ট্যাগ দেশে

দেশে,ফের তীব্র হচ্ছে ডলার সংকট, ব্যাংকগুলো ডলার কিনছে বেশি দামে।রেকর্ড পরিমান দরয় পতন।

রবিবার  , ২৬ জুন ২০২২, ১২ আষাঢ় ১৪২৯, ২৫ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

বাজারে আবার ডলারের সংকট দেখা দিয়েছে। মূলত কয়েকমাস আগে খোলা এলসিগুলো সেটেলমেন্টের চাপ আসায় ব্যাংকগুলো ডলারের স্বল্পতায় ভুগছে। ফলে এক্সচেঞ্জ হাউজগুলো থেকে ডলার কেনার জন্য প্রতিযোগিতা বাড়িয়ে দিয়েছে ব্যাংকগুলো। চাহিদা বেশি থাকায় এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোও ডলারের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। গতকাল বৃহষ্পতিবার এক্সচেঞ্জ হাউজগুলো থেকে ৯৮.৫০ থেকে ৯৯ টাকা রেটে ডলার কিনেছে ব্যাংকগুলো।

বুধবার হাউজগুলো ৯৭-৯৭.৫০ টাকা রেটে ডলার বিক্রি করেছিল। সে হিসাবে একদিনেই ডলারের দাম বেড়েছে ১ থেকে ১.৫০ টাকা। একদিনে ডলারের দাম এক টাকা বেড়ে যাওয়াকে বড় ঘটনা বলছেন ব্যাংকাররা।

সূত্র জানায়, গত বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের চাহিদা দিয়েছিল বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মাত্র ২০৪ মিলিয়ন ডলার সরবরাহ করেছে। এর মধ্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি পেমেন্টের জন্য অগ্রণী ব্যাংক পেয়েছে ৫৪ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া বাকি ১৫০ মিলিয়ন ডলার পেয়েছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো।

প্রাইভেট ব্যাংকগুলো ডলারের চাহিদার কথা কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানালেও সর্বশেষ বুধবার এসব ব্যাংক এক ডলারও পায়নি। ফলে, প্রাইভেট ব্যাংকগুলোকে বাধ্য হয়ে ডলার সংগ্রহ করতে এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর কাছে ধর্না দিতে হচ্ছে।

ডলার সংকটের কারণে গত কয়েক দিনে বেশ কয়েকটি ব্যাংক সময়মতো এলসি মূল্য পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও জানিয়েছে সূত্র। অবশ্য বিষয়টি নতুন নয়। এলসি মূল্য পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ার মতো ঘটনা আমাদের দেশে নিয়মিতই ঘটে। তবে এখন এই সংখ্যাটি বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন পলিসি নেওয়ার কারণে আমদানি এলসি খোলা আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে বলে উল্লেখ করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি বেসরকারি ব্যাংকের ট্রেজারি বিভাগের প্রধান। তিনি টিবিএসকে বলেন, ‘এখন এলসি খোলার হার কমলেও কয়েকমাস আগে যেসব এলসি খোলা হয়েছিল, সেগুলোর পেমেন্টের প্রেশার আসছে এখন।’

এই মুহূর্তে ডলার কতোটা জরুরি তা বোঝাতে এ ব্যাংকার বলেন, ‘প্রতিটা ব্যাংককেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আমদানি এলসির টাকা পরিশোধ করতে হয়, নাহলে তারা ডিফল্টার হয়ে যাবে। এমন হলে, বিদেশি ব্যাংকগুলো এলসি খোলার ক্ষেত্রে আমাদের উপর আর ভরসা করতে পারবে না। এর প্রভাবে কনফার্মেশন চার্জ বেড়ে যেতে পারে। তাই, ডলার সংকটের কারণে আমাদের এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হলে, সেটি কোনো দিক থেকেই সুখকর হবে না।’

সাধারণত, একটি দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের সক্ষমতা ও পেমেন্টের নিশ্চয়তার ভিত্তিতে ব্যাংকগুলোকে মোট এলসি ভ্যাল্যুর উপর একটি নির্দিষ্ট এলসি কনফার্মেশন চার্জ দিতে হয়। বাংলাদেশে কাজ করা ব্যাংকগুলোকে মোট এলসি ভ্যাল্যুর ২% থেকে ৩% এলসি কনফার্মেশন চার্জ দিতে হয়। পাশ্ববর্তী ভারতের ব্যাংকগুলোকে দিতে হয় মাত্র ০.৫০% থেকে ০.৭৫%। এমনকি তুলনামূলক দূর্বল অর্থনীতির দেশ পাকিস্তানের ব্যাংকগুলো এই চার্জ দেয় ১.২৫% থেকে ১.৭৫%। এলসি পেমেন্ট করতে দেরি হওয়ার পরিমাণ বাড়তে থাকলে এই চার্জ আরো বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ব্যাংকগুলো।

অবশ্য, কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। চলতি অর্থবছরে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিক্রি করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ১০০ মিলিয়ন ডলার সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। ফলে রিজার্ভও কমছে। গত আগস্টে রিজার্ভ যেখানে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলকে পৌঁছেছিল, সেটি এখন ৪২ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছে।

এদিকে, ডলার সংকটের এই আঁচ লেগেছে দেশের কার্ব মার্কেটেও। গত কয়েকদিন ধরে এই মার্কেটে ৯৮ টাকার কাছাকাছি রেটে ডলার কেনাবেচা চলছে। গতকাল বৃহষ্পতিবারও এখান থেকে ডলার কিনতে রেট দিতে হয়েছে ৯৮.৩০ থেকে ৯৮.৫০ টাকা। নগদ ডলার বিক্রি করার ক্ষেত্রে ৯৮ থেকে ৯৮.১০ টাকা রেট পাওয়া গেছে। 

দেশে,টানা তিন দিন পর করোনায় দুইজনের মৃত্যু

শুক্রবার, ১৮ মার্চ ২০২২, ০৪ চৈত্র ১৪২৮, ১৪ শাবান ১৪৪৩ হিজরী

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।ফলে করোনায় টানা তিন দিন পর মৃত্যু দেখল বাংলাদেশ।এর আগে লাগাতার তিন দিন (মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার) করোনায় মৃত্যুশূন্য দিন দেখে বাংলাদেশ।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা পরিস্থিতি সংক্রান্ত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় দুইজন মারা গেছেন।এ নিয়ে করোনায় দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৯ হাজার ১১৪ জন।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আরও ১০৮ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছে।এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১৯ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৫ জনে। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ১৬ শতাংশ।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে।  ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ। 

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল।  কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করে।  সম্প্রতি সে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

দেশে,টানা তিন দিন করোনায় মৃত্যুশূন্য বাংলাদেশ

বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ ২০২২, ০৩ চৈত্র ১৪২৮, ১৩ শাবান ১৪৪৩ হিজরী

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে টানা তৃতীয় দিনের মতো দেশে কারো মৃত্যু হয়নি।এর আগে লাগাতার দুই দিন (মঙ্গলবার ও বুধবার) করোনায় মৃত্যুশূন্য দিন দেখে বাংলাদেশ। ফলে করোনায় দেশে মোট মৃত্যু ২৯ হাজার ১১২ জনই রয়েছে।

তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুর করে আরও ২৩৩ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৫০ হাজার ৩৫৭ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা পরিস্থিতি সংক্রান্ত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে।  ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ। 

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল।  কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করে।  সম্প্রতি সে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

দেশে,করোনায় একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৩৯।

সোমবার, ১৪ মার্চ ২০২২, ২৯ ফাল্গুন ১৪২৮, ১০ শাবান ১৪৪৩ হিজরী

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ১১২ জনে। 

একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২৩৯ জনের। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৪৯ হাজার ৭২৫ জনে। শনাক্তের হার ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ। 

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ৬৬৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ। 

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৯২২ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৬২ হাজার ৮০৮ জন।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে।  ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ। 

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল।  কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করে।  সম্প্রতি সে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। 

দেশে,করোনায় আরও ৩ জনের মৃত্যু

রোববার, ১৩ মার্চ ২০২২, ২৮ ফাল্গুন ১৪২৮, ০৯ শাবান ১৪৪৩ হিজরী

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ১১১ জনে। 

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৩৩ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। গতকাল ১৯৮ জন শনাক্ত হয়েছিল। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ  ৪৯ হাজার ৪৮৬ জনে। শনাক্তের হার ১ দশমিক ৮৮ শতাংশ।   

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৪১৭ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৬০ হাজার ৮৮৬ জন।

২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজার ৩৪৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১২ হাজার ৩৬৬টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১ দশমিক ৮৮ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের ১৪ দশমিক ২৯ শতাংশ।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে।  ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ। 

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল।  কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করে।  সম্প্রতি সে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। 

দেশে,করোনায় আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩২৭

বৃহস্পতিবার, ১০ মার্চ ২০২২, ২৫ ফাল্গুন ১৪২৮, ০৬ শাবান ১৪৪৩ হিজরী

দেশে একদিনের ব্যবধানে করোনায় মৃত্যু আবারও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।  গতকাল মৃত্যু হয়েছিল একজনের। এ নিয়ে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে  ২৯ হাজার ১০০ জনে। 

একই সময়ে নতুন করে ৩২৭ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৪৮ হাজার ৭৯৮ জনে। শনাক্তের হার ১ দশমিক ৯১ শতাংশ।   

বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে।  ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ। 

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল।  কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করে।  সম্প্রতি সে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। 

দেশে,করোনায় মৃত্যু ৭, শনাক্ত পাঁচশর নিচে

বুধবার, ০৯ মার্চ ২০২২, ২৪ ফাল্গুন ১৪২৮, ০৫ শাবান ১৪৪৩ হিজরী

দেশে একদিনের ব্যবধানে করোনা শনাক্ত আবারও কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪৪৬ জনের।  যা গতকাল ছিল ৫২৯ জনে। শনাক্তের হার ২ দশমিক ২৩ শতাংশ। এখন পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৪৮ হাজার ১৪৮ জনে। 

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে  করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৯৬ জনে। 

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৬২ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৬ জন।

এতে আরও বলা হ৮য়, গত ২৪ ঘণ্টায় ২০ হাজার ১৫৪টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৯ হাজার ৯৬৪টি নমুনা।  নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২ দশমিক ২৩ শতাংশ। 

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে।  ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ। 

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল।  কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করে। 

দেশে,করোনা শনাক্তের হার নামলো ৩ এর নিচে

বৃহস্পতিবার, ০৩ মার্চ ২০২২, ১৮ ফাল্গুন ১৪২৮, ২৯ রজব ১৪৪৩ হিজরী

প্রকাশের সময় : ৩ মার্চ, ২০২২, ৪:৩৬ পিএম | আপডেট : ৪:৩৭ পিএম, ৩ মার্চ, ২০২২

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৫৮ জনে। একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬৫৭ জনের। শনাক্তের হার ২ দশমিক ৯১ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬৫ জনে।

আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আগের দিন বুধবার করোনাভাইরাসে ৮ জনের মৃত্যু হয়। একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছিল ৭৩২ জনের।

বৃহস্পতিবারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৬২৮ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৩১ হাজার ৫৭৭ জন। ২৪ ঘণ্টায় ২২ হাজার ৫৬৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ২২ হাজার ৫৮৪টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২ দশমিক ৯১ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের ১৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ১ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী। তারা সবাই ঢাকা বিভাগের। ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। গেল বছরের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।

দেশে,নতুন সিইসি, নির্বাচন কমিশনার, হাবিবুল আউয়াল

আজ শনিবার , ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ইং, বাংলা: ১৩ ফাল্গুন ১৪২৮, আরবি: ২৫ রজব ১৪৪৩,

নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী হাবিবুল আউয়াল। শনিবার বিকালে সিইসিসহ আরও চার কমিশনার নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করবে তার নেতৃত্বাধীন নতুন কমিশন।

নিয়োগ পাওয়ার পর রাত পৌনে ৮টার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল। সুষ্ঠু নির্বাচন প্রসঙ্গে নতুন সিইসি বলেছেন, ‘সরকারের অনেকের কথা শুনেছি। তারা অনেক আন্তরিক। সবাই একটা ভালো নির্বাচন চায়।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন একা কিন্তু নির্বাচন করে না। অনেক স্টেকহোল্ডার এখানে কাজ করে। অনেক লেয়ার আছে।… নির্বাচন কমিশন কিন্তু কেন্দ্রে কেন্দ্রে যায় না। প্রশাসনকে কতটা নিরপেক্ষ করা যায়, সেটা একটা চ্যালেঞ্জ।’

হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘ভোটাধিকার সংবিধান স্বীকৃত অধিকার। এই পবিত্র আমানতের যাতে খেয়ানত না হয়।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি বলেছে তারা নির্বাচনে অংশ নেবে না। চেষ্টা থাকবে বিএনপির মতো দলকেও নির্বাচনে নিয়ে আসা। নির্বাচনকে যদি অর্থবহ, গ্রহণযোগ্য ও সর্বজনীন করতে হয়, তাহলে অংশগ্রহণটা অন্তত আপেক্ষিকভাবে হলেও সর্বজনীন হতে হবে।’

সিইসি বলেন, ‘সবাই আসবে যে তা নয়। কিন্তু বড় বড় দলগুলো তারা যদি নির্বাচনে না আসে…আমাদের চেষ্টা থাকবে তাদেরকে আস্থায় নেওয়া যে, নির্বাচন কমিশন সেটা যথাসাধ্য চেষ্টা করবে।’

হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন ইসির নতুন ৪ কমিশনার হলেন- বেগম রাশিদা সুলতানা (জেলা ও দায়রা জজ, অবসরপ্রাপ্ত), আহসান হাবীব খান (ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, অবসরপ্রাপ্ত), মো. আলমগীর (সিনিয়র সচিব, অবসরপ্রাপ্ত) ও আনিছুর রহমান (সিনিয়র সচিব, অবসরপ্রাপ্ত)।

দেশে,করোনা শনাক্তের হার নামল ৫ শতাংশের নিচে

আজ শনিবার , ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ইং, বাংলা: ১৩ ফাল্গুন ১৪২৮, আরবি: ২৫ রজব ১৪৪৩,

দীর্ঘদিন পর করোনা শনাক্তের সংখ্যা হাজারের নিচে নেমে এসেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৭৫৯ জনের শরীরে করোনা ধড়া পড়েছে। শনাক্তের হার ৪ দশমিক ১৫ শতাংশ।

এই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ২৯ হাজার ২৪ জন। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৪১ হাজার ৮৬১ জনে। 

শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আগের দিন (শুক্রবার) ১১ জনের মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। করোনা শনাক্ত হন ১৪০৬ জন, শনাক্তের হার ছিল ৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ। বৃহস্পতিবার ১০ জনের মৃত্যু হয় করোনায়; শনাক্ত হন ১৫১৬ জন, শনাক্তের হার ছিল ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ। এর আগে বুধবার করোনায় ৫ জনের মৃত্যু হয়; করোনা শনাক্ত হয় ১ হাজার ২৯৮ জনের, শনাক্তের হার ছিল ৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ। মঙ্গলবার ১৬ জনের মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর; শনাক্ত হন ১৫৯৫ জন, শনাক্তের হার ছিল ৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ। তারও আগে সোমবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়।

শনিবারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৭ হাজার ৩৪৩ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৪২৫ জন।

এতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮ হাজার ৩৭৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ১৮ হাজার ৩০৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৪ দশমিক ১৫ শতাংশ। 

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে।  ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ।

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল।  কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করে।