আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। যেখানে বলা হয়েছে, করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে দেশে আসলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ শিথিল করে ২৩ অক্টোবর রাতে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।এর ফলে ১৬ আগষ্ট জারি করা নির্দেশনা বাতিল হয়েছে। নতুন নির্দেশনা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
বাংলাদেশে আসতে হলে অবশ্যই আরটি পিসিআর পদ্ধতিতে করোনা পরীক্ষা করে নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে। ফ্লাইটের ৭২ ঘন্টার মধ্যে পরীক্ষা করতে হবে। তবে ১২ বছরের নিচে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক নয়।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ১৩ টি দেশ থেকে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে আসলে ৭ দিন বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। আর ভ্যাকসিন না নিয়ে আসলে ৭ দিন নিজ খরচে সরকার অনুমোদিত হোটেলে নিজ খরচে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। দেশগুলো হচ্ছে, আরর্মেনিয়া, বুলগেরিয়া, ইস্তোনিয়া, জর্জিয়া, ল্যাটভিয়া, লিথুনিয়া, মলদোভা, মঙ্গোলিয়া, ফিলিস্তান, রোমানিয়া, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া, ইউক্রেন।
এই ১৩ দেশ ছাড়া পৃথিবীর অন্য দেশে থেকে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে আসলে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না। আর যার ভ্যাকসিন না নিয়ে আসবেন তাদের ১৪ দিন বাড়িতে যেয়ে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। তবে ১৮ বছরের কম বয়সী যাত্রী ভ্যাকসিন না নিলেও ভ্যাকিসিন নেওয়া পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশ আসতে পারবেন।
বাংলাদেশ দুতাবাসের সার্বিক সহায়তার পর ও আমরা আপনাকে দেশের মাটিতে মৃত্যুবরনের সুযোগ করে দিতে পারলাম না,
সব মানবতার মহান বটবৃক্ষ, অথচ একজন সাইদুর মৃত্যু কালে তেমন কাউকেই পাশে পেলেন না! কোন প্রবাসী কল্যানের কথা বলেন? 🙂
মরহুম সাইদুর ভাইয়ের ও কি কপাল, এত চেষ্টা করেও একজন নার্স উনার সাথে যাওয়ার জন্য এরেঞ্জ করা গেল না, আর করার জন্য যে পরিমান ফাইনান্সিয়ার এবেলিটি থাকা দরকার তা আমাদের ছিল না ….
এই লেখাটা যখন লিখছি, ভাবছি সাইদুর ভাইয়ের পরিবারের কথা, আহা …. কি এক নিদারুন কস্ট বুকে বইয়ে যাচ্ছে মানুষ গুলোর, আল্লাহ সহ্যের ক্ষমতা দিক ❤
দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটি দেশের ২৭ হাজার ৮১৪ জনের প্রাণ কেড়ে নিল।
শনিবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ২৭৮ জন। এখন পর্যন্ত মোট করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৭ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ হাজার ৪২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৮৫ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৯৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৪১ জন।
দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।
ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।
চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।
বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।
বাংলাদেশসহ ছয় দেশের নাগরিকদের জন্য পুনরায় সীমান্ত খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সিঙ্গাপুর। একই সঙ্গে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের জন্য করোনা পরীক্ষার কড়াকড়ি ও বাড়িতে থাকার বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে।
শনিবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে নতুন এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।
এসব দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর তাদের নাগরিকদের জন্য সিঙ্গাপুর ভ্রমণের বিধি-নিষেধ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। এসব দেশের পর্যটকরা সিঙ্গাপুরে প্রবেশ অথবা ট্রানজিট নিতে পারবেন। তবে এ জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়ার আগের ১৪ দিনের ভ্রমণের ইতিহাস সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।
এই ভ্রমণকারীরা সিঙ্গাপুরের চতুর্থ শ্রেণির সীমান্ত বিধি-নিষেধের আওতায় পড়বেন। এসব বিধি-নিষেধের মধ্যে দেশটিতে পৌঁছানোর পর সরকারি স্থাপনায় ১০ দিনের কোয়ারেন্টাইন পালনের নির্দেশ রয়েছে।
মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, মিসর, হাঙ্গেরি, ইন্দোনেশিয়া, ইসরায়েল, মঙ্গোলিয়া, কাতার, রুয়ান্ডা, সামোয়া, সিচেলস, দক্ষিণ আফ্রিকা, টোঙ্গা, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) এবং ভিয়েতনামকে তৃতীয় শ্রেণির সীমান্ত বিধি-নিষেধের আওতায় রাখা হয়েছে।
২৬ অক্টোবর থেকে এসব দেশের পর্যটকরা তাদের নিজেদের আবাসস্থলে অথবা বাসায় ১০ দিনো কোয়ারেন্টিন পালন করতে পারবেন।
সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতল অস্ট্রেলিয়া। ১২০ বলে ১১৯ রানের মামুলি স্কোর তাড়া করতে নেমেও বিপাকে পড়েছিল অসিরা। ৩৮ রানে প্রথম সারির ৩ উইকেট পতনের পর দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
তবে চতুর্থ উইকেটে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে সঙ্গে নিয়ে ৪২ রানের জুটি গড়েন স্টিভ স্মিথ।
এরপর ১ রানের ব্যবধানে স্টিভ স্মিথ ও ম্যাক্সওয়েলের উইকেট হারিয়ে ফের চাপের মধ্যে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। শেষ দিকে মার্কস্টয়নিস ও ম্যাথু ওয়েড দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।
এর আগে শনিবার আবু বির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৯ উইকেটে ১১৮ রানে ইনিংস গুটায় প্রোটিয়ারা।
প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমেই ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে সাজঘরে ফেরেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা।
তিনে ব্যাটিংয়ে নেমে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই জশ হ্যাজলউডের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন রিশি ভেন দার ডুসেন। জশ হ্যাজলউডের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন আরেক ওপেনার কুইন্টন ডি কক।
১৩ বলে মাত্র ১৩ রান করেপেট কামিন্সের শিকার হয়ে ফেরেন হেনরি ক্লেসেন। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে ৮ ওভারে ৪৬ রানে ৪ উইকেট হারায় আফ্রিকা।
ব্যাটসম্যানদের এই আসা-যাওয়ার মিছিলে ব্যতিক্রম ছিলেন এইডেন মার্কওরান। ১৭.১ ওভারে দলীয় ৯৮ রানে ফেরেন তিনি। তার আগে ৩৬ বলে দুই চার আর এক ছক্কায় করেন দলীয় সর্বোচ্চ ৪০ রান। তার কারণেই একশ রান পার করতে সক্ষম হয় দক্ষিণ আফ্রিকা।
গ্রাহক ভোগান্তি বিবেচনায় বৈধ-অবৈধ কোনো মোবাইল ফোনই বন্ধ হবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
মি. জব্বার আজ শুক্রবার বিবিসিকে জানান, পহেলা অক্টোবর থেকে কোনো মোবাইল ফোন চালু করতে গিয়ে অবৈধ চিহ্নিত হলে তা বন্ধের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, তা আর হচ্ছে না।
এ বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে সরকার। এখন থেকে মোবাইল ফোন সেট চালু করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার নিবন্ধন হবে।
কী ব্যাখ্যা দিচ্ছে সরকার
বাংলাদেশে ১লা অক্টোবর থেকে সব অনিবন্ধিত ফোন বন্ধ হয়ে যাবে এমন সরকারের এমন ঘোষণার পর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বা বিটিআরসি কী প্রক্রিয়ায় নিবন্ধন করা হবে, যারা ইতিমধ্যে অনিবন্ধিত ফোন ব্যবহার করছেন তাদের ক্ষেত্রে কী হবে এসব নিয়ে একাধিক দিক-নির্দেশনা দিয়েছিল।
বিটিআরসি এর আগে একাধিকবার অনিবন্ধিত হ্যান্ডসেট ব্যবহার করা যাবে না বলে সময়সীমা নির্ধারণ করলেও সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে বাস্তবায়ন করতে পারেনি।
সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, “আমরা দেখেছি, এখনো ৭০% মানুষ ফিচার ফোন ব্যবহার করে। অনেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না। বা মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ নেই। এসব ক্ষেত্রে নিবন্ধন করা মুশকিল।”
মি. জব্বার জানান “প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় আমাদের বলেছেন, জনগণের ভোগান্তির কারণ হয়, এমন কোনো কাজ আমরা করবো না। তার পরামর্শে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।”
তিনি বলেন, যেকোন মোবাইলে বাংলাদেশের সিম ব্যবহার করলে ঐ মোবাইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধন হয়ে যাবে।
অবৈধ ফোনের কী হবে:
বাংলাদেশে মোবাইল ফোন আমদানি বা বাংলাদেশের ভেতরে প্রস্তুত করার জন্য বিটিআরসির অনুমোদন লাগে।
মি. জব্বার বলেন, “যারা লাগেজে করে মোবাইল বিদেশ থেকে আনেন তারা দুটো ফোন শুল্কমুক্ত আনতে পারেন। আবার ছ’টা ফোন আনতে গেলে শুল্ক দিতে হয়। আমাদের মোবাইলের আইএমইআই নম্বরে ডাটাবেস তৈরির যে কাজ চলছে সেটা অব্যাহত থাকবে।”
এছাড়া অবৈধ ফোনের ট্যাক্স, ভ্যাট এসব দিক দেখা রাজস্ব বোর্ডের কাজ বলে তিনি মন্তব্য করেন। মন্ত্রী বলেন, যেহেতু মোবাইলে ডাটাবেস থাকছে রাজস্ব বোর্ডের দরকার হলে তারা তথ্য ব্যবহার করতে পারবে।
বিটিআরসি সূত্র জানায়, ১লা জুলাই থেকে ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রায় এক কোটি সাড়ে আট লাখ মোবাইল ফোন বিক্রি হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৩১ লাখ সেটকে অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
পহেলা অক্টোবর থেকে এসব অবৈধ সেট ধাপে ধাপে ‘ডিঅ্যাকটিভেট’ বা নিষ্ক্রিয় করার প্রক্রিয়া শুরু করবে বলে জানিয়েছিল বিটিআরসি।কিন্তু এখন আর সেটা হচ্ছে না।
কেন সরকার মোবাইল ফোন নিবন্ধন করতে চেয়েছিল:
বিটিআরসির স্পেকট্রাম ডিভিশনের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শহিদুল আলম বিবিসি বাংলাকে এর আগে বলেছিলেন, মোবাইল ফোন সেট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসার কয়েকটি উদ্দেশ্য রয়েছে।
একদিকে এর নিরাপত্তাজনিত বিষয় রয়েছে অন্যদিকে এর একটি আর্থিক দিক রয়েছে। এই দিকগুলো হচ্ছে:
★কেউ যাতে অবৈধভাবে হ্যান্ডসেট আনতে না পারে। দেশে যাতে বৈধভাবে অ্যাসেম্বল বা তৈরি করা যায়।
★মোবাইল সেটগুলো নিবন্ধিত থাকলে আমদানিকারকরা সরকারের ট্যাক্স ফাঁকি দিতে পারবে না।
★কারো মোবাইল ফোন ছিনতাই বা চুরি করে অন্য কেউ সেটি বিক্রি বা ব্যবহার করতে পারবে না। চুরি হওয়া সেটগুলো উদ্ধার করা সহজ হবে।
★মোবাইল সিম, আইএমইআই এবং জাতীয় পরিচয়পত্র একসাথে ট্যাগিং করা হবে। এতে করে একজনের নামে নিবন্ধিত মোবাইল অপরজনের মোবাইল সেটে ব্যবহার করা যাবে না।
★মোবাইল ফোন ব্যবহার করে কোন অপরাধ সংঘটন হলে সেটির বিরুদ্ধে দ্রুত এবং সহজে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।
নিউজ ডেস্ক- আ’ফগা’নিস্তানের জাতীয় জুনিয়র নারী ভলিবল দলের এক সদস্যকে শিরশ্ছেদ করা হয়েছে বলে তা’লেবানের বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ উঠেছে। পারসিয়ান ইন্ডিপেন্ডন্ট’কে এক সাক্ষাতকারে দলটির কোচ এই অ’ভিযোগ করেছেন।
সাক্ষাতকারে দলের কোচ জানিয়েছেন, ওই নারী ভলিবল খেলোয়াড়ের নাম মাহ’জবিন হাকিমি। অক্টোবরের শুরুতে তাকে গলা কে’টে হ’ত্যা করে তা’লেবান। বিষয়টি এতদিন গো’পন ছিল। কারণ তা’লেবানরা ওই নারী খেলোয়াড়ের পরিবারকে হু’মকি দিয়ে রেখেছিল, এই ঘটনা জানাজানি হলে তাদের রেহাই নেই।
তা’লেবানরা দেশটির ক্ষমতা দখল করার আগে কাবুল মিউনিসিপ্যালিটি ভলিবল ক্লাবে খেলতেন মাহ’জবিন। দলের তারকা খেলোয়াড় ছিলেন তিনি। কিছুদিন আগেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার গলা কা’টা দেহের ছবি ছড়িয়ে পড়ে।
দলের কোচ আরো জানিয়েছেন, আগস্টে তা’লেবানরা আ’ফগা’নিস্তান দখল করার আগে দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে মাত্র দুইজন দেশ ছেড়ে পালাতে সক্ষম হয়েছিল। তিনি বলেন, মাহ’জাবিন হাকিমি অন্যান্য অনেক নারী ক্রীড়াবিদদের মধ্যে একজন ছিলেন, যারা দেশ ছেড়ে যেতে পারেননি এবং তা’লেবানরা তাদের হ’ত্যা করেন।
ক্ষমতা দখলের পর থেকেই নারী ক্রীড়াবিদদের খুঁজছে তা’লেবানরা। বিশেষ করে আ’ফগা’নিস্তানের নারী ভলিবল খেলোয়াড়দের দিকেই দৃষ্টি ছিল তা’লেবানদের। কারণ বিভিন্ন বিদেশি ও স্থানীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তাদের সেই ছবি প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে।
১৯৭৮ সালে আ’ফগা’নিস্তানের নারী ভলিবল দল গঠিত হয়। নারীদের মধ্যে বিপুল জনপ্রিয়তাও লাভ করে ভলিবল। কিন্তু মাহ’জাবিন হ’ত্যায় আতঙ্ক বিরাজ করছে দেশটিতে। আ’ফগা’নিস্তান দখল নেওয়ার পর থেকেই নারীদের বি’রুদ্ধে লেগেছে তা’লেবানরা।
ইতালি প্রবাসীদের জন্য দূতাবাসের ‘রেমিট্যান্স পুরষ্কার’ ঘোষণা।
ইতালি থেকে বৈধপথে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স’ প্রেরণকারী বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য ‘রেমিট্যান্স পুরষ্কার-২০২১’ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে ইতালিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। দেশটিতে থাকা বাংলাদেশি প্রবাসীদের বৈধপথে রেমিট্যান্স প্রদানে উৎসাহ বাড়াতে প্রতিবছর এধরণের কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতি বছরের মতো এবছরও ‘আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস-২০২১’ এ ইতালিতে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্য থেকে গত বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে এবছরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত যারা ‘সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স’ প্রেরণকারীদের ‘রেমিট্যান্স পুরষ্কার’ দেয়া হবে।
দুটি ক্যাটাগরিতে ব্যক্তিগত পর্যায়ে সর্বমোট পাঁচজন (পুরুষ ৩ ও নারী ২) ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে মোট তিনটি প্রতিষ্ঠানকে এ পুরষ্কার দেয়া হবে বলে জানিয়েছে দূতাবাসের কর্মকর্তারা। এরমধ্যে গতবছরের পহেলা জুলাই থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ব্যক্তিপর্যায়ে সর্বনিম্ন ১০ হাজার ইউরো বা তদূর্ধ্ব এবং প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সর্বনিম্ন ৫০ হাজার ইউরো বা তদূর্ধ্ব রেমিট্যান্স প্রদানকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।
আবেদনের জন্য ‘বাংলাদেশ দূতাবাস রোম’র ওয়েবসাইট (www.bdembassyrome.it) অথবা শ্রমকল্যাণ উইংয়ের অফিসয়াল ফেসবুক পেজ থেকে আবেদন পত্র সংগ্রহ করে সঠিকভাবে পূরণ করে আগামী ২৩ নভেম্বরের মধ্যে সরাসরি দূতাবাস প্রাঙ্গণে বা ডাকযোগে বা ইমেইলের (welfare.rome@gmail.com) মাধ্যমে জমা দিতে হবে।
আবেদন পত্র জমা দেয়ার সময় আবেদনকারীকে তার সদ্য তোলা দুইকপি ছবি, পাসপোর্ট, আইডিকার্ড ও ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সদস্যপদের কপি দিতে হবে।এছাড়াও বাংলাদেশে বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রমাণস্বরূপ ব্যাংক ও অন্যান্য মাধ্যমের রশিদ এবং বাংলাদেশের ব্যাংকের ২০২০-২১ অর্থবছরের ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে।
কুয়েতের রাস্তায় আত্মহত্যার দৃশ্যের একটি নতুন ঘটনা ঘটেছে সাবাহ আল সালেম এরিয়ায়, এবার সেতু থেকে লাফ দিয়ে পড়েছে একটি গাড়ী উপর, মারা গেছে স্পটে ।
দেশটির পত্র পত্রিকা ও সোশ্যাল মিডিয়া সুত্রে জানা যায়, আত্নহননকারী ভারতীয় নাগরিক, এই প্রবাসী সেতু থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করে, নিজেকে রাস্তায় ফেলে দেয় এবং একটি গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয় ।
আরটিএম নিউজ সংবাদটি সংগ্রহ করে আল রাই, আল কাবাস, ও আল মজলিশের পোস্ট থেকে।
শুক্রবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে, লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় নিরপত্তা বাহিনী ও প্যারামেডিকেলের কর্মীরা ।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৮০১ জনে। একদিনে রোগী শনাক্ত হয়েছে ২৪৩ জন। এর আগে বুধবার ৬ জনের মৃত্যু এবং ৩৬৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা পরিস্থিতি-সংক্রান্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ২৪৩ জনের দেহে। এ নিয়ে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লাখ ৬৬ হাজার ৯০৭ জনে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৬ হাজার ৮৮ জনের। নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৫১ শতাংশ। সুস্থ হয়েছেন আরও ৫৩৪ জন। মোট সুস্থ ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৮৩ জন।