ট্যাগ দেশে

দেশে,শনাক্তের হার বেড়ে ৩১.২৯, আক্রান্ত ১০ হাজার ৯০৬ জন

রোববার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ০৯ মাঘ ১৪২৮, ১৯ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়েই চলছে। 

দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় দেশে ২৮ হাজার ২২৩ জনের মৃত্যু হলো। 

এ সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৯০৬ জন।  এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৮৫ হাজার ১৩৬ জনে। 

রোববার স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। 

এতে বলা হয়, গত একদিনে দেশে মোট ৩৪ হাজার ৮৫৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তাতে শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ২৯ শতাংশে।

গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন ৭৮২ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন ১৫ লাখ ৫৬ হাজার ৮৬১ জন।  

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ। 

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে। 
 

দেশে,করোনা শনাক্ত ১১ হাজার ছাড়াল

শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৮ মাঘ ১৪২৮, ১৮ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ হাজার ৪৩৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ দশমিক ৪৯ শতাংশে। এই সময় মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। 

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত হন ১০ হাজার ৮৮৮ জন; শনাক্তের হার ছিল ২৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ। তার আগের দিন ১২ জনের মৃত্যু হয়, শনাক্ত হন ৯ হাজার ৫০০ জন; শনাক্তের হার ছিল ২৫ দশমিক ১১ শতাংশ। 

শুক্রবারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনায় এ পর্যন্ত দেশে ২৮ হাজার ১৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৬৪ হাজার ৬১৬ জনে। 

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

দেশে,করোনায় আরও ৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১০ হাজার ৮৮৮

বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২২, ০৬ মাঘ ১৪২৮, ১৬ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৮৮৮ জন। শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ দশমিক ৩৭ শতাংশে। করোনায় এ পর্যন্ত দেশে ২৮ হাজার ১৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে; শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৫৩ হাজার ১৮২ জনে।

আজ বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বুধবার জানানো হয়, আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১২ জনের মৃত্যু হয়; শনাক্ত হন ৯ হাজার ৫০০ জন; শনাক্তের হার ছিল ২৫ দশমিক ১১ শতাংশ।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৫৭৭ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৫৪ হাজার ৮৪৫ জন।

এতে আরও বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় ৪০ হাজার ৮৯৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৪১ হাজার ২৯২টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ। মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ১ জন পুরুষ, ৩ জন নারী। ঢাকা ও চট্টগ্রামে ২ জন করে মারা গেছেন।

বিগত ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। গেলো বছরের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।

দেশে,বিয়ের অনুষ্ঠানসহ সব জনসমাগম বন্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২২, ০৬ মাঘ ১৪২৮, ১৬ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় সরকারঘোষিত ১১ দফা বিধিনিষেধের মধ্যে বিয়ের অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে ডিসিদের সঙ্গে স্বাস্থ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধিবেশন শেষে ব্রিফিংকালে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিয়ে-শাদিসহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান, সামাজিক অনুষ্ঠান এখন বন্ধ রাখতে হবে। এ বিষয়গুলো আমরা তুলে ধরেছি। পাশাপাশি আমরা বলেছি, ল্যান্ডপোর্ট, সিপোর্ট, এয়ারপোর্টেও স্ক্রিনিং চলছে। সেগুলো যাতে ঠিকমতো দেখেন ও যাতে সেখানে ফাঁকি না দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, কোয়ারেন্টাইন বিষয়েও তাদের বলেছি। কোয়ারেন্টাইন অনেক সময় স্ল্যাক হয়। কোয়ারেন্টাইনে যারা আছেন অনেক সময় ফাঁকফোকর দিয়ে বের হয়ে যান এবং সংক্রামিত করে, এই বিষয়গুলো বলেছি আপনারা নজরদারিতে রাখবেন, যাতে কোয়ারেন্টাইন ঠিকমতো হয়।’

দেশে,৫ হাজার ছাড়াল করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ৮

রোববার, ১৬ জানুয়ারী ২০২২, ০২ মাঘ ১৪২৮, ১২ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

গত ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ হাজার ২২২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ১৭ হাজার ৭১১ জনে। শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১৭.৮২ শতাংশে।  

এ ছাড়া একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে আটজনের। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে ২৮ হাজার ১৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার (১৬ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছে। তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে মারা গেছে চার, চট্টগ্রামে তিন ও সিলেটে একজন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছে ২৯৩ জন। এ নিয়ে সুস্থতার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৫২ হাজার ৮৯৩ জনে।

একই সময়ে ২৯ হাজার ৬৪২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আর পরীক্ষা করা হয় ২৯ হাজার ৩০৫টি নমুনা।

দেশে,করোনায় মৃত্যু ৭ জনের, শনাক্ত প্রায় সাড়ে তিন হাজার

শনিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২২, ০১ মাঘ ১৪২৮, ১১ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে করোনা সংক্রমিত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৪৪৭ জন।

আগের দিনের তুলনায় মৃত্যু বাড়লেও রোগী শনাক্ত কমেছে। তবে সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে নমুনা পরীক্ষাও। আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে করোনা সংক্রমণের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানানো হয়েছে। বিজ্ঞাপন

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মোট ২৪ হাজার ২৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

আগের দিন রোগী শনাক্ত হয়েছিল ৪ হাজার ৩৭৮ জন। আর শনাক্তের হার ছিল ১৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত ও শনাক্তের হার বাড়ছে। করোনার ডেলটা ধরনের দাপটে গত বছরের মাঝামাঝি দেশে করোনায় মৃত্যু, রোগী শনাক্ত ও শনাক্তের হার বেড়েছিল। তবে আগস্টে দেশব্যাপী করোনার গণটিকা দেওয়ার পর সংক্রমণ কমতে থাকে।

গত মাসের প্রথম দিকেও দেশে করোনা শনাক্তের হার ১ শতাংশের ঘরেই ছিল। তবে ডিসেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে এসে সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়। গত মাসের শেষ দিকে যেখানে দৈনিক রোগী শনাক্ত ৫০০–এর ঘরে ছিল, সেখানে ধারাবাহিকভাবে বেড়ে এই সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়ে যায় ১০ জানুয়ারি। তার চার দিনের মাথায় গতকাল শুক্রবার দৈনিক রোগী শনাক্ত ৪ হাজার ছাড়ানোর তথ্য আসে।

করোনার নতুন ধরন অমিক্রন দেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। করোনার এই ধরন অতি সংক্রামক। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এরই মধ্যে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান–সমাবেশ বন্ধসহ ১১ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব নির্দেশনা না মানলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে বলে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা যাওয়া ৭ জনের মধ্যে ৪ জন পুরুষ ও তিনজন নারী। তাঁদের মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে, সিলেট বিভাগে দুজন ও বরিশাল বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

২০২০ সালের মার্চে বাংলাদেশে প্রথম করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। এখন পর্যন্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৬ লাখ ১২ হাজার ৪৮৯ জন। সংক্রমিত ব্যক্তিদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজার ১৩৬ জনের। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৫২ হাজার ৬০০ জন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ২৯৪ জন সুস্থ হয়েছেন।

দেশে,মৃত্যু কমল, শনাক্ত ছাড়াল ৪ হাজার

শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২২, ৩০ পৌষ ১৪২৮, ১০ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে প্রাণ হারিয়েছেন এখন পর্যন্ত মোট ২৮ হাজার ১২৯ জন। 

এই সময়ে নতুন করে করোনা ধড়া পড়েছে ৪ হাজার ৩৭৮ জনের শরীরে। এ নিয়ে মোট করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৯ হাজার ৪২ জনে। শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ৬৬ শতাংশে। 

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। 

আগের দিন বৃহস্পতিবার ৩ হাজার ৩৫৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। এদিন ১২ জনের মৃত্যু হয়। শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়ায় ১২ দশমিক ০৩ শতাংশে। এর আগে বুধবার ২ হাজার ৯১৬ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়ে। এদিন করোনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়। শনাক্তের হার ছিল ১১ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। চলতি বছরের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যু হয়।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর চলতি বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ।সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ।

দেশে,করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত বাড়ল

বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২২, ২৯ পৌষ ১৪২৮, ০৯ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩৩৫৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ০৩ শতাংশে।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

বুধবার ২ হাজার ৯১৬ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়ে। এদিন করোনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়।  বুধবার শনাক্তের হার ছিল  ১১ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। চলতি বছরের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যু হয়।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর চলতি বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ।সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ।

দেশে,উন্মুক্ত স্থানে সব ধরনের সামাজিক-ধর্মীয়-রাজনৈতিক সমাবেশ বন্ধ

সোমবার, ১০ জানুয়ারী ২০২২, ২৬ পৌষ ১৪২৮, ০৬ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি রোধে উন্মুক্ত স্থানে সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সমাবেশ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবার বাড়তে থাকায় সব ধরনের জনসমাগম সীমিত করাসহ ১১ দফা নির্দেশনা জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। 

সোমবার এ নির্দেশনায় বলা হয়, কোভিড আক্রান্তের হার ক্রমবর্ধমান হওয়ায় উন্মুক্ত স্থানে সর্বপ্রকার সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সমাবেশসমূহ পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হবে। 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে , করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) এর নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাব ও দেশে এ রোগের সংক্রমণ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৩ জানুয়ারি ২০২২ তারিখ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সার্বিক কাৰ্যাবলি/চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হলো। 

দেশে,সবাইকে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরতে হবে

সোমবার, ১০ জানুয়ারী ২০২২, ২৬ পৌষ ১৪২৮, ০৬ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারীর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার লক্ষ্যে সব জায়গায় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। 

সোমবার ১১টি বিধিনিষেধ দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে।  

এতে বলা হয়, দোকান, শপিংমল ও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা এবং হোটেল-রেঁস্তোরাসহ সব জনসমাগমস্থলে বাধ্যতামূলকভাবে সবাইকে মাস্ক পরিধান করতে হবে। অন্যথায় তাকে আইনানুগ শান্তির সম্মুখীন হতে হবে। 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে , করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) এর নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাব ও দেশে এ রোগের সংক্রমণ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৩ জানুয়ারি ২০২২ তারিখ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সার্বিক কাৰ্যাবলি/চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হলো।