ক্যাটাগরি Uncategorized

মালদ্বীপে নিহত প্রবাসীর পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করলো প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক।

মালদ্বীপে মৃত্যুবরণ করা মাদারীপুরের মোহাম্মদ শাহীন এর মরদেহ ঢাকায় পৌঁছালে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক থেকে তার লাশ পরিবহন ও দাফনের জন্য ৩৫,০০০ টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে।

সূত্র: প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক, ঢাকা এয়ারপোর্ট।

ডিজিটাল ইকামা বহন করা বাধ্যতামূলক নয় – জাওয়াজাত।

সৌদি আরবের জেনারেল ডিরেক্টরেট অফ পাসপোর্ট, জাওয়াজাত এক ঘোষণায় জানিয়েছে, প্রবাসীদের জন্য ডিজিটাল ইকামা বহন করা বাধ্যতামূলক নয়। কেউ যদি চান, তবে তারা নিজেদের মুকিম আইডি এর প্রিন্ট করা কপিও সাথে রাখতে পারবেন, অথবা মোবাইল ফোনে থাকা ইকামা এর ছবি প্রদর্শন করলেই হবে।

টেলিভিশন চ্যানেল এর একটি অনুষ্ঠানে জাওয়াজাত এর মুখপাত্র ক্যাপ্টেন নাসের আল-ওতাইবি জানান, ডিজিটাল আইডি তৈরী করা হয়েছে যাতে করে প্রবাসীরা তাদের ইকামা বা রেসিডেন্ট পারমিট বহন না করেও চলাফেরা করতে পারেন। তিনি আরো জানান, এবছরের জানুয়ারিতে জাওয়াজাত এবশের ইন্ডিভিজুয়ালস পোর্টাল এর মাধ্যমে মুকিম ডিজিটাল আইডি এর সিস্টেম চালু করেছে। এই সিস্টেম এর ফলে প্রবাসীরা যদি নিজেদের প্লাস্টিক মুকিম কার্ড সাথে নাও রাখেন, তবুও ডিজিটাল মুকিম আইডি কার্ড প্রদর্শন করলে কোনপ্রকার ফাইনের সম্মুখীন হবেন না। এছাড়াও, নিজেদের ফোনে সংরক্ষিত থাকা ডিজিটাল ইকামা এর কপি প্রদর্শন করলেও কোন জরিমানার সম্মুখীন হবেন না প্রবাসীরা।

তিনি আরো জানান, যেকোন চেকিং বা প্রয়োজনের সময় ব্যবহারকারী প্রবাসী এবশের ইন্ডিভিজুয়াল এপ্লিকেশন এর মাধ্যমে নিজের ইকামা প্রদর্শন করলেই বাস্তবিক প্লাস্টিক কার্ড প্রদর্শনের প্রয়োজন হবে না। এছাড়াও এই এপ্লিকেশনের মাধ্যমে ব্যবহারকারী নিজের ইকামা এর একটি কপি নিজের ফোনে ডাউনলোড করে রাখতে পারবে। এরফলে কোন কারনে ইন্টারনেট না থাকা অবস্থাতেও সহজেই নিজের রেসিডেন্সি পারমিট বা ইকামা প্রদর্শন করতে পারবেন উল্লেখ্য প্রবাসী। এছাড়াও যদি কেউ চান, তবে নিজের ইকামা এর একটি প্রিন্টেড কপি সাথে করে রেখে প্রদর্শন করলেই হবে, তিনি কোনপ্রকার জরিমানার সম্মুখীন হবেন না।

সৌদি আরবের মিনিস্ট্রি অফ ইন্টেরিয়র সকল সৌদি নাগরিক এবং প্রবাসীদের জন্য ডিজিটাল আইডি এর সেবা চালু করেছে। নতুন এই ডিজিটাল আইডি সেবার মাধ্যমে নাগরিক বা প্রবাসী, কাউকেই আগের ন্যায় প্লাস্টিক আইডি কার্ড বহন করতে হবে না। বরং, জাতীয় পরিচয়পত্র, রেসিডেন্সি পারমিট (ইকামা), ড্রাইভিং লাইসেন্স, যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন, সবকিছুই ডিজিটাল আইডি তে রূপান্তর করা হচ্ছে, এবং যেকোন পরিস্থিতিতে এই ডিজিটাল কপি প্রদর্শন করলেই কেউ কোনরূপ জরিমানার সম্মুখীন হবেন না।

সারওয়ার আলম: নায়ক না ভিলেন?

বিশেষ প্রয়োজনে রাত ১২টার দিকে ফোন করেছিলাম ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমকে। তখন ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হচ্ছে। ফোন ধরে বললেন, ‘ভাইয়া অভিযানে আছি, খুব জরুরি না হলে শেষ করে কথা বলি।’ সেই রাতে আর কথা হয়নি। কারণ, রাতভর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন তিনি।

কয়েকদিন পর উত্তরায় র‌্যাবের প্রধান কার্যালয়ে দেখা। একসঙ্গে দুপুরের খাবার খেতে খেতে জিজ্ঞেস প্রশ্ন করলাম, এত বড় বড় মানুষদের বিরুদ্ধে অভিযান করছেন, ভবিষ্যত ক্যারিয়ারে এর প্রভাব পড়ার শঙ্কা আছে কিনা? প্রশ্ন শুনে বেশ হাসিমুখেই উত্তর দিলেন, কাউকে না কাউকে ঝুঁকি নিতে হবে। চাকরি করি প্রজাতন্ত্রের। জনগণের জন্য কাজ করি। সরকার যে দায়িত্ব দিয়েছে সেটাই করছি। ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা হতে পারে, এই ভেবে তো বসে থাকা যাবে না।বসে থাকতে না চাইলেও সারওয়ার আলমকে বসিয়ে রাখার আয়োজন কম হয়নি। উচ্চ আদালতে তার বিরুদ্ধে রিট পিটিশনও করা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, শিশুদের দণ্ড দেওয়াসহ নানা অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু সারওয়ার আলমকে আটকানো যায়নি। শেষ পর্যন্ত তাকে বদলি করা হলো। একইভাবে বদলি করা হয়েছিল নিরাপদ খাদ্য নিয়ে যুদ্ধ করা আরেক জনপ্রিয় কর্মকর্তা মাহবুব কবির মিলনকে। সরকারের জনপ্রিয় এই দুই কর্মকর্তার বদলির ক্ষেত্রে এক ধরনের কৌশল নেয়া হয়েছিল বলে মনে হয়। মাহবুব কবির মিলনকে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ থেকে রেলওয়েতে পাঠানো হয় গত বছরের মার্চ মাসের শেষের দিকে। তখন করোনা নিয়ে দেশে হইচই অবস্থা। মিডিয়া, সরকার, জনগণ সবাই ব্যস্ত করোনা নিয়ে। এমন সময় তাকে বদলি করা হয়। যেন তার বদলির বিষয়টি আলোচনায় না আসে।

সারওয়ার আলমকে বদলি করা হয়েছে গত বছরের নভেম্বরের ৯ তারিখে। ওই দিন সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান হত্যার প্রধান অভিযুক্ত এসআই আকবরকে গ্রেফতার করা হয়। মিডিয়া ও জনগণের নজর ছিল সেদিকেই। ফলে সারওয়ারের বদলিও আলোচনা এড়িয়ে যায়।ব্যতিক্রম ঘটেছিল ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারের ক্ষেত্রে। ২০১৯ সালের ৩ জুন তাকে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর থেকে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। তখন অন্য কোনো গরম ইস্যু ছিল না। ফলে মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচার পায়। মানুষ বিক্ষোভ করে। শেষ পর্যন্ত জাতীয় সংসদে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর তাকে স্বপদে বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়। মঞ্জুর শাহরিয়ারকে বদলির আদেশের পর সেই আদেশ বাতিল করা বোধ হয় কারো কারো জন্য অস্বস্তিকর হয়। সম্ভবত এই বদলিকারীরা সেখান থেকেই শিক্ষা নেয়।জনপ্রিয় কর্মকর্তাদের বদলির ক্ষেত্রে তারা কৌশলী হয়। যে কৌশল পরবর্তীতে মাহবুব কবির মিলন ও সারওয়ার আলমের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে সফল হওয়া গেছে। যখন দেশে কোনো ইস্যু নিয়ে তুমুল হইচই চলবে তখনই এসব কর্মকর্তাদের সরাতে হবে। নিরবে স্বার্থ হাসিল হয়ে যাবে।এসব ব্যক্তিদের আবার সরিয়ে ক্ষ্যান্ত হন না কর্তারা। তাদের বিরুদ্ধে নানা ব্যবস্থাও চলতে থাকে। মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় অভিযোগ আনা হয়েছিল। বিষয়টি তিনি প্রকাশ করেননি। মাহবুব কবির মিলনের দুর্নীতি বিরোধী এক বক্তব্যের জন্য বিভাগীয় অভিযোগ এনে তাকে তিরস্কার করা হয়েছে। আর সারওয়ার আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ স্বয়ং আদালতে ঝুলছে।অথচ বিদেশে টাকা পাচার করা পুলিশ কর্মকর্তাকে সেরা কর্মকর্তার পুরস্কার দেওয়ার খবর আমরা দেখি। শত কোটি, হাজার কোটি টাকা লুট করেও দিব্যি সমাজে বুক ফুলিয়ে চলা মানুষদের আমরা প্রধান অতিথি-বিশেষ অতিথি হতে দেখি। অবস্থা দেখে মনে করা যায়, যে যত বড় চোর সে তত ক্ষমতাবান, তত সম্মানিত, তত নিষ্পাপ। আর যে হিরোরা দেশের জন্য, জনগণের জন্য কাজ করে তারা হয়ে যায় ভিলেন।দেশে চোরদের পুরস্কৃত করা আর নায়কদের তিরস্কার করার দৃষ্টান্ত নতুন নয়। এই দৃষ্টান্তগুলো সারওয়ার আলম জানতেন না এমনও নয়। কিন্তু দেশের প্রতি, চাকরির প্রতি ও জনগণের প্রতি দার দায়বদ্ধতা তাড়িয়ে বেড়িয়েছে। রাত-দিন পরিশ্রম করেছেন। বহু ঝুঁকি নিয়েছেন। শুধু ক্যাসিনো নয়, সারওয়ার আলমের কার্যক্রমের ফিরিস্তি লিখলে বড় বড় বই লেখা যাবে। একটা একটা অভিযানের ঘটনা দিয়ে একটা একটা সিনেমা তৈরি করা যাবে। তাঁর অনেক অভিযান বলিউড-হলিউডের সিনেমার সঙ্গে তুলনা করা যায়। শতাধিক বড় বড় অভিযান করেছেন তিনি। ছোট ছোট অভিযান ছিল তার দৈনন্দিন রুটিন।এর প্রতিদান কী পেলেন সারওয়ার আলম? যা পেলেন তা তাঁর ভাষায়, ‘চাকরি জীবনে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী অন্যায়, অনিয়মের বিরুদ্ধে লড়েছেন তাদের বেশির ভাগই চাকরি জীবনে পদে পদে বঞ্চিত ও নিগৃহীত হয়েছেন। এ দেশে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়াটাই অন্যায়!’ অনবরত মানুষের জন্য কাজ করতে থাকা একজন কর্মকর্তাকে যখন এভাবে দুঃখ প্রকাশ করতে হয়, তখন এর কোনো প্রতিকার প্রত্যাশা করা অবান্তর হয়ে দাঁড়ায়।সম্প্রতি প্রশাসন ক্যাডারে পদোন্নতিতে বাদ পড়েছেন সারওয়ার আলম। খবরে বলা হয়েছে, ‘পদোন্নতির ক্ষেত্রে মূল বিবেচ্য ছিল বিসিএসের ২৭তম ব্যাচ। এ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের ২৪০ জনকে (ইকোনমিক ক্যাডার বিলুপ্ত হওয়ায় প্রশাসন ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত হওয়া কর্মকর্তাসহ) পদোন্নতি দেওয়া হয়। কিন্তু তিন শতাধিক সফল অভিযানের ট্যাগ লাগানো র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমের পদোন্নতি মেলেনি। পদোন্নতি পাওয়া ৩৫৮ কর্মকর্তার মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারের ২৭৮ জন রয়েছেন। তাদের (২৭৮ জন) মধ্যে ২৭তম ব্যাচের ২৪০ জন (ইকোনমিক ক্যাডার বিলুপ্ত হওয়ায় প্রশাসন ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত হওয়া কর্মকর্তাসহ) আছেন। বাকি ৩৮ জন অন্যান্য ব্যাচের। এছাড়া অন্যান্য ক্যাডার থেকে মোট পদোন্নতি পেয়েছেন ৮০ কর্মকর্তা।বিসিএস ২৭তম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডার হিসেবে ২০০৮ সালের নভেম্বরে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন সারওয়ার আলম। ২০১৪ সালের ১ জুন সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে পদোন্নতি পান তিনি। সে অনুযায়ী এ পদে প্রায় সাত বছরসহ মোট ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রশাসন ক্যাডার হিসেবে কর্মরত আছেন তিনি, যা পদোন্নতির শর্ত পূরণ করে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় অভিযোগ নেই। বরং নানা সাহসী অভিযানের কারণে বিভিন্ন সময় প্রশংসা কুড়িয়েছেন এই কর্মকর্তা। তবুও তার পদোন্নতি না হওয়ায় হতাশ হয়েছেন অনেকে। একইসঙ্গে কেন পদোন্নতি পাননি, সে প্রশ্নও উঠেছে।’তার পদোন্নতি না পাওয়ার বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আনিছুর রহমান মিঞা বলেছেন, ‘আমার জানা মতে যারা যোগ্য তারা সকলেই পদোন্নতি পেয়েছেন। বাকিদের বিষয়ে মন্তব্য করার অধিকার আমার নেই। কারণ পদোন্নতি আমরা দেই না। পদোন্নতি দেওয়ার জন্য যে বোর্ড (সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড) আছে, তারা সবকিছু বিশ্লেষণ করে যারা যোগ্য তাদের পদোন্নতি দিয়েছে বলেই আমি জানি।’অর্থাৎ এই সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের বিবেচনায় সারওয়ার আলম যোগ্য ব্যক্তি নন। যাদের পদোন্নতি হয়েছে তাদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই। কিন্তু ২৭তম ব্যাচের প্রশাসনের যেসব কর্মকর্তা সততা ও কাজ দিয়ে দেশবাসীর ভালোবাসা পেয়েছেন তার মধ্যে সারওয়ার আলম অবশ্যই সবার শীর্ষে। সবার শীর্ষে থাকা ব্যক্তিটি যখন অযোগ্য বিবেচিত হয় তখন সাধারণ মানুষের মনে সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড নিয়ে প্রশ্ন জাগে।সেই প্রশ্ন থেকেই স্বনামধন্য সংবাদকর্মী শরিফুল হাসান লিখেছেন,  কী বার্তা আসলো গেল? আপনি ঘুষ খান-দুর্নীতি করেন, তাতে পার পেয়ে যেতে পারেন কিন্তু দুর্নীতির বিরুদ্ধে বললেই জুটবে তিরস্কার।  সিন্ডিকেট ভাঙতে চান পদে পদে বিপদে পড়বেন। এসবের মধ্যে দিয়ে আসলে কী বার্তা যায়? একজন কর্মকর্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে চাইলে কেন তাকে তিরস্কৃত হতে হবে? কেন সততার সঙ্গে কাজ করার পরেও পদোন্নতি হবে না? এভাবে চললে ভবিষ্যতে কোন পথে যাবে বাংলাদেশ? রাষ্ট্র ও নীতি নির্ধারকেদের কাছে অনুরোধ, সৎ ও যোগ্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পুরস্কৃত করুন। মূল্যায়ণ করুন। তাদের কাজের সুযোগ দিন। ভালো কাজের মূল্যায়ন না হলে ভবিষ্যতে ভালো কাজ করার আগ্রহ হারাতে পারেন অনেকে। আর এমন প্রশ্নও তখন উঠবে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াটা কী অন্যায়!২৭ তম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারে সারওয়ার আলমের নাম সবার উপরে থাকার পরেও তিনি অযোগ্য বিবেচিত হয়েছেন সুপিরিয়র কমিটির কাছে। কিন্তু জনগণের কাছে সারওয়ার আলম অযোগ্য নন। তিনি দেশপ্রেমিক, মানবপ্রেমিক, সৎ ও যোগ্য কর্মকর্তা। তিনি আমাদের কাছে হিরো। হিরোদের পদপদবী, সম্পদ বা স্বীকৃতির প্রয়োজন হয় না। হিরোরা মানুষের হৃদয়ে বসবাস করে। তাই সারওয়ার আলম যেখানেই থাক, তিনি আমাদের কাছে থাকবেন হিরো হিসেবে।লেখক: সিফাত শাহরিয়ার প্রিয়ান, শিক্ষার্থী -জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়।

আবারও দেশে করোনায় রেকর্ড শনাক্ত, মৃত্যুও বৃদ্ধি।

মহামারি করোনা ভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ১৮ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ৫৪৫ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ১৫৯ জনের শরীরে। যা গত আড়াই মাসের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত দাঁড়াল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৩৯৫ জন।

করোনাভাইরাস নিয়ে রোববার (১৪ মার্চ) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৩৮৫ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ১১ হাজার ৬৯৫ জন।

এর আগে শনিবার (১৩ মার্চ) দেশে আরও এক হাজার ১৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান ১২ জন।এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, রোববার (১৪ মার্চ) সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১২ কোটি ৪২ হাজার ৮৭ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৬ লাখ ৫৯ হাজার ১১৮ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৮০ হাজার ১৩৯ জন।করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৪৩ হাজার ৬৬২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৬০৫ জনের।আক্রান্তে ও মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন এক কোটি ১৪ লাখ ৩৯ হাজার ২৫০ জন এবং মারা গেছেন ২ লাখ ৭৭ হাজার ২১৬ জন।আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে চতুর্থ অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত করোনায় এক কোটি ১৩ লাখ ৫৮ হাজার ৬৪৪ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে এক লাখ ৫৮ হাজার ৬৪২ জনের।আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে রাশিয়া। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩ লাখ ৮০ হাজার ৫২৫ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছেন ৯১ হাজার ৬৯৫ জন।আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাবে যুক্তরাজ্য রয়েছে পঞ্চম স্থানে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৪২ লাখ ৫৩ হাজার ৮২০ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন এক লাখ ২৫ হাজার ৪৬৪ জন।এদিকে আক্রান্তের তালিকায় ফ্রান্স ষষ্ঠ, স্পেন সপ্তম, ইতালি অষ্টম, তুরস্ক নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে আছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম।২০১৯-এর ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।  ১৪ মার্চ (রোববার)-এর আপডেট

ভ্যাকসিন না নিলে একামা নবায়ন করবে না কুয়েত !!

কুয়েতে ভ্যাকসিন না নিলে একামা নবায়ন করা হবেনা । আজ শনিবার সন্ধ্যা ইংরেজি দৈনিক আরব টাইমস বিষয়টি নিশ্চিত করেন ।

ফাইজার ও অক্সফোর্ডের তৈরী ভ্যাকসিন বর্তমানে কুয়েতে প্রদান করা হচ্ছে ।

কুয়েতে সিভিআইডি -১১ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কার্যকর হওয়া সতর্কতামূলক পদক্ষেপের প্রেক্ষিতে চলতি সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়া বৈঠককালে মন্ত্রিপরিষদের মূল সিদ্ধান্তে বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে ।

বিশেষত নতুন COVID-19 কেস এবং মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধির কারণে সরকার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ।

এদিকে, মন্ত্রিপরিষদ কারফিউ’র সময় ১২ ঘন্টা থেকে কমিয়ে ১০ বা এমনকি নয় ঘন্টা করার সম্ভাবনাটি পর্যালোচনা করেছে ।

রমজান মাসেও কারফিউ বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে ।

কুয়েতে আজ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে করোনার জরুরী কমিটি বৈঠক করবেন ও নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকার আভাস … এবং রেস্তোঁরাগুলিকে তাদের ডেলিভারি সার্ভিস পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হতে পারে….!!

কুয়েত সিটিঃ ১৪/৩/২০২১ইং কুয়েত উচ্চ-স্তরের সরকারী সূত্র থেকে জানা গিয়েছে যে করোনার জরুরী কমিটি আগামীকাল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে তাদের বৈঠক করবেন স্বাস্থ্য রিপোর্টের ভিত্তিতে দেশের মহামারী সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে সবচেয়ে সুস্পষ্ট অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করবেন এবং আংশিক মূল্যায়নের ফলাফল নিয়ে আলোচনা করবেন।কারফিউ আরোপিত হওয়ার এক সপ্তাহ পরে নিয়মিত বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্রগুলি আল-কাবাসকে নিশ্চিত করেছেন যে কমিটি তাদের পরবর্তী অধিবেশনে আলোচনার জন্য মন্ত্রিপরিষদের কাছে একটি বিশদ প্রতিবেদন জমা দেবে, যেটি ইঙ্গিত করে যে “পরিস্থিতি যেমন রয়েছে তেমনই আংশিক নিষেধাজ্ঞা চালিয়ে যাবেন”, তবে শর্ত ছিল যে পরিস্থিতির দ্বিতীয় সপ্তাহ পেরিয়ে যাওয়ার পরে আবারো পরিস্থতির মূল্যায়ন করবেন।

রেস্তোঁরাগুলিকে বিকেল ৫ টার পরে তাদের ডেলিভারি সার্ভিস পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ট্র্যাফিক যানজটের কারণ নিয়ে আলোচনা করবেন যে নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিন থেকেই দেশের রাস্তাগুলি প্রত্যক্ষ করেছেন।

সূত্রমতে, গতকাল আগের দিন মহামারী সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য বেশ কয়েকটি সম্পর্কিত মন্ত্রীর একটি বৈঠক করেছেন এবং করোনাকে রোধ করতে, মৃত্যু ও আক্রান্তের হার হ্রাস করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তাবসমূহ ও সিদ্ধান্তগুলি পর্যালোচনা করবেন।

তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে সরকার টিকা দেওয়ার গতি ত্বরান্বিত করার এবং আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ভ্যাকসিনযুক্ত লোকের সংখ্যা অর্ধ মিলিয়নেরও বেশি করার উপর জোর দিয়েছেন।

✍️ Collected, Translated and posted by Nahar Hoque

📌 নিউজ লিংক 👇
https://l.facebook.com/l.php?u=https%3A%2F%2Fwww.alqabas.com%2Farticle%2F5841652&h=AT31EzMrHxbsQsSuZLbVZI_lTg2jyTOrrNr6GfZtO8-4aAoYPtMzfyDTGawhZxCCrt074egmZSE8sbBzi4L17te–qssxXA13F_y3-tchVbPoviHy82WPfFYWdGRaAQKnFv1&s=1

কাজাখস্তানে বিমান বিধ্বস্তে ৪ জন নিহত।

গতকাল শনিবার (১৩ মার্চ) কাজাখস্তানে রাজধানী নুর-সুলতান থেকে ছেড়ে যাওয়া একটি অ্যান-২৬ সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে চারজন নিহত হয়েছেন। বিমানটি আলমাটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়। এতে বিমানে থাকা ছয়জনের মধ্যে চারজন মারা যান। দেশ্দটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, চারজন ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে, দু’জনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

সূত্রঃ রয়টার্স।

জার্মানির লকডাউনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ।

আলামিন বিশ্বাস,জার্মানিঃ
গতকাল শনিবার (১৩ মার্চ) জার্মানির বিভিন্ন শহরে দীর্ঘ এক বছর ধরে চলা করোনার লকডাউনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছে সাধারণ মানুষ। লকডাউনের কারণে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে যাওয়ায় রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন এমনটাই জানিয়েছে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষ। উল্লেখ্য, জার্মানিতে এখনো লকডাউন চলছে, তবে নতুন নিয়মে প্রতি ১ লক্ষ জনবসতির জেলাগুলোতে ৭ দিনে ৫০ জনের কম করোনায় আক্রান্ত হলে চিড়িয়াখানা(শুধুমাত্র বাইরের অংশ), মিউজিয়াম, রেস্টুরেন্ট, বিভিন্ন দোকান খুলতে পারবে বলে জানানো হয়েছে।

বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট গ্রেপ্তার।

বলিভিয়ার সাবেক অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট জেনিন অ্যানেজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ২০১৯ সালে বলিভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেসের বিরুদ্ধে জনগণকে ক্ষেপিয়ে তোলা, দেশে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি ও সামরিক অভ্যুত্থানে মদদ দেয়ার অভিযোগে প্রেসিডেন্ট জেনিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বলিভিয়ার সরকার বিষয়ক মন্ত্রী কারলোস এডুয়ার্ডো অ্যানেজের গ্রেপ্তারের কথা জানান।

সূত্রঃ রয়টার্স।