করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৫৬০ জনে।
একই সময়ে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন আট হাজার ৩৫৯ জনে। শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ৮৩। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৮ লাখ ৫৩ হাজার ১৮৭ জনে।
শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করেছে আপিল বোর্ড। নিপুণকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন নিয়ে আলোচনা থামছেই না। আজ শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান জায়েদ খানের প্রার্থীতা বাতিল করে চিত্রনায়িকা নিপুণকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ঘোষণা করেছেন।
এর আগে মিশা-জায়েদের আমলে ভোটাধিকার হারানো শিল্পীরা শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ৩টা থেকেই এফডিসিতে অবস্থান নেন। এসময় ‘জায়েদ খানের পদত্যাগ চাই’, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ চিৎকারে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন ভোটাধিকার হারানো শিল্পীরা। তারা দলবদ্ধ হয়ে, কেউ খালি গায়ে প্রতিবাদী স্লোগান লিখে তাদের অধিকার হরণ করায় জায়েদের বিচার দাবি করেন।
রাস্তায় চলার পথে বা জ্যামে গাড়িতে বসে থাকার সময় অনেক ধরনের ভিক্ষুক দেখতে পান নিশ্চয়। শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সের ভিক্ষুকদের দেখতে পাবেন। তবে একটি ব্যাপার কি লক্ষ্য করেছেন? বিশ্বজুড়ে যেখানেই আপনি ভিক্ষুকের কোলে ছোট কোনো বাচ্চা দেখতে পাবেন, খেয়াল করলেই দেখবেন বাচ্চাটি ঘুমিয়ে আছে। কী বাংলাদেশ, আর কী ব্যাংকক, আমেরিকা। সারাবিশ্বেই ভিখারিদের এক অবস্থা।
কখনো কি মনে প্রশ্ন জেগেছে, ভিক্ষুকের কোলের বাচ্চাটি সবসময় ঘুমিয়ে থাকে কেন?
এর পিছনে রয়েছে, বীভৎস এক করুণ কাহিনী। এই চিত্র শুধুমাত্র কোনো একটি দেশের নয়। পৃথিবীর প্রায় সব দেশের কাহিনী প্রায় একইরকম।
রাস্তার মোড়ে মোড়ে থাকা প্রায় প্রতিটি ভিক্ষুককেই পরিচালনা করে সুসংগঠিত সন্ত্রাসী মাফিয়া বাহিনী। যারা ভিক্ষুকদের পিছনে কাজ করে। এই মাফিয়া গ্রুপগুলো সব ভিক্ষুকদেরকে নিজেদের জিম্মায় রাখে। প্রতিদিন সকালে নিজেদের দায়িত্বে রাস্তার মোড়ে মোড়ে এনে বসিয়ে দিয়ে যায়। আবার সন্ধ্যা হলে নিজেদের দায়িত্বেই তাদেরকে আখড়ায় ফিরিয়ে নেয়। এরপর ভিক্ষুকের সারাদিনের যা ‘আয়’ তার সবটুকুই চলে যায় ওই মাফিয়া গ্রুপের হাতে। ভিক্ষুকের কপালে জোটে শুধু এক বেলার খাবার।
খেয়াল করবেন, রাস্তার পাশে ছোট শিশু নিয়ে যারা ভিক্ষা করছে তাদের অধিকাংশেরই কোলে থাকা শিশুটি ঘুমে বিভোর। কোলে নেয়া মহিলাটির ভাঁজ করা পায়ে নাকমুখ গুঁজে চুপচাপ ঘুমাচ্ছে শিশুটি। আর রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী পথচারীরা তাদেরকে টাকা দিয়ে সাহায্য করে যাচ্ছেন।
একটি শিশু সারাদিন চুপচাপ ঘুমিয়ে কাটায় কীভাবে? তাও আবার ব্যস্ত সড়কের পাশে হাজারো গাড়ির হর্ন এবং নানা রকম শব্দের মাঝে? এখানেই রয়েছে চমকে যাওয়ার মতো উত্তর। প্রতিদিন ভিক্ষা করতে আসার আগে কোলের ওই শিশুটিকে নেশাদ্রব্য খাইয়ে ঘুম পাড়ানো হয়। তারপর সারাদিন ধরে নির্বিঘ্নে ভিক্ষাবৃত্তি চলে।
এভাবে দিনের পর দিন নেশাদ্রব্য খাওয়ানোর ফলে কিছুদিন পরেই ওই শিশুটি মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে। তারপর ওই শিশুটির স্থান দখল করে নেয় অন্য কোনো শিশু। ফলে আরো একটু ভালো করে খেয়াল করলে দেখবেন, কিছুদিন পরপরই তাদের কোলের শিশুটি বদলে যাচ্ছে। নতুন নতুন শিশু কোলে নিয়ে দিনের পর দিন একইভাবে চলছে ভিক্ষাবৃত্তি।
এখন নিশ্চয় মনে প্রশ্ন জাগছে, এরা এতো এতো শিশু পাচ্ছে কোথা থেকে? কীভাবেই বা ওই মাফিয়া গ্রুপগুলোর হাতে আসছে বাচ্চাগুলো? এদের অধিকাংশই চুরি করা শিশু অথবা টাকার অভাবে থাকা মাদকসেবী পরিবারের কাছ থেকে ভাড়া নেয়া।
দেশের প্রথম সারির দৈনিক প্রথম আলোতে এমন একটি ঘটনা উঠে এসেছিল। ৩০-১২-২০১০ তারিখে ‘শিশুদের পঙ্গু করে নামানো হচ্ছে ভিক্ষায়’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ছাপায় পত্রিকাটি।
রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে একটি প্রভাবশালী চক্র বিভিন্ন জায়গা থেকে শিশুদের ধরে নিয়ে গিয়ে পঙ্গু বা অচল করে দেয়। তারপর তাদেরকে ভিক্ষাবৃত্তিতে ভাড়া দেয়।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, একটি অ্যালুমিনিয়ামের পাতিলের ভেতর টানা ছয় মাস আট-নয় বছরের এক শিশুকে জড়সড় করে আটকে রাখা হয়। সারাদিনে শুধু একবার সামান্য ভাত অথবা রুটি-পানি দেয়া হতো তাকে। এইভাবে দিনের পর দিন একটি পাতিলের ভিতর থাকতে থাকতে শিশুটি কঙ্কালসার হয়ে পড়ে। এরপর তাকে ভিক্ষাবৃত্তিতে ভাড়া দেয়া হয়।
এছাড়া অনেক শিশুকেই ধরে এনে কব্জি, পায়ের রগ, পুরুষাঙ্গ কেটে দিয়ে অথবা বুকে, ঘাড়ে, মাথায় আঘাত করে অচল বানিয়ে দেয়া হতো। তারপর তাকে দিয়ে চলতো ভিক্ষার ব্যবসা। সারা বিশ্বেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়িয়ে অথবা তাদের সঙ্গে যোগসাজশ রেখেই এসব ব্যবসা চলে। তাই এদেরকে সামাজিকভাবে মোকাবেলা করতে হবে।
এখন থেকে কোলে শিশু নিয়ে থাকা কোনো ভিক্ষুককেই আর কখনো টাকা-পয়সা দান করবেন না। খাবার, পানি দিতে পারেন, কিন্তু টাকা-পয়সা কখনোই নয়। আপনার এই অভ্যাসে হয়তো বেঁচে যাবে কোনো একটি শিশুর প্রাণ।
সম্প্রতি আল্লু অর্জুনের পুস্পা ছবির গান কিংবা ডায়ালগ অনুকরণ করতে দেখা গিয়েছে একাধিক নেটিজেনকে। তবে এবার পুস্পার আদলে লাল চন্দন পাচারের চেষ্টা করলো এক ব্যক্তি। তবে পুস্পার মতো মসৃণ কায়দায় কাজ হাসিল করতে পারেনি সে। মহারাষ্ট্রের পুলিশের হাতে ধরা পড়লো পাচারকারী। ওই পাচারকারীর নাম ইয়াসিন ইয়ানাতুল্লাহ। খবর এই সময়ের।
প্রতিবেদনে বলা হয়, একেবারে ফিল্মি কায়দায় কর্নাটক অন্ধ্রপ্রদেশের সীমান্ত থেকে মহারাষ্ট্রে ওই বিপুল পরিমাণ চন্দন কাঠ নিয়ে আসছিল সে। সাংলি এলাকার মিরাজ নগর থেকে গান্ধি চকে ঢোকা মাত্রই সে ধরা পড়ে যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই চোরাকারবারির হেফাজত থেকে প্রায় আড়াই কোটি টাকার লাল চন্দন কাঠ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে ছবির খুঁটিনাটি তথ্য ব্যবহার করে অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে মহারাষ্ট্র অবধি ওই বিপুল পরিমাণ কাঠ নিয়ে চলে এসেছিল বাস্তবের পুস্পারাজ। কিন্তু মহারাষ্ট্রে নাকা চেকিংয়ের দরুন ধরা পড়ে যায় সে।
পুস্পা ছবিতে বুদ্ধির জোরে মজুর থেকে মাফিয়া হয়ে উঠতে দেখা গিয়েছে আল্লু অর্জুনকে। কখনও কোটি কোটি টাকার কাঠ নদীতে ভাসিয়ে, কখনও আবার তা হৃদে ফেলে দিয়ে পুলিশের হাত থেকে বেঁচেছিল ছবির নায়ক পুস্পা। অন্যরা ফল কিংবা ফুলের আড়ালে কাঠ পাচার করতো। ফলে তারা সহজেই ধরা পড়ে যেতো। কিন্তু পুস্পা লরিতে প্রথমে লাল চন্দন কাঠ ভরে দিতো। এরপর কায়দা করে দুধ ভর্তি করে দিতো ট্রাকে। তবে বাস্তবের পুস্পারাজ কিন্তু আরও এক কদম এগিয়ে গিয়েছিল। সে কায়দা করেছিল অন্য জায়গায়।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক করা ট্রাকটির বাইরের দিকে বড় বড় ফল এবং সবজির বাক্স দিয়ে ভরানো হয়েছিল। বাইরে সেঁটে দেয়া হয়েছিল কোভিড-১৯ এসেনশিয়াল প্রোডাক্ট স্টিকারও। তার এই বুদ্ধি কাজেও লেগে যেতো। তবে তীরে এসে তরী ডুবে গেলো এবার। পুলিশের জালে ধরা পড়লো রিয়েল লাইফ পুস্পা।
প্রসঙ্গত এই মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় আগুন ছড়িয়েছে পুস্পা। ডায়ালগ থেকে গান, সবকিছুরই রিল ভাইরাল। কেউবা অন্তাভারের তালে কোমর দোলাচ্ছেন, কেউ নাচছেন শ্রীভাল্লি গানে।
দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৫২৪ জনে।
এই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৫২ জনের। যা গত ২২ জানুয়ারি পর সর্বনিম্ন। ওইদিন নয় হাজার ৬১৪ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছিল। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৪৪ হাজার ৮২৮ জনে। শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৯৫ শতাংশ।
শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে।
আগের দিন (বৃহস্পতিবার) ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, শনাক্ত হন ১১ হাজার ৫৯৬ জন; শনাক্তের হার ছিল ২৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ। তার আগে দিন (বুধবার) ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, শনাক্ত হয় ১২ হাজার ১৯৩ জন; শনাক্তের হার ছিল ২৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ। তারও আগে মঙ্গলবার করোনায় ৩১ জনের মৃত্যু হয়; শনাক্ত হন ১৩ হাজার ১৫৪ জন; শনাক্তের হার ছিল ২৯ দশমিক ১৭ শতাংশ।
শুক্রবারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ২৮২ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৮৭ হাজার ৩৭৪ জন।
এতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয় ৩৯ হাজার ৭২৬টি। নমুনা পরীক্ষা করা হয় ৩৯ হাজার ৪৪৫টি। পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৯৫ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।
ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।
২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়।
এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে। ২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ।
ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি দেশে অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সৌদি আরব, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে বলে বৃহস্পতিবার পেন্টাগন জানিয়েছে।
পেন্টাগনের ডিফেন্স সিকিউরিটি কো-অপারেশন এজেন্সি এক বিবৃতিতে জানায়, জর্ডানের কাছে ৪ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলারের এফ-১৬ ফাইটার জেট এবং সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি বিক্রির বিষয়টি অনুমোদন করা হয়েছে।
জর্ডানের অনুরোধে এফ-১৬ সি ব্লক ফাইটার জেট ও মিসাইল টেইল কিটসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।। ফাইটার জেটগুলোর প্রধান ঠিকাদার হল লকহিড মার্টিন কর্পোরেশন।
এদিকে, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য ২৩ দশমিক সাত মিলিয়ন ডলারের ৩১টি মাল্টিফাংশনাল ইনফরমেশন ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম-লো ভলিউম টার্মিনাল কেনার বিষয়টি অনুমোদন করেছে সৌদি আরব।
পেন্টাগন জানায়, প্রস্তাবিত এমআইডিএস-এলভিটি টার্মিনালগুলো সৌদির টার্মিনাল হাই অল্টিটিউড এয়ার ডিফেন্স প্ল্যাটফর্মগুলোতে স্থাপন করা হবে। এদিকে, এর আগে কেনা এমআইডিএস-এলভিটি (বিইউওয়ান) টার্মিনালগুলো সৌদির প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় স্থাপন করা হয় বলে পেন্টাগন জানিয়েছে।
এদিকে সংযুক্ত আারব আমিরাতে রকেট ও ড্রোন হামলা বেড়ে যাওয়ায় দেশটি ৩০ মিলিয়ন ডিলার মূল্যের হোমিং অল দ্য ওয়ে কিলার (এইচএডাব্লিউকে) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য খুচরা এবং মেরামতের যন্ত্রাংশ কেনার জন্য অনুমোদন দিয়েছে।
উপসাগরীয় দেশ এবং সৌদি আরবের ঘনিষ্ঠ মিত্র সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। ইয়েমেন ও ইরাক থেকে ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী এই হামলা চালিয়েছে।
হামলার উদ্বেগের মধ্যে শুক্রবার ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী সুখবর দিলেন। তিনি জানিয়েছেন, হামলা প্রতিহত করতে তার দেশ আরব আমিরাতকে সহায়তা করবে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ফ্রান্সের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। আবু ধাবিতে ফ্রান্সের স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। গত ডিসেম্বরে ফ্রান্স আমিরাতের কাছে ৮০টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান বিক্রির চুক্তি করে।
সম্প্রতি ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফ্লোরেন্স পার্লি এক টুইট বার্তায় বলেন, নিজ সীমানায় আরব আমিরাত মারাত্মক আক্রমণের শিকার। বন্ধুপ্রতীম এই দেশের সঙ্গে সংহতি প্রকাশে ফ্রান্স তাদেরকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশেষ করে আকাশ সীমানা বহিঃ আক্রমণ প্রতিরোধে।
ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, আবু ধাবির সঙ্গে চুক্তি হলে আল দাফরা বিমান ঘাঁটি থেকে অভিযান চালানো হবে। এতে করে আরব আমিরাতের ভূপৃষ্ঠ থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারাইন্সের কোন যাত্রী করোনা আক্রান্ত হলে তিনি পুনরায় একই টিকিটে সুস্থ হওয়ার পর বিদেশ যেতে পারবেন। করোনা আক্রান্ত হওয়ার রিপোর্ট দেখিয়ে বিনা খরচে তারিখ পরিবর্তন করে টিকিট রি-ইস্যু করা যাবে। যাদের ভিসার মেয়াদ কম তাদের সিট খালি থাকা সাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকিট রি-ইস্যু করে দেয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনা অনুসারে কোনো বিদেশগামী যাত্রী করোনা আক্রান্ত হলে সাত দিনের মধ্যে বিদেশ যেতে পারবেন না। সাত দিন পর শুধু সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ল্যাবে পুনরায় যাত্রী করোনা পরীক্ষা করবেন এবং তখন নেগেটিভ রিপোর্ট আসলে দেশত্যাগ করতে পারবেন।
আপনি যে এজেন্সি মাধ্যমে টিকিট কেটেছেন তাদের সাথে যোগাযোগ করে তারিখ পরিবর্তন করবেন। কিছু বাটপার ট্রাভেল/টিকিটিং এজেন্সি তারিখ পরিবর্তে যাত্রীদের সাথে প্রতারণার চেস্টা করে। সেক্ষেত্রে আপনার নিকটস্থ থানায় অভিযোগ দিন, ৯৯৯ এ কল করুন। সহায়তার জন্য সরাসরি বিমানের অফিসে যোগাযোগ করুন।
ট্রেনের ওঠার সময় কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ইউএনওর পকেট থেকে মানিব্যাগ চুরি হয়েছে। গত ১০ দিনেও ব্যাগটি উদ্ধার করতে পারেনি রেলওয়ে পুলিশ।
ভৈরব রেলওয়ে জংশন স্টেশনে সিসি ক্যামেরা থাকা সত্ত্বেও ইউএনওর মানিব্যাগ চুরির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার ১০ দিন অতিবাহিত হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনটি এখন পকেটমারদের দখলে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন ট্রেনগুলো থামলে যাত্রীরা ট্রেনে ওঠার সময় এবং ট্রেনের ভেতরে মানিব্যাগ, ভ্যানিটি ব্যাগ, মোবাইলসহ স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাইকারী ও পকেটমাররা নিয়ে যাচ্ছে।
অনেক সময় ট্রেন স্টেশনে বিরতি দিয়ে ছাড়ার সময় জানালা দিয়ে ছিনতাইকারীরা মোবাইল, নারীদের স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। কোনো কোনো সময় পকেটমার, ছিনতাইকারীরা দৌড়ে পালানোর সময় পুলিশ বা জনতার হাতে ধরা পড়লেও বেশিরভাগ ঘটনায় অপরাধীরা নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর অনেকেই রেলওয়ে থানায় অভিযোগ করে না পুলিশি ঝামেলার কারণে।
জানা যায়, গত ২৬ জানুয়ারি দুপুরে আন্তঃনগর চট্টলা ট্রেনে বিশেষ কাজে ঢাকা যাওয়ার জন্য রেলওয়ে স্টেশনে আসেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান সবুজ। ইউএনওর নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরাও এ সময় সঙ্গে ছিলেন।
ট্রেন স্টেশনে পৌঁছার পর ইউএনও মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান সবুজ ট্রেনে ওঠার সময় তার পকেট থেকে মানিব্যাগ নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায় এক পকেটমার। পরে বিষয়টি জানানো হয় ভৈরব রেলওয়ে পুলিশকে। ঘটনার ১০ দিন অতিবাহিত হলেও এখনও পর্যন্ত মানিব্যাগটি উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
ভৈরবের ব্যবসায়ী আবদুল জলিল। গত কয়েক দিন আগে তার মানিব্যাগটিও ট্রেনে ওঠার সময় পকেটমাররা নিয়ে গেছে বলে জানান তিনি।
আসমা বেগম নামে এক নারী জানান, গত দুই মাস আগে আমি ঢাকা যেতে ট্রেনের সিটে বসি। ট্রেনটি ছাড়ার পর এক ছিনতাইকারী আমার গলার স্বর্ণের চেইনটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
সরকারি অফিসের কর্মকর্তা জুয়েল রহমান। তিনি বলেন, দুই সপ্তাহ আগে রেলস্টেশন থেকে আমার মানিব্যাগটি পকেটমাররা নিয়ে গেছে। মানিব্যাগে ৫ হাজার টাকা ও ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ছিল। পরে রেলস্টেশনের কর্তব্যরত পুলিশকে মৌখিকভাবে অভিযোগ করলেও মানিব্যাগটি এখনও উদ্ধার করতে পারেনি।
ভৈরব উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান সবুজ জানান, ট্রেনে ওঠার মুহূর্তে পকেট থেকে মানিব্যাগ নিয়ে যায়। ম্যানিব্যাগে ৫৫ হাজার টাকা, ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিড কার্ডসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল। ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।
এ ঘটনায় ভৈরব রেলওয়ে থানার ওসি ফেরদাউস আহাম্মেদ বিশ্বাস বলেন, ঘটনার পর কয়েকজন অপরাধীকে আটক করেছি। কিন্তু কেউ স্বীকার করছে না। রেলস্টেশনে পকেটমার ও ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য চলছে।
এ বিষয়ে তিনি জানান, যেখানে মানুষের ভিড় থাকে সেখানে পকেটমার, ছিনতাইকারীরা ওঁৎ পেতে থাকে। সুযোগ পেলেই ঘটনাটি ঘটায়। যাত্রীসহ সাধারণ মানুষকে এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। থানার সীমিতসংখ্যক পুলিশ দিয়ে সব অপরাধ দমন করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। ইউএনওর মানিব্যাগটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।