দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ২৭ হাজার ২২৫ জন মারা গেলেন ভাইরাসটিতে।
রোববার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গতকাল মৃত্যু হয়েছিল ৩৫ জনের।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৮৩ জনের। এ নিয়ে মোট শনাক্ত হলেন ১৫ লাখ ৪২ হাজার ৬৮৩ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয় ২৪ হাজার ৬২৩ জনের। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৬২ শতাংশ।
আর ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৮৮৭ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ১ হাজার ৫৪১ জন।
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।
গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।
যুক্তরাজ্য সরকারের ভ্রমণ লাল তালিকা থেকে বাংলাদেশের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। ২২ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টা থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। যুক্তরাজ্যের নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে ভ্রমণকারীদের ১০ দিনের হোটেল কোয়ারেন্টিনের প্রয়োজন হবে না। তবে তাঁদের যুক্তরাজ্য অনুমোদিত দুই ডোজ করোনার টিকা দেওয়া থাকতে হবে। এ ছাড়া যুক্তরাজ্যে পৌঁছানোর পর দ্বিতীয় দিন বা এর আগে একটি কোভিড-১৯ প্রি-ডিপার্চার পরীক্ষা এবং একটি কোভিড-১৯ পরীক্ষা করাতে হবে। যাঁদের যুক্তরাজ্যের অনুমোদিত টিকার পূর্ণ ডোজ দেওয়া হয়নি, তাঁদের অবশ্যই বাড়িতে বা যেখানে তাঁরা অবস্থান করছেন, সেখানে ১০ দিনের জন্য কোয়ারেন্টিন করতে হবে। অবশ্যই যুক্তরাজ্যে গিয়ে প্রথম দিন দ্বিতীয় দিন এবং অষ্টম দিন কোভিড পরীক্ষা করতে হবে। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্যমতে তাদের অনুমোদিত করোনার টিকাগুলো হলো মডার্না, অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার–বায়োএনটেক ও জনসন।
কুয়েতে করোনা পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনে স্কুলে ঢুকতে না দেওয়ার প্রতিবাদে আজ সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভবনের সামনে প্রায় ১২ জন টিকাহীন শিক্ষক বিক্ষোভ করেন।
এসব শিক্ষকগন করোনার টিকা গ্রহণ না করায় স্কুলে ঢুকতে দেওয়ায় হয়নি।
যদিও কিছু শিক্ষক তাদের উপস্থিতি এবং ছুটি প্রমাণ করার জন্য মন্ত্রণালয়ের উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে আল-রায়ে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায় যে, এক মুহুর্ত পর্যন্ত, কোন শিক্ষক যিনি ভ্যাকসিন নেননি, তাকে স্কুলে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখা হবে, যতক্ষণ তিনি সাপ্তাহিক পিসিআর পরীক্ষা জমা দেবেন না।
কথা নয়, শুধু গানের সুরই যে সংগীতপ্রেমীদের মোহাচ্ছন্ন করে ফেলে তার প্রমাণ আবারও দিলেন শ্রীলংকার ‘র্যাপ প্রিন্সেস’ ইয়োহানি দিলোকা ডি সিলভা।
আগস্টের শেষ দিক থেকে এখন পর্যন্ত নেটদুনিয়ায় ভাইরাল তার একটি গান— ‘মানিকে মাগে হিতে’।
গানের ভাষা অচেনা। একটি শব্দের অর্থও জানেন না বাংলাদেশের কেউ। অথচ গানের সুরে বুঁদ হয়ে গেছেন সবাই। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, টিকটক সবখানেই এখন গানটি নিয়ে আলোচনা।
‘মানিকে মাগে হিতে’ গানটি যে বাংলাদেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে তা জানেন ইয়োহানি।
এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে ইয়োহানি বলেছেন, সুযোগ পেলে তিনি আবারও আসতে চান বাংলাদেশে।
তার মানে বাংলাদেশে তিনি এসেছিলেন এর আগে!
ইয়োহানি জানিয়েছেন, বাবা-মায়ের সঙ্গে খুব অল্প বয়সে বাংলাদেশে এসেছিলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, বাংলাদেশে আমি যখন গিয়েছিলাম, তখন আমি এতোটাই ছোট ছিলাম যে, সেই স্মৃতি মনে করতে পারছি না। সে সময়ের কথা আমার খুব বেশি মনে নেই। তবে আমি আবারও বাংলাদেশে যেতে চাই। যত শিগগিরই সম্ভব যেতে চাই। বলতে পারেন আগামী দুই বছরের মধ্যে বাংলাদেশে যেতে চাই।’
বাংলাদেশের প্রতি এতোটা ভালোবাসার দৃষ্টান্ত হিসেবে বাংলা ভাষায় কোনো গান গাইবেন?
জবাবে ইয়োহানি বলেন, ‘হ্যাঁ অবশ্যই আগ্রহী। আমি আসলে নতুন কিছু করতে ভালোবাসি।যদি আমি বাংলা ভাষা শিখতে পারি, তাহলে অবশ্যই আমি বাংলায় গান গাইব।’
বাংলাদেশে নিজের গানের শ্রোতাদের এ সিংহালী শিল্পী বলেন, ‘আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই এবং তাদের কাছে কৃতজ্ঞ যারা আমার মিউজিক ভিডিও দেখেছেন এবং গানটি শুনেছেন। এটা অসাধারণ এক অনুভূতি। আশা করব আমার পরের গানগুলো আপনাদের ভালো লাগবে। সাবধানে থাকবেন। সেটাই সবচেয়ে বড় চাওয়া।’
সৌদি আরবের শুরা কাউন্সিল এর একজন সদস্য দাবী জানিয়েছেন, যাতে করে প্রবাসীদের মাসিক আয় এর উপর নির্ভর করে প্রবাসী ফি নির্ধারন করা হয়। কাউন্সিল এর একটি সভায় তিনি জানান, ছোট এবং মাঝারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং এসকল প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রবাসী কর্মীদের জন্য এই অধিক ফি একটি বড় বাধা হয়ে দাড়াচ্ছে।
সৌদি শুরা কাউন্সিল এর সদস্য আল-কাহতানি জানান, ছোট ব্যবসার প্রসারের জন্য প্রবাসী ফি পুনরায় যাচাই করা প্রয়োজন। তিনি জানান, বর্তমানে বেশকিছু অর্থনৈতিক বাধার মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবের বেশিরভাগ ছোট ও মাঝারী ব্যবসায়ীরা, যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে প্রবাসী ফি।
শুরা কাউন্সিল এর অর্থনৈতিক এবং শক্তি বিষয়ক কমিটি প্রবাসীদের ফি হিসাব করার জন্য একটি কার্যকরী প্রক্রিয়া তৈরী করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে। এর পাশাপাশি আরেকজন সদস্য মতামত দিয়েছে, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে ছোট এবং মাঝারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এবং প্রবাসী ফি কমিয়ে বা প্রতিষ্ঠান এবং প্রবাসী কর্মীর আয় এর উপর নির্ভর করে ফি গ্রহণ করে এসকল ব্যবসাকে বড় ক্ষতি সারিয়ে ওঠার সুযোগ দেয়া উচিত।
উল্লেখ্য যে, ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে সৌদি সরকার এর প্রদত্ত নিয়ম অনুসারে প্রত্যেক কোম্পানিকে তাদের কোম্পানিতে কর্মরত প্রত্যেক প্রবাসী কর্মীর জন্য ৪০০ রিয়াল করে মাসিক প্রবাসী ফি প্রদান করতে হয়। যদি কোন কোম্পানিতে প্রবাসী কর্মীর সমান সংখ্যক বা তার চাইতে বেশি সংখ্যক সৌদি নাগরিক কর্মী থাকেন, তবে প্রত্যেক প্রবাসী কর্মীর জন্য প্রতিমাসে ৩৫০ রিয়াল প্রবাসী ফি দিতে হয় উক্ত কোম্পানিকে।
তবে, ২০১৯ সালে এই মাছাপিছু মাসিক প্রবাসী ফি বেড়ে দাঁড়ায় যথাক্রমে ৬০০ রিয়াল এবং প্রবাসী কর্মীর চাইতে বেশি সৌদি নাগরিক কর্মী থাকা সাপেক্ষে ৫০০ রিয়াল। ২০২০ সালে এই ফি বৃদ্ধি করে যথাক্রমে ৭০০-৮০০ রিয়াল ধার্য করা হয়।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গন্তব্য মালদ্বীপের রাজধানী মালে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করতে যাচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। পূর্ব পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী নভেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ফ্লাইট পরিচালনা করবে বেসরকারি এয়ারলাইন্স সংস্থাটি।
শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।
ইউএস-বাংলা জানায়, ভ্রমণপিপাসু বাংলাদেশি পর্যটকদের ভ্রমণকে সাবলীল ও সাশ্রয়ী করতে বাংলাদেশি একমাত্র এয়ারলাইন্স হিসেবে ইউএস-বাংলা মালে রুটে ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মালদ্বীপে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বহুদিনের প্রত্যাশা পূরণ করতে চলেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র হিসেবে মালদ্বীপে বাংলাদেশি এয়ারলাইন্স হিসেবে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত দু’দেশের বন্ধনকে আরও বেশি সুদৃঢ় করবে।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স জানায়, নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ১৬৪ আসনের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ঢাকা থেকে মালে ফ্লাইট পরিচালনা করতে যাচ্ছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান বহরে ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ ও ৭টি ব্র্যান্ডনিউ এটিআর ৭২-৬০০ সহ মোট ১৪টি এয়ারক্রাফট রয়েছে।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স নতুন নতুন গন্তব্য বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। মালদ্বীপের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য বাংলাদেশি পর্যটক ছাড়াও মালদ্বীপের বিভিন্ন অঞ্চলে লক্ষাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছে, ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ মনে করছে সে সব যাত্রীর কাছে ঢাকা-মালে রুট অনেক বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গন্তব্য দুবাই, মাস্কাট ও দোহা। প্রবাসী বাংলাদেশি অধ্যুষিত কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, প্রতিবেশী দেশ ভারতের চেন্নাই এবং চীনের অন্যতম গন্তব্য গুয়াংজুতে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। করোনা মহামারিতে বিভিন্ন দেশের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে কলকাতা ও ব্যাংকক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। ভবিষ্যত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে খুব শিগগিরই কলম্বো, জেদ্দা, রিয়াদ, দাম্মাম রুটে ফ্লাইট শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের।
আন্তর্জাতিক রুট ছাড়াও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সব রুট বিশেষ করে ঢাকা থেকে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সিলেট, সৈয়দপুর, যশোর, রাজশাহী ও বরিশাল রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর হতে যশোর থেকে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং সৈয়দপুর থেকে চট্টগ্রাম রুটে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করতে যাচ্ছে ইউএস-বাংলা।
আফসার উদ্দিনের কন্যা সন্তান জন্ম নিয়েছে ৩ মাস আগে। প্রথম সন্তান, তাই তাকে দেখার অপেক্ষার প্রহর যেন যেন শেষ হয় না। ছুটি নিয়ে দেশে যাচ্ছেন। প্রথম সন্তান বলে কথা, যেখানে যা পছন্দ হয়েছে কিনেছে, একটা ব্যাগ ভর্তি শুধু মেয়ের জন্য জামা, জুতো, খেললা, খাবারে।
সৌদি আরব থেকে ঢাকায় আসার পর আফসার উদ্দিনের মন খারা’প। সাথে আনা সবগুলো ব্যাগের মধ্যে একটি ব্যাগ তিনি পাননি। আর যেটি পাননি, সেটিতে ছিলো মেয়ের জন্য কেনা জিনিসপত্র। এখন তিনি কিভাবে বাড়িতে যাবেন। হাউমাউ করে কাঁ’দতে না পারলে চোখ ভেজা আফসারের।
২ ঘন্টা বিমানবন্দরে ব্যাগ খুঁজলে, কোন খোজ পেলেন না। একজন তাকে পরামর্শ দিলেন বিমানবন্দরের লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ডে অভি’যোগ দিতে। অভি’মানী আফসার বললেন, মেয়ের জিনিসপত্র নিতে পারছি না, খালি হাতে বাড়ি যাচ্ছি, অভি’যোগ দিয়ে কি আর হবে। শা’লার চো’রের দেশে এয়ারপোর্টের সব চো’র। কার কাছে অভি’যোগ দিবো । বলেই কেঁদে উঠলেন আফসার।
আফাসর উদ্দিনের ব্যাগের কি হয়েছিলো? আপনি কি অনুমান করতে পারছেন? কমেন্ট করে জানান বাংলা এভিয়েশনের ফেসবুক পেজে। বাংলাদেশ সময় আজ (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে কমেন্ট করে উত্তর দিন। সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্য থেকে একজনকে দেওয়া হবে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা ফ্লাইটের টিকিট। বিঃ দ্রঃ বাংলা এভিয়েশনের ফেসবুক পেজের কমেন্ট বক্সে উত্তর জানাতে হবে।
রিং আইডি একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যা সামাজিক ব্যবসায়িক মূল ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। সেই দৃষ্টিকোন থেকে রিং আইডি একটি সামাজিক ব্যবসায়িক যোগাযোগ মাধ্যম। যার যাত্র শুরু ২০১৪ সালে। যদিও এর প্রযুক্তিগত গবেষণা ও বিভিন্ন ফিচার নিয়ে ২০০৮ সাল থেকে এর উদ্যোক্তাগণ কাজ করে যাচ্ছেন।
যার ফলশ্রুতিতে ২০১৪ সালে ম্যাসেজিং, ভয়েসকল, ভিডিওকল ও নিউজফিড (টাইমলাইন) নিয়ে একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে যাত্রার শুরু রিং আইডির এবং প্রাথমিক যাত্রাকালেই বিভিন্ন (প্রায় ২৫০টিরও অধিক) অন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রশংসিত হয়, এর মধ্যে ডিজিটাল বাইবেল খ্যাত ফোবস, বাজফেড, ইয়াহু ফাইন্যাস্ন, টেক কো, ডিজিটাল জার্নাল, আই ডিজিটাল টাইমস্, দ্য টেকনিউজ, জুমইট, আর্গাম, আকবারিলিয়াম ও বারসাম উল্ল্যেখযোগ্য, সেখানে বাংলাদেশী একটি প্রতিষ্ঠানের এমন সাহসী ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার ভূয়সী প্রশংসা করা হয়। এটি নিঃসন্দেহে একটি গর্বের বিষয় যে রিং আইডি ডিজিটাল ক্ষেত্রে এমন প্রথম প্রযুক্তিগত প্রতিষ্ঠান যারা সিক্রেট চ্যাটের মত স্বয়ংক্রিয়-মুছনিয় খুদে বার্তা প্রযুক্তির সঙ্গে নেটিজেনদের পরিচয় করিয়ে দেয় সেই জন্য রিং আইডিকে স্ন্যাপচ্যাটের মত বহুল জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক একটি অ্যাপ থেকেও ব্যবহারকারীবান্ধব হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। একইসঙ্গে রিং আইডি বিশ্বে প্রথম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যারা ইন্টারেক্টিভ লাইভ ভিডিও প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়েদেয় বিশ্বকে।
যাত্রা শুরুর মাত্র দুই বছরেই ১০ লাখ ব্যবহারকারী আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় রিং আইডি এবং গুগল প্লেস্টোরের সর্বোচ্চ ডাউনলোডের শীর্ষ দশের তালিকার প্রথমদিকে স্থান করে নেয়। কালের পরিক্রমায় এবং ক্রমাগত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একে একে বিভিন্ন ব্যবহার উপযোগী ফিচার যুক্ত করে চলেছে রিং আইডি। ২০১৭ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের নিমিত্তে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্র্রপতি ও হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশিত রুপরেখা বাস্তবায়নের সহযোগী হিসেবে একটি পুর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে পরিণত করা হয় রিং আইডিকে যা প্রতিমুহুর্ত ক্রমবর্ধমান ও নিত্য পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি সন্নিবেশন ঘটিয়ে চলেছে।
যাত্রার শুরু থেকে রিং আইডি একটিই মূল লক্ষ্যখ্যের উপর অটল রয়েছে আর তা হল প্রতিবছর ডিজিটাল মাধ্যমে যেই পরিমান অর্থনৈতিক, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাজনিত ও ডিজিটাল ডাটা সুরক্ষাজনিত ক্ষতির সম্মুখীন বাংলাদেশ হচ্ছে তা থেকে পরিত্রাণের মাধ্যমে একটি নিরাপদ দেশ ও উন্নত অর্থনৈতিক অবস্থানে বংলাদেশকে উন্নিতকরন। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের ব্যাবহারকারীদের রিং আইডি ব্যাবহারে উৎসাহীকরণ ও তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অ্যাপ মাইগ্রেশনের মাধ্যমে বর্তমানে ব্যাবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি দেশীয় বিকল্প তৈরি আর তা ব্যবহার নিশ্চিতের জন্য ব্যবহারকারীগণের অর্থনৈতিক লাভবান হওয়ার বিষটিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রেখেছে রিং আইডি।
যেকোন ডিজিটাল অ্যাপ্লিকেশনের মূল লক্ষ্যই থাকে ব্যবহারকারীর যাতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আকৃষ্ট হয় অ্যাপের প্রতি, আর রিং আইডির অন্যতম লক্ষ্যই যেহেতু ব্যবহারকারীগণের সামাজিক যোগাযোগের পাশাপাশি আয়ের সুযোগ তৈরি করে দেয়া তাই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরিসেবার সংযোজনের মাধ্যমে রিং আইডি ব্যবহারকারীগণের আয়ের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। এর মধ্যে রিং আইডি এজেন্ট, রিং আইডি অ্যাম্বাসেডর এবং রিং আইডি ব্রান্ড প্রোমোটার উল্লেখযোগ্য।
রিং আইডি এজেন্ট : রিং আইডি এজেন্ট হচ্ছেন রিং আইডির স্থানীয় প্রতিনিধি। তিনি যেকোনো গ্রাহক (যারা অ্যাপ ব্যাবহারকারী নন অথবা রিং আইডির অ্যাপ ব্যবহারকারী) এর চাহিদা অনুযায়ী অর্ডারকৃত পণ্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিবেন ও রিং আইডি প্রদত্ত সকল প্রকার সেবা প্রদান করবেন। রিং আইডি এজেন্টের মাধ্যমে সর্বনিম্ন দামে সবচেয়ে ভাল পণ্য ও সেবা গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।
রিং আইডি অ্যাম্বাসেডর : যেকোন রিং আইডি ব্যাবহারকারী বিনামূল্যে রিং আইডি অ্যাম্বাসেডর হতে পারবেন। তিনি রিং আইডি ব্যবহারকারীদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। এটি একটি স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া যেকোন ব্যবহারকারী রিং আইডি স্টোর থেকে তার পছন্দ অনুযায়ী পণ্য দিয়ে তার ভার্চুয়াল স্টোর তৈরি করতে পারেন এবং ভিডিও লাইভে তা প্রোমোট করতে পারবেন। কোন ব্যবহারকারী যদি তার স্টোর থেকে পণ্য ক্রয় করে তবে স্টোর ওনার বিক্রিত পণ্যের জন্য নির্দিস্ট সেলস্ কমিশন পাবেন। রিং আইডি অ্যাম্বাসেডর মাধ্যমে ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যের ডিজিটাল ক্লাউড প্রোমোশন ও রিং আইডি ব্যবহারকারীগণের বাড়তি আয়ের ব্যবস্থা করাই আমাদের লক্ষ্য।
রিং আইডি ব্রান্ড প্রোমোটার : যেকোন রিং আইডি ব্যবহারকারী ১২ হাজার অথবা ২২ হাজার টাকার বিনিময়ে রিং আইডি ব্রান্ড প্রোমোটার হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হতে পারবেন যা তিনি যেকোন সময় চাইলেই বাতিল করতে পারবেন। এটি একটি সামাজিক শ্রমবিক্রি (কমিউনিটি জবস্) প্রক্রিয়া যেখানে ব্রান্ড প্রোমোটারকে রিং আইডি কতৃক প্রদত্ত দায়িত্ব সম্পাদন করতে হবে। কোন ব্রান্ড প্রোমোটার যদি তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন তবে তিনি সেচ্ছায় তার আয় থেকে বঞ্চিত হবেন। কমিউনিটি জবসের ধরন সময় ও প্রাপ্যতা অনুযায়ী পরিবর্তিত হবে। দু’ক্যাটাগরিতেই একটি নির্দিস্ট পরিমান কমিউনিটি জবস্ এর সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত আছে যা সম্পাদনের বিপরীতে প্রতিটি কাজের জন্য নির্দিস্ট পরিমান কমিশন প্রদান করা হয়।
কন্টেন্ট দেখা ও শেয়ার করা, পণ্য বিক্রয়, সেবা বিক্রয় কিংবা অন্যান্য প্রদত্ত কাজের সফল সমাপ্তির বিপরিতে রিং আইডি অ্যাপে ব্রান্ড প্রোমোটারের আলাদা হিসাব সংরক্ষিত রয়েছে। কমার্শিয়াল কন্টেন্ট ছাড়াও যেকোন রাষ্ট্রীয়/সামাজিক প্রচারনার ক্ষেত্রেই এই ব্রান্ড প্রমোটারগণ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম যেমন- রাষ্ট্রীয় জরুরি ঘোষণা, পজেটিভ ও উন্নয়ন বার্তা, গুজব প্রতিহত করা একইসঙ্গে সহিংসতা প্রশমন। একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এর মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে যেই সকল দুস্কৃতিকারী/গুজব রটনাকারী অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছে তাদের নিমিষেই চিহ্নিত করা সম্ভব। যেহেতু ব্রান্ড প্রমোটার প্রত্যকেই ভেরিফাইড রিং আইডির অধিকারী এবং তারা প্রত্যেকে নিজস্ব সার্কেলের সঙ্গে অন্য সকল নেটওয়ার্কে ( ফেসবুক ) কন্টেন্ট শেয়ার করে তাই তাদের মাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যবহারকারী চিহ্নিতকরণ সহজেই সম্ভব। প্রতিবছর আমাদের দেশের বিপুল পরিমান অর্থ (২০২১ সালে সম্ভাব্য ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) শুধুমাত্র ডিজিটাল এডের নামে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে, অথচ এড প্রদানকারী ও ভোক্তা দুই আমাদের দেশের নাগরিক কিন্তু আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে নব্য ইস্টইন্ডিয়া কম্পানি এভাবে দেশের অর্থ এরা হাতিয়ে নিচ্ছে। এই অর্থ (ডিজিটাল এড) দেশের সীমানা অতিক্রম করতে না দেয়া এবং সে অর্থ থেকে ভোক্তাকে আংশিক প্রদানপূর্বক স্বদেশী অ্যাপ ব্যাবহারে আগ্রহী করে তোলা ও আয়ের একটা ভিন্ন মাধ্যম তৈরি কারাই রিং আইডির লক্ষ্য।
ভুঁইফোড় ডিজিটাল মোড়কে যৎসামান্য ডিজিটাল জ্ঞান নিয়ে ব্যাঙের ছাতার মত জন্ম নেয়া হাজারো ডটকমের ভিড়ে স্টেট অফ দি আর্ট টেকনোলজির সমন্বয়ে ২ কোটির বেশি ব্যবহারকারী নিয়ে রিং আইডি এখন এশিয়ার অন্যতম ডিজিটাল আকর্ষন যা প্রতিমূহুর্ত ছড়িয়ে পড়ছে দেশ ও দেশের বাহিরে। সক্রিয় ও নিয়মিত ব্যবহারকারী যেকোন ডিজিটাল ব্যবসার প্রধান সম্পদ। কারণ আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে এই সক্রিয় ও নিয়মিত ব্যাবহারকারীগণই ডিজিটাল ব্যবসার মূল্যমান নির্ধারক। আর তাই রিং আইডি সক্রিয় ও নিয়মিত ব্যাবহারকারী তৈরিতে বদ্ধপরিকর। যার ফলশ্রুতিতে অন্তত চারটি বহুজাতিক কম্পানি ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যমানে এবং আগাম বিনিয়োগকারী হিসেবে হ্রাসকৃত মূল্যমান ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে রিং আইডিতে তাদের বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে যা চলমান (Due diligence) রয়েছে এবং যার সফল সম্পাদন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখবে। একইসঙ্গে সেই প্রাপ্তি দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে, বিশ্বদরবারে যা বাংলাদেশকে পৌছে দিবে এক অনন্য উচ্চতায়। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের নিমিত্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষকে করবে আরো সুদৃঢ় ও বিশ্বকে জানান দিবে বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতার। নতুন এই ডিজিটাল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের উপায় বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ভাবে ভিন্নতার সঙ্গে উপস্থাপন করবে যা হবে অন্যদেশগুলোর জন্য অনুকরণীয়।
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে বেশ কয়েকটি বাড়ীতে ‘ক্ষমা করে দিয়েন’ লিখে চিরকুট লিখে টাকাসহ স্টাপলার লাগিয়ে দরজায় দরজায় রেখে যাওয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। রাতের আঁধারে রেখে যাওয়া চিরকুট ও টাকা সকালে দরজা খুলে পেয়ে হতবাক বাড়ীর লোকজন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পৌর এলাকার সুখ্যাতি ভাটিয়াটারী গ্রামে। এটি রসিকতা না অন্য কিছু এনিয়ে চলছে নানান আলোচনা ও সমালোচনা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য রুহুল আমিন জানান, কথাটি আমার কানেও এসেছে। কে বা কারা এসব কাজ করেছে তা বোধগম্য নয়।
পৌরসভা এলাকার সুখ্যাতি ভাটিয়াটারী গ্রামের আমিনুর রহমানের ছেলে হাসানুর রহমান জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাতের খাওয়া শেষে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। আধাঘন্টা পর হঠাৎ বাড়ীতে মানুষের পায়ের শব্দ পেয়ে উঠে পরি। দরজা খোলার শব্দে একজনকে ছুটে বের হয়ে যেতে দেখি। কিছুক্ষণ পিছু নিয়েও তাকে হারিয়ে ফেলি। পরে ফিরে এসে দেখি দরজার মধ্যে একটি চিরকুট পরে আছে। তার সাথে ১০০টাকার একটি নোট স্টাপলার দিয়ে আটকানো।
চিরকুটে লেখা ‘‘এই টাকাটা ক্ষতি করেছি মাফ করে দিবেন।’’ পরে খোঁজ নিয়ে দেখি আরও ৪জনের বাড়ীতে এমনভাবে টাকা ও চিরকুট লিখে গেছে। তারা হলেন একই এলাকার আবু বকরের ছেলে আব্দুল বারেক’র ঘরের দরজায় ১০টাকা, ঈসমাইলের ছেলে আব্দুস ছাত্তারের ঘরের দরজায় ৫০ টাকা, মৃত: শমসের আলীর ছেলে সাইদুরের ঘরের দরজায় ৩০ টাকা এবং ছফর আলীর ছেলে মজনু মিয়ার ঘরের দরজায় ১০০টাকা।
ঘটনাটি আশপাশে ছড়িয়ে পরলে মূহুর্তের মধ্যে উৎসুক জনতা ভীড় জমায় সেখানে। এটি কার কান্ড তাই নিয়ে চলে জল্পনা-কল্পনা। তবে পাঁচ জনের কেউই মনে করতে পারেননি এই ধরণের টাকার ক্ষতি তারা কারো কাছে করেছেন কিনা। ফলে চিন্তায় পরে গেছে ওই বাড়ির লোকজন। এটি নিছক রসিকতা না অন্য কিছু এই নিয়ে বিভ্রান্ত সবাই।
এ ব্যাপারে নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নবিউল হাসান জানান, এমন ঘটনা আমার জানা নেই। বিষয়টি খোঁজখবর নিচ্ছি।