দেশে যে কত রসিক মানুষ আছেন, তা বোঝা যায় প্রথমআলোর ফেসবুক পেজের বিভিন্ন পোস্টের নিচে পাঠকের মন্তব্য দেখলে। কিছু মন্তব্য পড়লে হাসতে হাসতে পেটে খিল লেগে যাওয়ার দশা হয়। প্রিয় পাঠকের সরস এবং তীক্ষ্ণ মন্তব্যগুলো নিয়েই একটু থামুনের এই বিভাগ—পাঠক বলেছেন। এখানে বাছাই করা দারুণ মন্তব্যগুলো প্রকাশ করা হয়। অতএব চোখ রাখুন নিয়মিত…
মূল্যস্ফীতি এবার সাড়ে ৭ শতাংশ ছাড়িয়েছে। গত জুন শেষে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ এ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
বাজারে পণ্যমূল্য বেড়ে যাওয়ায় বেশ কয়েক মাস ধরে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেছে। বাজারে সব ধরনের পণ্যেরই দাম বাড়তি। এ কারণে কয়েক মাস ধরে মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের জন্য আবারও মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, বিবিএস মূল্যস্ফীতির যে হিসাব দিচ্ছে, প্রকৃত মূল্যস্ফীতি তার চেয়ে বেশি।
খাদ্যদ্রব্য কিনতে গিয়েই সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে মানুষ। আবার শহরাঞ্চল ও গ্রামের মানুষের মধ্যে মূল্যস্ফীতির চাপ বেশি গ্রামাঞ্চলে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, গত জুন মাস শেষে দেশে খাদ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৭ শতাংশে। আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ। অর্থাৎ খাদ্যদ্রব্য কিনতে গিয়েই সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে মানুষ। আবার শহরাঞ্চল ও গ্রামের মানুষের মধ্যে মূল্যস্ফীতির চাপ বেশি গ্রামাঞ্চলে। কারণ, শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতির চাপ বেশি। সদ্য প্রকাশিত বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, জুন শেষে গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশে। আর একই সময়ে শহরাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ৬২ শতাংশ।
গত জুন শেষে গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশে। আর একই সময়ে শহরাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ৬২ শতাংশ।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, গ্রামাঞ্চলে খাদ্যের মূল্যস্ফীতি পৌঁছেছে প্রায় ৯ শতাংশে। জুন শেষে গ্রামে খাদ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ। শহরাঞ্চলে এ হার ৭ শতাংশের ওপরে রয়েছে।
ধর্ষণ ও খুনের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে হাসপাতালের ম্যনেজিং ডাইরেক্টর এমডি হানিফুর রহমান সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ইউনাইটেড হাসপাতাল অ্যান্ড অর্থোপেডিক সেন্টারে নার্সের চাকরি করতেন রিমা প্রামানিক(২০)। নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের পিরিজকান্দি গ্রামের (হাই স্কুলের পেছনের বাড়ি) সেন্টু প্রামাণিকের মেয়ে সে। আজ ১১.০৭.২০২২ইং রোজ সোমবার সকাল ৯টার দিকে হাসপাতালের একটি কক্ষ থেকে রিমার মরদেহ উদ্ধার করে ভৈরব থানা পুলিশ। তার পরিবার সূত্রে জানা জায়, গত বুধবার হাসপাতাল থেকে ছুটি নিয়ে বাড়িতে আসে রিমা। পরের দিন শনিবার পুলিশে চাকুরী নিবে বলে, হাসপাতালে পদত্যাগ পত্র দিয়ে বাড়িতে চলে আসে রিমা। পরবর্তীতে রবিবার হাসপাতাল কতৃপক্ষ বাড়ি থেকে তাকে ডেকে নিয়ে যায়। আজ সোমবার সকালে হাসপাতালের একটি কক্ষে রিমার মৃত দেহ পাওয়া যায়। রিমার পরিবার বলেন আমরা হাসপাতালে এসে দেখি রিমার গলায় ওড়না প্যাচানোর দাগ, আমার মেয়ে হসপিটালে কেন গলায় ফাঁস দিবে? ইউনাইটেড হাসপাতালের পার্শবর্তী হাসপাতালের কর্মচারী, মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ, পরিবার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তবর্গরা মনে করেন, রিমা প্রমানিক একজন সুন্দরী মেয়ে। সে চাকরি ছেড়ে চলে যাওয়া হাসপাতালের এমডি হানিফুর রহমান সুমন অনেক ক্ষুব্দ হন। পরবর্তীতে কৌশলে মেয়েটিকে বাড়ি থেকে ডেকে এনে গভীর রাতে কৌশলে তাকে একটি রুমের মধ্যে বন্ধী করে ধর্ষণ ও অমানবিক নির্যাতন করে হত্যা করে। পরে তার গলায় ওড়না প্যাঁচিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখে এবং আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তারা মনে করেন, এই হত্যাকান্ডের সাথে শুধু সুমন নয় তার সহযোগী পর্টনাররাও জড়িত থাকতে পারে। হাসপাতালের এমডি ও অন্যান্য সকল পরিচালকদের গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসা করলে ঘটনার সঠিক তথ্য অবশ্যই বের হয়ে আসবে। ধর্ষণ ও খুনের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে হাসপাতালের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর এমডি হানিফুর রহমান সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে ভৈরব থানার পুলিশ। ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ গোলাম মোস্তফা জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হাসপাতালের একটি কক্ষের বিছানা থেকে রিমার মৃতদেহ উদ্ধার করি, ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ কিশোরগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তা জানান চাকরি ছাড়ার বিষয় নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড হতে পারে তবে অপরাধী যেই হোক না কেন সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমি এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায় বিচারের দাবি জানাই।
শনিবার পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর রোববার সকাল থেকে যান চাল শুরু হয়েছে। আর যান চলাচলের প্রথম দিনেই পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে দুজন মারাত্মক আহত হয়েছেন।
রোববার (২৬ জুন) রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। তবে পদ্মা সেতুর ঠিক কোন জায়গায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ দুর্ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, মারাত্মক আহত হয়ে দুজন সেতুর ওপর পড়ে আছেন। পাশে রক্তের ছোপ। তাদের হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
ফরিদগঞ্জ থানার এস আই মো. আনোয়ার হোসেন চাঁদপুর জেলায় শ্রেষ্ঠ অফিসার নির্বাচিত হয়েছে।
২২ জুন বুধবার জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে মাসিক কল্যাণ সভায় চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, বিপিএম (বার) এর সভাপতিত্বে উক্ত সভায় মে মাসের সার্বিক অপরাধ সহ সকল দিক বিবেচনায় শ্রেষ্ঠ এস আই নির্বাচিত হয়েছেন মো. আনোয়ার হোসেন।
শ্রেষ্ঠ এস আই নির্বাচিত হওয়ায় তাঁর হাতে ক্রেষ্ট তুলে দেন জেলা পুলিশ সুপার। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সহ জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
এস. আই আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি সরকারী নির্দেশনা ও ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. শহীদ হোসেন স্যারের সার্বিক দিক নির্দেশনায় সকল দায়িত্ব পালন করে থাকি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে নানা রকম অপরাধ সংঘটিত করছে অপরাধী চক্ররা। আর সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধেই বাংলাদেশ পুলিশ জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছে। পুলিশ জনগনের বন্ধু এ কথার বাস্তবে রুপান্তিত করে জনগনের বন্ধু হয়ে কাজ করে যেতে চাই।
তিনি মাদক প্রতিরোধ প্রসঙ্গে বলেন, মাদকের সাথে কোনো রকম আপোষ করা যাবেনা। মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, চুরি, ডাকাতি সহ সকল ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ অনেক শক্ত অবস্থানে আছেন। অপরাধ করে কেউ পার পাবেনা বলে তিনি সর্ব সাধারনকে আশ্বস্ত করতে চান। তিনি সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী।
সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যার্ত মানুষদের মাঝে ত্রাণ বিতরণে সবার আগে এগিয়ে এসেছেন দেশের আলেম সমাজ। সঙ্কটাপন্ন মানুষের পাশে আলেমদের দাঁড়ানোর বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। অন্যদিকে এবারের ত্রাণ কার্যক্রমে কথায় কথায় আলেম সমাজের সমালোচনা করা, তাদের চরমপন্থী হিসেবে উপস্থাপনকারী সেকুলারদের দেখা মেলেনি। এনিয়েও ক্ষোভ জানিয়েছেন নেটিজেনরা।
আলেমদের তত্ত্বাবধানে স্বেচ্ছাসেবীরা কয়েকদিন ধরে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে সিলেটের বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল, সংস্থা ও অনেক মানবহিতৈষীও এগিয়ে এসেছেন। তবে আলেমরা এগিয়ে এসেছেন সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে। তাদের সেবাগুলো মানুষের বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে।
বন্যার পানিতে দিশেহারা সুনামগঞ্জ ও সিলেটের মানুষ। কয়েকদিন থেকে বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন এখানকার মানুষ। বন্যার ভয়াবহতা বাড়তে থাকায় সারাদেশ থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে জেলা দুটি।
এমন পরিস্থিতিতেও গলাপানি অতিক্রম করে সেখানে খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন আলেম সমাজ। পানি পেরিয়ে বানভাসি মানুষগুলোর কাছে খাবার হাতে দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে গেছে জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা শায়খ আহমাদুল্লাহ প্রতিষ্ঠিত ‘আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন’, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি, খেলাফত মজলিশ, চরমোনাই পীরের ইসলামি আন্দোলন, ইসলামি ঐক্যজোট। এছাড়া সিলেট ও সুনামগঞ্জসহ বন্যার্ত জেলাগুলোর হাজার হাজার পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছেন মাওলানা আব্দুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, শায়খ আবদুর রাযযাক বিন ইউসুফ।
আলেম সমাজের সমালোচক গণজাগরণ মঞ্চ কিংবা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির (ঘাদানিক) কাউকেও ত্রাণ নিয়ে এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি। এদের অনেকেই ফেসবুকে পোস্ট দেয়া পর্যন্তই সীমাবদ্ধ ছিল। এছাড়া তারা নামেমাত্র ঢাকায় মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করেছেন বলে জানা যায়।
এদিকে, আলেমদের নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবা বিতরণের ক্ষেত্রে সেবাগ্রহীতার মান-মর্যাদা ও সৌজন্যতার নানামাত্রিক দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। সেবাগ্রহীতার ছবি প্রচার থেকে নির্মোহ থেকে সঙ্কটগ্রস্ত মানুষকে খাবারের প্যাকেজ পৌঁছে দেওয়া প্রশংসা কুড়িয়েছে।
আলেম সমাজের প্রশংসা করে আব্দুল আলিম নুমান লিখেছেন, ‘‘জাতির ক্রান্তিকালে দুর্যোগে এবং দুর্ভোগে যেভাবে আপনারা অগ্রগামী, আলেমুল গায়েব মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে আপনাদের নাম ও কীর্তি সোনার হরফে খচিত হোক।
তিনি আরও লেখেন, আমার মতো কোটি ভক্তের হৃদয়ের টাইমলাইন জুড়ে ছড়িয়ে থাকুক অসামান্য কৃতজ্ঞতায়, শ্রদ্ধায় ও রক্তিম ভালোবাসা আপনাদের প্রতি।
এইচ এম আব্দুল্লাহ নামে একজন লিখেছেন, বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণে দেশের আলেম সমাজই এগিয়ে। আবারও প্রমাণ হলো আলেমরা সব সময় সবার আগে জনগণের পাশে দাঁড়ায়।
আকলিমা জাহান নামে একজন লিখেছেন, জাতির ক্রান্তিকালে আলেম সমাজই সবার আগে দাঁড়িয়েছেন। মহান আল্লাহ তাদের হেফাজত করুক।
নুর-ই আলম হাওলাদার নামে একজন লিখেছেন, আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরীর নাম গণকমিশনের শ্বেতপত্রের এক নাম্বারে দিয়েছিল তারা। অথচ তিনি আর্ত-মানবতার সেবায় ব্যস্ত। প্রতিদিনই নৌকায় করে তিনি সিলেটবাসীকে ত্রাণ দিচ্ছেন। মহান আল্লাহ হুজুরের ছায়াকে আমাদের মধ্যে দ্বীর্ঘায়িত করুন!
তিনি আরও লেখেন, অথচ ঐসব ঘাদানিকদের সিলেট ও সুনামগঞ্জের কোনো জায়গায় খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। তারা এখন কোথায় জনগণ জানতে চায়।
মো. জামির উদ্দিন নামে একজন লিখেছেন, বন্যার শেষে যদি কখনো তোমার সুবুদ্ধির উদয় হয় তবে স্মরণ রেখো, হাত বাড়িয়ে ছিল মোল্লারা, গণকমিশনের লোকেরা নয়।
তিনি আরও লেখেন, প্রতিটি দুর্যোগে সবার আগে এই দাড়ি-টুপি ওয়ালারা এগিয়ে আসে। সিলেটে বন্যাকবলিত এলাকায় এই পর্যন্ত কয়েক কোটি টাকা এবং খাদ্যসামগ্রী নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন আলেমরা।
এছাড়াও বিভিন্ন আলেমদের সংগঠন প্রতিদিনই কোনো না কোনো কিছু দান করছেন। এর পাশাপাশি ব্যারিসটার সুমন, বিভিন্ন খেলোয়াড়রা, শোবিজ তারকারাও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
বৃহত্তর ফরিদপুরের পাঁচটি জেলা নিয়ে ‘পদ্মা’ ও চট্টগ্রামের ছয়টি জেলা নিয়ে ‘মেঘনা’ নামে ২ টি নতুন বিভাগ হচ্ছে বলে আগেই ঘোষণা দিয়েছেন সরকারের নীতিনির্ধারকেরা। নতুন এই বিভাগ দুটি নিকারের অনুমোদন পেলে দেশে বিভাগের সংখ্যা হবে ১০টি। তবে বিভাগের জন্য সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটিতে (নিকার) অনুমোদন হতে হয়। এখন পর্যন্ত নিকারের সভায় নতুন এই ২ বিভাগের অনুমোদন হয়নি।
এদিকে আজ সন্ধ্যা থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই নতুন বিভাগ হয়ে গেছে লিখে ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছেন। যা সঠিক নয়।
শনিবার (৪ জুন) নিকারের সদস্য ও সরকারের একজন মন্ত্রী একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, গত বৃহস্পতিবার নিকারের সভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে সেটি স্থগিত করা হয়েছে। সরকার যদি সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে, তাহলে ‘শিগগির’ আবার নিকারের সভা হতেও পারে। এটি সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।
জানা গেছে, ফরিদপুর জেলার আয়তন ২ হাজার ৭৩ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ১৯ লাখ ৮৮ হাজার ৬৯৭। গোপালগঞ্জ জেলার আয়তন ১ হাজার ৪৬৮ দশমিক ৭৪ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ১১ লাখ ৭২ হাজার ৪১৫। রাজবাড়ীর আয়তন ১ হাজার ১১৮ দশমিক ৮০ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ১০ লাখ ১৫ হাজার ৫১৯। শরীয়তপুরের আয়তন ১ হাজার ৩৬৩ দশমিক ৭৬ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ১১ লাখ ৫৫ হাজার ৮২৪। মাদারীপুরের আয়তন ১ হাজার ১২৫ দশমিক ৬৯ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ১২ লাখ ১২ হাজার ১৯৮। ফলে পদ্মা বিভাগের মোট আয়তন হবে ৭ হাজার ১৪৯ দশমিক ৯৯ বর্গকিলোমিটার। মোট জনসংখ্যা ৬৫ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫৩। সাক্ষরতার হার ৪৮ দশমিক ৯ ভাগ।
অপরদিকে বর্তমানে বৃহত্তর কুমিল্লা ও বৃহত্তর নোয়াখালীর ছয়টি জেলায় মোট জনসংখ্যা প্রায় ২ কোটি। ওই ছয় জেলার আয়তন প্রায় ১৩ হাজার বর্গকিলোমিটার।
এদিকে, গত বছরের অক্টোবরে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে এক অনুষ্ঠানে প্রস্তাবিত এই দুই বিভাগ নিয়ে কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেদিন তিনি বলেছিলেন, বিভাগের ব্যাপারে আমি একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি ২টা বিভাগ বানাব, আমার ২টা নদীর নামে। একটা পদ্মা, একটা মেঘনা। এই দুই নামে ২টা বিভাগ করতে চাই।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের একটি কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়েছে। এতে এক পুলিশ কনস্টেবলের পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আরও অন্তত নয়জন পুলিশ সদস্যসহ অনেকে আহত হয়েছেন।
আজ শনিবার রাত ১১টার দিকে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থল থেকে অন্তত চার কিলোমিটার এলাকা কেঁপে ওঠে। আশপাশের বাড়ি–ঘরের জানালার কাঁচ ভেঙে পড়ে।
পুলিশ জানিয়েছে, সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের কনস্টেবল তুহিনের পা বিচ্ছিন্নসহ আরও অন্তত পাঁচ কনস্টেবল, ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোতাহার হোসেন এবং শিল্প পুলিশের একাধিক সদস্য আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ফায়ার সার্ভিসের এক সদস্য আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ভাটিয়ারির বাংলাদেশ শিপব্রেকার্স অ্যাসোসিয়েশন হাসপাতালে আহত অন্তত ২০ জনকে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত নয়টার দিকে বিএম কন্টেইনার ডিপোর লোডিং পয়েন্টের ভেতরে আগুনের সূত্রপাত হয়। কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। রাত পৌনে ১১টার দিকে এক কন্টেইনার থেকে অন্য কন্টেইনারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। একটি কন্টেইনারে রাসায়নিক থাকায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটনা ঘটে। এতে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, স্থানীয় শ্রমিকসহ অনেকে আহত হন।
সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন বণিক প্রথম আলোকে বলেন, বিস্ফোরণে পুলিশের অন্তত ১০ সদস্যসহ আরও অনেকে আহত হয়েছেন। রাসায়নিকের কন্টেইনারে বিস্ফোরণের কারণে দুর্ঘটনাস্থলে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন।
বোরখা বা হিজাব পরা সাংবিধানিক অধিকার বলে জানিয়েছেন উচ্চ আদালত। সারাদেশের বিভিন্ন জেলায় ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা বোরখা বা হিজাব পরায় হেনস্থার শিকার হওয়ার ঘটনায় তদন্ত করার নির্দেশও দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (২ জুন) সকালে বিচারপতি মজিবুর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি খিজির হায়াতের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এসব ঘটনা তদন্ত করে সরকারের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আদালত বলেন, বাংলাদেশ ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। সকল ধর্মের মানুষের এখানে সমান অধিকার। কারো ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা এবং রাষ্ট্রকর্তৃক সেই অধিকার সমুন্নত রাখা একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব। বোরখা বা হিজাব পরায় শিক্ষার্থীদের আদৌ শিক্ষার্থীদের হেনস্থা করা হয়েছে কিনা, যদি হেনস্থা করা হয়ে থাকে এর পিছনে কারা দায়ী এবং তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সেটি তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করতে হবে। আগামী ১১ আগস্ট মামলাটি আবার শুনানির জন্য আসবে।
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় আত্মসমর্পণের পর দণ্ডপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী মোহাম্মদ সেলিমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭-এর বিচারক শহিদুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এদিন আদালতে আত্মসমর্পণ করে যেকোনো শর্তে জামিনের আবেদন করেন হাজী মোহাম্মদ সেলিম।
আবেদনে হাজী সেলিমের আইনজীবী শ্রী প্রাণনাথ উল্লেখ করেন, ২০১৬ সালে ওপেন হার্ট সার্জারির সময় মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়ার কারণে দীর্ঘদিন যাবৎ বাকশক্তিহীন অবস্থায় রয়েছেন হাজী সেলিম।
তিনি দেশ ও বিদেশে চিকিৎসা নিয়েছেন। জেলে থাকলে চিকিৎসার অভাবে ও বাকশক্তি না থাকায় যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ কারণে যেকোনো শর্তে তার জামিন আবেদন করছি। জামিন পেলে তিনি পলাতক হবেন না। তাই আপিল শর্তে আত্মসমর্পণপূর্বক তার জামিন আবেদন করছি। সুত্রঃ কালের কন্ঠ।