জন সিদ্দিক, দক্ষিণ আফ্রিকা: চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্লুমফন্টেইন ও কেপটাউনে দুই বাংলাদেশিকে টার্গেট করে গুলি করা হয়েছিল। গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মানিক নামে একজন মারা গেছেন। তার দেশের বাড়ি নোয়াখালী।
ঘটনা সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ আফ্রিকার ব্লুমফন্টেইনে বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে নয়টার সময় অজ্ঞাত ব্যক্তির গুলিতে মারাত্মকভাবে আহত হয়ে স্থানীয় একটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন আলি জামান চৌধুরী মানিক। তিনি বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) মারা গেছেন।
এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনের কায়লিসা এলাকায় সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে অজ্ঞাত ব্যক্তির গুলিতে মারাত্মকভাবে আহত হন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান। তারও দেশে বাড়ি নোয়াখালী বলে জানা গেছে।
কুয়েতের পাবলিক অথরিটি কর্তৃক জারি করা সরকারী পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে যে, ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পারমিট প্রদানের লেনদেনের সংখ্যা ৭৭ শতাংশ বেড়েেছে।
গত ৩ দিনের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদন অনুসারে জারিকৃত অনুমতিপত্রের সংখ্যা ২১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে একই মাসের সপ্তম দিনে ৩৬২ পারমিটের তুলনায় ৪৩৯ এ পৌঁছেছে।
একই সাথে শ্রমবাজার ছেড়ে যাওয়া প্রবাসী শ্রমিকের সংখ্যাও বেড়েছে, কারণ ১২ জানুয়ারী থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়কালে ১০,৮৮০ জন প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করা হয়েছে, যা গত ৩০ দিনের পরিসংখ্যান।
পরিসংখ্যান অনুসারে, এটি স্পষ্ট যে এই সময়ের মধ্যে বাজার ছেড়ে যাওয়া প্রবাসী শ্রমিকের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল হয়, প্রতিদিন ৩৬৩ জনের। সুত্রঃ আল আনবা।
মহামারি করোনা ভাইরাসে আগের দিনের তুলনায় মৃত্যু সামান্য বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৯ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ২৪৮ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ৪১৮ জনের শরীরে। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত দাঁড়াল ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩১ জন।
বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ৬৮১ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৮৫ হাজার ৯৭১ জন।
এর আগে বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দেশে আরও ৩৮৮ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান ১০ জন।
এদিকে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০ কোটি ৭৮ লাখ ৩৮ হাজার ৫৮৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৩ লাখ ৬৩ হাজার ৫৩৬ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন সাত কোটি ৯৮ লাখ ৪৪ হাজার ১৫০ জন।করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন দুই কোটি ৭৮ লাখ ৯৭ হাজার ২১৪ জন। মৃত্যু হয়েছে চার লাখ ৮৩ হাজার ২০০ জনের।আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন এক কোটি আট লাখ ৭১ হাজার ৬০ জন এবং মারা গেছেন এক লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৯ জন।আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় ৯৬ লাখ ৬২ হাজার ৩০৫ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে দুই লাখ ৩৪ হাজার ৯৪৫ জনের।আক্রান্তের দিক থেকে রাশিয়া চতুর্থ স্থানে রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪০ লাখ ১২ হাজার ৭১০ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছে ৭৮ হাজার ১৩৪ জন।আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাবে যুক্তরাজ্য বিশ্বে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩৯ লাখ ৮৫ হাজার ১৬১ জন। এর মধ্যে মারা গেছে এক লাখ ১৪ হাজার ৮৫১ জন। এদিকে আক্রান্তের তালিকায় ফ্রান্স ষষ্ঠ, স্পেন সপ্তম, ইতালি অষ্টম, তুরস্ক নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে আছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের অবস্থান ৩২তম।গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯। ১১ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার)-এর
কুয়েতে আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ছুটিতে যাওয়া সকল বিমান যাত্রীদের ৭ দিনের জন্য হোটেল বুকিং কনফার্ম করার প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে, যাতে কুয়েতে ফেরত আসার পর কোয়ারেন্টিনে থাকতে পারে।
আজ বৃহস্পতিবার আল কাবাস পত্রিকার বরাত দিয়ে কুয়েত টাইমস বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বেসামরিক বিমান পরিবহন অধিদফতরের এক আধিকারিকের কথা অনুযায়ী, তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে কুয়েত টাইমসকে বলেন, সমস্ত প্রবাসী যাত্রী ও নাগরিক সকলে কুয়েত ত্যাগের সময় সাত দিনের জন্য হোটেল বুকিং দেওয়া উচিৎ, যাতে তাদের ফিরে আসার পরে প্রাতিষ্ঠানিক পৃথকীকরণ সম্পন্ন করতে পারেন।
“এই নিয়মটি কুয়েত ছেড়ে যাওয়া সমস্ত যাত্রীদের ক্ষেত্রেই প্রয়োগ করা হবে, তাদের রাউন্ড-ট্রিপ টিকিট বা একমুখী টিকিট থাকুক না কেন।
এমনকি যাত্রী তাদের সঠিক ফেরতের তারিখ সম্পর্কে নিশ্চিত না হলেও তাদের এখনও একটি হোটেল বুকিং থাকা উচিত।
পরে তাদের ফেরতের তারিখ অনুসারে বুকিং পরিবর্তন করা যেতে পারে।
এই কর্মকর্তা কুয়েত টাইমসকে জানিয়েছেন যে, এই নিয়ম তাদের জন্য প্রযোজ্য হবে না যারা কুয়েতে তাদের একামা বাতিল করেছেন এবং দেশ ত্যাগ করছেন।
ডিজিসিএর মুখপাত্র সাদ আল ওতাইবি আল-কাবাস আরবি প্রতিদিনকে বলেছেন, কুয়েত মোসফার অ্যাপটিতে নিবন্ধের মাধ্যমে নিজস্ব ব্যয়ে আগত সকলে স্থানীয় হোটেলগুলিতে সাত দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন প্রয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠক করা হচ্ছে এবং বাকি সাত দিন নিজ বাসায় কোয়ারান্টিনে থাকতে হবে।
মিঃ ওতাবি বলেছিলেন যে, কোন নাগরিক বা প্রবাসী কুয়েতে হোটেলগুলিতে পৃথক পৃথক স্থান বাছাই করে এবং বুকিং দেওয়ার পরে এবং পুরো মূল্য পরিশোধ করার আগে পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারবেন না, যাহা ফেরতযোগ্য নয়।
মিঃ ওতাবি বলেন, প্রবীণ যাত্রীদের প্রাতিষ্ঠানিক পৃথকীকরণ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়ে এখনও আলোচনা চলছে।
কুয়েতের বিমানবন্দর বিষয়ক সুপ্রীম কমিটি আগামী ২১ ফেব্রুয়ারী থেকে বা আরো পরে বাণিজ্যিক বিমানের ফিরতি ফ্লাইট চালু করার জন্য কাজ করছে।
চলছে বিয়ের মৌসুম। করোনাকালেই কোভিড-১৯ বিধি মেনে বিভিন্ন জায়গায় আয়োজিত হচ্ছে অনুষ্ঠান। বিয়েবাড়ি মানেই সেখানে ঘটবে নানান মজার ঘটনা। ওইসব ঘটনা আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হতেও সময় নেয় না। সম্প্রতি নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সে রকমই একটি ছবি।
ভাইরাল ওই ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে, ফুলশয্যার দিন রীতিমতো সাজগোজ করে খাটে বসে রয়েছেন কনে। অন্যদিকে, কম্পিউটারের সামনে বসে রয়েছেন বর। মাথার টোপরটিও পর্যন্ত খোলেননি। কিন্তু কী করছেন তিনি? সেই নিয়েই অনেকে কৌতূহল প্রকাশ করতে থাকেন। এরপরই ছবিটি নিয়ে মিম তৈরি হয়। এক নেটিজেন টুইট করে লেখেন, ‘একটু অপেক্ষা করো, আমি ইন্টারনেটে কী কী সার্চ করেছি, সেগুলো মুছে ফেলি আগে।’ কেউ আবার টুইট করেন, ‘একটু অপেক্ষা করো, টুইটারের নোটিফিকেশন এসেছে।’
ইতোমধ্যে অনেকেই ছবিটি শেয়ার করেছেন। প্রত্যেকেই ছবিটির সঙ্গে নিজের মতো করে বক্তব্য রেখেছেন।
সম্প্রতি বিয়ের অনুষ্ঠানের আরও একটি ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। যেখানে বিয়ের অনুষ্ঠানের পর বর-কনের ছবি তুলছিলেন এক ক্যামেরাম্যান। কিছুক্ষণ পরই তিনি বরকে সরিয়ে কেবল কনের ছবি তুলতে থাকেন। এরপর ছবি তুলতে তুলতে হঠাৎ করে কনের অনেকটা কাছেও চলে যান ওই ক্যামেরাম্যান। যারপর আচমকাই বর ওই ক্যামেরাম্যানকে পেছন থেকে চড় মারেন। যা দেখে আবার হাসতে শুরু করে দেন খোদ কনে। হাসতে হাসতে মাটিতেই বসে পড়েন তিনি। সেই ঘটনার পর আবার এই ছবিটিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
সৌদি আরবের মদিনায় একটি সোফা কারখানায় আগুন লেগে ৯ জন বাংলাদেশী প্রবাসী কর্মী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে আগুনের সূত্রপাত হয়। দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।
সৌদি আরবের মদিনায় একটি সোফা কারখানায় আগুন লেগে যায়। এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন ৯ জন বাংলাদেশী প্রবাসী। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জানা যায়, মদিনার রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা বার্মা কলোনির একটি সোফা কারখানাতে এই আগুনের ঘটনা ঘটে। কারখানার মালিকও একজন বার্মিজ নাগরিক । ঘটনার সময় সোফা কারখানার এই ৯ জন কর্মীর সকলেই কারখানার ভেতরে ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। আগুন লাগার এক পর্যায়ে তারা জেগে উঠেন। ততক্ষণে আগুন ভয়াবহ রূপে ছড়িয়ে পড়ে। কারখানা থেকে বের হবার পথও আগুনের কবলে বন্ধ হয়ে যায। ৯ জন মানুষ ভেতরেই প্রাণ হারান।
নিহত বাংলাদেশী প্রবাসীদের সকলেই চট্টগ্রামের বাসিন্দা। কক্সবাজার নিবাসী ২ জন, মহেশখালী নিবাসী ৩ জন, রামুর ১ জন, এবং টেকনাফের ৩ জন ছিলেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
দুর্ঘটনাকবলিত কারখানাটির নাম, এবং এই দুর্ঘটনায় নিহত হওয়া বাংলাদেশী প্রবাসীদের পূর্ণ নাম ও ঠিকানা জানামাত্রই এই সংবাদে সংযুক্ত করা হবে।
ইরান সমর্থিত হুতি মিলিশিয়াদের ছোড়া মিসাইলে সৌদি আরবের আবহা বিমানবন্দরে এক যাত্রীবাহী বিমানে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ইয়ামেনের সীমান্তবর্তী আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১০ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) এই হামলা চালায় হুতি মিলিশিয়া বাহিনী। যাত্রীবাহী বিমানে এধরণের হামলাকে যুদ্ধপরাধ বলে আখ্যায়িত করেছে সৌদি জোট।
হুতি মিসাইলে আবহা বিমানবন্দরে যাত্রীবাহী বিমানে আগুন। আজ ১০ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) ইরান সমির্থিত হুতি মিলিশিয়া বাহিনীর ছোড়া মিসাইলে আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীবাহী এক বিমানে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
এই হামলা সম্পর্কে সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ১০ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) ইরান-সমর্থিত হুতি মিলিশিয়া বাহিনী দ্বারা পরিচালিত সন্ত্রাসী হামলায় আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি যাত্রীবাহী বিমান আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।
তবে বিবৃতিতে আরো বলা হয়, যাত্রীবাহী বিমানটির আগুন নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীবাহী বিমানে চালানো এই হামলাটিকে যুদ্ধাপরাধ বলে আখ্যায়িত করেছে সৌদি সমর্থিত জোট । চুক্তি অনুযায়ী বেসামরিক লোক ও স্থাপনা লক্ষ্য করে এই ধরনের হামলা নিষিদ্ধ ছিল ।
সৌদি প্রেস এজেন্সির ঐ বিবৃতিতে আরব কোয়ালিশনের উদ্ধৃত দিয়ে আরো লেখা হয়েছে, “আমরা হুতিদের হুমকির হাত থেকে সকল নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নিচ্ছি।
এর আগে, ৯ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) সৌদি প্রেস এজেন্সিতে প্রকাশিত এক খবরে জানা যায়, সৌদি আরব জোট বাহিনী হুতি বিদ্রোহীদের সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে চালিত দুটি সশস্ত্র ড্রোনকে বাধা দিয়েছে এবং ধ্বংস করেছে ।
সম্প্রতি গত কয়েক মাস যাবত হুতি বাহিনী সৌদি আরবের বিরুদ্ধে আক্রমণ তীব্র করেছে । চলতি সাপ্তাহের রবিবারেও চারটি বিস্ফোরকবাহী হুতি ড্রোন সৌদি আরবের দিকে নিক্ষেপ করা হয়েছিল এবং সবগুলোই সৌদি জোট সফলতার সাথে ধ্বংস করে দেয়। সাম্প্রতিক সময়ে হুতিদের চালিত অধিকাংশ হামলাই সফলতার সাথে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছে সৌদি সমর্থিত জোটের বাহিনী ।তবে এর মাঝে বিচ্ছিন্ন কিছু হামলা সফলভাবে পরিচালিত করতে সক্ষম হয়েছে হুতি বিদ্রোহীরা । তবে সৌদি জোট বরাবরই জানিয়ে আসছে হুতিদের হামলা প্রতিরোধ করার সক্ষমতা তাদের রয়েছে এবং সৌদি আরবের জনগণের নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত হবার কিছু নেই ।
উল্লেখ্য, ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা ২০১৪ সালের শেষ দিকে ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত সরকারকে উচ্ছেদ করে রাজধানী সানাসহ দেশের অধিকাংশ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। এরপর ২০১৫ সালের প্রথমদিকে দেশটির গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী।
এরপর, বিবাদমান পক্ষগুলোকে নিয়ে শান্তি আলোচনার মাধ্যমে ইয়েমেন যুদ্ধ শেষ করার চেষ্টা করছে জাতিসংঘ। কিন্তু ২০১৮ সালের শেষ দিক থেকে শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে আছে।
হুতিরা এখনও সানাসহ ইয়েমেনের অধিকাংশ বড় নগরগুলোর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। সৌদি জোট বাহিনী উল্লেখযোগ্য সফলতা না পাওয়ায় প্রায় দুই বছর ধরে যুদ্ধে অচলাবস্থা বিরাজ করছে।
মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে ইয়েমেনের সংঘাতকে বহুলভাবে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে চলা ছায়া যুদ্ধ হিসেবে দেখা হয়। তবে তারা তেহরানের নির্দেশে চলে না বরং একটি দুর্নীতিগ্রস্ত পদ্ধতির বিরুদ্ধে লড়াই করছে বলে দাবি করে হুতিরা।
এই যুদ্ধ ও অবরোধের ফলে ইয়েমেন প্রায় দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে আছে। দেশটির ৮০ শতাংশ লোকের জরুরি সহায়তা প্রয়োজন। এর আগে,যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে হুতিদের সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাব তোলা হয়েছিল । তবে বিভিন্ন কারণে তা এখনো ঘোষণা করা হয়নি।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইয়েমেনে বেশকিছুদিন যাবত গৃহযুদ্ধ চলছে। হুতি বিদ্রোহীরা ২০১৪ সালে রাজধানী সানার নিয়ন্ত্রণ নেন। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের প্রেসিডেন্ট মনসুর হাদির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে হুতি বাহিনী। মনসুর হাদির পক্ষে হুতিদের বিরুদ্ধে ইয়েমেনে অভিযান চালাচ্ছে সৌদি আরব। সমর্থন দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রও। অন্যদিকে ইরান হুতি বিদ্রোহীদের সহায়তা করছে। যদিও তেহরান সরাসরি বিষয়টি স্বীকার করে না।