ক্যাটাগরি Uncategorized

রিকশা চালিয়ে সংসারের চা’কা ঘু’রা’চ্ছেন সাবেক ফুটবলার সিরাজ।

পেশাদার ফুটবল খেলে মাঠ কাঁপাবেন। কিন্তু না ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। যে পায়ে ফুটবল খেলার কথা সেই পায়ে চলে রিকশা। খুলনার সাবেক ফুটবলার খন্দকার সিরাজুল ইসলামের বর্তমান অবস্থা এটি।

আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে না পারা সিরাজুল এখন খুলনা মহানগরীতে রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন।

সিরাজুল ইসলাম বলেন,একদিন বড় প্লেয়ার হবো, জাতীয় দলের হয়ে খেলবো। সেই স্বপ্ন নিয়েই ছোটবেলায় খেলাকে বেছে নিয়েছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্য, আর্থিক অস্বচ্ছলতা আর পায়ের আঘাতের কারণে জাতীয় দলের হয়ে খেলার স্বপ্ন পূরণ হয়নি। আমি এখন রিক্শা চালাই।

তিনি বলেন, ১৯৭৮ সালে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছি। যখন পঞ্চম ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি তখন থেকেই ফুটবলের প্রতি আলাদা একটি টান ছিল। আমি মাঠে খেলা দেখতে যেতাম। অনেক সময় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামের নিচে ফাঁকা জায়গা দিয়ে ঢুকে খেলা দেখতাম। তখন খেলার প্রতি ঝোঁক বেশি ছিল। খেলা আর আর্থিক অনটনের কারণে বেশিদূর লেখাপড়া করতে পারিনি।

তিনি আরো বলেন, বেশ কিছু ক্লাবে ফুটবল খেলেছি। খুলনা প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগ, দাদা ম্যাচ, শিপইয়ার্ড, মুসলিম

স্পোটিং ক্লাব, খুলনা আবাহনী, ঢাকা ফরাশগঞ্জ, মুক্তিযোদ্ধা ক্লাব, প্লাটিনাম ও পিডব্লিউডি ক্লাবের হয়ে খেলেছি। আমি খুলনা থেকে ঢাকায় আইজি টিমে ফুটবল খেলে চ্যাম্পিয়ন হয়ে এসেছি। তারপর পিডব্লিউডিতে সেকেন্ডিভিশন খেলে আসছি, শেষ ফরাশগঞ্জ গিয়েছিলাম খেলতে। তখন পায়ে ব্যথা পেয়ে আমি বাড়িতে চলে আসি।

আক্ষেপের সুরে সিরাজুল বলেন, আমার খেলার প্রতি খুবই আগ্রহ ছিল। আর্থিক সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে আমাকে

রিকশা চালাতে হচ্ছে। আর্থিকভাবে খুব অসুবিধায় আছি। তাই একটি চাকরির আশায় আছি। বিভিন্ন এনজিও বা ক্রীড়া সংস্থার মাধ্যমে চাকরির সুযোগ হয় তাহলে আমার বাকি জীবনটা ভালোভাবে কেটে যাবে।

খুলনার নারী ক্রিকেট দলের কোচ ইমতিয়াজ হোসেন পিলু বলেন, সিরাজুল ইসলাম ভালো খেলতেন। তিনি বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে সুনামের সঙ্গে খেলেছেন। স্টেডিয়ামে আমরা তার খেলা দেখেছি। প্রথম শ্রেণীর সিনিয়র ডিভিশনে নামকরা টিমের

হয়ে খেলেছেন। তার খেলার মান ভালো ছিল। পরবর্তীতে সংসার জীবনে এসে তিনি খুব কষ্টের মধ্যে আছেন। যার খেলা

এক সময়ে মাঠে বসে দেখেছি, তিনি এখন রিকশাচালক। ওই সময়ে ফুটবল খেলে আর্থিক অর্জন তেমন ছিল না। তিনি

এখন ভালোভাবে জীবন-যাপন করতে পারছেন না। তার এক ছেলে, এক মেয়ে রয়েছে। স্ত্রীর তিন কাঠা জমি রয়েছে সেখানেই তিনি বসবাস করছেন। এখন কেউ যদি তাকে সাহায্য করে তাহলে তিনি ভালোভাবে চলতে পারতেন।

৩ কোটি ২০ লাখ রুপিতে বিক্রি হলেন সাকিব।

গত মৌসুমে খেলতে পারেননি আইসিসির নিষেধাজ্ঞায়। তবে সাকিব আল হাসানের দিকে এবার দৃষ্টি ছিল বড় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর। চেন্নাইয়ে আজ (বৃহস্পতিবার) আইপিএলের নিলামে প্রীতি জিনতার পাঞ্জাব কিংসের সঙ্গে লড়াই বেশ জমেছিল শাহরুখ খানের কলকাতা নাইট রাইডার্সের।

টাইগার অলরাউন্ডারের জন্য প্রথম বিড করে কলকাতা। এরপর পাঞ্জাব কিংস তাকে দলে পাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে। এক পর্যায়ে জমে ওঠে লড়াই। একটু একটু করে দাম বাড়ছিল। শেষ পর্যন্ত ৩ কোটি ২০ লাখ রুপিতে ঠেকেছে সাকিবের দাম।

তবে নতুন ঠিকানায় নয়। সেই পুরোনো দল কলকাতা নাইট রাইডার্সই শেষ পর্যন্ত লুফে নিয়েছে সাকিবকে। ভিত্তিমূল্য ২ কোটি রুপি থেকে বাড়তে বাড়তে ৩ কোটি ২০ লাখ রুপিতে উঠলে কলকাতার সঙ্গে আর কোনো দল লড়াই করতে রাজি হয়নি।

নিলামের ২ নাম্বার সেটে ছিলেন সাকিব। তার সঙ্গে ছিলেন ডেভিড মালান, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ক্রিস মরিসের মতো তারকারা। প্রথমেই নাম ওঠে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের। অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডারের প্রতিও আগ্রহ ছিল কলকাতার। তবে পরে

রাজস্থান রয়্যালস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু ও চেন্নাই সুপার কিংস মিলে টানাটানি শুরু করলে দাম বাড়তে থাকে ম্যাক্সওয়েলের।

২ কোটি রুপি থেকে বাড়তে বাড়তে ম্যাক্সওয়েলের দাম গিয়ে ঠেকেছে সোয়া ১৪ কোটি রুপিতে। এত বিশাল অংক খরচ করে অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডারকে দলে নিয়েছে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু।

ফেনীতে একই পরিবারের ৩ ব্যক্তির ইসলাম গ্রহণ।

ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নে একই পরিবারের তিন ব্যক্তি হিন্দু ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তারা চট্টগ্রাম নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের ঘোষণা দেন।

তারা হলেন- পাঁচগাছিয়া গ্রামের নাথ বাড়ির বিনোদ বিহারী নাথের মেয়ে খুকু রানী নাথ, তার ছেলে এসকে রনি দাস ও জনি চন্দ্র দাস।

ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর এসকে রনি দাস (বর্তমান নাম তাজওয়ার ইসলাম সাকিফ) বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন গ্রন্থ পাঠ করি। পরে মা ও ভাইয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিই।

চট্টগ্রামের নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে গিয়ে আমরা সাক্ষীদের সামনে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের বিষয়ে দালিলিক কার্যক্রম শেষ করি।’

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর জনি দাসের মা খুকু রানী নাথের নাম সালমা ইসলাম সারা, তার নিজের নাম তাজওয়ার ইসলাম সাকিফ ও ভাইয়ের নাম ওয়াহিদুল ইসলাম আয়ান রাখা হয়েছে।

এর আগে চট্টগ্রামের হাটহাজারী এলাকার আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলামের পরিচালক আল্লামা মুহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরীর কাছে উপস্থিত হয়ে পবিত্র কালিমা পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করেন তারা।

এ বিষয়ে স্থানীয় পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মানিক জানান, একই পরিবারের

তিন সদস্যের ইসলাম ধর্ম গ্রহণের বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে ওই পরিবার দীর্ঘদিন চট্টগ্রামে থাকে বলে এ মুহূর্তে তার কাছে তেমন কোনো আপডেট নেই।

টিকা নিতে আমেরিকা থেকে লোকজন বাংলাদেশে আসছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ঢাকা- মহাখালী শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। এসময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব আল জাজিরার প্রতিবেদন এবং করোনা ভ্যাকসিন প্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা জেনে তাজ্জব হবেন, আমেরিকা থেকে কিছু মানুষ বাংলাদেশে করোনার ভ্যাকসিন নিতে আসছেন। আমি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেছিলাম আপনারা আমেরিকা থেকে দেশে আসছেন কেন? তখন তারা বলেন আমেরিকায় কত দিন পরে ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে? তাই এই সময় আমরা দেশেও আসলাম এবং ভ্যাকসিনও নিলাম।

করোনার ভ্যাকসিন প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, অনেক উন্নত দেশ এখনো ভ্যাকসিন পাচ্ছে না। প্রতিটা লোককে আমরা ভ্যাকসিন দিতে চাই, কারণ প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, একটা লোকও যদি অসুস্থ থাকেন, তাহলে এই রোগ নির্মূল হবে না। আমরা খুব শিগগিরই বাংলাদেশ থেকে করোনা ভাইরাস নির্মূল করবো’।

করোনা নিয়ে বিদেশি মিডিয়া মিথ্যাচার করছে বলে অভিযোগ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, নেত্র নিউজ ও আল জাজিরা বলেছিল, ‘করোনায় ৫০ থেকে ১ কোটি মানুষ মারা যাবে বাংলাদেশে। কিন্তু বাস্তবতা কি তাই? তাদের এসব বানোয়াট মিথ্যাচার বন্ধ করা উচিত।’

দেশে গত ২৭ জানুয়ারি করোনার টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় গণটিকাদান। এরই মধ্যে সরকারি-বেসরকারি অনেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা টিকা নিয়েছেন।

এখন পর্যন্ত দেশে প্রায় ১৬ লাখ মানুষ টিকা নিয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচ শতাধিক মানুষের শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সুএঃ সময়ের কণ্ঠস্বর

সংযুক্ত আরব আমিরাতে করোনা আ’ক্রা’ন্ত হয়ে না জানালে ৫০ হাজার দিরহাম জ’রিমানা।

ফেডারেল পাবলিক প্রসিকিউশন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে কোভিড -১৯ এ সংক্রামিত একজন ব্যক্তির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা উচিত।

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা একটি টুইটে পাবলিক প্রসিকিউশন জানিয়েছে যে কোভিড

-১৯ সংক্রামিত ব্যক্তির পক্ষে স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রনালয় বা অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের কাছে চিকিত্সা গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক, যাতে কর্তৃপক্ষ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা করতে পারেফলে এখন থেকে কেউ করোনা আক্রান্ত হলে স্বাস্থ কর্তৃপক্ষকে না জানালে বড় ধরনের জ’রিমানা গুনতে হবে।

পাবলিক প্রসিকিউশন সংক্রামক ব্যা’ধি প্র’তিরোধ সম্পর্কিত ২০১৪ সালের ফেডারেল আইন নং -৪৪ এর ৩৩ এবং ৩৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করেছে, যেখানে লেখা ছিল, “এই আ’ইনের সারণি ১ এ উল্লিখিত একটি রো’গে তিনি / তিনি

সং’ক্রামিত তা জানতে পেরে, সং’ক্রামিত ব্যক্তি এবং তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগগুলির চিকিত্সা চিকিত্সা, পরামর্শ এবং সংক্রমণের ঝুঁ’কি এবং সংক্রমণ সঞ্চারের উপায় সম্পর্কে সচেতনতা পেতে মন্ত্রণালয় বা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের কাছে যেতে হবে।অর্থাৎ কেউ আক্রান্ত হলে স্বাস্থ কর্তৃপক্ষকে জানাতে বাধ্য থাকবে বা জানাতে হবেই।

সংক্রামিত ব্যক্তিকে অবশ্যই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাগুলি মেনে চলতে হবে, প্রেসক্রিপশন প্রয়োগ করতে হবে এবং অন্যকে সংক্রমণের সংক্রমণ রোধ করতে তাকে প্রদত্ত নির্দেশাবলী মেনে চলতে হবে। ”

একই আইনের আর্টিকেল ৩৮ অনুসারে, যে কেউ এই নিবন্ধের যে কোনও বিধান লঙ্ঘন করে তাকে কা;রা;দ;ণ্ড এবং / সর্বনিম্ন ১০,০০০ দিরহাম ও সর্বোচ্চ ৫০,০০০ দিরহাম জরিমানার বিধান রাখা যাবে।

প্রবাসীরা সাবধানে থাকবেন। সব সময় ভিড় এড়িয়ে চলবেন ও মাস্ক পরবেন
কখনও করোনার লক্ষন দেখা দিলে সাথে সাথে স্থানীয় হেলথ সেন্টার বা হাসপাতালে যোগাযোগ করবেন।

পাবলিক প্রসিকিউশন বলেছে যে, এই সম্প্রদায়ের সদস্যদের মধ্যে আইনী সংস্কৃতি ও সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভাইরাসের বিস্তার রোধে সহায়তা করার আগ্রহের অংশ হিসাবে এই আইনী টুইটগুলি প্রকাশ করছে।

সৌদিতে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা দক্ষ ও কর্মনিষ্ঠ : সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত।

উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরবে কর্মরত প্রত্যেক প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিককে বিনামূল্যে কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন দেবে সৌদি সরকার।

১৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত শেষে এ কথা জানান ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত এসসা ইউসেফ এসসা আল দুলাইহান।

বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে যাওয়া প্রবাসী বাংলাদেশিরা দক্ষ ও কর্মনিষ্ঠ। তাদের কাজের দক্ষতায় দেশটির নিয়োগদাতারাও সন্তুষ্ট। এমন মন্তব্য করেছেন সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত।

সৌদি আরবে ফেরত যেতে না পারা ও নতুন ভিসা প্রাপ্তদের নিয়ে যেতেও দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান রাষ্ট্রদূত।
বর্তমানে বিশেষ ব্যবস্থায় বিমান সৌদি আরবে ফ্লাইট পরিচালনা করছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বিমানের সিডিউল ফ্লাইট

পরিচালানার অনুমোদন ও কোভিড-১৯ এর কারণে সৌদি আরবে ফেরত যেতে না পারা ও নতুন ভিসাপ্রাপ্ত ৮৬ হাজার বাংলাদেশি কর্মীর দ্রুত ফেরত যাওয়ার ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সৌদি রাষ্ট্রদূতকে আহ্বান জানান।

এসময় তিনি বাংলাদেশের পর্যটন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করলে তার জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতে সৌদি আরবের বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানানো হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৌদি বিনিয়োগকারীদের সাথে বাংলাদেশের পর্যটন উন্নয়নে একত্রে কাজ করাটা হবে আনন্দের। একই সাথে আমরা এভিয়েশন শিল্পের উন্নয়নেও একত্রে কাজ করতে পারবো বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

কোভিড-১৯ মহামারির এই সময়ে সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের দিকে খেয়াল রাখায় সৌদি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান প্রতিমন্ত্রী।

বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে সৌদি বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে আগ্রহী জানিয়ে রাস্ট্রদূত বলেন, সৌদি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে বিনিয়োগ করতে খুবই আগ্রহী।

এছাড়াও এভিয়েশন শিল্পের উন্নয়নে সৌদি আরব বাংলাদেশের সাথে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী।

বিড়ম্বনায় ক্রোয়েশিয়াগামী বাংলাদেশি কর্মীরা।

সম্প্রতি জীবিকার সন্ধানে বাংলাদেশের অসংখ্য মানুষ ক্রোয়েশিয়াতে পাড়ি জমাচ্ছেন……

পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো ধীরে ধীরে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতেও বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে। বাংলাদেশের অনেক মানুষের পছন্দের তালিকায় উঠে এসেছে বলকান পেনিনসুলার সবচেয়ে পশ্চিমের দেশ ক্রোয়েশিয়ার নাম। সম্প্রতি জীবিকার সন্ধানে বাংলাদেশ দেশে অসংখ্য মানুষ ক্রোয়েশিয়াতে পাড়ি জমাচ্ছেন।

বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলোতে ক্রোয়েশিয়া সবচেয়ে বেশিমাত্রায় আলোচনায় আসে ২০১৮ সালে। রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত সেবারের বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ হিসেবে রানার্স আপ দল হিসেবে ফাইনালে মাঠে নেমেছিল

ক্রোয়েশিয়া। লুকা মডরিচ, ইভান রাকিটিচ, মারিও মানজুকিচ ও ইভান পেরেচিচের মতো ফুটবলাররা সমগ্র বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টজুড়েই আলো ছড়িয়েছিলেন। এছাড়াও জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ গেইম অব থ্রোনসের শ্যুটিং হয়েছিল ক্রোয়েশিয়াতে।

পর্যটন শিল্পের জন্য অপার সম্ভাবনাময়ী এক দেশ ক্রোয়েশিয়া। ২০১৩ সালে ক্রোয়েশিয়া ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদস্যপদ লাভ করে। বর্তমানে দেশটি ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সমন্বয়ে গঠিত কমন বর্ডার ফ্রেম নেটওয়ার্কখ্যাত সেনজেনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে আসছে।

ইউরোপিয়ান অন্যান্য দেশের তুলনায় ক্রোয়েশিয়ার ভিসা প্রসেসিং সিস্টেম কিছুটা আলাদা, বিশেষত স্টুডেন্ট কিংবা ওয়ার্ক পারমিটের আওতায় দীর্ঘমেয়াদি ভিসা অ্যাপ্লিকেশনের ক্ষেত্রে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বেশিরভাগ দেশেই ডি ক্যাটাগরিতে

ভিসা প্রদান করে। ডি ক্যাটাগরিতে প্রাপ্ত ভিসার মেয়াদ ছয় মাস থেকে এক বছর কিংবা তার চেয়ে অধিকও হতে পারে। কোনো কোনো দেশ সরাসরি স্টিকার ভিসার পরিবর্তে টেম্পোরারি রেসিডেন্ট পারমিট প্রদান করে। তবে ক্রোয়েশিয়াতে যে

কোনোক্ষেত্রে ভিসার আবেদনের সময় ডি এর পরিবর্তে সি ক্যাটাগরিতে শর্ট টার্ম ভিসা দেয়া হয়। এ ভিসার মেয়াদ এক মাস থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৯০ দিনের হয়। ক্রোয়েশিয়াতে পৌঁছানোর পর ক্যাটাগরি ভিত্তিতে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী অ্যাপ্লিক্যান্ট রেসিডেন্ট পারমিটের জন্য আবেদন করেন।

ক্রোয়েশিয়ায় বাংলাদেশ সরকারের কোনো দূতাবাস নেই। রাষ্ট্রীয় যে কোনও প্রয়োজনে ক্রোয়েশিয়াতে বসবাসরত সকল প্রবাসী বাংলাদেশিকে নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়।

গত মাসের পাঁচ তারিখে নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো জানায়, ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যাকার প্রাইভেট রিকুটমেন্ট এজেন্সির

মাধ্যমে কন্সট্রাকশন খাতে কর্মসংস্থানের জন্য ক্রোয়েশিয়া গমনকারী ১৩ জন কর্মীর সবাই কর্মস্থল থেকে পলায়ন করে। এছাড়াও প্রয়োজনীয় কর্মদক্ষতার অভাবে অনেক কর্মীকে তাদের প্রতিষ্ঠান চাকরি থেকে ছাঁটাই করতে বাধ্য হয়। বর্তমানে তারা কোথায় অবস্থান করছেন কিংবা আদৌতে তারা ক্রোয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে ফেরত এসেছেন কি না সে প্রসঙ্গে

নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশ দূতাবাসকে নিশ্চিতভাবে কোনও কিছু জানাতে পারেনি দেশটির সরকার। এ ধরনের পরিস্থিতিতে ক্রোয়েশিয়া সরকারের মাঝে বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক ভাবমূর্তি সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও

প্রশিক্ষণ ব্যুরো জানায়, এখন থেকে কর্মী হিসেবে বাংলাদেশ থেকে যারা ক্রোয়েশিয়া যাবেন, তাদের সবাইকে দেশ ত্যাগের পূর্বে বাধ্যতামূলকভাবে ম্যানপাওয়ার হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। পাশাপাশি তাদের সবাইকে নিকটস্থ অভিভাবকের কাছ থেকে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়ারি স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা তৈরি করতে হবে এবং দক্ষিণ কোরিয়াগামী ইপিএস কর্মীদের মতো তাদেরকে বিএমইটির অনুকূলে এক লাখ টাকা নিরাপত্তা জামানত প্রদান করতে হবে।

এছাড়াও বহির্গমন ছাড়পত্র কিংবা স্মার্টকার্ড প্রাপ্ত ক্রোয়েশিয়াগামী কর্মীদের তালিকা ও ফ্লাইটের সময়সূচি সংশ্লিষ্ট

মন্ত্রণালয়সহ নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রেরণের নির্দেশনা দিয়েছে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো। ক্রোয়েশিয়া পৌঁছানোর পর সকল কর্মীকে সাত দিনের মধ্যে নেদারল্যান্ডসস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের বাধ্যবাধকতা জারি করেছে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ।

তবে সঠিক নিয়ম সম্পর্কে অবহিত না থাকায় ক্রোয়েশিয়াগামী অনেক কর্মী বৈধ ভিসা থাকা সত্ত্বেও সেদেশে ফ্লাই করতে পারছেন না। বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন থেকে অনেকে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। কতিপয় এজেন্সি এবং একই সঙ্গে এয়ারপোর্ট ইমিগ্রেশনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা এ সুযোগে এয়ারপোর্ট কন্ট্রাক্টের কথা বলে তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন বিভিন্ন অঙ্কের টাকা।

ক্রোয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি উল্লাহ আহম্মেদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ক্রোয়েশিয়া সরকারের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের ফলে আমাদের দেশ থেকে সম্প্রতি অনেকে কনস্ট্রাকশনসহ বেশ কিছু খাতে সেখানে সুযোগ পেয়েছেন। তবে আশানুরূপভাবে কর্মদক্ষতা না থাকায় অনেক কোম্পানি তাদেরকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করতে বাধ্য হচ্ছে। এছাড়াও

অনেক বাংলাদেশি সেনজেনভুক্ত কোনও দেশে অনুপ্রবেশের রুট হিসেবে ক্রোয়েশিয়াকে বেছে নিচ্ছেন। তাই ক্রোয়েশিয়াতে আসতে না আসতে তাদের সবার লক্ষ্য হয়ে উঠে কীভাবে সীমানা পাড়ি দিয়ে স্লোভেনিয়া কিংবা হাঙ্গেরির মধ্য দিয়ে

ইতালি, ফ্রান্স, স্পেন কিংবা পর্তুগালে চলে যাওয়া যায়। অনেকে এ যাত্রায় সফলকাম হন, অনেকে আবার পুলিশের হাতে আটক হন’আহম্মেদ আরও যোগ করেন, ‘আগামী দিনগুলোতে যদি সত্যি আমাদের মাঝে এ ধরনের প্রবণতা থাকে তাহলে ক্রোয়েশিয়াতে আমাদের জন্য সকল সম্ভাবনার রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে।’

তাই ক্রোয়েশিয়াতে আসার পূর্বে সবাইকে তিনি নির্ধারিত কাজের ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি জনশক্তি, কর্মসংস্থান

ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো ঘোষিত নীতিমালা অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন এবং অবৈধপথে সীমানা পাড়ি দিয়ে সেনজেনভুক্ত দেশগুলোতে যাতায়াত করার প্রবণতা থেকে বের হয়ে আসার পরামর্শ প্রদান করেছেন।

টেকনিক অবলম্বন করেও মালয়েশিয়া পুলিশের চোখ ফাঁ’কি দিতে পারলেন না বাংলাদেশী।

১৮ ই ফেব্রুয়ারী অনুমতিপত্র না থাকায় নিঞ্জা টেকনিক অবলম্বন করে মালয়েশিয়ার এক প্রদেশ থেকে অন্য প্রদেশের পথ গাড়িতে এভাবেই পাড়ি দিচ্ছিলেন এই ব্যাক্তি। অবশেষে Seberang Jaya হাইওয়ে পুলিশের হাতে তিনি আটক হয়।

আরও পড়ুন::: অবৈধ অভিবাসীদের আটক করা হবে না, তবে শর্ত দিয়েছে মালয়েশিয়া সরকারমালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বৈধ-অবৈধ বিদেশি কর্মীদের ‘টি’কা’ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেই সঙ্গে দেশটিতে

যে সব অবৈধ বিদেশি কর্মী রয়েছে তাদের ‘টি’কা’ প্রদানকালে কোনো ধরনের আ’টক অ’ভিযা’ন পরিচালনা করা হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার। স্থানীয় সময় বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দেশটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী খায়রী জামালউদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেন।

তিনি বলেন, সরকার বিদেশি দূতাবাসগুলোকে এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাসহ বিভিন্ন দলের সাথে যোগাযোগ করবে, যাতে কো’ভি’ড-১’৯’ টি’কা দান কর্মসূচির অধীনে অবৈধ বিদেশি কর্মীদের টি’কা দেওয়া যায় এবং আমাদের একটি বার্তা

পাঠাতে হবে যে তারা (অনথিভুক্ত বিদেশি কর্মীরা) স্বাধীনভাবে এগিয়ে আসতে পারে এবং আত্মবিশ্বাসী হতে পারে যে, যখন তারা টি’কা নিতে আসবে তখন তাদের গ্রে’ফতার বা আ’ট’ক করা হবে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের নিয়োগকর্তাদের সাথে একসাথে কাজ করব যাতে বৈধ বিদেশি কর্মীদের বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে আমাদের জানাতে পারে যাতে তারা দক্ষতার সাথে এবং স্বচ্ছন্দে তাদের ‘টি’কা গ্রহণ করতে পারে। দেশটিতে

বৈধ-অবৈধভাবে অবস্থান করা বিদেশি অভিবাসীরা যদি টি’কা’র আওতায় না আসে তাহলে আমরা নি’রাপদ নয়। তবে বৈধ অভিবাসীরা ‘ভ্যা’কসি’ন নিতে আসবে।কিন্তু তাদের মধ্যে অবৈধভাবে অবস্থান করা অভিবাসীরা হয়তো আ’ট’কের

ভ’য়ে ঘরে বসে থাকবে। এছাড়াও তিনি বলেন, স্থানীয় নাগরিকদের মতো বিদেশি শ্রমিকদের জন্য একটি স্বেচ্ছাসেবী পদ্ধতি ব্যবহার করে ন্যাশনাল ‘কো’ভি’ড-‘১’৯ টি’কা দান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

দু’বাই ফিরতে ‘অনুমোদন’ লাগবে না বাংলাদেশিদের।

এখন থেকে দুবাই প্রবাসীদের ফিরতে কোনো ধরনের অনুমতি নেয়া লাগবে না…

সংযুক্ত আরব আমিরাতে দুবাইয়ের বৈধ বাসিন্দাদের ফিরে আসতে এখন থেকে আর জেনারেল ডিরেক্টরি অব রেসিডেন্সি অ্যান্ড ফরেন অ্যাফেয়ার্স থেকে অনুমোদনের দরকার হবে না বলে জানিয়েছে এমিরেটস এয়ারলাইন্স।

ফলে এখন থেকে দুবাই প্রবাসীদের ফিরতে কোনো ধরনের অনুমতি নেয়া লাগবে না। বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আমিরাতের স্থানীয় গণমাধ্যম খালিজ টাইমস এ তথ্য জানিয়েছে।

এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে দুবাই ফিরে আসা গ্রাহকেদেরকে ই-মেইলে উল্লেখ করা হয়েছে, দুবাইয়ের আবাসিক ভিসাধারীদের অনুমোদনের দরকার নেই।

১২ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) থেকে নতুন এ নিয়ম কার্যকর হয়েছে। তাই বর্তমানে দুবাইয়ে ফেরত আসা যাত্রীদের পূর্ব অনুমোদনের প্রয়োজন নেই।

এর আগে, দুবাইয়ের সব বাসিন্দাদের আমিরাতে ফিরে আসতে জিডিআরএফএ অনুমোদনের প্রয়োজন ছিল।

তবে সফরের জন্য এখন থেকে যাত্রীদেরকে ৭২ ঘণ্টা মেয়াদের কোভিড-১৯ নেগেটিভ রেজাল্টে সার্টিফিকেট সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।

কাতারে ফুল ডোজ ভ্যাকসিন নেওয়া ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইন লাগবে না।

১৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে, সম্পূর্ণভাবে ভ্যাকসিন প্রাপ্ত ব্যক্তিরা কাতারে এখন কোয়ারেন্টাইন প্রয়োজনীয়তা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এই ছাড়টি বর্তমানে অন্যান্য দেশে ভ্যাকসিনযুক্ত লোকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পৃথকীকরণ ছাড়টি তিন মাসের জন্য বৈধ, দ্বিতীয় ডোজের ১৪ দিন পরে।

ভবিষ্যতে এটি বাড়ানো যেতে পারে।

অব্যাহতি পাওয়ার যোগ্য হওয়ার জন্য ভ্যাকসিন গ্রহণকারীকে দ্বিতীয় ডোজ পাওয়ার পরে ১৪ দিন অপেক্ষা করতে হবে এবং কাতারে প্রত্যাবর্তনের সময় পিসিআর পরীক্ষার নেতিবাচক সনদ লাগবে।

কোয়ারান্টাইন এখনও অন্য সমস্ত ভ্রমণকারীদের জন্য প্রযোজ্য।

উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলি থেকে কাতারে আসা লোকদের এক সপ্তাহের জন্য একটি হোটেলে পৃথক করা উচিত, কাতারের সবুজ তালিকার দেশগুলির লোকদের হোম কোয়ারেন্টানে থাকতে হবে।বর্তমানে, কাতারের সবুজ তালিকায় ১৮ টি দেশ রয়েছে।

এই তালিকায় ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, বাংলাদেশ বা ফিলিপিন্স নেই – এসব দেশ কাতারে বৃহত্তম প্রবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে রয়েছে, তবে চীন, জাপান, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া সহ ১১ টি এশীয় দেশ রয়েছে।

অ-সবুজ দেশগুলির আগমনের আগে ডিসকভার কাতার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের হোটেল থাকার ব্যবস্থা বুক করা উচিত।