ক্যাটাগরি Uncategorized

যুক্তরাজ্যে মুসলিম কাউন্সিলের প্রথম নারী প্রধান হলেন জারা মোহাম্মদ।

যুক্তরাজ্যে মুসলিম কাউন্সিলের (এমসিবি) প্রথম নারী প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জারা মোহাম্মদ।

আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) এমসিবি জারা মোহাম্মদকে সংস্থাটির মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত করেছে। খবর আনাদোলুর।

চলতি সপ্তাহে মহাসচিব নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হইয়েছে। এতে জনপ্রিয় ইমাম ও বক্তা আজমল মসরুরকে হারিয়ে মহাসচিব নির্বাচিত হলেন জারা মোহাম্মদ।

মহাসচিব নির্বাচিত হয়ে জারা মোহাম্মদ বলেন, ব্রিটেনের মুসলমানের কল্যাণে কাজ করাই হবে আমার একমাত্র লক্ষ্য।

জারা মোহাম্মদ আরও বলেন, আমাকে দেখে অনেক তরুণী এগিয়ে আসবে, নেতৃত্বের প্রতি অনুপ্রাণিত হবে। তারা

আমাদের সংগঠন ও সমাজের ভবিষ্যৎ।মানবাধিকার বিষয়ে পড়াশোনা করা গ্লাসগোর বাসিন্দা ২৯ বছর বয়সী তরুণী জারা

মোহাম্মদ হারুন খানের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। এর আগে এমসিবির মহাসচিব হিসেবে সাড়ে চার বছর দায়িত্ব পালন করেন হারুন খান।

কুয়েত সহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম দেশ গুলো যেমন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান ও সৌদি আরবে দক্ষ চালক পাঠাতে নতুন উদ্যোগ, দাল্লাহ আল বাকারার সঙ্গে আলোচনা।

বাংলাদেশের ৬১টি জেলার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে দক্ষ/অভিজ্ঞ চালক তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ‘যানবাহন চালনা প্রশিক্ষণ’ নামক প্রকল্পের আওতায় এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আগামী বুধবার ঢাকার শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠেয় একনেক বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এসব চালকদের পরীক্ষা এবং লাইসেন্স প্রদানের জন্য সৌদি আরবের দাল্লাহ আল বাকারা কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা চলছে। কোম্পানিটি বাংলাদেশি চালকদের প্রশিক্ষণ শেষে পরীক্ষা নেবে এবং লাইসেন্স দেবে।

সৌদি আরবের বাসাবাড়িতে প্রায় এক লাখ দক্ষ গাড়ি চালকের কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশেও বাংলাদেশি দক্ষ চালকের চাহিদা রয়েছে।

সৌদির দাল্লাহ আল বাকারা ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়ার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান। লাইসেন্স পাওয়ার পর চালকরা পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী তেলসমৃদ্ধ জিসিসিভুক্ত (গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিল) দেশে ড্রাইভিং পেশায় কাজ করতে পারবেন। জিসিসিভুক্ত দেশগুলো হলো- বাহরাইন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান ও কুয়েত।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১০৬ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে যুব উন্নয়ন অধিদফতর। ৮টি বিভাগের ৪০টি জেলায় প্রকল্পটি চলতি সময় থেকে ২০২৩ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়ন করা হবে।

এ প্রকল্পের আওতায় দেশে পরিবহন খাতের জন্য দক্ষ গাড়ি চালক তৈরি করা, বেকার যুবকদের জন্য পরিবহন খাতে কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা ও যুবকদের দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করাও অন্যতম উদ্দেশ্য।

এদিকে যুব উন্নয়ন অধিদফতর জানায়, ৪০ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ, ৮০টি যানবাহন, ৪৩টি কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম কেনা, ৪০৫টি অফিস সরঞ্জাম, ৪ হাজার ৭০৮টি আসবাবপত্রসহ প্রশিক্ষণ যন্ত্রপাতি কেনা হবে।

প্রশিক্ষণ ও চাকরি বাজারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন এবং যুব সমাজকে যুব সম্পদে রূপান্তরের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি মাথায় রেখে প্রকল্পটি নেয়া হচ্ছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (যুব) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, দেশে বিদেশে অনেক দক্ষ চালক প্রয়োজন। তাদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়েই এই প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। প্রকল্পটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষ গাড়ি চালক তৈরি হবে। দক্ষ গাড়িচালক বিদেশে কর্মরত হলে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতেও তারা প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করবে।সূত্র : ডেইলি বাংলাদেশ

কুয়েতে করোনায় আরো ৫৮৬ জন শনাক্ত’ সুস্থ ৫৪৫ জন’।

কুয়েতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছে কুয়েতি ও প্রবাসীসহ ৫৮৬ জন, সুস্থ হয়েছে ৫৪৫ জন এবং মৃত্যু নেই।

মোট আক্রান্ত হয়েছে ১৬৫,৮৪৩ জন।
মোট মৃতের সংখ্য ৯৫৯ জন।
মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫৮,৪৭৬ জন।

আজ সোমবার বিকেলে নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংএ বিষয়টি নিশ্চিত করা হয় ।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনা টেস্ট করা হয়েছে ৮,৬৮১ জনকে, মোট টেস্টের সংখ্যা ১৫২৮,২৬২ জন ।

নিয়মিত চিকিৎসাধীন আছে ৬,৪০৮ জন এবং আইসিইঊতে আছেন ৫৪ জন ।

আজ পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব হিজাব দিবস।

মুসলিম নারীদের একটি বিশেষ পোশাক হিজাব। একই সাথে এটি ইসলামী সংস্কৃতি ও সভ্যতারও প্রতীক। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে নিজেদের সম্মান এবং মর্যাদা রক্ষার মাধ্যম হিসেবে মুসলিম বিশ্বে এই পোশাকটির রয়েছে বিশেষ পরিচিতি। সেক্যুলারিজম প্রসার পাওয়া সত্ত্বেও বিশ্বজুড়ে হিজাব পরিহিত নারীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। রুচির সাথে মানানসই অথচ মার্জিত ও শালীন পোশাক হিসেবে পরিচিতি পাওয়ায় হিজাবের প্রতি রয়েছে নারীদের ব্যাপক সমর্থন ও আকর্ষণ।

এ হিজাবকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য এবং পর্দার ব্যাপারে ইসলামী বিধান অনুসরণকারী সব মুসলিম নারীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য গত ৬ বছর ধরে নিউ ইয়র্কে নানা রকমের কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব হিজাব দিবস’। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার নিউ ইয়র্কে পালিত ‘বিশ্ব হিজাব দিবস’। এবারের হিজাব দিবসের স্লোগান ‘হিজাব ইজ মাই ফ্রিডম’, ‘হিজাব ইজ মাই প্রটেকশন’, ‘হিজাব ইজ মাই চয়েস’, ‘হিজাব ইজ মাই কভার’ ইত্যাদি।

হিজাব দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সিটি হল প্রাঙ্গণে হিজাব পরিহিতা নারীরা দুপুর ১২টায় জড়ো হবেন। সেখানে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে হিজাববিরোধী মনোভাব পরিহার, ধর্ম ও জাতিগত বিদ্বেষমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হবে।

হিজাব দিবস পালনের অন্যতম সংগঠক বাংলাদেশী অ্যাক্টিভিস্ট মাজেদা জানান, কয়েক বছর আগে নাজমা খান নামক এক বাংলাদেশী ছাত্রী পোশাকের কারণে জ্যামাইকায় আক্রান্ত হন। ওই ঘটনার প্রতিবাদ, নিন্দা এবং সর্বসাধারণকে সচেতন করার জন্য হিজাব দিবস পালন শুরু হয়। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত একই চেতনায় দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। কারণ এখনো বিশ্বে ধর্মীয় পোশাক, জাতিগত কারণে বৈষম্যের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।

মাজেদা আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান প্রদত্ত অধিকার খর্ব করার বিরুদ্ধে নীরবতা অবলম্বনের সুযোগ নেই। ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। হিজাব দিবসে সে সুযোগ দেয় সব অধিকার সচেতন মানুষকে। আপনি কোন ধর্মের, বর্ণের বা গোত্রের, সেটি বড় কথা নয়, আপনি একজন মানুষ এ চেতনায় জড়ো হন হিজাব দিবসের কর্মসূচিতে।

হিজাব দিবসের সাথে ইতোমধ্যে সংহতি প্রকাশ করেছেন ৪৫টি দেশের ৭০ জনের অধিক রাষ্ট্রদূত, খ্যাতনামা রাজনীতিক ও স্কলারসহ টাইম ম্যাগাজিন, সিএনএনের মতো বিশ্বখ্যাত গণমাধ্যম। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ওয়ার্ল্ড হিজাবডে ডট কম পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায়, শতকরা ৯৪ ভাগ নারী হিজাবে নিজেদেরকে নিপীড়িত মনে করেন না। শতকরা ৯৩ ভাগ নারী মনে করেন তাদের ওপর হিজাব চাপিয়ে দেয়া হয়নি। সুত্র: নয়া দিগন্ত”

যে কারণে হঠাৎ করে সু চিকে আটক করলো মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট, ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) নেত্রী অং সান সু চিসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদের আটক করা হয়েছে। সোমবার ভোরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা নেতাদের বাসায় বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের তুলে নিয়ে যায়। গত বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর আজ দেশটিতে নতুন পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন বসার আগমুহূর্তে ক্ষমতাসীন নেতাদের আটক করা হল। খবর এএফপি, আলজাজিরা ও বিবিসির।

যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চিসহ আটক সব নেতার মুক্তি জানিয়েছে। সেই সঙ্গে সেনা অভ্যুত্থানের নিন্দা জানিয়েছে। অস্ট্রেলিয়াও সেনবাহিনীর ক্ষমতা দখলের প্রতিবাদ জানিয়েছে। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী

বেসামরিক সরকারের কাছ থেকে ক্ষমতা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা দেশব্যাপী।

সু চিসহ দেশটির জ্যেষ্ঠ নেতাদের আটকের কারণ হিসেবে সেনাবাহিনী ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ‘কারচুপির অভিযোগকে’ সামনে এনেছে। গত বছরের ৮ নভেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে সু চির দল এনএলডি ভূমিধ্বস জয় পায়।

পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য যেখানে ৩২২টি আসনই যথেষ্ট, সেখানে এনএলডি পেয়েছে ৩৪৬টি আসন।

কিন্তু সেনাবাহিনী সমর্থিত দল ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি) ভোটে প্রতারণার অভিযোগ তুলে ফল মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। দলটি নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের দাবি তোলে। তারপর থেকেই দেশটিতে ফের সামরিক অভ্যুত্থানের আশঙ্কা করা হচ্ছিল। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, নভেম্বরের নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় সোমবার

দেশটিতে নতুন পার্লামেন্টের অধিবেশন বসার কথা ছিল। কিন্তু সেনাবাহিনী এই অধিবেশন স্থগিতের দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতাসীন এনএলডি পার্লামেন্ট অধিবেশন শুরু করার বিষয়ে প্রত্যয়ী ছিল। এ কারণে ভোরের আলো দেখার আগেই নেতাদের আটক করা হল।

সামরিক বাহিনী পরিচালিত টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভিডিও ভাষণে বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিং অং হ্লাইংয়ের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি এক বছর ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন। আর সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মিন্ট সুয়েকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

দেশটির বেসামরিক সরকার ও প্রভাবশালী সামরিক বাহিনীর মধ্যে কয়েকদিন ধরে দ্বন্দ্ব ও উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে এসব ঘটনা ঘটল। এনএলডির মুখপাত্র মিও নয়েন্ট বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী সু চি, প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট ও দলের অন্যান্য নেতাদের সোমবার ভোরে বাসা থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে। এনএলডির মুখপাত্র মিও নয়েন্ত নিজেও গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এনএলডির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হান থার মিন্টকেও আটক করা হয়েছে। সৈন্যরা দেশের বিভিন্ন প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর বাসায় গিয়ে তাদের আটক করে নিয়ে যায় বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, রাজধানী নেইপিদো ও প্রধান শহর ইয়াঙ্গুনের সড়কে তারা সেনাবাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখেছেন।

প্রধান প্রধান শহরগুলোতে মোবাইল ইন্টারনেট এবং কিছে টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম এমআরটিভি জানিয়েছে যে তারা কিছু কারিগরি সমস্যার মুখে পড়েছে এবং তাদের সম্প্রচার বন্ধ রয়েছে। মিয়ানমারে ২০১১ সাল পর্যন্ত সামরিক জান্তা ক্ষমতায় ছিল। জান্তা শাসনের সময় সু চি অনেক বছর ধরে গৃহবন্দী ছিলেন। পরের নির্বাচনে এনএলডির সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন সু চি।

দেশে,টিকা শুরুর ষষ্ঠ দিনে কমল মৃত্যু।

দেশে করোনাভাইরাসের টিকা শুরুর ষষ্ঠ দিনে কমেছে মৃত্যু। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৮ হাজার ১৩৭ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪৪৩ জনের শরীরে। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত দাঁড়াল ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫৮২ জন।

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন ৪৭২ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৮০ হাজার ২১৬ জন।

এর আগে রোববার (৩১ জানুয়ারি) দেশে আরও ৩৬৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান ১৬ জন।এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০ কোটি ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ২৯৭ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২২ লাখ ৩৭ হাজার ২৫২ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন সাত কোটি ৫১ লাখ ১৬ হাজার ৭৪ জন।করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন দুই কোটি ৬৭ লাখ ৬৭ হাজার ২২৯ জন। মৃত্যু হয়েছে চার লাখ ৫২ হাজার ২৭৯ জনের।আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন এক কোটি সাত লাখ ৫৮ হাজার ৬১৯ জন এবং মারা গেছেন এক লাখ ৫৪ হাজার ৪২৮ জন।আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় ৯২ লাখ ৪ হাজার ৭৩১ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে দুই লাখ ২৪ হাজার ৫৩৪ জনের।আক্রান্তের দিক থেকে রাশিয়া চতুর্থ স্থানে রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮ লাখ ৫০ হাজার ৪৩৯ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছে ৭৩ হাজার ১৮২ জন।আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসেবে যুক্তরাজ্য বিশ্বে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩৮ লাখ ১৭ হাজার ১৭৬ জন। এর মধ্যে মারা গেছে এক লাখ ছয় হাজার ১৫৮ জন। এদিকে আক্রান্তের তালিকায় ফ্রান্স ষষ্ঠ, স্পেন সপ্তম, ইতালি অষ্টম, তুরস্ক নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে আছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের অবস্থান ২৭তম।গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।১ ফেব্রুয়ারি (সোমবার)-এর আপডেট

সূ চি গ্রেফতারে মিয়ানমারে আনন্দ মিছিল।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর হাতে দেশটির স্টেট কাউন্সিলর অং সান সূ চি গ্রেফতারে আনন্দ মিছিল বের করেছেন সেনা সমর্থিত বাসিন্দরা।

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) মিয়ানমারের ইয়াঙ্গনে সেনা অভ্যুত্থানের সমর্থনে উল্লাস করেছে স্ব-ঘোষিত কিছু জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীর সদস্যরা। তারা সুয়েডাগন প্যাগোডার বাইরে শহীদদের সমাধিস্থলের কাছে গান গেয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন।উল্লাসকারীদের একজনের বরাত দিয়ে মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি জানায়, উল্লাস উদযাপনের অংশ হিসেবে তারা শহরের অন্য স্থানগুলোতেও যাবে। গত তিনদিন ধরে জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীর সদস্যরা সামরিক বাহিনীর সমর্থনে ইয়াঙ্গনের বিভিন্ন স্থানে প্রচারণা চালিয়ে আসছিল।

সূ চি-কে আটকের ঘটনায় শুধু ইয়াঙ্গুনে নয় অন্যান্য জায়গা থেকেও মিছিলের খবর আসছে। ছোট ছোট ট্রাকে করে রাজপথে আনন্দ মিছিল করে নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানান তারা।একই দিন ভোরে দেশটির প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট ও ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী অং সান সু চিসহ দলের শীর্ষ নেতাদের আটক করে সেনাবাহিনী।  বছরের ৮ নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসির (এনএলডি) বড় জয় পায়। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৩২২টি আসন, যদিও এনএলডি ৩৪৬টি পায়। এদিন নবনির্বাচিত সংসদের প্রথম অধিবেশন হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই সেনাবাহিনী ক্ষমতা নিজেদের পক্ষে নিল।

সেনাবাহিনীর হাতে আটক হলেন মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচি।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন বিতর্কিত নেত্রী অং সান সুচি।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম রয়টার্স জানান, আজ সোমবার (১ ফেব্রুয়ারী) দেশটির প্রেসিডেন্ট ও শীর্ষ নেতাদের আটক করা হয়।

রাজধানী নেপিদোতে টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ। রাজধানীসহ মিয়ানমারের গুরুত্বপূর্ণ শহরে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

আল জাজিরা বলেছে, তাদের সংবাদদাতা চেষ্টা করছে বিষয়টি জানতে, তবে সেনাবাহিনীর টইল আর অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজমান রয়েছে মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোতে। #ফাইল ছবি।

কুয়েতে দণ্ডিত এমপি পাপুলের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ১০ মার্চ।

বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগে করা মামলায় লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম ওরফে পাপুল ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্যসহ আটজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়েছে। গতকাল রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরীর আদালত এ জন্য ১০ মার্চ দিন ধার্য করেছেন।

গত ৬ জুন থেকে কুয়েতে আটক পাপুলকে গত বৃহস্পতিবার মানবপাচারের দায়ে চার বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। সেখানে তাঁর বিরুদ্ধে মুদ্রাপাচারের অভিযোগের বিচার এখনো শেষ হয়নি।

অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগে করা মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন পাপুলের শ্যালিকা জেসমিন প্রধান, মেয়ে ওয়াফা ইসলাম, ভাই কাজী বদরুল আলম লিটন, পাপুলের ব্যক্তিগত কর্মচারী মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান মনির, জব ব্যাংক ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজার গোলাম মোস্তফা ও জেসমিন প্রধানের মালিকানাধীন কম্পানি জেডাব্লিউ লীলাবালী।

গত ২২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন থানায় অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সহকারী পুলিশ সুপার (অর্গানাইজ ক্রাইম) আলামিন এই মামলা করেন। এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা মানবপাচারকারী চক্র। তাঁরা বিভিন্ন সময় ৩৮ কোটি ২৩ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৭ টাকা অবৈধভাবে আয় করেছেন। এর আগে গত ১১ নভেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ পাপুল, তাঁর স্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি সেলিনা ইসলাম, শ্যালিকা জেসমিন প্রধান ও মেয়ে ওয়াফা ইসলামের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করা হয়। এ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য রয়েছে।

#সুত্র: কালের কন্ঠ”

সন্তানদের পড়ালেখার খরচ জোগাতে রাস্তায় ঘুরে ঘুরে খদ্দর খোঁজে সুমাইয়া।

রাজধানী মিরপুরের একটি গার্মেন্টসে অপারেটর হিসেবে চাকরি করতেন এক না’রী। ক’রোনায় লকডাউনের সময় অন্যদের মতো চাকরি হা’রান তিনিও। চাকরি হা’রিয়ে এক সময় দি’শেহা’রা হয়ে পড়েন। স্বা’মী ছে’ড়ে যাওয়ায় দুই স’ন্তান নিয়ে মা’নবেতর জী’বনযাপন করছিলেন।

স’ন্তানদের মুখে দুমুঠো ভাত তু’লে দিতে পরিচিত এক না’রীর মাধ্যমে যৌ’ ০নক’র্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন। আর তখন থেকে শুরু হয় দিন-রাত রৌদ্র, বৃষ্টি ও তীব্র শীতে রাস্তায় ঘুরে ঘুরে খদ্দর খোঁজা। রবিবার সন্ধ্যায় জাতীয় সং’সদ ভবনের পাশে ইত্তেফাক অনলাইনের সঙ্গে তার জীবনের গল্প বলেছিলেন ৩৫ বয়সের সুমাইয়া আক্তার (ছদ্মনাম)।

সুমাইয়া আক্তার জানান, অল্প বয়সেই তিনি মা’কে হা’রান। বাবা দ্বিতীয় বি’য়ে করলে স’ইতে হয় সৎ মা’য়ের গঞ্জনা। মাত্র ১২ বছর বয়সে আমার চেয়ে দিগুণ বয়সী এক বাসচালকের সঙ্গে বিয়ের পিড়িতে বসতে হয়। কিছুদিন সংসার ভালো চললেও আমাকে ছে’ড়ে স্বামী’ অন্য জায়গায় বিয়ে করেন। এরই মাঝে আমাদের সংসারে আসে এক ক’ন্যা ও এক পুত্র স’ন্তান। এখন তাদের নিয়ে আমার সংসার।

তিনি জানান, যখন পেটে ভাত ছিল না- তখন সাহায্য করতে কেউ এগিয়ে আসেনি। আমি একা হলে হয়তো ক’ষ্ট করে চলতে পারতাম। দিনশেষে আমার দুইজন স’ন্তানের মুখে ভাত তুলে দিতে হয়। আমার ছেলে (৪) ঢাকার একটি নূরানি মাদরাসায় দ্বিতীয় শ্রেণিতে লেখাপড়া করেন। মে’য়ে ৯ একটি স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। তাদের পড়ালেখার খরচ আমাকে বহন করতে হয়। আমি চাইলে- আরেকটি বিয়ে করতে পারতাম, আমার বাচ্চাদের জন্য সেটা করিনি। কারণ আমি চলে গেলে তাদের আর কেউ থাকবে না। আমি তাদের আমার মতো এতিম করতে চাইনি। আমার জীবনটা ক’ষ্টের হলেও স’ন্তানদের সেটা কখনোই বুঝতে দেয় না।

তিনি অ’ভিযোগ করেন, যখন রাস্তায় দাঁড়ায় তখন পথচারী থেকে শুরু করে অনেকেই নানা মন্তব্য করে। পুলিশে এসে দৌঁ’ড়ানি দেয়। প্রথম দিকে খা’রাপ লাগলেও এখন সব কিছু স’হ্য হয়ে গেছে। সব কিছুতে কান দিলে স’ন্তানদের মানুষ করতে পারবো না। মাঝে মধ্যে কিছুকিছু খদ্দের খা’রাপ আ’চরণ করে, নে”শা করে গা’য়ে হাত’ তোলে। একজনের কথা বলে দুই-তিনজন কাজ করতে আসে। কিছু বলতে গেলেই অ”ত্যাচার করে, গা’লিগা’লাজ করে। মুখ বুঝে সব স’হ্য করতে হয়। কথাগুলো বলতে বলতে চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ে তার।

সুমাইয়া আক্তারের আক্ষেপ, আমরা রাস্তায় কাজ করি, খদ্দরও কম, টাকাও কম। ৩০০ টাকা উপার্জন করলে ২০০ টাকা হোটেল বিল আর দালারাই নিয়ে যায়। আমাদের আর কি থাকে? আর যদি কখনো সারারাতের ডাক আসে তখন ১ হাজার টাকা উপার্জন করলেই ৬০০ টাকা হোটেলের দা’লালরা রেখে দেয়।

প্রতিদিন তো আর খদ্দর জোটে না। একদিন পর, দুইদিন পর আবার দেখা গেছে বেশ কয়েকদিন পর্যন্ত খদ্দের পাওয়া যায় না। এছাড়া বয়স হয়ে গেলে এ পেশায় খদ্দের পাওয়া যায় না। অল্প বয়সের মে’য়েরা দেখতে সুন্দর হলে তাদের উপার্জন বেশি হয়।এ পেশায় তার দীর্ঘদিন থাকার ইচ্ছে নেই। অন্য কোনো কাজের সুযোগ পেলেই তিনি এ পেশা ছেড়ে দিবেন। পেটের দায়ে এই ঘৃ’ণিত পেশায় আসলেই স’ন্তানদের মানুষের মতো মা’নুষ করতে চান তিনি।

সূত্রঃ ইত্তেফাক