শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ৬ কার্তিক ১৪২৮
কুয়েত মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগত যাত্রীদের দৈনিক ১০,০০০ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও, বিমান পরিবহন বাজারে এখনও ফ্লাইট টিকিটের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে ।
কুয়েতে আগতদের ক্ষেত্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছেন’ভ্রমণ ও পর্যটন ইউনিয়নের প্রধান মোহাম্মদ আল-মুতাইরি, প্রতিবেদন দৈনিক আল-কাবাসের।
মিঃ মুতাইরি ব্যাখ্যা করেছেন যে, ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ফিলিপাইন থেকে আগতদের জন্য টিকিটের দাম বেশি।
সামর্থ্য না বাড়িয়ে প্রতিদিন সীমিত সংখ্যক আসন সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের কারণে টিকিটের হার ৫০০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। দুবাই, ভারত এবং ফিলিপাইন থেকে আসা যাত্রীদের টিকেটের দাম কেডি ৩০০ থেকে কেডি ৪০০, ভারত এবং ফিলিপাইন থেকে যারা আসছেন তারা বেশিরভাগই গৃহকর্মী, যারা এই শ্রমিকদের আগমনের জন্য অপেক্ষা করছে তাদের জন্য এটি বোঝা।
আল-মুতাইরি ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাগুলি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এটা দুর্ভাগ্যজনক যে আমরা প্রথম এই নিষেধাজ্ঞাগুলি বাস্তবায়ন করেছি এবং আমরা সর্বশেষ এগুলি প্রত্যাহার করব”।
তিনি ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, প্রতিদিন প্রায় ২০০০ আসন রয়েছে, যা কিছু এয়ারলাইন্স ব্যবহার করে ন্ যার কারণে তাদের অবিলম্বে ভারত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে সরাসরি ফ্লাইট সংযুক্ত করতে হবে।
টিকা দেওয়ার হার ৮০ শতাংশে পৌঁছালে সরকারী প্রতিশ্রুতির সাথে সঙ্গতি রেখে প্রতিবেশী দেশগুলির মতোই বিমানবন্দরটি পুরোপুরি চালু করার দাবি করেন আল-মুতাইরি।
তিনি বলেন, “আট মাসের নিষেধাজ্ঞার পর হাজার হাজার বাসিন্দার কুয়েত ফেরার ইচ্ছা আছে, অথচ বিভিন্ন কারণে বিমানের পরিবহন বাজারে প্রয়োজনের চেয়ে কম, যার কারণে টিকেট পেতে হিমশিম খাচ্ছে, সমাধান হল আকাশ পথ পুরোপুরি আবার খুলে দেওয়া ।
আল-মুতাইরি বলেন যে, বিশ্বের অনেক দেশ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হারে বিমান চলাচল শুরু করেছে এবং এই দেশগুলির টিকা দেওয়ার হার কুয়েতে টিকা দেওয়ার হারের চেয়ে কম, অথচ বিশ্বের সর্বোচ্চ টিকা দেওয়া দেশের তালিকায় রয়েছে কুয়েত।










