ট্যাগ দেশে

দেশে,করোনায় আরও ৯ জনের মৃত্যু।

রোববার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ৮ কার্তিক ১৪২৮

দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটি দেশের ২৭ হাজার ৮২৩ জনের প্রাণ কেড়ে নিল।

রোববার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ২৭৫ জন। এখন পর্যন্ত মোট করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ৬৯২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮ হাজার ৪৮৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। 

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩৮৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৩১ হাজার ৩২৭ জন। 

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। 

বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

দেশে,করোনায় আরও ৯ জনের প্রাণহানি

শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ৭ কার্তিক ১৪২৮

দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটি দেশের ২৭ হাজার ৮১৪ জনের প্রাণ কেড়ে নিল।

শনিবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ২৭৮ জন। এখন পর্যন্ত মোট করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৭ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ হাজার ৪২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৮৫ শতাংশ। 

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৯৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৪১ জন। 

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। 

বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

দেশে,করোনায় বেড়েছে মৃত্যু, শনাক্ত কম।

শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ৬ কার্তিক ১৪২৮

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।  এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৮০১ জনে। একদিনে রোগী শনাক্ত হয়েছে ২৪৩ জন। এর আগে বুধবার ৬ জনের মৃত্যু এবং ৩৬৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা পরিস্থিতি-সংক্রান্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ২৪৩ জনের দেহে। এ নিয়ে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লাখ ৬৬ হাজার ৯০৭ জনে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৬ হাজার ৮৮ জনের। নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৫১ শতাংশ। সুস্থ হয়েছেন আরও ৫৩৪ জন। মোট সুস্থ ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৮৩ জন।

দেশে,করোনায় ৬ জনের মৃত্যু

বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ৪ কার্তিক ১৪২৮

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জন মারা গেছেন।এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৭৯১ জনে।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৩৬৮ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬৪ জনে। এই সময়ে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪৮১ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ২৯ হাজার ৫৪৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯ হাজার ৯৯৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ২০ হাজার ৩৯৩টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ১ দশমিক ৮০ শতাংশ।

এ পর্যন্ত মোট এক কোটি ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪৩৫টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। 

বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

দেশে,‘সংক্রমণ আবারও বাড়ছে, সবাই সাবধান হোন’

বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ৪ কার্তিক ১৪২৮

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ আবারও বাড়তে শুরু করেছে।তাই সবাইকেই সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত প্রথম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আরও উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. লোকমান হোসেন মিয়া, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী প্রমুখ।

হেলথ ডিজি বলেন, আমরা দেখেছি যে গত কিছুদিনে করোনা সংক্রমণ একেবারেই কমে গিয়েছিল। কিন্তু এখন আবার সংক্রমণের হার বাড়ছে, আমাদের সাবধান হওয়ার এটিই সময়।সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

তিনি বলেন, করোনার প্রথম ঢেউয়ে ইউএইচএফপিওরা খুবই বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কাজ করেছে।তারা খুবই দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছে।যার ফলে দ্বিতীয় ঢেউয়ে তাদের মাধ্যমে সারা দেশেই করোনার চিকিৎসা দিয়েছি।এক্ষেত্রে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধিরা আমাদের সহযোগিতা দিয়েছেন।

হেলথ ডিজি আরও বলেন, আমাকে এমন একটা সময়ে এই দায়িত্বে নিয়ে আসা হয়েছে, আমি একদমই প্রস্তুত ছিলাম না। আমি যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করছি।সুযোগ পেলেই সারা দেশে চষে বেড়িয়েছি।

দেশে,করোনায় আরও ৭ জনের মৃত্যু।

মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ৩ কার্তিক ১৪২৮

দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটি দেশের ২৭ হাজার ৭৮৫ জনের প্রাণ কেড়ে নিল।

মঙ্গলবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৪৬৯ জন। এখন পর্যন্ত মোট করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৬৬ হাজার ২৯৬ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২১ হাজার ৩০৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২ দশমিক ২০ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৬৬৭ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ২৯ হাজার ৬৮ জন। 

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। 

বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

দেশে,করোনায় আরও ১০ জনের প্রাণহানি

সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ২ কার্তিক ১৪২৮

দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটি দেশের ২৭ হাজার ৭৭৮ জনের প্রাণ কেড়ে নিল।

সোমবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৩৩৯ জন। এখন পর্যন্ত মোট করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৮২৭ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮ হাজার ৮১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৮০ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৫০৯ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ২8 হাজার ৩৭১ জন। 

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। 

বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

দেশে,করোনায় মৃত্যু বেড়েছে

রোববার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১ কার্তিক ১৪২৮

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে ৩১৪ জন। একদিনে শনাক্তের হার ১.৭৪ শতাংশ।এরআগে গতকাল শনিবার (১৬ অক্টোবর) ৬ জনের মৃত্যু এবং ২৯৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছিল।

বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৮ হাজার ৩০০ জনের। পরীক্ষা করা হয়েছে ১৮ হাজার ৯৭টি। এখন পর্যন্ত মোট ১ কোটি ৯৪ হাজার ৯২২টি নমুনা পরীক্ষায় হয়েছে। এরমধ্যে রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৪৮৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৭৬৮ জনের।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ৫২৯ জন।এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৫ লাখ ২৭ হাজার ৮৬২ জন।

দেশে,করোনায় আবারও মৃত্যু কমল

শুক্রবার, ১৫ অক্টোবর ২০২১, ৩০ আশ্বিন ১৪২৮

করোনায় আবারও মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ৯ জনের মৃত্যুবরণ করেছেন। এদের মধ্যে ৪ পুরুষ ও ৫ জন নারী। 

এ নিয়ে করোনাভাইরাসে বাংলাদেশে ২৭ হাজার ৭৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

এর আগে গতকাল করোনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

নমুনা পরীক্ষায় রোগী শনাক্তের হার ২.০৯ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৫.৫৫ শতাংশ। প্রতি ১০০ জনে সুস্থতার হার ৯৭.৫৭ শতাংশ এবং মৃত্যু হার ১.৭৭ শতাংশ।

শুক্রবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সরকারি ও বেসরকারি ৮২৯টি ল্যাবরেটরিতে ১৯ হাজার ৩টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৮ হাজার ৯৮০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট ১ কোটি ৬১ হাজার ২৪৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

দেশে,নকিয়ার কারখানায় উৎপাদন শুরু, আসছে শাওমিও

বৃহস্পতিবার , ১৪ অক্টোবর ২০২১, ২৯ আশ্বিন ১৪২৮, ০৬ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

দেশে মোবাইল ফোন ব্র্যান্ড নকিয়ার উৎপাদন শুরু হয়েছে। পরীক্ষামূলক প্রথম লটের উৎপাদন শেষে এখন দ্বিতীয় লটের উৎপাদন শুরুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অপরদিকে শাওমি ব্র্যান্ডও দেশে মোবাইল ফোনের কারখানা চালু করতে যাচ্ছে। শিগগিরই প্রতিষ্ঠানটি এ বিষয়ে ঘোষণা দিতে পারে বলে জানা গেছে।

নকিয়া সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি নিজস্ব কারখানায় মোবাইল ফোন তৈরি (সংযোজন) করা শুরু করে। প্রথমবার নকিয়ার ৩.৪ মডেলের স্মার্টফোন তৈরি করা হয়। এই মডেলের ১০ থেকে ১২ হাজার ইউনিট মোবাইল প্রতিষ্ঠানটির বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রতিদিন ৩০০-৫০০ ইউনিট মোবাইল কারখানায় তৈরি হয়। বাজারে ছাড়ার পরে ভালো সাড়া পড়েছে বলে জানিয়েছে নকিয়া কর্তৃপক্ষ। নভেম্বর মাসে এই ব্র্যান্ডটি জি-১০ মডেলের স্মার্টফোন তৈরির মাধ্যমে দ্বিতীয় লটের উৎপাদন শুরু করতে পারে।  

যুক্তরাজ্যভিত্তিক ভাইব্র্যান্ট সফটওয়্যার ও বাংলাদেশের ইউনিয়ন গ্রুপের জয়েন্ট ভেঞ্চার ভাইব্র্যান্ট সফটওয়্যার (বিডি) লিমিটেড নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি থেকে চলতি বছরের মার্চ মাসে নকিয়া ফোন উৎপাদনের জন্য ৩ বছরের জন্য লাইসেন্স নেয়। গাজীপুরের কালিয়াকৈরের বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটির ৫ নম্বর ব্লকে পাঁচ একর জমি বরাদ্দ নিয়ে কারখানা গড়ে তুলেছে ভাইব্র্যান্ট।

শিগগিরই মোবাইল উৎপাদনে যাচ্ছে শাওমি

আরেক জনপ্রিয় ব্র্যান্ড শাওমি বাংলাদেশে কারখানা চালু করতে যাচ্ছে। শিগগিরই প্রতিষ্ঠানটি এ বিষয়ে ঘোষণা দিতে পারে। কবে নাগাদ শাওমির কারখানা চালু হতে পারে জানতে চাইলে এ দেশে শাওমির কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়া উদ্দিন চৌধুরী কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

জানা গেছে, আগামী ২১ অক্টোবর রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে একটি জমকালো অনুষ্ঠান আয়োজন করতে যাচ্ছে শাওমি। ওই অনুষ্ঠানে কয়েকটি ঘোষণা আসতে পারে। তার মধ্যে একটি হতে পারে দেশের স্থানীয় কারখানায় শাওমি মোবাইল তৈরির ঘোষণা। যদিও এ বিষয়ে শাওমির বাংলাদেশ অফিস কোনও মন্তব্য করেনি। তবে আয়োজনের ঘনঘটা দেখে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করেছেন এমনটা। ব্র্যান্ডটির নতুন পরিকল্পনা, অফার ও ঘোষণার অপেক্ষায় প্রযুক্তি বাজার।

দেশে শাওমির মোবাইল ফোনের কারখানা চালুর বিষয়ে জানতে চাইলে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, শাওমি মোবাইল উৎপাদনের জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত একটি প্রতিষ্ঠান। শাওমি শিগগিরই উৎপাদনে যাবে বলে আমরা জানি। মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের এখানে উৎপাদন মানে তো অ্যাসেমব্লিং (সংযোজন)। আমরা আপাতত এতেই খুশি।

মন্ত্রী জানান, দেশেই এখন ফাইভ-জি ফোন তৈরি হচ্ছে। রফতানিও হচ্ছে। আমি আশা করবো, শাওমি এ দেশে ফাইভ-জি স্মার্টফোন তৈরি করবে। তিনি আরও জানান, দেশের মোবাইল ফোনের কারখানাগুলোতে তৈরি ফোন এখন বাজার দখল করতে শুরু করেছে। এটা একটা ভালো দিক যে দেশের মানুষ দেশে তৈরি ফোনে আস্থা রাখতে শুরু করেছেন।

প্রসঙ্গত, দেশে স্যামসাং, সিম্ফনি, ওয়ালটন, ভিভো, অপো, রিয়েলমি, টেকনো, আইটেল, ইনফিনিক্স, ফাইভস্টার, নকিয়া ইত্যাদি ব্র্যান্ডের নিজস্ব কারখানা রয়েছে এবং এসব কারখানায় মোবাইল ফোন তৈরি হচ্ছে।