স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার কর্মসূচীর প্রথম ফ্লাইট গতকাল থেকে শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাস বৈরুতের তত্ত্বাবধানে ৪৩২ জন যাত্রী নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট গতকাল ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে বৈরুত রফিক হারিরি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যায় এবং আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সময় সকাল ১০ টায় বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অবতরণ করবে।
বিদেশফেরত অভিবাসীদের তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং সংরক্ষণে চালু হলো ‘রিটার্নিং মাইগ্রেন্টস ম্যানেজমেন্ট অব ইনফরমেশন সিস্টেম (রেমিমিস)’ নামের একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। গতকাল সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) প্ল্যাটফর্মটি উদ্বোধন করেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ। প্ল্যাটফর্মটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত প্রত্যাশা প্রকল্পের আওতায় তৈরি করা হয়েছে। প্রকল্পটির নেতৃত্বে আছে বাংলাদেশ সরকার এবং বাস্তবায়ন করছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা—আইওএম।
আসছে এপ্রিলেই ঢাকা-টরন্টো রুটে ডানা মেলবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। যদিও প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য ছিল মার্চেই ফ্লাইট চালুর। তবে করোনায় দীর্ঘ অচলাবস্থার কারণে এ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।
তিনি জানিয়েছেন, এপ্রিলেই ঢাকা থেকে সরাসরি কানাডার টরন্টোতে চালু হবে বিমানের ফ্লাইট। এছাড়া, ফ্লাইট চলাচলে জাপান দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায়, প্রায় ১৪ বছর পর ঢাকা-টোকিও রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চালুর ব্যাপারেও ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। বিমান নতুন রুট হিসেবে চেন্নাইতেও চালু করতে যাচ্ছে ফ্লাইট। তবে টোকিও এবং চেন্নাইতে ঠিক কবে ফ্লাইট চালু হবে তা নিশ্চিত না করলেও প্রতিমন্ত্রী ঈঙ্গিত দিয়েছেন, করোনা সংকট কেটে গেলেই এ দুটি রুটে চালু হবে বিমানের ফ্লাইট।
সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মুদ্রণ ও প্রকাশনা বিভাগের ( বিমান প্রেস) বাণিজ্যিক সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে রাজধানীর ফার্মগেটে বিমান প্রেসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইটের ব্যাপারেও দ্রুত সুখবর দেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। তিনি বলেন, বিমানের বহর এখন আধুনিক ও তারুণ্যদীপ্ত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক আগ্রহ ও চেষ্টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিমান বহরে যুক্ত হয়েছে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির নতুন ১৩টি উড়োজাহাজ। অচিরেই আরও দুটি নতুন ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হবে। এ উড়োজাহাজগুলোর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রীদের সর্বোচ্চ মানের সেবা প্রদান করা হচ্ছে। সর্বোচ্চ মানের যাত্রীসেবা নিশ্চিতে বিমানের কোনো কর্মকর্তার গাফিলতি সহ্য করা হবে না। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্বে কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এভিয়েশন ও পর্যটন শিল্প। বিশ্বের সব এয়ারলাইন্স কোম্পানি বর্তমানে একটি বিশেষ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিমানও এর ব্যতিক্রম নয়। আমরা বিমানের অপারেশনাল ব্যয় হ্রাস করার পাশাপাশি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে বিমানের আয় বৃদ্ধি করার ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। বিমানের সব সম্পদের সর্বোচ্চ ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে।
উচ্চতর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবল আর জার্মানির হাইডেলবার্গ থেকে আনা অত্যাধুনিক সব যন্ত্রপাতি সংযোজন করে ঢেলে সাজানো হয়েছে কারওয়ানবাজারের বিমান প্রিন্টিং ও প্রেস সেন্টার।
সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিমান প্রেস চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির আধুনিকায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিমান প্রেসে সম্প্রতি নতুন ও আধুনিক বিভিন্ন ধরণের প্রিন্টিং মেশিন সংযোজন করা হয়েছে। বিমান প্রেস উন্নত ও মানসম্মত প্রকাশনা ও মুদ্রণ সামগ্রী তৈরিতে সক্ষমতা অর্জন করার ফলে প্রকাশনার সাথে জড়িত সরকারি ও বেসরকারি সকল গ্রাহক সহজে ও সাশ্রয়ী মূল্যে এখানে সর্বোত্তম সেবা পাবেন। বিমান প্রেস তার সেবা দিয়ে সব গ্রাহকের সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে তার বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি।
ছাপাখানা ঘুরে দেখা যায়, জার্মানির হাইডেলবার্গ থেকে আনা প্রিন্টিং মেশিন, পোলার পেপার কাটিং মেশিন, প্লেট মেকিং মেশিন, ডাই কাটিং মেশিন সংযোজন করা হয়েছে সেখানে। আনা হয়েছে, গ্লু ম্যাট ও স্পট এই তিন ধরণের লেমিনেশন মেশিন, সঙ্গে ডিজিটাল ব্যানার, প্যানা ও পিভিসি প্রিন্টিং মেশিনও স্থাপন করা হয়েছে বিমান প্রেসে। এখন যে কোন গ্রাহক সরকার নির্ধারিত সাশ্রয়ী মূল্যে এখান থেকে প্রয়োজন মতো বাণিজ্যিক সেবা গ্রহন করতে পারবেন। অনুষ্ঠানে বিমানে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোকাব্বির হোসেন বলেন, সরকারি কেনাকাটার দায়িত্ব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে গেলেই বেড়ে যায় খরচ। এবার তাই টিকিট, লিফলেট আর দাফতরিক নথি, সবই বিমান ছাপাবে নিজের কারখানাতেই। এতে শুধু অর্থের অপচয় বন্ধ হবে তা নয়, বরং করোনাকালীন বিমানের আর্থিক ক্ষতিও কিছুটা কাটানো যাবে।মুলত, শিল্পকারখানায় প্রয়োজন পড়ে এমন অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি তৈরিতে বেশ সুনাম রয়েছে জার্মানির। তবে এসব ক্ষেত্রে বরাবরই বাংলাদেশ নির্ভর করে চীনের ওপর। এবার সেখানে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।ছাপাখানায় সংযোজিত মেশিনের সবগুলোই বিমান কর্তৃপক্ষ এনেছে জার্মানীর হাইডেলবার্গ থেকে। বিভিন্ন ধরণের প্রাতিষ্ঠানিক প্রিন্টিং আর তৃতীয় প্রজন্মের চাহিদা অনুযায়ী দৃষ্টিনন্দন ও মানসম্পন্ন টিকিট ছাপতে পারবে যন্ত্রগুলো। যন্ত্রপাতি সংযোজনের সঙ্গে কোটি টাকা ব্যয়ে ছাপাখানার আধুনিকায়নও করেছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থাটি। এখান থেকে জিটুজি ভিত্তিতে কোন ঝামেলা ছাড়াই ছাপার কাজ করিয়ে নিতে পারবেন সরকারি অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোও। বিমানের এমডি মনে করছেন, এতে কমবে সরকারী অর্থের অপচয়। অনুষ্ঠানে বিমানের নেতিবাচক ইমেজ দূর করতে প্রতিষ্ঠানটির সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতে কৌশল নির্ধারণের তাগিদ দেয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদুল হাসান।এছাড়াও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন, বিমান পরিচালনা পর্ষদের সদস্য খন্দকার আতিক-ই-রাব্বানীসহ অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিমানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অবহিত সূত্র জানিয়েছে যে,কুয়েতের মন্ত্রিপরিষদের আজকের অধিবেশনে নন কুয়েতি নাগরিকদের প্রবেশের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি, যা গত ২১ শে জানুয়ারী থেকে শুরু হয়েছিল ।
বৈঠকে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রয়োজনীয়তা প্রয়োগে শিথিলতা এবং অবহেলার প্রকাশ সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে, যা মহামারীটি দ্বিতীয় তরঙ্গের কারণ হয়েছে।
মন্ত্রী পরিষদ সুত্রে আল আনবা পত্রিকা আরো জানিয়েছে যে, ৭ দিনের নতুন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারানটাইন সম্পর্কিত বিষয়টি ৩৮ টি দেশ থেকে আগত নন-কুয়েতিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, যেসব দেশের নাগরিকরা সরাসরি কুয়েতে প্রবেশে নিষেধ রয়েছে ।
সিভিল এভিয়েশন প্রশাসনের সূত্রগুলি ইঙ্গিত দিয়েছিল যে, সিদ্ধান্ত অনুসারে, আগতদের উপরে উল্লিখিত সময়ের জন্য হোটেল রিজার্ভেশন থাকতে হবে, তবে শর্ত থাকে যে, তাদের বাকি ৭ দিন নিজ বাসায় কোয়ারেন্টিন থাকতে হবে । #ফাইল ছবি ।
কুয়েতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছে কুয়েতি ও প্রবাসীসহ ৮২৩ জন, সুস্থ হয়েছে ৭৭২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের।
মোট আক্রান্ত হয়েছে ১৭৮,৫২৪ জন। মোট মৃতের সংখ্য ১০০৯ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ১৬৬,৭৯১ জন।
আজ সোমবার সন্ধ্যা ৭.৩০ মিনিটে নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংএ বিষয়টি নিশ্চিত করা হয় ।
গত ২৪ ঘন্টায় করোনা টেস্ট করা হয় ৮,৯৩৫ জন, মোট টেস্টের সংখ্যা ১৬৭৬,৮৫৫ জন ।
নিয়মিত চিকিৎসাধীন আছে ১০,৭২৪ জন এবং আইসিইউতে আছেন ১৩৮ জন ।
কুয়েত সিটি: নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, জনশক্তি কর্তৃপক্ষের (পিএএম) সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলি ২০১০ সালে জারি করা শ্রম আইনে থাকা কিছু আইনী অনুচ্ছেদের সংশোধনী তৈরি শুরু করেছে।
আরবী দৈনিক আল-কাবাস সুত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আরব টাইমস।
পিএএম কর্মকর্তা সুত্রে প্রকাশ, এই সংশোধনীগুলির লক্ষ্য আইনটির সর্বশেষ সংস্করণে অন্তর্ভুক্ত কয়েকটি নিবন্ধকে বর্তমান শ্রমবাজার পরিস্থিতি এবং COVID-19 সঙ্কটের প্রতিক্রিয়ার আলোকে এর বিকাশের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিশেষত প্রান্তিক কর্মসংস্থান এবং বেতনের বিষয়ে, যাহা অনেকংশে নেতিবাচক অবস্থা প্রকাশ পেয়েছিল।
সূত্রগুলি ব্যাখ্যা করেছে যে, এই পরিবর্তনগুলির মধ্যে শ্রম আইন লঙ্ঘনকারী সংস্থাগুলির জন্য জরিমানা জোরদার করা, ফাইল এবং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে যে কোডগুলি দেওয়া হয়েছে সেগুলি সম্পর্কিত পদ্ধতিগুলির সাথে সম্পর্কিত একটি নতুন পদ্ধতি স্থাপন করা হবে।
বেতন প্রদান, ছুটি মঞ্জুরি প্রদান এবং আইন লঙ্ঘনের চেষ্টা, এবং ভিসা বাণিজ্য থেকে লাভ করা লোকদের বিরুদ্ধে কঠোরতর জরিমানাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
শ্রমিকদের অধিকার প্রাপ্তির লক্ষ্যে এবং কল্পিত স্পনসরদের দ্বারা শ্রম নিবন্ধকরণের ঘটনাটি নির্মূল করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলির সাথে বৈদ্যুতিন লিঙ্কটি সংযুক্ত করা হয়েছে, বেতন জমা দিয়ে পুনরায় উত্তোলন করার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করতে সক্রিয় করা হয়েছে।
শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রণ এবং প্রান্তিক শ্রমিকদের ডামি কার্যক্রমে প্রবেশে বাধা দেওয়ার স্বার্থে জনশক্তি মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তার পরিবর্তন হয়েছে।
পরিদর্শন বিভাগের সাথে যুক্ত তদন্ত টিমগুলি নতুন পর্যালোচনা করে তাদের প্রস্তাবনা পেশ করেছে।
সূত্র জানিয়েছে, “কাজের অনুমতি (একামা) এবং নিয়োগ ও নবায়ন সম্পর্কিত সম্প্রতি একটি নতুন সংশোধিত নিয়ন্ত্রণ আইন জারি করা হয়েছে।
শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা এবং তাদের অধিকার পেতে একটি নতুন সংস্থা প্রতিষ্ঠা করা এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলির সাথে মিল রেখে আইন প্রয়োগের কাজ চলছে। (সংগৃহীত)
২০২১ সা;লের প্রথ;ম প্রান্তি;কে অ;জমান পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সম;স্ত কা;র্যক্রম স্থগি;ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান পর্যটন বিভাগ ১৪ ই ফেব্রুয়ারী রবিবার তাদের সরকারী মিডিয়া চ্যানেলগুলিতে পোস্ট
করেছে: “জনস্বাস্থ্যের সর্বোচ্চ স্তর নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আজমান সঙ্কট ব্যবস্থাপনা দলের নির্দেশনা এবং সতর্কতা ব্যবস্থার অংশ হিসাবে, দয়া করে অবহিত থাকুন যে আমরা আমাদের আসন্ন ইভেন্টগুলি পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত করেছি।
সংশোধিত তারিখগুলি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন আজমান ট্যুরিজম।দেশটিতে করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে আমিরাত কর্তৃক গৃহীত সর্বশেষতম পদক্ষেপ এটি।উল্লেখ্য সম্প্রতি সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতজুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
আর এই আক্রান্ত ঠেকেতা দেশটির প্রায় সকল রাজ্যেই দেওয়া হয়েছে কঠোর করোনা বিধি।এদিকে বিশিষ্ট আরব জ্যোতির্বিদদের মতে পবিত্র রমজান মাসটি ১০০ দিনেরও কম সময়ে শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরব ইউনিয়ন ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড স্পেস সায়েন্সেসের সদস্য ইব্রাহিম আল জারওয়ান বলেছেন, রমজান ক্রিসেন্টটি ১২ এপ্রিল, ২০২১ এ সংযুক্ত আরব আমিরাতের সময় সন্ধ্যা ৬.৩১ এ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০২১ সালের রমজান ১৩ এপ্রিল মঙ্গলবার শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।উপরের তারিখগুলি চাঁদ দেখার সাপেক্ষে।
উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরবে প্রথম বারের মতো পুরোপুরি নারী কর্মীদের পরিচালনাধীন সুপার শপ খুলেছে দুবাই ভিত্তিক বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান লুলু। জেদ্দা নগরীর আল জামেয়া এলাকায় শপটি চালু হয়েছে।
সৌদি সরকারের ঘোষিত ভিশন-২০৩০ বাস্তবায়নে সৌদি নারীদের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
তবে করোনা মহামারির কারণে এখন কেবল অনলাইন ভিত্তিক সেবা প্রদান করছে শপটি। লুলু হাইপার মার্কেট সৌদির প্রধান শেহিম মুহাম্মাদ বলেন,
‘সৌদিতে প্রথম বারের মতো পুরোপুরি নারীদের পরিচালনাধীন একটি শপ চালু করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এ
শপের জেনারেল ম্যানেজার থেকে ক্যাশিয়ারসহ সব কর্মকর্তাই নারী হবেন।নারীদের কর্মক্ষেত্র তৈরিতে তা বড় ভূমিকা পালন করবে।’
বিদেশে বিভিন্ন কারণে মানুষকে ভ্রমণ করতে হয়। ভ্রমণ শেষে ফেরার পথে কিছু না কিছু নিয়ে আসেন তারা। তালিকায় থাকে নানা রকম পণ্য। তবে বিমানবন্দর, স্থল বা সমুদ্রবন্দরে হরহামেশা এসব পণ্য ছাড় করতে বেগ পেতে হয়।
কোন কোন পণ্য আবার ছাড় করাও যায় না । কেননা সব পণ্যই আনতে হবে নিয়মের মধ্য। এজন্যই জানা দরকার কি কি পণ্য, কতটুকু আপনি বৈধভাবে আনতে পারবেন। কোন পণ্যে কতটা শুল্ক দিতে হবে কাস্টমসকে, আবার কোনগুলো একদমই শুল্কমুক্ত?
পর্যটক নয় এমন যাত্রীরা ব্যাগেজ বিধিমালা ২০১৬ অনুযায়ি যেসব পণ্য (একটি করে) পানি ও আকাশপথে বিনাশুল্কে আনতে পারবেন সেগুলো হলো-
ডিভিক্যাম, বেটা ক্যাম এবং প্রফেশনাল কাজে ব্যবহার হয় এমন ক্যামেরা ছাড়া অন্য যেকোনো ক্যামেরা। ৯. সাধারণ টেলিফোন সেট ( পুশবাটন, কর্ডলেস), ১০. সাধারণ ইলেকট্রনিক ও মাইক্রোয়েভ ওভেন,
১১. রাইস কুকার,প্রেসার কুকার, গ্যাসওভেন (বার্নরাসহ) ১২. টোস্টার, স্যান্ডউইচমেকার, ব্লেন্ডার,ফুড প্রসেসর, জুসার, কফি মেকার, ১৩. সাধারণ ও বৈদ্যুতিক টাইপ রাইটার,
১৪. গৃহস্থালিতে ব্যবহারের সেলাই মেশিন ( ম্যানুয়াল/ বৈদ্যুতিক), ১৫. বাসায় ব্যবহারের জন্য টেবিল, প্যাডেস্টাল ও সিলিং ফ্যান, ১৬. ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য স্পোর্টস সরঞ্জাম, ১৭. ১০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণালংকার ও ২০০ গ্রাম ওজনের রৌপ্য অলংকার (একই অলংকার ১২ টির বেশি আনা যাবে না), ১৮. ২০০ শলাকা বা ১ কার্টন সিগারেট,
১৯. ২৯ ইঞ্চি পর্যন্ত প্লাজমা/এলসিডি /টিএফটি/ এলইডি বা এমন প্রযুক্তির টেলিভিশন এবং সিআরটি সাদাকালো/ রঙ্গিন টেলিভিশন, ২০. ভিসিআর, ভিসিপি,
২১. সাধারণ কিংবা দুইটা বা চারটি স্পিকারসহ সিডি/ভিসিডি/ডিভিডি/এমডি/ ব্লুরে ডিস্ক প্লেয়ার ও সেট, ২২. ১৯ ইঞ্চি পর্যন্ত এলসিডি কম্পিউটার মনিটর, ২৩. দুইটি মোবাইল/সেলুলার ফোনসেট (স্মার্ট, অ্যান্ড্রয়েট, আইফোন যেকোন রকম হতে পারে), ২৪. সর্বোচ্চ ১৫ বর্গমিটার আয়তনের কার্পেট।
স্থলপথে একজন যাত্রী ব্যাগেজ রুলে একবারে সর্বোচ্চ ৪শ’ ডলারের পণ্য বিনাশুল্কে আনতে পারবেন। এক বছরে সর্বোচ্চ ৩ বার তিনি এ সুবিধা নিতে পারবেন।