উপসাগরীয় দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত বেসরকারী এবং সরকারী খাতগুলির দ্বারা প্রদত্ত পরিষেবাগুলিকে আরও উন্নত করতে মুখের স্বীকৃতি (ফেস আইডি) প্রযুক্তির পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত।
ফেস আইডি হলো আধুনিক প্রযুক্তি যা মুখের বায়োমেট্রিক প্রমাণীকরণের অনুমতি দেয়।
অর্থাৎ এর ফলে আপনার মুখের বায়োমেট্রিক এর মাধ্যমেই আপনার আইডেন্টিটি নির্নয় করা যাবে।
আপনি কোনো অফিসে প্রবেশ করলে অটোমেটিক্যালি আপনার পরিচয় জানা যাবে।
আপনাকে অন্য কোনো ম্যানুয়াল প্রমান-প্ত্র দেখাতে হবে না।
প্রযুক্তিটি অফিসিয়াল ডকুমেন্টের মতো সনাক্তকরণের ঐতিহ্যগত/প্রথাগত উপায়ের প্রয়োজন ছাড়াই যে কোন সময় এবং স্থানে জনসাধারণের জন্য পরিষেবাগুলি সহজসাধ্য করবে।
রবিবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহ-রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী ও দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম এর সভাপতিত্বে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি আজ টুইট করেন, “আজ একটি বৈঠকে আমরা প্রচুর নথি জমা দেওয়ার পরিবর্তে ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই করার জন্য একটি মুখের স্বীকৃতি (ফেস আইডি) প্রযুক্তি অনুমোদন করেছি।” সফলতা প্রমাণিত হলে উদ্যোগটি আরও সম্প্রসারণ করা হবে। ”এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব। মন্ত্রণালয় পরীক্ষার সময় শেষ হওয়ার পরে প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ করবে।
প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিষেবাগুলির একটি সেট পরীক্ষামূলক পর্যায়ে কয়েকটি বেসরকারী খাতের প্রতিষ্ঠানে চালু করা হবে।
মন্ত্রিসভা “দূরবর্তী যোগাযোগ অ্যাপ্লিকেশন” এর মাধ্যমে সরকারী কাজ স্বয়ংক্রিয় করতে একটি নতুন দল গঠনেরও অনুমোদন দিয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহ-রাষ্ট্রপতি টুইট করেছেন, “আগামী দশকগুলিতে সরকারি কাজের ভবিষ্যত আলাদা হবে,”
বৈঠককালে শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ জোর দিয়েছিলেন যে হোপ প্রোবের সাফল্য এমিরতী যুবকদের দেখানো দৃষ্ঠান্ত ও অধ্যবসায়ের ফল।
লিবি’য়ার মরু’ভূ’মিতে এক সুদানি পরিবা’রের আ’ট সদস্যের ম’র্মা’ন্তিক মৃ’ত্যু হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, পথ হা’রিয়ে ফেলার পর মরু’ভূ’মিতেই ক্ষুধা, তৃষ্ণায় তাদের মৃ’ত্যু হয়েছে। ওই পরিবারের পাশে একটি হাতে লেখা ‘উইল’ পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছে তারা।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এ ঘট’নার ভ’য়াবহ কয়েকটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা গেছে, একটি গাড়ির পাশে কয়েকটি ম’রদেহ পড়ে রয়েছে। কিছু কিছু দেহ বালুর মধ্যে অ’র্ধেক দা’ফন করে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, শি’শুসহ ২১ জন একটি টয়োটা সিকুইয়াতে করে যাচ্ছিল। পরে ওই গাড়ি লি’বি’য়ার কুফরা শহরের ৪০০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে পরিত্যক্ত অব’স্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
শারজাহ পুলিশ সততার জন্য কর্মরত এক মহিলা কর্মচারীকে সম্মানিত করেছে, কারণ তিনি টেবিলে নিচে এক গ্রাহককে রেখে যাওয়া ১০,০০০ দিরহাম ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তার নাম মরিয়ম।
শিফট শেষে মরিয়ম মোহাম্মদ আল মাহাইরি তার ডেস্কের নীচে নগদ ১০,০০০ দিরহাম সন্ধান পেয়েছিলেন। তিনি তার আশেপাশে যথাযথ দাবীদার তল্লাশি করেছিলেন, তবে তা খুঁজে পাননি । তারপরে এই অর্থ তার অফিসের নিকটবর্তী আল গারব থানায় হস্তান্তর করে দেন ।
তিনি বলেছিলেন, “নগদ অর্থ গুলি সন্ধান করার পরে আমি কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেছিলাম এই প্রত্যাশায় যে মালিক ফিরে আসবে যখন কেউ আসেনি , তখন আমি থানায় গিয়েছিলাম, এই নগদ জমা দিয়ে আসি ”
পুলিশ মরিয়মের সততার প্রশংসা করেছে।পুলিশ এখন নগদ অর্থের মালিককে খুঁজে বের করে । এই মহিলার সততার জন্য তাকে সন্মাননা প্রদান করেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে একটি ‘ক্রিয়েটিভ ভিসা’ চালু করা হয়েছে। এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানীতে সাংস্কৃতিক এবং সৃজনশীল শিল্পে অবদান রাখে এমন ব্যক্তিদের সহায়তা করার চেষ্টা করে।
সংস্কৃতি ও পর্যটন দফতর – আবু ধাবি (ডিসিটি আবু ধাবি) রবিবার ঘোষণা করেছে যে ক্রিয়েটিভ ভিসা “প্রতিভাধর ব্যক্তিদের বিস্তৃত” জন্য উন্মুক্ত।ঐতিহ্য, পারফর্মিং আর্টস, ভিজ্যুয়াল আর্টস, ডিজাইন এবং কারুশিল্প, গেমিং এবং ই-
স্পোর্টস, মিডিয়া এবং প্রকাশনা সহ তাদের অবশ্যই সাংস্কৃতিক এবং সৃজনশীল শিল্পের মধ্যে সমস্ত ডোমেন জুড়ে ক্ষেত্রগুলির মধ্যে অপারেটিং করা উচিত।
এই উদ্যোগটি আবুধাবিতে আবাস ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছে এবং একই সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমৃদ্ধিশালী সৃজনশীল দৃশ্যের উত্সাহ দেয়।আবুধাবিতে খ্যাতিলাভ করা কর্মসূচির আওতায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের বৃহত্তম ও সর্বাধিক সমৃদ্ধ এমিরেটে পরিবারের সাথে বসতি স্থাপনের জন্য মেধাবী পেশাদার, শিক্ষার্থী এবং অগ্রাধিকার খাতে বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল।
এটি দীর্ঘমেয়াদী ভিসা দেয়।ডিসিটি আবু ধাবির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খলিফা আল মুবারক বলেছেন: “আবু ধাবি কেবল আমাদের সীমান্তের মধ্যে সৃজনশীল প্রতিভার পরিচর্যাই নয়, অঞ্চল ও বিশ্বজুড়ে উদ্ভাবকদের কাছে আমাদের সংস্থান প্রসারিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ম’র্মা’ন্তি’ক এক সড়ক দু’র্ঘ’ট’নায় মধ্যপ্রাচ্যের ওমানের দুকুম শহরে ৫ বাংলাদেশি নাগরিকের মৃ’’ত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ওমানের স্থানীয় সময় ভোর ৬ টার দিকে এই দু’র্ঘ’ট’না ঘ’টে।
দু’র্ঘ’ট’নায় নি’’হ’তদের সকলেই চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার বাসিন্দা। এই ঘ’টনায় আরও দুজন আ’শং’কাজ’নক অবস্থায় দুকুম হাসপাতালে আইসিইউ ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ওমান প্রবাসী মিজানুর রহমান ফরহাদ দু’র্ঘ’ট’না এবং হ’তাহ’তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ’রাতে আরব সাগরে ফিশিংয়ের ডিউটি শেষে ১০ জন সহকর্মী মিলে নি’পুল থেকে দুকুম শহরে তাদের বাসায় ফিরছিলেন।
ফেরার পথেই এই দু’র্ঘ’ট’না ঘ’টে। এই ঘ’ট’নায় নি’হ’ত ৫ জন হলেন মিনহাজ, ফারুক, মামুন, রুবেল ও মিলাদ। অন্যদিকে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ২ জন হলেন দিদার ও আশরাফ। এদের সকলেই চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার বাসিন্দা।’
এই ঘ’ট’নায় গাড়িতে থাকার অন্য ৩ জন আ’রো’হী আ’হ’ত হলেও তারা আ’শ’ঙ্কামু’ক্ত বলে দুকুম হাসপাতালের চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন ওমান প্রবাসী ফরাদ।
যে তিনজন আ’হ’ত কিন্তু আ’শং’কামু’ক্ত তাদের দুজনের নাম জানা গেছে। তারা হচ্ছেন মাইনউদ্দিন ও ইসমাইল। দু’র্ঘ’ট’নায় পড়া গাড়িতে থাকা ১০ জনের ৯ জনই সন্দ্বীপের। অপরজন ফেনীর।
জা’পানি বিজ্ঞানী মাছারু ইমোটো বলেছেন, মু’সলিম’দের অ’লৌ’কিক পানি জমজম কোনো সাধারণ পানি নয়। এই পানিটি সব ধরনের অ’সুস্থতার নিরাময়। ইমোতো আরো জানান, জমজম পানি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত গবেষণা করছেন তিনি।
ইমোতো ১৯৪৩ সালের জুলাই মাসে জা’পানের ইয়োকোহামা শহরে জ’ন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ইয়োকোহামা মিউনিসিপাল ইনিভা’র্সিটি থেকে হিউম্যানিটিস অ্যান্ড সায়েন্সেস বিভাগ আন্তর্জাতিকভাবে স্নাতক লাভ করেন।
১৯৮৬ সালে তিনি টোকিওতে আইএইচএম সংস্থা তৈরি করেছিলেন। ১৯৯২ সালের অক্টোবরে ওপেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভা’র্সিটি থেকে ডক্টর অব অল্টারনেটিভ মেডিসিন হিসেবে প্রশংসাপত্রও অর্জন করেছিলেন তিনি।
তাঁর গবেষণঅয় এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিল যে আমাদের ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত চেতনা পানির সাথে ব্যাপকভাবে জ’ড়িত। তিনি ‘জল থেকে বার্তা’ সুপরিচিত বইটিও লিখেছিলেন। তিনি ট্রু পাওয়ার অব ওয়াটার অ্যান্ড দ্য হিডেন ম্যাসেজ ইন ওয়াটারের লেখকও।
১৫ বছর ধরে গবেষনা চালানোর পর ‘ম্যাসেজেস ফ্রম ওয়াটার’ নামে একটি ৫ খণ্ডের বই প্রকাশ করেন ইমোতো। তিনি সেখানে লেখেন যে, জমজমের মতো বিশুদ্ধ পানি আর কোথাও নেই। এটি বারবার ব্যবহার করলেও নিজের গুণ বদলায় না।
এক বোতল পানির মাঝে এক ফোঁটা জমজমের পানি ফেলে দিলে পুরো বোতলের পানিই জমজমের পানির গুন ধারণ করে। জমজমের পানিকে নিজের দেখা এখন পর্যন্ত সবচাইতে অনন্য পানি বলে স্বীকার করে নেন এই বিজ্ঞানী!
প্রতিটি সার্থক প্রেমের কবিতা বলতে বোঝায় যে কবি প্রেমিকাকে পায় নি, প্রতিটি ব্যর্থ প্রেমের কবিতা বোঝায় যে কবি প্রেমিকাকে বিয়ে করেছে।
নতুন খবর হচ্ছে, মুন্সিগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা তানেসউদ্দিন আহমেদ ৭৫ বছর বয়সী মানুষটি এখনো ঝকঝকে তরুণ। কমলারঙের জামার বুকপকেট থেকে একটা পাসপোর্ট সাইজের ছবি বের করে তানেসউদ্দিন। হেসে বললেন, ‘ওর নাম
জোহরা।’ ১৯৭১ সালে জোহরাকে রেখে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলেন তিনি। যুদ্ধ শেষে স্বাধীন দেশ পেয়েছেন, কিন্তু ভালোবাসার মানুষটিকে আর পাওয়া হয়নি তাঁর।
১৯৬৭ সালে ঢাকার বোম্বে স্টুডিও থেকে জোহরার সাদাকালো ছবিটি তোলা। সেই থেকে ছবিটি তানেসউদ্দিনের পকেটে।
রবিবার রাত থেকে আরো ২০ দিনের জন্য ক’রো’না নিষেধাজ্ঞার সময় বাড়ালো সৌদি সরকার। এই নিষেধাজ্ঞা চলাকা’লীন সময়ে যেকোন প্রকার জনসমাগম, অনুষ্ঠান, বিনোদন চর্চা এবং দাওয়াত অনুষ্ঠান নিষেধ থাকবে।
সৌদি প্রেস এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই নিষে’ধাজ্ঞার সময় বা’ড়ানোর ব্যাপারে সবাইকে জানিয়েছে। আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি, রবিবার রাত ১০টা থেকে আরো ২০ দিনের জন্য ক”রো’না’ নিষে’ধাজ্ঞার বর্ধিত সময় কা’র্যকর করা হবে। সমগ্র সৌদি আরবে ক”রো’নাভাই’রা’সে শনা’ক্তের হার বৃদ্ধি পাবার কারনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
উল্লেখ্য যে, বিগত ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ দিনের জন্য ক’রো’না নিষেধা’জ্ঞা জা’রি করেছিলো সৌদি সরকার, যার মেয়াদ আজ ১৪ই
ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছিলো। আজ থেকে আরো ২০ দিন নিষেধা’জ্ঞার মেয়াদ বৃ’দ্ধি করার ফলে সর্বমোট ৩০ দিনের ক”রো’না নি’ষেধা’জ্ঞা জারি করা হলো সৌদি আরবে।এই নিষেধাজ্ঞার সময়ে করোনা প্র’তিরো’ধে যেসকল নির্দেশনা দেয়া হয়েছেঃ
১/ যেকোন সামাজিক অনুষ্ঠান বা জনসমাগমে ২০ জন এর বেশি মানুষ জড়ো হতে পারবেন না বা অংশ নিতে পারবেন না।
২/ সকল পাবলিক অনুষ্ঠান বা বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছে।
৩/ সিনেমা হল, ইনডোর বিনোদন কেন্দ্র, বিভিন্ন খেলাধুলার কেন্দ্র, জিম, ইত্যাদি এই নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে বন্ধ থাকবে।
৪/ সকল রেস্টুরেন্ট এবং ক্যাফে তে বসে খাবার খাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জা’রি করা হয়েছে। তবে, রেস্টুরেন্টে বা ক্যাফেতে ভীড় না করে পার্সেল বা টেক-এওয়ে নেয়া যাবে।
সম্প্রতি সৌদি আরবে ক”রো’নাভা’ইরা’সে নতুন শ’না’ক্তের হার বৃ’দ্ধি পাবার ফলেই এই ক’রো’না নি’ষেধা’জ্ঞা জা’রি করা হয়েছে। এই নি’ষেধা’জ্ঞা জা’রি’ত সময়ে যদি কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্দেশনা অ’মান্য করেন, তবে তাকে জ’রিমা’না করা হবে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেক্সিকো সীমান্তে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষায় ২৫ হাজার অভিবাসন প্রত্যাশীকে অবেশেষে দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। অভিবাসন আদালতের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া স¤পাদন করা হবে। বার্তা সংস্থা এপির রিপোর্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন নতুন
প্রশাসন ট্রাম্প আমল থেকে মেক্সিকো সীমান্তে অপেক্ষায় থাকা হাজার হাজার অভিবাসন প্রত্যাশী ও রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনাকারীদের প্রতি সদয় হয়েছে। গত শুক্রবার তাদের যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে দেয়ার বিষয়ে বাইডেন প্রশাসন একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে আগামী সপ্তাহ থেকে মাঠ পর্যায়ে অভিবাসীদের গ্রহণ কার্যক্রম শুরু হবে। এপির রিপোর্ট
মতে, অভিবাসীদের গ্রহণের সিদ্ধান্তের কথা জানালেও তাদের কোন পয়েন্ট দিয়ে দেশটিতে ঢুকতে দেয়া হবে কেন্দ্রীয় প্রশাসন তা খোলাসা করেনি। ওই অভিবাসীদের জাতীয়তা বা অন্য পরিচয়ও প্রকাশ করা হয়নি এখনও।
কারণ হিসাবে বলা হয়েছে যে, কোন পয়েন্ট দিয়ে তা প্রবেশ করবেন তার আগাম ঘোষণা হলে আশ্রয় প্রত্যাসীদের চাপ আচমকা বেড়ে যেতে পারে। বাড়তি চাপের ভয়টি বাইডেন প্রশাসনকে সবচেয়ে বেশি তাড়া করছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে সীমান্তে অপেক্ষায় থাকা নারী, পুরুষ ও শিশুদের যে তারা পর্যায়ক্রমে দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি দেয়ার বিষয়ে ইতিবাচক এপিসহ আন্তর্জাতিক অন্য মিডিয়ার রিপোর্টে তার বেশ স্পষ্ট আভাস রয়েছে। মার্কিন প্রশাসন এবং স্থানীয় সূত্রে বাংলাদেশ
কমিউনিটির দায়িত্বশীল প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, সীমান্তে অপেক্ষায় থাকা অভিবাসন প্রত্যাশী বা রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনাকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি রয়েছেন। তবে গত ক’বছরে চরম দুুর্বিসহ জীবন কাটিয়ে অনেক বাংলাদেশে দেশে ফিরে এসেছেন। লাখ লাখ টাকা খরচা করে দালাল মারফত ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ঘুরে তাদের
বেশিরভাগই মেক্সিকো সীমান্তে পৌঁছে ছিলেন। সেখানে তারা স্বেচ্ছায় ধরা দিয়েছেন এবং জেল কেটে কিংবা কারেকশন সেন্টারে থেকে পরবর্তীতে ট্রাম্প প্রশাসনের মাধ্যমে ঢাকায় ফিরেছেন। ফলে মেক্সিকো সীমান্তে এখনও অবিশিষ্ট থাকা বাংলাদেশির সংখ্যা কত হতে পারে? কমিউনিটি বা স্থানীয় বাংলাদেশ মিশন সেই ধারণা দিতে পারেনি। স্থানীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের বরাতে এপি জানায়, মেক্সিকো সীমান্তে আটকে পড়া অভিবাসীদের মধ্য থেকে প্রথম ধাপে ১৯ ফেব্রুয়ারি বেশ কিছু লোককে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সূযোগ দেয়া হবে।
তিনটি স্থান দিয়ে অভিবাসীদের প্রবেশের সুযোগ উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি স্থানের প্রতিটি দিয়ে দিনে ৩০০ জন করে অভিবাসীকে ঢুকতে দেয়া হবে। তৃতীয় একটি স্থান রয়েছে, অবশ্য সেই পয়েন্ট দিয়ে খুব কম সংখ্যক
মানুষ প্রবেশের অনুমতি পাবে। অভিবাসী এবং জনসাধারণ ভিড় বাড়তে পারে এমন আশঙ্কায় বাইডেন প্রশাসন ওই তিন স্থানের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে টেক্সাসের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি হেনরি কুয়েলার বলেন, কর্মকর্তারা তাকে টেক্সাসের ব্রাউন্সভিল, এল পাসো এবং সান দিয়েগোর সান ইসিড্রো ক্রসিং দিয়ে অভিবাসীদের প্রবেশের অনুমতি
দেয়ার কথা জানিয়েছেন। এর আগে, ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী নীতির জের ধরেই মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ দেয়া হয়নি। এর মধ্যে ২০১৯ সালে দ্য মাইগ্রেন্ট প্রোটেকশন প্রটোকল
কর্মসূচি চালু করা হয়। প্রায় ৭০ হাজার অভিবাসী এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হয়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হোয়াইট হাউসের ক্ষমতার ব্যবহার এবং কংগ্রেসের সমর্থন ছাড়াই তার পূর্বসূরীর অভিবাসন নীতি বাতিল করার আদেশে দ্বিতীয় দফায় সই করেছেন। এ আদেশের মধ্যেদিয়ে ক্ষমতায় আসার প্রথম দুই সপ্তাহের মধ্যে
তিনি পারিবারিক বিচ্ছেদ, সীমান্ত সুরক্ষা এবং আইনী অভিবাসনের বিষয়ে ৯টি নির্বাহী পদক্ষেপ নিয়েছেন। প্রস্তাবিত আইন অনুসারে দেশটিতে থাকা আনুমানিক এক কোটি ১০ লাখ অভিবাসীকে আইনী মর্যাদা ও নাগরিকত্ব দেয়ার উদ্যোগ
নিয়েছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন রোধে নেয়া আইনী এবং অবৈধ পদক্ষেপের ব্যাপক পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করছেন। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সেক্রেটারি আলেজান্দ্রো মায়োরকাস বলেন, প্রেসিডেন্ট জোবাইডেনের ঘোষণা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র সরকার ফের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও মানবিক অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে
অঙ্গীকারাবদ্ধ। এ কারণেই আমরা অভিবাসন নীতি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছি। এর আগে যে নীতি ছিল, সেটি মার্কিনিদের জাতিগত মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।
ইরাকের দক্ষিণাঞ্চল কুর্দিস্তানের হালাবজা এলাকার ১৩ শয়ের বেশি তরুণীর হিজাব পরিধান নিয়ে বিশাল বর্ণাঢ্য আয়োজন হয়। স্বর্ণ মুকুট বা গোল্ডেন ক্রাউন নামের এ অনুষ্ঠানটি তরুণীদের হিজাব পরা উপলক্ষে কয়েক বছর যাবত অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানের আয়োজক কুর্দিস্তানের ছাত্র উন্নয়ন সংস্থা এক বিবৃতিতে জানায়, স্বর্ণ মুকুট বা গোল্ডেন ক্রাউন অনুষ্ঠানটি বার্ষিক পরিকল্পনার অন্যতম একটি অংশ।
সপ্তম বারের মতো এবারের অনুষ্ঠানে ১৩৫৭ জন তরুণী হিজাব পরিধান করে। তরুণীদের হিজাব পরিধানের ইচ্ছাকে স্বাগত জানিয়ে
এবং হিজাবকে সবার মধ্যে গ্রহণযোগ্য করতে প্রতি বছর কুর্দিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের আয়োজন করা হয়।
স্বর্ণ মুকট বা গোল্ডেন ক্রাউন নামের অভিনব আয়োজনের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পড়ে। তাতে হ্যাশট্যাগ দিয়ে এ আয়োজনের প্রতি সবাই সমর্থন জানায়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন জন এ আয়োজনকে স্বাগত জানায়।সূত্র : আল জাজিরা নেট
নোয়াখালীর সুধারামের পশ্চিম নরোত্তমপুর গ্রামে স্বামী বিদেশে থাকার সুযোগে পরকীয়ায় জ’ড়িয়ে পড়েছেন স্ত্রী। এরপর টাকা-স্বর্ণালংকার নিয়ে পা’লিয়েছেন প্রেমিকের হাত ধরে।
ঘ’টনার ২০ দিনেও মেলেনি ওই কুয়েত প্রবাসীর স্ত্রীর খোঁ’জ। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি ভোরে এ ঘ’টনা ঘ’টে। প’লাতক সুমাইয়া আক্তার কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ থা’নার বড় চাঁদপুরের জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে।
তার বি’রুদ্ধে বৃহস্পতিবার সকালে সুধারাম থা’নায় অ’ভিযোগ করেছেন ওই প্রবাসীর বাবা। পরে পু’লিশ ঘ’টনাস্থল পরিদ’র্শন করেছে। কুয়েত প্রবাসীর বাবা আব্দুর রব বলেন, ২০১৯ সালের ২৩ মে সুমাইয়াকে কে পারিবারিকভাবে আমার ছেলের বউ করে আনি।
বিয়ের দুই মাস পর জীবিকার তাগিদে স্ত্রীকে রেখে আমার ছেলে কুয়েত চলে যায়। এরপর ক’রোনাভা’ইরাসের সংক্র’মণ শুরু হওয়ায় সে দেশে আসতে পারেনি। এই সুযোগে সুমাইয়া স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে পরকীয়ায় জ’ড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরো বলেন, চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি ভোরে আমার ঘর থেকে পাঁচ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে উধাও হয়ে যায় সুমাইয়া। পরে জানতে পারি সে প্রেমিকের হাত ধ’রে পা’লিয়ে গেছে। তবে অনেক খোঁ’জাখুঁ’জি করেও তার স’ন্ধান পাইনি।
সুধারাম থা’নার পরিদ’র্শক (ত’দন্ত) ফজলুল হক পাটোয়ারী জানান, অ’ভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে দুই থা’নায় নোটিশ পাঠানো হবে। ত’দন্ত শে’ষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।