প্রবাসী স্বামীকে নিঃস্ব করে বাড়ির কাজের ছেলের সঙ্গে পালালেন স্ত্রী

বুধবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৯ মাঘ ১৪২৮, ২৯ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

কাজের ছেলের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে স্বামী জাকির হোসেনকে ডিভোর্স দেন মেহেরুননেসা সুমি। পরে সেই পরকীয়া প্রেমিককে বিয়ে করে সংসার শুরু করেন তিনি। তবে হঠাৎ করেই জাকির হোসেনের কাছে আবারো ফিরে আসেন মেহেরুননেসা সুমি। জাকির হোসেনও তাকে গ্রহণ করেন। তারা আবারো সংসার শুরু করেন। কিন্তু স্ত্রী সুমি ফিরে আসার পেছনে ছিল অন্য পরিকল্পনা। যা কয়েকদিন পরই বুঝতে পারেন জাকির। কিন্তু ততদিনে জাকিরের অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার সব লুটে নিয়েছেন সুমি।

ঘটনাটি ঘটেছে বগুড়ার গাবতলী এলাকায়। যেখানে দুই কন্যা সন্তান রেখে সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী তার স্বামীর প্রবাস জীবনের উপার্জিত সহায় সম্বল নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে উধাও হয়েছেন। গত (২ জানুয়ারি) উপজেলার দুর্গাহাটা ইউনিয়নের বাইগুনি মধ্যপাড়া গ্রামে ঘটে এ ঘটনা। গৃহবধূর স্বামী জাকির হোসেন গাবতলী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে জাকির সৌদিতে জীবিকার তাগিদে যান। পরের বছর ২০০৮ সালে দেশে ফিরে তিনি নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার হরিতকি ডাঙ্গা গ্রামের ইদ্রিস আলী’র মেয়ে মেহেরুননেসা সুমিকে বিয়ে করেন। বিয়ের তাদের সংসার ভালো চলছিলো। তিনি প্রতি বছর সৌদি থেকে একবার দেশে আসতেন পরিবারকে সময় দিতে। তাদের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। ২০১৬ সালে দেশে ফিরে প্রবাস জীবনে আর ফিরবেন না এমন চিন্তা করে গ্রামেই একটি মুদিখানার দোকান খুলে বসেন। কিন্তু ব্যবসায় লোকসান হওয়ায় তিনি ২০১৮ সালে আবারও সৌদিতে ফিরে যান।

২০১৯ সাল পর্যন্ত তাদের স্বামী স্ত্রীর মাঝে সম্পর্ক গভীর ছিলো। স্ত্রীর কোন অভিযোগ ছিলো না। কিন্তু হঠাৎ করেই জাকিরের কাছে সুমি প্রায় সময় তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করতে শুরু করে। এ নিয়ে তাদের মাঝে মনোমালিন্য দেখা দেয়। কিন্তু সুমি অন্য পুরুষের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার কারণে এমনটি করছে বুঝতে পারেনি জাকির। ২০২০ থেকে দেশে ফেরার চেষ্টা করলেও ফিরতে পারেননি জাকির। পরে চলতি বছরের ২ জানুয়ারি জাকির বাড়ী ফেরার পর জানতে পারে তার স্ত্রী সেদিনই দুই কন্যাকে রেখে অন্যের হাত ধরে পালিয়েছে।

জাকির হোসেন জানান, তার স্ত্রী সুমি প্রতিবেশি আব্দুস সোবহান মুকুলের ছেলে জিহাদ ইসলামের সাথে পালিয়ে গেছে। তিনি তার স্ত্রীর কোনো অভাব রাখেননি। একটা বাড়ি, ২৫ শতক জায়গা, ১০ ভরি স্বর্ণালংকার, তিনটি ডিপিএসে ৫ লাখ টাকা জমা করেছিলেন সুমি’র নামে। বাড়িতে নগদ সাড়ে ৪ লাখ টাকা ছিলো। যাওয়ার সময় সে সব কিছু নিয়ে তাকে নিঃস্ব করে গেছে। শুধুমাত্র বাড়িটি তার দুই মেয়ের নামে লিখে দিয়ে গেছে। জিহাদ তাদের বাড়িতে কামলা’র কাজ করতো। বাড়ীতে তার আসা যাওয়া ছিলো। কিন্তু এরকম ঘটনা ঘটবে তিনি কখনও চিন্তাও করেননি।

তারা দু’জনে বিয়ে করে বগুড়া শহরে বসবাস করছে। প্রবাস জীবনে কষ্ট করে উপার্জনের সমস্ত টাকা নিয়ে সে আমাকে নিঃস্ব করে গেছে। আমি এর বিচার চাই। আমার টাকা পয়সা ফিরিয়ে চাই। থানায় অভিযোগ করেছি অনেক দিন হলো। এখনও পর্যন্ত থানা থেকে আমার টাকা পয়সা উদ্ধারে কোন সহযোগিতা করা হয়নি।

এ বিষয়ে গাবতলী থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জামিরুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরে আমরা মেয়েকে তার স্বামীর নিকট নিয়ে এসে দিয়েছি। সে আবার চলে গেছে। তবে টাকা ও গহনা নিয়ে গেছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Copyright @ Bd24Live Media (Pvt.) Ltd.

রেসিডেন্সি বাণিজ্য এবং ভুয়া কর্মসংস্থান রোধে আরব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কুয়েতে আগত প্রবাসী কর্মীদের জন্য ন্যূনতম মাসিক বেতন নির্ধারণ করেছে…

বুধবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৯ মাঘ ১৪২৮, ২৯ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

বেতন নির্ধারণের ফলে “ফিলিপাইন, ভারত এবং #বাংলাদেশ” থেকে আগত প্রযুক্তিবিদ, বিশেষায়িত এবং গৃহকর্মীদের সাথে রাখা হয়েছে। কারণ কুয়েতে এর শ্রম অ্যাটাশেরা ন্যূনতম মজুরি এবং অন্যান্য শর্তগুলি না মেনে চুক্তির অনুমোদনকে বাধা দেয় তাদের জন্য।

তবে ফিলিপিনো গৃহকর্মীদের জন্য একটি বিশেষ মান রয়েছে। পুরুষ বা মহিলা যাই হোক না কেন! যেখানে একজন গৃহকর্মীর জন্য ন্যূনতম বেতন প্রতি মাসে ৪০০ ডলারের কম (১২০ দিনারের সমতুল্য), এবং ৫৫০ ডলার (প্রায় ১৭০ দিনার সমতুল্য) নির্ধারণ করা হয় একজন গৃহকর্মীর জন্য ড্রাইভার হিসাবে। চিকিৎসা সেবা বা বয়স্কদের যত্নে বেতন আরো বিশেষী হয়।

ভারতীয় প্রবাসীদের জন্য উল্লেখ করে যে – তাদের চুক্তি অনুমোদনের জন্য সর্বনিম্ন বেতন প্রতি মাসে ১০০ দিনার। তা একজন গৃহকর্মী হোক বা একজন সাধারণ কর্মী হোক। তবে কখনো কখনো শ্রমিকের (প্রবাসীর) বিশেষীকরণ অনুসারে বেতন বাড়ানোর অনুরোধ করা হয়। বিশেষ করে ইংরেজি ভাষায় কথা বলার ক্ষসমতার কারণে বর্তমানে ভারতীয় কর্মীদের সব ধরণের চাহিদা রয়েছে কুয়েতে। এইভাবেই কয়েকটি কাজের সাইটে তাদের উপস্থিতি সহজতর হচ্ছে।

কুয়েতে নতুন শ্রমিক নিয়োগের জন্য ন্যূনতম মজুরি : বিশ্ববিদ্যালয় সার্টিফিকট ব্যাতিত মিশরীয় কর্মীর জন্য ২০০ দিনার । * মিশরীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেটধারী প্রবাসীর জন্য ৩৫০ দিনার । একজন ফিলিপিনা গৃহকর্মীর জন্য ১২০ দিনার । কুয়েত পুরামী সাপোর্ট টিম KPST2 একজন ফিলিপিনো ড্রাইভার জন্য ১৭০ দিনার । * একজন ভারতীয় গৃহকর্মীর জন্য ১০০ দিনার । গড় ভারতীয় প্রবাসী শ্রমিকের জন্য ১০০ দিনার । * একজন বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকের জন্য ১০০ দিনার । | কুয়েতে নতুন কর্মী নিয়োগে অসুবিধা : ★ প্রবাসী নিয়োগের উচ্চ খরচ । সার্টিফিকেশন এবং চিকিৎসা পরীক্ষার পদ্ধতিতে বিলম্ব । w ইংরেজি বা আরবি ভাষায় দক্ষতার অভাব । ★ প্রয়োজনীয় মূল্য বিশেষ প্রযুক্তিগত | শ্রমের অনুপলব্ধতা ।

সোর্স: আল-কাবাস নিউজের টুইটার একাউন্ট

রেসিডেন্সি বাণিজ্য এবং ভুয়া কর্মসংস্থান রোধে আরব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কুয়েতে আগত প্রবাসী কর্মীদের জন্য ন্যূনতম মাসিক বেতন নির্ধারণ করেছে…

বুধবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৯ মাঘ ১৪২৮, ২৯ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

বেতন নির্ধারণের ফলে “ফিলিপাইন, ভারত এবং #বাংলাদেশ” থেকে আগত প্রযুক্তিবিদ, বিশেষায়িত এবং গৃহকর্মীদের সাথে রাখা হয়েছে। কারণ কুয়েতে এর শ্রম অ্যাটাশেরা ন্যূনতম মজুরি এবং অন্যান্য শর্তগুলি না মেনে চুক্তির অনুমোদনকে বাধা দেয় তাদের জন্য।

তবে ফিলিপিনো গৃহকর্মীদের জন্য একটি বিশেষ মান রয়েছে। পুরুষ বা মহিলা যাই হোক না কেন! যেখানে একজন গৃহকর্মীর জন্য ন্যূনতম বেতন প্রতি মাসে ৪০০ ডলারের কম (১২০ দিনারের সমতুল্য), এবং ৫৫০ ডলার (প্রায় ১৭০ দিনার সমতুল্য) নির্ধারণ করা হয় একজন গৃহকর্মীর জন্য ড্রাইভার হিসাবে। চিকিৎসা সেবা বা বয়স্কদের যত্নে বেতন আরো বিশেষী হয়।

ভারতীয় প্রবাসীদের জন্য উল্লেখ করে যে – তাদের চুক্তি অনুমোদনের জন্য সর্বনিম্ন বেতন প্রতি মাসে ১০০ দিনার। তা একজন গৃহকর্মী হোক বা একজন সাধারণ কর্মী হোক। তবে কখনো কখনো শ্রমিকের (প্রবাসীর) বিশেষীকরণ অনুসারে বেতন বাড়ানোর অনুরোধ করা হয়। বিশেষ করে ইংরেজি ভাষায় কথা বলার ক্ষসমতার কারণে বর্তমানে ভারতীয় কর্মীদের সব ধরণের চাহিদা রয়েছে কুয়েতে। এইভাবেই কয়েকটি কাজের সাইটে তাদের উপস্থিতি সহজতর হচ্ছে।

কুয়েতে নতুন শ্রমিক নিয়োগের জন্য ন্যূনতম মজুরি : বিশ্ববিদ্যালয় সার্টিফিকট ব্যাতিত মিশরীয় কর্মীর জন্য ২০০ দিনার । * মিশরীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেটধারী প্রবাসীর জন্য ৩৫০ দিনার । একজন ফিলিপিনা গৃহকর্মীর জন্য ১২০ দিনার । কুয়েত পুরামী সাপোর্ট টিম KPST2 একজন ফিলিপিনো ড্রাইভার জন্য ১৭০ দিনার । * একজন ভারতীয় গৃহকর্মীর জন্য ১০০ দিনার । গড় ভারতীয় প্রবাসী শ্রমিকের জন্য ১০০ দিনার । * একজন বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকের জন্য ১০০ দিনার । | কুয়েতে নতুন কর্মী নিয়োগে অসুবিধা : ★ প্রবাসী নিয়োগের উচ্চ খরচ । সার্টিফিকেশন এবং চিকিৎসা পরীক্ষার পদ্ধতিতে বিলম্ব । w ইংরেজি বা আরবি ভাষায় দক্ষতার অভাব । ★ প্রয়োজনীয় মূল্য বিশেষ প্রযুক্তিগত | শ্রমের অনুপলব্ধতা ।

সোর্স: আল-কাবাস নিউজের টুইটার একাউন্ট

ডিম্বাণু বিক্রি করে পড়াশোনার খরচ চালাচ্ছেন নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী

মঙ্গলবার , ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৮ মাঘ ১৪২৮, ২৮ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক তরুণী পড়ার খরচ পরিশোধ করছেন নিজের ডিম্বাণু বিক্রি করে। তিনি নিজের পড়াশোনার খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। কাসান্ড্রা জোনস নামের ওই তরুণী জানিয়েছেন, নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার খরচ চালাতে তাকে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার ডলার ধার করতে হয়েছিল। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকার বেশি।

তিনি একা নন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার খরচ চালাতে ধার নিয়ে তা ফেরত দিতে সমস্যায় পড়েন অনেকেই। সেই ধার শোধ করতে গিয়ে অনেকেরই নাভিশ্বাস ওঠে। এত দিন এ বিষয়গুলো নিয়ে টুকটাক আলোচনা চললেও কাসান্ড্রার ঘটনাটি সবাইকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। পড়াশোনার খরচ চালাতে কী অবস্থা হচ্ছে অনেকের তা এখন স্পষ্ট।
 
২৮ বছরের ওই তরুণী জানিয়েছেন, ধার শোধ করতে এরই মধ্যে পাঁচবার নিজের ডিম্বাণু বিক্রি করেছেন তিনি। তাতে তার মোট আয় হয়েছে ৫০ হাজার ডলার। এখনো বাকি এক লাখ ১০ হাজার ডলার। এভাবে ডিম্বাণু বিক্রি করে ধার শোধ করার ফলও ভয়াবহ হতে পারে। চিকিৎসকরা তাকে জানিয়েছেন, ডিম্বাণু দেওয়া মোটেই রক্তদানের মতো নয়। যিনি দিচ্ছেন, তার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যাও। যেমন কোলন ক্যান্সার, ভবিষ্যতে আর মা হতে না পারার মতো সমস্যা।

কী আছে মালয়েশিয়া প্রবাসী পঙ্গু সামাউলের ভাগ্যে।

মঙ্গলবার , ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৮ মাঘ ১৪২৮, ২৮ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

২০১৮ সালের ২৪ জুন কাজে থাকাবস্থায় লরি দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হন। কেটে ফেলতে হয়েছে সামাউলের দুই পা। এদিকে দেশে থাকা সামাউলের সুখের সংসারে নেমে আসে অন্ধকার। খুব কষ্টে দিনাতিপাত করছে সামাউলের পরিবার।

দুর্ঘটনার পর থেকে তিন বছর ধরে ক্ষতিপূরণ আদায়ে চলছে আইনি লড়াই। লইয়ারের তত্ত্বাবধানে একটি হোটেলে অবস্থান করছেন সামাউল।

৩০ জানুয়ারি সামাউল কান্নাজড়িত কণ্ঠে বললেন, আমার মাকে দেখার খুব ইচ্ছা করছে। কবে যে শেষ হবে আইনি লড়াই তা জানি না। এদিকে দেশে থাকা সামাউলের চার মেয়ে, মা, স্ত্রী পথ চেয়ে বসে আছেন কবে আসবেন সামাউল।
মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশন আইনি সহায়তায় কী ভূমিকা রাখছে, জানতে চাইলে সামাউল বলেন, হাইকমিশনের কোনো ভূমিকা নেই। আমি যখন কাজাং হাসপাতালে ছিলাম তখন মালয়েশিয়ান একজন লোক আমাকে সহায়তা করেছেন। উকিল নিয়ে এসেছেন তিনি। আজ তিন বছর হয় ক্ষতিপূরণ আদায়ে আদালতে চলছে আইনি লড়াই।

দেশে,মার্চের পর সেট টপ বক্স ছাড়া ডিশ দেখা যাবে না

মঙ্গলবার , ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৮ মাঘ ১৪২৮, ২৮ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

ডিশ ক্যাবল ব্যবহারকারীদের সেট টপ বক্স না বসালে আর স্যাটেলাইট চ্যানেল দেখতে পারবেন না। আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের কেবল নেটওয়ার্ক ডিজিটাল করা হবে। 

সচিবালয়ে মঙ্গলবার টেলিভিশন মালিক, ক্যাবল অপারেটর এবং ডিটিএইচ সেবা প্রদানকারীদের সঙ্গে বৈঠকের পর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ এ তথ্য জানান। 

তিনি বলেন, এই সময়ের মধ্যে গ্রাহকেরা সেট টপ বক্স না বসালে আর টেলিভিশন দেখতে পারবেন না। 

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা একটি টাইম ফ্রেম নির্ধারণের জন্য এ আলোচনায় বসেছি। যে আলোচনাটা হয়েছে সেটি হচ্ছে, আমরা গ্রাহককে দুই মাস সময় দিয়ে, অর্থাৎ আজ হলো ১ ফেব্রুয়ারি, ঢাকা এবং চট্টগ্রামে ৩১ মার্চের মধ্যে সব গ্রাহককে ডিজিটাল সেট টপ বক্স গ্রহণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি। এর ঢাকা ও চট্টগ্রামে যাতে আমরা সেট টপ বক্স সবাইকে দিতে পারি সে লক্ষ্য ঠিক করে সবাই কাজ করব।

হাছান মাহমুদ বলেন, সম্প্রচার মাধ্যম ডিজিটাইজড করতে না পারার কারণে এই মাধ্যমের সঙ্গে যারা যুক্ত তারা যেমন বঞ্চিত হচ্ছেন, একই সাথে দেশও বঞ্চিত হচ্ছে। সরকার যে ভ্যাট ট্যাক্স এ খাত থেকে পায় সেটি সঠিকভাবে আদায় হয় না। দেশ ডিজিটাল হলেও এখনো কেবল নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ডিজিটাল হয়নি। ভারতে হয়ে গেছে, নেপালে ব্যাপক আকারে হয়ে গেছে। আমাদের দেশে এটি করলে সবার জন্যই সুবিধা। গ্রাহকরা ভালোভাবে টেলিভিশন দেখতে পাবেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আপনারা জানেন, এ উদ্যোগ নেয়ার পর একটি মামলা হয়েছিল হাইকোর্টে। আমাদের উদ্যোগের উপর একটি স্থগিতাদেশ এসেছিল। সেটি আমরা মন্ত্রণালয় থেকে ফেইস করে আদেশটা স্থগিত হয়েছে। অর্থাৎ এখন ডিজিটাইজড করার ক্ষেত্রে আইনগত কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই।

ক্যাবল লাইন ডিজিটাল করার পাশাপাশি এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা তৈরির বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী। 

পাকিস্তানি ‘স্বামীর’ হাতে সিডনিতে বাংলাদেশি তরুণী খুন।

মঙ্গলবার , ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৮ মাঘ ১৪২৮, ২৮ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আরনিমা হায়াৎ নামে ১৯ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণী খুনের শিকার হয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত তার ‘সঙ্গী’ তাকে খুন করেছেন। তবে আরনিমার পরিবারের দাবি, ছয় মাস আগে পরিবারের অমতে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত মিরাজ জাফরকে বিয়ে করেন আরনিমা। কিন্তু তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল।

এ হত্যার দায়ে আরনিমার স্বামী ২০ বছর বয়সী মিরাজ জাফরকে আটক করেছে পুলিশ। দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকার পর পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন মিরাজ।

অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যম সিডনি মর্নিং হেরাল্ড জানিয়েছে, আরনিমা হায়াতের মৃতদেহ সিডনির পেনাল্ট হিলস রোডের তার বাসার বাথটাব থেকে উদ্ধার করা হয়। ওই বাথটাবটি রাসায়নিক ও দাহ্য পদার্থে পরিপূর্ণ ছিল।

পুলিশের ধারণা, খুনের আলামত ধ্বংস করতে মৃতদেহটি রাসায়নিকের মধ্যে ডুবিয়ে রাখা হয়েছিল। রোববার আরনিমার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরনিমার খোঁজ না পাওয়ায় পরিবারের এক সদস্য জরুরি সেবায় বিষয়টি জানান। এরপর আরনিমার বাসায় গিয়ে পুলিশ দেখতে পায় বাথটাবে পড়ে আছে তার দেহ।

পুলিশ বাথটাবে রাসায়নিক পদার্থ দেখতে পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। তারাই আরনিমার দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

সিডনির পুলিশ কর্মকর্তা জুলি বুন টুজিবি রেডিওকে জানান, ওই সময়ের চিত্রটি ছিল ভয়াবহ।
 
জানা গেছে, বাবা আবু হায়াৎ ও মা মাহাফুজা হায়াৎে এর সঙ্গে ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি দেন আরনিমা। তাদের গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জে। তবে তিনি বেড়ে ওঠেন পুরান ঢাকায়।

এদিকে মিরাজ জাফরকে আটক করা হলেও তিনি আদালত হাজিরা দেননি। ফলে জামিনও চাননি তিনি। আগামী ৫ এপ্রিল ভিডিও কলের মাধ্যমে আদালতে তোলা হবে মিরাজকে।

সূত্র: সিডনি মর্নিং হেরাল্ড

ফের গতিতে ফিরছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স।

মঙ্গলবার , ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৮ মাঘ ১৪২৮, ২৮ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

টানা পাঁচ মাস কমার পর আবার গতিতে ফিরছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সপ্রবাহ।  গত বছরের ডিসেম্বর থেকেই কিছুটা বেড়েছিল প্রবাসী আয়।  নতুন বছরের প্রথম মাসেও (জানুয়ারি) সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে।

সদ্যসমাপ্ত জানুয়ারি মাসে ১৭০ কোটি ৪৪ লাখ (১.৭০ বিলিয়ন) ডলার রেমিটেন্স এসেছে। যা (বর্তমান বিনিময় হার প্রতি ডলার ৮৬ টাকা) বাংলাদেশি মুদ্রায় দাঁড়ায় ১৪ হাজার ৬৫৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা।

রেমিটেন্সপ্রবাহ বৃদ্ধির কারণ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের ওপর সরকার যে ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দিচ্ছিল- সেটি এখন বাড়িয়ে আড়াই শতাংশ করেছে। এজন্যই রেমিটেন্সপ্রবাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ প্রনোদনা বৃদ্ধি রেমিটেন্সে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর অর্থনীতি চাঙা হওয়াও রেমিটেন্স বৃদ্ধির কারণ।

অবৈধ উপায়ে প্রবাসী আয় দেশে আসা ঠেকাতে ও বৈধ উপায়ে প্রবাসীদের উদ্বুদ্ধ করতে ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে ২ শতাংশ হারে নগদ প্রণোদনা দিয়ে আসছিল সরকার। করোনা মহামারিকালে রেকর্ড পরিমাণ রেমিটেন্স আসলেও ২০২১-এ কিছুটা কমতে থাকে। এ জন্য সরকার ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নগদ প্রণোদনা আরও বাড়িয়ে ২ দশমিক ৫ শতাংশ করেছে। অর্থাৎ এতদিন কোনো প্রবাসী দেশে ১০০ টাকা পাঠালে, তার পরিবার বা স্বজন পেত ১০২ টাকা।  এখন পাচ্ছে ১০২ টাকা ৫০ পয়সা।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিটেন্সের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য বলছে, ২০২২ সালের প্রথম মাস জানুয়ারিতে বিভিন্ন ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে ১৭০ কোটি ৪৪ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।  গত বছরের এই মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ১৯৬ কোটি ১৯ লাখ ডলার।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ার পর থেকে উদ্বেগজনক হারে সেটি বাড়তে থাকে। ওই সময় রেমিটেন্স কমার আশঙ্কা তৈরি হলেও প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে চাপ পড়তে দেননি। টানা দেড় বছর রেকর্ড পরিমাণ রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়েছেন তারা। পরে গত বছরের জুলাই থেকে রেমিটেন্স ক্রমাগত কমতে থাকে। তবুও গত বছরে (২০২১ সালে) ২ হাজার ২০৭ কোটি (২২.০৭ বিলিয়ন) ডলার রেমিটেন্স আসে দেশে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ। আর মহামারি শুরুর বছরে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স (এক বছরে) আসে ২১.৭৮ বিলিয়ন ডলার। তার আগের বছর (২০১৯ সালে) এসেছিল ১৮.৩৩ বিলিয়ন ডলার।

কুয়েতে করোনায় আরো ৬,৪৩৬ জন শনাক্ত, মারা গেছে ২ জন।

মঙ্গলবার , ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৮ মাঘ ১৪২৮, ২৮ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

কুয়েতে গত ২৪ ঘণ্টার কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়েছে আরো ৬,৪৩৬ জন, যাদের মধ্যে নাগরিক ও প্রবাসী রয়েছে।

একই সময়ে সুস্থ হয়েছে ৫,৬৮৫ জন, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ২ জন।

আজ মঙ্গলবার (০১ ফেব্রুয়ারী) কোভিড-১৯ ও ওমিক্রন বিষয়ক আপডেট ব্রিফিং-এ এই তথ্য নিশ্চিত করা হয় ।

হাসপাতালের আইসিইউতে আছেন ৯০ এবং করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছেন ৪৮২ জন, নিয়মিত চিকিৎসাধীন আছেন ৫২,৪৬৭ জন

কুয়েতে মোট শনাক্তের সংখ্যা ৫৫,২১৫৩ জন, মোট সুস্থের সংখ্যা ৪৯৭,১৮৭ জন, মোট মৃতের সংখ্যা ২,৪৯৭ জন।

মোট টেস্ট করা হয়েছে ৬,৯৫৯,৪২৪ জন ।

কুয়েতে করোনার পরিস্থিতি দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে…

সোমবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২২, ১৭ মাঘ ১৪২৮, ২৭ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

গত ২৪ ঘণ্টায় কুয়েতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা- ৬,০৬৩ জন এবং
আজকে ১ জনের মৃত্যু (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন),

আজকে সুস্থতা লাভ করেছে- ৫,১২৯জন (আলহামদুলিল্লাহ )

মহান আল্লাহ এই মহামারী থেকে আমাদের কে হেফাজত করুক_(আমিন)🤲

হে আল্লাহ্ !! হে আমার “রব” সারা জাহানের মালিক, আপনি আমাদের সকলকে এই মহামারি ভাইরাস থেকে হেফাজত করুক। আমীন সুম্মা আমীন!🤲

সূত্রঃ কুয়েত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।