ঝুলে আছে ষাটোর্ধ (৬০) প্রবাসীদের একামা নবায়ন’

মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর ২০২১, ০১ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ১০ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

কুয়েতে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়স এবং যাদের স্নাতক সার্টিফিকেট নেই, তারা অনিশ্চয়তার জগতে বসবাস চালিয়ে যাচ্ছে, যদিও হাইকোর্ট ও ফতোয়া বিভাগের মতামতে নিষেধাজ্ঞা বাতিল করেছে সরকার।

স্থানীয় পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে জানা গেছে যে, বাণিজ্য মন্ত্রীর সভাপতিত্বে কয়েকটি বৈঠক হয়েছে, বৈঠকে বাৎসরিক ৫০০ দিনার বীমা নির্ধারণ করা হয়, তবে এখনো আনুষ্ঠানিক একামা নবায়ন শুরু হয়নি।

সুত্রমতে, শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের (PAM) এর বোর্ড অব ডাইরেক্ট এখনো ৬০ বছর বয়সী প্রবাসীদের একামা নবায়ন চুড়ান্ত করেনি।

তবে যাদের ডিগ্রীর সনদ রয়েছে, তাদের একামা নবায়ন অব্যাহত রয়েছে।

আল আনবা পত্রিকা জানিয়েছে যে, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী ড.আবদুল্লাহ আল-সালমান, বীমা সংস্থাগুলির ইউনিয়ন কতৃক একটি নথি জমা দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন, যা এই বিভাগের ক্ষমতার সাথে সংশ্লিষ্ট, বীমা সংস্থার প্রস্তাবনা পাওয়ার পর সর্বাগ্রে PAM পরিচালনা পর্ষদের সভা ডেকে অনুমোদন করা হবে।

বিশ্বের ১০টি শক্তিশালী মুদ্রার তালিকার শীর্ষে কুয়েতি দিনার”

মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর ২০২১, ০১ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ১০ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

কুয়েতি দিনার বিশ্বের ১০টি শক্তিশালী মুদ্রার তালিকার শীর্ষে রয়েছে।

Scoop Whoop তথ্য অনুসারে মার্কিন ডলারের বিপরীতে প্রতিটি মুদ্রার বিনিময় হারের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের শক্তিশালী মুদ্রাগুলির সর্বশেষ শ্রেণী বিভাগে স্থান দেওয়া হয়। রিপোর্ট দৈনিক আল-আনবার।

Scoop Whoop তাদের প্রতিবেদনে ব্যাখ্যা করেছে যে, মার্কিন ডলার এবং স্টার্লিং পাউন্ডের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রার শক্তির রেটিং দেশের অর্থনৈতিক শক্তি, বাণিজ্য ভারসাম্য এবং বাজেটের অবস্থাকে প্রতিফলিত করে না।

কুয়েতি দিনারকে বিনিময় হারের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রার শীর্ষে ঘোষণা করা হয়েছে, এবং এটি ১৯৬০ সালে ইস্যু হওয়ার পর থেকে এটি বিশ্বে সবচেয়ে মূল্যবান মুদ্রা হয়ে উঠেছে।

‘ক্ষমা না চাইলে পাকিস্তানের এই দেশে খেলার দরকার নেই’,,,?

সোমবার, ১৫ নভেম্বর ২০২১, ৩০ কার্তিক ১৪২৮, ০৯ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

লাহোর, রাওয়ালপিন্ডি, করাচি কিংবা ইসলামাবাদ নয়। স্বাধীন বাংলার মিরপুর। সেই মিরপুর, একাত্তরে যেখানে নিরীহ বাঙালিদের ওপর গণহত্যায় মেতেছিল পাক হানাদাররা। সেই মিরপুরে আবারও উড়ল পাকিস্তানের পতাকা, তাও কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই।

এ বিষয়ে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির সময় নিউজকে বলেন, পাকিস্তানীদের এই ঔদ্ধত্যের কারণও আছে। যারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী ছিল; জামায়াত ইসলামী এবং তাদের সহযোগীরা এখনও আছে। তরুণদের মধ্যে তাদের একটা বিরাট প্রভাব আছে। পাকিস্তানের প্রেম আছে। সুতরাং আমি মনে করি, পাকিস্তানকে এব্যাপারে কোয়েশ্চেন করতে হবে, কৈফিয়ত চাইতে হবে এবং তাদের এই ঔদ্ধত্যের জন্য বাংলাদেশের কাছে অবশ্যই ক্ষমা চাইতে হবে। না হলে তাদের ক্রিকেট টিমের এই দেশে খেলবার কোনো দরকার নেই।

এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী ও বিসিবির সাবেক পরিচালক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সিরাজউদ্দীন মোহাম্মাদ আলমগীর বলেন, বিশ্বকাপের সময় তারা কিন্তু তাদের পতাকা উড়িয়ে অনুশীলন করেছিল। এটা নিয়ে কিন্তু সমালোচনা হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা উড়িয়ে অনুশীলন করা এটা কিন্তু আমাদের অনেকের সেন্টিমেন্টের বিষয় আছে। পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা আমাদের দেশে বা স্টেডিয়ামগুলোতে উড়বে আর আমরা স্বাধীন দেশের মানুষ মেনে নেব সেটা কিন্তু আমরা কেউই কামনা করি না। ভবিষ্যতে ক্রিকেট বোর্ড এ বিষয়ে আরও সতর্ক হবে বলে মনে করি।

আইসিসির নিয়মানুসারে কোনো ইভেন্ট কিংবা দ্বিপাক্ষিক সিরিজ চলাকালীন দুই দেশের পতাকা উড়তেই পারে। তবে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের অনুশীলনেই সেটা কেন উড়াতে হবে! তাদের এমন দৃশ্যে যেন চক্ষু চড়কগাছ সবার।

গেল ২১ বছর ঘরের মাঠে আইসিসির সব দলকেই আতিথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। এমন দৃশ্য হয়ত দেখা যায়নি এর আগে।

ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, পতাকাগুলো এমন স্থানে টানানো হয়েছে। ক্যামেরার লেন্সে তা এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। তার মানে, খুব সচেতনভাবেই করা হয়েছে কাজটি। যার পেছনে থাকতে পারে ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য। যদিও এ নিয়ে মন্তব্য করেননি কেউই, মন্তব্য আসেনি বিসিবির পক্ষ থেকেও।

খেলাধুলার সঙ্গে রাজনীতি মেশানোর কোনো সুযোগ নেই। তবে অতি উদারতার পরিণামও ডেকে আনে না ভালো কিছুই। বিষয়টি নিশ্চয়ই অজানা নয় বিসিবিরও। ক্রিকেটীয় মোটিভের সুযোগে, যেন ভিন্ন কোনো এজেন্ডা বাস্তবায়ন না হয়, সেই দায়িত্বটা কাঁধে তুলে নিতে হবে দেশের ক্রিকেটের অবিভাবক সংস্থাকেই।

এদিকে, দুইদিন আগে ঢাকায় পা রেখেছে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। মাঝখানে দুইদিন বিরতি নিয়ে সোমবার (১৫ নভেম্বর) মাঠে অনুশীলনে নামে তারা। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজকে সামনে রেখে সকাল সাড়ে ১০টায় মিরপুরের একাডেমি মাঠে প্রথম দিনের অনুশীলন শুরু করে পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা। তবে এদিন দলের সঙ্গে দেখা যায়নি মোহাম্মদ রিজওয়ানকে।

বাংলাদেশের বিপক্ষে দুটি টেস্ট ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি সিরিজের সব ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। ১৯ নভেম্বর মাঠে গড়াবে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। পরের দুই টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে ২০ ও ২২ নভেম্বর। সিরিজের সবগুলো ম্যাচই হবে দিবারাত্রির।

টি-টোয়েন্টি শেষে দুই দল যাবে চট্টগ্রামে। সেখানে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। ২৬ নভেম্বর মাঠে গড়াবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। এরপর ৪ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।

ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে রড।

সোমবার, ১৫ নভেম্বর ২০২১, ৩০ কার্তিক ১৪২৮, ০৯ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

দেশের বাজারে নির্মাণসামগ্রীর অন্যতম প্রধান উপকরণ রডের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। বিশেষ করে কয়েকদিন ধরে প্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে রডের দাম। এতে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে এই নির্মাণসামগ্রীর দাম।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখন ভালো মানের (৬০ গ্রেডের ওপরে) এক টন রডের দাম খুচরা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৮১ হাজার টাকা। এর আগে দেশে রডের সর্বোচ্চ দাম উঠেছিল ওয়ান/ইলেভেনের (২০০৭ সালের ১১ নভেম্বর সারাদেশে ছড়িয়ে পড়া সহিংসতা-হানাহানি) সময়। সে সময় দেশজুড়ে দেখা দেওয়া অনিশ্চয়তার মধ্যে এক টন রড বিক্রি হয়েছিল ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

রডের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে রডের কাঁচামাল স্ক্র্যাপের দাম বেড়েছে। এর সঙ্গে বেড়েছে তেল ও গ্যাসের দাম। পাশাপাশি জাহাজ ভাড়া বেড়েছে। সব মিলিয়ে রডের কাঁচামাল আমদানি করে আনতে বাড়তি অর্থ গুনতে হচ্ছে। মূলত এ কারণেই রডের দাম বেড়েছে।

তারা জানান, মহামারি করোনার কারণে নির্মাণকাজে কিছুটা ধীরগতি দেখা দিয়েছিল। তবে এখন নির্মাণকাজ অনেক বেড়ে গেছে। ফলে বেড়েছে রডের চাহিদা। একদিকে স্ক্র্যাপের দাম বাড়ার পাশাপাশি বাড়তি চাহিদাও রডের দাম বাড়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে।

খুচরা ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন (১৪ নভেম্বর) ভালো মানের বা ৬০ গ্রেডের এক টন রড কোম্পানিভেদে বিক্রি হচ্ছে ৭৭ থেকে ৮১ হাজার টাকা। এর মধ্যে গত এক সপ্তাহেই টনপ্রতি রডের দাম বেড়েছে দুই থেকে তিন হাজার টাকা।

তারা বলছেন, এর আগে ওয়ান/ইলেভেনের সময় দেশজুড়ে দেখা দেওয়া অনিশ্চয়তার মধ্যে ভালো মানের এক টন রডের দাম ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত ওঠে। সে সময় দেশের ভেতর অস্থিরতা থাকলেও এখন সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক। কোনো ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা নেই। তারপরও প্রায় প্রতিদিন রডের দাম বাড়ছে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা আরও বলছেন, সাধারণত রডের দাম ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে বাড়ে। এবার কয়েক মাসে আগ থেকেই রডের দাম বাড়া শুরু হয়েছে। এখন যে হারে রডের দাম বাড়ছে তাতে আগামী ফেব্রুয়ারি-মার্চে এক টন রডের দাম ৯০ হাজার টাকা হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

এদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এখন ৬০ গ্রেডের রড ৩২ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে গত এক সপ্তাহে বেড়েছে ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ। খুচরা পর্যায়ে ৬০ গ্রেডের রড ৭৮ হাজার ৫০০ থেকে ৮০ হাজার ৭০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে, যা এক বছর আগে ছিল ৭৩ হাজার থেকে ৭৫ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে।

রডের দামের বিষয়ে পুরান ঢাকার নওয়াব ইউসুফ রোডের ব্যবসায়ী তিয়াস জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে রডের ব্যবসা করছি। এর আগে কখনো এভাবে রডের দাম বাড়তে দেখিনি। এখন প্রায় প্রতিদিন রডের দাম বাড়ছে। রাতে যে দামে বিক্রি করছি, সকাল হতেই দেখা যাচ্ছে টনে ৫০০ টাকা বেড়ে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, সাধারণত ফেব্রুয়ারি-মার্চে নির্মাণকাজ বেশি হয়। তাই এই সময়ে রডের চাহিদাও বেশি থাকে। কিন্তু এবার একটু আগেভাগেই রডের চাহিদা বেড়েছে। করোনার কারণে বন্ধ থাকা বিভিন্ন নির্মাণকাজ আবার গতি ফিরে পেয়েছে। তাছাড়া সরকারও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করছে। সবমিলিয়ে এখন বাজারে রডের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

কদমতলী স্টিল মিলস প্রাইভেট লিমিটেডের (কেএসএমএল) চেয়ারম্যান আজিজ আহমেদ রডের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে জাগো নিউজকে বলেন, রডের কাঁচামাল স্ক্র্যাপের দাম অনেক বেড়ে গেছে। এছাড়া জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। শুল্ক করও বেড়েছে। আবার রডের কেমিক্যাল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এই কেমিক্যালের দামও বেড়েছে। সবকিছু মিলিয়েই এখন রডের দাম বেশি।

এর আগে দেশের বাজারে রড এত বেশি দামে বিক্রি হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এর আগে কখনো এত দামে রড বিক্রি হতে দেখিনি। সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে সামনে রডের দাম আরও বাড়তে পারে।

বিএসআরএম স্টিলের কোম্পানি সচিব শেখর রঞ্জন কর জাগো নিউজকে বলেন, আজ (১৪ নভেম্বর) আমাদের রডের দাম ৮০ হাজার টাকায় উঠেছে। এটাই ইতিহাসের সর্বোচ্চ। এর আগে কখনো রডের এত দাম হয়নি। আন্তর্জাতিক বাজারে স্ক্র্যাপের দাম বাড়ার কারণে রডের দামও বেড়েছে। গত বছরের তুলনায় এখন স্ক্র্যাপ প্রায় ২০ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

সামনে রডের দাম আরও বাড়ার সম্ভাবনা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে স্ক্র্যাপের দাম বাড়লে সামনে দাম আরও বেড়ে যেতে পারে। স্ক্র্যাপের দাম কমলে রডের দাম ধপ করে পড়ে যাবে। এটা সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভর করছে। তবে স্ক্র্যাপের দাম কমার কোনো সম্ভাবনা আমরা দেখছি না।

শেখর রঞ্জন কর বলেন, সরকার অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করছে। সব জায়গায় কাজ ধরে বসে আছে সরকার। আবার রডের দাম বাড়ার কারণ এমনও হতে পারে যে, আজ না কিনলে আগামীকাল দুই হাজার টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হবে; এটাও অনেকের মাথায় কাজ করে। অবশ্য রডের দাম বাড়লেও চাহিদায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কনস্ট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রির (বিএসিআই) সভাপতি প্রকৌশলী সফিকুল হক তালুকদার সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দেশের নির্মাণ খাত প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ৫০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান করে থাকে। নির্মাণ শিল্পের মূল উপাদান এমএস রডসহ এ খাতের

প্রায় সব প্রকার দ্রব্যাদির মূল্য অস্বাভাবিকভাবে অনবরত বাড়ছে। শ্রেণিভেদে দ্রব্যের এ মূল্যবৃদ্ধির হার প্রায় ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ। এছাড়া এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত শ্রমিক মজুরিও প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ বেড়েছে।

অন্যদিকে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের ব্যয়ও সে অনুপাতে বাড়বে। এমতাবস্থায় চলমান অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির প্রবণতা রোধ সম্ভব না হলে প্রকল্পের সব নির্মাণকাজে স্থবিরতা দেখা দেবে এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন অসম্ভব হয়ে পড়বে।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল গ্রিস যাচ্ছে।

সোমবার, ১৫ নভেম্বর ২০২১, ৩০ কার্তিক ১৪২৮, ০৯ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

গ্রিসের রাজধানীতে ’বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেন্টেনিয়াল স্কুল প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম পরিদর্শনের জন্য প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী মো. ইমরান আহমদের নেতৃত্বে সাত সদস্য বিশিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল আগামী ২৫ নভেম্বর পাঁচ দিনের সফরে গ্রিস যাচ্ছেন।
প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছেন, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ মনিরুছ সালেহীন, ওয়েজআর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর অফিসের মহাপরিচালক মো.সারওয়ার আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ডি এম সালাহ উদ্দিন মাহমুদ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বিশ্বজিৎ ভট্টচার্য খোকন ও পিডব্লিউডি’র সুপারিটেনডিং ইঞ্জিনিয়ার কাজী মো. ফিরোজ হাসান। প্রতিনিধি দল আগামী ১ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন।

বাংলাদেশ-সংযুক্ত আরব আমিরাত যৌথ কমিশনের সভা।

সোমবার, ১৫ নভেম্বর ২০২১, ৩০ কার্তিক ১৪২৮, ০৯ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

বাংলাদেশ-সংযুক্ত আরব আমিরাত যৌথ কমিশন-এর ৫ম সভা সোমবার (১৫ নভেম্বর) ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আহমেদ আলী আল সায়েগ যৌথভাবে সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সশরীরে এবং ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত সভায় উভয় প্রতিনিধিদলের দলনেতা ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন। উভয় দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়, বাংলাদেশ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত উভয়ই একই সময়ে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করছে। ১৯৭৪ সালে আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংযুক্ত আরব আমিরাতে সরকারী সফরে প্রয়াত শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের ঐতিহাসিক সাক্ষাতের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে একটি শক্তিশালী বন্ধুত্বের ভিত্তি স্থাপিত হয়। আমাদের উভয় সরকারই সেই পথ অনুসরণ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং উন্নয়ন সহযোগিতা সংক্রান্ত আমাদের সম্ভাবনাকে আরও কাজে লাগাতে আগ্রহী। অর্থমন্ত্রী সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশী কর্মী ও পেশাজীবীদের আরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য আরো বৃদ্ধির জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি আহ্বান জানান।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে করোনা পূর্ব গত এক দশক গড়ে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে পরিচিত। আশা করা যায় আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত দেশে পরিণত হবে। বাংলাদেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে সংযুক্ত আরব আমিরাত অভিন্ন বিভিন্ন স্বার্থের বিষয়ে বাংলাদেশকে যে সহযোগিতা ও সমর্থন পেয়েছে তা অবশ্যই উল্লেখযোগ্য। অধিকন্তু অর্ধ মিলিয়নেরও বেশি বাংলাদেশী নাগরিক সংযুক্ত আরব আমিরাতে খ্যাতি ও মর্যাদার সাথে সেবা প্রদান করছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন সেক্টরে বিশেষ করে পেশাদার, দক্ষ, আধা-দক্ষ এবং অ-দক্ষ জনশক্তির জন্য এখনও প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি আমাদের বন্দর এবং বড় অবকাঠামোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ, তথ্য প্রযুক্তি এবং যোগাযোগ; কৃষি, মহাকাশ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী, চিকিৎসা সেবা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পিপিপি ইত্যাদি ক্ষেত্রে শিল্প বিনিয়োগের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।

সভায় উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রের নানাবিধ বিষয় পর্যালোচনা করে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য ক্ষেত্রসমূহ চিহ্নিত করে। ক্ষেত্রসমূহ হলো- দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন সংক্রান্ত; জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও কনস্যুলার খাত; বেসরকারি বিমান চলাচল, পর্যটন ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্র; বিনিয়োগ সংক্রান্ত; আবুধাবি উন্নয়ন ফান্ডের মাধ্যমে সহযোগিতা বৃদ্ধি; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাত; তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাত; শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাত; সামুদ্রিক পরিবেশ উন্নয়ন খাত; কৃষি ক্ষেত্র; স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্যশিক্ষা খাত এবং মানবিক ও দাতব্য সংক্রান্ত সহযোগিতা।

ইইউ বাংলাদেশের নির্বাচন ‘নজরে রাখবে’।

সোমবার, ১৫ নভেম্বর ২০২১, ৩০ কার্তিক ১৪২৮, ০৯ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

বাংলাদেশে নির্বাচন স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক দেখার আশা প্রকাশ করে ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি বলেছেন, তারা এই প্রক্রিয়া ‘গভীরভাবে নজরে’ রাখবে।

সোমবার ঢাকার একটি হোটেলে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ডিক্যাব টকে একথা বলেন তিনি।

ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমরা বিদেশি হয়ে নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে চাই না। তবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অবস্থান, উন্নয়ন ও অর্থনীতির পাওয়ারহাউজ এবং উন্নয়নে অংশীদারিত্বের কারণে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় খুবই আগ্রহী।

“এখনও দুই বছর দূরে হলেও আমরা এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় গভীরভাবে নজর রাখব।”

জাতীয় নির্বাচনের দুই বছরের বেশি সময় বাকি থাকার মধ্যে মেয়াদ শেষের পথে থাকা নির্বাচন কমিশন গঠন এবং নির্দলীয় সরকার গঠন করতে বিএনপির দাবি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য চলছে।

‘নিরপেক্ষ সরকারের’ কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে ‘নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের’ পরিচালনায় ‘গ্রহণযোগ্য’ নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে বিএনপি

অন্যদিকে আওয়ামী লীগ বলছে, বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতায় রেখে গত দুই বারের মতোই আগামী নির্বাচন হবে।

বিবাদমান রাজনৈতিক দলগুলোর পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন ইউরোপীয় দেশগুলোর জোটের প্রতিনিধি চার্লস হোয়াইটলি।

তিনি বলেন, “নির্বাচন কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়। এটি সুস্পষ্টভাবে একটি প্রক্রিয়া যেখানে দীর্ঘ প্রস্তুতির ব্যাপার থাকে। আমরা ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতির সূচনা দেখেছি। আইনি বিষয়াদি ও রাজনৈতিক দলগুলোর আচরণ আমরা দেখতে পাচ্ছি।”

নির্বাচন ঘিরে প্রত্যাশার কথা জানিয়ে ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, “এটা অনেক বড় প্রক্রিয়া, বাংলাদেশের মানুষ ভোটের দিন সকালে উঠে যাতে বুঝতে পারে, তার ভোটটি গণনা করা হয়েছে এবং তাদের ভোট দেওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে।”

ডিক্যাব সভাপতি পান্থ রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম মঈনউদ্দীন বক্তব্য দেন।

সুত্র ঃ- https://www.facebook.com/318792851589933/posts/2482305595238637/

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সফরে গেলেন সেনাপ্রধান।

সোমবার, ১৫ নভেম্বর ২০২১, ৩০ কার্তিক ১৪২৮, ০৯ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ দুই দিনের সরকারি সফরে সোমবার সকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। সফরকালে সেনাবাহিনীর প্রধান সংযুক্ত আরব আমিরাতের সেনাবাহিনী প্রধান এর সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নিবেন এবং দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করবেন। এছাড়াও জেনারেল শফিউদ্দিন আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের সেনাবাহিনীর চিফ অফ স্টাফ লেফটেনেন্ট জেনারেল হামাদ এম থানি আল-রুমাইথি এর আমন্ত্রণে দুবাইতে অনুষ্ঠিতব্য International Dubai Air Show-2021 অবলোকন করবেন। সফর শেষে আগামী ১৮ নভেম্বর সেনাবাহিনী প্রধান দেশে ফিরবেন। সোমবার দিবাগত রাতে আইএসপিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সব তথ্য জানানো হয়েছে।

শ্রমবাজারে ফিরছে সুদিন।

সোমবার, ১৫ নভেম্বর ২০২১, ৩০ কার্তিক ১৪২৮, ০৯ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

বৈশ্বিক করোনা মহামারির পর বহির্বিশ্বের শ্রমবাজারে ফিরছে সুদিন। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে রিসিভিং কান্ট্রিগুলোতে পুরোদমে জনশক্তি রফতানি শুরু হয়েছে। করোনার পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বাংলাদেশি কর্মীর চাহিদা ব্যাপক হারে বাড়ছে। জনশক্তি রফতানির সর্বোচ্চ শ্রমবাজার সউদী আরবে ভিসা ইস্যুর সংখ্যা কয়েকগুণ বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ভ্রাতৃপ্রতীম মুসলিম দেশগুলোর সাথে বর্তমান সরকারের কূটনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। এ সুবাদে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে কর্মী নিয়োগের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। জনশক্তি রফতানিতে গতি বাড়ায় মধ্যপ্রাচ্যভিত্তি এয়ারলাইন্সগুলো বাংলাদেশ থেকে পুরোপুরি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে।

দীর্ঘদিন পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিজিট ভিসার পাশাপাশি এমপ্লমেন্ট ভিসা ইস্যু শুরু হয়েছে। ফলে আগামী ২০২২ সালে জনশক্তি রফতানিতে রেকর্ড পরিমাণ সাফল্য অর্জিত হবার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। একাধিক জনশক্তি রফতানিকারক এ অভিমত ব্যক্ত করেছেন। রেমিট্যান্স আয়ের ওপর ভর করেই দেশের জাতীয় অর্থনীতির চাকা সচল রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এক কোটিরও বেশি বাংলাদেশি নারী-পুরুষ কর্মী কঠোর পরিশ্রম করে প্রচুর রেমিট্যান্স দেশে পাঠাচ্ছেন।

অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসী আয়ের গুরুত্ব অনেক। করোনাকালে দেশের অর্থনীতি যখন স্থবির ছিল, যখন গভীর সঙ্কটে নিমজ্জিত গুরুত্বপূর্ণ সব খাত, এ সঙ্কটের মধ্যেও প্রবাসী আয়ে রেকর্ড গড়েছিল বাংলাদেশ। স্থবির অর্থনীতিতে শক্তি যুগিয়েছিল সচল রেমিট্যান্স প্রবাহ। তবে চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে হঠাৎ করেই ধীরগতি দেখা যায় প্রবাসী আয়ে। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই থেকেই রেমিট্যান্সের প্রবাহ কমতে শুরু করে। সদ্যবিদায়ী অক্টোবর মাসেও রেমিট্যান্স আয়ে ধীরগতি অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এতে দেখা যায়, অক্টোবরে দেশে ১৬৫ কোটি ডলারেরও কম রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত ১৭ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। আগের মাসে অর্থাৎ সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৭২ কোটি ৬২ লাখ ডলার। এর আগে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের মে মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৫০ কোটি ৪৬ লাখ ডলার। এরপর থেকে আর এতো কম রেমিট্যান্স আসেনি। রেমিট্যান্সের এই প্রবাহ গত সেপ্টেম্বরের তুলনায় সাড়ে ৪ শতাংশ এবং গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় সাড়ে ২১ শতাংশ কম। সবমিলিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাস জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত রেমিট্যান্স কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ। করোনাকালে প্রবাসীদের আয় কমে যাওয়াসহ বেশকিছু কারণে রেমিট্যান্স কমেছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। তারা বলছেন, করোনা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় ফের হুন্ডি প্রবণতা বেড়েছে। এতে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী আয় কমে গেছে।

বিএমইটির সূত্র জানায়, চলতি বছর গত জানুয়ারি থেকে গত অক্টোবর মাস পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৮৪৪ জন নারী-পুরুষ কর্মী বিদেশে গেছে। এর মধ্যে অক্টোবর মাসেই সউদীতে গেছে ৫১ হাজার ৪২৫ জন কর্মী। একই মাসে ওমানে চাকরি নিয়ে গেছে ৫ হাজার ১০১ জন কর্মী। প্রবাসী কর্মীর চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় সউদী নিয়োগকারীরা প্রতিনিয়ত বাংলাদেশ থেকে প্রচুর কর্মী নিয়োগের চাহিদাপত্র ইস্যু করছে। ঢাকাস্থ সউদী দূতাবাস কর্তৃপক্ষ গত দু’সপ্তাহ প্রচুর ওয়ার্ক ভিসা ইস্যু করছে। দূতাবাস থেকে প্রতিদিন কোনো কোনো রিক্রুটিং এজেন্সি ৩০ থেকে ৪০টি ওয়ার্ক ভিসা হাতে পেয়েছিল। আগে দূতাবাসে ৩০টি পাসপোর্ট জমা দিলে মাত্র ১০ থেকে ১১টি ভিসা মিলত। গত রোববার থেকে সউদী দূতাবাস পুনরায় ভিসা ইস্যুর সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছে। এতে অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হবার পথে। ফলে সউদীগামী কর্মী ও রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা চরম হতাশায় ভুগছেন।

বাংলাদেশে স্বচ্ছ নির্বাচন চায় যুক্তরাজ্য।

সোমবার, ১৫ নভেম্বর ২০২১, ৩০ কার্তিক ১৪২৮, ০৯ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

যুক্তরাজ্যের কমনওয়েলথ, জাতিসংঘ ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী লর্ড তারিক আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশে স্বচ্ছ ও অবাধ নির্বাচন প্রত্যাশা করে যুক্তরাজ্য। প্রত্যেক দেশের গণতন্ত্রের জন্যই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন প্রয়োজন। সে কারণে বাংলাদেশেও স্বচ্ছ ও অবাধ নির্বাচন প্রত্যাশা করে যুক্তরাজ্য।

গতকাল ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের অংশীদারত্বের অগ্রগতি’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তারিক আহমেদ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাংলাদেশের নেতৃত্বকে স্বাগত জানায় যুক্তরাজ্য। বাংলাদেশ ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) চেয়ারের দায়িত্ব পেতে চলেছে। আমরা আশা করি বাংলাদেশ খুব ভালোভাবে এর নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাবে।

তারিক আহমেদ আরো বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা করছে। এই সংকট সমাধানে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। বাংলাদেশের শিক্ষার উন্নয়নে যুক্তরাজ্য সহায়তা দিয়ে আসছে। এই খাতে যুক্তরাজ্য আর ৫৪ মিলিয়ন ইউরো সহায়তা দেবে বলে জানান তিনি। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরে দুই দেশের সম্পর্কে আরও অগ্রগতি হবে। যুক্তরাজ্য ভ্রমণের রেড লিস্ট থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ায় দেশটিকে ধন্যবাদ জানান পররাষ্ট্রসচিব।

সুত্র ঃ- https://www.facebook.com/318792851589933/posts/2482379185231278/