অন্যতম নদীবন্দর বরিশালে ভ্রমণের জন্য ইউএস-বাংলা দুই রাত তিনদিনের হলিডে প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। আপনার পছন্দের আন্তর্জাতিক মানের হোটেল ও রিসোর্টে থাকার সুবিধা, রিটার্ন এয়ার টিকিট, এয়ারপোর্ট-হোটেল-এয়ারপোর্ট যাতায়াত, ব্রেকফাস্টসহ নানাবিধ হোটেল সার্ভিসের ওপর আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট সুবিধা রয়েছে প্যাকেজের মধ্যে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স পর্যটকদের সুবিধার্থে বিনা সুদে ৬ মাসের ইএমআই সুবিধাও দিচ্ছে। ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স করপোরেট চুক্তিতে আবদ্ধ রয়েছে। হলিডে প্যাকেজগুলো আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স অভ্যন্তরীণ রুটে ঢাকা থেকে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সিলেট, যশোর, সৈয়দপুর, বরিশাল ও রাজশাহী রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক গন্তব্য মাস্কাট, দোহা, গুয়াংজু রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

তবে করোনা মহামারির কারণে সরকারি সিদ্ধান্তে কলকাতা, চেন্নাই, সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর, ব্যাংকক ও দুবাই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে।

ইউএস-বাংলার হলিডেজ প্যাকেজ সংক্রান্ত যে কোনো তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন। ০১৭৭৭৭৭৭৮৮১-৮৮৩ অথবা হটলাইন ১৩৬০৫ অথবা ০৯৬৬৬৭১৩৬০৫ নম্বরে যোগাযোগ করে আজই আপনার ট্রাভেল প্যাকেজ গ্রহণ করুন।

কুয়েত সিভিল আইডি কার্ড বা ‘স্মার্ট কার্ডের সংকট দেখা দেওয়ায় বিলম্ব হচ্ছে!!

কুয়েত সিটি,৮ জুন: পাবলিক অথরিটি ফর সিভিল ইনফরমেশন (পিএসিআই) নাগরিক ও বাসিন্দাদের উভয়কেই নতুন সিভিল কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে সংকট দেখা দিয়েছে। এটি পিএসিআই কর্তৃক চুক্তিবদ্ধ ডেলিভারি সংস্থার কার্ড প্রাপ্তিতে বিলম্বের পাশাপাশি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কার্ডের সংখ্যা হ্রাসের কারণে এই সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানান দৈনিক আল-কাবাস।

বিভিন্ন স্থানে লেনদেন সম্পূর্ণ করতে এবং তাদের পরিচয় প্রমাণের জন্য অনেকেই ২০২০ সালের এপ্রিলে চালু হওয়ায়( My Identity” app)”আমার পরিচয় ” অ্যাপটির আশ্রয় নিয়েছিলেন, দৈনিকটি উল্লেখ করেন যে সিভিল আইডি সরবরাহের জন্য দায়িত্ব নেওয়া সংস্থাটি সীমিত সংখ্যক কার্ড
প্রস্তুতের কারণে তাদের অর্ধেক প্রতিনিধি ছাঁটাই করতে বাধ্য হয়েছিল। প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থতা এবং গ্রাহকের সিভিল আইডি কার্ড বিতরণে বিলম্বের ফলেও বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে যদিও পরবর্তীকালে ডেলিভারি ফি ফিরিয়ে দেয়া হয়েছিল। দেশের বিভিন্ন এলাকায় জুড়ে ৭০ জন প্রতিনিধি দ্বারা প্রতিদিন প্রায় ৪,০০০ কার্ড বিতরণের গড় হার ছিল।

সংস্থাটির বর্তমানে এই সংখ্যক প্রতিনিধি প্রয়োজন নেই এবং পরিবর্তে সমস্ত এলাকায় অল্প সংখ্যক প্রতিনিধি কর্মরত রয়েছে। কিছু প্রস্তুত কার্ড রয়েছে যা বিতরণের অনুরোধ করা হয়েছিল, ৪৮ ঘন্টার মধ্যে তবে, তা ১৪ দিনেরও বেশি সময় কেটে গেছে সেগুলি বিতরন করা হয়নি!

বিগত সময়কালে কার্ড প্রদান এবং গৃহকর্মী, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু এবং আর্টিকেল নং ১৭ কার্ডের ভিড় বন্ধ করার বিষয়ে পিসিআইয়ের সাফল্য সত্ত্বেও, স্বল্প উৎপাদনের কারণে পরিস্থিতি আবারও ভিড়ের ক্ষেত্রে পিছিয়ে গিয়েছে এবং কার্ড ইস্যু করার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

এই প্রসঙ্গে, স্টেট অডিট ব্যুরো ২২ শে এপ্রিল স্মার্ট সিভিল আইডি কার্ড ফর্ম এবং প্যাকেজিং কিনতে তিন বছর মেয়াদে ১৬ মিলিয়ন এবং ৭৬২ হাজারের স্থানীয় কোম্পানির সাথে চুক্তির প্যাকের অনুরোধটি অনুমোদন করেছেন।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, “আমার পরিচয়” অ্যাপ্লিকেশনটির মাধ্যমে অনেক লোক প্লাস্টিকের সিভিল কার্ড দিয়ে কাজ করে এবং এই অ্যাপ্লিকেশনটির সাথে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে যা সরকারী সংস্থা এবং ব্যাংকগুলি স্বীকৃতি দিয়েছে। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের যারা অ্যাপ্লিকেশনটির আওতাভুক্ত নয় তাদের সিভিল আইডি কার্ডের বিষয়ে সমস্যা অব্যাহত রয়েছে।

📌নিউজ লিংক নিচে দেওয়া হয়েছে….

✍️ Collected, Translated and posted by Nahar Hoque

https://www.facebook.com/naharhoqu/

📌 নিউজ লিংক
https://www.facebook.com/185411171491289/posts/4409944805704550/

কুয়েত মোদার্না এবং জনসন অ্যান্ড জনসন ভ্যাকসিনের জন্য চুক্তি করেছেন!

কুয়েত সিটি, ৭ জুন, (কুনা): কুয়েত মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থাগুলির মোদার্না এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের সাথে তাদের করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন সরবরাহের জন্য চুক্তি করেছেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডঃ শেখ বাসেল আল-সাবাহ রবিবার জানিয়েছেন। কুয়েত টিভির সাথে একটি সাক্ষাৎকারে ডঃ বাসেল চলতি বছরের শেষ দিকে মোদারনা এবং জনসন অ্যান্ড জনসন ভ্যাকসিন সরবরাহের প্রত্যাশা করেছেন। কিছু উৎপাদকের কাছ থেকে ভ্যাকসিন ডোজ সরবরাহের ক্ষেত্রে বিলম্বের বিষয়ে মন্তব্য করে মন্ত্রী যুক্তি দিয়েছিলেন যে উৎপাদিত ভ্যাকসিনগুলির প্রায় ৭৫ শতাংশই দশটি দেশে দেওয়া হয়, আর অবশিষ্টাংশ অন্যান্য বিশ্বের দেশগুলিতে যায়।

তিনি আরও বলেছিলেন যে ভ্যাকসিন গ্রহণে বিলম্ব হওয়া কেবল কুয়েত নয়, সমস্ত উপসাগরীয় এবং অন্যান্য অনেক দেশ এর সমস্যাঊ মুখোমুখি হচ্ছে।

তিনি আস্ট্রজেনেকা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজের জন্য অপেক্ষা করা ব্যক্তিদের আশ্বাস দিয়েছেন যে এই ভ্যাকসিনের ডোজ দেশে এসে পৌঁছেছে। তবে প্রযোজক, দ্বিতীয় ডোজ ব্যবহারের আগে পরীক্ষার সুপারিশ করেছিলেন, অ্যাস্ট্রাজেনেকা ৮ ই জুন পরীক্ষার ফলাফল দেবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ফলাফল যদি ইতিবাচক আসে তবে সরাসরি টিকা দেওয়া শুরু হবে, তিনি জোর দিয়ে বললেন যে মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা রয়েছে ১০ দিনের মধ্যে ২,০০,০০০ লোক যারা দ্বিতীয় ডোজের জন্য অপেক্ষা করছে তাদের টিকা দেওয়ার কাজ সম্পূর্ণ করবেন।

দাবি করা হয়,,
তিনি বলেছিলেন তবে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফলাফল যদি প্রেরণে আরো সময় দাবি করেন, তবে সুবিধাভোগীদের ফাইজার ভ্যাকসিন থেকে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পছন্দ করবো।

তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “আমরা পশুর নিরাপত্তা প্রতিরোধের কাছে পৌঁছে যাচ্ছি, তবে ভ্যাকসিনের অভাব সহ চ্যালেঞ্জ রয়েছে।” এই মহামারীটি নিয়ন্ত্রণে ভাইরাসটির রূপান্তর বন্ধ করতে সমস্ত দেশগুলিতে ভ্যাকসিনের সুষ্ঠু বিতরণ প্রয়োজন, তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন।

মন্ত্রী আরও নিশ্চিত করেছেন যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো প্রতিদিনই নতুন সংক্রমণ নিবন্ধন করা সত্ত্বেও দেশের মহামারী পরিস্থিতি স্থিতিশীল। তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে মন্ত্রণালয় অন্যান্য ধরণের দেশগুলির তুলনায় লক্ষণগুলি ছাড়া বা লক্ষণ ব্যতীত সমস্ত ইতিবাচক মামলাগুলি লিপিবদ্ধ করেন, যারা কেবল লক্ষণ রয়েছে তাদেরই নিবন্ধন করেন। তিনি মহামারীটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা করে সারা দেশে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা বাস্তবায়নের প্রশংসা করছেন। নাগরিক ও প্রবাসীদের সহযোগিতা মন্ত্রণালয়কে প্রতিরোধমূলক এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থা কার্যকর করতে এবং গত ১৬ মাসে চিকিৎসা ব্যবস্থা সুরক্ষিত করতে ও সহায়তা করেছেন।

📌নিউজ লিংক নিচে দেওয়া হয়েছে….

✍️ Collected, Translated and posted by Nahar Hoque

https://www.facebook.com/naharhoqu/

📌 নিউজ লিংক
https://www.facebook.com/185411171491289/posts/4409920545706976/

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের সংস্থাগুলি মধ্যে প্রাচ্যের নাগরিকদের কুয়েতে প্রবেশের জন্য একটি প্রক্রিয়া প্রস্তুত করছেন।

সূত্র আল-কাবাসকে বলেছেন যে উপসাগরীয় সহযোগিতা কাউন্সিলের দেশগুলির মধ্যে সম্মত হওয়া একটি প্রক্রিয়া বিকাশের জন্য বিমানবন্দরে পরিচালিত সংস্থাগুলি এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মধ্যে নিয়মিত পর্যায়ক্রমিক বৈঠক হচ্ছে, ব্যাখ্যা করে যে এমন কিছু প্রস্তাব রয়েছে যা এখনও বিবেচিত হচ্ছে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য মন্ত্রিপরিষদে জমা দেওয়া হবে।

তিনি আরও যোগ করেন যে এই প্রক্রিয়াটি জিসিসির দেশগুলির মধ্যে স্বাস্থ্য মানকে বিবেচনা করবে, বিশেষত প্রবেশের প্রয়োজনীয়তার সাথে প্রতিটি দেশ অনুযায়ী অনুমোদিত ভ্যাকসিনগুলির মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্যের আলোকে বিবেচনা করা হবে।

অন্যদিকে, উৎসটি প্রকাশ করেছে যে দেশে প্রবাসূ ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থাটি বেশ কয়েকটি নিয়ন্ত্রণের সাথে যুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হ’ল দেশে স্বাস্থ্যের অবস্থার স্থায়িত্ব, মহামারী সংক্রান্ত পরিস্থিতির উন্নতি এবং মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

✍️ Collected, Translated and posted by Nahar Hoque

https://www.facebook.com/naharhoqu/

ডেসটিনি-যুবকের পর এসপিসি, হাতিয়েছে ৬০০ কোটি টাকা।

ডেসটিনি ও যুবকের পর এবার লাখ লাখ গ্রাহক থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে ‘এসপিসি ওয়ার্ল্ড এক্সপ্রেস’ নামের আরেক বহুস্তরভিত্তিক বিপণন ব্যবসা (এমএলএম) প্রতিষ্ঠান। ই-কর্মাসের নামে অবৈধভাবে এমএলএম পরিচালনা করে মাঠ পর্যায় থেকে ইতিমধ্যে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা ঝুলিতে তুলেছে প্রতিষ্ঠানটি। গ্রাহক থেকে সংগ্রহ করা টাকায় ‘বিটকয়েন’ কিনে বিদেশে পাচার করছেন বলেও অভিযোগ প্রতিষ্ঠানটির একাধিক কর্মীর।

সম্প্রতি সাংসদ ও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা দূতের চুক্তি বাতিলের ঘোষণার পর কার্যক্রম গুটিয়ে যাচ্ছে এসপিসি ওয়ার্ল্ড এক্সপ্রেসের। ইতিমধ্যে তাদের বহু এজেন্ট কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। কোম্পানির এমডি ও সিইও আল আমিন প্রধানের দেখা মিলছে না।জানা গেছে, গত বছরের জানুয়ারিতে রাজধানীর কলাবাগান এলাকা থেকে ই-কমার্সের নামে যাত্রা শুরু করে এমএলএম কোম্পানি এসপিসি ওয়ার্ল্ড এক্সপ্রেস। তাদের বর্তমান অফিস বীর উত্তম সি, আর, দত্ত রোডের ১০৭ এফ হক টাওয়ারের ষষ্ঠ তলায়। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে রয়েছে আল আমিন প্রধান। তিনি মূলত ডেসটিনি ২০০০ এর একজন উচ্চ পর্যায়ের টিম লিডার ও প্রশিক্ষক ছিলেন। সেখানে তার যেসব সহযোগী ছিলেন তাদের নিয়েই ভিন্ন কৌশলে মাঠে নামেন আল আমিন।

জানুয়ারি থেকে নভেম্বর মাত্র ১১ মাসে তার ঝুলিতে জমা হয় ২৬৮ কোটি টাকা। এমএলএম ব্যবসা ও প্রতারণার দায়ে গেল বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি আল আমিনসহ প্রতিষ্ঠানটির ছয়জন গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। ওই দিন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার জানিয়েছিলেন, ১১ মাসে ২২ লাখ ২৫ হাজার ব্যক্তিকে যুক্ত করতে সক্ষম হয়। এর মধ্যে তারা হাতিয়ে নিয়েছে ২৬৮ কোটি টাকা।

ওই ঘটনায় মামলা হয় এবং আল আমিনসহ ছয়জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। কিন্তু দুই মাসের ব্যবধানে জামিনে বের হয়ে আবারও এসপিসির কার্যক্রম শুরু করেন আল আমিন প্রধান। এর মধ্যে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার সঙ্গে শুভেচ্ছা দূতের চুক্তি করেন। এতেই আবার কপাল খুলে যায় এসপিসির। ‘এসপিসির সঙ্গে মাশরাফি রয়েছেন’ এমন প্রচারণায় যুবকদের আকৃষ্ট করতে থাকেন। ইতিমধ্যে তাদের অ্যাকাউন্ট সংখ্যা ২২ লাখ থেকে বেড়ে ৫০ লাখ ছাড়িয়েছে।এসপিসির গ্রাহক ধরার কৌশল:
এসপিসি গ্রাহকদের তিন ধরনের প্রলোভন দেখায়। বিজ্ঞাপন দেখে আয় করা, ই-কমার্স স্টোর থেকে পণ্য ক্রয়/বিক্রয় করে আয় ও রেফার করার মাধ্যমে আয়। বাস্তবে তাদের কোনো পণ্যের হদিস নেই। মূলত রেফারেন্সের মাধ্যমে নতুন গ্রাহককে ১২০০ টাকা করে ফি দিয়ে জয়েন করানোই মূল ব্যবসা। একজনকে ১২০০ টাকায় জয়েন করালেই সেই টাকা থেকে যিনি জয়েন করান তিনি ৪০০ টাকা রেফারেন্স বোনাস পান। এছাড়া যিনি রেফারেন্স দিয়ে অন্যদের আইডি খোলাবেন তাকে জেনারেশন বোনাস নামে এমএলএম বোনাস দেয়। যেখানে প্রথম জেনারেশনে জনপ্রতি ১০০ টাকা, দ্বিতীয় জেনারেশনে জনপ্রতি ৫০ টাকা এবং তৃতীয় জেনারেশনে জনপ্রতি ১৫-২০ টাকা। তাদের জেনারেশন পদ্ধতি হচ্ছে, একজনের নিচে তিনজন জয়েন করানো এবং সেই তিনজনের নিচে আবার তিনজন করে (মোট ৯ জন) জয়েন করালে প্রথম জেনারেশন। এভাবে পরবর্তী ধাপে দ্বিতীয় ও তার পরবর্তী ধাপে তৃতীয় জেনারেশন হয়।এমএলএম পদ্ধতিতে কেউ এসপিসিতে ১২০০ টাকা দিয়ে আইডি খোলার পর তার অধীনে আরও তিনজনের আইডি খোলাতে পারলে তিনি হবেন ক্লাব মেম্বার। ওই তিনজনের অধীনে আরও তিনজন করে জয়েন করাতে পারলে হবেন রয়েল মেম্বার। রয়েল মেম্বাররা প্রতিদিন কোম্পানির লভ্যাংশের ২০ শতাংশ পান।এর পরে রয়েছে ইনসেনটিভ বোনাস নামে উচ্চ পর্যায়ের এমএলএম নেটওয়ার্ক। এখানে কোনো আইডির অধীনে তিন লাইনে ১০০ করে মোট ৩০০ আইডি খোলাতে পারলে তিনি হন ১ স্টার রয়েল। ১ স্টার রয়েল হলে কোম্পানির লাভের সাড়ে ১৭ শতাংশ এবং সঙ্গে সিকিম বিমান ট্যুরের প্রলোভন। তিন লাইনে ৬০০ করে মোট ১৮০০ আইডি খোলাতে পারলে ২ স্টার রয়েল। তাদের জন্য ১৫ শতাংশ শেয়ার ও নেপাল ট্যুর। তিন লাইনে ১০০০ করে মোট ৩০০০ হাজার আইডি খোলাতে পারলে ৩ স্টার রয়েল। এবার সাড়ে ১২ শতাংশ শেয়ার ও থাইল্যান্ড ট্যুরের প্রলোভন। একইভাবে সর্বোচ্চ প্রতি লাইনে ১৫০০০ করে মোট ৪৫০০০ আইডি খোলাতে পারলে সাত স্টার রয়েছে। সাত স্টার হলে কোম্পানির আড়াই শতাংশ শেয়ার ও নগদ ২৫ লাখ টাকার প্রলোভন।

একজনের অধীনে এভাবে বিপুল পরিমাণ আইডি খোলানোর নিয়মে লভ্যাংশের কথা বলা হয়েছে বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব নেই। এসপিসির বাস্তবে কোনো ব্যবসা নেই। মূলত প্রতিদিন ১২০০ টাকা করে দিয়ে যে হাজার হাজার মানুষকে আইডি খোলানো হয় সেই টাকা ভাগবাটোয়ারা হয়।এসপিসির অর্থ সংগ্রহ:
এসপিসি গ্রাহকদের নানা রকম আয় দেখায়। তবে বাস্তবে তাদের কোনো বৈধ আয়ের সন্ধান নেই। গ্রাহকদের আয়ের উৎস দেখাতে এসপিসি নামে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। সরকারি ফিসহ মাত্র ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে এসব লাইসেন্স করতে ৩ থেকে ৫ দিন সময় লাগে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে; এসপিসি রাইড লি., এসপিসি কুরিয়ার অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট লিমিটেড, এসপিসি পোপার্টিজ অ্যান্ড ডেভেলপার্স লি., এসপিসি কসমেটিক্স অ্যান্ড কেমিক্যালস লি., এসপিসি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস লি., এসপিসি ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লি. ও এসপিসি আইডি সল্যুশন লিমিটেড। তবে বাস্তবে এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্ব নেই।তাদের সম্পূর্ণ অর্থই আসে ১২০০ টাকা করে দিয়ে নতুন আইডি খোলা থেকে। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত তাদের অ্যাকাউন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ লাখ। যা প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ হাজার। গড়ে তাদের দৈনিক সংগ্রহ প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। ১৮ মাসে তারা প্রায় ৬০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে এই অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে। এখান থেকেই তারা জেনারেশন লিডারদের সঙ্গে ভাগবাটোয়ারা করেন, যা সাধারণ বা নতুন সদস্যদের বোঝার কোনো উপায় নেই।মাশরাফির সঙ্গেও প্রতারণা:
জানা গেছে, আল আমিন প্রধান মাশরাফিকে শুভেচ্ছা দূত করতে গিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নেন। তারা মাশরাফিকে জানান, তাদের ই-কর্মাস ভিত্তিক ইলেক্ট্রনিক্স ব্যবসা। দেশজুড়ে তারা ই-কমার্সের উদ্যোক্তা তৈরি করছে। কিন্তু তাদের জয়েনিং পদ্ধতি ও এমএলএম এর জেনারেশন তৈরির যে পদ্ধতি তা গোপন করা হয়। এছাড়া নড়াইলে ১০০টি উন্নতমাসের সিসি ক্যামেরা সরবরাহেরও প্রতিশ্রুতি ছিল এসপিসির। কিন্তু গত সপ্তাহে এসপিসির এমএলএম ব্যবসা নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হওয়ার বিষয় নজরে পড়ে মাশরাফির। ফলে গত ২ জুন সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তাদের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেন মাশরাফি।

প্রতারণার বিষয়টি সরাসরি না বললেও মাশরাফি তার স্ট্যাটাসে বলেন, ‘আমি জানতে পেরেছি, তাদের প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে যে ধারণা আমাকে দেওয়া হয়েছিল, তাদের ব্যবসার ধরন তা নয়।’ এজন্য মাশরাফি তাদের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘দুই বছরের চুক্তি থাকলেও দুই মাসের মধ্যেই তাদের সম্পর্কে জানার পরই আমি তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতিমধ্যেই আমি তাদেরকে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছি, আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি শেষ করার আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছি। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, আমার নাম বা ছবি দেখে বিভ্রান্ত হয়ে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে না জড়াতে।’এসপিসির কর ফাঁকি:
এসপিসির পলিসি অনুযায়ী প্রতি অ্যাকাউন্টে দৈনিক ৫টি করে বিজ্ঞাপন দেখানো হয় এবং এর জন্য ১০ টাকা করে দেওয়া হয়। বিজ্ঞাপনের রেটের এই হারকে ডিজিটাল ভাষায় বলা হয় ‘কস্ট পার মাইলেজ’ (সিপিএম)। মূলত ১০০০ বিজ্ঞাপন দেখা হলে এক মাইলেজ বলা হয়। বাংলাদেশের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম ও বিজ্ঞাপন দ্বারা ৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৮০ বা ১০০ টাকা সিপিএম বিজ্ঞাপন লেনদেন হয়। কিন্তু এসপিসির রেট ২০০০ টাকা। যা একেবারেই অবাস্তব। দেশে কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই মূল্যে কোথাও বিজ্ঞাপন দেওয়া সম্ভব না। এসপিসি এই বিজ্ঞাপনের নামে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে। তারা মূলত তাদের নামে তৈরি করা কয়েকটি পণ্যের ছবি দেখায়। মাঝে সিইও আল আমিন প্রধানের বক্তব্য বিজ্ঞাপন প্রচার করে। বাইরের কোনো প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞান নাই।এসপিসির হিসাব অনুযায়ী তারা ৫০ লাখ অ্যাকাউন্টে প্রতিদিন ১০ টাকা করে দিলে বিজ্ঞাপন বাবদ তারা দিনে ব্যয় করে আড়াই কোটি টাকা বা মাসে ৭৫ কোটি টাকা। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, বিজ্ঞাপনের ওপর ১৫ শতাংশ কর দিতে হয়। এই হিসাবে এসপিসির মাসিক করের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। কিন্তু এসপিসির কোনো  ট্যাক্স ফাইল নাই। তারা সরকারকে এ পর্যন্ত ট্যাক্স দিয়েছে এমন কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি।বিটকয়েনে ২০০ কোটি টাকা পাচার:
এসপিসির যাত্রা শুরুর সময় থেকে জড়িত দ্বিতীয় সারির একাধিক লিডারের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, গত নভেম্বর মাসে আল আমিন প্রধান গ্রেফতার হয়ে জামিনে মুক্তির পর দেশে টাকা না রাখার সিদ্ধান্ত নেন। তার সঙ্গে অন্তত চারজন টপ লিডারও (প্রতিষ্ঠাকালীন লিডার) একমত হন। তখন থেকেই তারা টাকা সরিয়ে ফেলা শুরু করেন। গুলশানে কয়েকজন ডলার ব্যবসায়ী রয়েছেন যাদের মাধ্যমে বিটকয়েন কেনেন আল আমিন প্রধান। ইতিমধ্যে তারা প্রায় ২০০ কোটি টাকার বিটকয়েন কিনেছেন বলে ধারণা অভিযোগকারী লিডারদের। এসব লিডারদের অধীনে বহু আইডি খোলা থাকায় তারা মুখ খুলতে পারছেন না। তবে তাদের অভিযোগ, ‘আল আমিন প্রধান বর্তমান দেশে বিট কয়েনের সবচেয়ে বড় গ্রাহক। তিনি বিট কয়েনের বাংলাদেশের মাফিয়া হয়ে উঠেছেন।’এসপিসি ছাড়ছে লিডাররা:
জানা গেছে, মাশরাফি মিন মর্তুজার সঙ্গে চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান আল আমিন প্রধান। ২ তারিখের পর থেকে তিনি আর অফিস করেননি। প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জানিয়েছেন, তিনি অসুস্থ। এমন অবস্থায় অন্তত বড় মাপের ১০ জন লিডার এসপিসি থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছে। এর মধ্যে রয়েছে, সিরাজগঞ্জের হাফিজ। তার অধীনে এসপিসির সংগ্রহ প্রায় পাঁচ কোটি টাকা। ঢাকার মুক্তার আরেফিন, মিলন সরকার, আনোয়ার হোসাইন, বাবুল ও রকি। এসপিসির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ এমন দুইজন কর্মী এ তথ্য জানিয়েছেন।তবে তার দাবি, এ লিডাররা কেউ এখন মুখ খুলবে না। পরে মুক্তার আরেফিন, আনোয়ার হোসেন ও মিজানকে ফোন করলেও তারা কেউ ফোন ধরেননি।দেখা মিলছে না আল আমিন প্রধানের:
গেল ২ জুন মাশরাফি বিন মর্তুজা সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট করার পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক আল আমিন প্রধানসহ একাধিক টপ লিডার। তিনদিন চেষ্টা করার পর এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আল আমিন প্রধান ১ মিনিট কথা বলেন। পরবর্তীতে সময় দিলেও আর তার নাগাল পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে এসপিসির অফিসে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও আল আমিন প্রধানকে পাওয়া যায়নি। ২ জুনের পর তিনি আর অফিস করেননি বলে জানিয়েছেন কর্মীরা। তবে এসপিসির মার্কেটিং ডিরেক্টর অর্জুন চ্যাটার্জি জানিয়েছেন, আল আমিন প্রধান হঠাৎ করেই একটু অসুস্থ। এজন্য তিনি সময় দিতে পারছন না। তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন।এসপিসির বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান:
গত বছরের ৩ জানুয়ারি ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন আল আমিন প্রধানসহ ছয় জন। গ্রেফতার হওয়া অন্যরা ছিলেন- নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জসীম, ম্যানেজার (হিসাব) মানিক মিয়া, ম্যানেজার (প্রডাক্টস) তানভীর আহম্মেদ, সহকারী ম্যানেজার পাভেল সরকার ও অফিস সহকারী নাদিম মো. ইয়াসির উল্লাহ। তাঁদের কাছ থেকে একটি হ্যারিয়ার গাড়ি, দুটি পিকআপ ভ্যান, ছয়টি ল্যাপটপ, দুটি রাউটার, দুটি পাসপোর্ট ও বিভিন্ন কাগজপত্র জব্দ করা হয়েছিল। পরে তাদের বিরুদ্ধে দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। ওই ঘটনায় দুই মাস কারাগারে ছিলেন আল আমিন প্রধান।

সেই মামলা এখনও চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির মার্কেটিং ডিরেক্টর অর্জুন চ্যাটার্জি। তিনি জানান, মামলায় এখনও তদন্ত শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তা এখনও চূড়ান্ত প্রতিবেদনও দেননি।এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তারকে সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বিষ্ময় প্রকাশ করে বলেন, সাড়ে ২২ লাখ থেকে এই কয়দিনে তারা ৫০ লাখ অ্যাকাউন্ট করিয়েছে! এটা নিয়ে আমরা কালই বসবো এবং ব্যবস্থা নেব।এসপিসির বক্তব্য:
এসব বিষয় নিয়ে এসপিসির ব্যবস্থাপনার পরিচালক আল আমিন প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তার ফোনটি অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসা বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে পরিচয় দিয়ে মেসেজ দিলে কথা হয়। তার কাছে এসব বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি কথা বলতে চেয়ে পরবর্তীতে সময় দেন। কিন্তু পরবর্তীতে তার ফোনটি একই রকম বন্ধ পাওয়া যায়। মেসেজ দিলেও উত্তর দেননি।পরে এসপিসির মার্কেটিং ডিরেক্টর অর্জুন চ্যাটার্জির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সব বিষয়ে উত্তর দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। ৫০ লাখ আইডিতে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে প্রতিদিন ১০ টাকা করে মোট ৫ কোটি টাকা কীভাবে, কোথা থেকে দেওয়া হয় জানতে চাইলে তিনি সঠিক উত্তর না দিয়ে বলেন, ‘এটা কম বেশি হয়। বহু আইডি অনেক সময় ইন্যাকটিভ থাকে।’ বিজ্ঞাপনের খরচ থেকে সরকার নির্ধারিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট-ট্যাক্স দিলে মাসে প্রায় সাড়ে ২২ কোটি টাকা দাঁড়ায়। সরকারকে এই অর্থ দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এই বিষয়টি শুধুমাত্র ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলতে পারবেন।’ তার সঙ্গে সময় নিয়ে মিটিং করিয়ে দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।বিটকয়েন কেনার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে কেউ কেউ এই প্রপাগাণ্ডা করেন। তবে আমি নিশ্চিত করতে পারি, এটা সত্য নয়।’ নতুন আইডি খোলা বন্ধ হয়ে গেছে গ্রাহকদের প্রতিদিন বিজ্ঞাপন দেখিয়ে এই বিপুল অংকের অর্থ কীভাবে দেবেন জানতে চাইলে অর্জুন চ্যাটার্জি বলেন, ‘আমাদের পণ্য বিক্রির টাকা থেকে এই অর্থ দেওয়া হবে।’ কিন্তু দৈনিক বিজ্ঞাপনে ৫ কোটি টাকা খরচ করতে গেলে কয়েক’শ কোটি টাকা বিক্রি হওয়া দরকার এবং বাংলাদেশের কোনো গ্রুপ অব কোম্পানির পক্ষেও এটা সম্ভব হয় না। এমন প্রশ্ন করলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। মাশরাফির চলে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মাশরাফিকে বিভিন্ন দিক থেকে বিভিন্ন মানুষ নক করেছে, মেসেজ দিয়েছে; কেন আপনি এমন একটা কোম্পানির সঙ্গে জড়ালেন। এজন্য মাশরাফি চলে গিয়েছেন।’ তবে তাঁকে আবার আনার চেষ্টা চলছে। এবার আসলে ভালো করেই আসবেন বলে দাবি করেন অর্জুন চ্যাটার্জি।ভিডিও: গত বছর আল আমিন প্রধানসহ ছয়জন গ্রেফতার হওয়ার পর ডিবির সংবাদ সম্মেলনের দৃশ্য।

কুয়েতে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মারা গেছে আরো ৩ জন’ শনাক্ত ১,৪৭৯ এবং সুস্থ হয়েছে ১,২৫৬ জন।

কুয়েতে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মারা গেছে আরো ৩ জন’ শনাক্ত হয়েছে ১,৪৭৯ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১,২৫৬ জন।

মোট আক্রন্তের সংখ্যা ৩১৮,৬৭৬ জন । মোট মৃতের সংখ্যা ১৭৯৮ জন ।

আজকের সুস্থ হওয়া ১,২৫৬ জনসহ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মোট ৩০২,৩৯৩ জন সুস্থ হয়েছেন, যাদের মধ্যে কুয়েতি ও প্রবাসী রয়েছে ।

আজ সোমবার রাত ৮.০০ টায় নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংএ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করে ।

কুয়েতে নিয়মিত চিকিৎসাধীন আছে ১৪,৪৮৫ জন। আইসিউতে আছেন ১৫৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় টেস্ট করা হয়েছে ১১,৯১১ জনকে, সর্বমোট ২৬৮২,৯২৪ জনকে টেস্ট করা হয়েছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে সিলেটে আবারও দুই দফা ভূমিকম্প।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে সিলেটে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সোমবার (০৭ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দুই দফায় কেঁপে ওঠে সিলেট।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমেদ চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল শিলংয়ে ও রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত ৩০ মে রাত ৪টা ৩৫ মিনিটে সিলেটে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তার আগেরদিন ২৯ মে সকাল ১০টা ৩৬ মিনিট, ১০টা ৫১ মিনিট এবং বেলা সাড়ে ১১টায় তিনবার ভূকম্পন অনুভূত হয়।

কুয়েতে মন্ত্রী পরিষদ বৈঠকে নিষিদ্ধ দেশ সমূহের আপডেট করার জন্য কোন সুপারিশ করা হয়নি’

কুয়েতের মন্ত্রিপরিষদের কাছে আজকের বৈঠকে নাগরিক বা বাসিন্দাদের করোনার ভাইরাসের বিরুদ্ধে বাধ্যতামূলক টিকা দেওয়ার জন্য এবং নিষিদ্ধ দেশ সমূহের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি ।

সোমবার (৭ জুন) মহামান্য প্রধানমন্ত্রী শেখ সাবাহ আল খালেদের সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

রিপোর্ট আরবী দৈনিক আল আনবার ।

বৈঠকে সতর্কতার প্রসঙ্গে এবং পরিবর্তিত করোনার ভাইরাস পরিস্থিতি ও পদক্ষেপের গুণগত মান সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সুত্র জানিয়েছে যে, ফিল্ড ফলোআপ দল চালিয়ে যাওয়া এবং আর্থিক জরিমানার দফায় আইনের সংশোধনী জাতীয় সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত হলে তা প্রয়োগ করা ।

স্বাস্থ্য নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা দেশগুলির বিষয়ে আপডেট করা অব্যাহত রেখে, সেসব দেশের যাত্রীরা ১৪ দিনের জন্য তৃতীয় দেশে অবস্থান করা এবং প্রবেশের আগে ৭২ ঘণ্টা সময়ের”পিসিআর” পরীক্ষা বাধ্যতামূলক রাখা ও প্রযোজ্য শর্ত অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক বা বাসায় পৃথকীকরণের ব্যবস্থা সংক্রান্ত বিষয়ে একমত হয়েছে ।

তবে নিষিদ্ধ দেশের তালিকা আপডেট বা কখন থেকে বিমানবন্দর খুলে দেওয়া হবে তা সিদ্ধান্ত আকারে জানানো হয়নি ।