ক্যাটাগরি Uncategorized

করোনায় কমল মৃত্যু।

মহামারি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ২৩ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪৭৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা রোগী শনাক্ত হলো ৫ লাখ ৩১ হাজার ৭৯৯ জন।

রোববার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন ৫১৪ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৭৬ হাজার ৪১৩ জন।

এর আগে শনিবার দেশে আরও ৪৩৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান আরও ২২ জন।এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, রোববার (২৪ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন নয় কোটি ৯৩ লাখ ২১ হাজার ২০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২১ লাখ ৩০ হাজার ২৯৩ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন সাত কোটি ১৩ লাখ ৬৬ হাজার ৯৬৮ জন।করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন দুই কোটি ৫৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৮৯ জন। মৃত্যু হয়েছে চার লাখ ২৭ হাজার ৬৩৫ জনের।আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন এক কোটি ছয় লাখ ৫৫ হাজার ৪৩৫ জন এবং মারা গেছেন এক লাখ ৫৩ হাজার ৩৭৬ জন।আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় ৮৮ লাখ ১৬ হাজার ২৫৪ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে দুই লাখ ১৬ হাজার ৪৭৫ জনের।আক্রান্তের দিক থেকে রাশিয়া চতুর্থ স্থানে রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬ লাখ ৯৮ হাজার ২৭৩ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছে ৬৮ হাজার ৯৭১ জন।আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসেবে যুক্তরাজ্য বিশ্বে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩৬ লাখ ১৭ হাজার ৪৫৯ জন। এর মধ্যে মারা গেছে ৯৭ হাজার ৩২৯ জন। এদিকে আক্রান্তের তালিকায় ফ্রান্স ষষ্ঠ, স্পেন সপ্তম, ইতালি অষ্টম, তুরস্ক নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে আছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের অবস্থান ২৭তম।গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।২৪ জানুয়ারি (রোববার)-এর আপডেট

বাংলাদেশে পাঠানো ভারতের টি’কা নেওয়ার পরই তিনজনের শ্বা’সক’ষ্ট শুরু।

ইতিমিধ্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছে টি’কা, অথচ তাদের নিজেদের দেশেই ক’রোনার প্র’তিষে’ধক নেওয়ার কারণেই অ’সু’স্থ দুর্গাপুরের তিন স্বা’স্থ্যকর্মী? চা’ঞ্চল্য ছড়ি’য়েছে দুর্গাপুরে। ওই তিন স্বা’স্থ্যক’র্মীর মধ্যে ই’তিমধ্যে দু’জনকে হা’সপা’তালে ভরতি করা হয়েছে। সারা দেশের মতো এ রাজ্যেও শুরু হয়েছে টি’কাকরণ।

সেই মতো দুর্গাপুর নগর নিগম এলাকায় সৃজনী প্রেক্ষাগৃহেও গত শনিবার থেকে প্রথম সারির কো’ভিড যো’দ্ধাদের জন্য শুরু হয়েছে টি’কাকরণ। কিন্তু বৃহস্পতিবার টি’কা নেওয়ার পরই তিনজন অ’সু’স্থ হয়ে প’ড়েন।

কী কী সম’স্যা হচ্ছিল তাঁদের? জানা গিয়েছে, টি’কা নেওয়ার পরই ওই তিনজনের শ্বা’সক’ষ্ট শু’রু হয়। শরীরের বিভিন্ন অংশে অ্যা’লা’র্জিও বের হয়। ত’ড়িঘ’ড়ি তাঁদের মহ’কুমা হাস’পাতা’লে আ’ইসিই’উ’তে ভরতি করা হয়। এই ঘট’নার পরই টি’কাকরণ ব’ন্ধ করে দেওয়া হয়। দু’র্গাপুর নগর নিগমের মেয়র পারিষদ (স্বা’স্থ্য) রাখি তিওয়ারি টিকাকরণ ক’র্মসূচী ব’ন্ধ রাখার কথা জানিয়েছেন।

এর আগে গত শনিবার টিকা দেওয়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যে এক নার্স হ’ঠা’ৎই অ’সু’স্থ হয়ে পড়ায় জোর আলোড়ন ছড়িয়ে পড়েছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাটে। মগরাহাট ব্ল’ক হা’সপা’তালে ক’র্মরত রুনা লায়লা নামের ওই না’র্স ডায়মন্ড হারবার মে’ডি’ক্যাল কলে’জ হা’সপা’তালে চি’কিৎসা’ধীন ছিলেন।

তবে রুনার অ’সুস্থ’তা টি’কার পা’র্শ্ব প্র’তিক্রি’য়া নয় বলেই জানিয়েছিল হা’সপাতা’ল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু দুর্গাপুরের স্বা’স্থ্যক’র্মীদের সম’স্যা টি’কার কারণেই কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্য কোনও প্র’তিষে’ধকে অ্যা’লা’র্জি থাকলে কি নেওয়া যাবে ক’রোনার টি’কা? র’ক্ত পা’তলা করার ও’ষুধ খেলেও কি নেওয়া যাবে কো’ভিড ভ্যা’ক’সিন? কিংবা হা’ই’ড্র’ক্সি-ক্লো’রোকু’ইন অথবা স্টে’রয়েড খেয়ে চলা ব্যক্তির ক্ষেত্রে কতটা কা’র্যকর হবে ক’রোনার টি’কা?

ভ্যা’কসিন নেওয়ার পর ৩০ মিনিট পর্যবেক্ষণে থাকার সময় কিছু স’মস্যা হল না, অথচ শরীর খা’রাপ করল তার পর, এমন অব’স্থাতেই বা টি’কাপ্রা’পকের কী করণীয়? গত কয়েক দিনে হা’জার-হা’জার চি’কিৎ’সাকর্মী’কে টি’কা দেওয়ার পর এবার এই সব প্রশ্নের উত্তরই ভাবাচ্ছে রাজ্য স্বা’স্থ্য দপ্তরকে।

কারণ, কো’ভিশি’ল্ডের উৎপাদক সিরাম ইন’স্টিটি’উট, কো’ভ্যাক্সি’ন প্রস্তু”তকা’রক ভারত বায়োটেক কিংবা কেন্দ্রীয় স্বা’স্থ্য মন্ত্র’কের নির্দে’শি’কায় এই সব প্রশ্নের উত্তর আলা’দা আ’লাদা। কিছু ক্ষেত্রে উত্ত’র মিললেও বিস্ত’র ফা’রাক আছে ব্যাখ্যায়।

তাই অভিন্ন প্রোটোকল তৈরিই এখন প্রধান উদ্দেশ্য স্বা’স্থ্য দপ্তরের। বুধবারই সম্প্র’সারিত এইএফআই কমিটি তার প্র’থম বৈ’ঠকে এই সি’দ্ধান্ত নিয়েছে। বুধবারই দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে ৬৯,৯০০ ভায়াল (৬.৯৯ লক্ষ ডোজ) ভ্যা’কসিন আসার পর তা মজু’ত করা হয়েছে বাগ’বাজা’রের সে’ন্ট্রাল স্টোরে। অর্থাৎ,

আগা’মী দিনে আরও বেশি কেন্দ্রে বেশি সংখ্যায় হবে ক’রোনা’র টি’কাক’রণ। ফলে পা’ল্লা দিয়েই বা’ড়বে পা’র্শ্ব ও বিরূ’প প্রতি’ক্রিয়া’র ঘট’না। সে জন্যই এখন এ বিষয়ে জোর দিচ্ছেন স্বা’স্থ্যক’র্তারা।-এই সময়

সুত্র ঃ-https://banglarreporter.com/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be/

‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান শুনেই রেগে মঞ্চ ছাড়লেন মমতা!

নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কলকাতায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

রাজনৈতিক নানা জল্পনার মধ্যেই এদিন অনুষ্ঠানের আগত দর্শকদের মধ্যে কেউ কেউ জয় শ্রীরাম ও মোদী স্লোগান দেন- তাতেই চরম ক্ষুব্ধ মমতা। রেগে ভাষণ না দিয়ে মঞ্চ ত্যাগ করেন তৃণমূল নেত্রী। ৬ ঘণ্টার সফরে নেতাজির জন্মদিনের বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত প্রায় সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল, নির্ধারিত সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কলকাতা পৌঁছালেন। সরকারি সূচির বাইরে গিয়েছিলেন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর বাড়ি নেতাজি ভবনেও।  এরপর কলকাতার ন্যাশনাল লাইব্রেরির অনুষ্ঠান হয়ে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের মূল আয়োজন শুরু হয় সন্ধ্যার একটু আগে। সেখানেও শুরুর দিকে মোদী-মমতার ছন্দে ভাটা পড়েনি।

কিন্তু পুরো অনুষ্ঠানের ছন্দে ছেদ পড়ল যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্ধারিত সময়ে বক্তব্য রাখতে উঠছিলেন মূল মঞ্চে .. মঞ্চে সমবেত বেশ কয়েকজন জয় শ্রীরাম, মোদী-মোদী ধ্বনিতে স্লোগান তোলেন। এতেই চরম ক্ষুব্ধ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বক্তব্য না দিয়ে শুধু প্রতিক্রিয়া জানিয়েই মঞ্চ থেকে নেমে পড়েন। যদিও তার পরের বক্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুখ মমতার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া নিয়ে উচ্চারিত হয়নি একটু শব্দও। বরং কথায় কথায় তিনি বাংলার, বাংলার মনীষীদের ঢালাও ভাবে প্রশংসা করে গেছেন।  এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এটা রাজনৈতিক অনুষ্ঠান নয়। সরকারি অনুষ্ঠান। কাউকে আমন্ত্রণ জানালে ন্যূনতম সৌজন্যতা দেখাতে হয়। আমি এর প্রতিবাদ করছি আর সে কারণেই আমি কিছু বলবো না। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কলকাতার নানা কর্মসূচিতে অংশ নিতে বিকেলে কলকাতায় পৌঁছান। আগামী মে মাসের মমতার রাজ্যে বিধানসভা ভোট। সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন মন্ত্রী পদত্যাগ করে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন, বিজেপি যেতে পারেন এমন বেশ কয়েকজন শীর্ষ তৃণমূল নেতার নামও হাওয়া ঘুরে বেড়াচ্ছে। এমন বাস্তবতায়, মোদীর অনুষ্ঠানে মমতা হাজির হবেন কিনা সেটা নিয়েই প্রশ্ন ছিল, আর যখন হাজির হলেন; তখন এই ধরণের একটি স্লোগান এবং তার প্রতিক্রিয়া ভাষণ না দিয়ে উষ্মা প্রকাশ করে অনুষ্ঠান ত্যাগ- নতুন করে আলোচনার জন্ম দিলো বৈকি।

অবশেষে ইসলাম অবমাননাকর বক্তব্য থেকে পিছু হটলেন খ্রিষ্টান ধর্মগুরু।

উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরবে বছর দুয়েক আগে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি নিয়ে পাড়ি জমান টাঙ্গাইলের কালিহাতীর শরিফুল ইসলাম (৩০)। কিন্তু প্রবাসে ৬-৭ মাস যেতে না যেতেই মস্তিষ্কের অসুখে পড়েন তিনি।

মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে তার চিকিৎসা শুরু করে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানটি। প্রায় একবছর ধরে প্রবাসের মাটিতে অসুখে ভুগে শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) দেশে ফিরেছেন তিনি।

শরিফুলের সুস্থতার জন্য প্রয়োজন ছিল দুই দফা অস্ত্রোপচারের। নিয়োগদাতাদের অর্থায়নে প্রথম ধাপের অস্ত্রোপচার হলেও সেজন্য পর্যাপ্ত সময় এবং সঠিক শুশ্রুষার প্রয়োজন ছিল। তাই দ্বিতীয় ধাপের অপারেশন দেশে করানোর সিদ্ধান্ত নেন নিয়োগদাতারা।

এদিকে, করোনা মহামারির মধ্যে অসুস্থতার কারণে তার কাগজপত্র নবায়ন করা সম্ভব হয়নি। ফলে তাকে দেশেও পাঠানো নিয়েও দেখা দেয় জটিলতা। আর অসুস্থতার প্রথমদিকে তার কোনো স্বজন বা দেশের কোনো ঠিকানাও পাচ্ছিল না নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান।

একপর্যায়ে অসুস্থ শরিফুলকে দেশে পাঠাতে সহায়তা চাওয়া হয় রিয়াদে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে কর্মরত প্রতিষ্ঠান ঢাকা মেডিকেল সেন্টারের কাছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে রাখা হয় সেখানকার সেফ হোমে।এর আগেও বিপদগ্রস্ত প্রবাসীদের পাশে থেকে কাজ করে গেছে এই প্রতিষ্ঠানটি।

মেডিকেল সেন্টারের অন্যান্য কর্মকর্তাদের সহযোগিতা ও প্রবাসী সাংবাদিক আব্দুল হালিম নিহনকে সঙ্গে নিয়ে তাকে দেশে পাঠানোর উদ্যেগ নেন প্রতিষ্ঠানটির এমডি আবদুল্লাহ আল মামুন। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট জটিলতায় সেখানেও কালক্ষেপণ হতে থাকে।

পাশাপাশি, অসুস্থ শরিফুলকে দেশে পাঠাতে গিয়ে দেখা দেয় নানা জটিলতা। সবকিছু ঠিকঠাক করতে লেগে যায় প্রায় ৬ মাস। এই পুরোটা সময় ধরেই তার দেখভাল করেছে ঢাকা মেডিকেল সেন্টারের সেফ হোমে।

এরপর সম্প্রতি তার দেশে ফেরার ফ্লাইট কনফার্ম হলেও রিয়াদ বিমানবন্দর থেকে ফিরে আসতে হয় তার আঙুলের ছাপজনিত জটিলতার কারণে। রিয়াদ দূতাবাসের লেবার উইংয়ের সহায়তায় বিষয়টির সমাধান করে সবশেষে তাকে দেশে ফেরানো সম্ভব হয়।

বিদেশ থেকে ফিরে ২ লাখ দিয়ে ব্যবসা শুরু করে কয়েক কোটি টাকার মালিক!

নাম ইয়াহিয়া বিশ্বাস। বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নে। তাঁর খামারের নাম হাচিনা পোলট্রি ফার্ম। তিন মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে সুখের সংসার তাঁর। শুরুর কথা: ২০০৩ সালে পৈতৃক সাড়ে ৫ শতাংশ জায়গায় শুরু করেন মুরগির খামার। মুরগি পালনের জন্য তিনটি গোলপাতার ঘর নির্মাণ করেন। ঘর তিনটি নির্মাণে খরচ হয় ১ লাখ ৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রতিটি ঘরে খরচ হয়েছিল ৩৫ হাজার টাকা করে।

মূলধন বলতে তার হাতে ছিল মাত্র ৯৫ হাজার টাকা। শুরু করেছিলেন কক মুরগি দিয়ে। শুরু করেছিলেন কীভাবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনটি ঘরে তিনি ৩ হাজার মুরগির বাচ্চা পালন শুরু করেন। প্রতিটি মুরগির বাচ্চা কিনেছিলেন ১৫ টাকা দরে। কক মুরগিগুলো সাধারণত ৫৫-৬০ দিনে বিক্রয়যোগ্য হয়। বিক্রি করার আগ পর্যন্ত প্রতিটি মুরগির জন্য খাবার বাবদ ৯০-১০০ টাকা ও অন্যান্য খরচ বাবদ ১০ টাকা খরচহয়। সব মিলিয়ে ১২০-১৩০ টাকা খরচ হয়। প্রতিটি মুরগির ওজন সাড়ে ৭ থেকে সাড়ে ৮ গ্রাম। প্রতি কেজি কক মুরগি বিক্রি হয় ১৯০ থেকে ২১০ টাকায় । মুরগিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা লাভ হতো। দুই বছরের মধ্যে ইয়াহিয়া আরও দুটি ঘর বৃদ্ধি করেন। এভাবে চলতে থাকে ২০১৬ পর্যন্ত। এই সময় তিনি গোপালগঞ্জ বাজারে শুরু করেন মুরগির ব্যবসা।

খামার ও ব্যবসা দুটোই চলতে থাকে। খামার পরিচালনা ও ব্যবসায় ইয়াহিয়াকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা এবং অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন তাঁর স্ত্রী সাবিনা বেগম (৩৮)। ইয়াহিয়া আরও বলেন, লাভজনক হওয়ায় তিনি ২০১৬ সালের শেষ দিকে লেয়ার মুরগি পালন শুরু করেন। এর মধ্যে গড়ে তোলেন দোতলাবিশিষ্ট লেয়ার মুরগির পালন শেড। সরেজমিনে ইয়াহিয়ার খামারে: গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের মধুমতি নদীঘেঁষা মানিকদাহ এন হক কলেজের একটু পশ্চিম পাশে যেতেই চোখে পড়ে হাচিনা পোলট্রি ফার্মের সাইনবোর্ড। মূল ফটক দিয়ে ভেতরে ঢুকতেই ডান পাশে ইয়াহিয়ার সেই পুরোনো তিনটি ঘর, যেগুলোতে তিনি ব্যবসা শুরু করেছিলেন। ঘর তিনটির অবকাঠামো ঠিক থাকলেও নেই সেই আগের গোলপাতার চালা। গোলপাতার জায়গায় সিমেন্টের টিনের চালা। তার একটু সামনে এগোতেই দেখা যায় ইয়াহিয়া কর্মচারীকে নিয়ে কাজে ব্যস্ত। দক্ষিণ পাশে তার দোতলাবিশিষ্ট ৪ হাজার ৪৪৫ বর্গফুটের লেয়ার মুরগির শেড। ইয়াহিয়া বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির এই শেডটি নির্মাণ করতে তাঁর ৫০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। মুরগি পালন পদ্ধতি: মুরগি কীভাবে পালেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ইয়াহিয়া বলেন, ‘২০১৭ সালে লেয়ার মুরগি পালন শুরু করি। প্রতিটি লেয়ার মুরগির জন্য দেড় বর্গফুট জায়গা লাগে। প্রতিটি লেয়ারের বাচ্চার দাম ২০-৩০ টাকা। এই বাচ্চগুলো ডিম দেওয়ার উপযোগী করে গড়ে তুলতে ৫-৬ মাস সময় লাগে।

ডিম পাড়ার উপযোগী হতে প্রতিটি মুরগি প্রায় ১০ কেজি খাবার খায়। যার বাজারমূল্য ৪৫০ টাকা। ওষুধ ও অন্যান্য খরচ হয় গড়ে ১০০ টাকা।’ ইয়াহিয়া বিশ্বাসের খামারে কাজ করে সংসার চালাচ্ছেন ওই এলাকার ছয়জন নারী ও পুরুষ। তাঁদের মধ্যে আসমা বেগম (৩০) বলেন, ‘আমরা এখানে কাজ করে সংসার চালাই। এখানে কাজ করার আগে সংসারে অভাব ছিল।স্বামীর একার টাকায় সংসার চলত না। এখন আমি কাজ করে যে টাকা পাই, তা দিয়ে সংসার ভালোভাবে চলছে।’ ইয়াহিয়া তাঁর খামারের আয়-ব্যয়ের হিসাব দিতে গিয়ে বলেন, তাঁর খামারে ৫ হাজার লেয়ার মুরগি আছে। প্রতিদিন গড়ে ৪২৫০টি ডিম দেয়। প্রতিটি ডিম ৬ থেকে ৭ টাকা বিক্রি হয়। প্রতিটি মুরগি ১২ থেকে ১৬ মাস ডিম দেয়। খামার করে ভাগ্য বদলে যাওয়ার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘আমি ২ লাখটাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলাম। এখন আল্লাহর রহমতে জমি কিনেছি, বাড়িতে দোতলা ভবন করেছি, পাশেই বড় পুকুর খনন করে মাছ চাষ করছি। মাছ চাষ করতে আমার বাড়তি কোনো খরচ হচ্ছে না। এখান থেকে বছরে ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা বাড়তি আয় হচ্ছে।’ গোপালগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আজিজ আল মামুন বলেন, ‘জেলায় এমন উদ্যোক্তা খুবই কম।ইয়াহিয়ার মতো আরও উদ্যোক্তা তৈরি হলে এই জেলা থেকে বেকার সমস্যা দূর করা সম্ভব হবে।’ তথ্যসূত্র: প্রথমআলো।

কুয়েতে করোনায় আরো ৫৩৪ জন শনাক্ত’ সুস্থ হয়েছে ৪৩৯ ও ০ মৃত্যু নেই ।

কুয়েতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছে কুয়েতি ও প্রবাসীসহ ৫৩৪ জন, সুস্থ হয়েছে ৪৩৯ এবং মৃত্যু ০ নেই ।

মোট আক্রান্ত হয়েছে ১৬০,৯০১ জন।
মোট মৃতের সংখ্য ৯৫২ জন।
মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫৩,৭৪৬ জন।

আজ শনিবার সন্ধায় নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংএ বিষয়টি নিশ্চিত করা হয় ।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনা টেস্ট করা হয়েছে ৮,৯৭৮ জনকে, মোট টেস্টের সংখ্যা ১৪৫৫,৪৮১ জন ।

নিয়মিত চিকিৎসাধীন আছে ৬,২০৩ জন এবং আইসিইঊতে আছেন ৫০ জন ।

স্বামী অসুস্থ, প্রতিবন্ধী সন্তান নিয়ে রাস্তায় কিসমত আরা।

বুদ্ধি ও শা’রীরিক প্রতিব’ন্ধী দুই স’ন্তানের জননী কিসমত আরা বেগম। বয়স ৫৫ না ৬০ ঠিকভাবে বলতে পারেন না। বিলাসবহুল জীবন নয়, শুধু খেয়ে-পরে বেঁচে থাকতে পথে পথে ঘুরছেন এই অ’সহায় মা। মায়ের সঙ্গী হয়েছেন-

প্রতিব’ন্ধী রাকিব (২৫) ও সাকিব (২৩)। দুই স’ন্তান রাকিব ও সাকিবকে ঠিকমতো খেতেও দিতে পারেন না তিনি। তাদের পেটের খিদে মেটাতেই ভিক্ষাবৃত্তি বেছে নিয়েছেন কিসমত আরা।

বেশিরভাগ সময় থাকেন রাজশাহী নগরীর নিউ মার্কেট এলাকায়। পথের মানুষগুলোর দিকে তাকিয়ে একটু সহানুভূতি কামনা করেন। কখনো কিছু টাকা মেলে, আবার কখনো তাও মেলে না। তবুও স’ন্তানদের নিয়ে দিনভর পথে পথে

ঘোরেন। যেন বাড়িতে ফেরার সময় কিছু চাল, ডাল ও সবজি কিনতে পারেন। নগরীর দড়িখরবোনা এলাকায় বস্তির ছোট্ট একটা ঘরে দুই স’ন্তান ও বৃ’দ্ধ স্বামীকে নিয়ে থাকেন। স্বামী আমিন উদ্দিন মণ্ডলের দ্বিতীয় স্ত্রী তিনি।

তাই বয়সের পার্থক্যটাও বেশি। ৯০ অতিক্রম করা আমিন উদ্দিন মণ্ডল একসময় রিকশা চালাতেন। বয়স বাড়ার সঙ্গে কর্মক্ষমতা হা’রান। এখন ঘরেই থাকেন। ঠিকমতো চলাফেরাও করতে পারেন না। ফলে সংসারের ভার এখন কিসমত আরার কাঁধে। রাকিব ও সাকিব জন্মের পর থেকেই প্রতিব’ন্ধী। শা’রীরিক ও মা’নসিক প্রতিব’ন্ধী হওয়ায় কোলে, পিঠে অথবা হুইল চেয়ারে টানা ছাড়া উপায় নেই। দুজনের কেউই কথা বলতে পারেন না। তাদের নাওয়া-খাওয়া, প্রসাব-পায়খানা সবই সামলান কিসমত আরা।

ভারাক্রান্ত বদনে কিসমত আরা বেগম জানান, তারা ভেবেছিলেন, ধীরে ধীরে বসতে-হাঁটতে শিখবে। কিন্তু আর হাঁটতে-বসতে পারলো না তারা। কিছুটা বড় হওয়ার পরে কিছুদিন ডাক্তার ও কবিরাজ দেখিয়েছেন। অর্থের অভাবে পরে হাল ছেড়ে দিয়েছেন। মা কিসমত আরা জানান, কোনো সাহায্য পেলে উপকৃত হতেন তারা। নামমাত্র পাওয়া ভাতা দিয়ে তার সংসার চলে না। সবাই সাহায্য করলে ভালোমত চিকিৎসা করাতে পারতেন বলে জানান তিনি।

কিসমত আরা বলেন, ‘স্বামীও অ’সুস্থ, অভাবের সংসার। এই পোলা দুইটা নিয়া কি করবো? লোকে খা’রাপ কথা বুলে,

গালি দেয় তাও কিছু বলতে পারি না। কপালে যা জোটে তাই খাই। না জুটলে না খাইয়াই রাতদিন পার হয়।’

ভারতে ভেঙে ফেলতে ৩৫০০ মসজিদের তালিকা করেছে বিজেপি’।

ভারতের আসামে বিধানসভা নির্বাচনে মহাজোটের অন্যতম শরিক দল অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের প্রধান বদরুদ্দিন আজমল দাবি করেছেন, বিজেপি আবার ক্ষমতায় এলে ভারতের ৩ হাজার ৫০০ মসজিদ ভেঙে দেবে। বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) আসামের ধুবড়ির গৌরীপুরের এক জনসভায় তিনি এ মন্তব্য করেছেন। 

এ সময় তিনি বলেন, বিজেপি হলো দেশের শত্রু, মহিলাদের জন্য বিপদ। বিজেপি ৩ হাজার ৫০০ মসজিদের তালিকা তৈরি করেছে। যদি ফের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসে তারা, তাহলে ওই মসজিদগুলোকে ভেঙে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, আসাম রাজ্যে যদি ফের বিজেপি আসে তাহলে বোরকাপরা মহিলাদের বেরোতে দেওয়া হবে না, মসজিদে আজান দিতে দেবে না।  তিনি প্রশ্ন করেন এ রকমভাবে কি মানুষ বেঁচে থাকতে চায়! এদিকে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর দাবি আজমলের ওই মন্তব্য আসামে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তারা জানাচ্ছে, দেশটির রাজনৈতিক মহলের ধারণা, সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের জন্য ওই মন্তব্য করেছেন আজমল। অথচ বিজেপির সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ নীতিকে ঠেকাতেই একটি মহাজোট তৈরি করেছে কংগ্রেসসহ রাজ্যের ৫ দল।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানায়, এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আসাম কংগ্রেসের সভাপতি রিপুন বোরা বলেন যে তারা এ রকম কথা কখনো বলবেন না। আজমল কি বলেছে সেটা তিনি শুনেছেন বলে রিপুন জানান যে, আজমলের সঙ্গে কথা বলবেন। আজমল এ রকম কথা বলায় ভারতীয় হিন্দুরা চটে যেতে পারে, এটি ভেবেই এখন রাতের ঘুম ওড়েছে কংগ্রেস নেতাদের এমনটাই জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস, ওয়ান ইন্ডিয়া

মার্কিন সেনাবহরে নজিরবিহীন হামলা।

ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে মার্কিন সেনাবহরে ভয়াবহ হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের গণমাধ্যম পার্সটুডে। ইরাকের নিউজ চ্যানেল ‘সাবিরিন’ এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তারা জানায়,  শুক্রবার( ২২ জানুয়ারি) রাতে ইরাকের সালাউদ্দিন প্রদেশে মার্কিন সেনাবাহিনীর লজিস্টিক ইকুইপমেন্ট পরিবহনের সময় একটি বহরে রাতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে ওই বহরের ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, ইরাকের বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, শুক্রবার( ২২ জানুয়ারি)  একদিনে সেদেশের বিভিন্ন প্রদেশে মার্কিন সামরিক বহরে পাঁচটি হামলা হয়েছে যা সাম্প্রতিক সময়ে নজিরবিহীন।অবশ্য গত কয়েক মাসে ইরাকে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও বহরে হামলার ঘটনা আগের চেয়ে বেড়েছে। ইরাকের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন অনেক দিন ধরেই সেদেশ থেকে মার্কিন সেনা বহিষ্কারের দাবি জানিয়ে আসছে। মার্কিন সেনা বহিষ্কারের বিষয়ে সেদেশের পার্লামেন্টে এক বিলও পাস হয়েছে।