ট্যাগ দেশে

দেশে,করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমল

বুধবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৩ ফাল্গুন ১৪২৮, ১৪ রজব ১৪৪৩ হিজরী

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৮৮৭ জনে।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৯২৯ জনের। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ২৩ হাজার ৩১ জনে। শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ২০ শতাংশে।

মঙ্গলবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। শনাক্ত হয়েছিল ৪ হাজার ৭৪৬ জনের। 

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 
২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ। 

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে। 

দেশে,করোনায় মৃত্যু বাড়ল, শনাক্ত ৪,৭৪৬

মঙ্গলবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০২ ফাল্গুন ১৪২৮, ১৩ রজব ১৪৪৩ হিজরী

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৮৭২ জনে।

মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ৭৪৬ জনের। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ১৯ হাজার ১০২ জনে। শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশে।

সোমবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল। শনাক্ত হয়েছিল ৪ হাজার ৬৯২ জন। 

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 
২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ। 

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে। 

দেশে,আজ থেকে শুরু একুশে বইমেলা

মঙ্গলবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০২ ফাল্গুন ১৪২৮, ১৩ রজব ১৪৪৩ হিজরী

অমর একুশে গ্রন্থমেলা আজ শুরু হচ্ছে। বিকাল ৩ টায় ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। করোনা রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই বইমেলা পরিচালনা হবে, জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। তবে, মাস্ক ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারবে না বইমেলায়।

দেশে,করোনায় আরও ১৯ জনের প্রাণহানি, শনাক্ত ৪,৬৯২

সোমবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০১ ফাল্গুন ১৪২৮, ১২ রজব ১৪৪৩ হিজরী

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৮৩৮ জনে।

একই সময় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৬৯২ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ১৪ হাজার ৩৫৬ জনে।   

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৫৩ শতাংশে

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 
২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ। 

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে। 

দেশে,শনাক্ত কমলেও বেড়েছে মৃত্যু

রোববার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ৩০ মাঘ ১৪২৮, ১১ রজব ১৪৪৩ হিজরী

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৮১৯ জনে।

একই সময় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৮৩৮ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৯ হাজার ৬৬৪ জনে।   

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ৮৫ শতাংশে

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৩ হাজার ৮৫৩ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৫৫ জন।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 
২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ। 

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে। 

দেশে,এইচএসসির ফল প্রকাশ, পাশের হার ৯৫.২৬

রোববার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ৩০ মাঘ ১৪২৮, ১১ রজব ১৪৪৩ হিজরী

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

রোববার দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট থেকে এ ফল ঘোষণা করা হয়।

গণভবন থেকে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে ফলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সার্বিকভাবে পাশের হার ৯৫.২৬। এর মধ্যে রাজশাহী বোর্ডে পাশের হার ৯৭.২৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থী; বরিশাল বোর্ডে পাশের হার ৯৫.৭৬ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৯৭১ শিক্ষার্থী; কুমিল্লা বোর্ডে পাশের হার ৯৭.৪৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪ হাজার ১৫৩ শিক্ষার্থী; দিনাজপুর বোর্ডে পাশের হার ৯২.৪৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫ হাজার ৩৪৯ শিক্ষার্থী।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম বোর্ডে পাশের হার ৮৯.৩৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৭২০ শিক্ষার্থী; সিলেট বোর্ডে পাশের হার ৯৪.৮০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৭৩১ শিক্ষার্থী; যশোর বোর্ডে পাশের হার ৯৮.১১ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০ হাজার ৮৭৮ শিক্ষার্থী।

ফল প্রকাশের পর থেকে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে (www.educationboardresults.gov.bd) এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে। এ ছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহ করা যাবে।

মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২১ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসেই ফল পাওয়া যাবে।

আলিমের ফল পেতে ALIM লিখে স্পেস দিয়ে Mad লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২১ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

কারিগরি বোর্ডের ক্ষেত্রে HSC লিখে স্পেস দিয়ে Tec লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২১ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে ফল জানানো হবে।

এ পরীক্ষায় এবার ১৪ লাখ ১৪৫ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। পরীক্ষা শুরু হয় ২ ডিসেম্বর। শেষ হয় ৩০ ডিসেম্বর। 

এবার সব বিষয়ের পরীক্ষা হয়নি। শুধু বিভাগভিত্তিক তিনটি করে নৈর্বাচনিক বিষয়ে এ পরীক্ষা নেওয়া হয়। তবে অন্যান্য বিষয়ে এসএসসি ও জেএসসিতে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ‘সাবজেক্ট ম্যাপিং’ করে শিক্ষার্থীদের গ্রেডিং দেওয়া হবে।

দেশে,করোনায় মৃত্যু বাড়ল, শনাক্ত কমেছে

বৃহস্পতিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ২৭ মাঘ ১৪২৮, ০৮ রজব ১৪৪৩ হিজরী

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মৃত্যু হলো ২৮ হাজার ৭৪৪ জনের।

এই সময়ে নতুন শনাক্ত হয়েছেন ৭ হাজার ২৬৪ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন মোট ১৮ লাখ ৯৪ হাজার ৫৩৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

আগের দিন (বুধবার) ৩৩ জনের মৃত্যু হয়; শনাক্ত হন ৮ হাজার ১৬ জন; শনাক্তের হার ছিল ১৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

বৃহস্পতিবারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১১ হাজার ৪৬ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫৩৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২ হাজার ৫৭৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। নমুনা পরীক্ষা করা হয় ৪২ হাজার ৮৬৭টি। পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৯৫ শতাংশ। 

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 
২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ। 

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে। 

দেশে,আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ জনের মৃত্যু’ শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ১৬ জন’

বুধবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ২৬ মাঘ ১৪২৮, ০৭ রজব ১৪৪৩ হিজরী

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর এ সময়ে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ১৬ জনের শরীরে।

এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৭০৩ জনে। আর এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১৮ লাখ ৮৭ হাজার ২৭১ জন।

করোনাভাইরাস নিয়ে বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪২ হাজার ৫৬৪টি। শনাক্তের হার ১৮.৮৩ শতাংশ।

দেশে,করোনায় আরও ৩৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৯ হাজার ৩৬৯

সোমবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ২৪ মাঘ ১৪২৮, ০৫ রজব ১৪৪৩ হিজরী

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৬২৭ জনে। একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৩৬৯ জনের। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৭০ হাজার ৯০১ জনে। শনাক্তের হার ২১ দশমিক ০৭ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয় ৪৪ হাজার ৬৭১টি। পরীক্ষা করা হয় ৪৪ হাজার ৪৭১টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২১ দশমিক ০৭ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

আজ সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। রবিবার জানানো হয়, আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ২৯ জনের মৃত্যু হয়; শনাক্ত হন ৮ হাজার ৩৪৫ জন; শনাক্তের হার ছিল ২১ দশমিক ৫০ শতাংশ। সোমবারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৫০৭ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৬ লাখ ১২ হাজার ৫৭ জন।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ২৮ জন পুরুষ, ১০ জন নারী। ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ১৬ জন। চট্টগ্রামে ৬, রাজশাহীতে ৫, খুলনায় ৫, সিলেটে ৩, রংপুরে ১ ও ময়মনসিংহে ২ জন মারা গেছেন। ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। গেল বছরের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।

দেশে,করোনায় নতুন মৃত্যু ২৯, নতুন আক্রান্ত ৮,৩৪৫

রোববার, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ২৩ মাঘ ১৪২৮, ০৪ রজব ১৪৪৩ হিজরী

দেশে করোনায় আরো ২৯ জনের মৃত্যু। মোট প্রাণহানি ২৮,৫৮৯ জন। নতুন নমুনা পরীক্ষা ৩৮,৮২১ জন। নতুন রোগী ৮,৩৪৫ জন। গত ২৪ ঘন্টার পরীক্ষায় শনাক্তের হার ২১.৫০ শতাংশ। মোট শনাক্ত হয়েছে ১৮,৬১,৫৩২ জন। গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ ৮,১৫৯ জন। মোট সুস্থ ১৬,০২,৫৫০ জন।