কুয়েতে এক ভারতীয় মহিলাকে বন্দী করে রেখেছিলেন সহকর্মীরা

প্রকাশ: ২০২২-০৬-০২ ১০:৫০:৫১ || আপডেট: ২০২২-০৬-০২ ১০:৫৪:১৫


কুয়েত: আন্দ্রা প্রদেশের তিরুপতি থেকে কুয়েত আসা একজন ভারতীয় মহিলাকে উদ্ধার করতে ভারত এবং রাজ্যে (অন্ধ্র প্রদেশ) নিকট তার পরিবার সাহায্য চেয়েছেন।

পরিবারের অভিযোগ,মহিলার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করতে বাধ্য ও নির্যাতন করা হয়েছে এবং তাকে আটকে রাখা হয়েছে।

আল রাই পত্রিকার সংবাদের সুত্রে আরব টাইমস জানিয়েছে যে, ভিডিও ক্লিপের ভিত্তিতে দুস্থ গৃহকর্মীর স্বামী তাকে সাহায্য করার জন্য কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে তার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার আশায় ভারতের স্থানীয় মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

একটি হোয়াটসঅ্যাপ ভিডিও বার্তায় পেদ্দাবদ্দিপল্লির শ্রাবণী বলেছেন, তিনি কুয়েতি বাড়ীতে গৃহকর্মীর কাজ করতেন, সেখানে তাকে অমানবিক নির্যাতন করা হলে, ভিসা এজেন্ট চেঙ্গল রাজাকে অভিযোগ জানালে রাজা তাকে একটি ঘরে বন্দী করে রেখেছেন।

, তিনি কুয়েতের একটি বাড়িতে অমানবিক আচরণের অভিযোগ করেছিলেন, যেখানে তিনি দাসী হিসেবে কাজ করছিলেন। রাজা এবং মহিলা একই গ্রামের বাসিন্দা।

শ্রাবনী বলেন “আমি যে বাড়িতে কাজ করতাম সেখানে নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আমি তাকে চাকরি পরিবর্তনের জন্য বলেছিলাম।

আমি কাজ ছেড়ে দেওয়ার পর, সে এবং তার সঙ্গী বাওয়াজি আমাকে চার দিন আগে একটি ঘরে বন্দী করে রেখেছিল, এবং আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করছে,” তিনি তার স্বামীর, কাছে পাঠানো ভিডিওতে এসব অভিযোগ করেছেন।

তিনি বলেন যে, তাকেও খাবার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। শ্রাবণীর পরিবার জানিয়েছে, আর্থিক অবস্থার কারণে সে কুয়েতে চাকরি নিয়েছে।

রাজা এবং বাওয়াজি তাকে একটি কুয়েতি পরিবারের দায়িত্ব দিয়েছিলেন, যেখানে তাকে সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কাজ করতে হয়েছিল, প্রায়শই তাকে খাবার দেওয়া হত না।

পরিবার বলছে, এজেন্টদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য তাদের বারবার প্রচেষ্টা বৃথা গেছে।

১১ মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৬০০ কোটি ডলার বিক্রি।

বুধবার, ০১ জুন ২০২২, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ৩০ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

ডলার বিক্রি করেই চলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মুদ্রাবাজার স্বাভাবিক রাখতে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করা হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবারও ১২ কোটি ৩০ লাখ ডলার বিক্রি করেছে। এর ফলে রিজার্ভ কমে ৪২ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। সব মিলিয়ে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের ১১ মাসে (২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২২ সালের ৩১ মে) প্রায় ৬০০ কোটি (৬ বিলিয়ন) ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর বিপরীতে বাজার থেকে ৫৩ হাজার কোটি টাকার (প্রতি ডলার ৮৯টাকা) বেশি তুলে নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এত ডলার বাজারে ছাড়া হয়নি। এরপরও বাজারের অস্থিরতা কাটছে না। আমদানি অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় এই সংকট দেখা দিয়েছে।

বাজারে চাহিদার তুলনায় ডলারের সরবরাহ কম। সে কারণে প্রতিদিনই কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আন্তব্যাংক দরে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সামাল দিতে সবশেষ গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের বিপরীতে টাকার মান আরেক দফা কমিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ দফায় এক ধাক্কায় টাকার মান ১ টাকা ১০ পয়সা কমিয়ে সব ব্যাংকের জন্য ডলারের একক দর ৮৯ টাকা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।

ব্যাংকগুলো নিজেদের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের বেঁধে দেয়া দরে ডলার কেনাবেচা করলেও সাধারণ মানুষের কাছে নগদ ডলার বিক্রি করছে সাড়ে ৪ টাকা থেকে ৭ টাকা বেশি দরে। খোলাবাজার বা কার্ব মার্কেটে বিক্রি হচ্ছে আরও বেশি দামে। রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক মঙ্গলবার ৯৩ টাকা ৪৫ পয়সা দরে নগদ ডলার বিক্রি করেছে। জনতা ব্যাংক থেকে ১ ডলার কিনতে লেগেছে ৯৩ টাকা ৯০ পয়সা। অগ্রণী ব্যাংক বিক্রি করেছে ৯৩ টাকা ৫০ পয়সায়। বেসরকারি ইস্টার্ন ব্যাংক থেকে ১ ডলার কিনতে লেগেছে ৯৬ টাকা। প্রাইম ব্যাংক নিয়েছে ৯৫ টাকা। খোলাবাজারে প্রতি ডলার ৯৭ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

অস্থির বাজারে ১৭ মে খোলাবাজারে ডলারের দর ১০০ টাকা ছাড়িয়ে ১০২ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। ১৮ মে ১০০ টাকার বেশি দরে কার্ব মাকেটে ডলার বিক্রি হয়। ১৯ মে অবশ্য ডলারের দর ১০০ টাকার নিচে নেমে এসে ৯৬ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৯৬ টাকায় ৩০ পয়সায় বিক্রি হয়। এরপর থেকে কার্ব মাকেটে ডলার ৯৬ টাকা থেকে ৯৮ টাকার মধ্যেই কেনাবেচা হচ্ছে। ওই কয় দিন ইস্টার্ন ও প্রাইম ব্যাংক ৯৮ টাকা দরে নগদ ডলার বিক্রি করেছে।

ব্যাংকগুলোর দাবির পরিপেক্ষিতে রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংক আন্তব্যাংক কেনাবেচার ক্ষেত্রে ডলারের দাম ৮৯ টাকা নির্ধারণ করে দেয়। পাশাপাশি আমদানিকারকদের কাছে বিক্রির ক্ষেত্রে প্রতি ডলারের দাম ৮৯ টাকা ১৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। ব্যাংকগুলো অবশ্য আন্তব্যাংক লেনদেনে প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য ৮৯ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণের প্রস্তাব করেছিল। ব্যাংকগুলো সোম ও মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেয়া ৮৯ টাকা দরে নিজেদের মধ্যে ডলার কেনোবেচা করেছে। আমদানিকারকদের কাছে বিক্রির ক্ষেত্রেও ৮৯ টাকা ১৫ পয়সা নির্ধারণ করা দর মেনেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, বাজারে ডলারের চাহিদা মেটাতে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের মঙ্গলবার পর্যন্ত অর্থাৎ অর্থবছরের ১১ মাসে মোট ৫৯৫ কোটি (৫.৯৫ বিলিয়ন) ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক । বিভিন্ন সময়ে আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজার দরে এই ডলার বাজারে ছাড়া হয়েছে। মঙ্গলবার যে ১২ কোটি ৩০ লাখ ডলার ছাড়া হয়েছে তা সোমবার থেকে নতুন বেঁধে দেয়া দর ৮৯ টাকা দরে বিক্রি করা হয়েছে।

করোনা মহামারির কারণে গত ২০২০-২১ অর্থবছর জুড়ে আমদানি বেশ কমে গিয়েছিল। কিন্তু প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ও রফতানি আয়ে উল্লম্ফন দেখা যায়। সে কারণে বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়ে যায়। সে পরিস্থিতিতে ডলারের দর ধরে রাখতে গত অর্থবছরে বাজার থেকে রেকর্ড প্রায় ৮ বিলিয়ন (৮০০ কোটি) ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তারই ধারাবাহিকতায় চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়েও ২০ কোটি ৫০ লাখ ডলার কেনা হয়।

আগস্ট মাস থেকে দেখা যায় উল্টো চিত্র। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে শুরু করে আমদানি। রফতানি বাড়লেও কমতে থাকে রেমিট্যান্স। বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভও কমতে থাকে। বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে যায়; বাড়তে থাকে দাম। বাজার স্থিতিশীল রাখতে আগস্ট থেকে ডলার বিক্রি শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, গত বছরের ৫ আগস্ট আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় বিক্রি হয়। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এই একই জায়গায় ‘স্থির’ ছিল ডলারের দর। এরপর থেকেই বাড়তে থাকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রার দর। হিসাব করে দেখা যাচ্ছে, এই ১০ মাসে বাংলাদেশি মুদ্রা টাকার বিপরীতে ডলারের দর বেড়েছে প্রায় ৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, করোনার পর দেশে বিনিয়োগের অনুকুল পরিবেশ ফিরে আসায় শিল্পের কাঁচামাল, মূলধনি যন্ত্রপাতিসহ সব ধরনের পণ্যের আমদানি বেড়ে গিয়েছিল। এছাড়া বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, খাদ্যপণ্যসহ সব পণের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণেও আমদানি খরচ বাড়ছিল।

তিনি বলেন, আমদানি কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সরকারও কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। আশা করছি, এখন আমদানি ধীরে ধীরে কমে আসবে। মুদ্রাবাজারও স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী এখন ডলার বিক্রি করছে। গত অর্থবছরজুড়ে বাজার স্থিতিশীল রাখতে ডলার কেনা হয়েছিল। এখন সেই একই কারণে বিক্রি করা হচ্ছে। এই কাজটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক সব সময়ই করে থাকে। যখন যেটা প্রয়োজন, সেটাই করা হয়।


এদিকে আমদানি বাড়ায় রিজার্ভেও টান পড়েছে। মঙ্গলবার দিন শেষে রিজার্ভ ছিল ৪২ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার। কয়েকদিন আগেও এই রিজার্ভ ৪২ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলারে উঠেছিল। বাজারে ডলার ছাড়ায় তা কমে এসেছে। প্রতি মাসে ৮ বিলিয়ন ডলার আমদানি খরচ হিসেবে বর্তমানের রিজার্ভ দিয়ে পাঁচ মাসের কিছু বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। অথচ গত বছরের আগস্টে এই রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছিল, যা ছিল অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। ওই সময়ে প্রতি মাসে সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার আমদানি খরচ হিসেবে ১০ মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানোর রিজার্ভ ছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকে। আন্তর্জাতিক মানদÐ অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রার মজুত থাকতে হয়।

ভুল লাগেজে দেড় কোটির হীরা-সোনা, এসআইয়ের বিচক্ষণতায় ছাড়া পেলেন প্রবাসী

বুধবার, ০১ জুন ২০২২, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ৩০ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

দেড় কোটি টাকার হীরা ও সোনা চোরাচালানের অভিযোগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটক হন দুবাই প্রবাসী শাহজাহান মিয়া। যেতে হয় কারাগারে। শাহজাহান মিয়ার সঙ্গে থাকা ব্যাগে এসব হীরা, সোনা পাওয়া গেলেও তার দাবি, জিনিসগুলো তার নয়। কিন্তু দাবির পক্ষে নেই প্রমাণ। চোরাচালানের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শেখ শুরু করেন তদন্ত। অবশেষে তিনিই প্রমাণ করেন, শাহজাহান মিয়া চোরাচালানকারি নন।

২০২১ সালের ১৪ নভেম্বর দুবাই থেকে ঢাকায় আসেন প্রবাসী শাহজাহান মিয়া। এমিরেটস এয়ারলাইনের ইকে ৫৮৪ ফ্লাইটে সকাল ১১টার দিকে বিমানবন্দরে অবতরণ করে, কাস্টমসের কাছে ২৩২ গ্রাম ওজনের ২টি স্বর্ণের বারের ঘোষণা দিয়ে শুল্ক পরিশোধ করেন তিনি। তার সঙ্গে ছিল আরও ৯৬ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার।

শুল্ক পরিশোধ করে শাহজাহান মিয়া গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার সময় তার লাগেজ স্ক্যান করেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। সে সময় লাগেজের ভেতরে স্বর্ণের ইমেজ পাওয়া যায়।

বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে তার ট্রলি ব্যাগ থেকে হীরাসহ অন্যান্য অলঙ্কার বেরিয়ে আসে। যার মধ্যে ছিল বেশ কিছু নেকলেস, আংটি ও চেইন। সবগুলোর ওজন দুই হাজার ২৫৭ দশমিক ১৮৬ গ্রাম। এরপর প্রবাসী শাহজাহান মিয়াকে মিথ্যা ঘোষণা প্রদান করার অভিযোগে আটক করে কাস্টমস। আটককৃত অলংকারের আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল প্রায় দেড় কোটি টাকা।

পরে ঢাকা কাস্টমস হাউজের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (প্রিভেন্টিভ) কে এম রেদওয়ানুল ইসলাম বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন। বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয় শাহজাহান মিয়াকে।

দুদিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ পান তিনি।

জিজ্ঞাসাবাদে শাহজাহান মিয়া জানান, এসব সোনা-হীরা তার নয়। তার দাবির সূত্র ধরে ক্লু খুঁজতে থাকেন তিনি।

বাংলা ট্রিবিউনকে আসাদুজ্জামান বলেন, আলামত হিসেবে শাহজাহান মিয়ার ট্রলি ভালো করে চেক করে দেখি। তখন সেখানে একটি ভিএসকে জুয়েলার্স নামের প্রতিষ্ঠানের ইনভয়েস পাই। তাতে কিছু লেখা ছিল না।

আসাদুজ্জামান শেখ বলেন, তখন আমি ইনভয়েসে থাকা ইমেইল অ্যাড্রেসে পরিচয় গোপন রেখে ইমেইল করি। তাদের জানাই, দুবাই বিমানবন্দরে একটি ট্রলিব্যাগ পেয়েছি, যাতে অলংকার আছে এবং সেগুলো ফেরত দিতে চাই। ফিরতি মেইল পেলাম। সেখানে ভিএসকে জুয়েলার্স মালিক পরিচয়ে বিশঙ্ক সঞ্জয় কোঠারি নামের এক ব্যক্তি উত্তর দেন। তিনি মেইলে জানান, তিনি ও তার সহকর্মী দুবাই থেকে বাহরাইন যাওয়ার সময় দুবাই বিমানবন্দরে তাদের গয়নাসহ হ্যান্ড ল্যাগেজ হারিয়ে ফেলেন। যেসব অলংকার ছিল সেগুলো দুবাই কাস্টমসে ঘোষণাকৃত এবং ট্রলিব্যাগ হারানোর পরে তিনি দুবাই পুলিশের কাছে অভিযোগও করেছেন।

মেইলের জবাব পাওয়ার পর আসাদুজ্জামান শেখ বুঝতে পারেন শাহজাহানের দাবি সত্য হতেও পারে। এরপর তিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উত্তরা জোনের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেন এবং সেই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকেন।

সাব-ইন্সপেক্টর আসাদুজ্জামান বলেন, পরে বিশঙ্ক নামের ওই ব্যক্তিকে পরিচয় দিয়ে বিস্তারিত জানাই। তাকে কূটনৈতিকভাবে যোগাযোগ করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলি।

জানা গেছে, ভিএসকে জুয়েলার্স-এর মালিক বিশঙ্ক কোঠারি দুবাইতে অবস্থিত বাংলাদেশ কনসুলেট জেনারেল বরাবর চিঠি দেন। এরপর দুবাই কনসুলেটের ফার্স্ট সেক্রেটারি মনোয়ার ফোন করে বিস্তারিত জানতে চান। সেই সঙ্গে দুবাই থেকে কূটনৈতিক অ্যাফেয়ার্সের পুলিশ অফিসার ক্যাপ্টেন বাদের আল যাফিনও এসআই আসাদুজ্জামানকে ফোন করে ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নেন।

এ ঘটনায় দুবাই থেকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হয়। মন্ত্রণালয় থেকে বিমানবন্দর থানায় যোগাযোগ করে মামলার বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হয়। দুবাইয়ের ঘটনার বিষয়েও অবহিত করা হয়।

সাব-ইন্সপেক্টর আসাদুজ্জামান শেখ বলেন, পরে আমাকেও বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বেশ কয়েকবার ফোন করে বিষয়টি জানানো হয়। মন্ত্রণালয় থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দফতরে চিঠি যায়। সার্বিকভাবে বিষয়টি পরিষ্কার হয়।

দুবাই বিমানবন্দরে একই রকম লাগেজ হওয়ায় প্রবাসী শাহজাহান ও  ভিএসকে জুয়েলার্সের মালিকের লাগেজ অদলবদল হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে মামলাটির ফাইনাল রিপোর্ট আদালতে জমা দিয়েছি। ইতোমধ্যে আটক প্রবাসী শাহজাহানসহ দুই ব্যক্তি মুক্ত হয়েছেন।

শাহজাহান মিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বিমানবন্দরে আটক হওয়ার পর থেকে বারবার বলেছিলাম, এসব আমার না। কেউ প্রথমে বিশ্বাস করেনি। পরিবারের কাছেও যেতে পারিনি। অনেক দিন জেলে থাকতে হয়েছে। সাব-ইন্সপেক্টর আসাদুজ্জামান সাহেব যদি আমার কথা বিশ্বাস না করতেন, তাহলে হয়তো এই চোরাচালানের দায় নিয়ে এখনও জেলেই থাকতে হতো।

কুয়েতে বাংলাদেশসহ ৬ দেশের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট।

মঙ্গলবার, ৩১ মে ২০২২, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৯ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

কুয়েতে প্রবাসীদের নিয়ে শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। কুয়েত ক্রিকেট কাউন্সিল আয়োজনে এ টুর্নামেন্টের বাংলাদেশসহ ৬ দেশের প্রবাসীরা অংশগ্রহণ করবেন। বৃহস্পতিবার (২ জুন) থেকে শুরু হওয়া টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান।

কুয়েতের স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১০টায় দেশটি সোলবিয়া ক্রিকেট মাঠে টুর্নামেন্টের সবগুলো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ছাড়া বাকি পাঁচ দল হলো- ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, স্বাগতিক কুয়েত এবং আফগানিস্তান।

বুধবার (১ জুন) কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসিকুজ্জামান বাংলাদেশ টিমের জার্সি উদ্বোধন করবেন।

উদ্বোধনী ম্যাচের পর বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বী আফগানিস্তানের প্রবাসীরা। শুক্রবার (৩ জুন) সন্ধ্যা ৭টায় একই মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৪ জুন বিকেল সাড়ে ৩টায় ভারত, ৫ জুন বিকেল ৫টায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামবেন বাংলাদেশের প্রবাসীরা।

৬ জুন রাত সাড়ে ৮ টায় কুয়েতের বিপক্ষে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টে সবগুলো ম্যাচ শেষে পয়েন্টপ্রাপ্তির ভিত্তিতে চ্যাম্পিয়ন দল নির্বাচন করা হবে। চ্যাম্পিয়ন ও রানাস-আপ দলকে নগদ অর্থ পুরস্কার এবং ট্রফি দেওয়া হবে।

আগামি কাল থকে শাহজালাল বিমানবন্দরে চালু হচ্ছে ই-গেট

মঙ্গলবার, ৩১ মে ২০২২, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৯ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

উদ্‌বোধনের প্রায় ১১ মাসেও চালু হয়নি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ই-গেট কার্যক্রম। তবে, আগামী জুনের মধ্যে ই-পাসপোর্টধারী যাত্রীরা আধুনিক এ সেবা পাবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

২০২১ সালের ৩০ জুন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ই-গেট উদ্‌বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
তখন বলা হয়েছিল—এত দিন ইমিগ্রেশন পুলিশ ম্যানুয়ালি যে কাজ করতো, সেটি এখন ই-গেটের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।

কিন্তু, উদ্‌বোধনের প্রায় এক বছরেও এত দিন ই-গেট ব্যবহারের উপযোগী ছিল না। তাই ই-পাসপোর্টধারী যাত্রীরা কোনো সুফল পাচ্ছিল না।
অবশেষে আগামী জুন মাসের মধ্যেই ই-গেট চালু হচ্ছে।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগে অতিরিক্ত সচিব (নিরাপত্তা ও বহিরাগমন অনুবিভাগ) আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী বলেন, ‘শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনে ই-গেট ব্যবহার করা যাবে জুন মাসের মধ্যে। এ বিষয়ে আমাদের কাজ প্রায় শেষ দিকে।’

আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী জানান, অন্যান্য উন্নত দেশের মতো বাংলাদেশে ই-পাসপোর্টধারী যাত্রীদের জন্য ই-গেট চালু হতে যাচ্ছে। ই-গেট চালু হলে ইমিগ্রেশনে যাত্রী খুব সহজে কম সময়ে ইমিগ্রেশন কাজ শেষ করতে পারবেন।

কিন্তু, ই-গেট ব্যবহার বা চালু করতে এত সময় লাগছে কেন, জানতে চাইলে আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী বলেন, ‘দেখুন ই-পাসপোর্টের সব তথ্য ই-গেটে সফটওয়্যারে অটোমেটিক সব ডেটা দেখাবে। সেজন্য এ কাজটি যে কোম্পানি করছে, একটু সময় লাগছে। এখন কাজ শেষ পর্যায়ে। আমরা আগামী জুন মাসের মধ্য চালু করতে পারব।’

ই-গেটের সুবিধা নিয়ে আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী বলেন, ‘ই-গেট চালু হলে যাত্রী নিজে নিজেই ইমিগ্রেশন করতে পারবে, কোনো ধরনের হয়রানি হবে না, সময় বাঁচবে, দ্রুত সময়ে ইমিগ্রেশন শেষ করতে পারবে।’

বিমানে চড়ে ঢাকায় ফিরে দেখলেন লাগেজে থাকা লাখ টাকা গায়েব।

সোমবার ৩০ মে ২০২২, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৮ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

নেপাল থেকে গত ২৩ মে দুপুরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ‘বিজি ৩৭২’ ফ্লাইটে ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন  আওয়ামী লীগ নেতা তৌহিদ হোসেন। বাড়িতে গিয়ে দেখেন তার লাগেজে থাকা লাখ টাকা গায়েব। বিমান বাংলাদেশ  এয়ারলাইন, বিমানবন্দর আর্মড পুলিশে অভিযোগও দেন তিনি। কিন্তু ৭ দিন পার হয়ে গেলেও কোনও সদুত্তর পাননি।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটি সদস্য তৌহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ কন্টাক সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের সাধারণ সম্পাদক এবং নিজ প্রতিষ্ঠান ফিফোটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আমাকে ব্যবসার প্রয়োজনে প্রতিমাসে কয়েকবার বিভিন্ন দেশে যেতে হয়। নেপালে ব্যবসায়িক কাজ শেষে ২৩ মে দুপুরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে ঢাকায় আসি। নেপাল যাওয়ার পর আমার কাপড়ের লাগেজে টাকা ছিল। বাংলাদেশে ফেরার সময় লাগেজ থেকে টাকাগুলো আমি হ্যান্ডব্যাগে নিতে ভুলে যাই। আমার লাগেজে ১১শ ডলার ও কিছু বাংলাদেশি মুদ্রা ছিল। ঢাকায় ফিরে বাসায় এসে দেখি টাকা নেই, চেইনও খোলা।

এমন পরিস্থিতিতে নেপালে যোগাযোগ করেন তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, আমার পরিচিত বন্ধু নেপাল ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রমোদকে বিস্তারিত জানাই। তিনি ২৩ তারিখে নেপাল এয়ারপোর্টে গিয়ে অভিযোগ জানিয়ে সিসি ক্যামেরার  ভিডিও ফুটেজ চেক করেন। হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কল করে আমাকে নেপাল এয়ারপোর্টের সম্পূর্ণ ভিডিও ফুটেজ দেখান। প্লেনে উঠা পর্যন্ত কাউকে লাগেজ খুলতে দেখা যায়নি। নেপাল এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমান কিংবা বাংলাদেশের কোনও কর্তৃপক্ষ যদি অনুসন্ধান করে তবে তারা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দিয়ে সহায়তা করবে।

তৌহিদ হোসেন বলেন, ২৪ মে বিমানবন্দরে এপিবিএনের কাছে দরখাস্ত করি যেন  তারা সুষ্ঠু তদন্ত করে। আমাকে এপিবিএন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চেক করে জানাবেন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনের  গ্রাহক সেবা বিভাগের পরিচালকের কাছেও লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, বিমান থেকে লাগেজ বের করা থেকে শুরু করে বেল্ট এ আসা পর্যন্ত সম্পূর্ণ ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় তাহলে প্রকৃত অপরাধী ধরা যাবে। কিন্তু যদি কোনও জায়গায় ফুটেজ না থাকে তাহলে সম্ভব হবে না। কারণ যারা এ কাজটি করে তারা জেনেশুনেই করে।

তৌহিদ হোসেন বলেন,  ৭ দিন পার হয়ে গেলো। আমি লিখিত অভিযোগ বিমান প্রতিমন্ত্রী, সচিব, বিমানের পরিচালককে মেইল করেছি। বিমানবন্দর আর্মড পুলিশে গিয়ে অভিযোগ দিয়ে এসেছি। কিন্তু কেউ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক তাহেরা খন্দকার বলেন, যাত্রী যদি যথাযথ প্রক্রিয়ায় অভিযোগ করে থাকেন, তাহলে তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে বিমানের কেউ দায়ী হলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুয়েত স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন আমরা এখন পর্যন্ত কুয়েতে কোনো মাঙ্কিপক্সের ঘটনা শনাক্ত করিনি।

সোমবার ৩০ মে ২০২২, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৮ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

এতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. খালেদ আল-সাইদ বলেছেন এখন পর্যন্ত কুয়েতে মাঙ্কিপক্সের কোনো ঘটনা শনাক্ত করেননি, যা ইঙ্গিত করে যে মন্ত্রণালয় এই রোগের বিষয়ে তার নজরদারি কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

আজ সকালে ১০তম কুয়েত স্বাস্থ্য সম্মেলন ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনের পাশাপাশি, মন্ত্রী আল-সাইদ বেসরকারী চিকিৎসা খাতের গুরুত্ব এবং দেশের নাগরিক ও বাসিন্দাদের পরিষেবা প্রদানের ভূমিকার উপর জোর দিয়েছিলেন।

📌 নিউজ লিংক 👇নিচে দেওয়া হয়েছে….

✍️ Collected, translated and posted by #MN_Nahar_Hoque

মিশরের রাষ্ট্রপতি পদের প্রাক্তন ইসলামপন্থী প্রার্থী আবুল ফতু এবং ইখওয়ান নেতা মাহমুদকে ১৫ বছরের সাজা।

রবিবার ২৯ মে ২০২২, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৭ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

কায়রোঃ আজ রবিবার একটি মিশরীয় আদালত মিথ্যা সংবাদ ছড়ানোর অভিযোগে মিশরের রাষ্ট্রপতি পদের প্রাক্তন ইসলামপন্থী প্রার্থী আবদেল মোনেইম আবুল ফোতুহ এবং ব্রাদারহুড নেতা মাহমুদ ইজ্জাতকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে।

একজন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা ঘোষণা করেছেন যে, আদালত সেই মামলায় আরো ১৪জন ইসলাম পন্থী আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে ।

তাদের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে “রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ ছড়ানো এবং উসকানি দেওয়ার” অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছিল।

মিডল ইস্ট আই ও আল জাজিরা জানিয়েছে যে, সাজাপ্রাপ্তরা সবাই সাবেক প্রেসিডেন্ট মুরসীর সমর্থক ।

শাহজালাল বিমানবন্দরে নিত্য যাত্রী ভোগান্তি।

রবিবার ২৯ মে ২০২২, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৭ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

ভোগান্তির অপর নাম হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
বিশ্বের যে প্রান্ত থেকেই আসেন ঢাকার এই বিমানবন্দরে নামতেই ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
দেশি-বিদেশী বিনিয়োগকারী ও পর্যকটকের কাছে দেশে ‘আয়না’ হিসেবে পরিচিত এই আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অনিয়মই হয়ে গেছে নিয়ম। ভিভিআইপি এবং হোমরা চোমরা ছাড়া প্রায় সব শ্রেণির যাত্রীকে পোহাতে হয় ভোগান্তি।
বিশেষ করে বিদেশে যারা শ্রম দিতে যান সেই প্রবাসী শ্রমিকদের দুর্দশার কোনো সীমা পরিসীমা নেই।
সাধারণ যাত্রীদের পদে পদে পড়তে হয় দুর্ভোগে। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর যেন দেশি বিদেশী যাত্রী হয়রানির ‘হাব’ এ পরিণত হয়ে গেছে।

জানতে চাইলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. কামরুল ইসলাম বলেন, অধিক সংখ্যক ফ্লাইট একই সময়ে হলে দুর্ভোগ হয় অনেক সময়।
যাত্রীদের লাগেজ পেতে সময় লাগতে পারে।
এটা ছাড়া আমাদের ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে যাত্রীদের ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার।
সবকিছুই মনিটর করা হচ্ছে।

বিমানবন্দরে বিদেশ যাওয়া এবং বিদেশ থেকে এলেই যাত্রীদের গাড়ি চালকদের টানাটানি, ফ্লাইট শিডিউল বিপর্যয়, স্বল্পসময়ে অধিক ফ্লাইট ওঠানামা, অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ, যাত্রীদের স্ক্যান করার পরও কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনে আলাদাভাবে তল্লাশি, লাগেজ পেতে বিড়ম্বনা, পার্কিং বিড়ম্বনা, ট্রলি সঙ্কট, দালালের উৎপাত বেড়ে গেছে। এমনকি বিমানবন্দরে পৌঁছে ঠিকঠাক মত তথ্য না পাওয়া, বিদেশ থেকে দেশে ফিরেই বিমানবন্দরেই ঘন্টার পর ঘন্টা সময় অতিবাহিত করতে হয় যাত্রীদের। শুধু তাই নয়, বিমানবন্দরের টয়লেটগুলো ও ভেতরের মেঝে প্রায় সময় নোংরা অবস্থায় দেখা যায়। এতে মশার উৎপাত দিন দিন বেড়েই চলছে। যাত্রীদের এসব ভোগান্তির শেষ কবে হবে তা জানা নেই সংশ্লিষ্টদের। তবে ভোগান্তি শেষ করতে না পারলেও শিগগরই ট্রলি সঙ্কট কেটে যাবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন শাহজালাল বিমানবন্দরের নতুন পরিচালক। আর যাত্রী ভোগান্তি কমাতে শুরু হয়েছে মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং।

সৌদি আরবে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের করোনা ভ্যাকসিন এর চতুর্থ ডোজ প্রদান করা হবে।

শুক্রবার   ২৭ মে ২০২২, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৫ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৬ ধরণের ব্যক্তিদের করোনা ভ্যাকসিন এর চতুর্থ ডোজ অর্থাৎ করোনা ভ্যাকসিন এর দ্বিতীয় বুস্টার ডোজ প্রদান করা হবে। মন্ত্রণালয় আরো জানিয়েছে, যেসকল ব্যক্তিরা এই নির্দিষ্ট ৬ ধরণের শ্রেণীর মধ্যে পড়েন, তারা করোনা ভ্যাকসিন এর প্রথম বুস্টার ডোজ গ্রহণ করার ৪ মাস অতিবাহিত হবার পরে দ্বিতীয় বুস্টার ডোজ গ্রহণ করার জন্য এপয়েন্টমেন্ট গ্রহণ করতে পারবেন।

৬ ধরণের ব্যক্তিদের করোনা ভ্যাকসিন এর দ্বিতীয় বুস্টার ডোজ প্রদান করবে সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

তারা হলেনঃ-,,,,,

১/ ৫০ বছর বা তার অধিক বয়সী ব্যক্তিবর্গ।

২/ যারা কিডনী বিকল রোগে আক্রান্ত অবস্থায় রয়েছেন।

৩/ যেসকল রোগী বিগত ২ বছরের মধ্যে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট এর মধ্য দিয়ে গিয়েছেন।

৪/ যেসকল ক্যান্সার রোগী বর্তমানে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।

৫/ যেসকল রোগী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় – এসকল রোগে আক্রান্ত রয়েছেন। (যেমন, এইচআইভি)

৬/ যেসকল রোগীর অঙ্গ প্রতিস্থাপিত হয়েছে এবং তারা বর্তমানে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ওষুধ গ্রহণ করছেন।