কুয়েতের জায়ান্ট পত্রিকা আল-রাই মিডিয়ার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে – আকামা নবায়ন করার জন্য ২ লাখ ৫৮ হাজার বাংলাদেশি রয়েছে কুয়েতে। এদের মধ্যে গৃহকর্মীর সংখ্যা ৮৬ হাজার (৯৯% পুরুষ)।
বাংলাদেশি প্রবাসীদের আকামা নবায়নে ব্যক্তির (যার আকামা) তার উপস্থিতি সহ তার ফিঙ্গার নেওয়ার প্রয়োজন হতো এছাড়াও বিভিন্ন বিবেচনার জন্য ফিঙ্গার নেওয়া হতো। যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল-
** কফিলের পরিচয় নিশ্চিতকরণ ** পাসপোর্ট বা জালিয়াতি নিশ্চিতকরণ ** অপরাধমূলক রেকর্ড যাচাই করা এবং করোনা মহামারীতে যাদের ফিঙ্গারের অভাবে যাদের নজির (রেকর্ড) রয়েছে তাদের সনাক্তকরণ।
🔴 সূত্রে আরো প্রকাশ করে বলা হয় সম্প্রতি কুয়েত থাকা বাংলাদেশি প্রবাসী যারা ২০২০ এবং ২০২১ সালে ফিঙ্গার দিয়ে আকামা নবায়ন করা হয়েছিলো তাদের ফিঙ্গার করা লাগবেনা এছাড়া বর্তমানে আকামা নবায়নের জন্য কফিলের সাথে গিয়ে বাংলাদেশি প্রবাসীদের ফিংঙ্গারের প্রয়োজন নেই, যদি পূর্বের ফিঙ্গার না করে থাকে উল্লেখিত গত দুই বছরের মধ্যে।
অর্থাত : ২০২০ এবং ২০২১ সালে যাদের ফিঙ্গার করা হয়নি আকামা নবায়নের সময় তাদের ফিঙ্গার করে তারপর আকামা নবায়ন করতে হবে।
কুয়েতের করোনা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান, ডঃ খালেদ আল-জারাল্লাহ বলেছেন যে, “ওমিক্রন” তরঙ্গের সর্বোচ্চ তীব্রতার বিপরীতে এবং উন্মুক্ততার আলোকে এর প্রতিক্রিয়া ধারণ করার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সাফল্য নিশ্চিত করেছেন।
কুয়েতের বর্তমান স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ”উন্নতির দিকে।
তিনি বলেছিলেন যে, টিকাদান কৌশল ক্লিনিকাল দখল, রোগের ভাইরাস এবং মহামারী তরঙ্গের সময় এর প্রভাব হ্রাস করার ক্ষেত্রে পার্থক্য তৈরি করেছে।
এবং তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে দায়িত্বশীল স্বাধীনতা এবং সামাজিক সংহতি সেই মূল্যবোধগুলির মধ্যে রয়েছে যা তরুণদের মধ্যে প্রচার করা উচিত
কুয়েত সিটি, ০৭ ফেব্রুয়ারী: কুয়েত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় আবাসিক বিষয়ক বিভাগকে নির্দেশ জারি করেছেন যাতে বাংলাদেশী কর্মীদের একামা নবায়নের সময় আঙ্গুলের ছাপ নথিভুক্ত করার থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
৮৬,০০০ গৃহকর্মী সহ প্রায় ২৫৮,০০০ বাংলাদেশি রয়েছে, ৯৯% পুরুষ। পূর্বে বাংলাদেশী নাগরিকদের অপরাধমূলক রেকর্ড যাচাই করার পাশাপাশি জালিয়াতি এড়াতে পাসপোর্টে উল্লিখিত ব্যক্তির সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করতে তাদের আঙ্গুলের ছাপ নথিভুক্ত করতে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকতে হতো।
মহামারীর সময় একামা নবায়ন অনলাইনে প্রয়োগ করা হয়েছিল যা এই পদ্ধতিটিকে কঠিন করে তুলেছিল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি নির্দেশ জারি করেছেন যে যাদের আগে ২০২০ইং – ২০২১ ইং সালে ফিঙ্গারপ্রিন্ট করা হয়েছে তাদের একামা নবায়ন করতে নতুন করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রয়োজন হবে না।
ইউক্রেনকে ঘিরে ইউরোপে উত্তেজনা এখন চরমে। এর একদিকে আছে রাশিয়া, যারা ইউক্রেনের সীমান্তে লাখখানেক সেনা সমাবেশ ঘটিয়েছে বলে দাবি পশ্চিমা দেশগুলোর।
এর পালটা ন্যাটো জোটও তাদের সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে। গত কয়েক দশকের মধ্যে এই প্রথম ইউরোপ আবার একটি বড় আকারের যুদ্ধের মুখোমুখি হচ্ছে এমন শঙ্কা অনেকেরই।
এ পরিস্থিতিতে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্য আরও ভয়াবহ। তারা সতর্ক করে জানিয়েছে, আক্রমণের দুদিনেই ইউক্রেন দখল করতে সক্ষম হবে রাশিয়া।
সেই সঙ্গে রুশ সেনাদের আক্রমণে প্রাণ হারাবে দেশটির কমপক্ষে ৫০ হাজার বেসামরিক লোক।
আক্রমণের লক্ষ্যে নিজেদের ৭০ শতাংশ প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে রাশিয়া, দাবি মার্কিন কর্মকর্তাদের। রাশিয়াকে রুখতে পোল্যান্ড পৌঁছেছে মার্কিন সেনাদের প্রথম দল। ডেইলি মেইল।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে, পুতিন পশ্চিমকে সতর্ক করার জন্য একটি পারমাণবিক মহড়ার পরিকল্পনা করছেন। শুধু তাই নয়, রুশ সেনাদের আক্রমণে দুদিনেই পরাস্ত হবে ইউক্রেন এবং এই অল্প সময়ের মধ্যেই দেশটির অর্ধলাখ লোক মারা যাবে এবং প্রায় ৫০ লাখ লোক শরণার্থীতে পরিণত হয়ে মানবিক সংকটে পতিত হবে বলে সতর্ক করেছেন গোয়েন্দারা।
ইউক্রেন সংকটের একটি কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা দিন দিন ক্ষীণ হয়ে আসায় এ ধরনের বিশ্লেষণাত্মক উপসংহারে পৌঁছেছে তারা। ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন রাশিয়া আগামী সপ্তাহে একটি বড় পারমাণবিক অস্ত্রের মহড়া চালাতে যাচ্ছে-যেন পুতিনের ইউক্রেন আক্রমণে ন্যাটো হস্তক্ষেপ না করে।
মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা মার্ক মিলি বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি ওই অনুশীলন শুরুর পরিকল্পনা করছেন পুতিন।
রাশিয়া সাধারণত শরতে তার বার্ষিক পারমাণবিক মহড়া চালায়। তবে আমেরিকা বিশ্বাস করে পুতিন রুশশক্তি প্রদর্শনের জন্য সেই কর্মসূচি এগিয়ে এনেছেন।
এদিকে, ন্যাটো সতর্ক করেছে বেলারুশে ৩০ হাজার সৈন্যসহ পরমাণুসক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের সমাবেশ ঘটিয়েছে রাশিয়া।
ন্যাটোর জেনারেল সেক্রেটারি জেনস স্টলটেনবার্গ চলতি সপ্তাহের শুরুতে বলেছিলেন রাশিয়া ইতোমধ্যে স্পেটসনাজ বিশেষ বাহিনীসহ হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করেছে, যাদের সঙ্গে রয়েছে পারমাণবিক ইস্কান্দার ক্ষেপণাস্ত্র, ফাইটার জেট এবং এস-৪০০ অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট সিস্টেম।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করেছেন ইউক্রেনে পুরোদমে হামলার উদ্দেশ্যে ৭০ শতাংশ সামরিক সক্ষমতা জড়ো করেছে রাশিয়া।
তবে নিজেদের এই মূল্যায়নের পক্ষে তেমন কোনো প্রমাণ হাজির করেননি মার্কিন কর্মকর্তারা। মধ্য ফেব্রুয়ারিতে মস্কো আরও ভারী অস্ত্রের সমাগম ঘটাবে বলে দাবি তাদের।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, রুশ-ইউক্রেন সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই শনিবার পোল্যান্ডে পৌঁছেছে মার্কিন সেনাদের প্রথম দল। পূর্ব ইউরোপে ন্যাটো মিত্রদের শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই তাদের সেখানে পাঠানো হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব পোল্যান্ডের রেজেসো সামরিক ঘাঁটিতে পৌঁছেছে মার্কিন সেনারা।
পোল্যান্ডের সামরিক সূত্র জানিয়েছে, ছোট একটি বিমানে ইউক্রেন-পোল্যান্ড সীমান্তসংলগ্ন ঘাঁটিতে অবতরণ করেছে এই সেনারা। একটি টিভি ফুটেজে দেখা গেছে, নিকটবর্তী শহর জাসিওনকায় সেনাদের জন্য অস্থায়ী ক্যাম্প তৈরি করা হচ্ছে।
ব্রিটেন-ফ্রান্স আলোচনা : ইউক্রেন ইস্যুতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গে শনিবার ফোনে কথা বলেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
ফরাসি প্রেসিডেন্টের দপ্তরের এক বিবৃতিতে ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। রয়টার্স। রুশ-ইউক্রেন বিদ্যমান সংকট নিরসনে আলাপ আলোচনা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এই দুই নেতা।
রুশ হামলা বন্ধের দাবিতে ইউক্রেনে বিক্ষোভ : ইউক্রেনের সীমান্তশহর খারকিভের রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ রাশিয়ার হামলা বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন।
এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়া কয়েক হাজার সেনা মোতায়েন করেছে। রোববার রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে ‘খারকিভ ইজ ইউক্রেন’, ‘ইউক্রেনে হামলা বন্ধ করো’ লেখা ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেয় জনতা।
এই শহরটি ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং রাশিয়ার সীমান্ত থেকে মাত্র ৪২ কিলোমিটার (২৬ মাইল) দূরে।
৯. মৃতদেহের যে সমস্ত পৃষ্ঠে ক্লোরিন মিশ্রিত করা হয়েছিল প্রতি মিলিয়নে ৫০০ অংশে তা জীবাণুমুক্ত করা।
১০. স্বাস্থ্য কর্মীদের আইসোলেশন কক্ষে প্রবেশের আগে তাদের প্রতিরক্ষামূলক পোশাক সরিয়ে ফেলতে হবে এবং তাদের হাত ভালভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে।
১১. পরিবারের সদস্যদের শুধুমাত্র দেখার জন্য মৃত ব্যক্তির ব্যাগের মুখ খোলা থাকবে। শরীর বা শরীরের চারপাশের উপরিভাগ স্পর্শ না করা এবং এক মিটার দূরত্ব বজায় রেখে লাশ দেখা। এবয় মর্গ থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে আগে হাত ধোয়া।
১২. গোসলের সময় ও কাফনের সময় মৃতব্যক্তির মুখ, চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন।
১৩. ব্যক্তিরা তাদের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষামূলক পোশাকগুলি কাজ সম্পন্ন করার সাথে সাথেই ফেলে দিতে হবে এবং সাবান পানি দিয়ে ভালভাবে হাত পরিষ্কার করে নিবে (জীবাণুনাশক)।
১৪. যে ব্যক্তি কবরে লাশ নামাবে তাকে অবশ্যই গ্লাভস এবং একটি এপ্রোন পরিধান করতে হবে। গ্লাভস অপসারণের সাথে সাথে সাবান ও পানি দিয়ে ভালভাবে হাত ধুতে হবে।
দেশে করোনায় আরো ২৯ জনের মৃত্যু। মোট প্রাণহানি ২৮,৫৮৯ জন। নতুন নমুনা পরীক্ষা ৩৮,৮২১ জন। নতুন রোগী ৮,৩৪৫ জন। গত ২৪ ঘন্টার পরীক্ষায় শনাক্তের হার ২১.৫০ শতাংশ। মোট শনাক্ত হয়েছে ১৮,৬১,৫৩২ জন। গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ ৮,১৫৯ জন। মোট সুস্থ ১৬,০২,৫৫০ জন।
ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় কর্নাটক রাজ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মুসলিম ছাত্রীদের হিজাব পরা নিয়ে বিতর্কের জেরে রাজ্য সরকার ‘আইন বিঘ্নকারী’ সব পোশাক নিষিদ্ধ করে আদেশ জারি করেছে।
শনিবার এক সরকারি অধ্যাদেশের মাধ্যমে এই আদেশ জারি করা হয়।
অধ্যাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘সমতা, অখণ্ডতা ও আইনকে বিঘ্নকারী’ যেকোনো পোশাককেই নিষিদ্ধ করা হয়।
এতে বলা হয়, ‘কর্নাটক এডুকেশন অ্যাক্ট-১৯৮৩-এর ১৩৩ (২) ধারা অনুসারে বাধ্যতামূলকভাবে যে কোনো একপ্রকার ইউনিফর্ম পরতে হবে। প্রাইভেট স্কুলের প্রশাসন তাদের পছন্দমতো ইউনিফর্ম বেছে নেবেন।’
এতে আরো বলা হয়, ‘যদি প্রশাসন কোনো ইউনিফর্ম ঠিক করে না দেয়, তবে এমন পোশাক পরা উচিত হবে না যা সমতা, অখণ্ডতা ও আইনশৃঙ্খলাকে বিঘ্ন করে।’
অধ্যাদেশে আরো বলা হয়, ‘শিক্ষা বিভাগ লক্ষ্য করেছে কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছেলে-মেয়েরা তাদের ধর্ম অনুসারে আচরণ শুরু করেছে, যা সমতা ও ঐক্যকে বিঘ্ন করে।’
কর্নাটকে সম্প্রতি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মুসলিম ছাত্রীদের হিজাব পরে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে বাধা দেয়া হচ্ছে। এই জেরে পুরো কর্নাটকেই মুসলিম শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছেন।
অপরদিকে মুসলিম শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের জেরে একদল হিন্দু শিক্ষার্থী গেরুয়া শাল পরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস করতে যাচ্ছেন।
শনিবার কর্নাটকের উদুপি জেলার কুনদাপুরে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের হিন্দু শিক্ষার্থীদের তাদের ইউনিফর্মের উপরে গেরুয়া শাল জড়িয়ে ‘জয় শ্রি রাম’ স্লোগান দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিকে যেতে দেখা যায়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মুসলিম শিক্ষার্থীদের হিজাব পরা নিয়ে বিতর্কের জেরে কর্নাটকের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধীদল ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতা সিদ্দারামাইয়া ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ও হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘকে (আরএসএস) সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর জন্য অভিযুক্ত করেন।
তিনি বলেন, ‘সংবিধানে যেকোনো ধর্মের অনুশীলনের সুযোগ দেয়া হয়েছে যার অর্থ ধর্মীয় বিধান অনুসারে যেকেউ যেকোনো পোশাক পরতে পারবে। হিজাব পরা ছাত্রীদের স্কুলে প্রবেশে বাধা তাদের মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন।’
অপরদিকে বিজেপির কর্নাটক রাজ্য প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট সদস্য নলিন কুমার কাতিল জানান, সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাবের অনুমোদন করবে না এবং স্কুলের নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিশ্চিতে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
তিনি বলেন, ‘রাজ্যে বিজেপি সরকার রয়েছে, হিজাব বা এই সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়েরই স্থান নেই। স্কুল মা সরস্বতীর মন্দির, সেখানের আইন ও নিয়ম সবারই পালন করতে হবে। ধর্মকে সেখানে নিয়ে যাওয়া সঠিক নয়, শিক্ষার্থীদের সেখানে প্রয়োজন শিক্ষা। যদি কেউ নিয়ম মানতে না পারে, তারা যেনো তাদের পথ দেখে।’
এর আগে চলতি বছর জানুয়ারিতে প্রথম উদুপির সরকারি পিউ গার্লস কলেজে প্রথম হিজাব পরে ছয় মুসলিম ছাত্রীকে ক্লাস করতে বাধা দেয়া হয়। পরে বুধবার নতুন করে কুনদাপুর সরকারি জুনিয়র কলেজে মুসলিম ছাত্রীকে হিজাব পরে ক্যাম্পাসে প্রবেশে বাধা দেয়ার মাধ্যমে কর্নাটকের দ্বিতীয় এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব পরার কারণে বাধার ঘটনা ঘটে। পরে আরো বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব পরে মুসলিম ছাত্রীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশে বাধা দেয়া হয়।
আমি যখন লেখাটি লেখছিলাম, চোখের সামনেই এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান কুয়েতের রানওয়ে ছেড়ে উড্ডয়ন করেছিল, গন্তব্য ভারতের কোন এয়ারপোর্টে। যেহেতু যাত্রীবাহী, নিঃসন্দেহে বলা যায় বিমানের যাত্রী ম্যাজোরিটি অভিবাসী ভারতীয় শ্রমিক।
এরা ও কুয়েত থেকে দেশে যাচ্ছে, আমরা ও যায়, প্রকারান্তে গন্তব্যের দুরত্ব অল্প ই ফারাক থাকে। দুরত্ব আর গন্তব্যের ব্যবধান অল্প হলে ও, টিকিটের দামের ক্ষেত্রে আমাদের ধারে কাছে ও নেই কেউ! আকাশচুম্বী দামে আমরা চ্যাম্পিয়ন ….
দেশী বা রাষ্ট্রীয় এয়ারলাইনসের সেচ্ছাচারি, অমানবিক ও অন্যায্য – জুলুম দামে বাড়ানোর ফলে বেসরকারি বা অন্যান্য প্রাইভেট এয়ারলাইনস গুলো ও প্রবাসীদের গলা চেপে ধরেছে! কি একটা অবস্থা ….
এইসব দেখার ও যেন কেউ নেই, সিন্ডিকেটের কাছে দেশ, সমাজ, রাষ্ট্র সব যেন অসহায়! আমাদের কোটির উপরে নাগরিক প্রবাসী, অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের টিকিটের দাম কম হওয়ার কথা ছিল, অথচ আমাদের প্রবাসীরাই এমন অমানবিক ও অন্যায়ের শিকার / ভুক্তভোগী হচ্ছেন।
আমরা টিকিটের দামের শিঘ্রই একটা বিহিত চাই, আমরা চাই দাম নাগালের মধ্যে আসুক।