কুয়েতঃ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি ছাড়াই ৬০ বছরের বেশি বয়সী প্রবাসীদের তাদের ওয়ার্ক পারমিট পুনর্নবীকরণের জন্য ২৫০ দিনার বার্ষিক ফি সহ বার্ষিক স্বাস্থ্য বীমা ৫০০ দিনার প্রদান করিতে হবে।
বীমা পলিসি বেসরকারি হাসপাতাল এবং ক্লিনিকগুলিতে বীমাকৃত বাসিন্দাদের চিকিৎসার জন্য প্রতি বছর সর্বোচ্চ ১০,০০০ দিনার যার মধ্যে ৮,০০০ দিনার হাসপাতালের কভারেজের জন্য।
কুয়েতের স্থানীয় মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে যে, বীমাকৃত বাসিন্দারা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য সম্পূর্ণভাবে আওতাভুক্ত, যার মধ্যে রয়েছে হাসপাতালে থাকা, ডাক্তারদের পরামর্শের খরচ, সার্জারি এবং রেডিওলজি পরিষেবা। পলিসিটি দীর্ঘস্থায়ী রোগের চিকিৎসা সেবা প্রদান করিবে ।
হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। বিদেশে যেতে করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ রিপোর্ট নিয়ে যেতে হয় বিমানবন্দরে। তবে অনেক প্রবাসী করোনায় আক্রান্ত হয়েও বিদেশ যেতে বিমানবন্দরে চলে আসছেন। ল্যাবে পরীক্ষায় পজিটিভ হলেও জাল নেগেটিভ সনদ দেখাচ্ছেন। প্রতিদিন গড়ে ৫ জন প্রবাসী এমন ভুয়া সনদ নিয়ে আসেন। তারা বিমানবন্দরে এসে অন্য যাত্রীদের ঝুঁকিতে ফেলছেন। প্রতারণা করা এমন যাত্রীদের জরিমানাও করছে বিমানবন্দরের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট।
দিনাজপুরের মফিজুল আলম স্থানীয় একটি ল্যাবে করোনা পরীক্ষা করলে তার পজিটিভ রিপোর্ট আসে। তবে তার প্রতিবেশীদের পরামর্শে কম্পিউটারের দোকানে সেই রিপোর্টে এডিট করে নেগেটিভ সনদ হাতে নিয়ে ঢাকায় আসেন মফিজুল। সৌদিগামী ফ্লাইট ধরতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য বিভাগে এলে ধরা পড়ে তার জাল সনদ। স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে তাকে পাঠানো হয় বিমানবন্দরের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাকে জরিমানা করে পাঠিয়ে দেন হাসপাতালে।
গেলো জানুয়ারি মাসে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মফিজুল আলমের মতো কমপক্ষে ৬০ যাত্রীকে শনাক্ত করা গেছে। এরা করোনা আক্রান্ত হয়েও ভুয়া সনদ নিয়ে বিমানবন্দরে এসেছেন। বিমানবন্দরের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট জানুয়ারি মাসে ৪৫ জনকে ভুয়া সনদ নিয়ে বিমানবন্দরে আসায় ১ লাখ ৯৪ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড করেছেন।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলী আফরোজ বলেন, বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য বিভাগ ভুয়া করোনা নেগেটিভ সনদ শনাক্ত করছে। এই যাত্রীরা ল্যাবে পরীক্ষা করে পজিটিভ রিপোর্ট পায়। কিন্তু কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে পজিটিভ রিপোর্টের জায়গায় এডিট করে নেগেটিভ লিখে নিয়ে আসে। এ কারণে জানুয়ারি মাসে ৪৫ জনকে ভুয়া সনদ নিয়ে বিমানবন্দরে আসায় ১ লাখ ৯৪ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এর বাইরেও আরও কিছু যাত্রী ভুয়া সনদ নিয়ে এসেছেন, যাদের মানবিক কারণে জরিমানা করা হয়নি।
সূত্র জানায়, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে দিনে কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষ বিদেশ যাচ্ছেন। এরমধ্যে দিনে কমপক্ষে ৫ শতাধিক জনের যাত্রা আটকে যাচ্ছে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ফলে। অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে। এ কারণে অনেক প্রবাসী ভুয়া সনদ নিয়ে বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
শাহজালাল বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী পরিচালক ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ বলেন, বিমানবন্দরে যাত্রীদের করোনা পরীক্ষার সনদ শতভাগ যাচাই করা হয়। প্রতিদিনই দেখা যাচ্ছে ৫/৬ যাত্রী ভুয়া নেগেটিভ সনদ নিয়ে আসেন। তারা বিমানবন্দরে এসে অন্য যাত্রীদের ঝুঁকিতে ফেলছেন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনা অনুসারে কোনও বিদেশগামী যাত্রী করোনায় আক্রান্ত হলে সাত দিনের মধ্যে বিদেশ যেতে পারবেন না। ২০২১ সালের জুনে জারি করা নির্দেশনায় আরও বলা হয়, সাত দিন পর শুধু সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ল্যাবে পুনরায় যাত্রী করোনা পরীক্ষা করবেন এবং তখন নেগেটিভ রিপোর্ট এলে দেশত্যাগ করতে পারবেন।
বিদেশগামী যাত্রীদের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শাহজালাল বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী পরিচালক ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ। তিনি বলেন, ফ্লাইটের কমপক্ষে ৭ দিন আগে থেকে বেশ সতর্ক হতে হবে। বিদেশ যাওয়ার জন্য কেনাকাটা, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা করা এসব ৭ দিন আগেই শেষ করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা, সঠিক নিয়মে মাস্ক পরতে হবে। এমনকি বিমানবন্দরে আসার সময় অহেতুক আত্মীয়স্বজন নিয়ে আসা বন্ধ করতে হবে।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত ও মৃত্যু কিছুটা কমে এসেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৪৯৪ জনে।
এই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১১ হাজার ৫৯৬ জনের। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৩৫ হাজার ৭৭৬ জনে। শনাক্তের হার ২৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে বুধবার করোনায় ৩৬ জনের মৃত্যু হয়; শনাক্ত হন ১২ হাজার ১৯৩ জন; শনাক্তের হার ছিল ২৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।
ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।
২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়।
এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে। ২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ।
ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে।
সফরে যাওয়ার আগে অনেকেই পাসপোর্ট রিনিউ করে নতুন পাসপোর্টে আকামা ট্রান্সফার করে থাকে… কিন্তু নতুন বতাকা যে বানাতে হয় তা অনেকে জানেনা।
** নতুন পাসপোর্টে আকামা ট্রান্সফার (হাউল) করার পর নতুন বতাকা বানাতে হবে নতুন পাসপোর্ট নাম্বার অনুযায়ি। তা নাহলে সফরে যেতে পারবেন না।
** বতাকায় পাসপোর্ট নাম্বার ভুল থাকলে সফরে যেতে পারবেন না। (১০০% নিশ্চিত থাকুন)
** অনেক সময় পাসপোর্টে নামের বানান ভুল আসে ফলে বতাকায় সঠিক নাম থাকলেও আপনি সফরে যেতে পারবেন না।
** পাসপোর্ট অনুযায়ী বতাকায় সকল বানান, নাম এবং পাসপোর্ট নাম্বার ঠিক আছে কিনা তা যাচাই করুন। যদি ভুল থাকে তাহলে বতাকা সংশোধন করুন তা না হলে সফরে যেতে পারবেননা। কুয়েত বিমানবন্দরে আটকে দিবে ফ্লাইট মিস হবে।
★ দূতাবাস কর্তৃক পাসপোর্ট (এক্সটেনশন) ম্যানুয়াল ভাবে ২ বছরের জন্য রিনিউ করে দিলে তখন বতাকা নতুন লাগবেনা। যেটা আছে সেটা নিয়েই সফরে যেতে পারবেন।
★ যারা পাসপোর্ট ম্যানুয়েল (এক্সটেশন) করে আকামা নবায়ন করেন আপনাদের সতর্কতার জন্য একটা উপদেশ – (খারেজিয়া করার পর) খারেজিয়ার পেপারটাকে ফটোকপি করে নিবেন। এবং সফরে যাওয়ার সময় টিকেট ও পাসপোর্টের সাথে হাতে রাখবেন।
★ আকামা নবায়ন করছেন কিন্তু বতাকা হতে দেড়ি হচ্ছে কিন্তু সফরে যাবেন তো কি করবেন?? এক্ষেত্রে নতুন আকামার আপডেট যদি মোবাইল আইডি চলে আসে তাহলে মোবাইল আইডি দিয়েই সফরে যেতে পারবেন।
নোট: পাসপোর্ট রিউনি করার আকামা হাউল করে যদি আকামা নতুন পাসপোর্টে ট্রান্সফার (হাউল) না করেন তাহলে জরিমানা আসবেনা। যেমন : আপনার আকামার মেয়াদ শেষ হবে ১১-৬-২০২২ তারিখে কিন্তু আপনি পাসপোর্ট রিনিউ করে হাতে পেয়েছেন ৩-২-২০২২ তারিখ। আপনি সেইম ১১-৬-২০২২ তারিখে আকামা নবায়নের সময় নতুন পাসপোর্টে আকামা নবায়ন করতে পারবেন এতে জরিমানা আসেবানা।
বি:দ্র: বতাকা এবং পাসপোর্টের ভুল থাকার কারনে সফরে করা যায়না আজকের বিষয় ছিলো এটাই। হ্যা যদি কেইস, মামলা, অপরাধ, ইনহাস, তাগাইয়্যুব, ব্লাকলিস্ট থাকে তাহলে সেগুলো অন্য বিষয়।
ফেসবুক লাইভে এসে পিস্তল দিয়ে মাথায় গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছেন নায়ক রিয়াজের শ্বশুর আবু মহসিন খান। আজ বুধবার রাতে ধানমন্ডিতে নিজের বাসায় তিনি এ ঘটনা ঘটান।
ধানমন্ডি থানার ওসি ইকরাম আলী মিয়া প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ধানমন্ডি ৭ নম্বর রোডের ২৫ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন আবু মহসিন খান। রাত পৌনে ১০টার দিকে নিজের লাইসেন্স করা পিস্তল দিয়ে মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।
খবর পেয়ে পুলিশের রমনা বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গেছেন। রাত সাড়ে ১০টার পর্যন্ত লাশ ওই ফ্ল্যাটে ছিল বলে পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। আবু মহসিন খান কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু বলতে পারেননি তাঁরা।
কুয়েতের পাবলিক ফায়ার সার্ভিসের জনসংযোগ ও মিডিয়া বিভাগ জানিয়েছে যে, মাহবৌলা এলাকায় অবস্থিত একটি টাওয়ারে্র অ্যাপার্টমেন্টে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে ।
আগুনের ধোঁয়ায় চারজন লোকের দম বন্ধ হয়ে পড়েছিল, তাদের উদ্ধার করে ঘটনাস্থলে জরুরী চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার (২ ফেব্রুয়ারী) সকালে সেন্ট্রাল অপারেশন ডিপার্টমেন্টের কাছে একটি রিপোর্ট এসেছে যে, একটি টাওয়ারের পঞ্চদশ তলায় আগুন লেগেছে এবং সেখানে লোকজন আটকে পড়ছে, ফলস্বরূপ, অগ্নিনির্বাপক দল মাঙ্গাফ এবং ফাহাহেল কেন্দ্র থেকে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আটকে পড়া প্রবাসীদের সরিয়ে ফেলে ।
ফায়ার সার্ভিস দল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে হস্তান্তর করে । সুত্রঃ আরটিএম নিউজ ।
দেশের আকাশে পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা গেছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা শুরু হবে। ফলে পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ পালিত হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি (২৬ রজব) রাতে। আজ বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুনিম হাসান।
সভায় ১৪৪৩ হিজরি সনের পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা হয়। এতে দেখা যায় যে, আজ ২৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি, ১৯ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রি. বুধবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখার খবর পাওয়া গেছে। এ অবস্থায় আগামীকাল ২০ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রি. বৃহস্পতিবার থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা শুরু হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২৬ রজব ১৪৪৩ হিজরি, ১৫ ফাল্গুন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রি. সোমবার দিনগত রাতে পবিত্র শবে মেরাজ পালিত হবে।
সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মো. মুশফিকুর রহমান (অতিরিক্ত সচিব), প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শাহেনুর মিয়া, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. কাউসার আহমদ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ভূইয়া, ওয়াকফ প্রশাসকের কার্যালয়ের উপ প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মো. রায়হান কাওছার, সহকারী কমিশনার মো. আব্দুল হালিম, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের পিএসও আবু মোহাম্মদসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত কমলেও বেড়েছে মৃত্যু। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৪৬১ জনে।
এই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১২ হাজার ১৯৩ জনের। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ২৪ হাজার ১৮০ জনে। শনাক্তের হার ২৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে মঙ্গলবার করোনায় ৩১ জনের মৃত্যু হয়; শনাক্ত হন ১৩ হাজার ১৫৪ জন; শনাক্তের হার ছিল ২৯ দশমিক ১৭ শতাংশ।
দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।
ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।
২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়।
এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে। ২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ।
ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে।