ক্যাটাগরি Uncategorized

কুয়েতে ২১ ফেব্রুয়ারী থেকে হোটেল বুকিং শুরু’ খরচ ১৫০ থেকে ৩৩০ দিনার।

(ছবি, আল কাবাস থেকে সংগৃহীত )
কুয়েতে আগত যাত্রীদের কোয়ারেন্টিন খরচের বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছেছে হোটেল, ট্রাভেল ও সিভিল এভিয়েশন কতৃপক্ষ ।
প্রতি যাত্রীকে ১৫০ থেকে ৩৩০ দিনার বা তার চেয়ে বেশীও খরচ হতে পারে কোয়ারেন্টিনে ।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্রেকিং নিউজে আল কাবাস পত্রিকা সংবাদের নিশ্চিত করে আরো জানিয়েছে যে, কোয়ারেন্টিন খরচের প্রস্তাব সরকারের অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে ।

অনুমোদনের পেলেই আগামী ২১ ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু হবে অগ্রীম হোটেল বুকিং ।

৫ তারকা থেকে শুরু করে ১ তারকা এবং সমমানের হোটেল বুকিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, সর্বোচ্চ ৩৩০ দিনার থেকে ১৩০ দিনার খরচ হবে কোয়ারেন্টিন ও খাবার বাবৎ।

প্রসঙ্গত, কুয়েতে গত এক সপ্তাহ ধরে আলোচনা চলছে আগত যাত্রীদের হোটেল কোয়ারেন্টিন বা অগ্রীম বুকিং বিষয়ে ।

ভ্রমণ বা ছুটিতে গেলেই হোটেল বুকিং কনফার্ম করে যেতে হবে ।

কুয়েতে করোনায় আরো ১০২১ জন শনাক্ত’ সুস্থ ৬৪২ এবং মারা গেছে ৭ জন’।

কুয়েতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছে কুয়েতি ও প্রবাসীসহ ১০২১ জন, সুস্থ হয়েছে ৬৪২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের।

মোট আক্রান্ত হয়েছে ১৭৬,০৫২ জন।
মোট মৃতের সংখ্য ৯৯২ জন।
মোট সুস্থ হয়েছেন ১৬৪,৫৩৭ জন।

আজ শুক্রবার বিকেলে নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংএ বিষয়টি নিশ্চিত করা হয় ।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনা টেস্ট করা হয় ১১,২৪০ জন, মোট টেস্টের সংখ্যা ১৬৫১,২৮৭ জন ।

নিয়মিত চিকিৎসাধীন আছে ১০,৫২৩ জন এবং আইসিইউতে আছেন ১২২ জন ।

হোটেল বুকিং দিয়েই কুয়েত থেকে ভ্রমণ বা ছুটিতে যেতে হবে।

ফেব্রুয়ারীর শেষে বা মার্চের শুরুতে কুয়েতে চালু হতে যাচ্ছে নতুন করোনা প্রতিরোধে নতুন সিস্টেম, কুয়েতি বা কোন বিদেশী নাগরিক ভ্রমণ বা ছুটিতে গেলেই হোটেল বুকিং দিতে হবে, যাতে ফেরত এসে সে হোটেলে কোয়ারেন্টিন করতে পারে ।

বেসামরিক বিমান পরিবহন অধিদফতরের এক আধিকারিকের কথা অনুযায়ী, তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে কুয়েত টাইমসকে বলেন, সমস্ত প্রবাসী যাত্রী ও নাগরিক সকলে কুয়েত ত্যাগের সময় সাত দিনের জন্য হোটেল বুকিং দেওয়া উচিৎ, যাতে তাদের ফিরে আসার পরে প্রাতিষ্ঠানিক পৃথকীকরণ সম্পন্ন করতে পারেন।

“এই নিয়মটি কুয়েত ছেড়ে যাওয়া সমস্ত যাত্রীদের ক্ষেত্রেই প্রয়োগ করা হবে, তাদের রাউন্ড-ট্রিপ টিকিট বা একমুখী টিকিট থাকুক না কেন।

এমনকি যাত্রী তাদের সঠিক ফেরতের তারিখ সম্পর্কে নিশ্চিত না হলেও তাদের এখনও একটি হোটেল বুকিং থাকা উচিত।

পরে তাদের ফেরতের তারিখ অনুসারে বুকিং পরিবর্তন করা যেতে পারে।

এই কর্মকর্তা কুয়েত টাইমসকে জানিয়েছেন যে, এই নিয়ম তাদের জন্য প্রযোজ্য হবে না যারা কুয়েতে তাদের একামা বাতিল করেছেন এবং দেশ ত্যাগ করছেন।

ডিজিসিএর মুখপাত্র সাদ আল ওতাইবি আল-কাবাস আরবি প্রতিদিনকে বলেছেন, কুয়েত মোসফার অ্যাপটিতে নিবন্ধের মাধ্যমে নিজস্ব ব্যয়ে আগত সকলে স্থানীয় হোটেলগুলিতে সাত দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন প্রয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠক করা হচ্ছে এবং বাকি সাত দিন নিজ বাসায় কোয়ারান্টিনে থাকতে হবে।

মিঃ ওতাবি বলেছিলেন যে, কোন নাগরিক বা প্রবাসী কুয়েতে হোটেলগুলিতে পৃথক পৃথক স্থান বাছাই করে এবং বুকিং দেওয়ার পরে এবং পুরো মূল্য পরিশোধ করার আগে পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারবেন না, যাহা ফেরতযোগ্য নয়।

মালয়েশিয়ায় সুগম হতে যাচ্ছে বাংলাদেশী কর্মী পাঠানোর পথ।

বাংলাদেশের জন্য এশিয়া মহাদেশের অন্যতম উন্নত দেশ মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর পথ আরও একধাপ সুগম হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে শিগগির সমঝোতা স্মারকের বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে মালয়েশিয়া।

আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে দুই দেশের মন্ত্রীসহ প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ভার্চুয়াল সভা হওয়ার কথা রয়েছে।

মালয়েশিয়ার মানব সম্পদ মন্ত্রী এবং বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী সভায় সূচনা বক্তব্য রাখবেন। পরে জনশক্তি রপ্তানি বিষয়ে গঠিত যৌথ কারিগরি কমিটির (জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ) সদস্যের মধ্যে আলোচনা হবে।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি পাঠানো এক ইমেইলে মালয়েশিয়ার মানব সম্পদ মন্ত্রণালয় ভার্চুয়াল সভা করার ব্যাপারে বাংলাদেশকে প্রস্তাব দিয়েছে। সেই প্রস্তাব অনুযায়ী ১৬ ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়ার স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটায় এই সভা হওয়ার কথা রয়েছে।

ইমেইল বার্তায় সভার আলোচ্য বিষয় কী হবে সে নিয়েও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বিদেশে কর্মী পাঠাতে দেশের চলমান অনলাইন প্রক্রিয়া নিয়ে সভায় আলোচনা হবে।

এছাড়া মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে এবং বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে যে সমঝোতা স্মারক দুই দেশের মধ্যে হবে তার প্রস্তাবিত মেয়াদকাল কতদিন হবে তা নিয়ে আলোচনা হবে। কবে এই স্মারক স্বাক্ষর হতে পারে তার প্রস্তাবিত দিনক্ষণ নিয়েও কথা বলবে দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

করোনা মহামারির মধ্যে বিদেশে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির গতি প্রায় থমকে ছিল। অনেক দেশ থেকে কর্মীদের বাধ্যতামূলকভাবে ফিরে আসতে হয়েছে।

এই অবস্থায় মালয়েশিয়া কর্মী নিতে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার যে আগ্রহ দেখাচ্ছে তা ইতিবাচক। এটি ফলপ্রসু হলে জনশক্তি রপ্তানিখাতে চলমান সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

যৌথ কারিগরি কমিটি মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু করতে দুই বছর ধরে কাজ করছে। গত বছরের শুরুর দিকে দুই দেশের মধ্যে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছিল।

কিন্তু করোনা মহামারির কারণে আলোচনা এক পর্যায়ে বন্ধ হয়ে যায়। সর্বশেষ গত বছরের ১৫ অক্টোবর দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ে অনলাইন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি প্রবাসীদের দীর্ঘ মেয়াদী ভিসা, সিটিজেনশীপের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে!….

উপসাগরীয় দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী শহর আবুধাবি সমস্ত মেধাবী পেশাদার, শিক্ষার্থী এবং বিনিয়োগকারীদের সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানীতে তাদের পরিবারের সাথে বসতি স্থাপনের জন্য একটি প্রোগ্রাম চালু করেছে। অর্থাৎ ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, ছাত্র ও পেশাদার ও দক্ষা প্রবাসীদের দীর্ঘমেয়াদি ভিসা ও নাগরিত্ব দিবে।অনেককে তারা দীর্ঘমেয়াদি ভিসা দেবে যা পরবর্তীতে নাগরিকত্বে পরিবর্তন করা যাবে।

আবুধাবিতে থ্রাইভ নামে পরিচিত, এই উদ্যোগটি সংস্কৃতি, স্বাস্থ্যসেবা, গবেষণা ও উন্নয়ন (গবেষণা ও উন্নয়ন), এবং রিয়েল এস্টেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলির বিকাশ ঘটাতে চায়।

এটি দীর্ঘমেয়াদী ভিসা সরবরাহ করে যা আবুধাবির টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখার সাথে সাথে সুরক্ষিত, স্বাগত ও সহায়ক পরিবেশে মেধাবী প্রবাসীদের জন্য সম্মানিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকত্বে রূপান্তরিত করতে পারে।

“ক্রিয়েটিভ প্রতিভা বিশ্বব্যাপী শিল্প ও সংস্কৃতি কেন্দ্রের অংশ হতে, আমিরাতের গতিশীল মিডিয়া এবং বিনোদন শিল্পে যোগ দিতে, বা সহকর্মী শিক্ষাবিদ, সংরক্ষণবাদী এবং প্রত্নতাত্ত্বিকদের মধ্যে অতীতের আমাদের বোঝার বিকাশের পক্ষে সমর্থন করার জন্য উত্সাহিত করা হয়,” একটি অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

“সৃজনশীল ভিসা আবুধাবির পাঁচ বছরের সংস্কৃতি সেক্টর স্ট্র্যাটেজির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে সংস্কৃতি ও পর্যটন বিভাগ দ্বারা প্রকাশিত হয়েছে, যা পাঁচটি কৌশলগত উদ্দেশ্যকে অন্তর্ভুক্ত করেছে: এর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং বজায় রাখা;

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং কলা সম্পর্কে সচেতনতা এবং জড়িততা বৃদ্ধি; শিক্ষা এবং সামাজিক পরিবর্তনের জন্য চালক হিসাবে সৃজনশীলতাকে উত্সাহিত করে; এর সংস্কৃতি খাতে সক্ষমতা তৈরি এবং সক্ষম করা; অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বৈচিত্র্যে অবদান রাখুন। ”

আবুধাবি শক্তিশালী বৈশ্বিক শংসাপত্র সহ একটি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক এবং সৃজনশীল ক্ষেত্র রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্বমানের যাদুঘর, আর্ট সেন্টার, আর্ট মেলা, সঙ্গীত কনসার্ট এবং তৃণমূলের শৈল্পিক সম্প্রদায়।রাজধানী লুভর আবু ধাবি, মনারাত আল সাদিয়াত, গুদাম হাউজ ২৪১, আবু ধাবি আর্ট বার্ষিক মেলা,

কসর আল হোসন এবং কালচারাল ফাউন্ডেশন এবং আগত জায়েদ জাতীয় জাদুঘর এবং গুগেনহাইম – এমন শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ক্রিয়াকলাপে দক্ষতা অর্জনের জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কথা উল্লেখ না করে NYU আবু ধাবি (NYUAD), সোরবনে আবু ধাবি, বার্কলে কলেজ, এবং সিএনএন একাডেমি হিসাবে।

শিক্ষার্থীদের বিশেষত সুযোগসুবিধা রয়েছে। যারা পিএইচডি করছেন বা উচ্চ বিদ্যালয় বা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বৈজ্ঞানিক দক্ষতা অর্জন করেছেন, তারা তাদের দিগন্তকে প্রসারিত করতে পারেন এবং আবুধাবিতে বিশ্ব-মানের একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের যেমন- এনওয়াইএডি, সোরবনে আবু ধাবি, একটি সংগ্রহশালায় এবং খলিফা বিশ্ববিদ্যালয় এ পড়াশোনা করে আকর্ষণীয় কেরিয়ারের পথ নিশ্চিত করতে পারেন

শিক্ষার্থীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য নতুন মোহাম্মদ বিন জায়েদ বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এর মতো বিশেষজ্ঞ ক্ষেত্রগুলি সহ বা ভবিষ্যতের দক্ষতাগুলিও শিখতে পারে, বা ৪২ আবুধাবিতে কোডিং করছে।

তারা সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোভিড -১৯ এবং কৃষিক্ষেত্র সম্পর্কিত ক্ষেত্রগুলিতে অগ্রণী গবেষণায় অংশ নিতে পারে বা মানব ভ্রাতৃত্বের জন্য নিবেদিত বিশ্বের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়, মোহাম্মদ বিন জায়েদ বিশ্ববিদ্যালয় মানবিকতার জন্য সহিষ্ণুতা ও সহাবস্থানে মনোনিবেশ করতে পারে।

আবুধাবিতে সাফল্য অর্জনের ফলে উদ্ভাবকরা তাদের ধারণাগুলি বাস্তবে রূপান্তরিত করতে – তহবিল এবং উত্সাহের অ্যাক্সেস সহ – গতিশীল গবেষণা ও উন্নয়ন বাস্তুতন্ত্রের অংশ হিসাবে, যা জল সুরক্ষা থেকে শুরু করে খাদ্য প্রযুক্তিতে ভবিষ্যতের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলি সমাধান করার জন্য নতুন প্রযুক্তির পথিকৃত্তি করছে।

আবুধাবির ত্বরণকারী কর্মসূচির অংশ হিসাবে, ঘাডন-২১, শিক্ষা ও জ্ঞান বিভাগ গবেষণা ও অনুদানকে সমর্থন করার জন্য প্রতিযোগিতামূলক গবেষণা তহবিলের জন্য ৪০ মিলিয়ন দিরহাম প্রদানের জন্য একাডেমিক গবেষণা অনুদান চালু করেছে।

কর্মসূচির বিবরণ – দীর্ঘমেয়াদী ভিসা এবং নাগরিকত্বের পথ সহ – https://tamm.abudhabi/en/Golden-Visa এ বা 02-6664442 (সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাইরে) অথবা 800 555 (সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে) কল করে পাওয়া যাবে । সূত্রঃ খালিজ টাইমস

ইউরোপের প্রবাসীরা দারিদ্র্য ঝুঁকিতে বসবাস করছেন।

জীবনের মোড় ঘোরাতে সবাই ইউরোপের উন্নত দেশে পাড়ি জমাতে চান। কিন্তু পরিসংখ্যান তেমন ভালো ফলাফল দিচ্ছে না। কেননা ইউরোপে অভিবাসীরা সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্যতার মধ্যে রয়েছেন।

করোনা মহামারি একটি নতুন পরিস্থিতি। তাই বর্তমান পরিস্থিতির তথ্য-উপাত্ত দিয়ে স্বাভাবিক অবস্থার তুলনা করা সম্ভব নয়। তবে ২০১৯ সালের এক সমীক্ষা অনুযায়ী দেখা গেছে,

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ২৭টি দেশের গড় হিসাবে প্রতিটি দেশে বসবাসরত জনগণকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করে এ দারিদ্র্যতার সংখ্যা প্রকাশ করা হয়েছে।

যেমন নির্দিষ্ট দেশে স্থানীয় জনগণের মধ্যে ২০ শতাংশ, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বসবাসকারী অন্যান্য দেশের নাগরিকদের ২৬ শতাংশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের বসবাসকারীদের ৪৫ শতাংশ দারিদ্র্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

ইইউর বাইরে দেশ থেকে আগত অভিবাসীরা সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে- সুইডেন এবং গ্রিসে ৫৭ শতাংশ, ফ্রান্স এবং স্পেনে ৫৪ শতাংশ, পর্তুগালে প্রায় ৩২ শতাংশ। তবে দারিদ্র্য ঝুঁকির ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছে চেক রিপাবলিক।

তাদের স্থানীয় জনগণের চেয়েও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বাইরের দেশের অভিবাসীরা ভালো অবস্থানে রয়েছেন; যদিও তাদের তিনটি জনগণের ক্যাটাগরি অর্থাৎ স্থানীয় ১২.৫ শতাংশ, ইইউ নাগরিক প্রায় ৯ শতাংশ (কমবেশি) এবং ইইউর বাইরের অভিবাসীরা প্রায় ১০ শতাংশ (কমবেশি) একেবারে কাছাকাছি অবস্থানে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন নানাভাবে অভিবাসীদের সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এই দারিদ্র্য যুগ থেকে টেনে বের করে আনার চেষ্টা করছেন; তবে ভাষা অভিবাসীদের কর্মক্ষমতা, দেশীয় ঐতিহ্য এক্ষেত্রে অনেকটাই প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

‘বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশের পাখিও ঢুকতে পারবে না পশ্চিমবঙ্গে’।

ভারতে আর মাস দুয়েক পরেই শুরু হচ্ছে বিধানসভা নির্বাচন। এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিজেপির প্রচারণায় পশ্চিমবঙ্গ সফরে গিয়ে বাংলাদেশ থেকে কথিত অনুপ্রবেশের ইস্যুকে আবারো খুঁচিয়ে তুললেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

বৃহস্পতিবার রাজ্যের উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্তে দু’টি জনসভায় অংশ নিয়ে ভারতীয় মন্ত্রী দাবি করেছেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে সীমান্ত দিয়ে মানুষ তো দূরে থাক, একটা পাখিও ঢুকতে পারবে না।

এদিন কোচবিহার ও ঠাকুরনগরের জনসভায় দাঁড়িয়ে অমিত শাহ জনতার উদ্দেশে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, ‘অনুপ্রবেশ নিয়ে আপনারা কি বিরক্ত নন? আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি আদৌ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পারবেন?’

বিজেপি নেতার কথায়, ‘রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তন হলেই কেবল অনুপ্রবেশ বন্ধ হবে। দেখবেন, বিজেপি সরকার গড়লে সীমান্ত দিয়ে মানুষ দূরে থাক, একটা পাখিও ঢুকতে পারবে না।’

মজার বিষয় হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে দাঁড়িয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন এ কথা বলছেন, ঠিক তার আগের দিনই তার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেই ভারতীয় সংসদে লিখিত জবাবে জানানো হয়েছে, ২০১৬ সালের তুলনায় পরের পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের ঘটনা ব্যাপকভাবে কমেছে।

রাজ্যসভার সদস্য মানস রঞ্জন ভুইঁয়া প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানিয়েছিল ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তৃণমূল কংগ্রেসের এ নেতার মতে, বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ নিয়ে অমিত শাহের বক্তব্য পুরোটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সীমান্তে বেড়া দেওয়ার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের, সেই কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে। তাছাড়া অন্য দেশ থেকে যারা অবৈধভাবে ভারতে ঢুকবে, তাদের ওপর নজরদারি করা বা বাধা দেওয়ার কথা বিএসএফের- যা কেন্দ্রীয় সরকারের বাহিনী। তাহলে তারা কীভাবে অনুপ্রবেশের জন্য মমতা সরকারের ঘাড়ে দোষ চাপান?’

মানস রঞ্জন ভুইঁয়ার কথায়, ‘ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারই বলেছে, বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ কমে গেছে। তারপরও এসব কথা বলার মানে রাজনীতির জন্য রাজনীতি করা বা শুধু বলার জন্যই বলা।’

অনেকটা একই মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদেরও। তাদের অনেকে মনে করছেন, বিজেপি আসলে কথিত অনুপ্রবেশ ইস্যুর আড়ালে সাম্প্রদায়িক এজেন্ডাকেই সামনে আনার চেষ্টা করছে।

ভারতের প্রবীণ রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার সাবেক সাংবাদিক শিখা মুখোপাধ্যায়ের কথায়, ‘অনুপ্রবেশের নাম করে বিজেপি আসলে এটাই বলতে চায়, বাংলাদেশ থেকে দলে দলে মুসলিমরা এসে পশ্চিমবঙ্গে কোনোভাবে হয়তো হিন্দুদের সংখ্যালঘু বানিয়ে দেবে। এটা একটা সাম্প্রদায়িক বিভাজনের বক্তব্য- আর এ কথাটা যেন বলা যায়, সেজন্যই অনুপ্রবেশের ইস্যুকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।’

সূত্র: বিবিসি বাংলা

ছিলেন চা বিক্রেতা, কাউন্সিলর হয়েও ছাড়েননি পেশা।

জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে যাওয়ার পর জনসাধারণের মাঝে সার্বক্ষণিক মিশে থাকার ঘটনা খুব একটা চোখে পড়ে না। কেবল নাটক, সিনেমা, গল্পে বা বিজ্ঞাপনে চোখে পড়ে এমন দৃশ্য। কিন্তু এমন ঘটনা বাস্তবেও দেখা যায় টাঙ্গাইলের

মির্জাপুরে। আবদুর রাজ্জাক চায়ের দোকানদার থেকে ওয়ার্ড কাউন্সিলর হওয়ার পরও ছেড়ে দেননি পৈতৃক সূত্রে পাওয়া পেশা। জনসাধারণও ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিষয়টি।

সাধারণ চোখে দেখে মনে হবে একজন দোকানি চা সরবরাহ করছেন জনগণকে। কিন্তু এ লোকটির আরো বড় পরিচয় আছে। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পরপর ২ বারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। তিনি আবদুর রাজ্জাক।

৭ সদস্যের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও ছোটবেলা থেকে বাবার চায়ের দোকানে বসার কারণে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের গল্পগাথা শুনেছেন খুব কাছ থেকে। তাই জনসেবার জন্য জনপ্রতিনিধি হওয়া।

কাউন্সিলর হলেও সাদামাটা জীবন যাপনে আসেনি পরিবর্তন। সময় পেলেই ঘুরে আসেন ভোটারদের বাড়ি বা কর্মস্থলে। চায়ের দোকান আয়ের মূল উৎস হলেও গবাদিপশু পালন করেন বাড়িতে। জীবনে উন্নতির পর অতীতকে ভুলে যান

অনেকেই। কিন্তু আবদুর রাজ্জাকের উঠে আসার সিঁড়িটি পরম যত্নে আঁকড়ে থাকাকে প্রশংসা করছেন এলাকাবাসী।

১৯৯৬ সালে এসএসসি পাসের পর কলেজে ভর্তি হলেও আর পড়াশোনা হয়ে ওঠেনি। তাই শিক্ষার প্রতি আলাদা দুর্বলতা তার। গত পর্বে এলাকায় শতভাগ বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়াসহ নানা উন্নয়নকাজ করেছেন।

সদা হাস্যোজ্জ্বল আব্দুর রাজ্জাক মনে করেন, জনগণের মুখপাত্র কখনই এলাকাবাসী থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন না। তার চায়ের দোকানটিতে শুধু কেনাবেচা, আড্ডাবাজি নয়। মাঝে মাঝে হয়ে ওঠে কাউন্সিলর কার্যালয়ও।

দেশে,টিকা শুরুর পর দেশে সর্বনিম্ন মৃত্যু ।

মহামারি করোনা ভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৫ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ২৫৩ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ৪০৪ জনের শরীরে। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত দাঁড়াল ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৫ জন।

শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ৪২২ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৩৯৩ জন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দেশে আরও ৪১৮ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান ৯ জন।এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০ কোটি ৭৮ লাখ ৩৮ হাজার ৫৮৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৩ লাখ ৬৩ হাজার ৫৩৬ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন সাত কোটি ৯৮ লাখ ৪৪ হাজার ১৫০ জন।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন দুই কোটি ৭৮ লাখ ৯৭ হাজার ২১৪ জন। মৃত্যু হয়েছে চার লাখ ৮৩ হাজার ২০০ জনের।আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন এক কোটি আট লাখ ৭১ হাজার ৬০ জন এবং মারা গেছেন এক লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৯ জন।আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় ৯৬ লাখ ৬২ হাজার ৩০৫ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে দুই লাখ ৩৪ হাজার ৯৪৫ জনের।আক্রান্তের দিক থেকে রাশিয়া চতুর্থ স্থানে রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪০ লাখ ১২ হাজার ৭১০ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছে ৭৮ হাজার ১৩৪ জন।আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাবে যুক্তরাজ্য বিশ্বে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩৯ লাখ ৮৫ হাজার ১৬১ জন। এর মধ্যে মারা গেছে এক লাখ ১৪ হাজার ৮৫১ জন। এদিকে আক্রান্তের তালিকায় ফ্রান্স ষষ্ঠ, স্পেন সপ্তম, ইতালি অষ্টম, তুরস্ক নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে আছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের অবস্থান ৩২তম।গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯। ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার)-এর আপডেট

দেশে,আজ চাঁদ দেখা গেলে পবিত্র শবে মি’রাজ ১০ মার্চ!

আজ ১৪৪২ হিজরির ২৯ জমাদিউল আখিরা। আজ ( শুক্রবার, ১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রজব মাসের চাঁদ দেখা গেলে আগামী ১০ মার্চ (২৬ রজব দিবাগত রাত) পালিত হবে পবিত্র শবে মি’রাজ। আজ চাঁদ দেখা না গেলে আগামী ১১ মার্চ।

(২৬ রজব দিবাগত রাত) যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে পবিত্র শবে মেরাজ।
গতকাল ১১ ফেব্রুয়ারি ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ রজব মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা ও শবে মেরাজের

তারিখ নির্ধারণে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারি জনসংযোগ কর্মকর্তা সায়লা শারমিন কর্তৃক স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১
১৪৪২ হিজরি সনের পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা ও পবিত্র শবে মি’রাজ এর তারিখ নির্ধারণ এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যা ৬.৩০ টায় (বাদ মাগরিব) ইসলামিক

ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মোঃ ফরিদুল হক খান এম.পি.।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা নিম্মোক্ত টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে অর্থবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।
টেলিফোন নম্বর : ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭।
ফ্যাক্স নম্বর : ৯৫৬৩৩৯৭ ও ৯৫৫৫৯৫১।