কুয়েতে যারা মিশরেফে নির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট মিস করেছেন তাদের জন্য ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে..!

শনিবার, ০২ অক্টোবর ২০২১, ১৭ আশ্বিন ১৪২৮

কুয়েত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সরকারী মুখপাত্র ডঃ আব্দুল্লাহ আল-সানাদ ঘোষণা করেছেন যে কুয়েত ভ্যাকসিনেশন সেন্টার মিশ্রেফ প্রদর্শনী কেন্দ্রে যারা টিকাদানের দ্বিতীয় ডোজ পেতে ইচ্ছুক তাদের সবাইকে গ্রহণ করবে, যারা আগে দ্বিতীয় ডোজের সময়সূচী মিস করেছে তাদের জন্য এই সু্যোগ করে দেওয়া হয়েছে।

তারা এখন পূর্বের অ্যাপয়েন্টমেন্টের প্রয়োজন ছাড়াই ০৪ অক্টোবর সোমবার থেকে সরাসরি দ্বিতীয় ডোজ পেতে কেন্দ্রে যেতে পারেন। ফাইজার বা অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন উভয়ই কেন্দ্রের কর্মঘণ্টার মধ্যে পাওয়া যাবে।

আল-সানাদ আরও বলেছিলেন যে ওয়াফরা সেন্টার করোনা ভ্যাকসিনেশন প্রায় ,৩০,০০০ জনকে দ্বিতীয় ডোজ সরবরাহ করা শুরু করেছে যারা একই কেন্দ্রে প্রথম ডোজ পেয়েছিলেন, এই কার্যক্রম সোমবার, ০৪ অক্টোবর থেকে শুরু করে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে।

✍️ Collected and posted by Nahar Hoque

বিদেশ ফেরত ৮৫ ভাগ নারী শ্রমিক হতাশ

শনিবার, ০২ অক্টোবর ২০২১, ১৭ আশ্বিন ১৪২৮

পরিবারে একটু স্বচ্ছলতা আনতে অনেক নারীই বিদেশে গেছেন, এখনো অনেকে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় আছেন৷ কিন্তু কষ্টের প্রবাস থেকে ফিরেও জীবনখাতায় একইরকম শূণ্য দেখছেন বেশিরভাগ৷

“এক লাখ ৩০ হাজার টাকা দিয়ে সৌদি আরব গিয়েছিলাম। ১১ মাসের মাথায় ফিরে আসতে হয়েছে। ওরা কাজ করায় কিন্তু বেতন দেয় না। কোন টাকা নিয়ে আসতে পারিনি। যার কাছ থেকে এই টাকা নিয়েছিলাম, তাকে ফেরত দিতে পারিনি। তিনি এখন হুমকি দিচ্ছেন, মামলা করবেন। স্বামীও ছেড়ে চলে গেছেন। চার মেয়েকে নিয়ে অনেক কষ্টে দিন পার করছি।” করোনা মহামারীর মধ্যে সৌদিআরব থেকে কাজ হারিয়ে দেশে ফেরা গাজীপুরের কালিয়াকৈরের রত্না আক্তার ডয়চে ভেলের সঙ্গে বলছিলেন তার কষ্টের কাহিনী।

বিদেশ ফেরত ৮৫ ভাগ নারী শ্রমিক হতাশায় ভুগছেন। নতুন করে কোন কাজ জোগাড় করতে পারেননি ৬০ ভাগ শ্রমিক। করোনার মধ্যে দেশে ফেরা নারী শ্রমিকদের উপর এক গবেষণায় এমন চিত্র ফুটে উঠেছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ- বিলস্ দেশে ফেরা নারী শ্রমিকদের উপর এই গবেষণা করেছে।

বেসরকারী সংস্থা ব্র্যাকের তথ্য অনুযায়ী, করোনা মাহামারীর মধ্যে প্রায় পাঁচ লাখ শ্রমিক দেশে ফিরে এসেছেন। এর মধ্যে ৫০ হাজার নারী শ্রমিক। অধিকাংশ শ্রমিক ফিরেছেন মধ্যপ্রাচ্য থেকে। বিলস্ এর গবেষণা থেকে জানা যায়, ২৩ শতাংশ নারী শ্রমিক এক বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই দেশে ফিরেছেন, ১৮ শতাংশ এক বছরের সামান্য বেশি সময় থেকেছেন আর ৫৫ শতাংশ নারী শ্রমিকের দেশে ফেরত আসা ছিল জবরদস্তিমূলক।

গবেষণায় নেতৃত্ব দেওয়া বিলস্ গবেষণা বিভাগের উপ-পরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম ডয়চে ভেলেকে বলেন, “দেশের তিনটি বিভাগের তিনটি জেলা চট্টগ্রাম, যশোর এবং ফরিদপুরকে আমরা গবেষণার জন্য বেঁছে নেয়। গবেষণার আগে আমরা যে জরিপ করেছি, সেখানে দেখেছি, এই তিন জেলার তিন হাজার ৬৪৪ জন নারী প্রবাস থেকে দেশে ফিরেছেন। গবেষণায় আমরা ৩২৩ জন নারী শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের গবেষণায় যে চিত্রটি উঠে এসেছে সেটা মোটামুটিভাবে দেশের চিত্র বলা যেতে পারে।’

গবেষণায় বলা হয়েছে, দেশে ফেরত আসা প্রতি তিন জন নারী শ্রমিকের মধ্যে এক জনের অর্থনৈতিক অবস্থা আগের থেকে অবনতি হয়েছে এবং তাদের মধ্যে সিংহভাগই তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। ৮৫ শতাংশ তাদের বর্তমান কাজ নিয়ে হতাশাগ্রস্ত এবং ৫৭ শতাংশ তাদের জীবন ও জীবিকা নিয়ে চিন্তিত। ৫২ শতাংশ নারী শ্রমিক বিদেশে জবরদস্তিমূলক শ্রমের শিকার হয়েছেন, ৬১ শতাংশ বিদেশে খাদ্য ও পানির অভাবে ভুগেছেন, সাত শতাংশ যৌন এবং ৩৮ শতাংশ শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিদেশ ফেরত ৬০ শতাংশ নারী শ্রমিক বেকার, ৬৫ শতাংশ শ্রমিকের নিয়মিত মাসিক কোন আয় নেই আর ৬১ শতাংশ এখন ঋণ বয়ে বেড়াচ্ছেন। 

রত্না আক্তারও বলছিলেন, হাসপাতালে কাজ দেওয়ার কথা বলে তাকে পাঠানো হয়েছিল। ৬ মাস সেখানে কাজও করেছেন। এরপর যখন ওরা বলল, বাসা-বাড়িতে কাজ করতে হবে তখন আমি রাজি হইনি। দেশে ফেরার পর সরকার ২০ হাজার টাকা দিয়েছে। এছাড়া নামার সময় দিয়েছিল ৫ হাজার টাকা। এর বাইরে আর কোন সাহায্য সহযোগিতা পাইনি।

মনিরুল ইসলাম বলেন, বিদেশ ফেরত নারী শ্রমিকদের ৭৫ ভাগেরই পড়াশোনা পঞ্চম শ্রেণীরও কম। ফলে সরকারি ঋণ বা অন্যন্য সুযোগ সুবিধার ক্ষেত্রে তাদের জানাশোনাও কম। এই কারণে অনেক ক্ষেত্রেই সরকারি সুবিধা তাদের পর্যন্ত পৌঁছায় না। আমাদের আইনেও আছে, বিদেশ ফেরত শ্রমিকদের তালিকা করতে হবে। কিন্তু সেই কাজটা হয় না। এমন অনেক কিছুই আছে যেগুলো করা হচ্ছে না। আইন ঠিক থাকলেও বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে অনেক কিছু থেকেই বঞ্চিত হচ্ছেন বিদেশ থেকে ফেরা নারী শ্রমিকেরা।

বিলসের গবেষণা বলছে, বিদেশ ফেরত নারী শ্রমিকদের শারীরিক স্বাস্থ্যের অবস্থা নাজুক। ৫৫ শতাংশ শ্রমিক শারীরিকভাবে অসুস্থ, ২৯ শতাংশের মানসিক অসুস্থতা রয়েছে এবং ৮৭ শতাংশ শ্রমিক মানসিক অসুস্থতার কোন চিকিৎসা পায়নি। বিদেশ ফেরত নারী শ্রমিকরা সামাজিকভাবেও হেয়প্রতিপন্ন হচ্ছেন। পরিবার ও সমাজ তাদের সঙ্গে বৈরী এবং অমানবিক আচরণ করে। ৩৮ শতাংশ নারী শ্রমিক বলছেন সমাজে তাদের নিম্ন শ্রেণির চরিত্রহীন নারী বলে গণ্য করা হয়।

ব্র্যাকের অভিবাসন বিভাগের প্রধান শরীফুল হাসান ডয়চে ভেলেকে বলেন, একজন পুরুষ শ্রমিক দেশে ফিরে আসলে তাকে যে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে হয়, একজন নারীকেও সেই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে হয়। এর সঙ্গে বাড়তি হিসেবে সামাজিক ও পারিবারিক চ্যালেঞ্জগুলো তাদের মোকাবেলা করতে হয়। আসলে সরকারি-বেসরকারিভাবে সমন্বিত প্রকল্প নিয়ে কাজ করলে পরিস্থিতির উত্তরণ সম্ভব।

বিলসের গবেষণায় যে সুপারিশগুলো করা হয়েছে, তার মধ্যে আছে, ফিরে আসা নারী শ্রমিকদের জন্য উপযুক্ত সামজিক সুরা ব্যবস্থা প্রণয়ন করা; উপযুক্ত দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর জোর দেওয়া; সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের পাশাপাশি উপযুক্ত বাণিজ্যিক পরামর্শ দেওয়া; মনো-সামাজিক পরামর্শসহ উপযুক্ত স্বাস্থ্য সহায়তা প্রদান; পদ্ধতিগত নিবন্ধন এবং তথ্য সংগ্রহের ওপর জোর দেওয়া; উপযুক্ত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা প্রবর্তন যা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে; সংগঠন, নিবন্ধন, সচেতনতা বৃদ্ধি ও পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়ায় ট্রেড ইউনিয়নকে সম্পৃক্ত করা এবং ক্রমান্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ নীতি-কাঠামো প্রণয়নে উদ্যোগী হওয়া।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞ হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরন ডয়চে ভেলেকে বলেন, “বিদেশ থেকে যে নারী শ্রমিকেরা ফিরে আসছেন তাদের পূর্নবাসন এবং প্রশিক্ষণ দিয়ে আবারও বিদেশে পাঠানোর ব্যাপারে যে উদ্যোগ নেওয়ার কথা সেটা কিন্তু বাস্তবায়ন হচ্ছে না। ফিরে আসা শ্রমিকদের সমস্যার কথাগুলো আগে জানতে হবে। সে অনুযায়ী দুই দেশের রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কথা বলে সমস্যার সমাধান করতে হবে। তবে আশার কথা, আগামী ফেব্রুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে বেশ কিছু নারী শ্রমিকের চাহিদা তৈরি হবে। তখন যদি আমরা এই নারীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে পাঠাতে পারি, তাহলে রেমিটেন্সের সরবরাহটা ধরে রাখা সম্ভব হবে।”

স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনে কেন যোগ দেবেন?

শনিবার, ০২ অক্টোবর ২০২১, ১৭ আশ্বিন ১৪২৮

প্রতিটি দেশেই কমবেশি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন রয়েছে। খেয়াল করলে দেখা যায়, সেইসব স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনে বিপুল সংখ্যক মানুষ স্বেচ্ছায় যুক্ত হয়। স্বেচ্ছাসেবীরা কোনো আর্থিক লাভের কথা চিন্তা না করেই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে নিজের শ্রম, সময়, অর্থ ও মেধা ব্যয় করে। দেশের ও সমাজের যেকোনো ক্রান্তিকালে নিঃস্বার্থভাবে এগিয়ে আসে এই সংগঠনগুলো।

বন্যায় ঘরবারি ভেসে যখন মানুষ নিঃস্ব হয়ে যায়, তখন এইসব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো খাবার নিয়ে ছুটে যায়বন্যার্তদের কাছে। তীব্র শীতে যখন দেশের দারিদ্রপীরিত এলাকার মানুষ শীতবস্ত্রের অভাবে কাঁপতে থাকে, তখন সেইসব এলাকায়শীতার্তদের কাছে শীতবস্ত্র নিয়ে ছুটে যায় এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো। দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষ যখন পরিবেশ নিয়ে অসচেতন, তখন পরিবেশনিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে বৃক্ষরোপণ, সামাজিক বনায়নের মতো নানা কার্যক্রম গ্রহণ করে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনগুলো। দেশের বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠী যখন প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত, তখন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো নিজ উদ্যোগে বিনামূল্যে শিক্ষাদানের মতো কর্মসূচি গ্রহণ করে।মুমূর্ষু কোন রোগীর যখন রক্ত বা প্লাজমার দরকার হয়, তখন স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনগুলো নিজ স্বেচ্ছাসেবী দিয়ে নিজ উদ্যোগে রক্ত বা প্লাজমার ব্যবস্থা করে থাকে। এছাড়াও সকল প্রকার সামাজিক সমস্যা সমাধানের অগ্রগামী হিসেবে কাজ করে এইসব স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনগুলো।

সামাজিক সংগঠনে যারা অক্লান্তভাবে কাজ করে যাচ্ছে তারা আর্থিকভাবে কোনো লাভবান হচ্ছে না। কিন্তু তবুও বিপুল সংখ্যক মানুষ ঝুঁকে পড়ছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতি। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে এই বিপুল সংখ্যক মানুষ ঝুঁকে পরার পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে।

নেতৃত্বদানের গুণাবলী অর্জন

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে দলগতভাবে বহু মানুষ একসাথে কাজ করে। এতে করে সংগঠনের সবার সাথে মেলামেশার সুযোগ সৃষ্টি হয়। নানা ধরণের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে একজনের অধীনে অন্যরা কাজ করে। আবার স্বেচ্ছাসেবকরা প্রতিটি কাজে অনেক সময় নানা রকমের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়। স্বেচ্ছাসেবকরা ধীরে ধীরে এইসব প্রতিবন্ধকতাকে কাটিয়ে ওঠার কৌশল আয়ত্ত করে। স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার জন্য স্বেচ্ছাসেবকেরা অন্যকে প্রভাবিত করে, নিজেকে ও নিজের স্বেচ্ছাসেবী কাজকে অন্যদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করে। এতে করে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের প্রতিটি স্বেচ্ছাসেবকের নেতৃত্বদানের গুণাবলী আয়ত্ত করা সহজ হয়।

স্বেচ্ছাসেবী কাজে অংশগ্রহণ করে নেতৃত্বদানের গুণাবলীর অর্জন করা সম্ভব; Image Courtesy: intelligencepharma.wordpress.com

মানবিক মানুষ হওয়া

মানুষ হয়ে জন্মালেই সকলে প্রকৃত মানুষ হতে পারে না। কারণ প্রকৃত মানুষ হতে হলে অবশ্যই মানবিক হতে হয়, একইসাথে মানবিক গুণাবলী অর্জন করতে হয়। আর মানবিক ও প্রকৃত মানুষ হতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে একজন স্বেচ্ছাসেবী শুধু নিজেকে নিয়ে নয়, অন্যকে নিয়েও ভাবতে শুরু করে। আত্মকেন্দ্রিকতা ও অর্থলিপ্সার বাইরে যেয়ে স্বেচ্ছাসেবকেরা সমাজের পিছিয়ে পরা মানুষের জন্য কিছু করার মানসিকতা অর্জন করে। এতে করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকেরা মানবিক মানুষ, প্রকৃত মানুষ হতে পারে।

স্বেচ্ছাসেবী কাজে অংশগ্রহণ মানবিক মানুষ হতে সাহায্য করে; Image Courtesy: Bidyanondo Foundation

উচ্চ শিক্ষায় বাড়তি সুবিধা

দেশের বাইরে উচ্চশিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে শুধু পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক পড়াশোনায় পারদর্শী হলেই হয় না। বিশ্বের বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উচ্চশিক্ষা অর্জনের সুযোগ দানের ক্ষেত্রে পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক পড়াশোনার বাইরেও সহশিক্ষা কার্যক্রমের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন। আর স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়ে স্বেচ্ছাসেবী কাজে অংশগ্রহণ করা সহশিক্ষা কার্যক্রমেরই অন্তর্ভুক্ত। তাই স্বেচ্ছাসেবী কাজে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত একজন স্বেচ্ছাসেবক বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহনের ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা পায়। এমনকি দেখা যায় যে, অনেক স্বেচ্ছাসেবকের পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক পড়ালেখার ফলাফল খুব বেশি চমৎকার না থাকলেও স্বেচ্ছাসেবী কাজের মতো সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত থাকায় বিশ্বের বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পায়।

যোগাযোগ দক্ষতা অর্জন

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে কাজ করার মাধ্যমে যোগাযোগ দক্ষতা অর্জন করা সহজ হয়। কেননা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে কাজ করার মাধ্যমে একজন স্বেচ্ছাসেবীকে প্রতিনিয়ত প্রচুর মানুষের সাথে মেলামেশা ও যোগাযোগ করতে হয়। এতে করে স্বেচ্ছাসেবীরা যেমন বাচনিক যোগাযোগের দক্ষতা অর্জন করে তেমনিভাবে অবাচনিক যোগাযোগেও দক্ষতা অর্জন করতে পারে। একজন মানুষের সাথে কীভাবে কথা বলতে হবে, তার সাথে কী রকম আচরণ করতে হবে, কথা বলার সময় সঠিক অঙ্গভঙ্গি কেমন হতে হবে ইত্যাদি নানা কৌশল খুব সহজেই একজন স্বেচ্ছাসেবক আয়ত্ত করতে পারে। এতে করে একজন স্বেচ্ছাসেবক নিজেকে অন্যদের তুলনায় আলাদা ও স্বকীয় বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন হিসেবে তুলে ধরতে পারে। ফলে ভবিষ্যৎ চাকুরী জীবনের জন্যও সে অনেক এগিয়ে যায়।

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভ্রমণের সুযোগ

প্রতিবছর শুধু ভ্রমণের উদ্দেশ্যে মানুষ কতো টাকা খরচ করে ফেলে। অথচ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যোগ দিয়ে দেশ ও সমাজের মানুষের জন্য ভালো কিছু করার পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী কাজের প্রয়োজনে দেশের নানা প্রান্তে ভ্রমণও করা যায়। এভাবে একদিকে যেমন সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সেবা করা যায়, অন্যদিকে নিজেদের ভ্রমণের পিপাসাও কিছুটা মিটানো সম্ভব।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, প্রতিবছর শীতে বহু মানুষ অনেক টাকা খরচ করে দেশের দর্শনীয় স্থানে ঘুরতে যায়। কিন্তু সেই টাকা দিয়েই যদি কোনো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আদলে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে দেশের নানা প্রান্তে শীতবস্ত্র বিতরনের জন্য কিংবা বন্যার সময় বন্যার্তদের সাহায্যর জন্য যাওয়া যায় তবে ভ্রমণও হলো, একইসাথে মানুষের উপকার করাও হলো। তাই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সহজেই দেশের নানা প্রান্তে ভ্রমণের সুযোগ পাওয়া যায়।

দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সাথে পরিচয়ের সুযোগ

স্বেচ্ছাসেবী কাজের জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের দেশের আনাচে কানাচে ভ্রমণ করতে হয়। এতে করে দেশের নানা অঞ্চলের মানুষের সাথে পরিচিত হওয়া যায়। একই দেশে অঞ্চলভেদে যে বিভিন্ন ধরনের মানুষের অবস্থান, সেটা সহজেই বুঝতে পারা যায়। দেশের এক জেলার সাথে আরেক জেলা, এমনকি এক উপজেলার সাথে আরেক উপজেলার মানুষের মধ্যেও যে সংস্কৃতিগত সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে সেটা বুঝতে পারা যায়।

অনেকে দেশের বহু স্থান ভ্রমণ করে। কিন্তু সেটা শুধু ভ্রমণের উদ্দেশই। তাই তাদের পক্ষে সেসব এলাকার প্রান্তিক মানুষের সাথে মেলামেশার সুযোগ হয় না। অন্যদিকে স্বেচ্ছাসেবকরা দেশের নানা স্থান ভ্রমণ করে সেসব স্থানের প্রান্তিক মানুষের জন্য ভালো কিছু করার পরিকল্পনা নিয়ে। এতে করে একজন স্বেচ্ছাসেবক খুব সহজেই নানা স্থানের প্রান্তিক মানুষের সূক্ষ্ম সাংস্কৃতিক পার্থক্য সম্পর্কে জানতে পারে এবং এক অঞ্চলের সাথে অন্য অঞ্চলের মানুষের মধ্যে যে বৈচিত্র্য সেটা বুঝতে পারে। 

বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন

বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য আগে বাস্তবতাকে কাছ থেকে দেখতে হবে। আর জীবনের কঠিন সব বাস্তবতাকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাওয়া যায় স্বেচ্ছাসেবী কাজে। একজন স্বেচ্ছাসেবক মাঠ পর্যায়ে কাজ করে জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে ব্যবহারিক জ্ঞান লাভ করে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে একটা পরিবার কতটা নিঃস্ব হতে পারে, ক্ষুধার জ্বালা কতটা তীব্র হতে পারে, শীতে শীতবস্ত্রের অভাবে মানুষ কত কষ্ট করতে পারে, শিক্ষার সুযোগ বঞ্চিত হয়ে একটা শিশু কতটা পথভ্রষ্ট হয়ে যেতে পারে ইত্যাদি বাস্তবতা একজন স্বেচ্ছাসেবকের পক্ষে দেখা ও অনুভব করা সম্ভব হয়। তাই মাঠ পর্যায়ে কাজের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের একজন স্বেচ্ছাসেবক অন্য বহু মানুষের তুলনায় তুলনামুলক বেশি বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে।

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী কাজকে অনেকে ‘নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো’ বলে থাকে। সহজ কথায়, অনেকেরই ভ্রান্ত ধারনা এই যে, স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করলে নিজের কোন লাভই হয় না। অনেকে তো বলে থাকেন, স্বেচ্ছায় সেবামূলক কাজ করা মানেই নিজের সময় নষ্ট করা। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে স্বেচ্ছাসেবী কাজের মাধ্যমে একদিকে যেমন মানুষের উপকার করা হয় তেমনি নিজেকেও নানা ভাবে বিকশিত করার সুযোগ পাওয়া যায়। তাই সবারই উচিত নিজ সক্ষমতা ও দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যুক্ত হওয়া।    

মোবাইল ফোন: বন্ধ হচ্ছে অ-নিবন্ধিত মোবাইল সেট, যেসব নিয়ম জেনে রাখা জরুরি

বাংলাদেশে পহেলা অক্টোবর থেকে অবৈধ বা অ-নিবন্ধিত হ্যান্ডসেট ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন, বিটিআরসি।

বিটিআরসি এর আগে একাধিকবার এই সময়সীমা নির্ধারণ করলেও সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে বাস্তবায়ন করতে পারেনি।

তবে পহেলা অক্টোবর থেকে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন বিটিআরসি’র স্পেকট্রাম ডিভিশনের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শহিদুল আলম।

মি. আলম জানান, “অবৈধ হ্যান্ডসেট যেগুলো ছিল, গত তিন মাস সেগুলোর ক্ষেত্রে পরীক্ষামূলক সময় ছিল। সেই সেটগুলো যাচাই করে সেসব নম্বরে এতদিন টেক্সট পাঠানো হয়েছে যে সেগুলো অবৈধ।”

তবে পহেলা অক্টোবর থেকে কার্যকর হলেও অ-নিবন্ধিত ফোন সেট বন্ধ করার ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই করে, আরো সময় নিয়ে পদক্ষেপ নেবে বিটিআরসি, যেন মানুষজন এই বিষয়টিতে অভ্যস্ত হতে পারে।

পহেলা জুলাই থেকে ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অবৈধ ফোন সেটের জন্য ”পরীক্ষামূলক সময়” ছিল বলে বলছে বিটিআরসি।

“৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যেসব সেট অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেগুলো অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত থাকবে। এই সেটগুলোর বিষয়ে কী করা হবে, সেই সিদ্ধান্ত পরবর্তীতে মেসেজের মাধ্যমে জানানো হবে।”

বিটিআরসির অনুমোদন না নিয়ে যেসব মোবাইল ফোন আমদানি করা হয়েছে বা বাংলাদেশের ভেতরে অ্যাসেম্বল করার পর নিবন্ধন করা হয়নি, সেসব সেট অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বিটিআরসি সূত্র জানায়, পহেলা জুলাই থেকে ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি সাড়ে ৮ লাখ মোবাইল ফোন বিক্রি হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৩১ লাখ সেটকে অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

পহেলা অক্টোবর থেকে এসব অবৈধ সেট ধাপে ধাপে ‘ডিঅ্যাকটিভেট’ বা বিচ্ছিন্ন করার প্রক্রিয়া শুরু করবে বিটিআরসি।

অবৈধ সেট বন্ধ করা হবে যেভাবে

বিটিআরসি কর্মকর্তা শহিদুল আলম জানান পহেলা অক্টোবর থেকে অবৈধ সেট বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু করলেও ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য এই প্রক্রিয়ার কার্যক্রমও ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

এই কার্যক্রম পরিচালনায় টেলিকম অপারেটরগুলো বিটিআরসি’র সাথে কাজ করবে।

আজ (পহেলা অক্টোবর) থেকে চালু থাকা অবৈধ ফোনসেটে টেক্সট মেসেজ পাঠানো শুরু করেছি। কিন্তু অনেকেই হয়তো সেই মেসেজ কয়েকদিন পরে দেখবে, বা খেয়াল করবে না। ব্যবহারকারীরা যেন আস্তে আস্তে বিষয়টিতে অভ্যস্ত হতে পারেন, সেজন্য এই কার্যক্রমও আমরা পরীক্ষামূলকভাবে করবো।”

এই সময়ে টেক্সট মেসেজ পাঠানোর পাশাপাশি পরীক্ষামূলক ভাবে অবৈধ সেট বন্ধ করার কার্যক্রমও চালু থাকবে বলে জানান মি. আলম।

“অ-নিবন্ধিত সেট হলে সেটিতে সিম ঢুকানোর সাথে সাথে মেসেজ যাবে যে সেটটি অ-নিবন্ধিত। ঐ মেসেজে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেটটি রেজিস্টার করার নির্দেশনা দেয়া থাকবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেটটি নিবন্ধন না করলে সেটি বন্ধ করে দেয়া হবে।”

অবৈধ সেট সম্পর্কে সতর্ক করার পর কতক্ষণ বা কতদিনের মধ্যে একটি সেট বন্ধ করা হবে, সেবিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি বলে জানান মি. আলম। কারণ বন্ধ করার আগে একটি সেট যাচাই করতে এবং তা আসলেই অ-নিবন্ধিত কিনা, তা যথেষ্ট সময় নিয়ে নিশ্চিত হয়েই সেটি বন্ধ করার পরিকল্পনা বিটিআরসি’র।

ব্যবহৃত সেটের ক্ষেত্রে কী হবে?

বিটিআরসি কর্মকর্তা শহিদুল আলম জানান, একজন ব্যবহারকারী একবার সেট রেজিস্টার করার পর যদি সেটি অন্য কাউকে বিক্রি করতে চান তাহলে সেটি ‘ডি-রেজিস্টার’ করে বিক্রি করতে হবে।

“এই নিয়ম কার্যকর হলে ব্যবহৃত সেট কেনার ক্ষেত্রেও মানুষ চোরাই সেট কিনতে পারবে না। নিবন্ধিত সেটই কিনতে হবে। কিন্তু একজন ব্যবহারকারী যখন তার ব্যবহারের সেট বিক্রি করবে, তখন তার সিম থেকে ঐ সেটটি ‘ডি-রেজিস্টার’ করতে হবে।”

মানুষ যেন এই ব্যবস্থায় অভ্যস্ত হতে পারে, সে লক্ষ্যে এই নিয়মটিও ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা বিটিআরসি’র।

একটি সেট যেহেতু একজন নির্দিষ্ট সিম দিয়ে ব্যবহার করতে পারবে, কাজেই ঐ সেটটি আরেকজনের কাছে বিক্রি করতে হলে সেটি ‘ডি-রেজিস্টার’ করা জরুরি।

‘ডি-রেজিস্টার’ করা হলে সেটিতে নতুন সিম ঢুকানোর পর তা নতুন করে রেজিস্টার করা সম্ভব হবে এবং নতুন একজন ব্যবহারকারী সেটটি বৈধভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।

বিদেশ থেকে ব্যক্তিগতভাবে আনা সেটের ক্ষেত্রে কী হবে?

বিটিআরসি’র স্পেকট্রাম ডিভিশনের মহাপরিচালক শহিদুল আলম জানান বিদেশ থেকে দেশে আসার সময় দেশি বা বিদেশি যে কোনো নাগরিক ব্যক্তিগতভাবে সর্বোচ্চ আটটি সেট নিয়ে আসতে পারবেন।

“এই আটটি সেটের মধ্যে ২টির জন্য কোনো কর দেয়া লাগবে না, বাকি ৬টির জন্য কর দিতে হবে। অর্থাৎ কোন কর না দিয়ে ২টি সেট যে কেউ নিয়ে আসতে পারবে।”

এই সেটগুলো নিবন্ধন করতে পাসপোর্ট নম্বর এবং যাত্রীর বোর্ডিং পাস প্রয়োজন হবে বলে জানান মি. আলম।

“বিদেশ থেকে আনা সেটে বাংলাদেশের যে কোনো অপারেটরের সিম ঢুকালে যাচাই-বাছাইয়ের পর বিটিআরসি থেকে ঐ সিমে একটি মেসেজ পাঠানো হবে, যে সেটটি অ-নিবন্ধিত। তখন পাসপোর্ট নম্বর ও বোর্ডিং পাসের মাধ্যমে অনলাইনে ঐ সেটটি নিবন্ধন করা যাবে।”

বৈধ নিয়ম অনুযায়ী, একটি পাসপোর্ট নম্বর ও বোর্ডিং পাস ব্যবহার করে ব্যক্তিগতভাবে বিদেশ থেকে দেশে আনা সর্বোচ্চ আটটি সেট নিবন্ধন করা যাবে যার মধ্যে দু’টি সেটের ক্ষেত্রে কোনো কর দিতে হবে না। তবে বাকি ৬টি সেট করের আওতাধীন হবে।

বিটিআরসি বলছে, মোবাইল সেট নিবন্ধনের এই পরিকল্পনার পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ সাধারণ মানুষকে সব ধরনের সরকারি সেবা সহজে প্রদান করা।

সংস্থাটির কর্মকর্তা শহিদুল আলম জানান, “বর্তমানে অনেক ধরনের সরকারি সেবা সিমের মাধ্যমে ও মোবাইলের মাধ্যমে প্রদান করা হয়। সেক্ষেত্রে শুধু সিমের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে সিম এবং সেট একসাথে সংযুক্ত করলে নিরাপত্তা ঝুঁকি অনেক কমে যায়।”

“এর ফলে একজন ব্যক্তি সরকারি ও নাগরিক সেবাগুলো একটি সিম ও একটি সেটের সাহায্যে সহজেই পেতে পারবো।”

পাশাপাশি এই নিয়ম বাস্তবায়িত হলে ব্যবহারকারীরা ফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশি নিরাপত্তা উপভোগ করতে পারবেন, চোরাই ফোন বেচা-কেনা বন্ধ হবে, সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে এবং দেশীয় মোবাইল ফোন অ্যাসেম্বল শিল্প লাভবান হবে বলে মনে করছে বিটিআরসি।

দেশে,করোনায় আরও ২১ জনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে ভাইরাসটিতে প্রাণ হারিয়েছেন ২৭ হাজার ৫৩১ জন।

শুক্রবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৮৪৭ জন। এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৫৬ হাজার ৭৫৮ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২৪ হাজার ৭৯৮ জনের। পরীক্ষা করা হয় ২৪ হাজার ৬৭০টি নমুনা। নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ।এ পর্যন্ত মোট ৯৭ লাখ ৫৫ হাজার ৯৬১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৯৬০ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ১৬ হাজার ৯০১ জন।

দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যহারে কমে এসেছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ হাজার ৫১০ জনে।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। 

বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

দেশে,করোনায় আরও ২৩ জনের মৃত্যু

বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫ আশ্বিন ১৪২৮

দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যহারে কমে এসেছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ হাজার ৫১০ জনে।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে বুধবার ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। null

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৮৬০ জনের। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯১১ জনে। 

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৩ দশমিক ২৪ শতাংশ। 

স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৯৭৯ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ১৫ হাজার ৯৪১ জন।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। 

বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

ফারওয়ানিয়ায় ড্রামে নবজাতক ফেলার সময় নেপালি যুবক যুবতি আটক’

বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫ আশ্বিন ১৪২৮

কুয়েতের ফারওয়ানিয়া এক নেপালি মহিলা তার প্রেমিকের সাথে তাদের নবজাতককে আবর্জনার পাত্রে ফেলে দেওয়ার জন্য আটক করা হয়েছে।

এই ঘটনাটি একজন ফিলিপিনো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছেন। তিনি যখন ফরওয়ানিয়া এলাকায় হাঁটছিলেন, তখন তিনি দেখতে পেলেন যে, একজন মহিলা এবং একজন পুরুষ খুব সন্দেহজনকভাবে একটি আবর্জনার পাত্রে ঘুরে বেড়াচ্ছে, যার মধ্যে একটি নবজাতক তাকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

সাথে সাথে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লোকেশান পাঠিয়ে ঘটনা অবহিত করেন প্রত্যক্ষদর্শী ফিলিপাইনি মহিলা ।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি আবর্জনার পাত্রে একটি বাচ্চা দেখতে পান এবং পাশে একটি নেপালি দম্পতি ছিল।

পুলিশ উভয় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের আরও তদন্তের জন্য পাঠায়।

তদন্তের সময় দেখা গেছে যে, তারা উভয়েই ছিল শিশুটির পিতা -মাতা এবং অবৈধ সম্পর্কের কারণে একটি শিশুকে জন্ম দিয়েছিল।

উভয় অভিযুক্তই পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সুত্রঃ আরব টাইমস ।

রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে গুলি করে হত্যা

বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪ আশ্বিন ১৪২৮

সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন রোহিঙ্গা শীর্ষ নেতা মুহিবুউল্লাহ। বুধবার রাতে উখিয়ার লম্বাশিয়া ক্যাম্পে সশস্ত্র একদল সন্ত্রাসী তাকে এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যায়। এরপর তাকে উদ্ধার করে ক্যাম্পের একটি হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দায়িত্বরত ১৪ নম্বর ‘এপিবিএন’র পুলিশ সুপার নাইমুল হক।

তিনি জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে উখিয়া কুতুপালং লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় ইস্ট-ওয়েস্ট ১ নম্বর ব্লকে তার অফিসে তাকে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। খবর পেয়ে এপিবিএন সদস্যরা তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে ক্যাম্পের ‘এমএসএফ’ হাসপাতালে নিয়ে যায়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশী অভিবাসীদের ব্যবসা নিবন্ধনে সব ধরণের সহযোগিতা করবে সৌদি সরকার

বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪ আশ্বিন ১৪২৮

সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশী অভিবাসীদের ব্যবসা নিবন্ধনে সকল সহযোগিতা নিশ্চিত করবে সৌদি সরকার। গতকাল রিয়াদ দূতাবাসের সাথে ওয়েবিনারে এক মতবিনিময় সভায় একথা জানান সৌদি আরবের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি ও বাণিজ্যিক গোপনীয়তা বিরোধী আইনের জাতীয় কর্মসূচীর নির্বাহী পরিচালক আহমেদ বিন আলী আল সুয়াইলেম। তিনি বলেন সৌদি আরবে যেসকল অভিবাসী অন্য নামে ব্যবসা করছেন তাঁদের বৈধভাবে ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই সৌদি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিবন্ধন করে বৈধতা নিতে হবে।
সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশীসহ অন্যান্য অভিবাসীরা যারা ব্যবসা বাণিজ্য অথবা লাভজনক আর্থিক কার্যক্রমের সাথে জড়িত আছেন তাঁদের বাণিজ্যিক গোপনীয়তা বিরোধী আইনের আওতায় ২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। সৌদি সরকার একে ব্যবসা বাণিজ্য সংশোধন এবং নিয়মিতকরণের সুযোগ হিসেবে দেখছে।
সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার) এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, দূতাবাসের কর্মকর্তারা ও সৌদি আরবের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা উক্ত ওয়েবিনারে যোগ দেন।
রাষ্ট্রদূতের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি আহমেদ বিন আলী আল সুয়াইলেম জানান, যে সকল অভিবাসী ব্যবসায়ীরা ব্যবসা নিবন্ধনের জন্য আবেদন করবে তাঁদের অর্থের উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবেনা। এছাড়া তাঁরা যে ভিসায়ই কর্মরত থাকুক না কেন তাঁদের ভিসার সমস্যার ও সমাধান করা হবে। ব্যবসা নিবন্ধন করা হলে তাঁরা ব্যবসার মালিকানাসহ সকল আইনগত সুবিধা প্রাপ্ত হবেন। রাষ্ট্রদূতের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, যেকোন ব্যবসায়ী চাইলে তাঁদের অর্থ নিজ দেশে পাঠাতে পারবে, এতে কোন বাঁধা বা সীমা নেই কেবল তাঁদের অর্থের উৎস দেখাতে হবে।
সভায় রিয়াদস্থ একজন বাংলাদেশী ব্যবসায়ী তাঁর ব্যবসা পরিচালনা ও নিবন্ধন বিষয়ে সৌদি স্পন্সরের সাথে সমস্যার কথা তুলে ধরলে তাঁকে সকল সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন বাণিজ্যিক গোপনীয়তা বিরোধী আইনের জাতীয় কর্মসূচীর নির্বাহী পরিচালক আহমেদ বিন আলী আল সুয়াইলেম। তিনি জানান যেকোন বাংলাদেশী ব্যবসায়ী তাঁদের ব্যবসা নিবন্ধনে সমস্যায় পড়লে তা সমাধানের জন্য সকল সহযোগিতা নিশ্চিত করা হবে।

রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক বাণিজ্যিক গোপনীয়তা বিরোধী আইন বিষয়ে সৌদি অভিবাসী ব্যবসায়ীদের সচেতন করা ও তাঁদের ব্যবসা নিবন্ধনে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে নিয়মিত ওয়েবিনার, আলোচনা সভা, মতবিনিময়সহ বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সূত্রঃ বাংলাদেশ দূতাবাস, সৌদি আরব।

কুয়েত ও কাঠমান্ডু রুটে বিমানের ফ্লাইট পুনরায় চালু

বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪ আশ্বিন ১৪২৮

ঢাকা হতে মদিনা, কুয়েত ও কাঠমান্ডু রুটে বিমানের ফ্লাইট পুনরায় চালু।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আগামী ৯ অক্টোবর থেকে ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে এবং ১০ অক্টোবর থেকে ঢাকা-মদিনা এবং ঢাকা-কুয়েত রুটে পুনরায় সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করবে। যাত্রীগণ এখন থেকেই এসব রুটের টিকেট ক্রয় করতে পারবেন। আগামী ০৯ অক্টোবর হতে ঢাকা থেকে প্রতি শনিবার ও বৃহস্পতিবার বিমানের ফ্লাইট বিজি০৭১ স্থানীয় সময় ০৯:১৫ টায় কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে এবং কাঠমান্ডু থেকে প্রতি শনিবার ও বৃহস্পতিবার ফ্লাইট বিজি০৭২ স্থানীয় সময় ১১:২৫ টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে।

অপরদিকে আগামী ১০ অক্টোবর, ২০২১ তারিখ হতে ঢাকা থেকে প্রতি রবিবার ও বুধবার ফ্লাইট বিজি৪০৩৭ স্থানীয় সময় ১৪:১৫ টায় মদিনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে এবং মদিনা থেকে প্রতি রবিবার ও বুধবার ফ্লাইট বিজি৪০৩৮ স্থানীয় সময় ১৯:৩০ টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে।
এছাড়াও আগামী ১০ অক্টোবর, ২০২১ তারিখ হতে বিমানের ফ্লাইট বিজি০৪৩ ঢাকা থেকে প্রতি রবিবার স্থানীয় সময় ১৯:৪৫ টায় এবং প্রতি মঙ্গলবার ১৮:৪০ টায় কুয়েতের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। কুয়েত থেকে প্রতি সোমবার স্থানীয় সময় ০০:০১ টায় এবং প্রতি মঙ্গলবার ২২:৫৫ টায় ফ্লাইট বিজি০৪৪ ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে।

বিমানের যে কোন সেলস্ অফিস, বলাকাস্থ প্রধান কার্যালয়ের সেলস্ সেন্টার (২৪/৭): মোবাইল নং-০১৭৭৭৭১৫৬৩০-৩১ ফোন: +৮৮-০২-(৮৯০১৬০০-০৯) এক্সটেনশন ২১৩৫/২১৩৬, বিমান কল সেন্টার ০১৯৯০৯৯৭৯৯৭ এবং অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে এ সমস্ত রুটের টিকেট ক্রয় করতে পারবেন।

সূত্রঃ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।