ক্যাটাগরি Uncategorized

চট্টগ্রামে এক বাহরাইন প্রবাসী অপহরণ এবং উদ্ধার।

চট্টগ্রামে এক বাহরাইন প্রবাসী অপহরণের পর উদ্ধার হয়েছেন। ডাবলমুরিং থানা পুলিশ প্রায় দেড় ঘন্টার এক অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে মোট ছয়জন। 

চট্টগ্রামে এক বাহরাইন প্রবাসী অপহরণ এবং উদ্ধার

আজ (২১ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ সিডিএ এলাকার এক কন্সট্রাকশন বিল্ডিং থেকে তাকে মারাত্মক আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।

তার সাথে থাকা নগদ চার হাজার ২০০ টাকা ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন  সাইফুল করিম (২০), ছানাউল হক চৌধুরী (১৯), মো. নাবিদ আরিয়ান (১৮), তানজিল মাহি (১৯), আব্দুল্লাহ আলবিদ সাঈম মুসফিক (১৮) ও মো. রাজিব (২৪)।

জানা যায়  সাইফুলের বাড়ি সীতাকুণ্ড।  তিনি দীর্ঘদিন বাহরাইনে ছিলেন। তার সঙ্গে ফেসবুকে সম্পর্ক স্থাপন করে সাইফুল।

তাকে প্রথমে কৌশলে আগ্রাবাদ ডেকে আনে।এরপর অপহরণ করে তাকে একটি নির্মাণাধীন ভবনে বেঁধে রাখে।

এসময় তাকে ব্যাপক মারধর করে। পরে তার পরিবারের কাছে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

তার পরিবার বিষয়টি কৌশলে ৯৯৯ এ জানায়।

পরে ডবলমুরিং থানার একটি দল দেড় ঘণ্টার অভিযানে তাকে উদ্ধার করে।

মারধরে তিনি গুরুতর আহত হন।

বর্তমানে একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন ওই প্রবাসী।

নিজের আত্মীয় ও দুজন পুলিশ সদস্যকে হত্যাকারী সৌদি নাগরিক গ্রেফতার।

সৌদি আরবের রিয়াদে নিজের স্ত্রীর ভাইকে এবং দুজন পুলিশ অফিসারকে গুলি করা হত্যা করা সৌদি নাগরিককে গ্রেফতার করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। আজ বুধবারে রিয়াদ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

নিজের আত্মীয় ও দুজন পুলিশ সদস্যকে হত্যাকারী সৌদি নাগরিক গ্রেফতার

জানা যায়, আজ বুধবার ভোর ২ টার দিকে পুলিশ রিয়াদের উত্তরে আল মইজিলা এলাকায় একজন নাগরিক এর ব্যাপারে তথ্য পায়, যিনি এক পারিবারিক ঝগড়ার মধ্যে নিজের স্ত্রীর ভাইকে বন্দুকের মুখে আটকে রেখেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, এবং পুলিশ পৌঁছানোর পরে এক পর্যায়ে ওই ব্যক্তি নিজের মেশিনগান দিয়ে গুলি ছোড়া আরম্ভ করেন। এই গোলাগুলির মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন তার স্ত্রীর ভাই। একইসাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনার জন্য চেষ্টারত দুজন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আরেকজন পুলিশ সদস্য পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিজের আত্মীয় এবং পুলিশ সদস্যদের গুলি করে হত্যা করে এবং আরেকজন পুলিশ সদস্যকে গুরুত্বর আহত করার পরে উল্লেখ্য ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। এরপর তাকে খুজে বার করার জন্য পুরোদমে চেষ্টা চালায় পুলিশ বিভাগ, এবং তাকে রিয়াদের উত্তর-পূর্ব দিকের আল রাফিয়াহ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার এর সময়েও তিনি বাধা দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। গ্রেফতারের পর তার সাথে বেশ কিছু পরিমাণ হাশিস উদ্ধার করা হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে মোবাইল রিচার্জ কার্ড থেকে ১৪.১৭ মিলিয়ন দিরহাম চু’রি, কিনলেন লাক্সারি গাড়ি।

উপসাগরীয় দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থানীয় টেলিযোগাযোগ সংস্থার এক কর্মচারীকে তিন বছরের কা;রা’দ’ন্ডে দ;ন্ডি;ত করা হয়েছে। তিনি মোবাইল ফোন রিচার্জ কার্ড থেকে ১৪.১৭ মিলিয়ন দিরহাম চুরি করে এবং সেই টাকা দিয়ে বেন্টলে, রেঞ্জ রোভার এবং একটি রোলেক্স ঘড়ি কেনার জন্য ব্যবহার করেছেন।

দুবাই কো’র্ট অফ ফার্স্ট ইনস্ট্যান্স অতিরিক্তভাবে আ;সামির বি;রু’দ্ধে ১৪.১৭ মিলিয়ন জ’রিমানার আদেশ জারি করেছে।

৪১ বছর বয়সী ওমানি বিবাদী গ্রাহকদের কাছ থেকে ক্ষ;তিগ্রস্থ স্ক্র্যাচকার্ড সংগ্রহ করতেন এবং তাদেরকে দেইরা প্রতিষ্ঠানের শাখায় প্রতিস্থাপন করতেন।

তাঁর সংস্থা হঠাৎ বুঝতে পেরেছিল যে প্রতিবাদী, যিনি একটি ধৃত ১৭১৯৬ দিরহাম মাসিক বেতনে ছিলেন তিনি হঠাৎ ধনী হয়ে পড়েছিলেন এবং বিশেষ নম্বর প্লেটযুক্ত দামী গাড়ি চালাচ্ছেন।

“তিনি গ্রাহকদের কাছ থেকে ক্ষ;তিগ্রস্থ রিচার্জ কার্ড সংগ্রহ করতেন এবং তাদের নতুন কার্ড দিয়ে প্রতিস্থাপন করতেন,” টেলিকম সংস্থার এক কর্মকর্তা বলেছেন।

“তার দায়িত্ব ছিল কার্ডে ক্রেডিট বাতিল করার আগে সিস্টেমে কার্ড নম্বর প্রবেশ করানো, তাদের বিনষ্ট করার আগে। তবে, আমরা লক্ষ্য করেছি যে তিনি প্রতিস্থাপনের জন্য বিপুল সংখ্যক কার্ড অর্ডার করেছিলেন – অন্যান্য শাখার চেয়ে অনেক বেশি, ”কর্মকর্তা যোগ করেছেন।

২০১৫ এবং ২০১৮ এর মধ্যে, তিনি অবৈধভাবে ১৪.১৭ মিলিয়ন দিরহাম পেয়েছিলেন।

সংস্থাটি বিষয়টি তদন্ত করে আবিষ্কার করেছে যে সে সিস্টেম থেকে ক্ষতিগ্রস্থ রিচার্জ কার্ডগুলির ডেটা কখনই মুছে ফেলেনি। পরে সংস্থাটি তার সাথে চেক করলে, তিনি দাবি করেছিলেন যে তিনি বাতিলকরণের অনুরোধ করেছিলেন এবং কার্ডগুলিকে বাক্সে রেখেছিলেন, কিন্তু সেই বাক্সগুলি অস্তিত্বহীন ছিল।

“এই কার্ডগুলি তিনি বাতিল করেছিলেন বলে তার কোনও প্রমাণ নেই। বেতন ছাড়াও তার আর কোনও আয় ছিল না, তবে তিনি বেন্টলে রেঞ্জ রোভারে গাড়ি চালাচ্ছিলেন এবং ডিএফ ১০০,০০০ রোলেক্স ঘড়িও পরা ছিলেন।

অভিবাসী শ্রমিক: নতুন কোন দেশে বাংলাদেশে কর্মীদের সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে এক প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন দেশের অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, এর বাইরেও বিকল্প শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার।

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে তেল নির্ভর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে কাজের সুযোগ কমে যেতে পারে।

ইতিমধ্যেই কয়েক লাখ শ্রমিক দেশের ফিরে এসেছেন। নতুন করে যাদের যাওয়ার কথা ছিল সেই সংখ্যা মারাত্মকভাবে কমে গেছে।

সম্ভাব্য নতুন গন্তব্য দেশ যেগুলো

সরকারের জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক মোঃ শামসুল আলম জানিয়েছেন নতুন যেসব দেশে সম্ভাবনা দেখছে বাংলাদেশ সেগুলোর মধ্যে রয়েছে মধ্য এশিয়া ও পূর্ব ইউরোপের দেশ রোমানিয়া, উজবেকিস্তান এবং কাজাখস্তান। এ ছাড়াও জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং হংকং এর কথাও ভাবা হচ্ছে।

তিনি বলছেন, “মরুভূমির চেয়ে এসব দেশে আবহাওয়া সহনীয়। তাছাড়া এসব দেশে কাজগুলোর ধরণ ভাল, শুধু ক্লিনারের কাজ না। বেতনও বেশি আবার শ্রমিকদের অধিকারের পরিস্থিতিও ভাল।”

অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করে এরকম সংস্থা রামরু’র নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক তাসনিম সিদ্দিকি বিবিসিকে বলছিলেন, “২০২৫ সাল পর্যন্ত জাপান সারা বিশ্ব থেকে পাঁচ লাখ কর্মী নেবে। বাংলাদেশকে এই বাজারটা ধরতে হবে। যারা জাপানিজ ভাষা জানবে ও সেখানকার সংস্কৃতি সম্পর্কে জানবে তাদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।”

তিনি আরও জানিয়েছেন, গত অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে দুই হাজারের মত শ্রমিক বিদেশে কাজে গেছেন

তার মধ্যে আটশই মধ্য এশিয়ার দেশ উজবেকিস্তানে। সেখানে মধ্যপ্রাচ্যের দেশের থেকে তারা বেশি বেতন পাচ্ছেন। তবে সেখানে যেতে হলে কমপক্ষে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা থাকতে হবে। ঠিক কি কাজে সেখানে যাচ্ছেন বাংলাদেশিরা সেটি পরিষ্কার নয়।

যে ধরনের কাজের সুযোগ এসব দেশে

নারী অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করে এরকম সংস্থা বিএনএসকে’র নির্বাহী পরিচালক সুমাইয়া ইসলাম বলছেন, “করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ইউরোপসহ বহু দেশে বিশেষ করে বয়স্কদের কেয়ার-গিভার বা সেবাদানকারীর চাহিদা অনেক বেড়েছে। শিশুদের দেখভালের জন্য আয়া দরকার হচ্ছে। বাংলাদেশের যেসব নারীরা মধ্যপ্রাচ্যে গৃহকর্মীর কাজ করছেন তারা ইতিমধ্যেই এধরনের নার্সিং-এর অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।”

তিনি বলছেন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইউরোপের দেশগুলোতে মানুষের গড় আয়ু বেশি তাই বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেশি।

এসব দেশে প্রচুর বয়স্ক ব্যক্তি একা থাকেন অথবা বয়স্কদের কোন বিশেষায়িত আবাসনে থাকেন। যুক্তরাজ্যে ইতিমধ্যেই অনেক বাংলাদেশি নারী, বয়স্ক ও শিশুদের সেবাদানকারী হিসেবে কাজ করছেন।

সুমাইয়া ইসলাম বলছেন, যারা মধ্যপ্রাচ্যে গৃহকর্মী, বিমানবন্দর, রাস্তা ও শপিং মলে পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবে কাজ করেন তারা খুব সহজেই হোটেলে নানা কাজ করতে পারবে।

ইতিমধ্যেই কয়েক লাখ শ্রমিক দেশের ফিরে এসেছেন।

যে মেয়েটি মধ্যপ্রাচ্যে কারো বাড়িতে ঘর, বাথরুম আর কাপড় পরিষ্কার করে সে হোটেলেও হাউস-কিপিং-এর এসব কাজ সহজেই করতে পারবে। যারা করোনাভাইরাসের জন্য চাকরী হারিয়ে দেশে ফেরত এসেছেন তাদের স্কিল ডাইভার্সিফাই করে সহজেই এসব পেশায় পাঠানো সম্ভব। দোকানে সেলসেও এসব মেয়েদের কাজে লাগানো যেতে পারে।”

তাসনিম সিদ্দিকি বলছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর একটি বিষয় স্পষ্ট সেটি হল পৃথিবীর অনেক দেশে স্বাস্থ্যসেবা খাতে কর্মী দরকার। তার তথ্যমতে নার্স এবং ল্যাব টেকনিশিয়ানের চাহিদা রয়েছে প্রচুর।

তিনি বলছেন, পুরনো গন্তব্যগুলোতেও নতুন কাজের সুযোগ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে স্বাস্থ্যখাতে অনেক বিনিয়োগ হচ্ছে।

মোঃ শামসুল আলম জানিয়েছেন জাপানের সাথে বাংলাদেশের একটি সমঝোতা স্বারক সই হয়েছিল।

‘আই অ্যাম জাপান’ নামে একটি কোম্পানি ঢাকায় বাংলাদেশ সরকারের সাথে কাজ করছে।

তারা ভাষা প্রশিক্ষণ দিয়ে, কর্মী নির্বাচন করে জাপানে বিভিন্ন কোম্পানি, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ফ্যাক্টরির কাজ নিজেরাই শিখিয়ে নিয়োগ দিচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়াতে সরকারিভাবে ইতিমধ্যেই অনেকে গেছেন। বাংলাদেশি কর্মীদের সেখানে কাজের জন্য ইপিএস নামে বিশেষ ভিসা রয়েছে।

সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস প্রশিক্ষণ দিয়ে ইতিমধ্যেই অনেককে দক্ষিণ কোরিয়া পাঠিয়েছে যারা নানা কোম্পানি ও উৎপাদনকারী কারখানায় কাজ করছেন।

জাপানের মতো দক্ষিণ কোরিয়াও নিজেরা ভাষা ও দক্ষতা তৈরি করে, খরচ দিয়ে বাংলাদেশে কর্মী নেয়।

মোঃ শামসুল আলম বলছেন, আরও কর্মী নিতে আগ্রহী দক্ষিণ কোরিয়া। সেখানে স্যামসাং ও দাইয়ুর মতো প্রতিষ্ঠানের কারখানায় বাংলাদেশিরা কাজ করছেন। কৃষিতেও কাজ করছেন বাংলাদেশিরা।

তবে তিনি বলছেন, নতুন দেশগুলোতে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী।

“কেউ যেন দেশগুলোর নাম শুনেই যাওয়ার চেষ্টা না করে। কুচক্রী মহলের পাল্লায় পড়ে মানব পাচারের শিকার যেন না হয় এজন্য আমরা দেখে শুনে এগুচ্ছি।”

কর্মীদের নতুন ধরনের দক্ষতা দরকার, বলছেন অভিবাসন নিয়ে কাজ করে এমন বিশেষজ্ঞরা।

কি ধরনের দক্ষতা কাজ শিখলে লাভ

যে নতুন গন্তব্যের দেশগুলোতে সুযোগ রয়েছে সেখানকার ভাষা শিক্ষার ওপর জোর দিচ্ছেন অভিবাসীদের নিয়ে যারা কাজ করে তাদের সকলেই। সেই সাথে ইংরেজি।

তাসনিম সিদ্দিকি বলছেন, “যাওয়ার আগে কেবল দুই তিন মাসের ক্রাশ কোর্স করে কখনোই নতুন বাজার ধরা যাবে না। সেজন্য একদম স্কুল থেকেই অন্যান্য দেশের ভাষা ও সংস্কৃতিতে ওরিয়েন্টেশন দরকার।”

বিভিন্ন কারিগরি শিক্ষা, যেমন ওয়েল্ডিং, ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী মেরামত, গাড়ি মেরামত, বৈদ্যুতিক কাজ এসব কাজের শিক্ষা মাধ্যমিক স্কুল পর্যায় থেকেই শুরু করার কথা বলছেন তিনি। শিক্ষার্থীদের যার যেটাতে আগ্রহ।

নার্স ও ল্যাব টেকনিশিয়ান তৈরিতে বেসরকারি খাতের সাথে ভর্তুকি দিয়ে হলেও সরকারের প্রশিক্ষক কেন্দ্র গড়ে তোলা উচিত বলে তিনি মনে করেন।

কৃষিকাজে যোগ দিতে হলে কৃষি যন্ত্রপাতি, গাছের আধুনিক উপায়ে পরিচর্যা, গাছ ও তার মৌসুম সম্পর্কে শিখানোর প্রশিক্ষণের কথা বলছেন তিনি।

টাকা না পেয়ে ৪০ দিন পর প্রবাসীর শিশুর লাশের সন্ধান দিল অপহরণকারী!

বগুড়ার গাবতলীতে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ না পেয়ে প্রবাসীর সাত বছরের শিশু হানজালাকে হত্যা করেছে অপহরণকারীরা। উপজেলার রামেশ্বরপুর ইউনিয়নের নিশুপাড়া গ্রামে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। ঘটনার ৪০ দিন পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফোনে শিশুটির লাশের সন্ধানও দেয় অপহরণকারীরা।

পরে বাড়ির পাশে পুকুর থেকে হাত-পা ও মুখ বাধা পঁচন ধরা লাশ উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার শিশুর বাবা গাবতলী থানায় হত্যা মামলা করেছেন। এর আগে শিশুর বাবা-মা অপহরণকারীর ফোন নম্বর নিয়ে গাবতলী থানায় গেলেও তারা সন্তান উদ্ধারে পুলিশের সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেছেন।

ওসি নুরুজ্জামান রাজু জানান, লাশ বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। শিশুটি অপহরণ ও হত্যায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে। শিশুটির মৃত্যুতে আত্মীয়-স্বজনসহ পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তারা অবিলম্বে ঘাতকদের গ্রেফতার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

শিশু হানজালা গাবতলী উপজেলার নিশুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও মালয়েশিয়া প্রবাসী পিন্টু মিয়ার ছেলে। সে নিশুপাড়া বটতলা হাফেজিয়া মাদ্রাসায় হেফজ বিভাগে পড়তো।

গত ১৩ ডিসেম্বর বিকাল ৩টার দিকে শিশু হানজালা বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। ওইদিনই গাবতলী থানায় জিডি করা হয়। ছেলেকে অপহরণের খবর পেয়ে পিন্টু মিয়া দুদিন পর বাড়িতে ফেরেন। অপহরণকারীরা মা তাসলিমা বেগমকে ফোনে মুক্তিপণ হিসেবে তিন লাখ টাকা দাবি করে। টাকা না পেলে ছেলেকে হত্যা করা হবে বলে জানিয়ে দেয়।

শিশুর বাবা-মা ফোন নম্বর নিয়ে গাবতলী থানায় গেলেও তারা সন্তান উদ্ধারে পুলিশের সহযোগিতা পাননি। ৪০ দিন পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে অহরণকারীরা শিশুর মাকে জানায় তার ছেলের লাশ পলিথিনে মুড়িয়ে ইট বেঁধে বাড়ির পাশে পুকুরে ডুবিয়ে রাখার কথা।

অপহরণকারীর দেওয়া তথ্য মতে রাতেই ওই পুকুর থেকে শিশু হানজালার লাশ উদ্ধার করা হয়। গাবতলী থানা পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়ে দেয়। পিন্টু মিয়া বিদেশ থাকায় এর আগেও দুর্বৃত্তরা তার স্ত্রীকে ফোন করে দুই লাখ টাকা ধার চেয়েছিল।

গাবতলী থানার ওসি নুরুজ্জামান রাজু জানান, শিশুর বাবা শুক্রবার অপহরণ ও হত্যা মামলা করেছেন। তিনি জানান, শিশুটিকে উদ্ধারে অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। প্রথমে অপহরণকারী জিআরপি পুলিশের এসআই ফারুক সেজে ফোন দিয়ে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছিল। তদন্ত করে জানা যায়, জিআরপি পুলিশে ওই নামে কোনো কর্মকর্তা নেই। এরপর থেকে ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অপহরণকারী ফোনে হত্যার কথা ও লাশের সন্ধান দেয়। পুলিশ কর্মকর্তারা আশা করেন, এ নম্বরের সূত্র ধরেই শিগগিরই ঘাতককে শনাক্ত ও গ্রেফতার করা হবে।
সুত্রঃ যুগান্তর ।

কুয়েত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় প্রবাসীদের সিভিল আইডি কার্ড ব্যবহারের নিয়মটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন..!

কুয়েত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় প্রবাসীদের সিভিল আইডি কার্ড ব্যবহারের নিয়মটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন..!

কুয়েত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক গবেষণার ভিত্তিতে একটি প্রকল্পের পরিকল্পনা তৈরি করেছেন, যার লক্ষ্য হচ্ছে প্রবাসীদের সিভিল আইডি বাতিল করা এবং শুধুমাত্র কুয়েতি নাগরিকের মধ্যেই সিভিল আইডি কার্ড পদ্ধতিটি সীমাবদ্ধ রাখা।

রেসিডেন্সি বিষয়ক পরিবর্তনের উদ্দেশ্য হচ্ছে কুয়েতে প্রবাসীদের জন্য একটি বিশেষ চৌম্বকীয় কার্ড তৈরি করা হবে, যার মধ্যে থাকবে প্রবাসীদের সমস্ত তথ্যাদি যা সমস্ত রাজ্যের মন্ত্রনালয় এবং এজেন্সিগুলিতে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম করতে বা ব্যবহার করতে সক্ষম হবে।

📌 নিউজ লিংক 👇 কমেন্টে দেওয়া হয়েছে…

✍️ Collected,translated and posted by #nahar_haque

https://www.facebook.com/naharhoqu/

কুয়েতে ২৪ জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাণিজ্যিক ফ্লাইট হ্রাস করার সিদ্ধান্ত’।

কুয়েতে ২৪ জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাণিজ্যিক ফ্লাইটে হ্রাস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ।

কুয়েত এয়ারওয়েজ জানিয়েছে যে, স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এবং বেসামরিক বিমান পরিবহনের সাধারণ প্রশাসনের নির্দেশনার ভিত্তিতে আগামী ২৪ জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কুয়েতে বাণিজ্যিক ফ্লাইটে যাত্রীদের সংখ্যা হ্রাস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ শুক্রবার (২২ জানুয়ারী) বিকেলে কুয়েত এয়ারওয়েজ তাদের অফিসিয়াল টুইট বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানান ।

আগামী ২৪ জানুয়ারী থেকে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত প্রতিটি ফ্লাইটে ৩৫ জন যাত্রী আসবেন, ছেড়ে যাওয়া বিমানগুলিতে যাত্রী সংখ্যা কোনও পরিবর্তন হবে না ।

প্রসঙ্গত, কুয়েতে গত সপ্তাহ থেকে করোনার সংক্রমণ বেড়েছে ।

দেশে কমল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।

মহামারি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ হাজার ৯৮১ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬১৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা রোগী শনাক্ত হলো ৫ লাখ ৩০ হাজার ৮৯০ জন।

শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন ৪৮৪ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৭৪ জন।

মহামারি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ হাজার ৯৬৬ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৮৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা রোগী শনাক্ত হলো ৫ লাখ ৩০ হাজার ৫৬১ জন।এর আগে এর আগে বৃহস্পতিবার দেশে আরও ৫৮৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান আরও ১৬ জন।এদিকে করোনাভাইরাসের ইতিহাসে আবারও রেকর্ড মৃত্যু দেখল বিশ্ব। গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বব্যাপী তাণ্ডব চালিয়েছে করোনা। শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) আবারও প্রাণহানি ১৭ হাজার ছাড়িয়েছে। এ নিয়ে মহামারি করোনায় বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২১ লাখ। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন নয় কোটি ৮০ লাখ ৮৬ হাজার ৯৭৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২১ লাখ ৩৪১ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭ কোটি ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫২ জন।গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।২২ জানুয়ারি (শুক্রবার)-এর আপডেট

১০০ বল আর ৭ উইকেট হাতে রেখেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের। বিপক্ষে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ।উইন্ডিজের বিপক্ষে টানা তিন সিরিজ জয়ের রেকর্ড।

১০০ বল আর ৭ উইকেট হাতে রেখেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১৪৯ রানের টার্গেট সহজেই উতরে যায় তামিম-সাকিবরা। এই জয়ে উইন্ডিজদের বিপক্ষে টানা তিনটি সিরিজ জয়ের রেকর্ড গড়ল টাইগাররা। 

২০১৮ সালের জুলাইতে অ্যাওয়ে ভেন্যুতে ২-১ ব্যবধানে, একই বছর ডিসেম্বরে ঘরের মাঠে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। আবারও ঘরের মাঠে এক ম্যাচ হাতে রেখেই নিশ্চিত হয়ে গেল সিরিজ জয়। সবমিলিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের হ্যাটট্রিক করল লাল-সবুজের বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সফরকারীদের দেওয়া ১৪৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা ভালোই করে টাইগাররা। দুই ওপেনার তামিম এবং লিটন দেখেশুনেই শুরু করেন। ভালোই খেলতে থাকা লিটন বিদায় নেন ব্যক্তিগত ২২ রান করে। তবে অন্যপ্রান্তে অটল থাকেন অধিনায়ক তামিম। শান্তকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে থাকেন তিনি। দলীয় ৭৭ রানে বিদায় নেন শান্ত। তার ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান। এরপর চতুর্থ উইকেট জুটিতে রানের চাকা সচল রাখেন সাকিব-তামিম। তামিম তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৪৮তম হাফসেঞ্চুরি। ব্যক্তিগত ৫০ রান করেই ফিরে যান তামিম। তবে ক্রিজে আঁকড়ে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ম্যাচশেষে সাকিব অপরাজিত থাকেন ৫১ বলে ৪৩ রানে। এছাড়া মুশফিক অপরাজিত থাকেন ৯ রানে।

এর আগে সকালে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে টাইগার বোলারদের তোপে পড়ে ক্যারিবিয়রা। প্রথম ওয়ানডের মতো দ্বিতীয়টিতেও ধুঁকে ধুঁকে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটসম্যানরা। বাংলাদেশের বোলিংয়ের সামনে অসহায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ মাত্র ৪১ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে।খেলতে পারেনি নির্ধারিত পুরো ৫০ ওভার। ৪৩.৪ ওভারে অলআউট হয়েছে ১৪৮ রানে। বাংলাদেশের হয়ে মেহেদি মিরাজ নেন ২৫ রানে ৪ উইকেট। এছাড়া সাকিব ও মুস্তাফিজ নেন ২টি করে উইকেট। ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন মেহেদি মিরাজ।

তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ২-০’তে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামের মাটিতে।

অবৈধ প্রবাসীদের জন্য একামা সংশোধন এবং কুয়েত ত্যাগে সময় বাড়ানো হয়েছে’।

কুয়েত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালশ অবৈধভাবে বসবাসকারী সকল বিদেশী নাগরিকের অবস্থান পরিবর্তন বা একামা সংশোধন করতে এবং দেশ ত্যাগের সময় ফের বাড়িয়েছে।

জানুয়ারীতে শেষ হওয়ার কথা থাকলে নতুন সময় সীমা অনুসারে শেষ হবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারী।

আল সিয়াসার বরাত দিয়ে আরব টাইমস জানিয়েছে যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে দেশেও চলে যেতে পারবে অবৈধ প্রবাসীরা, তবে জরিমানা দিতে হবে কিনা তাহা জানা যাবে পরের সপ্তাহে।

সুরক্ষা ও’করোনার মহামারী দ্বারা সৃষ্ট ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সময় বাড়িয়েছে কতৃপক্ষ।

বিশেষত বিমানবন্দরগুলি বন্ধ থাকা এবং সরাসরি বিমানের অভাব ও ট্রানজিটের টিকিটের উচ্চমূল্যে হওয়ায় অনেক যেতে পারছেন না।