ভারতে করোনার প্রতিষেধক টিকা নেয়ার পর ৫৮০ জনের শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, ২ জনের মৃত্যু ভারতে গত শনিবার থেকে শুরু হয় করোনার প্রতিষেধক টিকা দেয়ার কার্যক্রম। যেখানে, তিন দিনে ৩ লাখ ৮০ হাজার মানুষকে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হয়েছে। তবে এর মধ্যে ৫৮০ জনের শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দিতে হয়েছে। এ ছাড়া টিকা নেওয়ার পর দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়। প্রথম ধাপে প্রায় ১ মিলিয়নের বেশি মানুষকে টিকা দেয়া হবে। সূত্র: প্রথম আলো।
সৌদিতে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও মর্ডানার করোনার টিকার অনুমোদন।
গতকাল সোমবার (১৮ জানুয়ারি) সৌদি স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশটিতে ব্যবহারের জন্য অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং মর্ডানার ভ্যাকসিন অনুমোদন । ফাইজার-বায়োএনটেক ভ্যাকসিনটি ইতিমধ্যে দেশের নাগরিকদের ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে। ইতিমধ্যে,প্রায় ৩ লাখ নাগরিককে বিনামূল্যে ফাইজারের টিকা প্রদান করা হয়েছে সৌদিতে। পূর্ব প্রদেশের স্বাস্থ্য বিষয়ক মহাপরিচালক ইব্রাহিম আল-ওরাইফি আল আরবাইয়া বলেছেন, টিকা সরবরাহের জন্য বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতা রয়েছে এবং ফাইজার ভ্যাকসিনের চাহিদা “দুর্দান্ত”। তবে তিনি আরও যোগ করেছেন যে সৌদি কর্তৃপক্ষ ভাল পরিমাণে সুরক্ষা পেয়েছে এবং টিকাদানের প্রচেষ্টা আরও বাড়ানো হচ্ছে।
বাহরাইন থেকে দেশে ফেরত ও ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ ৯৬৭ প্রবাসীর তালিকা বাহরাইন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা।
বাহরাইন প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে যারা করোনার সময় দেশে ফেরত আসেন এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে তাদেরকে মানামায় অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করেছেন। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনকৃত ৯৭৬ প্রবাসীর তালিকা বাহরাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নবায়নের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে এবং তাদের তালিকা ইতোমধ্যে বাহরাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। এখনো যারা রেজিস্টেশন করেননি তাদের রেজিস্ট্রেশন করতে বলা হয়েছে।
এদিকে, গত এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৯ মাস সাধারণ ক্ষমার আওতায় সেদেশে অবস্থিত ৩০ হাজার অনিয়মিত বাংলাদেশির ভিসা নিয়মিত করা হয়েছে। এখনো ২৫ হাজার বাংলাদেশি অনিয়মিত রয়েছে বলে জানা গেছে। অনিয়মিত বা ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ন বাংলাদেশিদের নিয়মিতকরণের বিষয়টি বিবেচনার জন্য বাহরাইন সরকারকে অনুরোধ করা হয়েছে বলে দূতাবাস জানায়।
দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ বয়কট করে দেখিয়ে দিলো বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ। ভারত বার বার পেঁয়াজ নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করায় এবার তারা সেই পেঁয়াজ দিলেও তা কিনেননি দেশপ্রেমিক জনতা। কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে তারা দেশি পেঁয়াজের দাম একটু বেশি হলেও তা কিনছেন। দেশে পেঁয়াজের ভরা মৌসুমের মধ্যে ২ জানুয়ারি থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পিঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। ফলে বিপদে পড়ে যায় দেশের পেঁয়াজ উৎপাদনকারী লাখ লাখ কৃষক। সর্বনাশের মুখে পড়া এসব কৃষকদের বাঁচাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারতীয় পেঁয়াজ বয়কটের ডাক ওঠে। এতে ব্যাপকভাবে সাড়া দেন বাংলাদেশি নেটিজেনরা।পেঁয়াজ আমদানি শুরু পর গেল কদিনে সামাজিক মাধ্যমে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে #বয়কট_ভারতীয়_পেঁয়াজ, #boycott_Indian_onion ইত্যাদি হ্যাশট্যাগগুলো। আবার রাস্তায় ফেস্টুন গলায় ঝুলিয়ে পায়ে হেঁটে ভারতীয় পেঁয়াজের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি করতে দেখা যায় হোসাইন মোহাম্মদ আনোয়োর নামে এক ব্যক্তিকে। পাশাপাশি গোটা চিত্র তুলে ধরে ‘ভারতের পেঁয়াজকে না বলো’ এবং ‘ভারতের পেঁয়াজ আমদানীতে দেশের পেঁয়াজ চাষীদের সর্বনাশ’ শীর্ষক বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় মূল ধারার অনেক গণমাধ্যমে। এরপর শুরু হয় ভারতীয় পেঁয়াজ বর্জনের প্রক্রিয়া। ফলে চাহিদা না থাকায় ১৩ জানুয়ারি থেকে ভারতীয় পিঁয়াজ আনছেন না আমদানিকারকরা। গত ১৩ ও ১৪ জানুয়ারি বন্দর দিয়ে কোনও পেঁয়াজ আমদানি হয়নি। ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ থেকেও ভারতীয় পেঁয়াজ বয়কটের ডাক দেয়া হয়। মুহুর্তের মধ্যে এসব পোস্ট ভাইরাল হয় এবং এতে ব্যাপক লাইক-শেয়ার-কমেন্ট পড়ে। তেমনই একটি জনপ্রিয় গ্রুপ Beauty Queen Bangladesh। গ্রুপটিতে প্রায় সদস্য আছে ৩৪ লাখ। গ্রুপ সদস্য আরাফত ইকবাল পেঁয়াজ বয়কটের ডাক দিয়ে লিখেছেন, ‘‘যে বন্ধুরা বিনা নোটিশে পেঁয়াজ বন্ধ করে আমাদেরকে ২০০/= টাকা করে পেঁয়াজ খাওয়াইছে, এখন আমরা ঐ বন্ধুদের পেঁয়াজ ২০/= টাকা করে না খেয়ে নিজের দেশেরটা ৩০/= টাকা করে খাবো। তখন ২০০/= করে খেতে পারলে এখন ৩০/= টাকা করেও খেতে পারবো৷ দেশের টাকা দেশে রাখবো। সবাই কি নিয়ত করতে পারি না যে ইন্ডিয়া পেঁয়াজ বাদ দিবো আমাদের দেশি পেঁয়াজ খাবো। #ভালোবাসো_বাংলাদেশ #বয়কট_ভারতীয়_পেঁয়াজ #বয়কট_ইন্ডিয়ান_পেঁয়াজ #Boycott_Indian_Onion।’’ হ্যাশট্যাগ ‘‘#বয়কট_ভারতীয়_পেঁয়াজ’’ লিখে ‘‘Al Watan বাংলা’’ গ্রুপে লেখা হয়, ‘‘যদি সত্যিই দেশকে ভালোবাসেনযদি সত্যিই দেশের অসহায় মানুষকে ভালোবাসেন তাহলে প্রতিবাদ করুন, বয়কট হ্যাশট্যাগ ইউজ করুন। ভারত ২৮ ডিসেম্বর থেকে আবার বাংলাদেশে পেঁয়াজ দেওয়া শুরু করছে! খবরটা দেখেই আতঁকে উঠলাম। এটা তো মারাত্মক ষড়যন্ত্রের অংশ!….এসময় ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি নিষিদ্ধের দাবি জানাই। সরকারকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে। দেশীয় কৃষকের বাঁশ মেরে দিয়ে ইন্ডিয়ার সাথে পরকীয়া করা যাবে না। আমজনতার কাছে আবেদন অন্তত এই সময়ে পরিকল্পিতভাবে কেউ ভারতীয় পেঁয়াজ ক্রয় করবেন না। এখন যদি আপনি সতর্ক না হোন, সময় আসলে এরা আপনার পকেট কেটে নেবে। দেশীয় পেঁয়াজের উৎপাদন বন্ধ করতে পারলে আপনার পকেট কাটতে তাদের খুব সুবিধা হয়৷ তাই সবাই দেশীয় পেঁয়াজ ক্রয় করুন। দামে সস্তা হলেও ভারতীয় পেঁয়াজকে না বলুন।’’ জশিম ভারতীয় পেঁয়াজ বয়কটের ডাক দিয়ে লিখেছেন, ‘‘…সবাই কি নিয়ত করতে পারি না যে ইন্ডিয়া পেঁয়াজ বাদ দিবো আমাদের দেশি পেঁয়াজ খাবো।.. সবার উচিত এখনই সাবধান হওয়া, নাহয় ইন্ডিয়া আবারও বাঁশ দিবে এখন দেশি পিয়াজ না কিনে যদি ২০টাকা করে ইন্ডিয়ান পিয়াজ কিনেন তাহলে আগামী বছর আবারও ২০০-২৫০টাকা দরে পিয়াজ কিনে খেতে হবে ১০০% আর ইন্ডিয়া এইটাই চাই বাংলার কৃষক ধ্বংস হোক।’’ সাইমুন সুমন লিখেছেন, ‘‘বাংলাদেশের প্রতিটি দেশ প্রেমিকের কাছে অনুরোধ রইল #ভারতীয় পেঁয়াজ বয়কট করুন…. #দেশি_পেঁয়াজ দাম যদি একটু বেশি হয় তারপর সবাই #দেশী_পেঁয়াজ কিনুন…#Boycott_Indian_Onion.’’
নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অভিষেক অনুষ্ঠানের আগে মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ক্যাপিটল হিল এড়িয়ে চলতে পরামর্শ দিয়েছেন দ্য কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (সিএআইআর) এর প্রধান রবার্ট ম্যাককো। খবর সিএনএনের।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে রোববার এই সতর্কতামূলক পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, চরম ডানপন্থিরা এখন মার্কিনিদের দৃষ্টি অন্যদিকে নেয়ার জন্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বা তাদের উপাসনালয়ে হামলা চালাতে পারে। আমরা বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন ও মুসলিম সম্প্রদায়কে খুব সতর্ক থাকতে বলছি। প্রত্যেককেই নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করতে হবে।
রবার্ট ম্যাককো মুসলমান সম্প্রদায়কে সতর্ক করে বলেন, বাস্তবতা সম্পর্কে প্রস্তুত থাকতে হবে। আমরা চাই প্রত্যেক মানুষের নিরাপত্তা।
দ্য কাউন্সিল অন আমেরিকান রিলেশনের মিনেসোটার নির্বাহী পরিচালক জায়লানি হুসেইন বলেন, মুসলিম বিশেষ করে কৃষ্ণাঙ্গ মুসলিমদের জানা উচিত, তারা যদি বিক্ষোভে অংশ নেওয়া তাহলে তাদের প্রতি পুলিশ বা প্রতিপক্ষের আচরণ অন্য একজন শ্বেতাঙ্গের প্রতি যেমনটা হওয়া উচিত তার চেয়ে বরং রূঢ় হবে। এ ঝুঁকি শুধু শ্বেতাঙ্গ চরমপন্থী নয় পুলিশের পক্ষ থেকেও রয়েছে। এজন্যেই তাদের গোলযোগপূর্ণ এলাকা হয়ে উঠতে পারে এমন এলাকা এড়িয়ে চলতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে জো বাইডেনের শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠানে ভেতর থেকে হামলা করে বসতে পারে নিরাপত্তায় নিয়োজিত ন্যাশনাল গার্ড সেনা ও পুলিশ সদস্যরা। এমন আশঙ্কা করছেন প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগনের কর্মকর্তারা।
স্থানীয় সময় ২০ জানুয়ারি বুধবার দুপুরে বাইডেনের শপথ ও অভিষেক। তার বিজয় সত্যায়নে ক্যাপিটল হিলে বিদায়ি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উগ্র-সমর্থকদের তাণ্ডবের পর অভিষেক অনুষ্ঠানকে ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয় ওয়াশিংটন ডিসি।
আল জাজিরা জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা ও পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের আশঙ্কা- নিরাপত্তায় নিয়োজিত ন্যাশনাল গার্ডের ২৫ হাজার ও পুলিশ সদস্যদের মধ্যে থাকা শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদী কেউ ভেতর থেকে হামলা করে বসতে পারে।
এমন আশঙ্কার ভিত্তি হচ্ছে ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটলে হামলার সময় দেখা গেছে ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যরা হামলাকারীদের স্বাগত জানাচ্ছেন।
ওই হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ক্যাপিটল পুলিশের অর্ধডজন সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে। আরও একডজনের মতো তদন্তাধীন আছেন।
ভেতর থেকে হামলার আশঙ্কার মধ্যেই নিউ জার্সিতে গ্রেফতার করা হয়েছে আর্মির রিজার্ভ সেনা ৩০ বছর বয়সি টিমোথি হেইল-কুসানেলিকে। তিনি উগ্র ট্রাম্প-সমর্থক দাঙ্গাকারীদের ‘অগ্রসর’ হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে অভিযোগ। সুত্রঃ যুগান্তর ।
কুয়েতের আমির সরকারের পদত্যাগ গ্রহণ করেছেন, শেখ খালেদ আল সাবাহ’র নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার মন্ত্রীরা গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের পদত্যাগ হস্তান্তর করেছেন ।
আজ সোমবার (১৮ জানুয়ারী) কুয়েতের আমির শেখ নাওয়াফ আল আহমদ আল সাবাহ সরকারের পদত্যাগ গ্রহণ করেছেন।
গত সপ্তাহে কুয়েতী মন্ত্রিপরিষদ গঠিত মন্ত্রীরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগ জমা দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী সাবাহ আল খালেদ আল সাবাহ তার সরকারের পদত্যাগ আমিরের কাছে হস্তান্তর করেন।
দেশটির জাতীয় সংসদের স্পীকার মারজুক আল গানিমের টুইট বার্তার বরাত দিয়ে গালফ নিউজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ।
মন্ত্রিপরিষদটি প্রায় এক মাস আগে ১৪ ই ডিসেম্বর গঠিত হয়েছিল। নতুন মন্ত্রিসভা একটি বৃহৎ রদবদল করেছিল, কারণ পূর্ববর্তী মন্ত্রিসভায় ১৬ জন মন্ত্রীর মধ্যে মাত্র ছয়জন দায়িত্ব পেয়েছিলেন ।
পদত্যাগ মানে কী? সংসদের স্পিকার মারজৌক আল গানিম ঘোষণা করেছিলেন যে, সরকারের পদত্যাগের পরে মন্ত্রীরা নতুন সরকার গঠন না করা পর্যন্ত তাদের দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবিধানের এমন কোনও আদেশ নেই যে কত শীঘ্রই একটি নতুন সরকার গঠন করা উচিত।
আল গানিম আরও জানান, নতুন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত সংসদীয় অধিবেশন চলবে না।
ভবিষ্যতের কী ধারনা তা অস্পষ্ট হলেও পরম্পরাগত পরবর্তী পদক্ষেপটি হ’ল আমির এমন একটি প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন যিনি নতুন সরকার গঠন করবেন।
প্রধানমন্ত্রীকে সংহত করার গতি কুনার মতে, সরকার তাদের পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করেছিল, “জাতীয় সংসদ ও সরকারের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়নের আলোকে এবং জাতীয় স্বার্থের কি ওয়্যারেন্ট হতে পারে।”
সরকার ও সংসদের মধ্যে অন্যতম প্রধান বিরোধ ছিল প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রস্তাব।
৫ জানুয়ারী, বদির আল দাহুম, থেমার আল সুয়েত এবং খালেদ আল মোয়ানস, তিন সংসদ সদস্য প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রস্তাব দেন।
তারা কয়েকটি দফার অধীনে এই প্রস্তাবটি দায়ের করেছিল, যার একটিতে প্রধানমন্ত্রী কুয়েতি সংবিধানের ৯৮ অনুচ্ছেদ মেনে নিতে ব্যর্থ হয়েছেন যেটিতে বলা হয়েছে, “গঠনের পরে প্রত্যেক মন্ত্রণালয় জাতীয় সংসদে তার কর্মসূচি জমা দেবে এবং বিধানসভা যা প্রকাশ করতে পারে তা প্রকাশ করতে পারে মন্তব্য এটি উপযুক্ত বলে মনে করেন। ”
এর একদিন পর ৩৮ জন সংসদ সদস্য জিজ্ঞাসাবাদে সম্মত হন এবং একটি অভূতপূর্ব পদক্ষেপ স্থাপন করেন, কারণ কুয়েতের ইতিহাসে এটিই প্রথম যে অধিবেশন হওয়ার আগেই বেশিরভাগ সংসদ সদস্য একটি প্রস্তাবের পক্ষে ছিলেন।
কুয়েতে করোনায় আরো ৪৬৭ জন শনাক্ত, সুস্থ হয়েছে ৩৫৪ ও মৃত্যু ১জন।
কুয়েতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছে কুয়েতি ও প্রবাসীসহ ৪৬৮ জন, সুস্থ হয়েছে ৩৫৪ এবং মৃত্যু ১জন । মোট আক্রান্ত হয়েছে ১৫৮,২৪৪ জন। মোট মৃতের সংখ্য ৯৪৮ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫১,৪৯৬ জন। আজ সোমবার বিকেলে নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংএ বিষয়টি নিশ্চিত করা হয় । গত ২৪ ঘন্টায় করোনা টেস্ট করা হয়েছে ৮,৮০৭ জনকে, মোট টেস্টের সংখ্যা ১৪০৬,৩৫২জন । নিয়মিত চিকিৎসাধীন আছে ৫,৮০০ জন এবং আইসিইঊতে আছেন ৫৬ জন ।
মহামারি করোনারভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কুয়েতে দীর্ঘদিন বন্ধ রাখা হয়েছিল মসজিদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জুমার নামাজ আদায়ের জন্য ১৭ জুলাই থেকে দেশটিতে খুলে দেয়া হচ্ছে মসজিদ।
করোনাকালে কুয়েত স্বাভাবিক জীবনে ফেরার তাগিদে পাঁচ ধাপ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল সরকার। এরই অংশ হিসেবে আগেই মসজিদে ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের জন্য অনুমতি দেয়া হয়। আর আগামী শুক্রবার মসজিদগুলো খুলে দেয়া হচ্ছে জুম্মার নামাজ আদায়ের জন্য। এ অনুমতি দিয়েছে দেশটি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (আওয়াকাফ)।
জুম্মার নামাজ আদায়ের বিষয়ে কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে-
◾ জুম্মার নামাজের ৩০ মিনিট আগে মসজিদ খোলা হবে।
◾সর্বনিম্ন ১৮, সর্বোচ্চ ৫০ বছর বয়সীদের মসজিদে প্রবেশের অনুমতি রয়েছে।
◾প্রত্যেক মুসল্লিকে অবশ্যই ব্যক্তিগত জায়নামাজ সঙ্গে করে মসজিদে নিয়ে আসতে হবে এবং ব্যবহার করবেন।
◾জুম্মার খুতবা সংক্ষিপ্ত হবে। অর্থাৎ ৫ মিনিট এবং তুলনামূলক ছোট সুরা পড়তে হবে।
◾ শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করে প্রবেশ করার অনুমতি দেয়া হবে। যাদের শরীরের তাপমাত্রা ৩৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের অধিক হবে তাদের প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।
◾মসজিদে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
তবে যে সকল মসজিদগুলোতে বাংলা ভাষাসহ বিভিন্ন দেশের ভাষায় জুমার খুতবা পাঠ করা হতো সেটা আপাতত বন্ধ থাকবে। পরবর্তী ঘোষণার আগ পর্যন্ত আরবি ভাষায় খুতবা পাঠ করা হবে।