করোনায় আরও ৬ জনের মৃত্যু।

বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১, ০২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ১১ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত দেশে করোনায় ২৭ হাজার ৯৩৪ জন প্রাণ হারালেন। 

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২৬৬ জনের। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৭৩ হাজার ২১৪ জনে।

গত ২৪ ঘন্টায় ১৯ হাজার ৬৭০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন ২৫৭ জন। এখন পর্যন্ত মোট মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৩৭ হাজার ২২৪ জন। 

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। 

বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

উত্তর ইরাকের তুর্কি ঘাঁটিতে রকেট হামলা।

বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১, ০২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ১১ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় নেইনাভা প্রদেশে মোতায়েন তুরস্কের সামরিক বাহিনীর একটি ঘাঁটিতে রকেট হামলা হয়েছে। ইরাকের উত্তরাঞ্চলে তৎপর কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি বা পিকেকে গেরিলাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সেখানে তুর্কি সেনা মোতায়েন রয়েছে বলে আঙ্কারা দাবি করে আসছে।

ইরাকের আরবি ভাষায় আল-ফোরাত টেলিভিশন চ্যানেল এক রিপোর্টে জানিয়েছে, তিনটি রকেট ইরাকের বাশিকা অঞ্চলের জিলকান ঘাঁটি লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয় তবে সেগুলো বাকিয়ান গ্রামের কাছে গিয়ে পড়ে।

শেইখান জেলার মেয়র সরদার ইয়াহিয়া বলেন, দৃশ্যত মসুল শহর লক্ষ্য করে রকেটগুলো ছোড়া হয়েছে তবে সৌভাগ্য যে, স্থানীয় জনগণের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয় নি।

এর আগে গত ৮ নভেম্বর তুরস্কের এই ঘাঁটি লক্ষ্য করে অন্তত দুটি রকেট ছোঁড়া হয়। সেসময় রকেটগুলো ঘাঁটিতে আঘাত হানতে পারে নি, যার ফলে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটে নি।

পিকেকে গেরিলাদের দমনের নামে তুরস্ক ইরাকের উত্তরাঞ্চলে গত কয়ক বছর ধরে সেনা মোতায়েন করে রেখেছে। ইরাক সরকার বার বরা বলা সত্ত্বেও আঙ্কারা ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার করছে না। এ নিয়ে বাগদাদ ও আঙ্কারার মধ্যে রাজনৈতিক এবং সামরিক টানাপড়েন চলছে।

যুক্তরাজ্যের সম্মানজনক সন পদক পেলেন বাংলাদেশের মেরিনা।

বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১, ০২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ১১ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

বাংলাদেশের স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম পেলেন যুক্তরাজ্যের মর্যাদাপূর্ণ সন পদক-২০২১। লন্ডনের স্যার জন সন জাদুঘর কর্তৃপক্ষ প্রতিবছর এ পুরস্কারে ভূষিত করেন একজন স্থপতিকে তার কাজের মূল্যায়ন ও স্বীকৃতিস্বরুপ।

স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) এ পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে এই সম্মানে ভূষিত হন রাফায়েল মনেও, ডেনিস স্কট ব্রাউন এবং কেনেথ ফ্রাম্পটন।

বাংলাদেশের উপকূলে প্রায় সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগ লেগেই থাকে। বন্যার কবলে পড়ে রাতারাতি ঘরবাড়ি, জীবিকা হারিয়ে যায়। অনেক সময় পলি জমে সৃষ্টি হয় নতুন ভূমি, যাকে বলা হয় ‘চর’। আর এই চর দেশের অসহায় মানুষের আশ্রয়ের জায়গা হয়ে ওঠে। এটাই তাদের মাছ ধরার, চাষাবাদ করার ও পরিবার নিয়ে থাকার সুযোগ করে দেয়।

মেরিনা এই বদ্বীপ অঞ্চল নিয়ে কাজ করা শুরু করেন গত বছর যখন করোনা মহামারির মধ্যে মানুষের জীবন স্থবির হয়ে পড়ে। তিনি ঢাকায় বসে পরিকল্পনা করে ফেলেন কিভাবে ভাগ্যের বদল ঘটানো যায় এসব প্রতিকূল পরিবেশে থাকা মানুষগুলোর।

তিনি বলেন, একজন স্থপতি হিসেবে এসব মানুষের প্রতি আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। অবকাঠামোগত শিল্পায়ন বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণের ক্ষেত্রে অর্ধেক অবদান রাখে। কিন্তু উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষজনের এতে ভূমিকা শূন্য।

সম্প্রতি জলবায়ুবিষয়ক শীর্ষ সম্মেলন, কপ২৬ শেষ হওয়ার পরপরই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্যার জন সন জাদুঘর কর্তৃপক্ষ তার এই ধারণার প্রতি সম্মান জানিয়ে সন পুরস্কারে ভূষিত করলো তাকে।

মেরিনা ১৯৬৯ সালে রাজধানী ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা একজন চিকিৎসক ছিলেন। ১৯৯৫ সালে তিনি স্থপতিবিদ্যায় স্নাতক সম্পন্ন করেন। মেরিনা সুলতানি আমলের স্থাপত্যের আদলে নকশা করেন বায়তুর রউফ মসজিদ। এটি ২০১২ সালে ঢাকায় নির্মিত হয়। শৈল্পিক নকশার এই মসজিদের জন্য ২০১৮ সালে স্থপতি হিসেবে জামিল প্রাইজ পান তিনি। এর আগে একই নকশার জন্য ২০১৬ সালে তিনি সম্মানজনক আগা খান পুরস্কার লাভ করেন।

লি‌বিয়া থে‌কে দেশে ফির‌ছেন ১১৬ বাংলা‌দে‌শি।

বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১, ০২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ১১ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

লিবিয়ার দার্জ ডিটেনশন সেন্টারে আটক ৮৬ জনসহ মোট ১১৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফির‌ছেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় এসব বাংলাদেশিকে দে‌শে ফেরা‌নো হ‌চ্ছে।

আজ বুধবার (১৭ নভেম্বর) লি‌বিয়ার বাংলা‌দেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞ‌প্তি‌তে এ তথ্য জা‌নি‌য়ে‌ছে। দূতাবাসের দীর্ঘ প্রচেষ্টা এবং কূটনৈতিক যোগাযোগের পর লিবিয়ার দার্জ ডিটেনশন সেন্টারে আটক ৮৬ জনসহ মোট ১১৬ জন বাংলাদেশিকে আইওএম কর্তৃক ভাড়াকৃত লিবিয়ার বুরাক এয়ারের চার্টার্ড ফ্লাইটটি মেতিগা বিমানবন্দর হতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দে‌শের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। বুধবার (১৭ নভেম্বর) বেলা ১২টার দি‌কে তা‌দের বহনকারী উ‌ড়োজাহাজ‌টি ঢাকার বিমানবন্দ‌রে অবতরণ করার কথা র‌য়েছে। 

দূতাবা‌সের বিজ্ঞ‌প্তি‌তে উল্লেখ করা হয়, দার্জ ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের দেশে প্রত্যাবাসনের জন্য দূতাবাস হতে দীর্ঘদিন প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছিল। দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের মধ্যে কয়েকজন অসুস্থ এবং আরও ১১ জন ত্রিপলির তারিক সিক্কা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন।

রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল এস এম শামিম উজ জামানের অনুরোধের প্রেক্ষিতে আইওএম বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের প্রত্যাবাসনের জন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে চার্টার্ড ফ্লাইটটি পরিচালনা করতে সম্মত হয়। এই লক্ষ্যে দূতাবাস হতে দার্জ ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদেরকে ত্রিপলিতে স্থানান্তরের জন্য লিবিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অবৈধ অভিবাসন অধিদফতর, ইমিগ্রেশন অধিদফতর এবং আইওএমের স‌ঙ্গে চতুর্মুখী সমন্বয় করা হয়।

মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামে মুসল্লিদের জন্য চার চাকার অত্যাধুনিক রোবট চালু।

বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১, ০২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ১১ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামে মুসল্লিদের জন্য চার চাকার অত্যাধুনিক রোবট চালু করেছে সৌদি আরব। ওমরাহ পালন বিষয়ক জিজ্ঞাসার জবাবসহ ইসলামী পণ্ডিতদের সঙ্গে কথা বলার স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা এটি। বিদেশি ওমরাযাত্রীদের জন্য বিশ্বের ১১ ভাষায় তাৎক্ষণিক অনুবাদ সেবা দিয়ে যাচ্ছে অত্যাধুনিক এ রোবটগুলো।

আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, রুশ, ফার্সি, তার্কিশ, চাইনিজ, বাংলা ও হাউসাসহ মোট ১১ ভাষায় ইসলামী বিষয়ে নানা ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে মুসল্লিদের সহায়তা করবে রোবটগুলো। ২১ ইঞ্চির টাচস্ক্রিনের রোবটের সাহায্যে মুসল্লিরা যেকোনো উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে করণীয়, নানা ধরনের দিকনির্দেশনা ও মতপ্রকাশে সহায়তা পাবে। স্মার্ট স্টপেজ সিস্টেম অনুসরণ করে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির রোবটটি সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাফেরা করতে পারে।

সূত্রঃ আরব নিউজ।

কুয়েতে বেড়েছে নির্বাসন ( সফর) : সিকিউরিটি ফোর্স খুব তৎপর , বাংলাদেশী প্রবাসীদের বিশেষ সতর্কতা উচিৎ ….

বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১, ০২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ১১ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

কুয়েতে সাম্প্রতিক সময়ে বেড়েছে অভিবাসীদের সফর বা নির্বাসিত করার সংখ্যা!

রেসিডেনসিয়াল বা আকামা আইন লঙ্গন, সোশ্যাল মিডিয়ায় অবৈধ জিনিসের প্রদর্শন, হকার্স ও আইন বহির্ভূত বিভিন্ন কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে এই পর্যন্ত বেশ কিছু লোককে সফর বা নির্বাসিত করার ঘটনা ঘটেছে!

গতকাল কুয়েতের উজারা দাখেলিয়ার (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ভেরিফায়েড টুইটার একাউন্ট এর টুইট করে জানিয়েছে, গত ১০ নভেম্বর থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত কুয়েতের অভিবাসীদের ডিপোর্টেশন এর জন্য সংশ্লিষ্ট অথরিটি সর্বমোট ৪৬২ জন কে স্ব স্ব দেশে নির্বাসনে ( সফরে) পাঠিয়েছে ….. সাম্প্রতিক কালে বড় ধরনের অভিযানের পর, এমন বড় আকারের ডিপোর্টেশন এর ফ্যাক্ট হচ্ছে, কুয়েতের জাতীয় নিরাপত্তায় নিয়োজিত সিকিউরিটি ফোর্সেস অবৈধ অভিবাসী ও অন্যান্য আইন বহির্ভূত কাজে জড়িত থাকা অভিবাসীদের ” জিরো টলারেন্স ‘ দেখাচ্ছে।

স্যোশাল মিডিয়ায় অবৈধ পন্যের প্রচার, প্রসার, অশালীন টিকটক বা অগ্রহণযোগ্য – অশোভন আচরন, কুয়েতের রুলার্স ( নেতা ও নেতৃবৃন্দ) নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিরুপ মন্তব্য, কুয়েতের জাতীয় ও অন্যান্য সাইন, চিহ্ন বা মুদ্রাকে অসম্মান করা হতে বিরত থাকুন ….

আরেকটি কথা না বললেই নয়, ইসলামী মুল্যবোধে খুব সেন্সেটিভিটি দেখায় কুয়েত, আলহামদুলিল্লাহ!

আমাদের দেশের এক শ্রেণীর তরুণ মালিয়া, সালমিয়া ইত্যাদি ট্যুরের প্লেস সমুহে টিকটকে ভিডিও বানান, মাঝে মাঝে কিছু ভিডিও পাই যেগুলো দৃষ্টিকটু লাগে।

আপনার প্রবাস জীবন কোন সমস্যায় পতিত হউক তা আমরা কামনা করিনা, আর এটা ও মাথায় রাখবেন, কুয়েতে আপনি ই বাংলাদেশ 🙂

ব্লগিং সাইট : Kuwaitpagebd.com

পোল্যান্ড সীমান্তে শরণার্থীদের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ।

বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১, ০২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ১১ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

পোল্যান্ড-বেলারুশ সীমান্ত এলাকায় আটকে থাকা শরণার্থীদের সাথে পোলিশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে সংঘর্ষের এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও আলজাজিরা।

পোল্যান্ডের ন্যাশনাল ডিফেন্স মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সীমান্তের বেলারুশ অংশে আটকে থাকা শরণার্থীরা কুজনিকা বর্ডার পার হওয়ার চেষ্টা করে এবং পোলিশ নিরাপত্তারক্ষীদের ওপর পাথর নিক্ষেপ করে। জবাবে শরণার্থীদের বিরুদ্ধে জলকামান ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়।
পোলিশ এই মন্ত্রণালয়ের দাবি, ‘শরণার্থীরা পোল্যান্ডের সেনাদের ওপর পাথর দিয়ে হামলা করে এবং জোর করে পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করে। শরণার্থীদের আগ্রাসন রুখতে আমাদের বাহিনী টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করেছে।’

ইরাক থেকে যাওয়া শরণার্থীদের বেআইনিভাবে ঢোকার ব্যবস্থা করে দেওয়া নিয়ে পোল্যান্ড সীমান্তে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে বেলারুশের বিরুদ্ধে। শরণার্থীদের সহযোগিতারও অভিযোগ রয়েছে দেশটির বাহিনীর বিরুদ্ধে। শরণার্থী ইস্যুতে গত সপ্তাহের প্রথম থেকে পোলিশ-বেলারুশ সীমান্ত উত্তাল হয়ে ওঠে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নকে অস্থিতিশীল করতে শরণার্থীদেরকে সীমান্তের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলেও বেলারুশের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে। তবে বেলারুশ এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

অবশ্য গত সপ্তাহ থেকেই তীব্র শীত ও ঠান্ডা আবহাওয়ার মধ্যে ওই দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছেন হাজার হাজার শরণার্থী। আটকে পড়া এসব শরণার্থীদের বেশিরভাগই ইরাক থেকে যাওয়া।

সেখানে কার্যত প্রাণের সঙ্গে লড়াই করছেন হাজার হাজার শরণার্থী। প্রবল ঠান্ডার মধ্যে কোনোরকমে অস্থায়ী আশ্রয় তৈরি করে সেখানে অবস্থান করছেন তারা। সীমান্তের ওই এলাকায় নেই খাবার, এমনকি প্রয়োজনীয় পানিরও সংকট রয়েছে।

এদিকে সীমান্তে আটকে থাকা শরণার্থীদের ওপর পোল্যান্ডের নিরাপত্তারক্ষীদের টিয়ারগ্যাস ও জলকামান ব্যবহারের নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। বেলারুশের ঘনিষ্ঠ মিত্র এই দেশটি শরণার্থীদের ওপর শক্তিপ্রয়োগের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সূত্র : বিবিসি ও আলজাজিরা।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ আটক ৯৫।

বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১, ০২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ১১ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

টানা তিন ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশিসহ ৯৫ জন অবৈধ অভিবাসী আটক করেছে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ। মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) গভীর রাতে জালান দেওয়ান সুলতান সুলাইমান-১ এর পাঁচতলা দোকানঘরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এই অভিযানে প্রাথমিকভাবে ১৫০ জন অভিবাসীকে আটক করা হয়। পরে ৯৫ জনকে রেখে বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হয়। আটক ৯৫ জনের কোনো বৈধ কাগজ নেই। আটকদের মধ্যে ৫২ জন পুরুষ, ৪৩ জন নারী। বাংলাদেশি ছাড়াও আটকদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, নেপাল ও পাকিস্তানের নাগরিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন কুয়ালালামপুর ফেডারেল টেরিটরি ইমিগ্রেশন ডিরেক্টর স্যামসুল বদরিন মহসিন। তবে অভিযানে কতজন বাংলাদেশি আটক হয়েছেন নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আটকদের বেশিরভাগই নির্মাণ সাইটে পরিচ্ছন্নতা ও শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন। আটকদের বুকিত জলিল ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে। তাদের বিষয়ে তদন্ত করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মওলানা ভাসানীর ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী।

বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১, ০২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ১১ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

আফ্রো-এশিয়ার অবিসম্বাদিত নেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭৬ সালের এইদিনে তৎকালীন পিজি হাসপাতালে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। দিবসটি পালনে দেশের ডান-বাম-মধ্যপস্থিসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন নানান কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। টাঙ্গাইলের সন্তোষে মরহুমের কবরে ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও ঢাকায় আলোচনার সভার আয়োজন করা হবে। রাজধানী ঢাকা, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মজলুম জননেতা ভাসানীর ভক্ত, অনুরারিরা টাঙ্গাইলের সন্তোষের মাজারে শ্রদ্ধা জানাবেন। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাগপা, ন্যাপ, গণদলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এ ছাড়াও মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সকালে মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারতের মধ্যদিয়ে কর্মসূচির সুচনা করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং ক্যাম্পাসে অবস্থিত শাহ্ নাসিরউদ্দিন বোগদাদী এতিমখানায় কোরআন খতম ও এতিমদের জন্য খাবার পরিবেশন এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

মওলানা ভাসানীকে বলা হয়ে থাকে আফ্রো-এশিয়ার নেতা। সারাজীবন তিনি গণমানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে নিপীড়িত-নির্যাতিতদের পক্ষ্যে কথা বলেছেন। ১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের এই প্রতিষ্ঠাতা ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জ জেলার ধানগড়া গ্রামের জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাকনাম চেগা মিয়া। মাত্র ৫ বছর বয়সে মক্তবে ওস্তাদের কাছে তার পড়ালেখায় হাতেখড়ি। ৬ বছর বয়সে পিতৃহীন হন এবং ১২ বছর বয়সে মাকে হারান। ভাসানী ওস্তাদের কাছে মক্তবের পাঠ সমাপ্ত করেন এবং নিজ প্রচেষ্টায় উর্দু, ফার্সি, হিন্দি, অসমিয়া, আরবি ও ইংরেজি ভাষা শেখেন।

ময়মনসিংহের পীর সৈয়দ নাসিরউদ্দিন বোগদাদীর সংস্পর্শে তিনি দীর্ঘদিন ছিলেন। পরবর্তীতে আসান গমন করেন এবং ১৯০৮ সালে আসাম মুসলিম লীগের সভাপতি হন। ১৯১৫ সালে তিনি আসাম আঞ্জুমান ওলামার সভাপতি এবং ১৯১৬ সালে আসাম কংগ্রেসের সভাপতি হন। তিনি দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ, মাওলানা আজাদ সুবহানী ও মাওলানা আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে রাজনীতি করেন। ২৪ বছর বয়সের তরুণ মওলানা আসামে বাস্তুহারা বাঙালি জনগোষ্ঠীর প্রিয় হয়ে উঠেন। ব্রিটিশ সরকার ঘোষিত কুখ্যাত ‘লাইন প্রথার’ বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ১৯৩১ সালের এই সময়ে তিনি ব্রহ্মপুত্রের ভাসানচরে বসবাস করতেন। অসামান্য নেতৃত্বে মুগ্ধ হয়ে জনগণ তাকে ‘ভাসানী’ উপাধি দেন।

মওলানা ভাসানী ১৯৩৭ সালে বন্যাপ্লাবিত টাঙ্গাইলে আসেন। আস্তানা স্থাপন করেন কাগমারীতে। তার আসামের ১৩ বছরের জীবনে ৮ বছরই কারাগারে কেটেছে। বাঙালিদের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি আসাম আইনসভার সদস্য ছিলেন ১১ বছর। ১৯৪৬ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল মহকুমায় মওলানা ভাসানী নিখিল ভারত মুসলিম লীগের পক্ষে যে গণআন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন, তার ফলে মুসলিম লীগের পক্ষে বিপুল ভোট পড়ে। ১৯৪৮ সালে আসামের কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করে পূর্ব বাংলায় চলে আসেন।

আপসহীন সংগ্রামী নেতা ভাসানী রাজনৈতিক দূরদর্শিতায় ১৯৪৮ সালে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন শুরু হয়। ১৯৪৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান ঢাকা সফরে এলে মওলানা ভুখা মিছিলে নেতৃত্ব দেন। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা হলে তিনি দলের সভাপতি হন। ১৯৫৫ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের নাম থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি কেটে দেয়া এবং সম্রাজ্যবাদের পক্ষ্যে বিপক্ষ্যে অবস্থান নেয় নিয়ে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে তার মতবিরোধ ঘটে। তিনি দল ত্যাগ করে কৃষক সমিতি গঠন করেন। ১৯৫৭ সালে ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের উদ্দেশে ‘আসসালামু আলাইকুম’ উচ্চারণের মধ্য দিয়ে সংগ্রামের ডাক দেন। তিনি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বা ন্যাপ গঠন করেন। মওলানা ভাসানী ১৯৬৪, ১৯৬৫, ১৯৬৮ সালের আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে মওলানা ভাসানী ভারতে চলে যান এবং প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টামন্ডলীর সভাপতি হন। ১৯৭২ সালের ২ এপ্রিল ঢাকায় পল্টনের জনসভায় চোরাচালানের বিরুদ্ধে এবং ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষের প্রতিবাদে অনশন ধর্মঘট করেন। ১৯৭৬ সালে গঙ্গা নদীর পানি একতরফাভাবে ভারতের প্রত্যাহার এবং ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে সে বছর ১৬ মে ঐতিহাসিক ফারাক্কা মিছিলের নেতৃত্ব দেন। ###

অবশেষে মুশফিক বাদ’

মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর ২০২১, ০১ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ১০ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

ঘরের মাঠে ব্যর্থতার পর বিশ্বমঞ্চেও ব্যাট হাতে তেমন কিছু করতে পারেননি মি. ডিপেন্ডেবল খ্যাত মুশফিকুর রহিম। কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, আসন্ন পাকিস্তান সিরিজে টাইগার স্কোয়াড থেকে বাদ পড়তে পারেন তিনি। এবার সেই গুঞ্জনই সত্যি হলো।

মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে অধিনায়ক করে ১৬ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে। বাদ পড়েছেন সৌম্য সরকার, লিটন দাস এবং মুশফিকুর রহিম।

বাজে পারফরম্যান্সের কারণে প্রত্যাশিতভাবেই বাদ সৌম্য-লিটন। তবে মুশফিকের বাদ পড়া নিয়ে জোর আলোচনা হচ্ছে। এমনও শোনা যাচ্ছে, হয়ত মুশফিকের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারও শেষ হয়ে গেল! তবে সেসব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেন, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের অধীনে সামনে অনেকগুলো টেস্ট আছে। আর তাই তাকে সেই ম্যাচগুলোর জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হতেই এখন বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে।

নান্নু আরও বলেন, মুশফিক আমাদের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার। পরপর চারটি টেস্ট ম্যাচ আছে আমাদের। ঘরের মাঠে পাকিস্তানের পর নিউজিল্যান্ডের মাটিতে গিয়েও দুটি টেস্ট খেলতে হবে। আমরা চাচ্ছি, মুশফিক যেন এখন থেকেই সেই ম্যাচগুলোর জন্য প্রস্তুতি নিয়ে সেরাটা দিতে পারে। আর এ জন্যই এখন তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে।

আগে থেকেই জানা গিয়েছিল চোটের কারণে পাকিস্তান সিরিজের টি-টোয়েন্টি খেলতে পারছেন না তামিম। নেপালের এভারেস্ট প্রিমিয়ার লিগ (ইপিএল) খেলতে গিয়ে বাঁ হাতে চোট পেয়ে মাসখানেকের জন্য মাঠের বাইরে চলে যান তামিম। এরপর ছিটকে গেলেন পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ থেকেও। আর তাই টেস্ট সিরিজে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভরসা হয়ে উঠছেন মুশি।

গত জুলাই থেকেই লাল-সবুজের জার্সিতে খেলছেন না তামিম। হাঁটুর চোটে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে পারেননি। এমনকি ছিলেন না টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও।

বিশ্বকাপ চলাকালেই টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান এবং সাইফুদ্দিনও ইনজুরির কাছে হার মেনে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। আর তাই পাকিস্তান সিরিজে তাদেরও পাওয়া যাবে না।

বাংলাদেশের বিপক্ষে দুটি টেস্ট ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি সিরিজের সব ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। ১৯ নভেম্বর মাঠে গড়াবে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। পরের দুই টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে ২০ ও ২২ নভেম্বর। সিরিজের সবগুলো ম্যাচই হবে দিবারাত্রির।

টি-টোয়েন্টি শেষে দুই দল যাবে চট্টগ্রামে। সেখানে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। ২৬ নভেম্বর মাঠে গড়াবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। এরপর ৪ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। সুত্রঃ সময় নিউজ।