ঢাকায় এসেছে বিশ্বকাপ ট্রফি

সকাল থেকেই হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে বাড়তি সতর্কতা। নিরাপত্তায় নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর। ভারী অস্ত্র হাতে সতর্ক অবস্থায় ছিলেন আর্মড পুলিশের সদস্যরা। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদেরও একটু পরপর পুরো লাউঞ্জ ঝাড়পোছে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেল। বিমানবন্দরে ছিল গণমাধ্যম কর্মীদের ভিড়। বিশ্বকাপ ট্রফির বাংলাদেশে আগমন উপলক্ষে এমন আবহই দেখা গেল বিমানবন্দরে।

কাতার বিশ্বকাপ সামনে রেখে গত ১২ মে দুবাই থেকে কোকাকোলার আয়োজনে বিশ্বকাপ ট্রফির বিশ্ব ভ্রমণের শুরু। ৫৬টি দেশ ঘোরার পথে ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক কোকাকোলার উদ্যোগে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহায়তায় আজ বাংলাদেশে এসেছে ট্রফিটি।

পাকিস্তান থেকে ট্রফিটি ঢাকায় এসেছে একটি বিশেষ বিমানে। ঢাকা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে ট্রফিটি বেলা ১১টায় পৌঁছানোর কথা থাকলেও সেটা নেমেছে আরও ২৫ মিনিট পর।

ট্রফিটা দেখার জন্য বিমানবন্দরের ভেতরেই আগ্রহ নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন সেখানে দায়িত্বরত বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা, কর্মচারীরা। ট্রফিটা নামতেই হাততালি দিয়ে স্বাগত জানান সবাই।

ট্রফিটির সঙ্গে এসেছেন ১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্স দলের মিডফিল্ডার ক্রিস্টিয়ান কারাম্বু ও ফিফার সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল।

বিশ্বকাপ ট্রফিটি বিমানবন্দরে নামতেই সেটিকে পাশে রেখে ছবি তোলেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনসহ ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তারা। এরপর অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সেরে কারাম্বু একে একে পরিচিত হন বাফুফের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে।

ট্রফিটি কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় রাখা হবে রাজধানীর র‌্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে।

এর আগে ২০১৩ সালেও বাংলাদেশে এসেছিল বিশ্বকাপ। তবে সেবারের ট্রফিটি ছিল রেপ্লিকা। এবার বাংলাদেশে এসেছে আসল ট্রফি।

আজ ট্রফিটি যাবে শুধু বঙ্গভবনে আর গণভবনে। সেখানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী দেখবেন বিশ্বকাপের ট্রফি। বিশ্বকাপ ট্রফির আগমন উপলক্ষে আজ রাতে আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে হবে নৈশভোজ। বিশ্বকাপ ফুটবলের অনেক দলের জার্সি বানানো হচ্ছে বাংলাদেশে। তাই নির্বাচিত অতিথিদের সঙ্গে কয়েকজন নারী পোশাককর্মী থাকবেন আজকের নৈশভোজে।

তবে আগামীকাল সাধারণ মানুষ বিশ্বকাপ ট্রফি সরাসরি দেখার সুযোগ পাবেন। সকাল সাড়ে দশটা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত আড়াই হাজার নির্বাচিত দর্শক হোটেলে বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ পাবেন। তা ছাড়া ছবিও তুলতে পারবেন। এরপর বিকেলে আর্মি স্টেডিয়ামে হবে কনাসার্ট।

দুবাইয়ের রাস্তায় বাংলাদেশী’ বিব্রত প্রবাসীরা’

বুধবার  , ০৮ জুন ২০২২, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ০৭ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

প্রকাশ: ২০২২-০৬-০৮ ০৯:২৩:২৫ || আপডেট: ২০২২-০৬-০৮ ০৯:২৯:২৬

দুবাইয়ের চারপাশে আকাশছোঁয়া ভবন, দূরে চোখে পড়ে বুর্জ আল খলিফার ঝাঁ চকচকে চূড়া। রাত হলেই ঝলমলিয়ে ওঠে সব। আর সেই আলোর ঝলকানির নিচেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে নতুন অন্ধকার। দুবাইয়ের পার্ক ও স্টেশনে খোলা আকাশের নিচে শুয়ে থাকতে দেখা গেলো শত শত মানুষকে। যাদের মধ্যে বাংলাদেশিই বেশি।

ভিজিট ভিসায় কাজের সন্ধানে এসে পড়েছেন বিপদে। আধপেটা খেয়েই শুয়ে থাকতে হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে।

এভাবে অবাধে বাংলাদেশিরা আমিরাতে এসে ক্ষুণ্ন করছেন দেশের ভাবমূর্তি। বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলছেন প্রবাসীদেরও।

একসময় কাজের জন্য বিদেশযাত্রা মানেই ছিল দুবাই গমন। ‘টাকা দাও, দুবাই যামু’ সংলাপ এখনও জনপ্রিয়। কিন্তু সেই দুবাই-স্বপ্ন এখন অনেকের কাছেই দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

করোনার কারণে দেশটিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল দীর্ঘদিন। এমনকি বাংলাদেশিদের জন্য নতুন করে ওয়ার্ক পারমিটও ছিল বন্ধ। তারপরও দুবাই-আবুধাবি যাওয়া থামেনি।

কেন ভিজিট ভিসা?

দুবাই প্রবাসী সাংবাদিক কামরুল হাসান জনি জানালেন, বাংলাদেশ থেকে কাজের জন্য সরাসরি ভিসা আরব আমিরাত দেয় না। তবে কেউ এখানে ভিজিট ভিসায় আসার পর যদি কাজ জোটাতে পারেন, তখন ওয়ার্ক পারমিট ভিসার আবেদন করা যায়। অনেকে এভাবে ভিজিট ভিসায় এসে কাজ খুঁজে পেয়েছেন, ভিসাও পেয়েছেন।

কামরুল হাসান আরও বলেন, আরব আমিরাতে কাজ পাওয়া যায় ঠিকই। কিন্তু লাখ লাখ মানুষের জন্য নতুন করে কর্মসংস্থান এখানে নেই। ভাষাগত বা কোনও বিশেষ দক্ষতা থাকলে কাজ জোটানো যায়। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, কাজ পাওয়া যাবেই— এমন প্রলোভন দেখিয়ে একটি চক্র হাজার হাজার মানুষকে দুবাই নিয়ে আসছে। যারা আসছেন, তাদের বেশিরভাগের নেই ভাষাগত দক্ষতা, জানেন না বিশেষ কাজও।

বাংলাদেশিরা রাস্তায় কেন?

দুবাইয়ে ব্যবসা করেন তাজুল ইসলাম রফিক। গেলো কয়েক মাসে দুবাইতে বাংলাদেশিদের রাস্তায় পড়ে থাকা নিয়ে বিব্রত হওয়ার কথা জানালেন তিনি। বললেন, রাতে বেলায় খোলা আকাশের নিচে বাংলাদেশি শত শত যুবক শুয়ে আছে। এ দৃশ্য খুব পীড়া দেয়।

দুবাইয়ের মতিনা পার্ক, ইউনিয়ন মেট্রো সংলগ্ন পার্ক, ক্রিক নদীর কাছে অনেকেই রাত কাটায়। যেসব এলাকায় বাংলাদেশি বেশি, সেখানে এসে তারা থাকার জায়গা, কাজ, খাবারের জন্য হাত পাতে।

রফিক আরও বলেন, অনেকে সামর্থ্য অনুযায়ী বাংলাদেশিদের সাহায্য করেন। কিন্তু হাজার হাজার মানুষকে নিয়মিত সহায়তা করা তো সহজ নয়।শারজাহ, আজমান, আবুধাবিতেও একই পরিস্থিতি। সেখানেও রাত হলে পার্ক, মেট্রো স্টেশন ও গলিতে ঘুমাতে দেখা গেছে বাংলাদেশিদের।

আব্দুর রশিদের স্বপ্ন ছিল আরব আমিরাতে গিয়ে তারকা হোটেলে কাজ করবেন। লাখ টাকা বেতনে বদলে যাবে জীবন। কিন্তু স্বপ্নভঙ্গ হয় দুদিনের মাথায়। তার রাত কাটছে দুবাইয়ের দেরা এলাকার মুতিনা পার্কে।

আব্দুর রশিদ বলেন, দুই লাখ টাকা খরচ করে এসেছি। বলা হয়েছিল দুবাই গেলেই হোটেলে কাজ পাবো। এখানে যার সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা সে বলছে এখন কাজ নেই, হলে জানাবে। এখন কোথায় থাকবো, কী করবো বুঝতে পারছি না। অন্য বাংলাদেশিদের মাধ্যমে জেনেছি, এই পার্কে রাতে থাকা যায়। তাই এখানে আছি। সঙ্গে যে টাকা আছে তাতে আর বড়জোর দুদিন খেতে পারবো।

কুমিল্লার মোহাম্মদ মাসুদের রাত কাটে ডেরার ইউনিয়ন মেট্রো স্টেশনের পাশের ফুটপাতে। কেমন আছেন জানতে চাইলেই কেঁদে ওঠেন। বলেন, বিপদে আছি। এখানে থেকে যেতেও পারছি না, থাকার অবস্থাও নেই। ঋণ করে এসেছি। বলা হয়েছিল মাসে কমপক্ষে ৪০ হাজার টাকা বেতন পাবো। কীসের বেতন! কাজই পাইনি। একমাস হোস্টেলে সিট ভাড়া করে ছিলাম। এখন টাকা নেই ভাড়া দেওয়ার। রাস্তা ছাড়া উপায় নেই।

চার লাখ টাকা দিয়ে আমিরাতে এসেছেন হাফেজ মুফতি আব্দুর রহমান। মসজিদের ইমাম হিসেবে চাকরি দেওয়ার কথা বলে তাকে আনা হয়। এখন তিনি শারজাহ আল নাদা এলাকায় আছেন।

আব্দুর রহমান বলেন, ভিজিট ভিসায় আসার পর মসজিদের কাজের ভিসা দেওয়া হবে এমনটা বলা হয়। দেশে থাকতেই সাড়ে তিন টাকা লাখ নগদ দিয়েছি। এখানে এসে বাকি ৫০ হাজার দেবো বলেছিলাম। আমার সঙ্গে আমার চাচাতো ভাইও এসেছে। আসার পর দুই মাস ধরে বসে আছি। আরও ৫০ হাজার টাকা দিলে নাকি ভিসার ব্যবস্থা করবে।

তিনি আরও বলেন, এখানে আসার দুই মাস পর আমাকে ৯০০ দিরহামে ক্লিনারের কাজের কথা বলছে। মসজিদের ইমামের চাকরির কথা বলে এখন ক্লিনারের কাজের কথা বলছে। এ কাজ তো আমি জানি না। তারপর বলল, ফ্রি ভিসা দেবে। আরও টাকা লাগবে। আমি মায়ের জমি বিক্রি করে দেশ থেকে আরও ৪০ হাজার টাকা এনে দিলাম। এখন মানবেতর দিন কাটাচ্ছি।

বাংলাদেশিরা বিব্রত

দেশে ছুটিতে গিয়েছিলেন আব্দুল আজিজ। ছুটি শেষে ফিরে দেখেন তার রুমে বাড়তি আরও ৪ জন। আগে থাকতেন ৪ জন। এখন ৮ জন। ভাড়া গুনতে হচ্ছে আগেরটাই।

বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদের সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান বলেন, ভিজিট ভিসায় প্রতিদিন শত শত ছেলে আরব আমিরাতে আসছেন। কাজ না পেয়ে তারা ডরমেটরি, হোস্টেলে যাচ্ছেন। সেখানে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় রুম ভাড়া বেড়েছে। গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে। গ্রামের পরিচিত বা আত্মীয় কেউ এলে তাকেও আশ্রয় দিতে হচ্ছে। রেস্টুরেন্টে খেতে বসলেই বাংলাদেশি কেউ না কেউ অনুরোধ করছে খেতে দিতে। এতে আরব আমিরাতে আগে থেকে বাস করা বাংলাদেশিরা বেশ বিব্রত অবস্থায় আছে।

হাবিবুর রহমান আরও জানালেন, আমরা সাংগঠনিকভাবে চেষ্টা করছি— যাদের দক্ষতা আছে, কিংবা কোনও কাজ জানেন, তাদের কোনও না কোনোভাবে সহায়তা করতে।

এদিকে কাজ না পেয়ে, আমিরাতে কাজের সন্ধানে আসা অনেকেই জড়িয়ে পড়ছেন অপরাধে। প্রতারিতরা ক্ষুব্ধ হয়ে জড়াচ্ছেন বাগবিতণ্ডা, মারামারিতে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক বলেন, যে লোকের কাজ জুটিয়ে দেওয়ার কথা, কিংবা থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করার কথা ছিল ভুক্তভোগীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকেও মারতে যাচ্ছে। কেউ হতাশা থেকেও অপরাধে জড়াচ্ছে। প্রবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করার কারণে এখানকার স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ আছে। তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশিরা ভয়াবহ কোনও অপরাধ না করলেও, অপরাধের সংখ্যা বাড়ছে। তাই, যাদের দক্ষতা আছে বা যারা কাজের নিশ্চয়তা পাচ্ছেন, তারা ছাড়া বাকিদের ভিজিট ভিসায় আমিরাতে না আসাই উচিত।
#সংগৃহীত প্রতিবেদন।

বিমানের ক্যাটারিং দিয়ে বের হচ্ছে চোরাচালানের সোনা।

বুধবার , ০৮ জুন ২০২২, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ০৭ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

গত পাঁচ মাসে বিমানবন্দর থেকে ২০ মণেরও বেশি সোনা উদ্ধার হয়েছে। যাত্রী ছাড়াও এসব চোরাচালানে জড়িত ছিলেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) অসাধু কর্মীরা। বিভিন্ন সময় হাতেনাতে আটক হয়েছেন তারা। আগে বিমানের প্রকৌশল শাখার কর্মীরা হ্যাঙ্গার গেটের মাধ্যমে চোরাচালানের সোনা বের করে নিয়ে আসতেন বলে অভিযোগ ছিল। হ্যাঙ্গার গেটে নিরাপত্তা জোরদার হওয়ায় এখন চোরাচালানের সোনা বের করার নিরাপদ রুট হয়ে দাঁড়িয়েছে বিমান ফ্লাইট ক্যাটারিং সেন্টার (বিএফসিসি)।

২৫ মে বিএফসিসি’র প্যান্ট্রিম্যান মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ আকন্দের কাছ থেকে ৮ কেজি সোনার বার উদ্ধার করে ঢাকা কাস্টম হাউস। যদিও ওই কর্মীকে আটক করতে দিনভর নানা প্রতিকূলতার মধ্যে পড়তে হয়েছিল কাস্টম কর্মকর্তাদের।

সেদিন দুপরে বিএফসিসি’তে প্রবেশ করতেই বাধার মুখে পড়েন কাস্টম কর্মকর্তারা। আজিজ আকন্দের কাছে সোনা থাকার পরও তাকে রক্ষায় এগিয়ে আসেন সেখানকার কর্মকর্তারা। পরে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার চাপের মুখে প্রায় ৮ ঘণ্টা পর তাকে কাস্টমসের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সূত্র জানায়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উত্তর পাশে বিমানবন্দরের সঙ্গে লাগোয়া ভবনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ক্যাটারিং সেন্টার। যেখানে বিমানের ফ্লাইটের খাবার রান্না হয়। সেখান থেকেই ফ্লাইটে খাবার সরবরাহ করা হয়।

দেখা গেছে, বিমানবন্দরের সঙ্গে যুক্ত থাকায় বিএফসিসি থেকে বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোন এলাকায় প্রবেশ করা যায়। বিএফসিসি’র কর্মীদের প্রবেশে বিমানের নিরাপত্তাকর্মীদের তল্লাশি থাকলেও সেখানে এভিয়েশন সিকিউরিটি কিংবা কাস্টমসের তল্লাশি নেই। ফলে বিভিন্ন সময়ে বিএফসিসি’র কর্মী ও বিএফসিসির গাড়ি থেকে সোনা উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। বিএফসিসি থেকে বিমানবন্দরে প্রবেশের সময়ও যথাযথ তল্লাশি হয় না বলে অভিযোগ আছে।

ঢাকা কাস্টম হাউসের উপ-কমিশনার (প্রিভেন্টিভ) মো. সানোয়ারুল কবীর বলেন, বিএফিসিসি’তে প্রবেশ ও বিএফসিসি থেকে বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে বিমানের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা আছে। তবে সেটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় হয় না বলেই চোরাচালানের ঘটনা ঘটছে। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালাতে গেলেও বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে।

সূত্র জানায়, বিভিন্ন সময়ে চোরাচালানের ঘটনায় লোক দেখানো তদন্ত কমিটি করে বিমান। আটক হওয়া কর্মী ছাড়া কাউকেই সনাক্ত করতে পারেনি ওই কমিটি। নিরাপত্তা জোরদারের ব্যবস্থাও নেয়নি বিমান কর্তৃপক্ষ।

তবে বিভিন্ন সংস্থার তদন্তে বিমানের প্রকৌশল বিভাগ ও বিএফসিসির কর্মীদের চোরাচালানে জড়িত থাকার তথ্য উঠে এসেছে। বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তায় স্বর্ণ বিমানে উঠিয়ে দক্ষ টেকনিশিয়ানের মাধ্যমে তা বিমানে লুকানো হয়। যাত্রীরা নেমে যাওয়ার পর বিমানের লোকজন ছাড়া অন্য কারও উড়োজাহাজে ওঠার সুযোগ নেই। তাই চোরাচালানে বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশের বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ উঠেছে অনেকবার।

বিষয়টি স্বীকার করেছেন বিমান প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী এবং বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু সালেহ মোস্তফা কামাল। সম্প্রতি আবু সালেহ মোস্তাফা কামাল বলেছেন, এটা এক দিনে বন্ধ করতে পারবো না। তবে এর আগে চোরাচালানে জড়িত ১৩ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বিমানকর্মীদের বিমানবন্দরে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় তল্লাশি বাড়ানোর প্রয়োজন বলে মনে করছেন কাস্টম কর্মকর্তারা। ঢাকা কাস্টম হাউসের উপ-কমিশনার (প্রিভেন্টিভ) মো. সানোয়ারুল কবীর বলেন, ‘কেউই সন্দেহের ঊর্ধ্বে নয়। বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময়ও তল্লাশি বাড়াতে হবে।’

এ প্রসঙ্গে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান বলেন, বিএফসিসি’র বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। এখানে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। কেউ যেন তল্লাশি ছাড়া বিমানবন্দরে ঢুকতে ও বের না হতে পারে তা নিশ্চিত করা হবে।

শাহজালালে চালু হলো ই-গেট, ১৮ সেকেন্ডেই ইমিগ্রেশন।

মঙ্গলবার  , ০৭ জুন ২০২২, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ০৬ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চালু হয়েছে ই-গেট (স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থা)। আজ থেকে একজন যাত্রী মাত্র ১৮ সেকেন্ডে নিজেই নিজের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারছেন।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিমানবন্দরের ডিপার্চার (বহির্গমন) এলাকায় মোট ১২টি এবং অ্যারাইভাল (আগমনী) এলাকায় ৩টি ই-গেট স্থাপন করা হয়েছে। রবি ও সোমবার পরীক্ষামূলকভাবে এ গেট ব্যবহার করা হয়েছিল। এতে দেখা গেছে মাত্র ১৮ সেকেন্ডেই একজন যাত্রী নিজের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারছেন। খবর ঢাকা পোস্ট

কামরুল ইসলাম বলেন, সোমবার পরীক্ষামূলকভাবে কিছু যাত্রীকে ই-গেটের মাধ্যমে সফলভাবে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করা হয়। মঙ্গলবার যাত্রীদের জন্য পুরোপুরি ই-গেট চালুর ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ১৮ সেকেন্ডে ই-পাসপোর্টধারী যাত্রী ভেরিফিকেশন শেষে ই-গেট অতিক্রম করতে পারেন।

আজ এ কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম, এবং ই-পাসপোর্ট ইমিগ্রেশন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাদাত। তাদের সামনে ই-গেটের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ই-গেট চালুর স্বীকৃতি পেল।

এর আগে দেশের বিমানবন্দরে ২০১৯ সালে বিমানবন্দরে ই-গেট স্থাপন করা হলেও দীর্ঘদিন ধরে তা চালু করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেশ কয়েকবার ই-গেট চালুর তাগিদ দিয়েছিলেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কাজ শুরু করে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এবং ইমিগ্রেশন পুলিশ। 

যেভাবে কাজ করবে ই-গেট

বাংলাদেশ পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তর জানায়, ই-পাসপোর্ট নিয়ে যখন ই-পাসপোর্টধারী একজন ব্যক্তি ই-গেটের কাছে যাবেন, তখন একটি নির্দিষ্ট স্থানে ই-পাসপোর্টটি রাখলে সঙ্গে সঙ্গে গেট খুলে যাবে। নির্দিষ্ট নিয়মে গেটের নিচে দাঁড়ানোর পর ক্যামেরা ছবি তুলে নেবে। এরপর সব ঠিকঠাক থাকলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই যাত্রী ইমিগ্রেশন পেরিয়ে যেতে পারবেন। তবে কেউ যদি ভুল করেন তা হলে লাল বাতি জ্বলে উঠবে। তখন সেখানে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সঠিকভাবে ই-পাসপোর্ট ব্যবহারে সহযোগিতা করবেন।

আরব পার্লামেন্ট আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ ( সাঃ) এর বিরুদ্ধে ভারতীয় কর্মকর্তাদের মন্তব্যের নিন্দা জানিয়েছেন..!!

মঙ্গলবার  , ০৭ জুন ২০২২, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ০৬ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

আরব পার্লামেন্ট সোমবার নবী মোহাম্মদের বিরুদ্ধে ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মুখপাত্রের দেওয়া দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রত্যাখ্যান করেছেন। একটি বিবৃতিতে, সংসদ নিশ্চিত করেছেন যে এই ধরনের মন্তব্য সহনশীলতা, এবং আন্তঃধর্মীয় সংলাপের নীতির সম্পূর্ণ বিরোধিতা করে এবং ঘৃণার দিকে পরিচালিত করে।

এটি উল্লেখ করেছে যে মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং অন্যের বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধার মধ্যে একটি বড় পার্থক্য রয়েছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অজুহাতে ধর্ম ও তাদের পবিত্র প্রতীককে অবমাননাকর কোনোভাবেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।

রবিবার, ভারতের মিডিয়া বলেছে যে বিজেপি নূপুর শর্মা এবং নবীন কুমার জিন্দালের একটি টিভি অনুষ্ঠানে নবীর বিরুদ্ধে মন্তব্য করার কারণে তাদের সদস্যপদ স্থগিত করেছে।(KUNA)

📌 নিউজ লিংক 👇 নিচে দেওয়া হয়েছে….

✍️ Collected, translated and posted by #MN_Nahar_Hoque

৩০ হাজার অবৈধ প্রবাসীর বসবাস জিলিব আল-শুয়েখ (হাসাবিয়া; আব্বাসিয়াতে)…

মঙ্গলবার , ০৭ জুন ২০২২, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ০৬ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

অভুতপূর্ব নিরাপত্তার অভাব নিয়ে একটা পরিকল্পনা রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যার মূল লক্ষ্য হলো নিরাপত্তাহীনতা, অনিয়ম এবং অপব্যবহার রোধ করা।

এই এলাকাটি দুর্বৃত্তদের ও কুয়েতের আইন লঙ্ঘনকারীদের আশ্রয়স্থল হিসাবে গড়ে উঠেছে। এরই ভিত্তিতে কুয়েতোর উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিলিবের প্রবাসী কর্মীদের শিথিলতা আনতে চাচ্ছেন। অন্যদিকে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে সতর্কতা পেয়ে অভিযানে চালাতে নড়েচড়ে বসেছে কুয়েত।

সিকিউরিটি ফোর্সের একজন কর্মকর্তা আল-কাবাসকে জানান- প্রতিশ্রুতি বিদ্রোহের লক্ষ্য নৈরাজ্যের অবসান ঘটানো যা এই এলাকাটিতে ভীতিকর সৃষ্টি করে রেখেছে।

এমনকি এখানে ভাঙ্গা ইশারাকে ধ্বংসাবশেষের ফেলনা বেসমেন্ট দিয়ে সড়কে চলাচলের পথ তৈরা করা হয়েছে।(গর্তে ইট,তাবুক,সিমেন্টে এগুলো আরকি) তবে রাস্তার ধস তো আছেই সাথে জরাজীর্ণ ভবন, ভাসমান হর্কাস মার্কেট মোট কথা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে…

জিলিবে কয়েক ডজন অভিযান চালোনোর সময় এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেনঃ এলাকাটিতে প্রায় ৩০ হাজার অবৈধ প্রবাসীর বসবাস! এছাড়া আকাম নেই, প্রান্তিক প্রবাসী শ্রমিক, পলাতক প্রবাসী, পতিতালয়ের সাথে সম্পৃক্ত প্রবাসী, মাদক সেবন/বিক্রি ও প্রবাসীদের দ্বারা তৈরী স্থানীয় মদের কারখানা গুলোর কারনেই অপরাধের হার বাড়ার উচ্চতর কারন। আবার – জাতিগত সংস্কৃতি এবং ধর্মীয়ভাবে পরস্পর বিরোধীতে জিলিব তাদের জন্য একটি উর্বর পরিবেশে পরিণত হয়েছে।

জিলিবে বসবাসকারীদের মধ্যে একটি বিশেষ চরিত্র রয়েছে মিশরীয় ও সিরিয়ানদের মাঝে কারন এরা আরব জাতি। এদের পাশাপাশি এশিয়ানদের মধ্যে #বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কান ও রয়েছে। তবে জিলিবে ভারতীয়দের উপস্থিতি অন্যদের উপর আধিপত্য বিস্তার করে যদি অণ্য কারো সাথে তাদের তুলনা না করা হয়।

আরো বেশ কয়েকটি কারন দেখিয়েছে জায়ান পত্রিকা আল-কাবাসঃ

** #দালালঃ

প্রকাশ্যে দালালি কাজে এশিয়ানরা এক্সপার্ট। তাদের মধ্যে কেউ কেউ গ্যাং গঠন করে রেখেছে। তবে কাজে প্রত্যেকে অংশগ্রহণ নেয়না। কারন তারা যেনো আটক না হয় বা প্রশাসনে দারস্ত না হতে হয়।

** #মিথ্যাবলা ও #মদতৈরীঃ

কিছু বেআইনি কাজ প্রকাশিত হয়েছে যা একমাত্র এশিয়্নদের বৈশিষ্ট। বিশেষ করে এ্যালকোহল তৈরী ও জালিয়াতি করা। তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পত্র জাল করে থাকে।

** #ঝগড়াঃ

কিছু প্রবাসীদের সাথে আরব ও কুয়েতি নাগরিকদের ঝগড়ার ঘটনাও ঘটেছে এলাকাটিতে। বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে ঝগড়ায় মেতে উঠে আরব প্রবাসী, নাগরিক ও এশিয়ান প্রবাসীরা।

নারীঅপহরণ ও #জিম্মিদেরমুক্ত_করাঃ

জিলিব আল-শুয়েখে একটি বড় গ্যাং রয়েছে যারা নারী অপহরণে প্রতিনিধিত্ব করে থাকে। নারীদের অপহরণের পর তাকে বিক্রি করা হয় তার সৌন্দর্য্য এবং জাতীয়তার উপর নির্ভর করে।

গোয়েন্দারা এখানকার অপরাধীদের আটক করতে আসলে প্রতিবারই এড়িয়ে অপরাধীরা তাদের এড়িয়ে যাওয়ার বিশেষ ক্ষমতা রাখে এবং ছড়িয়ে পড়ে। এই নিষিদ্ধ আনন্দেতে মজা পায় গ্যাং থাকা লোকেরা তবে ছাড় পাওয়ের পর আবিরো লিপ্ত হয় জিম্মি ও অপহণের কাজে।

নিরাপত্তা_ত্রুটিঃ

আল-কাবাসের সাথে সাক্ষাতকারে এক কর্মকর্তা জিলিব আল-শুয়েখ এলাকায় বিশৃঙ্খলা মোকাবেলায় “নিরাপত্তা ত্রুটির” কথা উল্লেখ করে কারণ হিসেবে বলেন এই “বিশাল পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশ বাহিনীর নিরাপত্তা উপাদানের অভাব”। এলাকার জনসংখ্যা বৃদ্ধি, অপরাধের ধরন ভিন্ন ভিন্ন, বিশেষ করে ইন্টারনেট এবং সোশ্যাল মিডিয়া সচল তারা।

এছাড়া আরো তিনি বলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি কুয়েতি যুবকদের নিয়োগ বৃদ্ধি করে তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার (প্রশাসনিক) কাজ করার যোগ্যতা অর্জনে এই সমস্যাটি কাটিয়ে উঠা সম্ভব।

পতিতালয়ের_দূর্গঃ

জিলিব আল-শুয়েখ পতিতাবৃত্তির ঘাটি! যেখানে রুম গুলোতে পর পর লোহার দর্জা দিয়ে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে রেখেছে।

(নিউজের মূল কথা গুলো লেখা হয়েছে সংক্ষেপে)
কালেক্টঃ জায়ান্ট মিডিয়া আল-কাবাস।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতের ক্ষমতাসীন দলের মুখপাত্রের নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি জারি করেছেন।

সোমবার , ০৬ জুন ২০২২, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ০৫ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

“#সৌদিআরাবিয়া রাজ্য #ভারতীয় জনতা পার্টির মুখপাত্রের দেওয়া বক্তব্যের নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যা নবী মুহাম্মদ (সাঃ) কে অপমান করে।”

📌 নিউজ লিংক 👇নিচে দেওয়া হয়েছে….

✍️ Collected, translated and posted by #MN_Nahar_Hoque

কুয়েত জিলিব এলাকায় অবৈধ স্থাপনা, অবৈধ ব্যবসা সহ অবৈধ বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা…!!

রবিবার , ০৫ জুন ২০২২, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ০৪ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী শেখ আহমাদ আল নওয়াফ শীঘ্রই জিলিব ঘেরাও করার পরিকল্পনা করছেন!

সম্পুর্ন জিলিব অথবা আংশিক বন্ধ করে, অবৈধ ব্যবসা ও সন্দেহভাজন লোকদের গ্রেফতারের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছেন। অবৈধ প্রচুর সংখ্যক লোক জিলিবে অবস্থান করেন বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ধারণা করা হয়!

💜💜 বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আমাদের দেশি অভিবাসী যারা জিলিবে আছেন আশা করি এই ধরনের সমস্যার আগেই নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করে নিরাপদ থাকবেন ইনশাআল্লাহ। অনেক সময় অবৈধদের সাথে যাদের একামা রয়েছে তাদেরকেও মসিবতের শিকার হতে হয়। আল্লাহ্ সকলের প্রতি রহমত করুন এবং হেফাজত করুন।
আমীন সুম্মা আমীন 🤲

📌 নিউজ লিংক 👇 নিচে দেওয়া হয়েছে….

📌 নিউজ লিংক 👇
https://www.facebook.com/1279802592139669/posts/5116596758460214/

✍️ Collected, translated and posted by #MN_Nahar_Hoque

ফেসবুকে নতুন দুই বিভাগ নিয়ে বিভ্রান্ত্রি, যা জানা গেল।

শনিবার, ০৪ জুন ২০২২, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ০৩ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

প্রকাশ: ২০২২-০৬-০৪ ২১:০০:০১ || আপডেট: ২০২২-০৬-০৪ ২১:০১:২৫

বৃহত্তর ফরিদপুরের পাঁচটি জেলা নিয়ে ‘পদ্মা’ ও চট্টগ্রামের ছয়টি জেলা নিয়ে ‘মেঘনা’ নামে ২ টি নতুন বিভাগ হচ্ছে বলে আগেই ঘোষণা দিয়েছেন সরকারের নীতিনির্ধারকেরা। নতুন এই বিভাগ দুটি নিকারের অনুমোদন পেলে দেশে বিভাগের সংখ্যা হবে ১০টি। তবে বিভাগের জন্য সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটিতে (নিকার) অনুমোদন হতে হয়। এখন পর্যন্ত নিকারের সভায় নতুন এই ২ বিভাগের অনুমোদন হয়নি।

এদিকে আজ সন্ধ্যা থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই নতুন বিভাগ হয়ে গেছে লিখে ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছেন। যা সঠিক নয়।

শনিবার (৪ জুন) নিকারের সদস্য ও সরকারের একজন মন্ত্রী একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, গত বৃহস্পতিবার নিকারের সভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে সেটি স্থগিত করা হয়েছে। সরকার যদি সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে, তাহলে ‘শিগগির’ আবার নিকারের সভা হতেও পারে। এটি সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

জানা গেছে, ফরিদপুর জেলার আয়তন ২ হাজার ৭৩ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ১৯ লাখ ৮৮ হাজার ৬৯৭। গোপালগঞ্জ জেলার আয়তন ১ হাজার ৪৬৮ দশমিক ৭৪ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ১১ লাখ ৭২ হাজার ৪১৫। রাজবাড়ীর আয়তন ১ হাজার ১১৮ দশমিক ৮০ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ১০ লাখ ১৫ হাজার ৫১৯। শরীয়তপুরের আয়তন ১ হাজার ৩৬৩ দশমিক ৭৬ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ১১ লাখ ৫৫ হাজার ৮২৪। মাদারীপুরের আয়তন ১ হাজার ১২৫ দশমিক ৬৯ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ১২ লাখ ১২ হাজার ১৯৮। ফলে পদ্মা বিভাগের মোট আয়তন হবে ৭ হাজার ১৪৯ দশমিক ৯৯ বর্গকিলোমিটার। মোট জনসংখ্যা ৬৫ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫৩। সাক্ষরতার হার ৪৮ দশমিক ৯ ভাগ।

অপরদিকে বর্তমানে বৃহত্তর কুমিল্লা ও বৃহত্তর নোয়াখালীর ছয়টি জেলায় মোট জনসংখ্যা প্রায় ২ কোটি। ওই ছয় জেলার আয়তন প্রায় ১৩ হাজার বর্গকিলোমিটার।

এদিকে, গত বছরের অক্টোবরে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে এক অনুষ্ঠানে প্রস্তাবিত এই দুই বিভাগ নিয়ে কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেদিন তিনি বলেছিলেন, বিভাগের ব্যাপারে আমি একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি ২টা বিভাগ বানাব, আমার ২টা নদীর নামে। একটা পদ্মা, একটা মেঘনা। এই দুই নামে ২টা বিভাগ করতে চাই।

সীতাকুণ্ডে কন্টেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণ, পুলিশ সদস্যের পা বিচ্ছিন্ন

শনিবার, ০৪ জুন ২০২২, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ০৩ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

প্রকাশ: ২০২২-০৬-০৪ ২০:১৩:২৯ || আপডেট: ২০২২-০৬-০৪ ২০:১৫:৪১

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের একটি কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়েছে। এতে এক পুলিশ কনস্টেবলের পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আরও অন্তত নয়জন পুলিশ সদস্যসহ অনেকে আহত হয়েছেন।

আজ শনিবার রাত ১১টার দিকে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থল থেকে অন্তত চার কিলোমিটার এলাকা কেঁপে ওঠে। আশপাশের বাড়ি–ঘরের জানালার কাঁচ ভেঙে পড়ে।

পুলিশ জানিয়েছে, সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের কনস্টেবল তুহিনের পা বিচ্ছিন্নসহ আরও অন্তত পাঁচ কনস্টেবল, ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোতাহার হোসেন এবং শিল্প পুলিশের একাধিক সদস্য আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ফায়ার সার্ভিসের এক সদস্য আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ভাটিয়ারির বাংলাদেশ শিপব্রেকার্স অ্যাসোসিয়েশন হাসপাতালে আহত অন্তত ২০ জনকে নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত নয়টার দিকে বিএম কন্টেইনার ডিপোর লোডিং পয়েন্টের ভেতরে আগুনের সূত্রপাত হয়। কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। রাত পৌনে ১১টার দিকে এক কন্টেইনার থেকে অন্য কন্টেইনারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। একটি কন্টেইনারে রাসায়নিক থাকায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটনা ঘটে। এতে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, স্থানীয় শ্রমিকসহ অনেকে আহত হন।

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন বণিক প্রথম আলোকে বলেন, বিস্ফোরণে পুলিশের অন্তত ১০ সদস্যসহ আরও অনেকে আহত হয়েছেন। রাসায়নিকের কন্টেইনারে বিস্ফোরণের কারণে দুর্ঘটনাস্থলে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন।