মিয়ানমারের সৈকতে ভেসে আসল ১৪ রোহিঙ্গার লাশ।

মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২২ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

মিয়ানমারের একটি সমুদ্র সৈকতে ১৪ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে।স্থানীয় এক রোহিঙ্গা অ্যাক্টিভিস্ট জানিয়েছেন, কিছু রোহিঙ্গা পশ্চিম মায়ানমার থেকে নৌকায় করে মালয়েশিয়ায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছিল। সোমবার (২৩ মে) এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।

ইয়াঙ্গুন থেকে ২০০ কিলোমিটার পশ্চিমে পাথেইন জেলার পুলিশের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল তুন শোয়ে বলেন, “চৌদ্দটি মৃতদেহ পাওয়া গেছে এবং নৌকার মালিকসহ ৩৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।”

মায়ানমার রেসকিউ অর্গানাইজেশন প্যাথেইন-এর একজন সদস্য বলেছেন, তারা রবিবার আটটি মৃতদেহ পেয়েছেন এবং তারা সবাই রোহিঙ্গা সংখ্যালঘু। স্থানীয় এক রোহিঙ্গা কর্মী এএফপিকে বলেছেন, এদের মধ্যে ১২ জন নারী ও দুই শিশুর মরদেহ পাওয়া গেছে।

রেসকিউ অর্গানাইজেশনের এক কর্মী জানান, নৌকাটি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বুথিডাং, মংডু এবং সিত্তওয়ে শহর থেকে রোহিঙ্গাদের নিয়ে যাত্রা করেছিল। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানান, নৌকাটিতে ৬১ জন যাত্রী ছিল। উদ্ধারকারী দলের একজন সদস্য এএফপিকে জানিয়েছেন, ১২ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

মুখপাত্র তুন শোয়ে বলেছেন, যাদের উদ্ধার করা হয়েছে তাদের পাথেইন থানায় রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা হবে কিনা তা তিনি বলেননি।

২০১৭ সালে সেনা অভিযানের জেরে লাখ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে যায়। এদের বেশিরভাগই আশ্রয় নিয়েছে বাংলাদেশে।প্রতি বছর শত শত রোহিঙ্গা সমুদ্রপথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করে।

আবারও কমল টাকার মান।

মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২২ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

খোলা বাজারে ডলারের দামে অস্থিরতার মধ্যেই আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলার বিনিময় হার আরও বাড়ালো বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার আন্তঃব্যাংক লেনদেনে ডলারের বিনিময় আরও ৪০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৭ টাকা ৯০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার পর্যন্ত প্রতি ডলার বিনিময় হার ছিল ৮৭ টাকা ৫০ পয়সায়। যা গত ১৬ মে নির্ধারিত হয়েছিল। তার আগের সপ্তাহে ৯ই মে ডলারের বিনিময় মূল্য ২৫ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। তার আগে এই বিনিময় হার ছিল ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সা।

মানি এক্সচেঞ্জ থেকে সোমবার ডলার কিনতে হয়েছে ৯৮ দশমিক ২০ টাকায়। এর আগে গত ১৭ ও ১৮ই মে খোলা বাজারে ডলারের দাম ১০২-১০৪ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, ডলারের দাম পুনঃনির্ধারণ করে ৮৭ টাকা ৯০ পয়সা করা হয়েছে। বিশ্ব বাজারে জ্বালানিসহ অন্যান্য দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও দেশের আমদানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

সুত্র ঃ-https://www.facebook.com/318792851589933/posts/pfbid08wpP5cJ8JBSXqynHhQ1pthzr2WyKSbdc9TVAaXj7a3ZZKbFgNY7gWggvLtwc7c5El/

‘মন্দিরকে জমি দিয়ে পুরো মসজিদটাই ছাড়তে হবে বুঝিনি’

মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২২ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

গত বছর ভারতের উত্তর প্রদেশে হিন্দুদের অন্যতম তীর্থক্ষেত্র কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের করিডর প্রকল্পের জন্য নিজেদের জমির একাংশ ছেড়ে দিয়েছিল জ্ঞানবাপি মসজিদ কর্তৃপক্ষ। তবে মসজিদের ওই জমি বিশ্বনাথ মন্দিরের বলে আদালতে এখনো মামলা চলছে।

আদালতে দাবি ওঠেছে, বেনারসের জ্ঞানবাপি মসজিদের কোনো দিনই ওয়াকফ সম্পত্তি ছিল না। কিন্তু এক বছর আগে কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডর তৈরির জন্য মন্দির ট্রাস্ট মসজিদের সামনের জমির জন্য উত্তর-প্রদেশ সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ডের সাথেই চুক্তি করেছিল। জ্ঞানবাপি মসজিদ পরিচালন কমিটির সদস্যরা বলছেন, সম্প্রীতির বার্তা দিতেই তারা মসজিদের সামনের কিছুটা জমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরিকল্পিত কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরের জন্য ছেড়ে দেন। তবে এক বছরের মধ্যে পুরো মসজিদটাই যে ছেড়ে দেয়ার দাবি ওঠবে, তা তারা তখনও টের পাননি।

জ্ঞানবাপি মসজিদ পরিচালন কর্তৃপক্ষ আঞ্জুমা ইন্তেজামিয়া মসজিদ সূত্রে জানা গেছে, গত বছর উত্তর প্রদেশ রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে জ্ঞানবাপির সামনের জমি ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ করা হয়। মসজিদ কমিটির হাতে তিনটি জমির প্লট ছিল। একটি জমি, যার ওপরে জ্ঞানবাপি মসজিদ রয়েছে। দ্বিতীয় জমিটি মন্দির ও মসজিদে যাওয়া-আসার জন্য ব্যবহার করা হতো। তৃতীয় জমিতে একটি পুলিশ কন্ট্রোল রুম ছিল।

বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য এটি তৈরি হয়। প্রশাসনের অনুরোধে ১৭০০ বর্গফুটের এই তৃতীয় জমিটি কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডর তৈরির জন্য ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় মসজিদ কর্তৃপক্ষ। তার বিনিময়ে নিকটবর্তী আরেকটি জমি দেয়া হয় মসজিদ পরিচালন কর্তৃপক্ষকে। তবে জমির মাপ কম হলেও দুই জমির মূল্য একই। এ জন্য কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ট্রাস্টের সাথে উত্তরপ্রদেশ সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ডের চুক্তি হয়। গত বছর ৮ জুলাই জমির রেজিস্ট্রেশন করা হয়।

এখন আদালতে দাবি ওঠেছে, ১৬৬৯ সালের ৯ এপ্রিল মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেব নিজেই বেনারসে আদি বিশ্বেশ্বর বা কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ধ্বংসের আদেশ জারি করেছিলেন। যে জমিতে মসজিদ রয়েছে তার মালিক আদি বিশ্বেশ্বর নিজেই। কোনো মুসলিম দাতা বা ওয়াকিফ জমি দান করলে সেই ওয়াকফ সম্পত্তির ওপরেই মসজিদ তৈরি হতে পারে। ওই জমি কোনো দিনই ওয়াকফ সম্পত্তি বলে চিহ্নিত ছিল না।

মসজিদ কর্তৃপক্ষ আদালতকে জানিয়েছে, গত ৫০০ বছর ধরে মুসলমানরাই ওই মসজিদে নমাজ পড়ে আসছেন। তাদের প্রশ্ন, এক বছর আগেই ওয়াকফ বোর্ডের সাথে মসজিদের জমি হস্তান্তরের যে চুক্তি হয়েছে সেটাও কি সবাই ভুলে গেছে।

সূত্র : আনন্দবাজার

তুরস্ক সফরের পরিকল্পনা করছেন সউদী যুবরাজ

মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২২ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

সউদী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তুরস্ক এবং কয়েকটি দেশ সফরের পরিকল্পনা করছেন।

এই পরিকল্পনার সাথে যুক্ত সূত্রগুলো সোমবার জানিয়েছে, আঙ্কারা এবং রিয়াদ মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়ন সফরের লক্ষ্য।

এর আগে দীর্ঘ সময় পর গত মাসের শেষের দিকে সৌদি আরব সফর করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগান। এক দশক ধরে চলা উত্তেজনা কমাতে চলতি মাসগুলোতে দেশ দুটি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ২০১৮ সালে ইস্তাম্বুলে সৌদি দূতাবাসে রাজপরিবারের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত দেশটির ভিন্ন মতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যার পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্কে অবনতি ঘটে।

তুরস্ক ছাড়াও চারটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গ্রিক সাইপ্রাস, গ্রিস, জর্ডান ও মিশর সফর করবেন। সফরে তিনি আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করবেন। পাশাপাশি কয়েকটি চুক্তি করবেন।

খাশোগি হত্যাকাণ্ড এবং করোনা মহামারীর প্রাদুর্ভাবের পর এটিই হবে যুবরাজের প্রথম কোনো বিদেশ সফর। সর্বশেষ ২০১৯ সালে তিনি জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের জন্য জাপান সফর করেছিলেন।

সৌদি কর্মকর্তারা জানান, যুবরাজ কবে এই সফরে যাবেন, এ ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে জুনের শুরুর দিকে সফরে যেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র : ডেইলি সাবাহ

কারাগারে আওয়ামীলীগ এমপি হাজী সেলিম,

রবিবার , ২২ মে ২০২২, ০৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২০ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় আত্মসমর্পণের পর দণ্ডপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী মোহাম্মদ সেলিমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭-এর বিচারক শহিদুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিন আদালতে আত্মসমর্পণ করে যেকোনো শর্তে জামিনের আবেদন করেন হাজী মোহাম্মদ সেলিম।

আবেদনে হাজী সেলিমের আইনজীবী শ্রী প্রাণনাথ উল্লেখ করেন, ২০১৬ সালে ওপেন হার্ট সার্জারির সময় মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়ার কারণে দীর্ঘদিন যাবৎ বাকশক্তিহীন অবস্থায় রয়েছেন হাজী সেলিম।

তিনি দেশ ও বিদেশে চিকিৎসা নিয়েছেন। জেলে থাকলে চিকিৎসার অভাবে ও বাকশক্তি না থাকায় যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ কারণে যেকোনো শর্তে তার জামিন আবেদন করছি। জামিন পেলে তিনি পলাতক হবেন না। তাই আপিল শর্তে আত্মসমর্পণপূর্বক তার জামিন আবেদন করছি।
সুত্রঃ কালের কন্ঠ।

মারা গেছেন ‘ভাদাইমা’খ্যাত কৌতুক অভিনেতা আহসান আলী

রবিবার , ২২ মে ২০২২, ০৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২০ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

‘ভাদাইমা’ হিসেবে তিনি তুমুল জনপ্রিয়। বিশেষ করে গ্রাম বাংলার মানুষের কাছে এই নাম খুবই প্রিয়। তার পারিবারিক নাম আহসান আলী। আজ রোববার (২২ মে) দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন তিনি।

তিনি ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

আহসান আলীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার শ্যালক জজ আলী। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন আহসান আলী। এছাড়া তার লিভারেও পানি জমেছিল। রোববার সকালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে থেকে পরে আহসান আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে মারা যান তিনি।’

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের দাইন্যা রামপাল গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন আহসান আলী। ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন জানান, তার মরদেহ গ্রামে নিয়ে আসা হবে। বর্তমানে ঢাকায় হাসপাতালে আছে। প্রক্রিয়া চলছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আহসান আলী এক সময় কৃষিকাজ করে সংসার চালাতেন। প্রায় দুই যুগ আগে তিনি কৌতুক অভিনয় শুরু করেন। ২০ বছর আগে ক্যাসেটের মাধ্যমে তিনি ‘ভাদাইমা’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

সুত্র ঃ-https://www.jagonews24.com/entertainment/news/763577

হজের প্রথম ফ্লাইট ৩১ মে: হাব সভাপতি

রবিবার , ২২ মে ২০২২, ০৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২০ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

হজ ফ্লাইট নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও ৩১ মে’ই চালু হবে হজের প্রথম ফ্লাইট। তবে নিয়মিত ফ্লাইট চালু হবে ৫ জুন থেকে। মাঝখানে ৪ দিন কোনো ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে না।
বৃহস্পতিবার (১৯ মে) দেয়া স্বাক্ষাতকারে এ তথ্য জানান হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন।
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় সম্মিলন পবিত্র হজ।
বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারিতে টানা ২ বছর বন্ধ ছিল পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা। আর এ দুই বছরে আগ্রহীর সংখ্যাও বেড়েছে কয়েকগুণ।

করোনার দাপট কমায় চলতি বছর থেকে হজ পালনের ঘোষণা দেয় সৌদি সরকার।
অন্য সময় যেখানে হজের প্রস্তুতির জন্য পাঁচ থেকে ৬ মাস সময় পেতেন সেখানে এবার মাত্র এক মাসের মধ্যে হজের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হচ্ছে হজ এজেন্সিগুলোকে।
চলতি মাসের ৩১ তারিখ প্রথম ফ্লাইট শুরুর ঘোষণা দিয়েছিল ধর্ম মন্ত্রণালয়।

কিন্তু স্বল্প সময়ের মধ্যে হজের ঘোষণা দেয়ায় সৌদিতে বাড়ি ভাড়া, পরিবহন, মুয়াল্লিম সার্ভিস চার্জ ফি ও সৌদি থেকে বিমানের স্লট নির্ধারণ না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে ফ্লাইট নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

ডলারের দাম কমল ৬ টাকা

রবিবার , ২২ মে ২০২২, ০৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২০ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

ডলারের দাম আরো বাড়বে, কিনে রাখলেই লাভ—এমন প্রচারণায় প্রলুব্ধ হয়ে খোলাবাজার থেকে অনেকেই ডলার কিনেছেন।
কিন্তু এখন ডলারের দাম কমতে শুরু করেছে।
১০৪ টাকায় উঠে যাওয়া ডলারের দাম কার্ব মার্কেট বা খোলাবাজারে তিন দিনের ব্যবধানে কমেছে ছয় টাকা।

তবে আন্ত ব্যাংক মুদ্রাবাজার ও ব্যাংকগুলো বুধবারের দরেই ডলার বিক্রি করেছে।

অবশ্য বেশি দামে বিক্রির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের চারটি পরিদর্শকদল।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, মঙ্গলবার হঠাৎ করেই বিশ্বের শক্তিধর এই মুদ্রার দাম ১০০ টাকা ছাড়িয়ে ১০৪ টাকায় উঠে যায়। বুধবার তা কমে ১০০ থেকে ১০২ টাকায় নেমে আসে। বৃহস্পতিবার তা আরো কমে ৯৬ টাকায় নেমে এসেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আরো কমবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশান-২, মতিঝিল, পল্টন ও বায়তুল মোকাররম এলাকার মানি এক্সচেঞ্জগুলোতে খুচরা ডলার ৯৭ থেকে ৯৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা দুই দিন আগেও ১০২ টাকায় বিক্রি হয়।

গুলশানের মেট্রো মানি এক্সচেঞ্জের স্বত্বাধিকারী শাহজাহান মিয়া বলেন, ডলার বিক্রি করছি ৯৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৯৮ টাকায়।
তবে আজ ডলার কিনিনি। গত দুই দিনের চেয়ে আজকের বাজার নিম্নমুখী। অনেকে লাভের আশায় গত কয়েক দিনে অনেক ডলার কিনে এখন লোকসানে পড়েছেন

মাঙ্কিপক্স রোধে দেশের সব বন্দরে সতর্কতা, স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ।

রবিবার , ২২ মে ২০২২, ০৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২০ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

মাঙ্কিপক্স প্রতিরোধে বিমান ও স্থল বন্দরে সংক্রমিত দেশ থেকে আগত যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। রোববার দুপুরে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে এ তথ্য জানায় তারা।

মাঙ্কিপক্স রোগী হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন বা সন্দেহজনক উপসর্গ দেখা গেলে রোগীদেরকে তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করতে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সন্দেহজনক ও লক্ষণযুক্ত রোগীকে নিকটস্থ সরকারি সাহপাতালে বা সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল, ঢাকায় আইসোলেশনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা ও আইইডিসিআর এ তথ্য প্রেরণ করতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, সারা বিশ্বে আফ্রিকা, ইউরোপ ও আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে মাঙ্কিপক্সের রোগী শনাক্ত হয়েছে। মাঙ্কিপক্স নতুন রোগ না তবে আগে এ ধরনের রোগী পশ্চিম আফ্রিকা বা মধ্য আফ্রিকান দেশগুলোতে মহামারী হিসেবে ধরা হয়। শুধুমাত্র পশ্চিম আফ্রিকা বা মধ্য আফ্রিকান দেশগুলিতে ভ্রমণকারীদের বা বাসিন্দাদের মধ্যে শনাক্ত হয়েছে এই রোগ।

বাংলাদেশে এখনো পর্যন্ত এই ভাইরাস হানা না দিলেও ইউরোপ ও আমেরিকার বেশ কয়েকটি দেশে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। গত ১৩ মে থেকে ১২টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে মাঙ্কিপক্স। এ পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৯২ জন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র সতর্কবার্তা, আফ্রিকা থেকে ইউরোপ এবং আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়া মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের সংখ্যা আরো বাড়বে।

মাঙ্কিপক্স নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এখনই এ নিয়ে বিশেষ সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। কারণ, অতিমারি ঘোষণা হয়নি এমন দেশেও ছড়িয়ে পড়ছে মাঙ্কিপক্স। গত ৭ মে লন্ডনে প্রথম এক ব্যক্তির শরীরে মাঙ্কি পক্সের ভাইরাস পাওয়া গিয়েছিল। আক্রান্ত ওই ব্যক্তি নাইজেরিয়ায় গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছিল। সেখানেই কোনোভাবে আক্রান্ত হন তিনি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাঙ্কিপক্স এক বিশেষ ধরনের বসন্ত। জলবসন্ত বা গুটিবসন্ত তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি পরিচিত। তাই প্রতিকারও অপেক্ষাকৃত সহজ। কিন্তু এই মাঙ্কিপক্স ভাইরাসটি এতই বিরল যে এখনো পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্তদের সুস্থ করতে নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসাপদ্ধতি চিকিৎসকদের জানা নেই।

মূলত পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার কিছু দেশে এই ভাইরাসের হদিস মিলত। কিন্তু সেটাই এখন ছড়িয়ে পড়েছে ইউরোপ এবং আমেরিকা মহাদেশে। অস্ট্রেলিয়া, কানাডার ছাড়াও ইউরোপের অন্তত ৯টি দেশে মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। এর মধ্যে ব্রিটেন, পর্তুগাল এবং স্পেনের মতো দেশ সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত। এছাড়াও বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ড, ইটালি এবং সুইডেনে ছড়িয়ে পড়েছে এই বসন্ত। যদিও এই পক্সে আক্রান্ত কারও মৃত্যুর কোনো খবর মেলেনি।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের মধ্যে সহজে মাঙ্কিপক্স ছড়ায় না। করোনা ভাইরাসের মতো অতো দ্রুত সংক্রামকও নয়। কিন্তু তবু সমস্ত দেশকে সাবধান হতে বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

মাঙ্কিপক্স নামে এক ধরনের ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায় এই রোগ। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে এটি অনেকটা জল বসন্তের ভাইরাসের মতো। তবে এর ক্ষতিকারক প্রভাব কম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর সংক্রমণের হারও কম।

পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার নিরক্ষীয় বনাঞ্চলে এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি। মাঙ্কিপক্স দুই ধরনের হয়ে থাকে- মধ্য আফ্রিকান এবং পশ্চিম আফ্রিকান।

এই রোগের প্রাথমিক উপসর্গ হচ্ছে জ্বর, মাথাব্যথা, হাড়ের জয়েন্ট এবং মাংসপেশিতে ব্যথা এবং দেহে অবসাদ। জ্বর শুরু হওয়ার পর দেহে গুটি দেখা দেয়। এসব গুটি শুরুতে দেখা দেয় মুখে। পরে তা ছড়িয়ে পড়ে হাত এবং পায়ের পাতাসহ দেহের সব জায়গায়।

এই গুটির জন্য রোগী দেহে খুব চুলকানি হয়। পরে গুটি থেকে ক্ষত দেখা দেয়। গুটি বসন্তের মতোই রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠলেও দেহে এসব ক্ষত চিহ্ন রয়ে যায়। সংক্রমিত রোগীর ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ থেকে এই ভাইরাস ছড়ায়। শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে, ত্বকের ক্ষত থেকে এবং নাক, মুখ ও চোখের ভেতর দিয়ে এই ভাইরাস মানুষের দেহে প্রবেশ করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বানর, ইঁদুর, কাঠবিড়ালি, এমনকি মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত রোগীর ব্যবহৃত বিছানাপত্র থেকেও এই ভাইরাস অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই ভাইরাসের প্রভাব বেশ মৃদু। এর বৈশিষ্ট্য জল বসন্তের মতোই এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন।

এই রোগ প্রথম ছড়িয়েছিল একটি বানর থেকে। এরপর ১৯৭০ সাল থেকে আফ্রিকার ১০টি দেশে মাঙ্কিপক্সের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম এই ভাইরাসে রোগী শনাক্ত হয় ২০০৩ সালে। সেটাই ছিল এই ভাইরাস আফ্রিকার বাইরে ছড়িয়ে পড়ার প্রথম কেস। যুক্তরাষ্ট্রে এপর্যন্ত ৮১টি কেস ধরা পড়েছে।

মাঙ্কিপক্সের সবচেয়ে বড় প্রকোপ দেখা দেয় নাইজেরিয়াতে, ২০১৭ সালে। সে দেশে মাংকিপক্সের প্রথম কেস ধরা পড়ার ৪০ বছর পর। এতে ১৭২ জন আক্রান্ত হন।

এই ভাইরাসের কোনো চিকিৎসা নেই। তবে যেকোনো প্রাদুর্ভাবের মতোই উপযুক্ত পদক্ষেপ নিয়ে এর প্রকোপ রোধ করা যায়। গুটি বসন্তের টিকা ৮৫% কার্যকর বলে দেখা গেছে। মাঙ্কিপক্সের জন্য এখন এই টিকাই ব্যবহার করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যাপক হারে ছড়িয়ে না পড়লে এই ভাইরাস নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই।

১২ দিনে প্রবাসী রেমিটেন্স এসেছে ৮৩ কোটি ৬১ লাখ ডলার।

রবিবার , ২২ মে ২০২২, ০৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২০ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

চলতি মে মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স এসেছে ৮৩ কোটি ৬১ লাখ ডলার; দৈনিক গড় প্রবাহ বিবেচনায় রেমিটেন্সর এ ধারা গত এপ্রিলের চেয়ে বেশি।

অর্থনীতিবিদরা প্রত্যাশা করছেন ঈদ-উল আযহা (কুরবানির ঈদ) ঘনিয়ে আসলে এ ধারা আরো বৃদ্ধি পাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, মে মাসের ১২ তারিখ পর্যন্ত দেশে প্রবাসীরা রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন ৮৩৬ দশমিক ১৯ মিলিয়ন বা ৮৩ কোটি ৬১ লাখ ডলার।

গড় হিসাবে এই সময়ে দৈনিক রেমিটেন্স এসেছে ৬৯ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ডলার। গত এপ্রিলে দৈনিক গড় রেমিটেন্স প্রবাহ ছিল ৬৬ দশমিক ৯৮ মিলিয়ন ডলার।

এ হিসাবে গত এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে দৈনিক গড়ে ২ দশমিক ৬৯ মিলিয়ন বা ২ লাখ ৬৯ হাজার ডলার বেশি আসতে শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার রেমিটেন্স সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়, “অর্থনীতির ওপর কোভিড-১৯ এর নেতিবাচক প্রভাব থাকা স্বত্বেও প্রবাসীদের রেমিটেন্স পাঠানোর ধারা ইতিবাচক রয়েছে।”

রেমিটেন্স প্রবাহ আরও বাড়বে বলে আশাবাদী বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “এখন ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে কিছুটা… এতে প্রবাসীরা আগের চেয়ে বেশি অর্থ পাবেন। আর প্রণোদনা দেওয়ায় ব্যাংকিং চ্যানেলেই বেশি রেমিটেন্স পাঠাচ্ছেন।

“ব্যাংকে রেমিটেন্স পাঠানোয় সরকার সুবিধা দেওয়ায় তারা বেশি টাকা পাচ্ছেন আগের চেয়ে। সামনে কোরবানির ঈদ… সব মিলিয়ে আমরা আশা করছি এ উপলক্ষে রেমিটেন্সের ধারা আরও বেগবান হবে।”

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ইউক্রেন-রাশিয়ার চলমান যুদ্ধের সময়েও বাংলাদেশের রেমিটেন্সের প্রবাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার ফলশ্রুতিতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে তেমন একটা চাপ অনুভূত হচ্ছে না।

মহামারীর ধাক্কা পেরিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মী পাঠানা শুরু হওয়ার কারণেও রেমিটেন্সে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের শেষ দিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমতে শুরু করায় প্রবাসীদের বিদেশ গমন ফের গতি পাচ্ছে। এর ফলে বাহরাইন, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও ইতালি থেকে রেমিটেন্স প্রবাহ চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে আগের চেয়ে বেড়েছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্যর উৎস দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ৩ লাখ ২২ হাজার ৫৮৩ জন বিদেশে গেছেন। যার ৬৩ দশমিক ৮৮ শতাংশই সৌদি আরবে।

অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ জায়েদ বখত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মহামারী হতে মুক্ত হতে চলেছে বিশ্ব। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আগের জায়গায় ফিরতে শুরু করেছে।

“আমদানি-রপ্তানি বাড়ছে। প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিরা এখন আগের চেয়েও বেশি রেমিটেন্স পাঠাতে পারবেন।”

আশাবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “নতুন যারা যাচ্ছেন… তারাও সামনের ঈদ উপলক্ষ করে রেমিটেন্স পাঠাবেন। ডলারের দর বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন ব্যাংকিং চ্যানেলেই বেশি রেমিটেন্স আসবে।”

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে ৫০৫ কোটি ৮৭ লাখ ডলার রেমিটেন্স এসেছে দেশে, যা আগের প্রান্তিকের চেয়ে ৪ দশমিক ৭১ শতাংশ বেশি।

এই সময়ে সর্বোচ্চ ১০৫ কোটি ১১ লাখ ডলার রেমিটেন্স এসেছে সৌদি আরব থেকে; যা মোট রেমিটেন্সের ২০ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসেছে ১৬ দশমিক ২৮ শতাংশ, যুক্তরাজ্য থেকে ১১ দশমিক ৩৩ শতাংশ, আরব আমিরাত থেকে ৮ দশমিক ৯২ শতাংশ ও কুয়েত থেকে ৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

এদিকে গত সপ্তাহে আকুর (এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের ) বড় একটি দায় পরিশোধের পরও রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারের কাছেই রয়েছে।

মে মাসের প্রথম সপ্তাহের তুলনায় দ্বিতীয় সপ্তাহে বেশি রেমিটেন্স এসেছে। চলতি মে মাসের প্রথম ১২ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১১৫ মিলিয়ন ডলার।

বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৭০৫ দশমিক ৫৬ মিলিয়ন, বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ১১ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন ও বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৩ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন ডলার।

গত মাসে প্রাবসীরা দেশে প্রবাসীরা রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন ২০০ কোটি ৯৪ লাখ ডলার।

চলতি অর্থবছরের গত ১০ মাসে রেমিটেন্স এসেছে দেশে ১ হাজার ৭৩০ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। গত অর্থবছরে এসেছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে এসেছে ১ হাজার ৮২০ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

গত অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাতে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স ছিল ৬ দশমিক শূন্য তিন শতাংশ। রেমিটেন্সে প্রবৃদ্ধি দেখা গিয়েছিল ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ।

দেশে আসা এ পরিমাণ রেমিটেন্স দিয়ে  আমদানি দায়ের ৪০ দশমিক ৮৩ পরিশোধ সম্ভব ছিল; এদিকে এটি রপ্তানি আয়ের ৬৭ দশমিক ১৪ শতাংশ।