ট্যাগ ?

সদ্যোজাত শিশুর কান্না শুনে কোমা থেকে ফিরে এলেন মা,,,,?

শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৮ মাঘ ১৪২৮, ১৮ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

এ অলৌকিক ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের হায়দরাবাদের খাম্মাম জেলায়। জানা যায়, একজন গর্ভবতী নারী কোমায় চলে গিয়েছিলেন, এবং ডাক্তাররা তার সন্তানকে বাঁচাতে তার অপারেশন করতে বাধ্য হয়েছিল। পরে তার সদ্যোজাত শিশুর কান্না তাকে কোমা থেকে ফিরিয়ে আনে। ঘটনাটি ঘটেছে ভদ্রাচলম সরকারি হাসপাতালে।

টেকুলাবরুগাঁও কোটাওয়ারাম মন্ডলের বাসিন্দা নাগমণির ৪ ফেব্রুয়ারি প্রসব হওয়ার কথা ছিল। তবে, রক্তচাপের ওষুধ ব্যবহার করার কারণে তার শ্বাসকষ্ট হয়েছিল যার কারণে তাকে প্রাথমিকভাবে কর্তালাগুত্তার সিএইচসি কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। সেখানকার চিকিৎসক তাকে ভদ্রাচলম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর ভদ্রাচলম হাসপাতালে ভর্তির সাথে সাথেই কোমায় চলে যান তিনি। হাসপাতালের ডাক্তারদের অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও, নারীটি তার চেতনা ফিরে পাননি।

অন্যদিকে রোগীর শারীরিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে ডা. কোটিরেড্ডি এবং ডা. পালিয়া ভদ্রাচলম হাসপাতাল সুপার রামকৃষ্ণের অনুমতি নিয়ে শিশুটিকে বাঁচাতে চেয়েছিলেন। যার জেরে তার স্বামী সত্যনারায়ণ এবং তার ভাই নাগেশ্বর রাওয়ের কাছ থেকে অনুমোদন নেয়ার পর, ডা. রামকৃষ্ণনের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকদের একটি দল গর্ভবতী নারীর সন্তান প্রসবের জন্য অপারেশন করেন।

আর এরপরেই নবজাতক শিশুর কান্না অলৌকিকভাবে নারীটিকে তার কোমা থেকে নিয়ে এসেছে। সদ্যোজাত শিশুর কান্না শুনে তার জ্ঞান ফিরে পাওয়ার ঘটনায় চিকিৎসকরাও অবাক হয়ে যান। তাকে অবিলম্বে যথাযথ চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। বর্তমানে মা ও শিশু দুজনেই ভালো আছে। সূত্র : পুবের কলম

পবিত্র ওমরাহ পালনে সৌদি আরবের নতুন নির্দেশনা,,,?

বৃহস্পতিবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২২, ২২ পৌষ ১৪২৮, ০২ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

গতকাল বুধবার দেশটির সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের টুইটারেও এ নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এ নির্দেশনা সব বয়সী মানুষের জন্য।
টুইটের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রথমবার ওমরাহ পালন শেষে দ্বিতীয়বার ওমরাহ পালনে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের ইটামারনা বা তাওয়াক্কলনা অ্যাপের মাধ্যমে আবার আবেদন করতে হবে। ১০ দিন পর তাঁদের ওমরাহ পালনে অনুমতি দেওয়া হবে।
সৌদি আরবে গত মাসে করোনার সংক্রমণ একলাফে অনেক বেড়ে গেছে। করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের বিস্তার ঠেকাতে আবার সামাজিক দূরত্বের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে দেশটি। সৌদি আরব সব জায়গায় মাস্ক পরা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলার জন্য বাধ্যবাধকতা জারি করেছে। এর সঙ্গে মিলিয়ে মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদে একই বিধান চালু করা হয়েছে। করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ১০ দিন বিরতির নতুন নির্দেশনা দেওয়া হলো।
সূত্র – প্রথম আলো

নতুন বিদেশ গমনকারী প্রবাসীদের জন্য, সরকারের সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি,,,?

মঙ্গলবার, ০৪ জানুয়ারী ২০২২, ২০ পৌষ ১৪২৮, ৩০ জামাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

মালয়েশিয়া সরকার ২০১৮ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ স্থগিত করে। এরপর কর্মী নিয়োগ শুরু করার লক্ষ্যে উভয় দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে আন্তমন্ত্রণালয় পরামর্শ এবং কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন তৎপরতা চালায়। এসব প্রচেষ্টার ফলে মালয়েশিয়া সরকার সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের অনুমোদন দেয়। বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের জন্য মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এই সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী গমনের ক্ষেত্রে কর্মীর বিমান ভাড়া, লেভিসহ মালয়েশিয়ায় প্রদেয় সব খরচ কর্মী গ্রহণকারী কোম্পানি বহন করবে।

প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের বিএমইটির ডেটাবেজে নাম নিবন্ধনের জন্য যথাসময়ে গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। বিএমইটির ডেটাবেজে নিবন্ধন ব্যতীত কোনো কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন না। তাই মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের বিষয়ে সরকারি ঘোষণার আগে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রিক্রুটমেন্ট এজেন্টের সঙ্গে কোনো আর্থিক লেনদেন না করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রলোভন ও প্রতারণার ফাঁদে পা দেবেন না। পাসপোর্টসহ মূল্যবান কাগজপত্র অন্যের হাতে জমা দিয়ে জিম্মি হবেন না। দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীরা নিরাপদ অভিবাসনের ক্ষেত্রে বড় বাধা, তাই তাঁদের পরিহার করতে বলা হয়েছে।

বিদেশি অভিবাসীদের প্রবেশ ঠেকাতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাগরে। মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের নামে অবৈধ ও আগাম লেনদেনের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো রিক্রুটিং এজেন্সি বা তার প্রতিনিধি/ প্রতিষ্ঠান/ ব্যক্তির খোঁজ পাওয়া গেলে, তাঁদের বিরুদ্ধে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩–এর ৩১ ধারা অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেনেবুঝে প্রশিক্ষণ নিয়ে বিদেশ যেতে বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। প্রতারণা থেকে রক্ষা পেতে ব্যাংকের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করতে হবে এবং অবশ্যই মানি রিসিপ্ট সংরক্ষণ করতে হবে।
মালয়েশিয়াসহ বিদেশ গমনসংক্রান্ত যেকোনো পরামর্শের জন্য নিকটস্থ জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস বা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। বিদেশ যেতে যেকোনো সমস্যায় পড়লে সহযোগিতার জন্য এই ওয়েবসাইট থেকে সাহায্য নেওয়া যাবে বা ০২-৮৩০০৩২০ নম্বরে ফোন করা যাবে।

সূত্র – প্রথম আলো

দেশে,করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ মোকাবিলায় চলাচলের সিদ্ধান্ত,,,,,?

মঙ্গলবার, ০৪ জানুয়ারী ২০২২, ২০ পৌষ ১৪২৮, ৩০ জামাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ মোকাবিলায় আসনের অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চলাচলের সিদ্ধান্ত আসছে। একই সঙ্গে কমছে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখার সময়।
মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ কথা জানান এ বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে আগামী সাতদিনের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস ও ওমিক্রনকে আমাদের রুখতে হবে। সেজন্য কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। যানবাহনে মাস্ক ছাড়া চলাচল করা যাবে না। যদি কেউ বাস, ট্রেন ও লঞ্চেমাস্ক ছাড়া চলাচল করে তাহলে জরিমানার মধ্যে পড়বে। এটার একটা সিদ্ধান্ত মোটামুটি হয়েছে।’
মন্ত্রী বলেন, বাস ও অন্যান্য যানবাহনে যাত্রী সংখ্যা অর্ধেক পরিবহনের প্রস্তাব করা হয়েছে। রেস্টুরেন্ট ও হোটেলে মাস্ক পরে যেতে হবে। মাস্ক ছাড়া গেলে দোকানদারের জরিমানা হবে, যে যাবে তারও জরিমানা হতে পারে।
দোকান-মার্কেট খোলা রাখার সময়সীমা কমিয়ে আনা হবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রাত ১০টার পরিবর্তে রাত ৮টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখা যাবে। এটাও প্রস্তাব করা হয়েছে।
ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য তাগাদা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘হোটেল-রেস্টুরেন্টে খেতে হলে টিকা দেওয়ার কার্ড দেখাতে হবে। মাস্ক পরে যেতে হবে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল চলবে। যদি সংক্রমণ বেশি বৃদ্ধি পায় তবে স্কুলের বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করা হবে। স্কুল চালিয়ে রাখা যাবে না। এখনো সেই সিদ্ধান্ত আমরা নেইনি, সেই পরিস্থিতি এখনো দেশে বিরাজ করছে না।’
তিনি বলেন, যদি অবস্থা আওতার বাইরে যায়, সংক্রমণ অনেক বৃদ্ধি পায় তাহলে লকডাউনের চিন্তা মাথায় আছে। পাশাপাশি স্থল, নৌ ও সমুদ্রবন্দরে স্ক্রিনিং জোরদার করা হয়েছে। কোয়ারেন্টাইনের ক্ষেত্রে পুলিশ পাহারা বসানো হবে। এ বিষয়ে দৃষ্টি দিতে বলা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা দেশকে নিরাপদে রাখতে চাই। দেশের অর্থনীতি ভালো থাকুক। জীবনযাত্রা স্বাভাবিকভাবে চলুক। এজন্য আমাদের সবাইকে চেষ্টা করতে হবে। শুধু সরকার কিংবা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একা পারবে না। ঝুঁকিপূর্ণ ও বয়স্ক ব্যক্তিরা সাবধানে থাকবেন। ওমিক্রন দু-তিনগুণ বেশি হারে সংক্রমণ করে।’
হাসপাতালগুলো প্রস্তুত আছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজকর্ম করার আহ্বান জানান।
সূত্র – জাগো নিউজ

আপাতত যারা কুয়েত থেকে দেশে ছুটিতে যেতে চাচ্ছেন তাদের জন্য পরামর্শ,,,,,,?

মঙ্গলবার, ০৪ জানুয়ারী ২০২২, ২০ পৌষ ১৪২৮, ৩০ জামাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

কুয়েতে করোনা সংক্রামণ উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি হলেও ফ্লাইট ইস্যু বা বিমানবন্দর নিয়ে কোনো আপডেট প্রকাশ করেনি কুয়েতের সিভিল এভিয়েশন বা মন্ত্রণালয় গুলো….

আপাতত যারা ছুটিতে যেতে চাচ্ছেন তাদের জন্য পরামর্শ –

** আকামার মেয়াদ দীর্ঘ রয়েছে; যেমন : ৭-৮ মাস বা বছরের অধিক তাহলে সফরে যেতে পারেন।

** বিশেষ করে #পাসপোর্টের মেয়াদ যেনো বছরখানেকর বেশি থাকে। কারন দেশে অবস্থায় যে কোনো পরিস্থিতিতে যেনো অনলাইনে আকামা নবায়ন করতে পারেন। (যদি অনলাইন সিস্টেম চালু থাকে)

** #খাদেম ভিসাধারী যারা ১-১২-২০২১ তারিখের পর কুয়েত থেকে সফরে গেছেন তাদের ছুটি যেনো ৬ মাসের বেশি না হয় খেয়াল রাখবে। নাহলে আকামা বাতিল হয়ে যাবে অটোমেটিক।

★★ যারা বাংলাদেশে আছেন ইচ্ছে করলে কুয়েতে ফিরে আসতে পারেন।

★★ আজকের ( ৪-১-২০২২তারিখ) নিয়ম অনুযায়ী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করোনা টেষ্ট করে কুয়েতে আসতে হবে।

★★ কুয়েতে আসার সময় দেশে থাকাথাকা অবস্থায় অনলাইনে আকামা নবায়ন করা থাকলে #মোবাইল আইডিসহ, ইমিউনি, শ্লোনিক এ্যপ্স ওপেন করার পাশাপাশি মুসাফির প্লাটফর্মে রেজিষ্ট্রেশন করে কুয়েতে চলে আসুন।

অতিরিক্ত চিন্তার কোনো প্রয়োজন নেই।
চিন্তা মুক্ত থাকুন, নিরাপদ সফর উপভোগ করুন।❤

লেখা : #kawsar
এডমিনিষ্ট্রি অফ কুয়েত প্রবাসী সাপোর্ট টিম

দেশে,করোনায় মৃত্যু ২৮ হাজার ছাড়াল,,,?

রোববার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২৮ হাজার ১ জনে। 

রোববার (৫ ডিসেম্বর)  স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ধরা পড়েছে ১৯৭ জনের শরীরে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লাখ ৭৭ হাজার ৪৪৩ জনে।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। 

বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর চলতি বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করেছে বাংলাদেশ।

গণ অধিকার পরিষদ নেতাদের ওপর হামলা নিন্দনীয়: ওবায়দুল কাদের,,,,?

বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১, ০৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ১২ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

টাঙ্গাইলে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সমাধিস্থলে নবগঠিত দল বাংলাদেশ গণ অধিকার পরিষদের নেতাদের ওপর হামলা দুঃখজনক ও নিন্দনীয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে। এ হামলার বিষয়ে তদন্ত চলছে। ওবায়দুল কাদের বৃহস্পতিবার সকালে তার রাজধানীর বাসভবনে এক ব্রিফিংকালে একথা জানান।

শুক্রবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সভায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়রের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলেও জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, গাজীপুরের মেয়র এবং চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিষয়ে সেখানে আলোচনা হবে।

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যারা বিদ্রোহ করছে এবং বিদ্রোহীদের মদদ দিচ্ছে তাদের ব্যাপারে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য।

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কম থাকলেও বিএনপি বাড়িয়েছিল: ওবায়দুল কাদের,,,?

মঙ্গলবার, ০৯ নভেম্বর ২০২১, ২৪ কার্তিক ১৪২৮, ০৩ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

গণপরিবহনে পুনর্নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি ভাড়া আদায় এবং যাত্রী ভোগান্তি থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। অন্যথায় দায়ী পরিবহনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

পরিবহন মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনের নেতারা পুনর্নির্ধারিত হারে ভাড়া আদায়ের প্রতিশ্রুতি দিলেও বিভিন্ন পরিবহনে অধিক হারে ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) সচিবালয়ে তার দপ্তরে এ কথা বলেন মন্ত্রী। ওবায়দুল কাদের জানান, ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্য বৃদ্ধিতে সরকার শুধু ডিজেলচালিত পরিবহনের ভাড়া পুনর্নির্ধারন করেছে।

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে আজ থেকে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে বিআরটিএ’র ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে বলে জানান সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেন, এরই মধ্যে দেশব্যাপী অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান মন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, কিছু কিছু গণমাধ্যম দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলেও দু-একটি গণমাধ্যম বিরূপ ও অপমানজনক সমালোচনা করছে, যা প্রত্যাশিত নয়। সেতুমন্ত্রী বলেন, কেউ কেউ পাতানো খেলা বলছে, অনেকেই আঁতাতের গন্ধও খুঁজে পেয়েছেন বলে বলছেন। যাত্রী কল্যাণ সমিতি নামে একটি ভুয়া সংগঠনও বিষয়টি না জেনে, না বুঝে সমালোচনা করছে।

ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন রেখে বলেন, তাহলে পরিবহন ধর্মঘট অব্যাহত থাকলে সেটা কি জনগণের জন্য কল্যাণকর হতো? সেক্ষেত্রে মন্ত্রী মনে করেন যাত্রী ভোগান্তি কমাতে অতীতের ধারাবাহিকতায় গণমাধ্যমের মূল্যবান পরামর্শ অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ।

বিএনপির আমলে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ছিল নৈমিত্তিক ঘটনা, সেটা বিএনপি ভুলে গেলেও জনগণ ভুলেনি উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির পাঁচ বছরে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছিল আটবার। তারা দাম কমাতে পারেনি। ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কম থাকলেও দেশে বিএনপি দাম বাড়িয়েছিল।আওয়ামী লীগ গত ১৩ বছরে পাঁচবার মূল্যবৃদ্ধি করলেও পাঁচবার মূল্য হ্রাসও করেছে বলে জানান সেতুমন্ত্রী।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের সাতদিনের মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম কমিয়েছেন। জনগণের পিঠ দেয়ালে ঠেকেনি, দেশের জনগণ এগিয়ে চলছে সম্মুখপানে, এমনটা মনে করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে বিএনপির।

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে,,,,,,?

সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৯ ভাদ্র ১৪২৮

উড়োজাহাজ থেকে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর কিংবা ইউরোপের কোনো দেশে নামলেই আধুনিক সুযোগ-সুবিধার ঝাঁ–চকচকে বিমানবন্দর স্বাগত জানায়। ইমিগ্রেশন শেষ করে লাগেজ নিয়ে গাড়ি কিংবা মেট্রোতে উঠে সহজেই গন্তব্যে রওনা দেওয়া যায়। বাংলাদেশের কোনো বিমানবন্দরে এমন সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ার বহুদিনের আক্ষেপ ঘোচাতে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজ।

নতুন টার্মিনালটি চালু হলে বছরে ঢাকার এই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা ৮০ লাখ থেকে বেড়ে ২ কোটিতে পৌঁছাবে। একই প্রকল্পের অধীনে আমদানি-রপ্তানি পণ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নতুন কার্গো ভিলেজ নির্মাণ করা হচ্ছে। তাতে বর্তমানে বিমানবন্দরের ২ লাখ টন কার্গোর সক্ষমতা বেড়ে ৫ লাখ টন হবে।

২১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে বলে মনে করছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তাঁদের মত, নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেও দেশের অর্থনীতি বড় হচ্ছে। আমদানি-রপ্তানি বাড়ছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ হচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে আধুনিক সুযোগ-সুবিধার একটি নতুন টার্মিনাল চালু হলে নানামুখী ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আসবে।

জানতে চাইলে বেসরকারি ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের চেয়ারম্যান কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, আগামী ১০ বছরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে যাত্রী পরিবহন তিন গুণ বাড়বে। কার্গো বাড়বে। তাই তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে সাময়িকভাবে সুফল মিলবে। বিদেশি অনেক যাত্রী ও কার্গো এয়ারলাইনস দেশে আসতে চাচ্ছে বলে জানালেন তিনি।

ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের জন্য ২০১৪ সালে বাংলাদেশ বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ একটি আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করে। সেই প্রতিষ্ঠান ২০৩৫ সাল পর্যন্ত বিমানবন্দরের মাস্টার প্ল্যান হালনাগাদের পাশাপাশি তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণসহ অন্যান্য অবকাঠামোর নকশা প্রণয়ন করে।

জানতে চাইলে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, বিমানবন্দরের আধুনিকায়নের সুফল ব্যবসা-বাণিজ্যে অবশ্যই পড়বে। তবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি উন্নত সেবা নিশ্চিত করা জরুরি। বিদেশ থেকে আসা কোনো বিনিয়োগকারী যদি উড়োজাহাজ থেকে নেমেই ইমিগ্রেশনে লম্বা লাইন দেখেন, তাহলে তিনি নিরুৎসাহিত হবেন। তিনি আরও বলেন, উন্নত দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিমানবন্দর পরিচালনা করে না। কারণ, তাতে জবাবদিহি থাকে না। নতুন টার্মিনাল পরিচালনার জন্য দরপত্রের মাধ্যমে বিদেশি দক্ষ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি নিয়োগ করা প্রয়োজন। যেহেতু আমাদের এই জায়গায় ঘাটতি রয়েছে।

নির্মাণাধীন নতুন টার্মিনালের নিচে মেট্রোরেলের স্টেশন থাকবে। এ ছাড়া এক্সপ্রেসওয়ে ও বিআরটির সংযোগও থাকবে। ফলে বিমানবন্দরে যাওয়া–আসার ব্যবস্থা বর্তমানের চেয়ে বহুমাত্রিক হবে। তা ছাড়া বিমানবন্দরের পাশেই হচ্ছে পাঁচ ও তিন তারকা মানের হোটেল। বিপণিবিতানও নির্মাণ হচ্ছে বেসরকারি বিনিয়োগে।

বিমানবন্দর সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে নতুন কার্গো ভিলেজ তৈরি হচ্ছে। এই কার্গো ভিলেজের আয়তন ৬৩ হাজার বর্গফুট। এটি বর্তমান কার্গো ভিলেজের কয়েক গুণ বড়। মূলত পৃথক দুটি চারতলা ভবনে ইমপোর্ট (আমদানি) ও এক্সপোর্ট (রপ্তানি) কার্গো ভিলেজ হবে। উভয় ক্ষেত্রে পণ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকবে।

জানতে চাইলে ফ্রেইট ফরোয়ার্ড অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক কে জেড ইবনে আমিন সোহাইল প্রথম আলোকে বলেন, বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ও কার্গো ভিলেজ নির্মিত হলে আকাশপথে পণ্য আনা-নেওয়া বাড়বে। কারণ, টার্মিনাল ও কার্গো ভিলেজে আধুনিক সুবিধা থাকবে। পণ্য পড়ে থাকবে না। দ্রুত পণ্য খালাস করা সম্ভব হবে।

বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিদিনই মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সবজি ও ফলমূল রপ্তানি হয়। নতুন টার্মিনাল চালু হলে রপ্তানিপ্রক্রিয়া সহজ হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ ফ্রুটস ভেজিটেবল অ্যান্ড অ্যালাইড প্রোডাক্টস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনসুর। তিনি বলেন, তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে কার্গো হ্যান্ডলিং বর্তমানের মতো ম্যানুয়ালি হবে না। পুরো প্রক্রিয়া হাতের স্পর্শ ছাড়া স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে হওয়ায় সময় কম লাগবে। তা ছাড়া পচনশীল দ্রব্যের জন্য শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ওয়্যারহাউস থাকবে। সেটি হলে পণ্য নষ্ট হবে না। বর্তমানে উড়োজাহাজে ওঠানোর আগে ৮-১০ ঘণ্টা বাইরে পড়ে থেকে সবজি ও ফলমূলের মান খারাপ হয়ে যায়।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সে নির্ভর করে নতুন ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশের রিজার্ভ,,,?

মঙ্গলবার, ২৪ আগস্ট ২০২১, ৯ ভাদ্র ১৪২৮

মহামারি করোনাভাইরাসের আঘাতে বিশ্ব অর্থনীতির বিপর্যস্ত পরিস্থিতির মধ্যে আশা জাগাচ্ছে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ন (রিজার্ভ)।  স্বাধীন বাংলাদেশের বয়স যখন ৫০-এ দাঁড়িয়ে, এমন মাহেদ্রক্ষণে নতুন উচ্চতায় উঠে এল রিজার্ভ।  এবার আমদানি ব্যয় বাড়ার পরও রিজার্ভ এক লাফে ৪৮ বিলিয়ন (৪ হাজার ৮০০ কোটি) ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে আজ (মঙ্গলবার)।

মঙ্গলবার দিনের কার্যদিবস শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৮ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার, যা অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি। 

বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলংকা ও মালদ্বীপ- এই ৯টি দেশ বর্তমানে আকুর সদস্য। এই দেশগুলো থেকে বাংলাদেশ যেসব পণ্য আমদানি করে তার বিল দুই মাস পরপর আকুর মাধ্যমে পরিশোধ করতে হয়। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রার মজুদ থাকতে হয়।

প্রতি মাসে ৬ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় হিসেবে মজুদ বাংলাদেশের এই বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে ৮ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র বলছে, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের ইতিবাচক ধারা এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ১ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ সহায়তা যোগ হওয়ায় রিজার্ভ এই মাইলফলক অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছে।

মহামারির বছরেই (২০২০) দেশের বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন ৪৩ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে। সে বছরের ২৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলারে।

এ‌দি‌কে চল‌তি অর্থবছ‌রের ১৭ জুন পর্যন্ত রিজার্ভ ৯.৪২ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছ‌রের শুরুতে (৩০ জুন পর্যন্ত) ৩৬.০৩ বিলিয়ন ডলার ছিল।

‌বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চল‌তি বছ‌রের ৩ মে দে‌শের রিজার্ভ প্রথমবা‌রের মতো ৪৫ বি‌লিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। ওইদিন রিজার্ভ বে‌ড়ে দাঁড়ায় ৪৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার।

এর আগে চলতি বছরের গত ২৪ ফেব্রুয়া‌রি রিজার্ভ ৪৪.০২ বিলিয়ন বা চার হাজার ৪০২ কোটি ডলার অতিক্রম করেছিল। তার আগে ৩০ ডি‌সেম্বর রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার, ১৫ ডি‌সেম্বর ৪২ মি‌লিয়ন ডলার এবং ২৮ অক্টোবর ৪১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল। 

২০২০ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশের রিজার্ভ প্রথম ৪০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে। তারপর থেকে রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়ে সে বছরের ডিসেম্বরেই রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। 

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম বার্ষিক রিপোর্টে (১৯৭১-১৯৭৩) বলা হয়, স্বাধীনতা প্রাপ্তির পরপর বাংলাদেশের কোনো বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চয় ছিল না। কিন্তু ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ আস্তে আস্তে তার বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চয় করে নিয়েছে। ১৯৭২ সালের ৩০ জুন রিজার্ভ ছিল ১১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।  তার পরের বছরের ২৯ জুনে স্বাধীন দেশের রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়ায় ১২৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।

সূত্র ঃ-দৈনিক যুগান্তর